somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... স্মরণঃ তারেক মাসুদের সঙ্গে অর্ন্তযাত্রায়

‘আমার মনে হয় আজ রাতে রওনা হওয়া ঠিক হবে না। গত রাতে আমাদের ড্রাইভার ঘুমিয়েছে মাত্র দুই ঘন্টা। তারপর ভোর সাড়ে চারটায় আমরা ঢাকা থেকে স্টার্ট করেছি। সারাদিন সে গাড়ি নিয়ে ছুটোছুটির মধ্যে ছিলো। এখন যদি রাতেই আবার গাড়ি নিয়ে ঢাকা রওনা দেই, অ্যাক্সিডেন্ট হতে পারে। তারচেয়ে ড্রাইভার আজ রাতটা ঘুমাক। কাল ভোর বেলা আবার রওনা দেব, যেমনটা আজ ভোরে এসেছিলাম।’

কেবল সড়ক দূর্ঘটনা নয়, অল্প সময়ে যতোটুকু দেখার সুযোগ হয়েছিল, তাতে করে মনে হয়েছে প্রতিটি খুঁটিনাটি বিষয় হিসেব করে চলার মানুষ ছিলেন তারেক মাসুদ। ২৯ জুলাই ময়মনসিংহ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের মিলনায়তনের সামনে দাঁড়িয়ে তিনি যখন ঢাকা ফেরার পরিকল্পনা করছিলেন, কে কল্পনা করতে পেরেছিল এইটিই তার শেষবারের মতো বাড়ি ফেরা?

শৈশবে লেখাপড়া করেছেন মাদ্রাসায়। তারপর দেশে পড়ার পাট চুকিয়ে সোজা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে। সেখানে লেখাপড়া করেছেন চলচ্চিত্র বিষয়ে। ফিরে এসেই হাত দিয়েছেন ছবি বানানোয়। দূর থেকে যতোটুকু দেখার সুযোগ হয়েছে, মনে হয়েছে শেকড়ের খোঁজ কেবল নয়, সেই শেকড়টি বিশ্লেষণের তাগিদ সম্ভবত তার বরাবরই ছিলো। আর সম্ভবত তারই ফল ‘মাটির ময়না’ বা ‘রানওয়ে’।

ইচ্ছে ছিল, কোনো একটি সিনেমার শুটিংয়ে তারেক মাসুদের কাছাকাছি থেকে তার কাজ দেখবো। ইচ্ছে ছিল তার পোরট্রেইট তোলার। পোরট্রেইট ফটেগ্রাফির ক্ষেত্রে সম্ভবত সবচেয়ে বিখ্যাত নাম হলো ইউসুফ কার্শ। কানাডিয়ান এ ফটোগ্রাফার একবার বলেছিলেন, একজন মানুষের ক্ষেত্রে কখনো কখনো এমন একটি মুহূর্ত আসে যখন তার শরীর-মন-চেতনা-আত্মা সব এক জায়গায় ভর করে। এ বিষয়টি তখন মূর্ত হয়ে ওঠে মানুষটির তাকানোয়, শরীরের ভাষায়। পোরট্রেইট মানে বিশেষ এই মুহূর্তটিই ধারণ করতে পারা।

বরাবরই মনে হয়েছে তারেক মাসুদের বেলায় এই মুহূর্তটি আসতে পারে সিনেমা শ্যুট করার সময়ে। মনে হয়েছে, কোনো একটি বিশেষ সময়ে হয়তো তাকে ওইরকম পরিস্থিতিতে পাবো, যখন তার শৈশব, অভিজ্ঞতা, শিক্ষা, চেতনা সব এক হয়ে তাকে দিয়ে কাজ করিয়ে নেবে। ওইরকম ঘোর লাগা সময়ের অপেক্ষায় আমি ছিলাম।

এরই মধ্যে সুযোগ এলো শুটিং দেখার নয়, বরং তার সিনেমার প্রদর্শনীতে সঙ্গী হবার। ২৯ জুলাই ময়মননিসংহে সর্বশেষ সিনেমা রানওয়ের প্রদর্শনী হবে। এই সিনেমাটির পার্টনার হিসেবে ছিল বিডিনিউজ। ফলে ‘নিজের টিম মেম্বার’ হিসেবেই নিয়ে গিয়েছিলেন। আমি গিয়েছিলাম সিনোমাটির প্রদর্শনীর রিপোর্ট করতে তো বটেই, পাশাপাশি মানুষটিকে আরো ভালোভাবে জানতে, তার কাজের ধরন সম্পর্কে বুঝতে।

আমার এক সহকর্মী, যিনি তারেক মাসুদের সঙ্গে আগেও একাধিক সফরে গিয়েছেন, তিনি সাবধান করে দিয়ে বললেন, তারেক ভাই কিন্তু প্রতিটি মিনিট হিসেব করে চলা মানুষ। উনি যদি বলেন ভোর পাঁচটায় রওনা দেবেন, উনি তা-ই দেবেন। সময়ের হেরফের হবে না।

তার সময় সচেতনতার নমুনা পাওয়া গেল আগের রাতেই। মোবাইল ফোনে রাত ১১টা ৪২ মিনিটে মেসেজ পাঠালেন, ‘খুব দেরি হলে ভোর সাড়ে চারটায় রওনা হবো। মোবাইল ফোনটি খোলা রাখবেন। আপনাকে ডেকে তোলার জন্য চারটায় ফোন দেবো আমি।’ উনি আক্ষরিক অর্থেই ভোর চারটায় ডেকেছিলেন।

আগের রাতে ঘন্টা তিনেক ঘুমিয়েছেন, ধারণা ছিলো মাইক্রোবাসে হয়তো খানিকটা ঘুমিয়ে নেবেন। সেটি না করে আলাপ শুরু করলেন তার নতুন সিনেমার পরিকল্পনা সম্পর্কে। বললেন, ‘আমি অবাক হয়ে ভাবি,পাকিস্তান আমলে ঢাকার সিনেমার প্রতিপক্ষ ছিলো চারটি। একদিকে দিলীপ কুমার-সায়রা বানু অভিনীত বম্বের সিনেমা, অপরদিকে উত্তম-সুচিত্রা নিয়ে টালিগঞ্জ, ওদিকে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় তৈরি হচ্ছে লাহোরের উর্দূ সিনেমা। আর সবার ওপরে হলিউডি সিনেমা যেদিন আমেরিকায় মুক্তি পাচ্ছে সেদিনই মুক্তি পাচ্ছে ঢাকায়। চারটি মহা শক্তিধর ইন্ডাস্ট্রির সঙ্গে যুদ্ধ করে ঢাকার ছবি রূপবান তখন হাউজফুল চলেছে। আর এখন স্বাধীন বাংলাদেশে কোনো প্রতিপক্ষ ছাড়াই ঢাকার সিনেমা টিকতে পারবে না কেনো? আমার ইচ্ছে রূপবান সিনেমাটি আমি আবার তৈরি করবো।’ বলেই প্রশ্ন করলেন, ‘এই সিনেমাটির মূল কাঠামো ঠিক রেখে নতুন বাস্তবতায় সিনেমাটি তৈরি করার প্ল্যান আপনার কেমন মনে হয়?’

