আমার প্রিয় পোস্ট
- বারাক ওবামা এবং সেই কৃষ্ণাঙ্গ মার্কিন প্রেসিডেন্টদের গল্প... - যুবােয়র হাসান
- অন্তর্জালে আমি কাদের কাদের পুন মার্তে চাই? - পাগলা গারদের ওয়ার্ডেন
- আজ বিশ্ব শালা-শালি দিবস
- নাফিস ইফতেখার
- ব্লগিং করার সুবিধার্তে সা,ই, এ - দুঃখবিলাস
- অর্থনীতি ব্লগ: আয়কর রিটার্ণ যাদের দিতেই হবে - শওকত হোসেন মাসুম
- পরশুরামের কুঠার অথবা জিন্দা লাশের আয়ুষ্কাল - ফারুক ওয়াসিফ
- যেকোন Webpage থেকে বিজ্ঞাপন অপসারন করুন, বিজ্ঞাপনহীন ওয়েবের জগতে আপনাকে স্বাগতম! - নাফিস ইফতেখার
- চ্যাট করুন ইন্টারনেট সংযোগ ছাড়াই - তারকে
- গুগল বুকস থেকে বই ডাউনলোড করবেন যেভাবে - অনিকেত প্রান্তর
- XP Genuine করুন : Microsoft এর মাথায় কাঁঠাল ভেঙে খান - নাফিস ইফতেখার
- এ্যাডমিনিস্ট্রেটরের পাসওয়ার্ড খোলা - পথিক মানিক
- "এক ক্লিকে দুই সার্চ ইঞ্জিন" Google and Yahoo! Search Result Side by Side - প্রচেত্য
কক্স'স বাজার : এই ছবিগুলো তোলার কথা ছিল না
১৫ ই অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৪:৩৭
হাসান সাইফুদ্দিন চন্দন। ডকুমেন্টারি ফটোগ্রাফির ক্ষেত্রে অসম্ভব পারফেকশনিস্ট ফটোগ্রাফার, ম্যাপ ফটো এজেন্সির প্রতিষ্ঠাতা এবং ডিরেক্টর। তার সবচেয়ে বড় পরিচয় হলো তার নামের পাশে যোগ করা পাঁচটি অক্ষর, ইফিয়াপ (EFIAP) মানে হলো এক্সেলেন্স অফ ফিয়াপ। আর ফিয়াপ মানে হলো ফেডারেশন অফ ইন্টারন্যাশনাল আর্ট ফটোগ্রাফি। ইফিয়াপ হলো ফিয়াপের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সম্মাননা। সম্ভবত সাউথ এশিয়ায় তিনিই এ সম্মান প্রথম পান।
সেই চন্দন ভাই ফোন করলেন তিন দিনের জন্য তার সঙ্গে অ্যাসাইনমেন্টে যাবো কি না। বললেন, তার একজন অ্যাসিস্টেন্ট প্রয়োজন। খুশিতে লাফ দিয়ে ওঠার মতো প্রস্তাব। অনেক দিন ধরে এমন একটা অ্যাসাইনমেন্ট খুঁজছিলাম। বড় একটি অ্যাসাইনমেন্ট কাছ থেকে দেখার সুযোগ কম আসে। এবার সেটি পাওয়া গেল। ফটোগ্রাফির কোর্সে বাংলাদেশী যে ফটোগ্রাফারের ছবির রেফারেন্স সবচেয়ে বেশি পেয়েছি, আজ সে ফটোগ্রাফারের কাজ, কাজের ধরন, একটি পরিস্থিতি থেকে দরকারী ফটো বের করে আনতে পারা, এসব একেবারে কাছে থেকে দেখা যাবে।
