আমার প্রিয় পোস্ট
- পাইছি.....
ডাউনলোড করুন - হা...হা...হা...
- ইনষ্টল করা সফটওয়ারের সিরিয়াল বের করুন সহজেই - এ আর খান
- উইন্ডোজ সেভেনকে জেনুইন করে ফেলুন জেনুইন সিরিয়াল দিয়ে - এ আর খান
- বিনামূল্যে নিন ব্যান্ডউইড মিটার সফটওয়্যার - আরিফ বল্গ
- মেগাআপলোড থেকে আজীবন মুভি ডাউনলোড/স্ট্রিমিং করবেন যেভাবে--(like premium user) - বিডি আইডল
- মুভি পাগলেরা সহায়তা করেন...World War II এর উপর নির্মিত মুভি'র নাম জানতে চাই - লুথা
- এই নির্লজ্জ সাইফুর নিজের মাথা ন্যাড়া করার ছবি জোড়া দিয়েছিস বোধায়। - মেহদী
- ব্লক করা যে কোন সাইটঃ ফেসবুক, ইউটিউব ইত্যাদি ব্রাউজ করুন সহজে - বিডি আইডল
- আরো কিছু সোভিয়েত্স্কি কৌতুকভ।(প্রায় সবই পলিটিক্যাল) - হাসান মাহবুব
- গ্রামীনফোন মোডেম দিয়ে অন্য অপারেটরের(একটেল, বাংলালিংক,ওয়ারিদ) ইন্টারনেট ব্যাবহার - ফরহাদুল কবির
- Task Manager ডিজাবল হয়ে গেলে তা ফিরিয়ে আনবেন কিভাবে? - আলোকিত পৃথিবী
- কিছু অসাধারন রাশিয়ান প্রশ্নোত্তর। - হাসান মাহবুব
- টুকে লেখা, পড়ে লেখা, জেনে লেখা... (আলী, হাবিব মহাজন। ফাডাররাও পড়তে পারেন) - অঃরঃপিঃ
- একাধিক I.D. দিয়ে Yahoo! মেসেন্জারে লগিন: পার্ট ২ - আমড়া কাঠের ঢেকি
- বঙ্গদেশের ফটু রঙ্গ -২ - কাঙাল মামা
- দেখাদেখি বদলে যাওয়া... তাইলে কী বদলাইল? - ব্রাত্য রাইসু
- রাজাকার প্রতিরোধে উজ্জীবিত করবে বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের এই কবিতাটি - অমাবশ্যার চাঁদ
- ১৮+ কৌতুক প্লিজ ব্যান করবেন না, অথবা করার ইচ্ছা থাকলে ,একটা কারণ দর্শাও নোটিশ পাঠাবেন।এক্সট্রিমলি ম্যাচিউরডদের জন্য। - বিলাল
- মজার একটা সাইট শেয়ার না করে পারলাম না
- নিঃসঙ্গ
- আলু পাড়ার মড়ক ও সামু বলগের অবস্থান! - ক-খ-গ
- নবীনদের জন্য - নাদান
- বারাক ওবামা এবং সেই কৃষ্ণাঙ্গ মার্কিন প্রেসিডেন্টদের গল্প... - যুবােয়র হাসান
- অন্তর্জালে আমি কাদের কাদের পুন মার্তে চাই? - পাগলা গারদের ওয়ার্ডেন
- আজ বিশ্ব শালা-শালি দিবস
- নাফিস ইফতেখার
- ব্লগিং করার সুবিধার্তে সা,ই, এ - দুঃখবিলাস
- অর্থনীতি ব্লগ: আয়কর রিটার্ণ যাদের দিতেই হবে - শওকত হোসেন মাসুম
- টেকি পোস্ট ঃ কমেন্টে ফটো দিবেন কিভাবে ?? - শয়তান
- পরশুরামের কুঠার অথবা জিন্দা লাশের আয়ুষ্কাল - ফারুক ওয়াসিফ
- যেকোন Webpage থেকে বিজ্ঞাপন অপসারন করুন, বিজ্ঞাপনহীন ওয়েবের জগতে আপনাকে স্বাগতম! - নাফিস ইফতেখার
- গুগল বুকস থেকে বই ডাউনলোড করবেন যেভাবে - অনিকেত প্রান্তর
- XP Genuine করুন : Microsoft এর মাথায় কাঁঠাল ভেঙে খান - নাফিস ইফতেখার
- এ্যাডমিনিস্ট্রেটরের পাসওয়ার্ড খোলা - পথিক মানিক
- "এক ক্লিকে দুই সার্চ ইঞ্জিন" Google and Yahoo! Search Result Side by Side - প্রচেত্য
লোকাল হিরো, রেইনবোর কবীর ভাই এবং একজন ঝিনুক
০৫ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ২:২৬
এক.