মন দিয়ে তার কথা শুনছিলাম, প্রশ্ন শুনে তার দিকে তাকালাম। সূর্য তখন কেবল উঠছে, চলন্ত মাইক্রোবাসের জানালা গলে তার মুখের ডানপাশে এসে পড়েছে ভোরের আলো। কিন্তু সেই আলোকে ছাপিয়ে তার চোখে তখন ভিন্ন এক আলো খেলছে। সে আলোর নাম স্বপ্ন, মনের ভেতরের চিন্তা-ভাবনাগুলোকে সিনেমার আকারে প্রকাশ করার স্বপ্ন।

চার ঘন্টায় ময়মনসিংহে পৌঁছেই তিনি সোজা গেলেন অডিটোরিয়োমে। শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীনের নামে তৈরি এ অডিটোরিয়ামে ঢুকেই তিনি দর্শক সারিতে গিয়ে জোরে হাততালি দিলেন। তারপর সন্তুষ্ট হয়ে বললেন, ‘ইকো হচ্ছে না। হলটি যথেষ্ট ভালো।’

অডিটোরিয়াম, ব্যানার, প্রচারণা এসব কারিগরি বিষয়ের পাশাপাশি তিনি ফোনে একাধিক জনের সঙ্গে যোগাযোগ করে নিশ্চিত করলেন সলিমুল্লাহ বাবু এবং মেহেদী হাসান মোস্তফা নামের দুজন যেনো অবশ্যই দর্শক সারিতে উপস্থিত থাকেন। রানওয়ে সিনেমার পেক্ষাপট ২০০৫-০৬ সালে দেশব্যাপী ঢালাও বোমা হামলা। ওই সময়ে রোজার ঈদের পরদিন ময়মনসিংহ শহরে চারটি সিনেমা হলে বোমা বিষ্ফোরিত হয়। এই বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হিসেবে এসেছে রানওয়ে সিনেমায়। সলিমুল্লাহ বাবুর মালিকানাধীন অজন্তা হলটিও আক্রান্ত হয় হামলায় এবং বাবু বিষ্ফোরণে এক পা হারান। অপর দর্শক মেহেদী হাসান মোস্তফা এসেছিলেন তার বড় বোনের সঙ্গে সিনেমা দেখতে। ওই হামলায় মেহেদী আহত হন এবং বড় বোনটি ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান।



রানওয়ের প্রদর্শনী শেষে সলিমুল্লাহ বাবু এবং মেহেদী হাসান মোস্তফাকে মঞ্চে নিয়ে দর্শকদের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেয়া হয়। এরপর অডিটোরিয়ামের বাইরে জমে ওঠে আড্ডা।



মাঝরাত পর্যন্ত চলা সে আড্ডায় একটি মুহূর্তের জন্যও মনে হয়নি এ লোকটি গত আঠারো ঘন্টা শ্রম দিয়েছেন সফল একটি প্রদর্শনীর জন্য।

পর দিন সকালে ঢাকা ফেরার পথে তারেক মাসুদ বলছিলেন, ‘জানেন, এই যে ময়মনসিংহে হাউজফুল প্রদর্শনী করলাম বা অন্য জায়গাতেও করছি, এতে যারা আসছে তারা সবাই কিন্তু এই ছবির বাস্তবতা জানে। এরা মৌলবাদী নয়, ধর্মান্ধ নয়। এরা সিনেমাটি দেখছে সেটিও খারাপ নয়, কিন্তু আমাদের পৌঁছানো দরকার এই সিনেমার মূল চরিত্রটির কাছে। এরা তো আমাদের মধ্যেই মিশে আছে। এদের কাছেই সিনেমাটি পৌঁছে দেয়া দরকার সবার আগে। যারা অলরেডি কনভার্টেট তাদের নতুন করে কনভার্ট করার মানে হয় না।’



মাদ্রাসায় লেখাপড়া শুরু করা তারেক মাসুদ সম্ভবত নিজের অভিজ্ঞতা থেকেই বুঝতে পেরেছিলেন ‘কনভার্ট’ বিষয়টির গুরুত্ব। ফলে হয়তো নিজেই দায়িত্ব বোধ করেছেন ‘মাটির ময়না’ বা ‘রানওয়ে’ বানানোর। সেটি ছিলো তার এ যাত্রার প্রথম অর্ধেক। দ্বিতীয় অর্ধেক সম্ভবত ছিলো প্রান্তিক দর্শকদের কাছে সেই সিনেমা পৌঁছে দেয়া।

মাইক্রোবাসেই তিনি বলছিলেন, মানুষকে সচেতন করা বা গোড়ামি থেকে বের করা একটি বিশাল কাজ। এটি একটি সিনেমার পক্ষে বা একজন নির্মাতার পক্ষে করা সম্ভব নয়। সময় লাগবে, সবার সহযোগিতা লাগবে।

অকস্মাত তার চলে যাওয়া সম্ভবত সেই পরিবর্তনে সবার সহযোগিতার ডাক দিয়ে গেলো নিঃশব্দে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sketchbookblog/29431388 http://www.somewhereinblog.net/blog/sketchbookblog/29431388 2011-08-13 21:23:37
ধর্মভিত্তিক রাজনীতি বিষয়ে ৫টি প্রশ্ন
ধর্মভিত্তিক রাজনীতি ভালো কি মন্দ সে বিচার যার যার ওপর। তবে কয়েকটি প্রশ্ন আমার মনে জাগছে।

০১.
শেখ হাসিনা এবং খালেদা জিয়া দুজনেই ইলেকশনের আগে সিলেটে হজরত শাহ জালালের মাজার জিয়ারত করেন। শেখ হাসিনা এর আগে ইলেকশনের আগে মাথায় হিজাব বেধেছেন। এই আচরণকে ধর্মভিত্তিক রাজনীতি বা রাজনীতিতে ধর্মের ব্যবহার বলা যাবে কি না?

০২.
এই আচরণকে যদি ধর্মভিত্তিক রাজনীতি বা রাজনীতিতে ধর্মের ব্যবহার বলা হয়, তবে ভবিষ্যতে হাসিনা-খালেদা এমন আচরণ বাদ দেবেন কি না?

০৩.
এই আচরণকে যদি ধর্মভিত্তিক রাজনীতি বা রাজনীতিতে ধর্মের ব্যবহার বলা না হয়, তবে অন্য কোনো দলের লোকজন যদি একই কাজ করতে চায়, তবে তাতে বাধা দেয়া হবে কি না।

০৪.
এই আচরণকে যদি ধর্মভিত্তিক রাজনীতি বা রাজনীতিতে ধর্মের ব্যবহার বলা না হয়, তবে হাসিনা-খালেদা যে আচরণগুলো কেবল ইলেকশনের আগে করেন, যেমন মাজার জিয়ারত, হিজাব, দলের লোকজন নিয়ে ধর্মীয় আচার আচরণ পালন, এই কাজগুলো অন্য দলের লোকজন যদি সারা বছর পালন করতে চায়, তাতে বাধা দেয়া ঠিক কি না। (মানে হাসিনা-খালেদা যা কেবল ইলেকশনের আগে করেন, তা অন্য কেউ সারা বছর করতে পারবে না, এইটা বলা কি ঠিক?)

০৫.
ব্যক্তিগতভাবে একজন রাজনীতিকের ধর্ম পালন, দলীয় ভাবে একটি দলের লোকজনের ধর্ম পালন আর ধর্মকে রাজনীতিতে ব্যবহারের মধ্যে পার্থক্য কিভাবে সংজ্ঞায়িত করা হবে?
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sketchbookblog/29202068 http://www.somewhereinblog.net/blog/sketchbookblog/29202068 2010-07-17 21:49:05
তাহাদিঘকে হতাষ করা কি টিখ হইবে?
সামুর ব্যাপারেও দেখি একই ফিলিংস কাজ করে। একটা কমেন্ট করবো, পরিচিত এক দুইজনের সঙ্গে আলাপ হবে, কিন্তু মনে সংশয়, পুরোনো সেই পরিবেশ কি আছে?

তবুও আজ লগইন করলাম। একটা লিংক শেয়ার করার লোভ সামলানো গেল না।


দেখা যাচ্ছে ছাগুসকল এখন ফেইসবুকে জোট বাধছে। তারা আর ত্রিরত্নের মুক্তির জন্য অনলাইন পিটিশন করছে। পেইজটার নাম নিজামী-সাইদী-মুজাহিদ-মুক্তি আন্দোলন

আমি দেখলাম আমর এক ফেসবুক ফ্রেন্ড এই পেইজটার ভক্ত হইছে, মানে লাইক করসে। এই ছেলে বাংলাদেশ আর্মির ব্রাইট এক অফিসার। রাজাকরদের কথা শুনলে তার মাথায় রক্ত উঠে যায়, এই ছেলে এই পেজ লাইক করলো কেমনে?