ছুটি নিয়ে ফেললাম অফিস থেকে। শেষ মুহূর্তে ঘটল বিপত্তি। অ্যাসাইনমেন্ট পিছিয়ে গেল। অথচ হাতে মঞ্জুর হওয়া তিন দিনের ছুটি। দুই/তিন মিনিট চিন্তা করলাম, তারপর ডিসিসন নিয়ে ফেললাম, ছুটি যখন নিয়েছি সেটা ছবি তোলার জন্যই খরচ করা হবে। সোজা কক্স'স বাজার। আগেও কিছু ছবি তুলেছিলাম। এবার দেখি ভোরের কিছু ছবি পাওয়া যায় কি না।
গিয়ে উঠলাম সস্তার একটি হোটেলে। লিফট নেই, এসি নেই। খরচ যতোদূর কমিয়ে ছবির জন্য বেশি বরাদ্দের পথ নিলাম।
তিন দিনে ছবি তুলেছি প্রায় ছয়শ। সেখান থেকে কয়েকটি ছবি এখানে দিলাম। ভবিষ্যতে হয়তো আরো ছবি পোস্ট করব। অথচ এই ছবিগুলো আমার তোলার কথা ছিল না।
![]()
প্রথম দিন বিচে যাবার পরপরই পেয়েছিলাম এই ফ্রেমটি। মন ভালো হয়ে গিয়েছিল।
![]()
ভোর বেলার বিচ। সময় আনুমানিক ভোর ছয়টা
![]()
প্রায় একই সময়ের ছবি
![]()
এটা আরো একটু পরে তোলা
![]()
এই কাপলকে পেয়েছিলাম ভোর পাঁচটায়
![]()
রাত আটটায় তোলা ছবি। স্লো শাটারে তোলা, বড় করে দেখলে আকাশ ভর্তি তারা দেখা যায়, কিন্তু সামহয়্যারে ৪০০ পিক্সেলের ছবিতে সে তারা বুঝা যাবে না মনে হয়।
নজরুল ফরাজী বলেছেন:
ছবি গুলো সত্যিই চমৎকার।
নজরুল ফরাজী বলেছেন:
+++++
কন্টক বলেছেন:
উফফফফফফফফফফ। ৪টি বছর কেটে গেল ;;; হাঁটা হয়না সেই রূপালী সৈকতের চেনা পথে,,,,,,,,,, দেখিনা নিজের জন্মস্হানটাকে
তপন চৌধুরি বলেছেন:
ভাল হয়েছে৷
নিবিড় অভ্র বলেছেন:
সুন্দর তো!!
আমি ও আমরা বলেছেন:
দারুন!!!!
রক্তাক্ত যোদ্ধা বলেছেন:
প্রথম ফ্রেইমটা অসাধারন.....+
লেখক বলেছেন: এটা আমারো প্রিয় ছবি। ধন্যবাদ।
ইয়।সিন কবির বলেছেন:
বস আপনার ক্যামেরার কনফিগারেশন টা কি?
লেখক বলেছেন: ভাইরে, আমি সস্তার ক্যামেরায় ফটো তুলি। নিকন ডি৭০।
চন্দন বলেছেন:
সুন্দর
তপন চৌধুরি বলেছেন:
আপনার বসের এত প্রশংসার পর ওনার কিছু দিলে পারতেন৷ একটু আগ্রহ লাগল৷
লেখক বলেছেন: উনার ছবি তো উনাকে না বলে আমি দিতে পারি না। এটা ঠিক না। তবে খুঁজে দেখি অনলাইনে উনার ছবি আছে কি না। পেলে লিংক দিয়ে দেব।
ইয়।সিন কবির বলেছেন:
এইটা সস্তা ক্যামেরা?কত?
লেখক বলেছেন: এটা এখন বাজারে নেই, তবে এ সিরিজের পরের মডেলগুলো আছে। দাম সম্ভবত ৫০ হাজারের খানিকটা বেশি
আদৃতা আবৃত্তি বলেছেন:
ছবিগুলো সুন্দর.........তো কাপলের চুরি করা ছবি ব্লগে ছাড়লেন!!বিষয়টি ঠিক হলো.......???
