আমাদের দেশে এখন যে বিষয় টা খুব ই গুরুত্বপূর্ণ তা কিন্তু নির্ধারণ করা যাচ্ছে না কারণ হিসেবে অনেক গুলো ইস্যু ইতিমধ্যে আমরা অজর্ণ করেছি ।
টিপাই মুখ বাঁধ , বিডিআর হত্যার সুষ্ট তদন্ত না হওয়া , বিশাল বাজেট ..., (কাে লা টাকা সাদা করার সুযোগ ) ক্যাম্পাসের ছাত্ররাজনীতির অস্থিরতা, তীব্র বিদ্যু সংকট ইত্যাদি ।
ঠিক এই সুযোগে সরকার আরেক টি কাজ খুব সহজে লোক চোখের আড়ালেই হোক আর প্রকাশ্যেই হোক কাজটি চালিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন । তা হচ্ছে নতুন শিক্ষানীতি প্রনয়ন করা কাজ ।
অবশ্যই বর্তমান সরকার প্রধানের বাবা এই কাজটিতে হা দিতে চেয়েও পরে কি ভেবে আর না ভেবেই হোক এই কাজে হাত দেননি ।
কিন্তু আমদের প্রত্যশা ছিল বিশেষ করে স্বাধীনতার ৩৮ বছর পর আমাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থার তেমন উল্লেখ্য যোগ্য কোন পরিবতর্ন হয়নি ।
যার কারণে আমরা ধরে নিতে পারি প্রতি বছর ধেশ আজ উচ্চশিক্ষিত বেকার উহার দিচ্ছে প্রতিনিয়ত ।
আমাদের দেশে আজ চার ধারার শিক্ষা ব্যবস্থা চালু আছে
১ উচ্চবিত্তদের জন্য ইংলিশ মিডিয়ামের স্কুল
২ সাধারণ মধ্যে বিত্তদের জন্য বাংলা মিডিয়ামের
৩এই দুই ধারনায় যারা উত্তির্ণ তাদের জন্য রয়েছে উচ্চশিক্ষিত বেকার হওয়ার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় ।
৪ অপর দিকে রয়েছে মাদ্রাসা যাদের কে আমরা সবাই সেকেলের শিক্ষা ব্যবস্থা বলে নাক দূরে ঠেলে নেই ।
আমাদের দেশে একটি শিক্ষা নীতি প্রনয়ন করার জন্য ইতিমধ্যে ৫ৎপাচ বার কমিটি গঠন করা হয়েছে এবারেটা সহ কিনতু কোটাই সফলতা র মুখ দেখেনি ।
এখন যারা কমিটিতে আছেন তারা চান
প্রাইমারী হবে ৮ ক্লাশ পর্যন্ত
সেকেন্ডারী হবে ১২ পর্যন্ত
তার পর উচ্চ শিক্ষার সুযোগ থাকবে
সত্যিই ভাল প্রস্তাব
এর মধ্যে আবার অরনকেই তাদের ইচ্ছা অনুসারে কারগিরী শিক্ষার মাধ্যমে শিক্ষা লাভ করতে পারবেন ।
সবই ভালো লাগে শুনতে
কিনতু যখন শুনি
একটি ধর্মনিরপেক্ষ জাতির তৈরির সুদূর প্রসারি চিন্তা নিয়ে বর্তমান সরকার এগিয়ে চলছে এর ই অংশ হিসেবে এই কমিটি গঠন করা ।
কষ্ট তো ঐখানেই যখন ধর্মীও শিক্ষাকে করা হচ্ছে ঐচ্ছিক
কেউ ধর্মীয় শিক্ষা নিতেও পারেন আবার নাও নিলে কোন সমস্যা নেই
এমনিতে আগেই বলেছিলাম
আমরা ৯০ শতকরা মুসলমান দেশ হিসেবে পরিচিত হই কিনতু
আজকে জুম্মার নামাজে যেমন উপস্থিতি আছরের নাামাজ থেকে কিন্তু নেই
এর কারণ বক আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা এখন যেটা আছে তা আমাদের ধার্মিক বানাতে পারেনি ।
আর আগামীর শিক্ষা ব্যবস্থায় তো তার সুযোগ ই থাকবে না ।
কেন যেন মনে হয় সবাই ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে দিন যাপন করছেন ।
ভাই ধর্ম নিয়ে এত চিল্লা পাল্লা করেন কেন ? এমন মন্তব্য শুনা যায় হাটে ঘাটে পথে মাঠে বাজার রাস্তায় সব জায়গা য়
এর মধ্যেই পত্রিকার খবর আছে
শুধু বোরকা পড়ার অপরাধে গাজীপুরে প্রধানশিক্ষক পিটালেন স্কুল ছাত্রীকে ।
বলেন ভাই কোথায় আছি ।
ভাইরে দেশের মানুষকে তিন ধায়ায় বিভক্ত করে কখনই দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয় ।
তাই এই শিক্ষানীতির মূলনীতি হওয়া উচিত
ইসলামকে বাদ দিয়ে নয় বরং ইসলাম হবে জাতির ঐক্যের সূত্রগাঁথা
যদি আমরা এমনটি করতে না পারি তাহলে কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে আমরা পারবো কি
কারণ হিসেবে আমদের মানসিকতা এখনো দাসত্বের শৃঙ্খলে আবদ্ধ।
নিজের দেশ নিয়ে আমরা রাজনীতিবিদ আজ ধান্দায় আছি । কার স্বার্থ কে দেখে ।
আমদের সাংস্কৃতি কে বাঁচাতে হলে ইসলাম নির্ভর শিক্ষানীতি ছাড়া বিকল্প নেই ।
আমরা আদর্শ হিসেবে ইরান আমাদের সামনে রাখতে পারি ।
কিনতু দুঃখজনক হলেও সত্য আমাদের দেশে যারাই ইসলামী শিক্ষা নীতির কথা বলি তাদের অবশ্যই উচিত হবে দেশের উন্নতির নিমিত্তে একটি আধুনিক বাস্তব সম্মত শিক্ষানীতি প্রণয়ন করা । এবং তা সরকারের নিকঠ পৌছাণো । এর গ্রহণ যোগ্যতা অবশ্যই হয় এমন ভাবেই যেন তৈরি করা হয়
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ৯:৩৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