আগে ফোন দিলাম প্রভুর বান্দার কাছে মানে আরিফ জেবতিকের কাছে। কারণ আরিফ আমাদের কমন ফ্রেন্ড। আরিফও পুরা টাসকি, ‌‌"কস কি! মনে হয় ঘাপলা আছে। দাড়াঁ আমি খোঁজ নিচ্ছি।"

আরিফের খোঁজ আসার আগেই ওই পেজে গিয়া দেখি পোলাডা জামাত-শিবিররে মোটামুটি গালি দিয়ে গোসল করায়ে ফেলছে। এতোক্ষণে মনে বড় শান্তি পাইলাম।

সে পেইজটারে লাইক করসে, কারণ জামাত-শিবিরের লোকজন এখন সামুর পর ফেইসবুকেও গালি খাবার জন্য তরিকা শুরু করসে। কবির ভাষায়, থুক্কু আলিপ কাগুর ভাষায়-

ছাগুগন পেসবুকে যাই ্ন্দানি খাউয়ার জইন্য গুরাপিরা করিতেছে। তাহাদিঘকে হতাষ করা কি টিখ হইবে?" ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sketchbookblog/29196417 http://www.somewhereinblog.net/blog/sketchbookblog/29196417 2010-07-10 12:01:12
ফেসবুক বন্ধে প্রতিবাদের ঝড় সাইবার ওয়ার্ল্ডে
জানি না, ব্লগ সাইট আর টুইটারের মূল সুরটি এ সংবাদের মাধ্যমে আনা সম্ভব হয়েছে কি না, তবে চেষ্টাটি পুরোপুরিই ছিল।

যারা আগ্রহী তারা সংবাদটি পড়তে পারেন এই লিংক থেকে।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sketchbookblog/29167115 http://www.somewhereinblog.net/blog/sketchbookblog/29167115 2010-05-31 23:46:58
প্লিজ, সরকারকে কেউ ভুল বুঝবেন না...









বঙ্গবন্ধুর সরকার বাকশাল করে স্রেফ ৪টি পত্রিকা বাদে সব সংবাদপত্র বন্ধ করেছিলো। সেটা ছিল অ্যানালগ সরকারের যুগ।

এই সরকার ডিজিটাল সরকার, কাজেই সরকার ডিজিটাল মিডিয়ায় একই কাজ করেছে। বন্ধ করেছে ফেসবুক।

কাজেই আওয়ামী লীগ তার নিজের মতোই আছে। দোষ দেয়ার কোনো মানে নাই...]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sketchbookblog/29165461 http://www.somewhereinblog.net/blog/sketchbookblog/29165461 2010-05-30 00:06:47
সর্বস্তরে বাংলা!







এদিকে উইকিপিডিয়া বলছে, বাংলাদেশে প্রায় ৩৮টি জনগোষ্ঠির আলাদা আলাদা মাতৃভাষা প্রচলিত আছে। এবং দেশের আইন অনুসারে ওই জনগোষ্ঠির সবাই বাংলাদেশী। বাংলায় কথা বলা আমার-আপনার যতোটুকু অধিকার নিজ ভাষার ওপর আছে, ঠিক ততোটুকু অধিকারই আইনত তারা দাবী করতে পারেন তাদের ভাষার বিষয়ে এবং বাংলাদেশের সংবিধান তাকে আমার-আপনার তুলনায় একচুল পরিমাণও কম অধিকার দেয় না।

কাজেই, বাংলাদেশে সর্বস্তরে বাংলা প্রচলনের দাবী কি আসলে অবাঙ্গালীদের ওপর সংখ্যাগুরুর চাপিয়ে দেয়া সিদ্ধান্ত হয়ে যায় না? দাবীটি কি হওয়া উচিৎ ছিল না- "সর্বস্তরে মাতৃভাষা প্রচলিত হোক" ?

আমার মনে প্রশ্নটি আসলো, এ বিষয়ে অন্যদের মতামত চাইছি।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sketchbookblog/29103586 http://www.somewhereinblog.net/blog/sketchbookblog/29103586 2010-02-23 00:56:27
ডায়াপারের সঙ্গেই মেলে...

ডায়াপার বিষয়ক কিছু দরকারি ও কিছু অদরকারি কথা

০১. সুতি ডায়াপারে শিশুর ত্বকের সঙ্গে কোনো পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া ঘটে না।

০২. ডায়াপারে সেফটিপিন ব্যবহারে সতর্ক থাকুন, দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

০৩. প্যাম্পার এবং হাগিস এখন পর্যন্ত সবচেয়ে জনপ্রিয় দুটি ডায়াপার কম্পানি।

০৪. ডায়াপারের একক আবিষ্কারক হিসেবে নির্দ্রিষ্ট কারো নাম না বলাই ভালো। তবে ডিসপোজেবল ডায়াপার আবিষ্কার করেন ম্যারিয়ন ডনোভিয়ন।

০৫. শিশুর ডায়াপার আর দেশের রাজনীতিবিদ- দুটোই সময়মতো পাল্টানো উচিৎ, নইলে দুর্গন্ধ ছড়ায়।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sketchbookblog/29099416 http://www.somewhereinblog.net/blog/sketchbookblog/29099416 2010-02-17 02:09:05
চাঁদের ছবি নিয়ে বিটকেল সমস্যা







আমি তাকে উত্তর দিয়েছি, ওয়াইড লেন্স দিয়ে কোনো সাবজেক্টের বড় সুন্দর ছবি তুলতে হলে সাবজেক্টের কাছে যাওয়া লাগবে। পরামর্শ দিয়েছি নাসার সঙ্গে যোগাযোগ করতে। তারা পরবর্তী লঞ্চিংয়ে তারে নিয়ে গেলে যখন মহাকাশযান চাঁদের কাছাকাছি পৌছাবে, থখন ছবি তুলতে পারবে।

অন্য কোনো পরামর্শ কেউ দিতে পারেন? কারণ এই উত্তর তার পছন্দ হয় নাই।

প্রশ্নটির পাশাপাশি নতুন একটি ছবিও শেয়ার করি। এ ছবিটি ধানমন্ডি লেকে সূর্যাস্তের সামান্য পরে তোলা।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sketchbookblog/29088061 http://www.somewhereinblog.net/blog/sketchbookblog/29088061 2010-01-29 22:36:13
শেষ পর্যন্ত সূর্য উৎসবে সুন্দরবন : স্বাগত ২০১০
এ আয়োজনটির কথা আমি প্রথম জানতে পারি সম্ভবত ২০০৩ বা ২০০৪ সালের দিকে। সে সময় ভোরের কাগজে কাজ করি। তখন শুনলাম একদল তরুণ থার্টিফার্স্ট বা নিউ ইয়ার সেলিব্রেট করেছে সেন্ট মার্টিনসে। সে বিষয়ে ফিচার ছাপা হল পত্রিকায়। এ ঘটনার কিছুদিন আগেই পড়েছি হুমায়ূন আহমেদের দারুচিনি দ্বীপ। কেমন জানি সে বইটির ঘটনার সঙ্গে বেশ মিল দেখেছিলাম। কিছু সংখ্যক তরুণ-তরুণী নববর্ষ পালন করতে যাচ্ছে যেন প্রাণের তাগিদে। ওই সময়টি ঢাকার গুলশান এলাকা ছিল থার্টি ফার্স্ট নামের এক আতঙ্ক। সে তুলনায় সূর্য উৎসব বিষয়টি মনে হচ্ছিল তারুণ্যের আসল চেহারা। মনের কোথায় যেন একটু আফসেসও লাগল। মনে হল আহ্ আগে জানলে যাওয়া যেত।

এর পর আবারো একই ঘটনা। সূর্য উৎসব হলো, পত্রিকায় ফিচার ছাপা হলো। তারপর আফসোস, আহারে আগে যদি জানতাম...