লেখক বলেছেন: কাপলের ছবিটি চুরি করা নয়। প্রকাশ্যে সবার সামনে ক্যামেরা দৃশ্যমান রেখেই ছবিটি তোলা হয়েছে।
ফটোগ্রাফির আন্তর্জাতিক নিয়ম হলো পাবলিক প্লেসে যে কেউ যে কোনো ছবি তুলতে পারে ও প্রকাশ করতে পারে।
আর পাবলিক প্লেসের সংজ্ঞা হলো এমন স্থান যেখানে যেতে কোনো অনুমতি লাগে না।
আশা করি বুঝতে পারছেন এ ছবি প্রকাশ করাতে কোনো সমস্যা নেই।
তবে প্রশ্নটি করে ভালো করেছেন, কারণ অনেকেরই এ বিষয়ে পরিষ্কার ধারণা নেই।
কমুক্যা বলেছেন:
জোস। রাত ৮-০০ টায় তোলা আকাশ ভর্তি তারা ছবিটায় আমি অবাক হলাম এতো ষ্পষ্ট আকাশ টা দেখে।
কমুক্যা বলেছেন:
জোস। রাত ৮-০০ টায় তোলা আকাশ ভর্তি তারা ছবিটায় আমি অবাক হলাম এতো ষ্পষ্ট আকাশ টা দেখে। ধন্যবাদ।
হ-য-ব-র-ল নং ২ বলেছেন:
ধন্যবাদ........... অনেক।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ তো আপনাকে আমি দেব, ছবিগুলো দেখার জন্য সময় খরচ করেছেন বলে।
আদৃতা আবৃত্তি বলেছেন:
সুযোগ পেয়ে সবকটা ভালই দিয়েছেন। ধন্যবাদ জ্ঞান দানকরবার জন্য। আমি কিন্তু নিয়মের প্রশ্ন তুলিনি। আমি প্রশ্ন তুলেছি যাদের ছবিটা দিলেন তাদের দিক থেকে। নিয়ম তৈরি ও মানার ব্যাকরণটা নিযে আলোচনা করতে চাই না। শুধু এটুকু বলি, যাদের ছবি দিয়েছেন এ নিয়ম তৈরির ক্ষেত্রে তাদের অংশ্গ্রহণ ছিল না। আইন ও নিয়মের বদলৌদতে জায়েজ করে ফেলার ফতোয়াটা কিন্তু সব সময় সঠিক নয়। তবে এ সব কিছু ভেবে আমি মন্তব্যটি করিনি। সরলভাবে করেছিলাম। আপনাকে অপরাধী বানানোর ইচ্ছে থেকে নয়। কিন্তু আপনি যেহেতু নিয়মের কথা বললেন, এবং আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলের আইন-নিয়ম কানুনেও আপনার সহজ অভিগম্যতা আছে বলে প্রকাশ করলেন সে জন্য আইন-নিয়মের রাজনীতিটাও একটু নিজে নিজে মনে করার চেষ্ট করলাম। ধন্যবাদ। ভাল থাকবেন।
লেখক বলেছেন: সবকটা দিতে হয়। কারণ বাংলাদেশে (বিশ্বের অন্যান্য স্থানেও হতে পারে) যে কোনো বিষয়ের মনগড়া ব্যখ্যা বা রায় দিয়ে দিয়ার একটা প্রবণতা অনেকের মধ্যেই থাকে (আমি বলছি না আপনার মধ্যে আছে)। থাকে সেলফ সেন্সরশিপ নিজের সঙ্গে সঙ্গে অন্যের ওপর চাপানের প্রবণতা।
আপনাকে সবক (আপনার ভাষায়) না দিলে খুব সম্ভাবনা ছিল ঠিক যে কথাটি আপনি সরল মনে বললেন, সেটিই আরো দশ জন চিৎকার করে বলতে শুরু করতেন। কাজেই আমার লক্ষ্য ছিল সে ভুল ব্যাখ্যাটি যেন না হয়। কাজের প্রয়োজনে, নিজের অন্ন সাংস্থানের প্রয়োজনে ক্যামেরা হাতে যখন কাজ করি, তখন এমন ভুল ব্যাখ্যার ভোগান্তি আমাদেরই সহ্য করতে হয়।
সম্ভবত সে কারনেই আপনি প্রসঙ্গটি তুলতেই আমার ব্যখ্যাটি দিতে দেরি করিনি। সেটি সবক আকারে হয়ে গেছে বলে আপনি মনে করছেন, সেটি ইচ্ছাকৃত নয়।
দেখুন, অনেক নিয়মই কিন্তু আমার আপনার অনুমতি বা অংশগ্রহন ছাড়াই তৈরি হয়। সেটা আমি আপনি কিন্তু মেনেও চলি।
আপনি বললেন "আইন ও নিয়মের বদলৌদতে জায়েজ করে ফেলার ফতোয়াটা কিন্তু সব সময় সঠিক নয়।" তাই যদি হবে, তাহলে কোনো একটি বিষয় ঠিক কিসের ভিত্তিতে জায়েজ হতে পারে?
