পুরুষ মানুষ হইল হারামির জাত। খালি মাইয়া মানুষ খুজব। আর পিরেতের কতা কইয়া পেটের ভিতর একটা শয়তানের বাচ্ছা ডুকাইয়া দিয়া কাইট্টা পড়ব।
কথা গুলো বলে রাস্তায় বেড়ে উঠা পোয়াতি করিমন আর এক সই নিলাম্বরকে।
রাস্তায় থাকি গতর খাটাইয়া উপার্জন করি। কোন দিনই রিস্ক নিছি না। তালতলার রিকসা বাওয়ান্না জাফর আমারে পিরিতের কথা কইয়া স্বপ্ন দেখাইল সংসার করার। আমি আর ওষুধ খাইছিনা। পেটটা শুধু ফুলতেই আছে। এহন আমার আয় নাই। এইডা বাইর অইয়া আইলে কি খায়ামু। নিজে কি খামু। দুই চোখ দিয়ে টপ টপ করে পানি ঝরছে।
কি করবি বইন সবই কপালে ছিল। বইন ইনকাম নাই। কোনদিন খাইতেও পাই না। উপোস থাকতে হয়।
আমার বস্তির পাশের ডেরায় জয়নব থাকে। ওয় আমারে কয়। কোথাও শান্তি গো। বাসে উঠছিলাম।বাসের হেলপার গায়ে হাত দেয়। হাত সরাইয়া দিয়ে ইচ্ছা কইরা বুকে হাত দেয়। কিছু কইতে পারি না। কান্দন আইয়ে।
হেদিন সদর ঘাট দিয়া যাইতে ছিলাম। এক শয়তান আইয়া নিপলে টিপ দিয়া দৌড় দিছে।
চারদিকে এত মানুষ কাওরে কিছু কইতে পালাম না। ডেইজি বাসে উঠছে । মহিলা সিটে পুরুষ বইয়া রইছে। সে কি করব। পুরুষটায় পাশেই বসছে। পুরুষটা কেনু দিয়া ডেইজির বুকে গুতা দেয়। বাসের স্পিডের সাথে হাত আরো কাছে নিয়া আসে। আমি সরি। জায়গা নাই। কেনু দিয়া আমার বুকে ঘষা শুরু করল। আমার কেমন যেন ইচ্ছা করছিল। বাস ভর্তি মানুষ। আমি বুকাটা ওর পাশ ঘেষে বইলাম। ও এবার সরে বসল। আবার একই কাজ। ও হঠাত মাথা নিচু করে ফেলল। হাত দিয়ে সিট খুজল। কি খুজল বুজতে পালাম না।
আমি নেমে গেলাম। নামার সময় দেখি লোকটা ................
পাশে আরো একটা মেয়ে বসল। ওর বুকে ওড়না নাই। যেন মেয়েটাকে গিলে খাবে।
জরিনা বলে, রাস্তায় থাকি তো। আমাগোরে জোর করে ধরে পুলিশ কাজ করে । টাকাও দেয়না। টাকা চাইলে মার দেয়।
পুরুষ মানুষ খালি খালি মাকেটে ঘুরে বেড়ায়। আন্ধকারে মেয়েদের বুকেও হাত দেয়।
বাচ্ছাকে একটু দুধ খাওয়াব তারও সুয়োগ নাই।
হা করে তাকিয়ে থাকে। শয়তান। শয়তানের বাচ্চা।
তোদের কি মা বোন নাই।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