একবার দেখলাম এরা উৎসব পালন করবে বাংলাদেশের সবচেয়ে উত্তর প্রান্তে, মানে তেতুলিয়া। ওইবার নিজ থেকেই বাদ দিয়েছিলাম। উত্তরবঙ্গের শীত খুবই খতরনাক জিনিস। আমি ঢাকা থেকে ময়মনসিং শীতকালে গেলে রাতে দাঁত ঠকঠক করে। থাক, আমার তেতুলিয়ার থার্টিফার্স্ট, তারচেয়ে আমার পাড়ায় মনিরদের ছাদে স্কুলের বন্ধুদের নিয়ে বারবিকিউ অনেক ভালো।

এইবারো এরা যাচ্ছে। এবার ঠিক হয়েছে থার্টিফার্স্ট আর নতুন বছরের প্রথম সূর্য দেখা হবে সুন্দরবনে গিয়ে। অফিসের একটি পিসিতে দেখলাম সূর্য উৎসবের পোস্টার ইমেজ আকারে। আমার ধারণা ছিল এবারো উৎসব ওয়ালারা নিউজ পাঠিয়েছে প্রেস রিলিজ যাতে আমরা প্রকাশ করি।

আমাদের ফিচারে তৃষা নামে একজন আছে, ফিচার ফটোগ্রাফার। সে বিভিন্ন অ্যাসাইনমেন্টের ছবি তুলে অফিসে ফেরার পর আমাকে দেখায়। ছবি নিয়ে আলাপ আলোচনা হয়। এবার সে পোস্টারটি আমাকে দেখিয়ে বলছে, বিপুল ভাই, দেখেন তো সব্যদা (পরে জেনেছিলাম ইনি সব্যসাচী হাজরা) কী দারুণ একটা পোস্টার করে দিলো।

আমিও দেখলাম পোস্টারটি যথেষ্ট স্মার্ট। তৃষাকেই জিজ্ঞেস করলাম এ উৎসবের আয়োজক কারা। সে গোল গোল চোখে আমার দিকে বিছুক্ষণ তাকিয়ে থেকে জিজ্ঞেস করে, আপনি জানেন না? আমরাই তো আয়োজন করি! অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের ব্যানারে।

আমি হা করে তাকিয়ে রইলাম। কারণ দুটি। এক হলো, এই তৃষা মেয়েটি অফিস করে, ছবির অ্যাসাইনমেন্টে বাইরে যায়, সংসার সামলায়, পাঠশালায় ফটোগ্রাফির গ্র্যাজুয়েশন করছে, সেই ক্লাস করে, সেখানকারও অ্যাসাইনমেন্ট থাকে। এতোকিছু করার পর সে আবার সূর্য উৎসব আর্গানাইজ করছে। আর দ্বিতীয় কারণ হলো যে সূর্য উৎসবের জন্য এতোদিন অপেক্ষা করেছি, সেই উৎসবে আমার পরিচিত লোকজনই এখন অর্গানাইজার। তাও আবার কোথায়? সুন্দরবন।

এর আগেও কয়েকবারই সুন্দরবনে যাবার দিনক্ষণ ঠিক হয়েছিল। চাঁদার টাকাও দিয়েছিলাম, পরে ক্যানসেল করি একবার বাবার চোখের অপরেশনের দিনটি একই সময়ে পড়ে যাওয়াতে। আরেকবার ম্যাপ ফটো এজেন্সির ফটোগ্রাফার মাহমুদ বললেন, ‌‌‌'আমি আগামী মাসে সুন্দরবনে যাবো। আপনি যাবেন? থাকতে হবে কিন্তু নদীতে। আর নিজেদের কাজগুলো কিন্তু নিজেদেরই করতে হবে। এসবে যদি অভ্যস্ত হন তবে যেতে পারেন।' আনন্দে লাফ দিয়ে উঠেছিলাম। কিন্তু শেষে উনার সুন্দরবন যাওয়ার দিনক্ষণ বদলে যায়। আর যাওয়া হয়নি।

এবার আর কোনো ঝামেলা এখন পর্যন্ত নেই। ছুটি ম্যানেজ করা যাবে। ৪ দিনের টুর। ফটো তোলা যাবে ইচ্ছে মতো। ঢাকা থেকেই লঞ্চে রওনা হবে দলটি, ফিরবেও লঞ্চে। তার মানে পুরো ভ্রমন হবে বিকট হর্ন বা ধুলাবালি মুক্ত পরিবেশে। লঞ্চের ছাদে নাচগানেরও ব্যবস্থা থাকবে বলে শোনা যাচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে পরিষ্কার আকাশ টেলিস্কোপ দিয়ে বিভিন্ন তারা আর গ্রহ দেখার আয়োজন, আর বিশেষ আকর্ষণ দুই বা সুন্দরবনের ভেতর ট্রেকিং, মানে গাইডেড টুর।

কখনো যেখানে যাইনি, সে সুন্দরবন আমার জন্য কোন কোন ছবি সাজিয়ে বসে আছে জানি না। গিয়ে কী দেখতে পাবো তাও জানি না। নদীর বুকে রাত কাটানো হয়নি কখনো। সে বিষয়টি কেমন রোমাঞ্চকর কে জানে। প্রায় একশ জনের মতো যাচ্ছে। হয়তো নতুন বন্ধু হবে, হয়তো হবে না। লঞ্চে মোবাইল লাইন দিয়ে ইন্টারনেট কানেকশন কেমন হবে কে জানে। ফেসবুক, সামহয়্যারইন পাওয়া যাবে তো। এমপিথ্রি প্লেয়ার, ব্যটারি কিনে রাখতে হবে। রাতে পড়ার জন্য কোন কোন বই নেব? এমন বই নিতে হবে যেটি আমার মনমতো হবে, কিন্তু বইয়ের ওজন হবে কম। যতো ভাবি, ততো মনে হচ্ছে সব কিছু গুছিয়ে নিতে হবে।

দিন বাকী আছে আর মাত্র ৪টি। এবার কোনো ঝামেলা না হলেই বাঁচি।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sketchbookblog/29065079 http://www.somewhereinblog.net/blog/sketchbookblog/29065079 2009-12-25 01:25:53
ছোট্ট একটি আনন্দ সংবাদ আপনাদের সঙ্গে শেয়ার করতে চাই
সেই সময়ে ভোরের কাগজ অফিসে মিষ্টি খাওয়ার কথা মনে পড়ে। কারণ কি? কারন সে সময়ের সম্পাদক মতি ভাই হাসিমুখে এসে আমাদের খবর দিলেন পত্রিকাটির সার্কুলেশন তখন এক লাখের মাইলস্টোন পেরিয়েছে। বাংলাদেশে তখন সার্কুলেশন হিসেব করলে ভোরের কাগজ ৪ নম্বর পত্রিকা।

সে ঘটনাটি অসম্ভব রকম আলোড়িত করেছিল আমাকে। স্টাফ না হলেও নিজের পত্রিকা মনে করে ভালো লেগেছিল।

আজ তেমন আরেকটি ঘটনা দেখলাম। এখন কাজ করি বিডিনিউজে। পুরো নাম বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকম। এ প্রতিষ্ঠানটি অনলাইন ভিত্তিক সংবাদ প্রকাশনা। ফলে এখানে সার্কুলেশনের সংখ্যা হিসেব করার কোনো উপায় নেই। যেটি আছে তা হলো ওয়েবসাইটটি প্রতিদিন কতোজন করে ভিজিটর পায় সেই হিসাব।

সারা দুনিয়ায় এ হিসাবটি রাখার জন্য একটি প্রতিষ্ঠান আছে যার নাম অ্যালেক্সা। সেই অ্যালেক্সার হিসাব দেখাচ্ছে বাংলাদেশে আমাদের দেশী (মানে বাংলাদেশ থেকেই পরিচালিত হয় এমন) ওয়েবসাইটগুলোর মধ্যে বিডিনিউজ এখন দৈনিক ভিজিটরের হিসেবে প্রথম অবস্থানে রয়েছে।

এ প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট নতুন চেহারায় এসেছে সম্প্রতি। আরো বেশ কিছু ফিচার শীগগিরই যোগ হবে। প্রতিজন কর্মীর খাটুনি বেড়ে গিয়েছে অনেক। আজকের এই ঘটনাটি যেন সে পরিশ্রমের ফল বলেই মনে হচ্ছে।

না, সেই ভোরের কাগজের মতো করে এখন কোনো উৎসব পালন করছে না বিডিনিউজ। তবে আনন্দটি ঠিকই টের পাওয়া যাচ্ছে প্রতিজন কর্মীর চেহারায়।

