বেশ কয়েকদিন আগে আমার একটি পোস্টে জানিয়েছিলাম ইংল্যান্ডের গার্ডিয়ান দৈনিকে আমার তোলা ছবি প্রকাশিত হয়েছে Click This Link । আপনাদের অভিনন্দনে আর ভালোবাসায় সিক্ত হয়েছিলাম তখন। অসম্ভব রকম ভালো লেগেছিল।
সে সময় কেবল গার্ডিয়ানের ওয়েবসাইটে ছবিগুলো দেখেছি। লন্ডন থেকে বিবিসির নবনীতা চৌধুরী ফেসবুকে উচ্ছসিত ভাবে বললেন, বিপুল ভাই, প্রিন্ট কপি পাইছেন হাতে? অনেক বড় করে লিখেছে ফটোগ্রাফস বাই হাসান বিপুল।
নবনীতা এখন বিবিসির পরিশ্রমী সংবাদকর্মী এবং সংবাদ পাঠক। প্রতিদিন হাজার হাজার শ্রোতা তার কণ্ঠে দেশের খবর শোনে। সে নবনীতার প্রকাশভঙ্গি থেকে বুঝি, আমাদের দুজনেরই প্রথম কর্মস্থল ভোরের কাগজ আর পুরোনো টান ভোলেনি সে এখনো। তার কথা আমাকেও মনে করিয়ে দেয় আমাদের সে পুরোনো এসি ছাড়া অফিস, অনেক সময় পাঁচ-সাতজন মিলে ভাগ বাটোয়ারা করে খাওয়া লাঞ্চের দুপুরগুলো।
নবনীতার কথায় স্মৃতি মনে পড়ে, কিন্তু ওই যে, গার্ডিয়ান অনেক বড় করে আমার নাম লিখেছে, সেটি আর দেখা হয় না।
আজ আবার একই রকম ভালো লাগছে। অফিসে এসে দুপুর নাগাদ একটি সিলোফেন মোড়া প্যাকেট হাতে পেলাম। ভেতরে গার্ডিয়ানের কপি। জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে যমুনার চরে তোলা আমার ১০টি ছবি সে সংখ্যায়।
বিদেশের জীবন মানেই ঘড়ির কাটার ওপর দৌড়ের জীবন। প্রতিটি পয়সা হিসেব করে কাটানো ২৪ ঘণ্টা। ছাত্র জীবন হলে তো কথাই নেই। সেই জীবন থেকে মুল্যবান সময় ও পয়সা বের করে আমাদেরই ব্লগার দূরন্ত পাঠিয়েছেন পত্রিকাটি। পাঠিয়েছেন আমার অফিসের ঠিকানায়।
আমি ছবি তুলি, অন্যের জীবন, সেইসঙ্গে আবেগও হয়তো ফুটিয়ে তুলতে পারি ক্যামেরার শাটার ক্লিকে। কিন্তু নিজের আবেগ সেভাবে প্রকাশ করা হয় না কখনো। পারিনা। সে অক্ষমতাটুকু নিয়েই ব্লগার দূরন্তকে কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। ফটোগ্রাফির প্রতি আমার ভালোবাসা টের পেয়ে আপনি কপিটি পাঠিয়েছেন, আশা করি কৃতজ্ঞতাও টের পাবেন।
সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ২:২০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



