somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... আসলে ব্লগিং করে কি লাভঃ একসময় আপডেট নিউজ পেতাম আর এখন http://www.somewhereinblog.net/blog/sjisue/28844459 http://www.somewhereinblog.net/blog/sjisue/28844459 2008-09-17 19:55:31 চাকুরীর বিভিন্ন ওয়েব সাইটগুলো কেউ দিতে পারেন ভীষন দরকার।]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/sjisue/28842334 http://www.somewhereinblog.net/blog/sjisue/28842334 2008-09-13 00:00:03 এত রাইতে রাজাকার বাহিনী তৎপরঃ রাজাকার মুক্ত বাংলাদেশ চাই লাগেনা।
ব্লগে কোন ভদ্র মানুষ ডুকব তার পরিভেশ নাই। মর্ডরেটর নাক ডেকে ঘুমায়।
হায়রে দেশ।
দুর্নিতিবাজরাও পায় । রাজাকারাও আস্ফালন দেখায়।
আসুন! রাজাকারদের এক যোগে থুথু দেই।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sjisue/28841954 http://www.somewhereinblog.net/blog/sjisue/28841954 2008-09-12 03:07:39
শূণ্যতা আজ চারিদিকে! কি হচ্ছে এসব দুর্নীতির দায়ে অভিযুক্তরা আজ মুক্তি পাচ্ছে।
শেয়াল কুকুরের চেচামেচি।
হায়রে দেশ। কষ্টে বুক ফেটে যাচ্ছে।
যখন যাই খুশী তাই চলে জনগনের অধিকার নিয়ে।
রক্ত পিশাচদের সেই কালো থাবা
বিষাক্ত নখর আজ
খাবলে ধরেছে দেশের মানচিত্র!
প্রয়োজন প্রগতিশীলদের ও মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় নতুন করে শপথ নেয়ার। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sjisue/28839310 http://www.somewhereinblog.net/blog/sjisue/28839310 2008-09-06 01:42:24
ভাই কেউ আছেন এই অন্যায়ের প্রতিবাদ করার http://www.somewhereinblog.net/blog/sjisue/28836385 http://www.somewhereinblog.net/blog/sjisue/28836385 2008-08-29 18:38:22 কথা নাই বার্তা নাই কমেন্ট ব্যান প্রথম পাতা বাতিল http://www.somewhereinblog.net/blog/sjisue/28836336 http://www.somewhereinblog.net/blog/sjisue/28836336 2008-08-29 15:22:14 আমরা কি জাতির জনককে ভুলতে বসেছি স্বাধীন বাংলাদেশ উপহার দিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান।
বাংলাদেশে যে সংকট সৃষ্টি হয়েছে তা থেকে উত্তরনের জন্য বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে ধারন করতে হবে।
আমাদের ভুললে চলবে বঙ্গুবন্ধু জন্ম না নিলে এই স্বাধীন বাংলাদেশের জন্ম হতো না।
গত ১৫ আগষ্ট সরকার এই দিনটি শোক দিবস হিসেবে পালন করে। কিন্তু কয়েকটি জেলার ডিসি শোক দিবস যথাযথভাবে পালন করেনি। এদেরকে ঘৃনা জানাই। এদের বিরুদ্ধে শাস্তি মূলক ব্যবস্থা গ্রহন করা হোক। বঙ্গবন্ধুর খুনীদের ফাসির রায় কার্যকর করে জাতিকে কলংঙ্ক মুক্ত করুন।