আমার ব্যক্তিগত অনুমান প্রযুক্তি সচেতন এবং বাংলায় লেখালেখি করেন এমন প্রায় সবাই সামহয্যারে ব্লগিং করেন। সে সচেতন ব্লগারদের অনেকের লেখাতেই, বিশেষ করে চলতি সংবাদ, ব্রেকিং নিউজ বিষয়ক পোস্টে বিডিনিউজের রেফারেন্স পাওয়া যায়। স্বাভাবিকভাবেই আমার মনে হয় এটি বিডিনিউজের প্রতি আপনাদের আস্থার প্রকাশ। সে জন্য সবার আগে আপনাদের সঙ্গেই এ আনন্দ সংবাদটি শেয়ার করতে ইচ্ছে হলো।

ভালো থাকুন সবাই।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sketchbookblog/29052072 http://www.somewhereinblog.net/blog/sketchbookblog/29052072 2009-12-01 20:39:20
আরো ৭টি রাশান জোকস ০১.
আচ্ছা, সভিয়েট ইউনিয়নে দুটি পত্রিকা কেন? কেবল প্রাভদা (সত্য) অথবা ইজভেস্তিয়া (সংবাদ) থাকলেই তো হতো।
উত্তর: দুটিই দরকার। কারণ প্রাভদায় ইজভেস্তিয়া নেই আর ইজভেস্তিয়ায় প্রাভদা নেই।

০২.
ক্লাসে এক ছাত্র: স্যার শুনলাম আমেরিকায় নাকি বিশ্বে সবচেয়ে বড় বিল্ডিং আছে?
টিচার: ইভানভ, তুমি ঠিকই বলেছ, তবে কি জান, আমেরিকানরা সভিয়েট ইউনিয়নের মতো বড় সাইজের ইলেকট্রিক ট্রানজিস্টর বানাতে পারে না।

০৩.
আচ্ছা, সুইজারল্যান্ডে কি কমিউনিজম প্রতিষ্ঠা সম্ভব?
উত্তর: খুবই সম্ভব, কিন্তু ওরা তো তোমার কোনো ক্ষতি করে নাই...

০৪.
গ্রামে কমিউনিস্ট পার্টির মিটিং চলছে। বক্তৃতা দিচ্ছেন এক নেতা-
কমরেডস, কেবল আমাদের পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনাটি বাস্তবায়ন হোক, দেখবেন উন্নয়নের জোয়ারে ভাসবে গোটা দেশ। আরে, তখন আমাদের সবারই একটা করে প্লেন থাকবে।
এক মুর্খ চাষা প্রশ্ন করলো- প্লেনের মালিক হয়ে আমরা কি করব?
নেতা: আরে কমরেড এটিও বুঝতে পারছেন না? ধরুন আপনার শহরের দোকানে আলুর সাপ্লাই নেই, নো চিন্তা, প্লেন নিয়ে মস্কো চলে যান, আলু কিনে ফিরে আসুন...

০৫.
মফস্বল শহরে পার্টি মিটিং। নেতা বক্তৃতা দিচ্ছেন:
কমরেডগন...দেখুন আমাদের প্রত্যেকের জীবনে কমিউনিজম কতো পরিবর্তন নিয়ে এসেছে। উদাহরণ তো হাতের কাছেই আছে, এই ধরুন সামনের সারিতে বসা মারিয়া। মুর্খ নারী ছিল। তার একটিই মাত্র জামা ছিল, কোনো জুতা ছিল না। আজ তার পায়ে জুতা আছে। ধরুন ইভানভ। গ্রামের সবচেয়ে গরীব ছিল। তার জমি ছিল না, বলদ ছিল না। আজ সে ট্রাক্টর চালায়, তার দু জোড়া জুতা। ধরুন সার্গেই। কী জীবন ছিল তার! রাস্তায় রাস্তায় ঘুরত। প্রচণ্ড তুষারপাতের রাতেও তাকে কেউ আশ্রয় দিত না, সব চুরি করে নিয়ে যাবে এই ভয়ে। সেই সার্গেই চোরা দেখুন আজ কতো বদলে গেছে। আজ সে পার্টির লোকাল সেক্রেটারি....

০৬.
এক রাশান, এক ফ্রেঞ্চ আর এক বৃটিশ তর্ক জুড়ে দিয়েছে, আদী পিতা আদম কোন জাতীয়তার ছিলেন সেই বিষয়ে।
ফ্রেঞ্চ বলছে: আদম ফরাসী না হয়েই যায় না। দেখ না, ইভকে সে কত্তো ভালবাসতো।
বৃটিশ বলছে: উহু। আদম আসলে ছিল বৃটিশ। দেখ, তার একটি মাত্রই আপেল ছিল আর সেটি সে ইভ কে দিয়ে দিল! যেন সাচ্চা বৃটিশ জেন্টলম্যান।
রাশান বলছে: তোমরা কিস্যু জানো না। যে লোকটি পুরো উদোম হয়ে ঘুড়ে বেড়াচ্ছে, সম্বল মাত্র একখানি আপেল। আর তারপরও ভাবছে সে স্বর্গে আছে, সে রাশান না হয়ে যায় কোথায়...

০৭.
এক অলিম্পিকে এক সভিয়েট অ্যাথলেট হাতুরি নিক্ষেপে বিশ্ব রেকর্ড করলো। তাকে ইভেন্ট শেষে ঘিরে ধরল সাংবাদিকরা।
আপনি কি করে এত্তো দূরে হাতুরিটি মারতে পারলেন?
বলেন কি? এটা কোনো ব্যাপার হলো? হাতুরির সঙ্গে একটি কাস্তে জুড়ে দিন না, অ্যায়সা জোড়ে ছুড়ে মারব যে স্টেডিয়াম পার হয়ে যাবে। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sketchbookblog/29037895 http://www.somewhereinblog.net/blog/sketchbookblog/29037895 2009-11-05 02:04:48
শুরু হলো নিজের ওয়েবসাইট : পরামর্শ, উপদেশ, গাইডলাইন চাইছি www.hassanbipul.com

সহজ চেহারায় সাইটটি রাখতে চেয়েছি। ফলে জবরজং কোনো ডিজাইন এখানে রাখা হয়নি। এর ফলে টেকনিকাল সুবিধা পওয়া যাবে, সাইটটি লোড হতে সময় কম লাগবে।

পের্টফোলিও অংশে থাকবে আমার তোলা বিভিন্ন অ্যাসাইনমেন্টের (সেটি পয়সার বিনিময়ে হোক বা নিজের জন্য করা অ্যাসাইনমেন্ট হোক) ছবি থাকবে।

ফটোগ্রাফি বিষয়ে বেশ কিছু আর্টিকল আমার লেখা হয়েছে। এর অনেকগুলো সামহয়্যারে আমার ব্লগে প্রকাশও হয়েছে। এখন থেকে আমার সে আর্টিকলগুলি প্লাস নতুন আর্টিকলও যোগ হতে থাকবে রাইটআপ নামের লিংকের অধীনে।

আর ব্যক্তিগত সাইটে যে তিনটি লিংক কমন থাকে নিজের সম্পর্কে কথাবার্তা থাকবে অ্যাবাউট লিংকে, যোগাযোগের ঠিকানা আর অ্যাসাইনমেন্ট বিষয়ক তথ্য থাকছে আরো এক দুইটি লিংকে।

এই হলো সাইট।

এ বিষয়ে আপনাদের পরামর্শ, উপদেশ, গাইডলাইন চাইছি।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sketchbookblog/29035136 http://www.somewhereinblog.net/blog/sketchbookblog/29035136 2009-10-31 11:34:41
আরো কিছু রাশান জোকস ০১.
প্রাইমারি স্কুলের পিটি চলছে। টিচার জিজ্ঞেস করছেন-

কোন দেশে সবচেয়ে সুন্দর খেলনা পাওয়া যায়?
ছাত্র-ছাত্রীরা সমস্বরে উত্তর দিল : সোভিয়েত ইউনিয়ন

কোন দেশে সবচেয়ে সুন্দর চকোলেট পাওয়া যায়?
ছাত্র-ছাত্রীরা চিৎকার করে উত্তর দিল : সোভিয়েত ইউনিয়ন

কোন দেশের শিশুরা সবচেয়ে সুখি?
ছাত্র-ছাত্রীরা তারস্বরে উত্তর দিল : সোভিয়েত ইউনিয়ন

হঠাৎ কান্নার আওয়াজ। টিচার এগিয়ে এলেন, কেজি ক্লাসের পিচ্চি ইভানভ কাঁদছে। টিচার জিজ্ঞেস করলেন, ইভানভ, তুমি কাঁদছ কেন?