ক্ষুধা লাগলে ঝিনুক খাবারের পেছনে দৌড়ায় না। কেবল তার খোলসটি হা করে ফেলে। সেভাবেই বসে থাকে পানির ভেতর। কিছুক্ষণের মধ্যেই স্রোতের টানে কোনো না কোনো পোকা এসে পড়ে তার খোলসে, আর সেটি পরিণত হয় ঝিনুকের খাদ্যে।
এ কথাটির প্রায় কাছাকাছি একটি বাক্য পেয়েছিলাম মারিয়ো পুজোর লেখা গডফাদার উপন্যাসে। ডন ভিটো কর্লিওনি বলছেন, কেউ যদি তোমার ক্ষতি করে, যদি অপমান করে, কিচ্ছুটি বলো না। চুপচাপ থাকো। বেশি দিন লাগবে না, দেখবে প্রতিশোধ এসে হাজির হয়েছে তোমার হাতের মুঠোয়।
আরো পরে জেনেছিলাম মরুঝড়ে আরবের বেদুইনরা কি করতো। তারা স্রেফ বালিতে মুখ গুজে বসে থাকতো, কখন ঝড় থামবে।
অনেক আগে, আমার নিজের ইতিহাসের শুরু যখন, সেই হাফপ্যান্ট পরা শৈশব থেকে নানা ভাবে জেনেছি একই শিক্ষা, ধৈর্য ধরতে হয়। এ কথাটি একটু অন্যভাবে বলে গেছেন নেপলিয়ন- যখন তোমার মনে হবে সর্বনাশ আর ঠেকানো গেল না, জেনে রাখো, তখনো উদ্ধার পাবার উপায় থাকে।
দুই.
ক্লাস নাইন-টেনে পড়ার সময় থেকেই বড় ভাইয়ের কালেকশনের সুবাদে পশ্চিমি যে দুজন শিল্পীর গান শোনা হয়েছে সবচেয়ে বেশি, তারা হলেন জন ডেনভার আর ব্রুস স্প্রিংসটিন। ব্যান্ড হিসেব করলে সবচেয়ে আগে আসে ডায়ার স্ট্রেইটস।
ইন্টারমিডিয়েটে পড়ার সময় টিফিনের পয়সা বাঁচিয়ে অডিও ক্যাসেট রেকর্ড করিয়েছি এলিফ্যান্ট রোড থেকে। সিডির যুগ শুরু হয়নি তখনো। সে সময় ইংরেজি গানের স্বর্গ ছিল ছোট্ট একটি দোকান, নাম রেইনবো। আমার জীবনে এতো এলপি রেকর্ডের কালেকশন আর কোথাও দেখিনি। কাউন্টারে বসতেন লম্বা চুল ওয়ালা একজন ভ্দ্রলোক, গানের পোকা। চেহারা পুরো জন লেননের মতো। সবার প্রিয় কবীর ভাই। অনেক সময় এমন হয়েছে কোথায় একটা গান অল্প খানিকটা শুনেছি, ছুটে গিয়ে কবীর ভাইকে বলেছি, ওই গানটা লাগবে। কোন গান- সেটি আর বোঝাতে পারি না, কারণ গানের টাইটেল বা শিল্পীর নাম কোনোটাই জানা নেই। উনি বললেন, গানটির সুর খানিকটা গুনগুন করে গেয়ে শোনাও, দেখি বুঝি কি না। দশ থেকে পনের সেকেন্ড শুনলেন, তারপর বললেন, ১৭ নম্বর তাকে দেখো পল ইয়ং নামে এক শিল্পীর এলপি আছে লাভ অফ দি কমন পিপল নামে, ওটা নিয়ে আসো। নিয়ে তাকে দিলাম, উনি বাজিয়ে শোনালেন, হুবহু যে গানটা শুনে পাগল হয়ে গেসিলাম সেই গানটাই। আহা, আনন্দ আর দেখে কে?
