আমার প্রিয় পোস্ট
- মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট (MRP) - এখুনি করিয়ে নিন! - ডিসকো বান্দর
- বাংলাতে উইন্ডোজ এক্সপি - শরীফ মরকার
- ইউএসবি/পেন ড্রাইভ থেকে ইনস্টল করুন উইন্ডোজ সেভেন/ ভিস্তা - জর্জিস
- PDFZILLA ডাউনলোড করুন করুন ফ্রী তে, সময় সীমিত। PDF থেকে কনভার্ট করুন ঝামেলা ছাড়াই…. - অলি উর রহমান
- বিদেশে উচ্চশিক্ষা: GRE নিয়ে আরেকটু টুকটাক টিপস
(পর্ব-৩)
- মেঘলা মানুষ
- চলেন এইবার নেট থেকে কিভাবে ফ্রী কল করা যায় সেইটা হ্যাক করি - হাসান জোবায়ের
- ডিজিটাল ক্যামেরা ও ফটোগ্রাফি বিষয়ক পোস্টগুলোর সংকলন - টি. জাহান চৌধুরী
- গ্রামীন মডেম দিয়ে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের জন্য একটি দারুন প্লাগইনস - হা...হা...হা...
- ( বিলম্বিত ) রিভিউ - গ্রহচারী , সায়েন্স ফিকশান সংকলন - বোহেমিয়ান কথকতা
- হুমায়ুন আহমেদের ১৪৮ টি বইয়ের বিশাল সমগ্র [রিপোস্ট] লিংকসহ ঠিক করে দিলাম - বখতিয়ার হোসেন
- দ্বিতীয় বিপ্লব বা বাকশাল : শুনুন বঙ্গবন্ধূর মুখেই - অমি রহমান পিয়াল
- ~ উইন্ডোজ সেভেন এক্টিভেশন ক্র্যাক (আর.সি. সাপোর্টেড) ~ - পাপী
- সামুর জন্য ইমেইজ আপলোডার - কমেন্টে ছবি আপলোড!
[আপডেট ১.৫] - আমড়া কাঠের ঢেকি
- রিভিউ অথবা ওভারভিউ : : গ্রহচারী # মুহম্মদ জায়েদুল আলম - হিমালয়৭৭৭
- লেখা দিন : সবুজ অঙ্গন ব্লগীয় সাহিত্য-২০১১ - সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই
- সেকেন্ডারিতে যারা শেয়ার ব্যাবসা করতে চান , তাদের জন্য লিখা। **নবীন শেয়ার ব্যাবসায়ীদের বলছি। - কগচডড
- ফটোগ্রাফীর টুকিটাকি (রাতের ছবি) -১ - কালপুরুষ
- ভালবাসার গল্প সঙ্কলন ২০১০ - লেখা আহবান - ~স্বপ্নজয়~
- বৈজ্ঞানিক কল্পগল্প সংকলন - ২০০৯ (একটি রিভিউ ও কিছু কথা) - কঁাকন
- পিডিএফ(Pdf)তৈরী-ওয়ার্ডে রূপান্তর,ইউটিউব ভিডিও ডাউনলোড-আপলোড,ওয়েব পেজের স্ক্রিনশর্ট,ইউনিকোড কনভার্ট,হট কী,আইকন পরিবর্তন - মাসুদ চৌধুরী
- কমিকস গুলো নিয়ে গেলো ছোট বেলায়
- হাসান তারেক
- নবীন লেখকলেখিকাদের জন্য :: কীভাবে বই বের করবেন - সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই
- পবিত্র কাবা শরীফ এর ভিতরের বিরল দৃশ্য। - নীলপদ্দ
- কল্পনায় অনধিকার চর্চা - শ।মসীর
- ২০৫৯ : পৃথিবীর শেষ সাই-ফাই... ( ইহা কোন কল্প গল্প নয়, ইহা স্রেফ সাই-ফাই সিজার কে উৎসর্গকৃত
) - রোহান
- ক্যামেরা কিনবেন কে কে ? - নক্ষত্রের কান্না
- একটি চরম বাটপাড়িমূলক পোষ্ট!!! - জেনুইন করুন আপনার প্রায় সকল প্রকার উইন্ডোজ(উইন্ডোজ এক্সপি, উইন্ডোজ ভিসতা এবং উইন্ডোজ সেভেন)। - নির্ভয় নির্ঝর
- যেসব সিনেমাখোররা অ্যানিমেশন মুভি দেখেন না তাঁদের জন্য একটি প্রেসক্রিপশন - অপরিচিত_আবির
- Craagle দিয়ে খূজে বাহির করুন যেকোন সফটওয়্যারের ক্র্যাক/সিরিয়াল নাম্বার(জটিল জিনিস) - ত্রিকাল
- মেয়েরা কেন চলে যায়? - পদ্ম পুকুর
- সোনালী দিন - আহমেদ রাকিব
- অপেক্ষা কল্প-গল্প - পারভেজ
