আমার প্রিয় পোস্ট

...ক্ষুদ্র আশা নিয়ে রয়েছে বাচিয়া,সদাই ভাবনা,
যা কিছু পায়, হারায়ে যায়, না মানে স্বান্তনা...

একাকী নভোযাত্রী

০৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:১৯

শেয়ারঃ
0 1 0


১.
মেইন কন্ট্রোল রুমের সাথে যোগাযোগ সম্পূর্ণ ভাবে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবার কিছু পরেই নিহি’র খুব খারাপ লাগতে থাকে। এতোক্ষন তাও কথা বলার মতো সত্যিকারের মানুষ ছিলো। যদিও চার দশমিক সাত আলোকবর্ষ দূর থেকে নিহিকে সাহায্য করার মতো কোন সুযোগই তখন তাদের ছিলো না। তবু কন্ট্রোলরুমে বসে থাকা প্রফেসর রাহাত আর তার সাথে সহযোগীতা করা বারো জন সহকর্মীর সাথে কথা বলার সুযোগটাতো ছিলো। কিন্তু এখন সব সুনসান। মাহাকাশের নিশব্দতার মাঝে কেবল মহাকাশযানে হালকা ইঞ্জিনের শব্দ শোনা যাচ্ছে। নিহি উঠে মহাকাশ যানের জানালাটা দিয়ে একবার বাইরে তাকালো। অসংখ্য নক্ষত্র রাজির মাঝে চিরচেনা সৌরজগৎটাকে খুঁজলো হয়তো। যেখানে ফিরে যাবার আর কোন সুযোগই তার কাছে খোলা নেই।

ছয় আলোকবর্ষ দূরে পানি আর মানুষ বসবাসের উপযোগী একটি গ্রহের সন্ধান পাওয়ায় নিহিকে পাঠানো হয়েছিলো এই মহাকাশ অভিযানে। তার সাথে আরো ছিলো রুহান আর প্রশু। তিনটি হাইপার স্পেস ডাইভ দিয়ে সময় সংকোচন পদ্ধতিতে তাদের পৌঁছে যাবার কথা ছিলো গন্তব্যে। কিন্তু দ্বিতীয় হাইপার ডাইভ টি দেবার পরই এক অজানা কারনে মহাকাশযানের প্রধান অতিশক্তিশালী অ্যান্টিমেটার ইঞ্জিনটিতে সমস্যা দেখা দেয়। সেই দুর্ঘটনায় মারাত্মক ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয় নিহি’র মহাকাশ যানটি। রুহান নিহত হয় আর মারাত্মক ভাবে আহত হয়ে তিন দিনের মাথায় শীতলীকরন চেম্বারে মৃত্যু হয় প্রশু এর। সেই থেকে একা নিহি মহাকাশযানের প্রধান কম্পিউটার এনসিসি এর সাথে কাজ করে যাচ্ছে কোনভাবে এই মহাকাশযানটিকে ঠিক করে অন্তত পৃথিবীতে ফিরে যাবার উপযোগী করে তুলতে। কিন্তু দুর্ঘটনায় মহাকাশযানটি এতই মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে যে আর কোন হাইপার ডাইভ তো দূরের কথা, নিজের অক্ষ ঠিক রেখে এগিয়ে চলতেই প্রায় অক্ষম এটি। নিজের নিউট্রিনো কালেক্টর দিয়ে মহাজাগতিক কনাকে জ্বালানী হিসেবে ব্যবহার করে এটি হয়তো অনন্তকাল মহাকাশে কোনভাবে চলতে পারবে, কিন্তু কোন ভাবেই রিভার্স হাইপারডাইভ দিয়ে পৃথিবীতে ফিরে যেতে পারবে না।

মেইন কম্পিউটারের ইন্টারফেসটা অন করে নিহি এনসিসি এর সাথে যোগাযোগ করলো।

-এখন কি করবো এনসিসি? ফেরে যাওয়ার আর কোন পথই তো খোলা রইলো না।আর কোনদিনই পৃথিবীতে ফিরে যেতে পারবো না।
-মহামান্যা নিহি,আমরা আর কোনদিনই পৃথিবীতে ফিরে যেতে পারবো না এটা ঠিক না। আমার হিসেব মতে মাত্র আটশো পয়ত্রিশ বছর পরে আমরা পৃথিবীতে ফিরে যেতে পারবো যদি আমরা এই গতিতে চলতে থাকি।
-আটশো পয়ত্রিশ বছর তোমার কাছে মাত্র মনে হতে পারে, কিন্তু আমার কাছে সেটা অনেক। এমনকি শীতল ঘরে ঘুমিয়ে থাকলেও আমি বড়জোর তিনশ বছর বাঁচবো। সুতরাং কার্যত আমি আর কোনদিনই পৃথিবীতে ফিরে যেতে পারছিনা এটাই হলো বাস্তবতা।
-আমি অত্যন্ত দুঃখিত মহামান্যা নিহি, এটা অত্যন্ত নির্মম সত্য যে আপনি আর কোনদিনই পৃথিবীতে ফিরে যেতে পারবেন না।