আপনি "সরল মনে" আমার ছবিকে "চুরি করা" বলবেন, আর আমি আইনি ব্যখ্যা দিতে পারব না???
অমাবশ্যার চাঁদ বলেছেন:
অসাধারন.....+++++++
কৌশিক_বিশ্বাস বলেছেন:
আচ্ছা ভাই, আমার একটা প্রশ্ন আছে, ধরুন আমি পাবলিক্ প্লেসে বসে আছি একা। ধরুন এই সমুদ্র সৈকতেই। আমি একটু একলা থাকতে চাইছি। এমতাবস্থায় আমি যেতে পারা যায় এমন জায়গাতে বসে আছি বলেই কি আমার ছবি আমাকে না বলেই তুলে ফেলা যায়? বলে তুললে হয়তো আমি আপত্তি জানাতাম। কিন্তু না বলে তুললে জানলাম না। এইটা কি করা যায়? এই কাপ্লের ছবির মতোই ধরুন ফ্রেমে আর কেউ নেই, পাব্লিক নেই, শুধু আমারই ছবি, বাকিটা প্রকৃতি। এটা সম্ভব নিয়মমাফিক? আইনতঃ বাঁধা আছে কিনা? ব্যক্তিটি যদি আপত্তি জানায় সেক্ষেত্রে কি করনীয়?সঙ্গে একটি অন্লাইন রেফারেন্স দিবেন প্লিজ, যেখানে এই নিয়ম আমি পড়তে/বুঝতে ও শিখতে পারবো?
লেখক বলেছেন: কেবল এক বা একাধিক নির্দ্রিষ্ট ব্যাক্তিকে "টার্গেট করতে গেলে", এবং সে ছবি যদি ব্যক্তি পরিচিতি প্রকাশ করে, এবং ছবিটির যদি সংবাদ মূল্য না থাকে তবে অনুমতির প্রয়োজন পড়ে। ছবিটির সংবাদ মূল্য থাকলে অনুমতি নেয়ার প্রয়োজন পড়ে না, এমনকি ব্যক্তি পরিচিতি প্রকাশ করলেও।
যদি ছবিটি ব্যক্তি পরিচিতি প্রকাশ করে, তবে সাবজেক্টের ব্যক্তি চাইলে নিজেকে ফ্রেম থেকে সরিয়ে নিতে পারেন। যেমনটা হতে পারে কোনো কনসার্টে। ধরা যাক দুই তরুণ-তরুণী কনসার্টের দর্শক সারিতে আছেন। তারা চান না তাদের একসঙ্গে ছবি পত্রিকায় বা অন্য কোথাও প্রকাশিত হোক। সে ক্ষেত্রে তারা পাবলিক প্লেস হলে বাধা দিতে বা আপত্তি করতে পারেন না। তবে নিজেদের সরিয়ে নিতে পারেন।
এই ছবিতে যদি আপনি থাকতেন, ছবি তোলার সময় যদি আপত্তি করতেন, তবে ভদ্রতার খাতিরেই আপনি সরে যাওয়া পর্যন্ত ফটোগ্রাফারকে অপেক্ষা করতে হতো। তবে সেটা করতে তিনি আইনত বাধ্য নন। আইন সবার জন্যই সমান। কোনো একটি স্থানে আপনি আছেন বলেই অন্য ব্যক্তি তার কাজ করতে পারবেন না, আইন এমনটা বলে না।
আপনি রেফারেন্স চেয়েছেন। অল্প সময়ে একটি রেফারেন্স পাওয়া গেল।
অ্যারিংটন ভার্সাস নিউ ইয়র্ক টাইমসের মামলা।
১৯৮২ সালে নিউ ইয়র্ক টাইমসের প্রচ্ছদ হিসেবে এমন একটি ছবি ছাপা হয় যেখানে দেখা যাচ্ছে কোট-টাই পরা একজন কালো ব্যক্তি ম্যানহাটনের রাস্তা দিয়ে হেটে যাচ্ছেন। এ ছবিটি এমন একটি আর্টিকলের সঙ্গে ব্যবহার করা হয়েছিল যার মূল বক্তব্য ছিল আমেরিকার ধনী কালোরা গরীব কালোদের কাছ থেকে নিজেদের সরিয়ে নিচ্ছে।