- ফ্রি মুভি ডাউনলোড - দুঃখবিলাস
- আমার সময়ের ব্যবচ্ছেদ, সাথে প্রার্থনাদ ..আর শুভ নববর্ষ ... - সাঁঝবাতি'র রুপকথা
- শব্দ-রাজ্যে অভিযান (১): Sadist ! - ম্যাভেরিক
- তারার ফুল (কল্পগল্প) - (অ)গাণিতিক
- ছোট গল্পঃ মৃত্যু ভালোবাসা ছাড়া আর কিছুনাই - আমি ও আমরা
- একটি প্রার্থনা - পারভেজ
- Seven Amazing Holes! - মানুষ পাখি
- জিমেইলের সেরা কিছু ফিচার যার জন্য জি-মেইল ব্যবহার করবেন (আর.এস.এস পড়ুন মেইল বক্স থেকে) - ১ - পাপী
- ভাষা দিবস ও শহীদ মিনার নিয়ে কিছু ঐতিহাসিক উপাত্ত - অমি রহমান পিয়াল
- আপনি কি মনে করেন আপনার ভাগ্য ভালো নাহ? (বাংলা) - গিফার
- জঙ্গলরাজ্যে অমঙ্গল - ফারহান দাউদ
- যুদ্ধবিষয়ক সিনেমা : হৃদয়ে দাগ কেটে যাওয়া ৫ টি মুভি (মহান মার্কিন সেনাদের বোরিং গুণগান বর্জিত) - মেহরাব শাহরিয়ার
- বাংলা বই ডাউনলোড করার জন্য লিঙ্ক চাই - মাহবুব মোর্শেদ
- এসেছে Google Earth 5 - ঘুরে আসুন সাগর তলদেশ, মঙ্গল গ্রহ আর অতীত থেকে - নাফিস ইফতেখার
- সকল ব্লগারের নামের লিস্ট ও লিংক এক জায়গায় জড়ো করা হচ্ছে, আপনারা সহযোগীতা করুন - বহুরূপী মহাজন
- যুদ্ধ অপরাধির বিচারের দাবিতে পোস্টার ডিজাইন চাই - মেঠোজন
- সামহয়ারইন দেখুন আপনার মোবাইল থেকেই!
- দুর্লভ
- প্লীজ ঘুম হয়ে যাও চোখে... ... আমার মন খারাপের রাতে - ভাঙ্গা পেন্সিল
- আমার অবাক হওয়ার বাকি - ভাঙ্গা পেন্সিল
- আফ্রিকা মহাদেশের অপার সৌন্দর্য [ছবি] - নামহীনা
- যারা আইবিএ-তে ভর্তি পরীক্ষা দিবেন তাদের জন্য উপদেশনামা!! - নরাধম
...ক্ষুদ্র আশা নিয়ে রয়েছে বাচিয়া,সদাই ভাবনা,
যা কিছু পায়, হারায়ে যায়, না মানে স্বান্তনা...

একাকী নভোযাত্রী
০৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:১৯
![]()
১.
মেইন কন্ট্রোল রুমের সাথে যোগাযোগ সম্পূর্ণ ভাবে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবার কিছু পরেই নিহি’র খুব খারাপ লাগতে থাকে। এতোক্ষন তাও কথা বলার মতো সত্যিকারের মানুষ ছিলো। যদিও চার দশমিক সাত আলোকবর্ষ দূর থেকে নিহিকে সাহায্য করার মতো কোন সুযোগই তখন তাদের ছিলো না। তবু কন্ট্রোলরুমে বসে থাকা প্রফেসর রাহাত আর তার সাথে সহযোগীতা করা বারো জন সহকর্মীর সাথে কথা বলার সুযোগটাতো ছিলো। কিন্তু এখন সব সুনসান। মাহাকাশের নিশব্দতার মাঝে কেবল মহাকাশযানে হালকা ইঞ্জিনের শব্দ শোনা যাচ্ছে। নিহি উঠে মহাকাশ যানের জানালাটা দিয়ে একবার বাইরে তাকালো। অসংখ্য নক্ষত্র রাজির মাঝে চিরচেনা সৌরজগৎটাকে খুঁজলো হয়তো। যেখানে ফিরে যাবার আর কোন সুযোগই তার কাছে খোলা নেই।