নিহি একবার দীর্ঘশ্বাস ছাড়লো। এখন মাহাশূণ্যের এই নির্জন পরিবেশে তাকে একাকী পরিবেশে একা বেঁচে থাকতে হবে। চাইলে সে শীতল ঘরে ঘুমিয়ে তার বাকিটা জীবন কাটিয়ে দিতে পারে। ঘুমের মাঝেই তার বার্ধক্য আসবে, তারপর একদিন ঘুমের মাঝে মৃত্যু হবে। কিন্তু শীতল ঘরে ঘুমিয়ে পড়া মানেই তার জীবনের শেষ এটা ভেবেই এই ছোট্ট জীবনটার প্রতি তার মায়া হতে থাকে। যে কয়টা দিন বেঁচে থাকবে সে কয়টা দিন এভাবেই এক কাটিয়ে দেয়াটাই তার কাছে যুক্তিযুক্ত মনে হয়। সিদ্ধান্তটা নিয়ে সে আবারো এনসিসি এর সাথে যোগাযোগ করে।

-এনসিসি, মহাকাশযানে কি আরো ষাট সত্তর বছর আমাকে বাচিয়ে রাখার মতো অক্সিজেন আর প্রয়োজনীয় রসদ আছে?
-জ্বী মহামান্যা নিহি। আপনি চাইলে আরো একশ বিশ বছর সাত মাস তের দিন বেঁচে থাকতে পারবেন এই মহাকাশ যানে। তবে আপনার জন্য যুক্তিযুক্ত হবে এখনি শীতল ঘরে চলে যাওয়া যাতে এই দীর্ঘ একঘেয়ে জীবন আপানার মানসিক একাকীত্ব তৈরী করতে না পারে। নয়তোবা আপনি মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেরতে পারেন।
-না এনসিসি, আমি এই ছোট্ট জীবনটাকে এখনি শেষ করে ফেলতে চাই না। যতদিন সম্ভব বেঁচে থাকতে চাই একা হলেও।
-মহামান্যা নিহি, এটা অত্যন্ত অযৌক্তিক কাজ।
-আমি জানি, এটা অযৌক্তিক, তারপরও আমি এটাই করতে চাই।

২.
নিহি নিজের থাকার জায়গাটা গুছিয়ে নিলো। বাকিটা জীবন তাকে এখানেই কাটাতে হবে। তাই দীর্ঘদিন বসবাসের উপযোগী করে নিলো দূর্ঘটনায় প্রায় ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়ে যাওয়া মহাকাশযানটিকে। এরপর সে মনোযোগ দিলো কেভাবে সে তার সময়টুকু কাটাবে সেটা ঠিক করতে। মহাকাশযানের ডিজিটাল লাইব্রেরীতে রাখা হাজার খানেক ম্যাগনেটিক ডিস্ক সে পরের তিনমাসেই পড়ে শেষ করে ফেললো। মাহাকাশযানের খোলা ডেকে বসে তার কেটে যায় অনেকটা সময়। তারপরও নিহির ইচ্ছে হয় একজন সত্যিকারের মানুষের সাথে কথা বলতে। যে তার মনের কথা বুঝবে। যে তার একাকীত্বের সঙ্গী হয়ে তার সময়টুকু কাটাতে তাকে সাহায্য করবে।