ফুপিয়ে ইভানভ উত্তর দিল, আমি সোভিয়েত ইউনিয়নে যাব...

০২
নগর গোরস্তানে নতুন কর্তা এসেছেন। সবাইকে নিয়ে তিনি মিটিংয়ে বসে খরচ কমানোর পথ খুঁজছেন।

-আমাদের আসলেই খরচ কমাতে হবে। আপনাদের কোনো পরামর্শ আছে কমরেড?
- ডেডবডিগুলো খাড়া করে কবর দিলে গোরস্তানের জমি বাঁচানো যায়...
-বেশ, আর কিছু?
-খাড়া করে কোমর পর্যন্ত কবর দিয়ে রং করে দিলে এপিটাফের জন্য আর পাথর কিনতে হবে না কমরেড।
-বাহ্ আর কিছু?
-ডেডবডিগুলো যদি হাত ধরাধরি করে কোমর পর্যন্ত গেড়ে দেয়া যায়, তাহলে ওটা দিয়েই বেড়ার কাজও হয়ে যায়...


০৩
রবিনোভিচ : আক্কেল দাঁত তুলতে কতো লগে?
ডেন্টিস্ট : ৮০ রুবল
রবিনোভিচ : উহু, অনেক খরচ...
ডেন্টিস্ট : লোকাল অ্যানেস্থিশিয়া না দিলে ২০ রুবল কমানো সম্ভব
রবিনোভিচ : তাও অনেক বেশি।
ডেন্টিস্ট : দামী ফরসেপ দিয়ে না তুলে প্লায়ার্স ব্যবহার করলে আরো ২০ রুবল কমানো সম্ভব।
রবিনোভিচ : তাহলে দাড়ালো ৪০ রুবল। নাহ, আরো কমাও না ভাই।
ডেন্টিস্ট : ডেন্টাল কলেজের ছাত্র দিয়ে তোলালে যদি তারা লোকাল অ্যানেস্থিশিয়া না দিয়েই প্লায়ার্স দিয়ে টেনে তুলে ফেলে, তবে ২০ রুবলে সম্ভব।
রবিনোভিচ : তাহলে ওই কথাই রইলো। বিকেলে আমার বউকে পাঠিয়ে দেবো খন, ওর আক্কেল দাতটা ফেলে দিতে হবে।

০৪
ট্রাফিক পুলিশ মাঝ রাতে গাড়ি থামিয়েছে-
পুলিশ : আপনি কি ভদকা খেয়ে গাড়ি চালাচ্ছেন কমরেড?
চালক : না তো!
পুলিশ : বললেই হলো? দেখি এই টিউবে মুখ লাগিয়ে শ্বাস ছাড়ুন তো... হ্যা...ও বাবা... এ দেখি ক্লিন রিডিং দিচ্ছে। যন্ত্রটাই নষ্ট হয়ে গেল নাতো? দেখি নিজে টেস্ট করে...হ্যা...নিজেই মুখে লাগিয়ে দেখি...নাহ্ যন্ত্র তো দেখি ঠিকই রিডিং দিচ্ছে...

০৫
সাইবেরিয়ার উত্তরে এক সায়েন্টিফিক রিসার্চ জাহাজের ক্যাপ্টেন সবাইকে ডেকেছেন মিটিংয়ে-
কমরেডগন, ইদানিং এই জাহাজের সব কমরেডই অতিরিক্ত ভদকা খাচ্ছেন, আর এতে নানা ভুলও হচ্ছে। আমরা আর ঝুকি নিতে চাই না। এই মুহুর্তে সব ভদকার বোতল সাগরে ফেলে দেয়ার নির্দেশ দিচ্ছি।

মিটিংয়ে পিন পতন নিরবতা। কেবল পেছন থেকে একটি কণ্ঠ বলে উঠল, হ্যা সেটাই ভালো, সব ফেলে দেয়া হোক... কমরেড ক্যাপ্টেন ঠিকই বলেছেন...

বাকিরা একস্বরে উত্তর দিলো: চুপ থাক হারামজাদা ডুবুরী...]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sketchbookblog/29030377 http://www.somewhereinblog.net/blog/sketchbookblog/29030377 2009-10-23 02:00:16
সরি নোবেল কমিটি, একমত হতে পারলাম না
ড. ইউনূসের গ্রামীন ব্যাংক পুরস্কার পাইল, আর পাইল গ্রামীন ব্যাংকের সদস্যরা। কেন পাইল? তারা লেন নিসে বইলা পুরস্কার পায়নাই, তারা গ্রামীন ব্যংকের মালিক হিসাবে পুরষ্কার পাইছে।

তাতে কি দাড়াইল? যাদের কারণে অন্যেরা শান্তির পক্ষে কাজ করতে পারে তিনিই হইলেন পুরস্কারের জন্য বিবেচিত।

বেশ কথা।

এইবার দেখলাম নোবেল কমিটি সিস্টেম পাল্টায়া ফালাইসে। ওবামারে শান্তির জন্য কাজ করার সযোগ করে দিল যে দিলদরিয়া লোকটা, তার কোনো পাত্তা নাই।

আরে সুইডিস বেকুবরা, জর্জ বুশ পরিস্থিতি তৈয়ার না করলে ওবামা কোন কামডা করতো? ওই ব্যাটাতো হোয়াইট হাউস পর্যন্তই যাইতে পারতো না।

কাজেই নোবেল কমিটির এ দ্বিমুখী নীতির তিব্র প্রতিবাদ জানাই। আর মহান জর্জ ডাব্লিই বুশকে নতুন খেতাবে ভূষিত করার দাবী জানাই। তার নতুন খেতাব হোক জর্জ ডাব্লিউ নোবেল।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sketchbookblog/29023439 http://www.somewhereinblog.net/blog/sketchbookblog/29023439 2009-10-10 13:57:49
কোনো মৃত্যু উপত্যকাই আমার দেশ না — Albert Einstein

আইনস্টাইন তার জীবনে অনেক মূল্যবান কথা বলে গেছেন। তার অন্যতম হলো ওপরের এই কথাটি।

জানার আগ্রহ, কৌতুহল, যেটা ভুল মনে হয় তার সম্পর্কে প্রশ্ন এমন বিষয়গুলি যদি একজন মানুষের চরিত্র থেকে বাদ দিয়ে দেয়া হয়, তবে সেই মানুষটির আর মানসিক বৃদ্ধি ঘটে না। স্থবির হয়ে যায় সে জীবন। প্রশ্নবিদ্ধ বিশ্বাস নিয়ে কাটে যায় তার দিন রাত। সেখানে ক্রমশ বাসা বাধে কুপমন্ডুকতা আর মানসিক সংকীর্ণতা।

ব্যাক্তি জীবনের মতো এমন ঘটনা কোনো সমাজে ঘটলে সে সমাজটি দিন দিন হয়ে যায় মৌলবাদী। সেখানে আর কোনো সতুন সম্ভাবনা তৈরি হয় না।

দিন বদলেছে। বন্য জীবন থেকে গ্রামীন জীবন, সেখান থেকে শহুরে জীবন তারও পর এখন তথাকথিত সভ্য মানুষেল ভার্চুয়াল জগৎ ও জীবন।