ছয় আলোকবর্ষ দূরে পানি আর মানুষ বসবাসের উপযোগী একটি গ্রহের সন্ধান পাওয়ায় নিহিকে পাঠানো হয়েছিলো এই মহাকাশ অভিযানে। তার সাথে আরো ছিলো রুহান আর প্রশু। তিনটি হাইপার স্পেস ডাইভ দিয়ে সময় সংকোচন পদ্ধতিতে তাদের পৌঁছে যাবার কথা ছিলো গন্তব্যে। কিন্তু দ্বিতীয় হাইপার ডাইভ টি দেবার পরই এক অজানা কারনে মহাকাশযানের প্রধান অতিশক্তিশালী অ্যান্টিমেটার ইঞ্জিনটিতে সমস্যা দেখা দেয়। সেই দুর্ঘটনায় মারাত্মক ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয় নিহি’র মহাকাশ যানটি। রুহান নিহত হয় আর মারাত্মক ভাবে আহত হয়ে তিন দিনের মাথায় শীতলীকরন চেম্বারে মৃত্যু হয় প্রশু এর। সেই থেকে একা নিহি মহাকাশযানের প্রধান কম্পিউটার এনসিসি এর সাথে কাজ করে যাচ্ছে কোনভাবে এই মহাকাশযানটিকে ঠিক করে অন্তত পৃথিবীতে ফিরে যাবার উপযোগী করে তুলতে। কিন্তু দুর্ঘটনায় মহাকাশযানটি এতই মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে যে আর কোন হাইপার ডাইভ তো দূরের কথা, নিজের অক্ষ ঠিক রেখে এগিয়ে চলতেই প্রায় অক্ষম এটি। নিজের নিউট্রিনো কালেক্টর দিয়ে মহাজাগতিক কনাকে জ্বালানী হিসেবে ব্যবহার করে এটি হয়তো অনন্তকাল মহাকাশে কোনভাবে চলতে পারবে, কিন্তু কোন ভাবেই রিভার্স হাইপারডাইভ দিয়ে পৃথিবীতে ফিরে যেতে পারবে না।
মেইন কম্পিউটারের ইন্টারফেসটা অন করে নিহি এনসিসি এর সাথে যোগাযোগ করলো।
-এখন কি করবো এনসিসি? ফেরে যাওয়ার আর কোন পথই তো খোলা রইলো না।আর কোনদিনই পৃথিবীতে ফিরে যেতে পারবো না।
-মহামান্যা নিহি,আমরা আর কোনদিনই পৃথিবীতে ফিরে যেতে পারবো না এটা ঠিক না। আমার হিসেব মতে মাত্র আটশো পয়ত্রিশ বছর পরে আমরা পৃথিবীতে ফিরে যেতে পারবো যদি আমরা এই গতিতে চলতে থাকি।
-আটশো পয়ত্রিশ বছর তোমার কাছে মাত্র মনে হতে পারে, কিন্তু আমার কাছে সেটা অনেক। এমনকি শীতল ঘরে ঘুমিয়ে থাকলেও আমি বড়জোর তিনশ বছর বাঁচবো। সুতরাং কার্যত আমি আর কোনদিনই পৃথিবীতে ফিরে যেতে পারছিনা এটাই হলো বাস্তবতা।
-আমি অত্যন্ত দুঃখিত মহামান্যা নিহি, এটা অত্যন্ত নির্মম সত্য যে আপনি আর কোনদিনই পৃথিবীতে ফিরে যেতে পারবেন না।
নিহি একবার দীর্ঘশ্বাস ছাড়লো। এখন মাহাশূণ্যের এই নির্জন পরিবেশে তাকে একাকী পরিবেশে একা বেঁচে থাকতে হবে। চাইলে সে শীতল ঘরে ঘুমিয়ে তার বাকিটা জীবন কাটিয়ে দিতে পারে। ঘুমের মাঝেই তার বার্ধক্য আসবে, তারপর একদিন ঘুমের মাঝে মৃত্যু হবে। কিন্তু শীতল ঘরে ঘুমিয়ে পড়া মানেই তার জীবনের শেষ এটা ভেবেই এই ছোট্ট জীবনটার প্রতি তার মায়া হতে থাকে। যে কয়টা দিন বেঁচে থাকবে সে কয়টা দিন এভাবেই এক কাটিয়ে দেয়াটাই তার কাছে যুক্তিযুক্ত মনে হয়। সিদ্ধান্তটা নিয়ে সে আবারো এনসিসি এর সাথে যোগাযোগ করে।
-এনসিসি, মহাকাশযানে কি আরো ষাট সত্তর বছর আমাকে বাচিয়ে রাখার মতো অক্সিজেন আর প্রয়োজনীয় রসদ আছে?
-জ্বী মহামান্যা নিহি। আপনি চাইলে আরো একশ বিশ বছর সাত মাস তের দিন বেঁচে থাকতে পারবেন এই মহাকাশ যানে। তবে আপনার জন্য যুক্তিযুক্ত হবে এখনি শীতল ঘরে চলে যাওয়া যাতে এই দীর্ঘ একঘেয়ে জীবন আপানার মানসিক একাকীত্ব তৈরী করতে না পারে। নয়তোবা আপনি মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেরতে পারেন।
-না এনসিসি, আমি এই ছোট্ট জীবনটাকে এখনি শেষ করে ফেলতে চাই না। যতদিন সম্ভব বেঁচে থাকতে চাই একা হলেও।
-মহামান্যা নিহি, এটা অত্যন্ত অযৌক্তিক কাজ।
-আমি জানি, এটা অযৌক্তিক, তারপরও আমি এটাই করতে চাই।
২.