সে প্রায়ই এন সিসি এর সাথে কথা বলে। কিন্তু মাহাকাশযানের নিয়ন্ত্রন আর টেকনিক্যাল ব্যাপার গুলো ছাড়া আর কোন ব্যাপারেই কোন কথায় এনসিসি এগুতে পারে না। কেননা তাকে তৈরীই করা হয়েছে এভাবে। যখনই নিহি মন খারাপ করে তার একাকী মনের কথা বলতে চায়, এনসিসি চুপ করে থাকে। আর একটু পর পরই আমি অত্যন্তু দুঃখিত মহামান্যা নিহি,আমি অত্যন্তু দুঃখিত মহামান্যা নিহি এই কথা বলতে থাকে। নিতান্তই যান্ত্রিক গলায় তাও সে তার কৃত্রিম দুঃখের কথাটা প্রকাশ করে। তবু এই নিঃসঙ্গ অবস্থায় নিহি’র সেটাই ভালো লাগে। তার প্রায়ই মনে হয় ইস যদি এনসিসি চতুর্থ প্রজন্মের রোবটগুলোর মতো আবেগ অনুভুতি সম্পন্ন হতো। পৃথিবীতে এমন কিছু রোবট বর্তমানে বাজারজাত করা হয়েছে। যেগুলো কিনা মানুষের মতো অনুভুতি প্রবন। কিন্তু মহাকাশযানের নিয়ন্ত্রক কম্পিউটারে সেটা সংযোজনের কোন কারনই নেই।

চারমাস পনেরোদিনের দিন নিহি মহাকাশ যানের লাইব্রেরীতে কৃত্রিম আবেগ সম্পর্কিত একটি ডিজিটাল ডিস্ক পেয়ে গেলো। সে খুব দ্রুত পুরো ডিস্কটি পড়ে ফেললো। সেখানে কিভাবে একটি কম্পিউটারের লজিকে কৃত্রিম আবেগ অনুভুতি তৈরী করা যায় সেই বিষয়টিই বিস্তরিত আছে। নিহি নিজে একজন মহাকাশ বিজ্ঞানী হলেও তার গ্রাজুয়েশন ছিলো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উপর। তাই পুরো বিষয়টি বুঝতে তার তেমন কোন কষ্টই হলো না। পুরো ডিস্কটি পড়ে তার মাথায় একটা বুদ্ধি আসলো। যদি এনসিসিকে অনুভুতি প্রবন করা যায়। যদি এনসিসি এর মাঝে কৃত্রিম আবেগ তৈরী করা যায়।

এরপর থেকে রাতদিন নিহি একটাই কাজ করে গেলো, সেটা হলো এনসিসি এর ডাটাবেস আর লজিক্যাল পরিবর্তন করে তারমাঝে কৃত্রিম আবেগ জনিত বুদ্ধিমত্তার প্রকাশ ঘটানো। যদিও এজন্য তাকে মহাকাশযানের নিয়ম ভাঙতে হয়েছে। মূল কম্পিউটারের লজিক লেভেলে পরিবর্তন করা মহাকাশ যাত্রার ক্ষেত্র অষ্টম এবং সর্বোচ্চ অপরাধ। এমনকি এজন্য মূল কম্পিউটারের একটা অংশকে দুবার বন্ধও করতে হয়েছে। কিভাবে যে তিনটি মাস কেটে গেলো নিহি’র নিহি তা নিজেও বলতে পারবে না। রাত দিন বলতে কোন ফারাক নেই মহাকাশে, তবুও পৃথিবীর হিসেবে কতরাত যে ঘুমায় নি নিহি তার হিসেব নেই।
অবশেষে আসলো সেই কাঙ্খিত দিন।সর্বশেষ পরিমার্জনটুকু করে নিহি শেষবারের মতো এনসিসি এর লজিকাল সিস্টেমকে রিস্টার্ট করলো।

৩.
-এনসিসি ,শুনতে পাচ্ছ?
- জ্বী নিহি, আমি শুনতে পাচ্ছি।
নিহির মুখে হাসি ফুটলো। এনসিসি আর এবার মহামান্য জুড়ে দেয় নি তার নামের সাথে।
-তোমার কেমন লাগছে এনসিসি?
-ভালো। তবে কেমন যেন একটা শূণ্যতা শূণ্যতা বোধ হচ্ছে।

নিহি’র ইচ্ছা হলো আনন্দে একটা লাফ দিয়ে এনসিসিকে জড়িয়ে ধরে। কিন্তু এনসিসি তো আর কোন বস্তু নয় যে তাকে জড়িয়ে ধরবে। কেবল মাত্র একটা সাউন্ড ইন্টারফেসের মাধ্যমে তার যোগাযোগ নিহির সাথে। নিহি’র এতোদিনের চেষ্টা সফল হয়েছে। এনসিসি এর মাঝে সে অনুভুতির জন্ম দিতে পেরেছে।