এখানেও যদি জানার আগ্রহ, কৌতুহল, যেটা ভুল মনে হয় তার সম্পর্কে প্রশ্নকে গলা টিপে মারা হয়, তবে সে জ্ঞান শ্রোতটি হয়ে যাবে মজা পুকুর। ক্রমশ সেটি হয়ে যাবে চিন্তার, নতুন সম্ভাবনার জন্য মৃত্যু উপত্যাকা। এমন মৃত্যু উপত্যকা কোনো স্বাধীন চিন্তার মানুষেরই আপন স্থান হতে পারে না।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sketchbookblog/29010688 http://www.somewhereinblog.net/blog/sketchbookblog/29010688 2009-09-15 02:07:17
রঘু রাইয়ের সঙ্গে এক দিন বিডিনিউজ। এখানে কাজ করার সবচেয়ে সুবিধা হলো দুটি বড় প্রতিষ্ঠান রয়েছে বিডিনিউজের অফিস লাগোয়া। একটি তো একেবারেই গা ঘেষে, বেঙ্গল গ্যালারি, অপরটি দুই কদম হেঁটে দৃক পিকচার লাইব্রেরি

ফটোগ্রাফি ভালোবাসি বলে দৃকের কাছাকাছি থাকাটা আমার জন্য প্লাস পয়েন্ট। বাইরের বিশ্বের সঙ্গে এদের যোগাযোগ অসম্ভব ভালো। ফলে দৃকের কাছাকাছি থাকলে ফটোগ্রাফি বিশ্বের টাটকা খোঁজখবর ভালোই পাওয়া যায়। যেমনটি এবার পেলাম।

অফিসে কাজ করতে করতে ঝিমুনি এলে আমার অভ্যেস পাঁচ/দশ মিনিট বাইরে হেঁটে আসা। তেমনি হাঁটতে বেরিয়েই দেখলাম বেঙ্গল গ্যালারিতে ফটো একজিবিশন হবে। তার ব্যানার টানানো হচ্ছে। একটু কাছে এগিয়ে গেলাম। আমার চোয়াল ঝুলে গেল। রঘু রাইয়ের প্রদর্শনী হবে। উদ্বোধন পরের দিন। সকাল ১১টায়।

রাতে ফেসবুকে বসেছি। দৃক সংশ্লিষ্ট একজন তরুণ ফটোগ্রাফার বললেন, কাল আসেন বেঙ্গলে। আমি বললাম যাব, তবে রঘু এলে ভালো হতো। তিনি বললেন, রঘু তো এখন ঢাকায়! কাল সে থাকছে উদ্বোধনে।

সে রাতটি কি করে কাটিয়েছি আমি বলতে পারব না। ফটোগ্রাফির একজন দিকপাল, প্রফেটও বলা যেতে পারে। সেই রঘু হাতের নাগালে থাকবেন।

ম্যাপ ফটো এজেন্সির অ্যাসোসিয়েট লতিফ ভাই যখন আমাদের ফটোগ্রাফির ক্লাস নিতেন, কতো বার যে রঘু রাইয়ের রেফারেন্স টেনেছেন।

সবচেয়ে বেশি রেফারেনাস ছিল লেন্স বিষয়ে। রঘু রাই সম্ভবত বিশ্বের সবচেয়ে বনেদী ফটোগ্রাফারদের মধ্যে সবচেয়ে কম সংখ্যক লেন্স নিয়ে কাজ করেন। রঘুর নিজের কথায়, "আমার বড় ভাই পল আমাকে বললেন নতুন ওয়াইড অ্যাঙ্গল লেন্স কিনতে। আমি বললাম এখন নয়। ভাই আমাকে বললেন যে, আমি কৃপণতা করছি, পয়সা বাচাচ্ছি। আমি বললাম, বিষয়টি ঠিক তেমন নয়। যে প্রাইম লেন্স নিয়ে এখন আমি কাজ করছি সে লেন্সটি যে স্পেস আমাকে দেয়, তার পুরো ব্যবহার এখনো আমি করতে পারিনি। আমি এখনো জানি না কোন পরিস্থিতিতে এটি আমাকে কেমন রেজাল্ট দেবে। যখন আমি এ লেন্সটির ব্যপারে অভিজ্ঞ হয়ে উঠব, তখন আমি লেন্সটি ক্যামেরায় না লাগিয়েও ঠিক ঠিক বুঝবো কোন রেজাল্ট পাবার জন্য আমাকে কোন স্টেপগুলো নিতে হবে। তার আগে আমি মনে করি না নতুন আরেকটি লেন্স ধরার যোগ্যতা আমার হয়েছে।

সেই রঘুকে পরের দিন দেখলাম বেঙ্গল গ্যলারিতে। আমি সাড়ে দশটাতেই গিয়েছিলাম, যদি ক্ষাণিকক্ষণ আগে পাওয়া যায়, তবে হয়তো দু-চারটি কথা বলার সুযোগ হবে। সে সুযোগটি আমার হয়েছিল।

সে দিন যে ছবিগুলো তোলার সুযোগ হয়েছিল তার কিছু এখানে শেয়ার করা গেল। এ বিষয়ে বিডিনিউজে করা আমার রিপোর্টটি পাবেন এখানে


একজিবিশন উদ্বোধনের আগে রঘু দেখে নিচ্ছেন ছবিগুলো


দৃক পিকচার লাইব্রেরির পরিচালক ড. শহিদুল আলম আর রঘু রাই বলছেন একজিবিশন সম্পর্কে


একসঙ্গে ছবি তোলার সময় রঘু জিজ্ঞেস করলেন আমার ক্যামেরায় কোন লেন্স লাগানো আছে। বললাম ৫০ মিলিমিটার প্রাইম। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, আরো ওয়াইড লেন্স ব্যবহার করছি না কেন?


বক্তৃতা করছেন রঘু রাই


একসময় দেখি শহিদুল আলম আমার ছবি তুলছেন, আমিই বা তাঁকে ছেড়ে দেব কেন?


টেলিকনফারেন্সের মাধ্যমে প্রদর্শনীর উদ্বোধন ঘোষনা করছেন অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ। সম্প্রতি তেল-গ্যাস ব্লক ইজারার প্রতিবাদে এক মিছিলে পুলিশের হামলায় আহত হবার কারণে তিনি স্বশরীরে গ্যালারিতে আসতে পারেন নি।


আমাদের অনুরোধে রঘু পোজ দিলেন নিজের তোলা ছবির সামনে।


এক ফাঁকে পেলাম অন্যমনষ্ক অবস্থায়


বিকেলে ওপেন ডিসকাসে তরুণ ফটোগ্রাফারদের সঙ্গে শহিদুল আলম ও রঘু রাই।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sketchbookblog/29008391 http://www.somewhereinblog.net/blog/sketchbookblog/29008391 2009-09-11 01:43:24
চিত্রনায়ক ফাহিমের ছাতা হারাইয়াছে
আমাদের অফিসে একজন গ্রাফিকস অপারেটার আছেন, তার নাম ফাহিম। বয়স ২৮। যথেষ্ট সৌন্দর্য-সচেতন। আমাদের সাবেক নিউজ এডিটর তাকে বলতেন চিত্র নায়ক ফাহিম। তার ওপর আবার তার নাকি বিয়ের কথাবার্তা চলছে। কয়েকদিন আগে লাজুক লাজুক চেহারা নিয়ে আমাকে অনুরোধ করায় বেশ কয়েকটি ছবিও তুলে দিতে হয়েছে। কয়েক দিন পর সে এসে আরো লাজুক চেহারা নিয়ে এসে আমাকে বলে বিপুল ভাই, ছবি ভালো হয়েছে, মেয়ে পক্ষ বলছে ছেলের চেহারা নাকি নায়ক উজ্জ্বলের মতো।

সেই ফাহিম ছাতা ছাড়া চলাফেরা করে না। রাস্তা থেকে অফিসের রিসেপশনে ঢোকার সময় তার ছাতাটিও মালিকের বগলতলায় ভাজ হয়ে ঢোকে।

আজ দেখি ফাহিম বিকেলের শিফটে অফিসে এসে অফিসের সামনে মাসুদের চায়ের দোকানে ঢুকলো। আর ছাতাটা রাখলো ওই টং দোকানের চালার ওপর। আমি দোকানের সামনে বেঞ্চিতে বসে চা খাচ্ছি, পাশে আমার কলিগ ও ব্লগার শরিফ রনি। আমি রনিকে বললাম, চামে গিয়া ছত্তিটা নিয়া আসো।