নিহি নিজের থাকার জায়গাটা গুছিয়ে নিলো। বাকিটা জীবন তাকে এখানেই কাটাতে হবে। তাই দীর্ঘদিন বসবাসের উপযোগী করে নিলো দূর্ঘটনায় প্রায় ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়ে যাওয়া মহাকাশযানটিকে। এরপর সে মনোযোগ দিলো কেভাবে সে তার সময়টুকু কাটাবে সেটা ঠিক করতে। মহাকাশযানের ডিজিটাল লাইব্রেরীতে রাখা হাজার খানেক ম্যাগনেটিক ডিস্ক সে পরের তিনমাসেই পড়ে শেষ করে ফেললো। মাহাকাশযানের খোলা ডেকে বসে তার কেটে যায় অনেকটা সময়। তারপরও নিহির ইচ্ছে হয় একজন সত্যিকারের মানুষের সাথে কথা বলতে। যে তার মনের কথা বুঝবে। যে তার একাকীত্বের সঙ্গী হয়ে তার সময়টুকু কাটাতে তাকে সাহায্য করবে।
সে প্রায়ই এন সিসি এর সাথে কথা বলে। কিন্তু মাহাকাশযানের নিয়ন্ত্রন আর টেকনিক্যাল ব্যাপার গুলো ছাড়া আর কোন ব্যাপারেই কোন কথায় এনসিসি এগুতে পারে না। কেননা তাকে তৈরীই করা হয়েছে এভাবে। যখনই নিহি মন খারাপ করে তার একাকী মনের কথা বলতে চায়, এনসিসি চুপ করে থাকে। আর একটু পর পরই আমি অত্যন্তু দুঃখিত মহামান্যা নিহি,আমি অত্যন্তু দুঃখিত মহামান্যা নিহি এই কথা বলতে থাকে। নিতান্তই যান্ত্রিক গলায় তাও সে তার কৃত্রিম দুঃখের কথাটা প্রকাশ করে। তবু এই নিঃসঙ্গ অবস্থায় নিহি’র সেটাই ভালো লাগে। তার প্রায়ই মনে হয় ইস যদি এনসিসি চতুর্থ প্রজন্মের রোবটগুলোর মতো আবেগ অনুভুতি সম্পন্ন হতো। পৃথিবীতে এমন কিছু রোবট বর্তমানে বাজারজাত করা হয়েছে। যেগুলো কিনা মানুষের মতো অনুভুতি প্রবন। কিন্তু মহাকাশযানের নিয়ন্ত্রক কম্পিউটারে সেটা সংযোজনের কোন কারনই নেই।
চারমাস পনেরোদিনের দিন নিহি মহাকাশ যানের লাইব্রেরীতে কৃত্রিম আবেগ সম্পর্কিত একটি ডিজিটাল ডিস্ক পেয়ে গেলো। সে খুব দ্রুত পুরো ডিস্কটি পড়ে ফেললো। সেখানে কিভাবে একটি কম্পিউটারের লজিকে কৃত্রিম আবেগ অনুভুতি তৈরী করা যায় সেই বিষয়টিই বিস্তরিত আছে। নিহি নিজে একজন মহাকাশ বিজ্ঞানী হলেও তার গ্রাজুয়েশন ছিলো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উপর। তাই পুরো বিষয়টি বুঝতে তার তেমন কোন কষ্টই হলো না। পুরো ডিস্কটি পড়ে তার মাথায় একটা বুদ্ধি আসলো। যদি এনসিসিকে অনুভুতি প্রবন করা যায়। যদি এনসিসি এর মাঝে কৃত্রিম আবেগ তৈরী করা যায়।
এরপর থেকে রাতদিন নিহি একটাই কাজ করে গেলো, সেটা হলো এনসিসি এর ডাটাবেস আর লজিক্যাল পরিবর্তন করে তারমাঝে কৃত্রিম আবেগ জনিত বুদ্ধিমত্তার প্রকাশ ঘটানো। যদিও এজন্য তাকে মহাকাশযানের নিয়ম ভাঙতে হয়েছে। মূল কম্পিউটারের লজিক লেভেলে পরিবর্তন করা মহাকাশ যাত্রার ক্ষেত্র অষ্টম এবং সর্বোচ্চ অপরাধ। এমনকি এজন্য মূল কম্পিউটারের একটা অংশকে দুবার বন্ধও করতে হয়েছে। কিভাবে যে তিনটি মাস কেটে গেলো নিহি’র নিহি তা নিজেও বলতে পারবে না। রাত দিন বলতে কোন ফারাক নেই মহাকাশে, তবুও পৃথিবীর হিসেবে কতরাত যে ঘুমায় নি নিহি তার হিসেব নেই।
অবশেষে আসলো সেই কাঙ্খিত দিন।সর্বশেষ পরিমার্জনটুকু করে নিহি শেষবারের মতো এনসিসি এর লজিকাল সিস্টেমকে রিস্টার্ট করলো।
৩.