আমাদের মনে রাখতে হবে জাতির জনক বাংলার প্রতিটি স্থানে স্বমহিমায়
ভাস্বর হয়ে আছেন।
তরুন প্রজন্মকে জাতির জনক সম্পর্কে জানতে হবে, জানাতে হবে।
হতিহাস বিকৃতি সম্পর্কে সাবধান থাকতে হবে।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sjisue/28836328 http://www.somewhereinblog.net/blog/sjisue/28836328 2008-08-29 14:29:07
ব্লগে জামাতিকরন সাবধান একই ক্যাচাল ভালো লাগে না। আমাদের জাতীয় ক্ষেত্রে যারা আবদান রেখেছে সেই বীরদের নিক নিয়ে তারা বিতর্ক করে। লজ্জা নাই এইসব ছাগু রামদের।
এদের সাথে যুক্ত হয়েছে কয়েকজন। তোদের একজনের নামের আদ্য অক্ষর হচেছ মু------------ শেষ শামীশ। কষ্ট লাগে এসব দেখে।
প্লিজ। নোংরাদের এই বিতর্কে জড়াবেন না। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sjisue/28835641 http://www.somewhereinblog.net/blog/sjisue/28835641 2008-08-27 16:33:02
বিরল মাতৃত্ব Click This Link





স্বাধীনতা তুমির সৌজন্যে]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sjisue/28835634 http://www.somewhereinblog.net/blog/sjisue/28835634 2008-08-27 15:53:17
দুরন্ত যৌবন চা-য়ের দোকানে ডুকতেই বড় বালিকাটির গায়ে হাত দেয় বৃদ্ধ একটি লোক। বলে যাও বয় গিয়া। বালিকাটি বিরক্ত হয়ে হাত সরিয়ে নেয়। এবার বাসে উঠে।
হাঠাত গাট্টি খুলে কাপড় গুলো বাসের ভিতর পড়ে যায়। বড় বালিকা কাপড় তুলে ঝুকে গিয়ে। শরীররে পুরো অংশটা আগলা হয়ে যায়। দেখা যায় নাভী পর্যন্ত। ছোট বুক। ফর্সা। হা তাকিয়ে থাকে বাসের যাত্রীরা। দেখতে থাকে উঠন্ত বয়সে বেড়ে উঠা এক বালিকার আহার ভরা বুক।
যাত্রেদের চেখে পলক পড়ে না।
ওদের নোংরা দৃষ্টি যেন কিশোরীর বালিকাকে খুবলে খুবলে খেয়ে রক্তাক্ত করে দিবে।
কাপড়[ বাধা শেষ করে বালিকা আবার সোজা হয়ে দাড়ায়।
বসে দিদার পাশ ঘেষে।
বাস কন্ট্রক্টর দমকায়। এই খানে বসন যাইব না।
সরে আসো।
বালিকা ইঞ্জিন কভারে বসে। একটু সামনের দিকে ঝুকে বসে।
জর্জেট কাপড় ভেদ করে আলোক রশ্মি গলার নিচের আংশ স্টষ্ট করে তোলে। বালিশের কোনার মত বড়ন্ত বুক, ছোট সরু তার বাটন। পুরোটাই স্পষ্ট হয়ে ধরা দেয়।
চোখ যেন পলক ফেলে না ।
অতৃপ্ত ক্ষুধা
গাড়ীর গতি বাড়ার সাথে গাড়ি ঝাকি দিলেও ঝাকি খায় শরীরের বঙ্কিম অংশটি।
বালিকা বাম হাত দিয়ে ডান পাহাড়টি চেপে ধরে । ওকে আর লাফতে দেয় না।
বালিকার পাশে বসেছে এক যুবক। যুবক নয়। প্রবীন। বয়স ৪০ উপরে।
সেও রঙ্গীর গ্লাসের ভিতর দিয়া বালিকার রুপ সুধা পান করে।