সে সময় (৯১-৯৩ সাল) রেইনবোতে গান রেকর্ড করতে দিলে দুই-তিন মাস পর ডেলিভারি পাওয়া যেতো। এতো ছিল অর্ডারের চাপ। সব রেকর্ড কবীর ভাই নিজে করতেন। মনে আছে একটি ৯০ মিনিটের মিক্সড ক্যাসেট রেকর্ড করতে দিয়েছিলাম এসএসসির শেষ পরীক্ষার দিন, আর ডেলিভারি পেয়েছিলাম রেজাল্ট আউট হবার পর।
গানের সঙ্গে লিরিক জানার শখ মাথা চাড়া দিল যখন দেখলাম প্রায় এলপির কভারেই প্রতিটি গানের লিরিক লেখা থাকে। প্রতি শনিবার কবীর ভাইকে বলে এলপির কভার ফটোস্ট্যাট করে নিতাম। তার সফট কর্নার পাওয়ার জন্য রেইনবোর অর্ডারি ক্যাসেটে গানের লিস্ট লিখতাম।
সে সময়ই আমার কোনো একটি গানের কাসেটের শেষ দিকে হয়তো মিনিট পাঁচেক ফিতা খালি ছিল, সেখানে উনি দিয়ে দিলেন একটি ফিলার মিউজিক। গিটারের জাদু কাকে বলে মিউজিকটি যেন ঝাকি দিয়ে জানিয়ে গেল। লিস্টে চোখ বুলালাম। লেখা রয়েছে ইনস্ট্রুমেন্টাল গোয়িং হোমঃ থিম ফ্রম লোকাল হিরো। জানা গেল ১৯৮৩ সালে তৈরি হওয়া লোকাল হিরো নামের একটি সিনেমার মিউজিক এটি। ডায়ার স্ট্রেইটসের ভোকালিস্ট ও অসাধারন গিটারিস্ট মার্ক নফলারের (Mark Knopfler) তৈরি করা সুর।
পরের মাসেই টাকা জমিয়ে গেলাম, লোকাল হিরো সিনেমার ইনস্ট্রুমেন্টাল চাই। সে রেকর্ড শুনে পাগল হয়ে যাবার দশা। আহা, অমন মিউজিক মনে হয় একবারই তৈরি হয়।
এর পর যখন অনার্সে পড়ি, সে সময় (৯৫-৯৬ সাল হবে) ভোরের কাগজের বিখ্যাত ফিচার পাতা মেলায় টুকটাক লিখি মিউজিক নিয়ে। মানে পশ্চিমা অ্যালবাম কোনটা বেরোলো, কোন ব্যান্ড ভেঙ্গে গেল (ব্যান্ড ভেঙ্গে যাওয়া তখন বিশাল ব্যাপার), এইসব নিউজ। সে সময় বৃটিশ বাংলা ফিল্ম ফেস্টিভাল হলো ঢাকার বৃটিশ কাউন্সিলে। অ্যাসাইনমেনট করতে গিয়ে দেখলাম সেই লোকাল হিরো সিনেমাটি দেখানো হবে। মনে হলো হার্টবিট মিস করবো, যে মিউজিক এতোদিন কেবল শুনে এসেছি, সেই মিউজিক ওয়ালা মূল সিনেমাটাই দেখা যাবে।
এক আমেরিকান তেল ব্যবসায়ী ইংল্যান্ডের উপকূলে তেলকুপ বসাবে। সেখানকার সবার কাছ থেকে জমি কেনা সারা, কেবল এক গরীব মাঝি তার জমি বেচবে না, আর সেই জমি না পেলে তেলকুপ বসানো সম্ভব হয় না- এই হলো সিনেমার কাহিনী। অনেকেই ঠোঁট ওল্টাবেন, কিন্তু আমার কাছে অন্যতম প্রিয় সিনেমার নাম লোকাল হিরো।
তিন.
