এবার মনে হল, এভাবে এড়িয়ে যাওয়াটা হয়তো ঠিক নয়। ছবি তুলে জীবন পার করে দেয়া ইচ্ছেটা যেহেতু আছে, কাজেই সব পরিবেশে, সব পরিস্থিতিতে ছবি তোলা দরকার। এখানে "ভালো লাগেনা" কথাটি না বলাই ভাল।
খোঁজ লাগালাম জোনাথনের। নাম জোনাথন মুন্সি, আমেরিকান বাংলাদেশি, ফটোগ্রাফির পাগল। সঙ্গে পুরো আমেরিকান ফটোগ্রাফি লাভার জিওফ্রে হ্যালার, ম্যাপ ফটো এজেন্সির খালেদ সাত্তার আর আমি। ভোর সাড়ে পাঁচটায় যখন জোনাথনকে ফোন দিলাম তখন শুনলাম ওরা অলরেডি শাহবাগের দিকে রওনা হয়ে গেছে। ফলে আমি একাই গেলাম।
সকাল ৬টা থেকে ৭টা পর্যন্ত ছিলাম রমনায়, তারপর চলে এসেছি চারুকলায়। বেলা একটা পর্যন্ত সেখানেই ছিলাম। দেখা হলো ডেইলি স্টারের জাকির হোসেন, বিডি নিউজের মোস্তাফিজ মামুন, এপির পাভেল রহমানসহ বেশ কয়েকজনের সঙ্গে।
প্রায় শ' দুয়েক ছবি তুলেছি এ সময়ের মধ্যে। সেখান থেকে কয়েকটি তুলে দিলাম এখানে।
এটাই আমার কাছে বাংলাদেশের চেহারা। সামাজিক নানা সীমাবদ্ধতা থাকলেও মনের ভেতর আছে উৎসবে যোগ দেয়ার মানসিকতা।
পুলিশ বাহিনীর এ নরী সদস্য ডিউটি দিচ্ছিলেন রমনা বটমূলে। পেশার সঙ্গে উৎসবের কি কোনো বিরোধ আছে?
বাংলার আরেক নমুনা। "যার যা আছে তাই নিয়ে" উৎসবে যোগ দেয়া
চারুকলায় চলছে ঢোলের তালে নাচ
আহারে বেচারা ভাষ্কর্য, তরুনী কেশের ঘ্রাণ তার জানা হবে না কখনো
এমন অবাক দৃষ্টি আর সারল্য ভরা চোখ এ বয়সেই সম্ভব
সেদিন দুজনে
(কেবল এরা নয়, গতকাল যে যার মতো করে যার খুশি তার ছবি তুলেছে। বাধা দেয়নি কেউ, অনেকে আবার স্মিত হেসে জানতে চেয়েছে অন্য কোনোভাবে "পোজ দিতে" হবে কি না।
কে কার প্রতিবিম্ব?
পুলিশের এর চেয়ে ভালো পারট্রেইট তুলতে পারিনি গতকাল
সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৩:২৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