বালিকা এতসব বুজে না সে বুজে আড়মা খাওয়া। আর হাত নেড়ে ছোট বোনকে এটা সেটা দেখানোতে।
তার বয়স বাড়ছে। জর্জেট ফ্রগের ভিতর আরটি টেপ জাতীয় পোশাক পড়া দরকার তা সে বুঝে না। বুঝে না তার দিদা ও মা তার মেয়ে বড় হয়েছে।
দীর্ঘ সফরে বালিকা ক্লান্ত হয়ে পড়ে। দিদাকে জড়িয়ে ধরে ঘুমায়। ঝাকি খেয়ে ঘুম ভাঙ্গে।
স্টেশনে নেমে যায়।


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sjisue/28834061 http://www.somewhereinblog.net/blog/sjisue/28834061 2008-08-23 21:04:04
বাংলাদেশে জামাতে পিছলামীর রাজনীতি সরকারী ভাবে নিষিদ্ধ করা ছাড়া আর কোন পথ আছে।]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/sjisue/28832314 http://www.somewhereinblog.net/blog/sjisue/28832314 2008-08-19 14:15:56 আপনি যদি রাজাকারদের শাস্তি দিতে চান তাহলে কিভাবে দিবেন ফাসি। গুলি করে। জেলে ডুকিয়ে না খাইয়ে। হেমলক পান করিয়ে। পানিতে ডুবিয়ে।]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/sjisue/28829938 http://www.somewhereinblog.net/blog/sjisue/28829938 2008-08-12 01:23:21 হারামির জাত কথা গুলো বলে রাস্তায় বেড়ে উঠা পোয়াতি করিমন আর এক সই নিলাম্বরকে।
রাস্তায় থাকি গতর খাটাইয়া উপার্জন করি। কোন দিনই রিস্ক নিছি না। তালতলার রিকসা বাওয়ান্না জাফর আমারে পিরিতের কথা কইয়া স্বপ্ন দেখাইল সংসার করার। আমি আর ওষুধ খাইছিনা। পেটটা শুধু ফুলতেই আছে। এহন আমার আয় নাই। এইডা বাইর অইয়া আইলে কি খায়ামু। নিজে কি খামু। দুই চোখ দিয়ে টপ টপ করে পানি ঝরছে।
কি করবি বইন সবই কপালে ছিল। বইন ইনকাম নাই। কোনদিন খাইতেও পাই না। উপোস থাকতে হয়।
আমার বস্তির পাশের ডেরায় জয়নব থাকে। ওয় আমারে কয়। কোথাও শান্তি গো। বাসে উঠছিলাম।বাসের হেলপার গায়ে হাত দেয়। হাত সরাইয়া দিয়ে ইচ্ছা কইরা বুকে হাত দেয়। কিছু কইতে পারি না। কান্দন আইয়ে।
হেদিন সদর ঘাট দিয়া যাইতে ছিলাম। এক শয়তান আইয়া নিপলে টিপ দিয়া দৌড় দিছে।
চারদিকে এত মানুষ কাওরে কিছু কইতে পালাম না। ডেইজি বাসে উঠছে । মহিলা সিটে পুরুষ বইয়া রইছে। সে কি করব। পুরুষটায় পাশেই বসছে। পুরুষটা কেনু দিয়া ডেইজির বুকে গুতা দেয়। বাসের স্পিডের সাথে হাত আরো কাছে নিয়া আসে। আমি সরি। জায়গা নাই। কেনু দিয়া আমার বুকে ঘষা শুরু করল। আমার কেমন যেন ইচ্ছা করছিল। বাস ভর্তি মানুষ। আমি বুকাটা ওর পাশ ঘেষে বইলাম। ও এবার সরে বসল। আবার একই কাজ। ও হঠাত মাথা নিচু করে ফেলল। হাত দিয়ে সিট খুজল। কি খুজল বুজতে পালাম না।
আমি নেমে গেলাম। নামার সময় দেখি লোকটা ................