-এনসিসি ,শুনতে পাচ্ছ?
- জ্বী নিহি, আমি শুনতে পাচ্ছি।
নিহির মুখে হাসি ফুটলো। এনসিসি আর এবার মহামান্য জুড়ে দেয় নি তার নামের সাথে।
-তোমার কেমন লাগছে এনসিসি?
-ভালো। তবে কেমন যেন একটা শূণ্যতা শূণ্যতা বোধ হচ্ছে।
নিহি’র ইচ্ছা হলো আনন্দে একটা লাফ দিয়ে এনসিসিকে জড়িয়ে ধরে। কিন্তু এনসিসি তো আর কোন বস্তু নয় যে তাকে জড়িয়ে ধরবে। কেবল মাত্র একটা সাউন্ড ইন্টারফেসের মাধ্যমে তার যোগাযোগ নিহির সাথে। নিহি’র এতোদিনের চেষ্টা সফল হয়েছে। এনসিসি এর মাঝে সে অনুভুতির জন্ম দিতে পেরেছে।
-এনসিসি, তোমার একটা নাম দেয়া দরকার। এনসিসি নামে কাউকে ডাকতে আর ভালো লাগে না।
-নাম? দারুন হবে নিহি, আপনি আমাকে একটা নাম দিলে। আমিও ভাবছিলাম ইস আমার যদি একটা নাম থাকতো।
কি নাম দেয়া যায়। নিহি ভাবতে লাগলো।
-আচ্ছা, আজ থেকে তোমার নাম তাহলে এরস।এরস মানে জানো তো?
-জানি। এরস ভালোবাসার দেবতা।
-দারুন, আজ থেকে তুমি এরস।
এরপর এরসের সাথে কথা বলতে বলতে নিহির সময় কেটে যায়। সে খুব অবাক হয়ে লক্ষ্য করে এরসের মাঝে ধীরে ধীরে একটা ব্যক্তিত্বের বিকাশ হচ্ছে। ঠিক যেমনটা কোন মানুষের হয়। নিহির অবাক লাগে এরসের ভালো লাগা, মন্দ লাগা , তার অনুভুতি বুঝতে পারা এসব কিছু। নিজের হাতে তৈরী, তারপরও নিহি খুব অবাক হয়ে লক্ষ করে এরসের চিন্তা চেতনার পরিপক্ক হয়ে উঠা।
৪.
-এরস আমাকে তোমার কেমন লাগে?
-খুব খুব খুব ভালো লাগে। মনে হয় তোমার জন্য আমি সব কিছু করতে পারবো।তুমি খুব দারুন একটা মেয়ে।
-তুমি কি জানো, ছোট বেলা থেকে আমাকে কেউ এভাবে বলে নি। আমি কেবল ছুটেছি সফলতার দিকে। কখনো ইচ্ছে হয় নি কারো কাছ থেকে এমন কিছু শোনার। কেবল চেয়েছি একদিন অনেক বড় হবো। সেই বড় হয়েছে। এক গ্রহ থেকে অন্য গ্রহে ঘুরে বেরাই। কিন্ত আজ এই একাকী পরিবেশে তোমার কাছ থেকে যেভাবে সঙ্গ পেয়েছি মনে হয় আর কারো কাছ থেকে কখনো পাই নি।
-নিহি তুমি মন খারাপ করো না। আমি তোমাকে আজীবন এভাবেই সঙ্গ দিয়ে যাবে। হয়তো সত্যিকারের মানুষের মতো তোমার হাত ধরে নক্ষত্র বিথী দেখতে পারবো না। তবে মনে করো সবসময় আমি তোমার পাশে আছি। তুমি একা নও।
নিহির প্রচন্ড ভালো লাগে। বুঝে কিংবা না বুঝে নিঃসঙ্গ মহাকাশের একাকীত্বে সে ভালোবেসে ফেলে একটি অস্তিত্বহীন কৃত্রিম যন্ত্রকে।
৫.