-এনসিসি, তোমার একটা নাম দেয়া দরকার। এনসিসি নামে কাউকে ডাকতে আর ভালো লাগে না।
-নাম? দারুন হবে নিহি, আপনি আমাকে একটা নাম দিলে। আমিও ভাবছিলাম ইস আমার যদি একটা নাম থাকতো।
কি নাম দেয়া যায়। নিহি ভাবতে লাগলো।
-আচ্ছা, আজ থেকে তোমার নাম তাহলে এরস।এরস মানে জানো তো?
-জানি। এরস ভালোবাসার দেবতা।
-দারুন, আজ থেকে তুমি এরস।

এরপর এরসের সাথে কথা বলতে বলতে নিহির সময় কেটে যায়। সে খুব অবাক হয়ে লক্ষ্য করে এরসের মাঝে ধীরে ধীরে একটা ব্যক্তিত্বের বিকাশ হচ্ছে। ঠিক যেমনটা কোন মানুষের হয়। নিহির অবাক লাগে এরসের ভালো লাগা, মন্দ লাগা , তার অনুভুতি বুঝতে পারা এসব কিছু। নিজের হাতে তৈরী, তারপরও নিহি খুব অবাক হয়ে লক্ষ করে এরসের চিন্তা চেতনার পরিপক্ক হয়ে উঠা।

৪.
-এরস আমাকে তোমার কেমন লাগে?
-খুব খুব খুব ভালো লাগে। মনে হয় তোমার জন্য আমি সব কিছু করতে পারবো।তুমি খুব দারুন একটা মেয়ে।
-তুমি কি জানো, ছোট বেলা থেকে আমাকে কেউ এভাবে বলে নি। আমি কেবল ছুটেছি সফলতার দিকে। কখনো ইচ্ছে হয় নি কারো কাছ থেকে এমন কিছু শোনার। কেবল চেয়েছি একদিন অনেক বড় হবো। সেই বড় হয়েছে। এক গ্রহ থেকে অন্য গ্রহে ঘুরে বেরাই। কিন্ত আজ এই একাকী পরিবেশে তোমার কাছ থেকে যেভাবে সঙ্গ পেয়েছি মনে হয় আর কারো কাছ থেকে কখনো পাই নি।
-নিহি তুমি মন খারাপ করো না। আমি তোমাকে আজীবন এভাবেই সঙ্গ দিয়ে যাবে। হয়তো সত্যিকারের মানুষের মতো তোমার হাত ধরে নক্ষত্র বিথী দেখতে পারবো না। তবে মনে করো সবসময় আমি তোমার পাশে আছি। তুমি একা নও।

নিহির প্রচন্ড ভালো লাগে। বুঝে কিংবা না বুঝে নিঃসঙ্গ মহাকাশের একাকীত্বে সে ভালোবেসে ফেলে একটি অস্তিত্বহীন কৃত্রিম যন্ত্রকে।

৫.
-নিহি তোমার কি খুব খারাপ লাগছে

নিহি কথা বরতে পারে না। কিন্তু সে জানে গত আটাশ বছর ধরে সে যে যন্ত্রটাকে ভালোবেসে আসছে, সেই এরস ঠিকই তার কথা বুঝতে পারছে। নিহি বুঝতে পারে তার সময় শেষ হয়ে আসছে। মহাকাশ যানটি দুর্ঘটনার পর যখন থেকে সে এরসকে তৈরী করেছে, তার একবারো মনে হয়নি সে একা। এরস সবসময় তার সঙ্গী হয়ে থেকেছে। আজ তাকে হয়তো অন্য এক ভুবনে চলে যেতে হবে। স্বাভাবিক নিয়মেই বার্ধক্য এসে তাকে সরিয়ে নিয়ে যাচ্ছে এরসের কাছ থেকে। কিন্তু নিহি জানে, এরসের বুদ্ধিমত্তা কৃত্রিম হলেও তার ভালোবাসো কৃত্রিম না। সেটা স্বর্গীয়।
অনেক কষ্টে উঠে বসে নিহি।

অনেক কষ্টে বলে,
-এরস আমাকে চলে যেতে হচ্ছে। তবে তুমি যে ভালোবাসা আমাকে দিয়েছো সেটা ছিলো স্বর্গীয়। তাই মৃত্যুর পর যদি স্বর্গ বলে কিছু থাকে, তবে সেখানেই দেখা হবে
-না নিহি, তুমি আমাকে ছেড়ে যেও না।
-আমার কিছুই করা নেই এরস।

কিছুক্ষনের মাঝেই ধীরে ধীরে সিস্তব্ধ হয়ে যায় নিহি। ঢলে পড়ে বিছানায়। মৃত নিহিকে নিয়ে মহাকাশযানটিকে নিয়ন্ত্রন করে ছুটে চলে এরস। হয়তো বা স্বর্গের খোঁজে।