পাশে আরো একটা মেয়ে বসল। ওর বুকে ওড়না নাই। যেন মেয়েটাকে গিলে খাবে।
জরিনা বলে, রাস্তায় থাকি তো। আমাগোরে জোর করে ধরে পুলিশ কাজ করে । টাকাও দেয়না। টাকা চাইলে মার দেয়।
পুরুষ মানুষ খালি খালি মাকেটে ঘুরে বেড়ায়। আন্ধকারে মেয়েদের বুকেও হাত দেয়।
বাচ্ছাকে একটু দুধ খাওয়াব তারও সুয়োগ নাই।
হা করে তাকিয়ে থাকে। শয়তান। শয়তানের বাচ্চা।
তোদের কি মা বোন নাই।


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sjisue/28826675 http://www.somewhereinblog.net/blog/sjisue/28826675 2008-08-02 23:09:54
কবে পৃথিবী আলোর মুখ দেখবে ]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/sjisue/28826306 http://www.somewhereinblog.net/blog/sjisue/28826306 2008-08-01 17:57:23 জামাত শিবিরকে ঘৃনা http://www.somewhereinblog.net/blog/sjisue/28826005 http://www.somewhereinblog.net/blog/sjisue/28826005 2008-07-31 16:20:05 অতৃপ্ত কামনা শারীরিক বৃত্তীয় পরির্বতনের পর পেয়ে বসে নতুন নেশা।
রাতে বিছানায় এপাশ ওপাশ।
তারপরও চোখে নেই ঘুম। নানা চিন্তা ভিড় করছে তনু মনে কেমন শূন্যতা পাশ পরিবর্তন করে শোয়া।
ছটফট। দপানি। হা পিত্যাশ
দিগন্তের লালিমা ফুটলে চোখ জুড়ে ঘুম। এই ঘুম মরন ঘুম যেন। গুমের মাঝে হাত মাথার বা বুকের নিচে চাপা পড়ে আহত। তন্দ্রা কেটে গেলে আহত হাত তুলতে গিয়ে মুখ থেকে অস্পষ্টস্বরে কান্না করে। ওরে মা। ব্যথায় কুঁকড়িয়ে উঠে।
আবার ঘুমের ঘোরে চলে যায়। তন্দ্রা আসে।
স্বপ্নেরা ডালপালা মেলে জেগে উঠে। ছুটে চলে শৈশবে। হাফ প্যান্ট পড়া বয়সে।
এক হাতে একটা লাঠি আর হাতে একটা গরুর রশি নিয়ে হাটছে রাখাল বালক। হাতে হাতে ঘাস খাওয়াচ্ছে রাস্তার দুই পারে। ওর প্রিয় সাদা গাইটার নাকে ধরেছে চিনা জোক। কাঠি দিয়ে ওটাকে সরিয়ে দিচেছ।
দুধ খুব কম হয়। সোড়া কেজি। এটা তো আমরাই খেতে পাই না। মা আবার সেখান থেকে কিছু বিক্রি করে দেয়। বিড়বিড় করে বলে
রাখাল বালক মাকে বলে আমি আর গরু চড়াতে পারব না।
দুধ দিয়া ভাত খাইতে পাই না। গরু পেলে কি লাভ।
মা বলে। বাবা বাছুরটা বড় হলে বিক্রি করে দিয়ে তোকে একটা সাইকেল কিনে দিব। তোর তো স্কুলে যেতে কষ্ট হয়। তোর সব বন্ধুদের সাইকেল আছে। তোর মন খারাপ থাকে।
আচ্ছা।
ঠিক আছে।
গাইটার গায়ে একটা মাছি বসে। রাখাল বালক থাপ্পর দিয়া মারতে গেলে। সেটা গিয়ে দেয়ালে পড়ে।
আহ! গেলাম
ঘুম ভেঙ্গে যায়। আর সাইকেল কেনা আর হয় না। সাইকেল চালানো আর হয় না।


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sjisue/28825425 http://www.somewhereinblog.net/blog/sjisue/28825425 2008-07-29 23:53:51