-নিহি তোমার কি খুব খারাপ লাগছে
নিহি কথা বরতে পারে না। কিন্তু সে জানে গত আটাশ বছর ধরে সে যে যন্ত্রটাকে ভালোবেসে আসছে, সেই এরস ঠিকই তার কথা বুঝতে পারছে। নিহি বুঝতে পারে তার সময় শেষ হয়ে আসছে। মহাকাশ যানটি দুর্ঘটনার পর যখন থেকে সে এরসকে তৈরী করেছে, তার একবারো মনে হয়নি সে একা। এরস সবসময় তার সঙ্গী হয়ে থেকেছে। আজ তাকে হয়তো অন্য এক ভুবনে চলে যেতে হবে। স্বাভাবিক নিয়মেই বার্ধক্য এসে তাকে সরিয়ে নিয়ে যাচ্ছে এরসের কাছ থেকে। কিন্তু নিহি জানে, এরসের বুদ্ধিমত্তা কৃত্রিম হলেও তার ভালোবাসো কৃত্রিম না। সেটা স্বর্গীয়।
অনেক কষ্টে উঠে বসে নিহি।
অনেক কষ্টে বলে,
-এরস আমাকে চলে যেতে হচ্ছে। তবে তুমি যে ভালোবাসা আমাকে দিয়েছো সেটা ছিলো স্বর্গীয়। তাই মৃত্যুর পর যদি স্বর্গ বলে কিছু থাকে, তবে সেখানেই দেখা হবে
-না নিহি, তুমি আমাকে ছেড়ে যেও না।
-আমার কিছুই করা নেই এরস।
কিছুক্ষনের মাঝেই ধীরে ধীরে সিস্তব্ধ হয়ে যায় নিহি। ঢলে পড়ে বিছানায়। মৃত নিহিকে নিয়ে মহাকাশযানটিকে নিয়ন্ত্রন করে ছুটে চলে এরস। হয়তো বা স্বর্গের খোঁজে।
বি.দ্র. অনেক আগে আমার একটা গল্প পড়ে ব্লগার কঁাকন মানুষ আর যন্ত্রের ভালোবাসার একটা গল্প দাবি করেছিলেন। তাই এই গল্পটা কঁাকনদি’র জন্য।
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): বিজ্ঞান কল্পকাহিনী ;
প্রকাশ করা হয়েছে: বিজ্ঞান কল্পকাহিনী বিভাগে । বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: আমার আর সব লেখা খুব মন দিয়ে পড়লেও সাইন্স ফিকশন ধর্মী লেখাগুলো খুব একটা পড়েন না। এই প্রথম হয়তো একটা সাইন্স ফিকশনে আপনার প্রশংসা পেলাম আপু। সুতরাং সব শাস্তি মাথা পেতে নিতে রাজি আছি ![]()
ময়ুরবাহন বলেছেন:
অফটপিক: ফ্লাইট সিমুলেটর এক্স এর কোনো সিরিয়াল ক্র্যাক থাকলে দেবেন ৷ RAM কত চাই? গ্রাফিক্স কার্ড চাই নাকি?
লেখক বলেছেন: এই ধরনের গেম আমার খুব একটা ভালো লাগে না।লাস্ট খেলছিলাম ফ্লাইট সিমুলেটর ২০০০। তাও সেবারই প্রথম ঢাকা এয়ারপোর্ট ল্যান্ডিং এর জন্য সেটাতে যোগ হয়েছিলো বলে। এর পর এই সিরিজের কোনটাই খেলা হয় নি। সুতরাং ধারনা দিতে পারছি না। ব্লগের অন্য গেমারদের কেউ হয়তো বলতে পারবে।
আমরা তোমাদের ভুলব না বলেছেন:
++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++
লেখক বলেছেন: অগুনিতক (!) প্লাস এর জন্য অনেক ধন্যবাদ।
নাজমুল আহমেদ বলেছেন:
এক কথায় দারুন লাগল যন্ত্র আর মানুষের প্রেমের কল্পগল্প।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ নাজমুল ভাই।
আমরা তোমাদের ভুলব না বলেছেন:
প্রিয়তে
লেখক বলেছেন: ![]()
ধইন্যা।
লেখক বলেছেন: ২০১০ এর গল্পগুলো নিয়েও কি একটা সংকলনের প্ল্যান করছো তো বছর শেষে? তোমাদের বই বের করার কি খবর?
বিডি আইডল বলেছেন:
পোষ্টের ছবিটা "মুন" মুভির
লেখক বলেছেন: ঠিক ধরেছেন। ![]()
অভিজিত রায় অভি বলেছেন:
আমার বলার মত কিছু নেই। এতটাই ভাল লেগেছে যে মনে হচ্ছে গলায় কি যেন দানা বেধে উঠেছে। অনেক ভাল লেগেছে। ++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++
লেখক বলেছেন: থেংকু থেংকু ভাই। অনেক থেংকু।
আকাশচুরি বলেছেন:
ভালো লাগলো
লেখক বলেছেন: কেমন আছেন? অনেক পর আমার ব্লগে। ধন্যবাদ।
সিজানুর রহমান বলেছেন:
আপনার প্রতিটি গল্প এত ভাল হয় কি ভাবে? . . .