বি.দ্র. অনেক আগে আমার একটা গল্প পড়ে ব্লগার কঁাকন মানুষ আর যন্ত্রের ভালোবাসার একটা গল্প দাবি করেছিলেন। তাই এই গল্পটা কঁাকনদি’র জন্য।

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): বিজ্ঞান কল্পকাহিনী ;
প্রকাশ করা হয়েছে: বিজ্ঞান কল্পকাহিনী  বিভাগে । বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ০৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৩০
সহেলী বলেছেন: শুরুটা দেখে ভেবেছিলাম পড়ব না ।
শেষ পর্যন্ত পড়ে মুগ্ধ হয়ে গেলাম ।

"এরস আমাকে চলে যেতে হচ্ছে। তবে তুমি যে ভালোবাসা আমাকে দিয়েছো সেটা ছিলো স্বর্গীয়। তাই মৃত্যুর পর যদি স্বর্গ বলে কিছু থাকে, তবে সেখানেই দেখা হবে................ " এ কথাগুলোর জন্য তোমাকে অসংখ্য শাস্তি পেতে হবে !
০৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:৪০

লেখক বলেছেন: আমার আর সব লেখা খুব মন দিয়ে পড়লেও সাইন্স ফিকশন ধর্মী লেখাগুলো খুব একটা পড়েন না। এই প্রথম হয়তো একটা সাইন্স ফিকশনে আপনার প্রশংসা পেলাম আপু। সুতরাং সব শাস্তি মাথা পেতে নিতে রাজি আছি :)

২. ০৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৩৪
ময়ুরবাহন বলেছেন: অফটপিক: ফ্লাইট সিমুলেটর এক্স এর কোনো সিরিয়াল ক্র্যাক থাকলে দেবেন ৷ RAM কত চাই? গ্রাফিক্স কার্ড চাই নাকি?
০৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:৪৪

লেখক বলেছেন: এই ধরনের গেম আমার খুব একটা ভালো লাগে না।লাস্ট খেলছিলাম ফ্লাইট সিমুলেটর ২০০০। তাও সেবারই প্রথম ঢাকা এয়ারপোর্ট ল্যান্ডিং এর জন্য সেটাতে যোগ হয়েছিলো বলে। এর পর এই সিরিজের কোনটাই খেলা হয় নি। সুতরাং ধারনা দিতে পারছি না। ব্লগের অন্য গেমারদের কেউ হয়তো বলতে পারবে।

৩. ০৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৩৬
আমরা তোমাদের ভুলব না বলেছেন: ++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++
০৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:৪৫

লেখক বলেছেন: অগুনিতক (!) প্লাস এর জন্য অনেক ধন্যবাদ।

৪. ০৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৩৬
নাজমুল আহমেদ বলেছেন: এক কথায় দারুন লাগল যন্ত্র আর মানুষের প্রেমের কল্পগল্প।
০৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:০৫

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ নাজমুল ভাই।

০৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:০৯

লেখক বলেছেন: :)
ধইন্যা।

৬. ০৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৪৩
আকাশ_পাগলা বলেছেন: ++++
ই বুকে যখন পড়েছি, তখনও দারুণ লেগেছে, এখনও লাগল।
০৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:২২

লেখক বলেছেন: ২০১০ এর গল্পগুলো নিয়েও কি একটা সংকলনের প্ল্যান করছো তো বছর শেষে? তোমাদের বই বের করার কি খবর?

৭. ০৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৪৫
বিডি আইডল বলেছেন: পোষ্টের ছবিটা "মুন" মুভির
০৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:২৪

লেখক বলেছেন: ঠিক ধরেছেন। :)

৮. ০৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৫৪
অভিজিত রায় অভি বলেছেন: আমার বলার মত কিছু নেই। এতটাই ভাল লেগেছে যে মনে হচ্ছে গলায় কি যেন দানা বেধে উঠেছে। অনেক ভাল লেগেছে। ++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++

০৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:২৫

লেখক বলেছেন: থেংকু থেংকু ভাই। অনেক থেংকু।

০৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:২৬

লেখক বলেছেন: কেমন আছেন? অনেক পর আমার ব্লগে। ধন্যবাদ।

১০. ০৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৫৮
সিজানুর রহমান বলেছেন: আপনার প্রতিটি গল্প এত ভাল হয় কি ভাবে? . . .
০৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:২৭