কৌশিক দা এই পিচ্চি আপনার কি হয় http://www.somewhereinblog.net/blog/sjisue/28825091 http://www.somewhereinblog.net/blog/sjisue/28825091 2008-07-28 22:32:38 তরুন তরুনীর পকেট কাটছে মোবাইল কোম্পানীগুলো স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালেয়র শিক্ষার্থীদের এমনিতেই আয় নেই। কিন্তু একটা বড় অংশ ব্যয় হয়ে যাচ্ছে মোবাইলের পেছনে।
রাতে কিংবা এফএণএফ টাকার খরচ কমাচ্ছে না।
আমরা নিজের সাদ্দের বাইরে অপচয় করছি কিন? সেটাই এখন বড় প্রশ্ন। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sjisue/28824907 http://www.somewhereinblog.net/blog/sjisue/28824907 2008-07-28 11:23:35
একটু উষ্ণতা পেতে পাশে বসি আর একটু পাশ চেপে।
শীতল আর উষ্ণ রক্তের প্রসবন
কাছাকাছি থাকায়
তারপরও রাস্তায়, ক্যাম্পাসে অথবা শপিং মলে
দু চোখে উষ্ণতা খুজে
অতৃপ্ত উষ্ণতা
স্ফীত আনাস্ফীত বুকের দিখে তাকিয়ে লোলুপ উষ্ণতায়
আড়মোর ভেঙ্গে উঠে
নড়ে চড়ে উঠে রাসায়িনক পলিমারগুলো
চষে বেড়াই খুঁজে বেড়াই
পাই না তোমায়
আর একটু উষ্ণতা চাই।
শুষে নিব সব উষ্ণতা এই বুকে
আর সেই উষ্ণতা হৃদয়কে রাখবে সতেজ
চাই মুখোমুখি বসিতে।
তুমি কেন দূরে
তুমি কেন আড়ষ্ট
কেন লজ্জাবনত।
কাছে এসে আমাকে দাও উষ্ণতা
আমি জমে যাচ্ছি হিম শৈল্যের মত
আমাকে দাও আর একটু উষ্ণতা।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sjisue/28824424 http://www.somewhereinblog.net/blog/sjisue/28824424 2008-07-26 19:50:46
জয়েন্ট ফ্যামিলি তবু পাত্রী দেখা হচ্ছে, খুজে রাখি যখন রাজি হবে তখন তখন বিয়ে। চিরায়ত নিয়ম মতে পাত্রী দেখতে যায় পাত্রের বোনরা। দুই বোন দুইটা গাদা।
সাহস নাই। আছে ধায় কাধে তুলে নেয়ার বোকামী। বোনদের উপর চরম বিরক্ত। হাজবেন্ড ধরে মার দেয়। চুপচাপ মার খায়। রাতে সহবাসে ডাকলে না করে না। শত হলেও স্বামী তো । অখুশী আবস্থায় মরে গেলে দোজখে যেতে হবে।
দাতের ব্যাথায় চিৎকার করে। ডাক্তারের কাছে নিয়ে যায় না। দাতের গোরায় সাদা/ জর্দ্দা লাগিয়ে দেয়। ব্যাথার সাময়িক উপশম হয়। কিন্তু মকমে আসে না ব্যাথা।
শ্বশুড়ের টাকায় বড় লোক হতে চায়। পায়রা বানুর জামাই। এক বার গ্রাম থেকে ছাগল কিনে ঢাকা এনে বিক্রি করে। লাভ আর কি। ছাগলের কান্ড দেখে পাড়া শুদ্ধ ছি ছি করছে। মানুষ।
ও হ্যা কি বলছিলাম যেন।
বড় ভাই শামসের। এলাকায় যে কটা ছেলে এসএসসিতে প্রথম বিভাগ পেয়েছে তাদের মধ্যে শামস একজন। তারপর ইন্টারে পেল দ্বিতীয় বিভাগ। চরমপন্থি কট্টর মৌলবাদী সংঘটন হরিবুত তরিকায় যোগ দেয়।
ধর্মীও উম্মাধনায় বেড়ে উঠে। সবাইকে কাফের ঘোষনা দিয়েছে কথায় কথায়।