লেখক বলেছেন:
![]()
পারভেজ বলেছেন:
খূবই তৃপ্ত মনে পড়া শেষ করলাম। কাহিনীটা গতানুগতিক নয় মোটেও।
বর্ণনার পরিমিতিবোধটা অসাধারন।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ পারভেজ ভাই আপনার উৎসাহের জন্য। সবসময়।
জেরী বলেছেন:
valo lagce r plusssss
লেখক বলেছেন: থ্যাংকু ![]()
কি নামে ডাকবো তোমায় গানটা মনে পড়ল।
ভালবাসা মনুষের পরম চাওয়ার একটা জিনিস
ভালবাসাকে হারানো আরও কস্টের
তবুও একদিন যেতে হয়
ভাল লাগছে।
** রুহানরে শুরুতেই মাইরা ফেললা
লেখক বলেছেন: -"একাকীত্ব বড়ই কস্টের"- সন্দেহজনক মন্তব্য ![]()
-"ভালবাসা মনুষের পরম চাওয়ার একটা জিনিস"- দশ মাত্রার সন্দেহ জনক মন্তব্য।
-রুহানদের জন্মই হইছে আমার গল্পে মারা পরার লাইগা
আশরাফ মাহমুদ বলেছেন:
এটা নিয়ে বিস্তারিত লিখতে পারেন- বই আকারে। এরসের মাঝে মানবিক বৈশিষ্ট্য, অনুভূতি সঞ্চারণের বিষয়টি আরো বিশদ আকারে আসতে পারে; আসতে পারে অভিযান ও বৈজ্ঞানিক তথ্যসমূহের সুষ্ঠ ব্যাখ্যা। অনেক ইংরেজি শব্দের বাঙলা করা যেত; ভেবে দেখতে পারেন।
লেখাটি চমৎকার লাগল।
লেখক বলেছেন: হ্যাঁ, খুব সম্ভবত এটা নিয়ে বড় গল্প লেখা যায়। একটা এডভেঞ্চার গল্পও করা যায়। তাহলে চরিত্রের সংখ্যা আরো বাড়াতে হবে।
লেখক বলেছেন: অনেকদিন পর হলেও কথা রাখতে পেরে ভালো লাগছে।![]()
হাসান মাহবুব বলেছেন:
ভালো লাগলো
লেখক বলেছেন: অনেকদিন পর আমার ব্লগে হামা'র আগমন। অনেক ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন:
![]()
রোহান বলেছেন:
পারভেজ ভাই এর সাথে গলা মিলায়া (নিজের মাথা থিকা এইরকম চমৎকার লাইন বাইর হইতো না) বলতে চাইছিলাম -- বর্ণনার পরিমিতিবোধটা অসাধারন। তয় খালি স্পেসশিপ এ নিহির লগে হালকা পাতলা টাংকি মারার নুন্যতম চান্সটাও দিলানা মিয়া... আর দুই প্যারা বাঁচায়া রাখলে কি হইতো
খাঁড়াও তুমারে নিয়া আরেকটা সাই ফাই লিখুম ঠিক করছি.... অলম্বুস গ্রহের একদল বান্দর এবং এক জন সাই ফাই সুজার....
অট: লেখা ভালো হইছে... সময় পাইতাছিনা সংকলন টা পড়ার
লেখক বলেছেন: এক পুলার বাপ হৈয়াও টাংকী মারোনের শখ যায় না? লিখো। মিয়া এইখানে সাই ফাই লেখকের বড় অভাব। প্রতিহিংসা মূলক না লিখা, ভালোবাসা মূলক লিখো।
অ.ট. থ্যাংকু। নেক্সট ট্যুরে তুমি আছো তো?
রোহান বলেছেন:
আরে ভালোবাসা মূলকই তো লিখুম... তুমার লগে একদল বান্দরের ভালোবাসার গল্প.... খাঁড়াও একটু টাইম পাইয়া লই...বিলাই দেশে আইলে একদিন আড্ডা দিমুনে, তুমি এইবার মিসাইওনা... নেক্সট ট্যুর ঢাকার আশে পাশে হইলে আছি, পরাগে সোনারগাঁও এর কথা কইছিলো... তুমাগো সব এবিসিডি সিরিজের পাশে আমার বেচারা কুলপিক্স দেইখা আবার হাইসো না
লেখক বলেছেন: সোনারগাঁও চলো। দেখা হৈবো।
সহেলী বলেছেন:
শাস্তি মাফ করে দেব যদি নিহি কে অনেক সুখী দেখিয়ে , এরসকেও আরেকটা পর্ব লিখে দাও !
লেখক বলেছেন: সেটা নতুন কোন গল্পের জন্য বরাদ্দ থাকলো আপু ![]()
রোহান বলেছেন:
সহেলী আপার লগে একমত, সামনের পর্বে আবার ঘড়ির কাঁটারে পিছনে আইনা রুহানরে জিন্দা কইরা হের লগে নিহির খাতির করায়া দাও... লগে সুজার রে ভিলেন বানাইতে পারো, শেষ দৃশ্যে রুহানের লেজার গান এর এটমিক বিশ্ফোরণে সুজারের মাথা উইড়া যাইতাছে -- এমুন হইলে খ্রাপ হইতো না লেখক বলেছেন:
![]()
মহা পেজগী দেখি!!!এইটা কি প্রথম বাংলা সাইন্স ফিকশন সিনেমার কাহিনী বল্লা নাকি???!!!