লেখক বলেছেন: :``>> :``>> :``>>

১১. ০৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:৪৭
পারভেজ বলেছেন: খূবই তৃপ্ত মনে পড়া শেষ করলাম। :)
কাহিনীটা গতানুগতিক নয় মোটেও।
বর্ণনার পরিমিতিবোধটা অসাধারন।
০৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:২৭

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ পারভেজ ভাই আপনার উৎসাহের জন্য। সবসময়।

০৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:২৭

লেখক বলেছেন: থ্যাংকু :)

১৩. ০৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:৫৯
শ।মসীর বলেছেন: পরে যা যা মনে হল : মানুষ আসলে একা থাকতে পারেনা। একাকীত্ব বড়ই কস্টের।

কি নামে ডাকবো তোমায় গানটা মনে পড়ল।

ভালবাসা মনুষের পরম চাওয়ার একটা জিনিস ;)
ভালবাসাকে হারানো আরও কস্টের :):)

তবুও একদিন যেতে হয় :(:(

ভাল লাগছে।

** রুহানরে শুরুতেই মাইরা ফেললা ;)
০৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:৩০

লেখক বলেছেন: -"একাকীত্ব বড়ই কস্টের"- সন্দেহজনক মন্তব্য ;)
-"ভালবাসা মনুষের পরম চাওয়ার একটা জিনিস"- দশ মাত্রার সন্দেহ জনক মন্তব্য।
-রুহানদের জন্মই হইছে আমার গল্পে মারা পরার লাইগা :-0

১৪. ০৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৬:৪৫
আশরাফ মাহমুদ বলেছেন: এটা নিয়ে বিস্তারিত লিখতে পারেন- বই আকারে। এরসের মাঝে মানবিক বৈশিষ্ট্য, অনুভূতি সঞ্চারণের বিষয়টি আরো বিশদ আকারে আসতে পারে; আসতে পারে অভিযান ও বৈজ্ঞানিক তথ্যসমূহের সুষ্ঠ ব্যাখ্যা।
অনেক ইংরেজি শব্দের বাঙলা করা যেত; ভেবে দেখতে পারেন।
লেখাটি চমৎকার লাগল।
০৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:৩২

লেখক বলেছেন: হ্যাঁ, খুব সম্ভবত এটা নিয়ে বড় গল্প লেখা যায়। একটা এডভেঞ্চার গল্পও করা যায়। তাহলে চরিত্রের সংখ্যা আরো বাড়াতে হবে।

১৫. ০৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৮:০৪
কঁাকন বলেছেন: অনেক ভালো লাগলো :)
০৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:৩৩

লেখক বলেছেন: অনেকদিন পর হলেও কথা রাখতে পেরে ভালো লাগছে।:)

০৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:৩৪

লেখক বলেছেন: অনেকদিন পর আমার ব্লগে হামা'র আগমন। অনেক ধন্যবাদ।

১৭. ০৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:৩৫
সব্যসাচী প্রসূন বলেছেন: চমৎকার ... সিজার ভাই আপনি নিজেকে ছাড়ায় গেছেন এই গল্পে ... চমৎকার
০৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:০৬

লেখক বলেছেন: :`> :``>> :``>> 8-| !:#P

১৮. ০৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:০৭
রোহান বলেছেন: পারভেজ ভাই এর সাথে গলা মিলায়া (নিজের মাথা থিকা এইরকম চমৎকার লাইন বাইর হইতো না) বলতে চাইছিলাম -- বর্ণনার পরিমিতিবোধটা অসাধারন।

তয় খালি স্পেসশিপ এ নিহির লগে হালকা পাতলা টাংকি মারার নুন্যতম চান্সটাও দিলানা মিয়া... আর দুই প্যারা বাঁচায়া রাখলে কি হইতো :(

খাঁড়াও তুমারে নিয়া আরেকটা সাই ফাই লিখুম ঠিক করছি.... অলম্বুস গ্রহের একদল বান্দর এবং এক জন সাই ফাই সুজার....

অট: লেখা ভালো হইছে... সময় পাইতাছিনা সংকলন টা পড়ার :(
০৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:১৪

লেখক বলেছেন: ‌এক পুলার বাপ হৈয়াও টাংকী মারোনের শখ যায় না? লিখো। মিয়া এইখানে সাই ফাই লেখকের বড় অভাব। প্রতিহিংসা মূলক না লিখা, ভালোবাসা মূলক লিখো।

অ.ট. থ্যাংকু। নেক্সট ট্যুরে তুমি আছো তো?