এলাকার ধর্মপ্রান লোকগুলো ওদের উপর চরম বিরক্ত। তবে ওরা দমে না কেসি প্রোগ্রামের মাধ্যমে অন্যদের এরা আকৃষ্ট করে। গরীব মানুষকে সাহায্য দেয়। ওদের উপর বিরক্ত তীব্র হলেও এলাকায় ওরা শক্ত আস্তানা গেড়ে বসেছে।
ওর বাবা। কাসেম মিয়া ছেলের উপর বিরক্ত। মেধাবী ছেলেটা কার পাল্লায় পড়ে যে নষ্ট হয়ে গেল। রাতে সাদ্দাম হোসেননের খবর শুনতে সে বাধা দেয়। কাসেম মিয়ার শ্বশুর জামাইকে বিয়েতে একটা রেডিও দিয়ে ছিল।
একদিন কথা নাই বার্তা নাই শমসের আইসা রেডিওটা শূন্যে তুলে গুড়িয়ে দেয়।
কাসেম মিয়া রাগে ক্ষোভে ঘোষনা দিয়েছে এই ছেলেকে সে ত্যাজ্য করবে। আস্তে আস্তে রাগ পড়ে আসে।
সেই ছেলেকে কাসেম মিয়া করাবেন। পাত্রী পাওয়া গেল। হরিবুত তরিকা পটির সদস্য কালু ও হাবুর বোন মাদ্রাসা পড়া বোন বিবি খাদিজার সাথে।
বেটে খাটো পাত্রী।
সন্ধ্যায় পাত্রী দেখে পাত্র। ধর্মের দোহাই দিয়ে পরিবারের আর কেউ পাত্রী দেখতে পারবে না। ধর্মে নিষেধ।
বেটে রোগাটে অসুস্থ মেয়েটাকে কাসেম সাহের বড় পুত্র বধূ করে। শমসেরের বড় দুই বোন কি দেখল। পাত্রী কেমন দেখছেন এর জবাবে মাঝখানে আলহামদুলিল্লাহ বলে বেকায়দায় ফেলেছে সবাইকে। সবাই ধরে নিয়েছে পাত্রের বড় বোনের পছন্দ হয়েছে।
মেয়ে বিয়ে দিতে গ্রাম থেকে শহরে পাত্রীকে নিয়ে এসেছে তার আত্মীয় স্বজনরা।
কালো মেয়ে , পরীক্ষায় পাশ করবে কিনা কেউ জানে না। এই মেয়েকে শমসের কিভাবে বিয়ে করব।
না বলে দেয়। মাওলানা কেরামত আলী ওরফে চোরা কেরামত ঘোষনা দেয় দেখি কেরামত কিভাবে কোথায় বিয়ে করে।
সকল জল্পনা কল্পনার আবসান ঘটিয়ে অবশেষে হরিবুত তরিকা পটির সদস্য কালু ও হাবুর বোন মাদ্রাসা পড়া বোন বিবি খাদিজার সাথে শমসেরর বেয়ে হয়।
চলবে





]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sjisue/28824407 http://www.somewhereinblog.net/blog/sjisue/28824407 2008-07-26 19:31:07
বয়োবৃদ্ধদের সম্মান করি কিন্তু তারা যদি মুক্তিযুদ্ধকে বিরোধিতা করে তাদের কথা আমরা শুনবো না লাল সবুজের এই পতাকা খামছে ধরতে চাচ্ছে রক্ত পিপাসু হায়েনার দল। এরা সুযোগ নিচ্ছে মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাসআমরা না জানায়। আমাদের তরুন প্রজন্মের মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে। আমরা আমাদের সমাজের বয়োবৃদ্ধদের সম্মান করি কিন্তু তারা যদি মুক্তিযুদ্ধকে বিরোধিতা করে তাহলে তাদের কথা কথা আমরা শুনবো না।
আমরা ভুলো যাই নি ৭১ মুক্তিযুদ্ধে আত্মদানকারী শহীদদের। যাদের রক্তের ঋন কোনদিন শোধ করা যাবে না। স্বাধীনতা যুদ্ধে পুলিশ, আনছার ইপিআর (বিডিআর) সহ সম্মিলিত টাস্কফোর্স ও মিত্রবাহিনীর সহায়তায় সেদিন রুখে দাড়িয়েছিল হায়েনাদের। ওরা চেয়েছিল আমাদেরকে রাজনৈতিকভাবে হেয় করে সামরিক নিপিড়নের মাধ্যমে টিকে থাকতে। কিন্তু ওদের চিন্তায় ছাই দিতে পেরেছে বাংলার দামাল ছেলেরা। পেয়েছে বিশ্বের মানচিত্রে একটি স্বাধীন বাংলার প্রতিষ্ঠা করছে।