লোকাল হিরো সিনেমা একবার দেখে আর মন ভরে না। কিন্তু এ সিনেমা কই পাই? ঢাকার এমন কোনো সিডি/ডিভিডির দোকান খুঁজতে বাকী রাখিনি, কিন্তু কারো কাছে এই সিনেমাটি নেই।
অনেকদিন পর এই লোকাল হিরো আবার দেখার সুযোগ হলো সিনেমা প্রেমী শফিক রেহমানের কারণে। তার নিজের কালেকশনে প্রায় ১৮ হাজার সিনেমা আছে। সেখানে লোকাল হিরোও আছে। অ্যাকাডেমি ফিল্ম সোসাইটি বলে একটি সংগঠন উনি দাড় করিয়েছিলেন, সেখানে দেখা গেল সিনেমাটি। তাকে অনুরোধ করলাম, লোকাল হিরো কপি করে নেয়া যাবে কি না। উনি বললেন, আমাদের লাইব্রেরিয়ানের সঙ্গে কথা বল। ওমা, সূর্যের চেয়ে বালি গরম বলে একটা কথা শুনেছিলাম, এই লাইব্রেরিয়ান ব্যটা দেখি তার চেয়েও বড় হাইকোর্ট। লোকাল হিরো পাওয়া হলো না।
চার.
৯৩ থেকে ২০০৮। একটি সিনেমার জন্য ১৫ বছর অপেক্ষার গল্প বললাম।
আজকেই এই গল্প শেয়ার করতে মন চাইল। কারণ ঝিনুকের খোলসে আজ আপনা আপনি খাবার এসেছে। গতকাল অনলাইনে হঠাৎ করেই সিনেমাটির ডাউনলোড লিঙ্ক পেলাম। তৎক্ষণাত ডাউনলোড শুরু করে দিয়েছিলাম। এখন আমার পিসিতে বলছে ডাউনলোড হয়েছে ৯৬%। আর কিছুক্ষণ পরেই আমি দেখতে পাবো লোকাল হিরো। সেই সাথে আমার কালেকশনে যোগ হবে বার্ট ল্যাঙ্কাস্টার অভিনীত সিনেমাটি।
সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৩:১৭ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
রাতমজুর বলেছেন:
লিংক দেন লেখক বলেছেন: টরেন্ট থেকে নামিয়েছি http://www.mininova.org/tor/1392336
লেখক বলেছেন: আমারো তাই লাগছে। তবে ১৫ বছরের কাছে ১ দিন কোনো ব্যাপার না।
লেখক বলেছেন: বর্ণনা জঘণ্য হলেও সমস্যা নাই, আমি আনন্দে আছি, ডিভিডি কোয়ালিটির প্রিন্ট।
লেখক বলেছেন: আপনার দোয়ারে মাইনাস
বিষাক্ত মানুষ বলেছেন:
অভিনন্দন । দেখতে হবে সিনেমাটা । নামো শুনি নাই আগে ।
কবির ভাইয়ের রঙধনু টং দোকানে একটা সময় রেগুলার পড়ে থাকতাম , ভাবির সাথেও পরিচয় ছিলো ,,,, How time does fly ! :
লেখক বলেছেন: আমার কাছে অডিও অনেক আগে থেকেই আছে। তবুও ধন্যবাদ, আপনার দেয়া লিংক থেকে অন্যরা সাউন্ড ট্র্যাক শুনতে পারবে।