অ্যারিংটন মামলা করে দেন, কারন ছবিটি তার অনুমতি নিয়ে তোলা হয়নি। এবং ছবিটি এমন একটি বিষয়ের সঙ্গে প্রকাশ করা হয়েছে যার সঙ্গে তিনি একমত প্রকাশ করেন না।
মামলাটি নিউ ইয়র্ক সুপ্রিম কোর্ট খারিজ করে দেন । এমনকি নিউ ইয়র্ক টাইমস একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান হলেও, সরাসরি এ ছবিটি বিজ্ঞাপন আকারে প্রকাশিত হয়নি বলে, সমাজের বৃহত্তর তথ্যপ্রবাহ ও মত প্রকাশের স্বাধীনতার স্বার্থে এমন ছবি প্রকাশ আমেরিকান সিভিল রাইটসের সঙ্গে সংঘাতপূর্ণ নয় বলে রায় দেন।
গণিত পাগল বলেছেন:
ছবি গুলো চমৎকার হয়েছে-----------------------------------
তবে আপনার পাবলিক প্লেস বিষয়ে আইন সম্পর্কে কিছু বলতে চাই-
আপনার "পাবলিক প্লেস"-এর ডেফিনেশনের সাথে পূর্ণ শ্রদ্ধা রেখে বলছি- এরপরও একটা বিষয় থাকে "প্রাইভেসী"। যেটা আপনার ডেফিনেশনের মধ্যে পড়ে এমন এলাকায়ও সহজেই ভাঙ্গা যায়।
এই আর্টিকেলটাতে আমেরিকার আইনের বেশ কিছু ধারা উল্লেখ করা হয়েছে-
A photographer can be held liable for a violation of privacy if a published photo reveals private information about a person that is not newsworthy. What is private information? The definition is fairly specific.
From the American Law Institute:
One who gives publicity to a matter concerning the private life of another is subject to liability to the other for invasion of his privacy, if the matter publicized is of a kind that
(a) would be highly offensive to a reasonable person, and
(b) is not of legitimate concern to the public.
—Restatement (Second) of Torts, § 652D
আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে অনুমতি না নিয়ে এই ছবি তোলা কি তাহলে এই আইন ভাঙ্গে না?
যেমন-একটা উদাহরণ দেখলাম এখানে (যদিও এটা বাড়াবাড়ি মনে হয়েছে)
In Québec, a teenage girl successfully sued a photographer for $8,000 after he took her picture without her knowledge, even though she was sitting on the front steps of a public building.