১৯. ০৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:২০
রোহান বলেছেন: আরে ভালোবাসা মূলকই তো লিখুম... তুমার লগে একদল বান্দরের ভালোবাসার গল্প.... খাঁড়াও একটু টাইম পাইয়া লই...

বিলাই দেশে আইলে একদিন আড্ডা দিমুনে, তুমি এইবার মিসাইওনা... নেক্সট ট্যুর ঢাকার আশে পাশে হইলে আছি, পরাগে সোনারগাঁও এর কথা কইছিলো... তুমাগো সব এবিসিডি সিরিজের পাশে আমার বেচারা কুলপিক্স দেইখা আবার হাইসো না :(
০৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:৩৬

লেখক বলেছেন: সোনারগাঁও চলো। দেখা হৈবো।

২০. ০৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:৪২
সহেলী বলেছেন: শাস্তি মাফ করে দেব যদি নিহি কে অনেক সুখী দেখিয়ে , এরসকেও আরেকটা পর্ব লিখে দাও !
০৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:১৮

লেখক বলেছেন: সেটা নতুন কোন গল্পের জন্য বরাদ্দ থাকলো আপু :)

২১. ০৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:১০
রোহান বলেছেন: সহেলী আপার লগে একমত, সামনের পর্বে আবার ঘড়ির কাঁটারে পিছনে আইনা রুহানরে জিন্দা কইরা হের লগে নিহির খাতির করায়া দাও... লগে সুজার রে ভিলেন বানাইতে পারো, শেষ দৃশ্যে রুহানের লেজার গান এর এটমিক বিশ্ফোরণে সুজারের মাথা উইড়া যাইতাছে -- এমুন হইলে খ্রাপ হইতো না =p~ =p~
০৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:২০

লেখক বলেছেন: :| B:-) #:-S :-/
মহা পেজগী দেখি!!!এইটা কি প্রথম বাংলা সাইন্স ফিকশন সিনেমার কাহিনী বল্লা নাকি???!!!

২২. ০৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৩:৪৩
শান্তির দেবদূত বলেছেন: ইবুকে আগেরই পড়েছি :)...... আমার অনেক দিনের অভ্যাস হাতের কাছে যে কোন গল্পগুচ্ছের বই পেলে প্রথম থেকে না পড়ে রেন্ডমলি পড়া শুরু করি। সেই হিসাবে ইবুকে আপনারটাই আগে পড়েছিলাম। খুব ভালো লেগেছিলো এমন উচুমানের গল্প দিয়ে শুরু পড়া করার জন্য.......

এই গল্পটা আপনার সেরা গল্পগুলোর মধ্যে অন্যতম.......
০৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:৫৫

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ দেবদূত ভাই। আপনি অনেকদিন ধরে কিছু লিখছেন না। সেটা খেয়াল করেছেন কি?

২৩. ১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:৫৬
আজম বলেছেন: অসাধারন সিজার ভাই...
পারফেক্ট সাই ফাই।
১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:১৯

লেখক বলেছেন: :)
থ্যাংকু আজম।

২৪. ১১ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:৫৫
শ।মসীর বলেছেন: রুহান এর দেখি বিয়াপক খায়েশ, ওরে কব্বরে একটা প্রেম করাইয়া দাও - ভালবেসে শেষে সে আবিস্কার করবে ঐটা ছিল রোবট, যে দুঃখে সে শীতল ঘরে যাইয়া ঘুম দিবে ;)
১১ ই জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৫৫

লেখক বলেছেন: মারছে কাহিনী দেখি প্যাঁচ খাইতাছে? তুমি এমন উত্তর আধুনিক যুগের সাইন্স ফিকশন আইডিয়া কার কাছ থিকা পাইলা? আপুমনি নাকি ;)

১১ ই জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৫৬

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ। আপনার লেখা আমার খুবই ভালো লাগে।

২৬. ১১ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৩৮
রোহান বলেছেন: শামসুরেও বাংলা সাইফাই এ একখান পাট দিতে হইবে, সাইফাই বিবেকের রোল দিলে কিরাম হয় ;)
১১ ই জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৫৮

লেখক বলেছেন: আইজকাল সে যা কইরা বেড়াইতেছে, জাতির বিবেকের কাছেই কয়দিন প্রশ্ন করতে হৈবো।

২৭. ১১ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:৩৪
ভাঙ্গন বলেছেন: ভাল লাগলো।

অনেক অনেক শুভেচ্ছা।
১১ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:১৪

লেখক বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ।

২৮. ১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৪৯
আইরিন সুলতানা বলেছেন: এই কম্পিউটারগুলো কোন ব্রান্ডের হয় ? :)
১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:৫৮