জাতির কাছে লোকাল হিরোর অডিও লিংক দেয়ার জন্য আগের মাইনাস মাফ করা গেল।
মনজুরুল হক বলেছেন:
বিপুল তুমি ফুটু টুটু বাদ দিয়া গদ্য লিখলে ভাল করতা।তুমার এই পরিচয় আগে পাই নাই! তুমার মধ্যে লেখার সময় আশ্চর্য এক ধরণের নির্লিপ্ততা আছে,যেটা গদ্যের প্রধান শর্তগুলার অন্যতম।ভাল থেকো।
লেখক বলেছেন: ধুর মঞ্জু ভাই, কি যে কন! ![]()
লেখক বলেছেন: শুনেছি অস্ট্রেলিয়া চলে গেছেন। একটা জেনারেশনকে উনি গানের টেস্ট ধরিয়ে দিলেন।
এখন যারা নেট থেকে দেদারসে গান ডাউনলোড করে, তারা বুঝবে না কতো কষ্ট করে এলপি/সিডি কালেক্ট করতাম।
রোবোট বলেছেন:
"এখন যারা নেট থেকে দেদারসে গান ডাউনলোড করে, তারা বুঝবে না কতো কষ্ট করে এলপি/সিডি কালেক্ট করতাম"কথাটা ক্যাসেটের জন্য আরো বেশী সত্য। ৯১-৯৭ এই সময়টাতে রিদম, রেইনবোতে অনেক ক্যাসেট করেছিলাম। ারেকটা দোকানে
অনেক ক্যাসেট করেছিলাম। রিদমের পাশে- বাংলা নাম। সুরতরংগ কি কি?
আমি খ্যাত কিসিমের গরীব মানুষ- কবীর ভাইয়ের ভাব ভালো লাগতো না। সেজন্য রিদমে বেশী জেতাম। বাংলার জন্য সুরতরংগ। পুরান দিনের কথা মনে পড়ে গেলো।+
লেখক বলেছেন: দোকানের নামটি ছিল সূরবিচিত্রা। ওখানে বাংলা ও হিন্দী কালেকশন ভালো ছিল। রিদম ছিল মাঝারি গেছের।
আমি যখন এলপি-সিডি কালেক্ট করার কথা লিখেছি, তখন এলপি সিডি থেকে অডিও ক্যাসেটে কপি করার কথাই বলেছি।
নীল লাল সবুজ বলেছেন:
কবীর ভাই ঠিক করেছিলেন বিয়ে করবেন না। আশ্চয্য এই পাগল মানুষটিই প্রেম করে বিয়ে করেছিলেন শেষ পর্যন্ত! সম্ভবত ভাবিই ওনাকে বিদেশে নিয়ে যায় মুরাদ ভাইর রেইনবো ফেলে..
লেখক বলেছেন: হতে পারে, কবীর ভায়ের বিয়ের সময়টা তোফা একটা সময় গেছে রেইনবোতে। দু'একজন করীর ভাইকে টুকটাক কমেন্ট করতো, অন্যরা জানতো কিন্তু কিছু বলার সাহস করতো না...
কবীর ভায়ের ই-মেইল কি কারো কাছে আছে?
রেইনবো'র কবির ভাই বলতেই নব্বুই দশকের মাঝামাঝি চলে গেলাম...সেই কলেজ আর ইউনি লাইফের দিনগুলি।
আমি তো TDK ক্যাসেট দেখলে এখনো নস্টালজিক হই....
আমাদের কষ্ট করে গান শোনার সময়টা এই সময়ের পোলাপানগুলা বুঝলো না! এখন ডাউনলোড বাটনে যাবতীয় মুক্তি...!
