সেই চন্দন ভাই ফোন করলেন তিন দিনের জন্য তার সঙ্গে অ্যাসাইনমেন্টে যাবো কি না। বললেন, তার একজন অ্যাসিস্টেন্ট প্রয়োজন। খুশিতে লাফ দিয়ে ওঠার মতো প্রস্তাব। অনেক দিন ধরে এমন একটা অ্যাসাইনমেন্ট খুঁজছিলাম। বড় একটি অ্যাসাইনমেন্ট কাছ থেকে দেখার সুযোগ কম আসে। এবার সেটি পাওয়া গেল। ফটোগ্রাফির কোর্সে বাংলাদেশী যে ফটোগ্রাফারের ছবির রেফারেন্স সবচেয়ে বেশি পেয়েছি, আজ সে ফটোগ্রাফারের কাজ, কাজের ধরন, একটি পরিস্থিতি থেকে দরকারী ফটো বের করে আনতে পারা, এসব একেবারে কাছে থেকে দেখা যাবে।
ছুটি নিয়ে ফেললাম অফিস থেকে। শেষ মুহূর্তে ঘটল বিপত্তি। অ্যাসাইনমেন্ট পিছিয়ে গেল। অথচ হাতে মঞ্জুর হওয়া তিন দিনের ছুটি। দুই/তিন মিনিট চিন্তা করলাম, তারপর ডিসিসন নিয়ে ফেললাম, ছুটি যখন নিয়েছি সেটা ছবি তোলার জন্যই খরচ করা হবে। সোজা কক্স'স বাজার। আগেও কিছু ছবি তুলেছিলাম। এবার দেখি ভোরের কিছু ছবি পাওয়া যায় কি না।
গিয়ে উঠলাম সস্তার একটি হোটেলে। লিফট নেই, এসি নেই। খরচ যতোদূর কমিয়ে ছবির জন্য বেশি বরাদ্দের পথ নিলাম।
তিন দিনে ছবি তুলেছি প্রায় ছয়শ। সেখান থেকে কয়েকটি ছবি এখানে দিলাম। ভবিষ্যতে হয়তো আরো ছবি পোস্ট করব। অথচ এই ছবিগুলো আমার তোলার কথা ছিল না।
প্রথম দিন বিচে যাবার পরপরই পেয়েছিলাম এই ফ্রেমটি। মন ভালো হয়ে গিয়েছিল।
ভোর বেলার বিচ। সময় আনুমানিক ভোর ছয়টা
প্রায় একই সময়ের ছবি
এটা আরো একটু পরে তোলা
এই কাপলকে পেয়েছিলাম ভোর পাঁচটায়
রাত আটটায় তোলা ছবি। স্লো শাটারে তোলা, বড় করে দেখলে আকাশ ভর্তি তারা দেখা যায়, কিন্তু সামহয়্যারে ৪০০ পিক্সেলের ছবিতে সে তারা বুঝা যাবে না মনে হয়।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