----------
আমি আইনের খুব বেশি কিছু বুঝি না...তবে, আমার মনে হয় এসব ক্ষেত্রে "এক্সপেক্টেশন অব প্রাইভেসি" থাকতেই পারে। সেক্ষেত্রে অনুমতি নিয়ে প্রকাশ করাই মনে হয় ভাল।
সবশেষে,অসাধারণ ছবি গুলোর জন্য অনেক ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: পাবলিক প্লেসে গিয়ে আপনি প্রাইভেসি চাইতে পারেন না।
আর আপনি যে লাইনগুলো এখানে তুলে দিয়েছেন তাতে পাবলিক প্লেস সম্পর্কে বলা হয় নি। এটা প্রাইভেট লাইফ সম্পর্কে বলা হয়েছে। এবং এ আইনটি সব দেশেই আছে। আমি চাইলেই আপনার বাসায় গিয়ে বিনা অনুমতিতে ছবি তুলতে পারি না।
খেয়াল করে দেখুন বলা হয়েছে "that is not newsworthy"। তার মানে হচ্ছে ছবিটির যদি সংবাদ মূল্য থাকে, তবে প্রাইভেসিও ভাঙ্গা যায়।
কুইবেকের মেয়েটি মামলা করতে পারে, আদালতও রায় দিতে পারে। কিন্তু আপনার লিংকে গিয়ে কেবল জানা গেল যে ফটোগ্রাফারকে ফাইন করা হয়েছে। কিন্তু এ ফাইনের পেছনে বিচারকের যুক্তি কি ছিল, তা জানা গেল না, বা ছবিটি ঠিক কোন কাজে ব্যবহার করা হয়েছিল তারও কোনো ব্যখ্যা পাওয়া গেল না। একই ছবি সমাজের দর্পণ হিসেবে ব্যবহার করলে মামলা খারিজ হয়ে যেতে পারে, আবার বিজ্ঞাপণ হিসেবে ব্যবহার করলে আদালত বলতে পারে, তুমি ছবিটি থেকে যতো টাকা কামাই করেছো, তার এতো অংশ সাবজেক্টকে দিতে হবে।
. . . এখনো খুঁজি বলেছেন:
আদৃতা আবৃত্তি এর ধারণাটা খুব বেশি রকম ভুল এক্ষেত্রে। যেহেতু তাদের দুজনের কারোরর ফেসই আইডেন্টিফায়েবল না, সেহেতু ঐ কাপলের ছবি তুলে বা তা ব্লগে দিয়ে কোন অগ্রহণযোগ্য ব্যাপারই করেননি হাসান বিপুল।
লেখক বলেছেন: ফেস আইডেন্টিফায়েবল হলেও আইন কিন্তু বাধা দেয় না। কারণ, আপনি পাবলিক প্লেসে আছেন বলেই সেখানে একজন ফটোগ্রাফার কাজ করতে পারবেন না, আইন এমনটা বলে না। তবে, সে ছবি কোনো আপত্তিকর কাজে ব্যবহার করা যাবে না, এ কথাটি আইন স্পষ্ট করেই বলে।
গণিত পাগল বলেছেন:
ফেসের ব্যপারটা আমিও লক্ষ্য করেছি...কিন্তু,কৌশিক বিশ্বাস যেরকম অবস্থার কথা বলেছেন সেরকম অবস্থায় যদি, মুখ চেনা যাচ্ছে এরকম কোন ছবি তোলা হয় তাহলেও তা "ফটোগ্রাফির আন্তর্জাতিক নিয়ম" অনুসারে সঠিক(যেটা হাসান বিপুল বলেছেন)। আমার দ্বিমত এখানেই।[আমার মন্তব্যে "এই ছবি তোলা কি তাহলে এই আইন ভাঙ্গে না?" বলতে আমি আসলে ব্লগের ছবিটার আইন ভাঙ্গা না ভাঙ্গা নিয়ে কিছু বলতে চাইনি। বরং, উপরের আইনের পরিপ্রেক্ষিতে কৌশিক বিশ্বাস যেরকম বলেছেন সেরকম একটা পরিস্থিতিতে আইন ভাঙ্গার বিষয় নিয়ে বলতে চেয়েছি।]
লেখক বলেছেন: উত্তরটি কৌশিক বিশ্বাসের মন্তব্যের সঙ্গে দেয়া হয়েছে। মিলিয়ে নিন।
লিপিকার বলেছেন:
চমৎকার, অসাধারণ, অনন্য......+++++++
ডা: ইকবাল হোসেন বলেছেন:
ডা: ইকবাল হোসেন বলেছেন:
সেই ছোটবেলা থেকে ছবি তোলার প্রতি ঝোক। ক্লাশ নাইনে পড়ার সময় ২০টাকা দিয়ে ডায়না কেমেরা দিয়ে ছবি তোলা শুরু। এত ভালো ছবি তুলেছি কিনা মনে পড়েনা।ছবি গুলো সত্যিই চমৎকার। আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
শয়তান বলেছেন:
ক্যামেরা মডেল কোন্টা? থার্ড পার্টি হোস্টে স্লাইড শো করে এখানে একটা লিংক দিয়েনবেশী রেজুর ফটোগুলার জন্য । সমস্যা ডিসমিস ।
লেখক বলেছেন: মডেল হইল নিকনের ডি৭০। সম্ভবত আওরঙ্গজেবের আমলের ক্যামেরা।
স্লাইড শোর আইডয়া পছন্দ হইছে।
লেখক বলেছেন: ব্যাপক ভালো আছি।
আপনার খবর কন।
চাচামিঞা বলেছেন:
সহজ পোস্ট টা মাঝপথে এসে কেমন কঠিন হয়ে গেলো.....কপিরাইট.....হাবিজাবি ইত্যাদি।
লেখক বলেছেন: তাও মন্দের ভালো, আশা করা যায় বেশ কিছু বিষয় পরিষ্কার হয়ে যাবে।
আরিফ জেবতিক বলেছেন:
কতো কিছু দেখে রে...কতো কিছু জানে রে...
