পুরো শরীর পুড়ছে অতৃপ্ত কামনায়।
শারীরিক বৃত্তীয় পরির্বতনের পর পেয়ে বসে নতুন নেশা।
রাতে বিছানায় এপাশ ওপাশ।
তারপরও চোখে নেই ঘুম। নানা চিন্তা ভিড় করছে তনু মনে কেমন শূন্যতা পাশ পরিবর্তন করে শোয়া।
ছটফট। দপানি। হা পিত্যাশ
দিগন্তের লালিমা ফুটলে চোখ জুড়ে ঘুম। এই ঘুম মরন ঘুম যেন। গুমের মাঝে হাত মাথার বা বুকের নিচে চাপা পড়ে আহত। তন্দ্রা কেটে গেলে আহত হাত তুলতে গিয়ে মুখ থেকে অস্পষ্টস্বরে কান্না করে। ওরে মা। ব্যথায় কুঁকড়িয়ে উঠে।
আবার ঘুমের ঘোরে চলে যায়। তন্দ্রা আসে।
স্বপ্নেরা ডালপালা মেলে জেগে উঠে। ছুটে চলে শৈশবে। হাফ প্যান্ট পড়া বয়সে।
এক হাতে একটা লাঠি আর হাতে একটা গরুর রশি নিয়ে হাটছে রাখাল বালক। হাতে হাতে ঘাস খাওয়াচ্ছে রাস্তার দুই পারে। ওর প্রিয় সাদা গাইটার নাকে ধরেছে চিনা জোক। কাঠি দিয়ে ওটাকে সরিয়ে দিচেছ।
দুধ খুব কম হয়। সোড়া কেজি। এটা তো আমরাই খেতে পাই না। মা আবার সেখান থেকে কিছু বিক্রি করে দেয়। বিড়বিড় করে বলে
রাখাল বালক মাকে বলে আমি আর গরু চড়াতে পারব না।
দুধ দিয়া ভাত খাইতে পাই না। গরু পেলে কি লাভ।
মা বলে। বাবা বাছুরটা বড় হলে বিক্রি করে দিয়ে তোকে একটা সাইকেল কিনে দিব। তোর তো স্কুলে যেতে কষ্ট হয়। তোর সব বন্ধুদের সাইকেল আছে। তোর মন খারাপ থাকে।
আচ্ছা।
ঠিক আছে।
গাইটার গায়ে একটা মাছি বসে। রাখাল বালক থাপ্পর দিয়া মারতে গেলে। সেটা গিয়ে দেয়ালে পড়ে।
আহ! গেলাম
ঘুম ভেঙ্গে যায়। আর সাইকেল কেনা আর হয় না। সাইকেল চালানো আর হয় না।
সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ১২:০৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



