০১.
এক দাদু পাড়ার মোড়ের ফার্মেসি থেকে ভায়াগ্রা কেনেন। পাড়ার ছেলে ছোকড়া সেটি খুব আগ্রহ নিয়ে দেখে। সবার মনেই একই প্রশ্ন, কেনা ভায়াগ্রা নিয়ে দাদু কি করেন। কারণ তিন কুলে তার কেউ নেই। কোনো বান্ধবী আসে না ঘরে। "হালায় ট্যাবলেট লয়া করে কি?" এই প্রশ্নের যখন উত্তর পাওয়া যাচ্ছে না, তখন নতুন তথ্য দিলো পাড়ার কম্পাউন্ডার- দাদু প্রতিদিন ভায়াগ্রা অর্ধেকটি ট্যাবলেট কেনেন।
ও দাদু, অর্ধেকটা দিয়া কি করেন? প্রশ্ন করলো ফিচেল ছোকরা রনি।
দাদারে, আমার তো তিন কুলে কেউ নেই, আমার কেবল শিওর করা লাগে যেন হিসুটা নিজের গায়ে না পড়ে যায়।
০২.
একই পাড়ার আরেক দাদু। তিনিও ভায়াগ্রা কেনেন, কিন্তু পাড়ার বিটকেল ছোকরাদের সঙ্গে আগের দাদুর বিটলামি দেখে তিনি কেনেন লুকিয়ে। (এইটাই আসল গল্প, আগেরটা বোনাস) দাদুর সাফল্য হলো, যতোদিন বেঁচে ছিলেন, ভায়াগ্রা ও তরুণী বান্ধবীদের বিষয়টি গোপনই রাখতে পেরেছিলেন। (এ ব্যাপারে তিনি বলা যায় লেজেহোমো এরশাদের চেয়েও সফল)।
যাই হোক, সেই দাদু এক সময় মারা গেলেন। কারণ ভায়াগ্রার ডোজ বেশি হয়ে যাওয়াতে তিনি আর সামাল দিতে পারেন নি।
আপাত দৃষ্টিতে মনে হতে পারে তিনি মারা যাওয়াতে তার ভায়াগ্রা কেনার বিষয়টি বুঝি গোপনই রয়ে গেল।
কিন্তু না, সত্যি ঠিকই প্রকাশ পেল স্ব-মহিমায়। কারণ তাকে কফিনে শোয়ানোর পর কফিনের ডালাটি কিছুতেই লাগানো যাচ্ছিল না!
ঈশপের মোরাল : সত্যি কখনো গোপন করা সম্ভব নয়।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