লেখক বলেছেন: নিজেরই জানতে হয়, দেখতে হয়, অন্যের উপর ভরসা করলেই "ফাটাইয়া ফেলিবে"।
কৌশিক_বিশ্বাস বলেছেন:
ভাই আমি মামলা মোকদ্দমার রেফারেন্স চাইনি। আমি জানতে চাই। জানার উদ্দেশ্যে জ্ঞানভান্ডারের হদিশ চাওয়া। কেস রেফারেন্স জেনে আমি তো আর মামলা করবোনা কারো বিরুদ্ধে। আমি এই বিষয়ের কোনো আর্টিকেল্ খুঁজছিলাম যেখানে জানতে পারি। সম্পুর্নভাবেই জানার জন্য, শিখে নেওয়ার জন্য। যেটা আমি জানিনা, সেটা আমি জানতে/শিখতে ভালোবাসি। আবারো বলছি, যদি অনলাইনে কোনো আর্টিকেল্ জানা থাকে, তাহলে সেই লিঙ্ক দেন, আমি পড়বো, জানবো। এবং আমি শিখতে চাই যাতে আমি কোনো অন্যায় বা ভুল না করে ফেলি এই কাজের সময়ে।আমি খুবই ছোট্ট মাপের ব্যাক্তি, ছোটখাটো ক্যামেরা দিয়ে অল্পস্বল্প ছবি তুলি। দীর্ঘ ২৮ বছর পার করে ফেলেছি এই ছবি তোলায়। Nikon D400, Pentax K10D এবং একটি autocamera Kodak V1003 দিয়ে কাজ চালাই শখে। শিখতে শুরু করেছিলাম Pentax ME/ME Super দিয়ে। আজকাল অবশ্য একটু HD handycam'এর দিকে ঝুকেছি। পুরোটাই নিতান্ত শখের ব্যাপার আমার।
তাই... অজান্তেই ভুল না করতে চাওয়ার উদ্দেশ্যে জানতে চাওয়া। কারণ আমি এতো আইন কানুন জানিনা সত্যি। আচ্ছা যাই হোক, অনলাইন রেফারেন্স যদি নাও থাকে, তবু আপনার কাছেই জানা হলো। এই অনেক, ধন্যবাদ।
নিহন বলেছেন:
জাক্কাচ ।
লেখক বলেছেন: মন খারাপ ছিল কেন?
জেমিনি বলেছেন:
চমৎকার কিছু ছবি। ধন্যবাদ শেয়ার করার জন্য।Photography শখ আমার অনেক আগে থেকেই ছিল। কিন্তু নিজের একটি ক্যামেরার অভাবে ছবি তোলা হয়ে ওঠেনা। তার পরও চেষ্টা থাকে সুযোগ পেলেই ভাল ছবি তোলার।
আমার তেমন ভালো আইডিয়া নেই ফটোগ্রাফির ব্যপারে। ভাল ভাল ছবি দেখি নেটে। আর তার থেকেই নিজে নিজে ছবির আইডিয়া নেই। চিন্তা করি ছবি নিয়ে।
ছবি নিয়ে আপনার কিছু লেখা পড়েছি আমি। অনেক কিছু জানতে পেরেছি আপনার লেখা থেকে। সে জন্য আপনাকে ধন্যবাদ জানাই।
ফটোগ্রাফি নিয়ে আমাদের জন্য নিয়মিত লিখুন।


