শান্তির দেবদূত বলেছেন:
ইবুকে আগেরই পড়েছি এই গল্পটা আপনার সেরা গল্পগুলোর মধ্যে অন্যতম.......
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ দেবদূত ভাই। আপনি অনেকদিন ধরে কিছু লিখছেন না। সেটা খেয়াল করেছেন কি?
লেখক বলেছেন: ![]()
থ্যাংকু আজম।
লেখক বলেছেন: মারছে কাহিনী দেখি প্যাঁচ খাইতাছে? তুমি এমন উত্তর আধুনিক যুগের সাইন্স ফিকশন আইডিয়া কার কাছ থিকা পাইলা? আপুমনি নাকি
।
হুমায়রা হারুন বলেছেন:
খুব সুন্দর।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ। আপনার লেখা আমার খুবই ভালো লাগে।
লেখক বলেছেন: আইজকাল সে যা কইরা বেড়াইতেছে, জাতির বিবেকের কাছেই কয়দিন প্রশ্ন করতে হৈবো।
লেখক বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: এন ৯৫ এর মোবাইল সিরিজেও মনে হয় এই জিনিস পাওয়া যাইবো ভবিষ্যতে।
মুক্ত বয়ান বলেছেন:
আরে.. নিহি চলে গেল.. ভালো কথা। কিন্তু, এরসের কী হবে?? তার কথা ভাবলেন না?? ধূর ধূর মাইনাস। অ:ট: ঘুরাঘুরির কথা শুনলাম মনে হয়?? কে কই যাইতেছে??
লেখক বলেছেন: ![]()
সে অন্য একজন নিহি নামের এলিয়েন খুইজা নিবো। সমস্যা নাই।
অট. কোন ঘুরাঘুরি?!
লেখক বলেছেন: তুমিও তো আছে এক পোলার বাপ ![]()
লেখক বলেছেন: ইদানীং শখ হৈছে ফটুগ্রাফীর। কিছুই পারি না। খালি ক্যাম্রা নিয়া ভাব মারি। তাই কয়েকজনের সাথে ক্যাম্রা নিয়া ভাব মারতে সোনারগাঁ যাওয়ার একটা প্লান করছি।
লেখক বলেছেন: কবে যাবো তা এখনো ঠিক হয় নাই। তবে কোন এক উইক এন্ডে যাবো।
রথে চেপে এলাম বলেছেন:
শেষটা এমন হবে চিন্তাও করি নি। অসাধারন।
লেখক বলেছেন: ![]()
অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
কঁাকন বলেছেন:
অট: ব্লগে একজন এ ক্যাটাগরির মানুষ - বি ক্যাটাগরির মানুষ নিয়ে একটা সাই ফাই লিখেছিলো আমি তার নামটা মনে করতে পারছি না আপনি জানেন কি ?
লেখক বলেছেন: ব্লগারের নাম :এস, এম, তাহমিদুর
গল্প: এ এবং বি ক্যাটেগরির মানুষ
রোহান বলেছেন:
@মুক্ত & সিজার: আমারেও লগে নিও... না হয় আমার ক্যামরাডা একটু ছুডু, আগে পরে এ বি সি ডি নাই, তাতে কি আমারও তো বেড়াইতে যাওনের ইচ্ছা হয়....
লেখক বলেছেন: পরাগরে বলো দিন তারিখ ঠিক করতে।
বোহেমিয়ান কথকতা বলেছেন:
ভাল লাগছে । সব সময় যন্ত্র কে শত্রু বা স্লেভ হিসেবে দেখতে ভাল লাগে না । যন্ত্রে মানুষে ভাল বাসা নিয়ে আমার একটা গল্প ছিল , ব্ল্যাক হোল, আমার প্রথম সায়েন্স ফিকশান । ক্লাস টেন এ লেখা । খুঁজতে হবে ।
ভাইয়া আপনি বইমেলা যাবেন নাকি?
লেখক বলেছেন: আপনার গল্পটি খুঁজে ব্লগে পোস্ট দিন। পড়ার অপেক্ষায় থাকলাম।
আজকে বইমেলায় গিয়েছিলাম। কাল বিকেল বা সন্ধ্যায় একবার অল্প সময়ের জন্য যাবো। এরপর আবার যাবো আগামী উইক এন্ডে।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...














.jpg)



শেষ পর্যন্ত পড়ে মুগ্ধ হয়ে গেলাম ।
"এরস আমাকে চলে যেতে হচ্ছে। তবে তুমি যে ভালোবাসা আমাকে দিয়েছো সেটা ছিলো স্বর্গীয়। তাই মৃত্যুর পর যদি স্বর্গ বলে কিছু থাকে, তবে সেখানেই দেখা হবে................ " এ কথাগুলোর জন্য তোমাকে অসংখ্য শাস্তি পেতে হবে !