আজও হায়েনা দল বসে নেই লাল সবুজের এই পতাকা ছিনিয়ে নিতে। এখনই সময় সম্মিলিত প্রতিরোধ।
যুদ্ধ এখনও থামেনি। এই যুদ্ধ থামার নয়। নতুন প্রজন্মকে প্রকৃত ইতিহাস শিক্ষাদান। স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যবইয়ে মুক্তিযুদ্ধের বিকৃত ইতিহাস সংশোধন, মহান মুক্তিযুদ্ধ চেতনায় বিশ্বাসীদের পাওয়া না পাওয়ার বিভেদ ভুলো ঐক্যেবদ্ধ হতে হবে।
সর্বপরি সতর্ক থাকা স্বাধীনতা বিরোধীদের ব্যাপারে। এব্যাপারে কোন দ্বিমত নয়। আপস নয়। আর তাই এখনই প্রয়োজন যারা প্রকাশ্য মুক্তিযোদ্ধাদের লাঞ্চিত করে তাদের বিরুদ্ধে দুর্বার প্রতিরোধ গড়ে তোলা।
স্বধীন বাংলার মাটিতে অবশ্যই যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করতে হবে। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sjisue/28824157 http://www.somewhereinblog.net/blog/sjisue/28824157 2008-07-25 22:32:05
কষ্ট তুমি কেন নীল তুমি কেন নয় বর্নিল কষ্ট তুমি কেন নীল তুমি কেন নয় বর্নিল
তুমি ভেঙ্গে দাও হৃদয় গড় না মানব মঞ্জিল
কষ্ট তুমি আমায় করো কেন আড়ষ্ট করে রাখ
তুমি বীনে জীবন কেন যে রঙ্গীন।
মুহুর্তে তুমি সাদ আহলাদ কর খান খান
কষ্ট তুমি কেন নীল তোয়ালে নীল শাড়ী
নীল আকাশ নীল সমুদ্রের জল রাশি
কষ্ট তুমি গ্যাসে জ্বলা নীলাভ আগ্নি শিখা
জ্বলে পুড়ে শেষ কর তবু কেন আবার বাচিয়ে রাখ
তুমি রক্ত শূন্য ধবধব্বে দেহের নীল ঠোঁট
তুমি নও কেন নীল পাখির ছুটে চলা আনন্দ
কষ্ট তুমি কি নীলা নামের ঐ মেয়েটি
যার দুচোখ সাগর নো জ্বলে ভরা
হৃদয়ের রক্ত ঝরে কান্না হয়ে তার
দিনে রাতে মান অভিমান
তুমি নও কেন প্রেমিকের নীলু মায়া ভরা ডাক
তুমি কেন হও দুরাশার প্রতীক ভোরের কাক

কষ্ট তুমি কেন বুকের চিনচিন ব্যথা
কষ্ট তুমি কি রূপ কথা
তুমি জুদা হ্ও আমায় থেকে
আমি আর পারি না তোমায় বইতে।
আজ আড়ি যাব তোমায় ছাড়া
আনন্দ উল্লাসে ঘুরব পাড়া
রং ছিটাব পাড়াময় যদি এবার কষ্ট দূর হয়।








]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sjisue/28824146 http://www.somewhereinblog.net/blog/sjisue/28824146 2008-07-25 21:23:35
সংসার বিধাতা কত বৈচিত্রমভাবে মানব সংসার সাজিয়েছেন। সংসার ছায়ার মত ঘিরে আছে সবাইকে। ব্শ্বি সংসারেরর মাঝে আছে নানা রকম ক্ষুদ্র সংসার।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sjisue/28824143 http://www.somewhereinblog.net/blog/sjisue/28824143 2008-07-25 20:49:33