লেখক বলেছেন: ভাইরে TDK D90 ছিল আমার প্রিয় ক্যাসেট। এরপর আসল A90, তেমন একটা ভালো লাগেনি। এ ছাড়া ম্যাক্সেল ছিল কিছু কিছু।
শওকত হোসেন মাসুম বলেছেন:
নষ্টালজিক। সুন্দর লেখা। অনেক কথা মনে পড়ে গেল। সেই জীবনে আর যাওয়া যায় না। এখনকার নেটসর্বস্ব জীবনের মানুষ বুঝবে না কী সব দিন ছিল আমাদের।
লেখক বলেছেন: সেই জীবনে যাওয়া সম্ভব না, কিন্তু মাঝে-মধ্যে সেই সময়ে ডুব দিতে ইচ্ছে করে।
রায়ান বলেছেন:
আপনার লেখা পড়ে অনেক পুরনো কথা হঠাত মনে পরে গেল। হারিয়ে যাওয়া কবির ভাই, সেই TDK D90, LP-র পট পট শব্দ। কে জানে - হয়তো সেকালে আপনার সাথে দেখাও হয়েছে এলিফেন্ট রোডের ঐ black hole-এ লেখক বলেছেন: রেকর্ডেড ক্যাসেটে এলপির পটপট শব্দের তীক্ষ্ণতা শুনে ক্যাসেট প্লেয়ারের হেড টিউন করতাম... মনে পড়ে গেল।
মোহাম্মদ আরজু বলেছেন:
হুমম . . .মনজুরুল হক বলেছেন: বিপুল তুমি ফুটু টুটু বাদ দিয়া গদ্য লিখলে ভাল করতা।তুমার এই পরিচয় আগে পাই নাই! তুমার মধ্যে লেখার সময় আশ্চর্য এক ধরণের নির্লিপ্ততা আছে,যেটা গদ্যের প্রধান শর্তগুলার অন্যতম।
ফুটু বাদ দেয়ার দরকার নাই। ফুটু সহ-ই গল্প চলবো। নির্লিপ্ততা নিয়ে গল্প লেখায় লিপ্ত থাকলেই চলবো।
আকাশচুরি বলেছেন:
লেখনীতে মুগ্ধ হলাম!!
কালপুরুষ বলেছেন:
খুব ভাল লাগলো আপনার লেখা। আপনার স্মৃতির সাথে আমার জীবনের অনেক পুরোনো স্মৃতিকথা মিলে যায়। আমিও একসময় প্রচুর এলপি কালেকশন করেছিলাম। বাসায় নিজেই রেকর্ডিং করতাম। "রেইনবো"-তে যেসব "ক্যাসেট ডেক", "টার্ণ টেব্যল্" ও ইংলিশ গানের এলপি (তখনও অডিও সিডি থেকে রেকর্ডিং শুরু হয়নি। সেসময় গানের এলপি বা লং প্লে থেকে গান রেকর্ড করা হতো) ব্যবহার করা হতো তার অনেকগুলোই আমার হাত ঘুরে গেছে। গান শোনা ও গান রেকর্ড করা ছিল আমার কাছে নেশার মতো। তবে ঢাকায় প্রথম শখের বশে উন্নতমানের গান রেকর্ডিং শুরু করেছিল বর্তমানের ফ্যাশান জগতের কিংবদন্তী "ক্যাটস্ আই" এর কামাল ভাই, যা এখন আর নেই। সে'ই প্রথম "নাকামিচি" ক্যাসেট ডেক-এ গান রেকর্ড করতো। তবে "সুর সঙ্গম" ও "সুর সাগর" বলে পিরিচত দুটো প্রতিষ্ঠান এলিফ্যান্ট রোডে অনেক আগে থেকেই গান রেকর্ডিং শুরু করেছিল। পরবর্তীতে "ক্যাটস আই", "রেইনবো", "গানের ডালি" এবং পল্টন সুপার মার্কেটের একটি প্রতিষ্ঠান (নাম মনে পড়ছেনা) গান রেকর্ডিং-এর জন্য জনপ্রিয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে।
মুয়ীয মাহফুজ বলেছেন:
ডাইর স্ট্রেইটসের গান আসলেই অসাধারণ!!এ গানটা তো বটেই!মিনিনোভা টরেন্ট থেকে ফিল্মটা ডাউনলোডে দিলাম।
রাশেদ বলেছেন:
সেই পুরানো দিনের কথা মনে করিয়ে দিলেন।ক্লাস নাইনে থাকতে প্রথম রেকর্ড করি। প্রথম দিন যখন রেইনবোতে যাই, তখনো সাইডের চিপা দিয়ে সিডির অংশটা খুলে নাই। ঐখানে যেয়ে দাঁড়িয়ে আছি, এক ছেলে জিজ্ঞাসা করলো কি রেকর্ড করবো। লিস্ট দেখালাম, বললো কবির ভাইকে দেখাও। আমি জিজ্ঞাসা করলাম উনি কে! ছেলেটা অবাক হয়ে আমার দিকে তাকালো। যাই হোক, পরিচয় হলো সেদিন। তারপর কতবার গেছি হিসেব নেই! স্কুলের শেষ দিনগুলো আর কলেজ আমলেই মেইনলি রেকর্ড করতাম। আমার কাছে এলপির রেকর্ড কেনো জানি ভালো লাগতো। কোনো অ্যালবামের এলপি থাকলে আমি সিডিরটা রাইট করতাম না। প্রথমে জানতাম না লিরিক্সের কথাটা। কিছুদিন পরে জিজ্ঞাসা করলাম লিরিক্স কপি করা যাবে নাকি। বললো শনিবারে এসে নিয়ে যেতে। গেলাম শনিবারে। কাভারগুলো নিয়ে বের হলাম, কিন্তু কপি করার দোকান পাই না আশেপাশে। পরে আঁকাবাঁকা নামের এক দোকান (ভুল হতে পারে নামটা) থেকে কপি করলাম। এরপর প্রায় শনিবারে যেতাম আর আলাদা একটা ফাইলে করে রেখে দিতাম কপিগুলো।
আমার প্রিয় ছিলো সনি এইচএফ ক্যাসেটগুলো। প্রায় সব রেকর্ড এই ক্যাসেটে করা।
সবচেয়ে ভালো লাগতো হালকা সবুজ রঙের কাগজে লেখা বিচিত্র স্টাইলে গানের নামগুলো। একবার একটা এক বন্ধু হারিয়ে ফেলে, কি যে কষ্ট লেগেছিলো সেইটার জন্য।
লাস্ট দেশে যেয়ে রেইনবোর গলিতে ঢু মেরেছিলাম। দেখলাম সেখানে কন্সট্রাকশনের কাজ চলে।
লেখক বলেছেন: ফটোকপির দোকানটার নাম ছিল আঁকাবাঁকা ফটো স্টুডিও। সেখানেই ফটোস্ট্যাটও করা যেতো। হালকা সবুজ কাগজে আমিও অনেকের মতোই গানের লিস্ট লিখতাম।
রাশেদ বলেছেন:
ওনার সাথে আরো একজন ছিলো মুরাদ ভাই।
লেখক বলেছেন: মুরাদ ভাই ছিলেন কবীর ভাইয়ের বন্ধু এবং ওই বিল্ডিংটার মালিক
লুকার বলেছেন:
আরে মিউজিক ম্যাড ম্যান,
লোকাল হিরোর ফাটাফাটি এ্যাড হৈছে এইটা।
শফিক রেহমানের ম্যুভি লাইব্রেরীটা এখন কোথায়, জানেন নাকি?
৬৭০মেগা নামাইতে ১ সপ্তাহ লাগব!
|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন:
ধৈর্য নিয়া পড়লাম। মনে পইড়া গেলো আমাগো বই খোঁজার কাহিনী। ছাব্বিশ টাকার বই খুঁজতে গিয়া ষাইট টাকা খরচ কইরা ফেলছি এইরকম ও আছে।
মনজুরুল হক কথাটা খারাপ কন নাই। হাছাই।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...