লেখক বলেছেন: এন ৯৫ এর মোবাইল সিরিজেও মনে হয় এই জিনিস পাওয়া যাইবো ভবিষ্যতে।

২৯. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:৪৬
মুক্ত বয়ান বলেছেন: আরে.. নিহি চলে গেল.. ভালো কথা। কিন্তু, এরসের কী হবে?? তার কথা ভাবলেন না?? ধূর ধূর মাইনাস। :(

অ:ট: ঘুরাঘুরির কথা শুনলাম মনে হয়?? কে কই যাইতেছে??
১৩ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:৪২

লেখক বলেছেন: :)
সে অন্য একজন নিহি নামের এলিয়েন খুইজা নিবো। সমস্যা নাই।

অট. কোন ঘুরাঘুরি?!

৩০. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:৫২
রোহান বলেছেন: @মুক্ত: এরসের লিগা সিজার আছে না ;)
১৩ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:৪২

লেখক বলেছেন: তুমিও তো আছে এক পোলার বাপ ;)

৩১. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:১৪
মুক্ত বয়ান বলেছেন: ছি: ছি: ছি: নাউজুবিল্লাহ!! কি সব কথাবার্তা!!! সেন্সর সেন্সর!!!

অ:ট: সোনারগাঁ
১৩ ই জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৫১

লেখক বলেছেন: ইদানীং শখ হৈছে ফটুগ্রাফীর। কিছুই পারি না। খালি ক্যাম্রা নিয়া ভাব মারি। তাই কয়েকজনের সাথে ক্যাম্রা নিয়া ভাব মারতে সোনারগাঁ যাওয়ার একটা প্লান করছি।

৩২. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৫৬
মুক্ত বয়ান বলেছেন: ফেব্রুয়ারিতে যাইবেন নি?? তাইলে আমি যাইতাম চাই। টার্ম শেষ হইবে তখন। :)
১৩ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:১৪

লেখক বলেছেন: কবে যাবো তা এখনো ঠিক হয় নাই। তবে কোন এক উইক এন্ডে যাবো।

৩৩. ১৪ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:০২
রথে চেপে এলাম বলেছেন: শেষটা এমন হবে চিন্তাও করি নি। অসাধারন।
১৪ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:০৩

লেখক বলেছেন: :)
অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।

৩৪. ১৪ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:৩৯
কঁাকন বলেছেন: অট: ব্লগে একজন এ ক্যাটাগরির মানুষ - বি ক্যাটাগরির মানুষ নিয়ে একটা সাই ফাই লিখেছিলো আমি তার নামটা মনে করতে পারছি না আপনি জানেন কি ?
১৪ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:০২

লেখক বলেছেন: ব্লগারের নাম :এস, এম, তাহমিদুর
গল্প: এ এবং বি ক্যাটেগরির মানুষ

৩৫. ১৪ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:০১
রোহান বলেছেন: @মুক্ত & সিজার: আমারেও লগে নিও... না হয় আমার ক্যামরাডা একটু ছুডু, আগে পরে এ বি সি ডি নাই, তাতে কি আমারও তো বেড়াইতে যাওনের ইচ্ছা হয়....
১৪ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:০৪

লেখক বলেছেন: পরাগরে বলো দিন তারিখ ঠিক করতে।

৩৬. ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৩৩
বোহেমিয়ান কথকতা বলেছেন: ভাল লাগছে । সব সময় যন্ত্র কে শত্রু বা স্লেভ হিসেবে দেখতে ভাল লাগে না ।


যন্ত্রে মানুষে ভাল বাসা নিয়ে আমার একটা গল্প ছিল , ব্ল্যাক হোল, আমার প্রথম সায়েন্স ফিকশান । ক্লাস টেন এ লেখা । খুঁজতে হবে ।

ভাইয়া আপনি বইমেলা যাবেন নাকি?
০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:০০

লেখক বলেছেন: আপনার গল্পটি খুঁজে ব্লগে পোস্ট দিন। পড়ার অপেক্ষায় থাকলাম।
আজকে বইমেলায় গিয়েছিলাম। কাল বিকেল বা সন্ধ্যায় একবার অল্প সময়ের জন্য যাবো। এরপর আবার যাবো আগামী উইক এন্ডে।

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৬৭৬ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
মুহম্মদ জায়েদুল আলম, লোকে আমাকে সিজার বলেই ডাকে।পাঁচিলের উপর বসে মানুষের ভীড় দেখি আর ভাবি, মানুষ না হয়ে চড়ুইপাখি হলেই...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