রনি চালাক ও সবধান ছেলে। সে কিছুক্ষণ ছাতার দিকে কিছুক্ষণ ফাহিমের দিকে তাকালো। তারপর বলে, বিপুল ভাই, ফাহিম প্রতি তিন সেকেন্ড পরপর ছাতির দিকে তাকায়, ওইটা আনা সম্ভব না।

কিছুক্ষণ পর দেখি ফাহিমের চা খাওয়া শেষ, এখন সিগারেট ধরাবে। রনিকে বললাম, এই চান্স, বিড়ি ধরানোর সময় কোনো বিড়িখোর অন্য দিকে মনোযোগ দেয় না। রনি চামে গিয়া ছাতাটা নিয়া আসলো, সেটি সোজা চালান হয়ে গেল আমার ক্যামেরার ব্যগপ্যাকে।

বিড়ি ধরানো শেষ, একটা সুখটান দিয়েই ফাহিম স্ট্যাচু অফ লিবার্টির মতো স্থির হয়ে গেল। তার চোখ সোজা মাসুদের টং দোকানের চালার দিকে। সেখানে ছাতাটা নেই। সেই অপার শুণ্যতা ফহিম ফ্যালফ্যাল করে দেখছে। তার পর মুহুর্তেই সে মাসুদের দিকে এগিয়ে গিয়ে বলে, মাসুদ, এইখানে কাউরে হাত দিতে দেখছো?

এরপর দেখি ফাহিম খুব তীক্ষ্ণ চোখে বেঞ্চিতে বসা সবার দিকে তাকাচ্ছে। প্রত্যেকের হোরার ওপর তার চোখ ঘুরে ঘুরে এলো আমার ওপর। আমি আর রনি তখন অফিস পলিটিক্স নিয়ে কথা বলছি।

তখন বেলা সাড়ে তিনটা। অফিসে ফাহিমের ডিউটি শুরু চারটার সময়। আমার মনে হয় না সে চারটার আগে মাসুদের টং দোকান থেকে সরবে। প্রতিটা ইঞ্চি সে তন্ন তন্ন করে খুজবে।

চায়ের বিল দিয়ে আসার সময় দেখলাম ব্যবসা বাদ দিয়ে মাসুদকে সে চালার ওপর ওঠাচ্ছে ছাতা খোজার জন্য।

আমি অফিসে এসে ফাহিমের ডিপার্টমেন্টে ছাতাটা জমা দিয়ে পুরো গল্পটা বললাম। দেখা যাক পরবর্তী ঘটনা কোথায় গড়ায়।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sketchbookblog/28979221 http://www.somewhereinblog.net/blog/sketchbookblog/28979221 2009-07-16 17:29:03
মাইকেলের প্রস্থানে শোক বাণী না হয় থাকুক এখানে...
প্লিজ, আমাকে ক্ষমা করুন যদি কারো অনুভূতিতে আঘাত দিয়ে থাকি, তবুও বলি, আপাত মন খারাপ লাগলেও, এই প্রম্থানই হয়তো মিলে যায় মাইকেলের সঙ্গে। গতকালও তার নামটি মনে পড়লে আমি দেখতাম প্রাণশক্তিতে ভরপুর একজনের ইমেজ যিনি দরদ দিয়ে গাইছেন- মেক এ বেটার প্লেস ফর ইউ অ্যান্ড ফর মি

মাইকেল নামটি শোনার সঙ্গে যে প্রথম স্মৃতি আমার মনে পড়ে সেটি ৮০-র দশকের গান বিট ইট। হাফ প্যান্ট পড়া শৈশবে স্কুলে যাবার সময় শুনতাম পাড়ার বড় ভাইরা ডেক সেট (সে এক মিউজিক প্লেয়ার ছিল বটে) বাজিয়ে পাড়ার মাড়ে বাজাচ্ছে গানটি। আর এর পর দেখলাম তার বিশ্বজয়ের কাহিনী। ৮৪ সালের গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ডে থ্রিলার অ্যালবামের জন্য ৮টি অ্যাওয়ার্ড জেতা পারফর্মার।

মাইকেলের এই ইমেজ নিয়েই আমি আগামী দিনগুলোতে তাকে স্মরণ করতে চাই। আমার দরকার নেই মাইকেলের নামের সঙ্গে একটি দুর্বল বুড়ো মানুষের চেহারা যোগ করার। আজ অসম্ভব মন খারাপ লাগছে, সেটি না হয় সহ্য করে নেব। তার বদলে মনে মনে চাইব ব্যক্তি জীবনে যে একাকীত্ব সহ্য করতে হয়েছে তাকে, অন্তত জীবনের শেষ দিনগুলোতে, প্রস্থানের পর তার আত্মা যেন সে কষ্ট না পায়।

আমার মন খারাপের কথাগুলো যতটুকু সম্ভব লিখে রাখলাম এখানে। চাইলে আপনারাও যোগ করুন আপনাদের অনুভূতি। সেটিও যোগ না হয় করে নেব মূল পোস্টের সঙ্গে।

মাইকেলের আত্মা শান্তিতে থাকুক।
============================================

জটিল বলেছেন: আমিও নির্বাক।


বায়লোজি বলে আমি নাকি ছেলে!! বলেছেন: লাভ ফর মাই মিকাইল....<img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" />

অমাবশ্যার চাঁদ বলেছেন: মাইকেলের আত্মা শান্তিতে থাকুক।

আহমেদ রাকিব বলেছেন: মাইকেলের আত্না শান্তিতে থাকুক।

আমি ও আমরা বলেছেন: আজ সকালে অফিসে এসে যথারীতি রুটিন মাফিক সামু তে ঢুকি। ঢুকেই দেখি এই মহাপ্রয়ানের খবর। সেই সাথে জেনে নিলাম তার বয়স ছিল ৫০। অথচ তার প্রতিটি মুভমেন্ট আমাকে কখনো ভাবতে দেইনি তার বয়স বেড়ে যাচ্ছে। তার মুভমেন্ট তার গান তাকে সবুজ ছেলে বানিয়েছিল। মাইকেলের আত্না শান্তিতে থাকুক।

চরণ দাস বলেছেন: এমন সুখী প্রস্থান তারেই সাজ

তানহা তাবাসসুম বলেছেন: ++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++

মনির হাসান বলেছেন: মাইকেল জ্যাকসনে শুণ্যতা পূরণ হওয়ার নয় ।

কালক রাতে ব্লগে প্রথম খবর টা দেখে বিশ্বাস হচ্ছিল না ... খুব কষ্ট হচ্ছে ... অনেক দিন ওর গান শুনিনা আর তার বিতর্কীত জীবন যাপনেও বিরক্ত ছিলাম ... কিন্তু শৈশবে এই মাইকেলই ছিল অনেক শিশুর মত আমারো আইডল ... স্কুল যাওয়ার পথে বন্ধুরা গাইতে গাইতে যেতাম "জাস্‌ পিরে ... জাস্‌ পিরে (তখনো জানতাম না শব্দটা আসলে জাস্ট্‌ বীট ইট্‌) ...

অনেক দিন পর হঠাৎ করে এইসব মনে আসল ... খারাপ লাগছে খুব।

শ।মসীর বলেছেন: Blood on the Dance floor-আমার প্রথম ইংলিশ এলবাম ক্রয়।তারপরে পরিচয় অসাধারন সব মিউজিক ভিডিওর সাথে।
no more will come /<img src=" style="border:0;" />

তারার হাসি বলেছেন: আমার স্কুল জীবনের হিরো, ছেলেরা তেমন করে প্যান্ট আর বেল্ট পড়ত, শার্ট এমনভাবে ইন করা হত কিছু অংশ বাতাসে উড়ত। টিফিনটাইমে ছেলেরা বেঞ্চের উপর দাঁড়িয়ে নাচত তেমন করে...
bill board top chart এর প্রথমের র‌্যাঙ্কগুলি থাকত মাইকেলের দখলে...
এখনো মাঝে মাঝে শুনি heal the world !
প্রিসলির ক্রেজ আমরা দেখিনি তারপরেও শুনি তার গান, জানি তার অনেক কিছু, তেমন করেই মাইকেল জ্যাকসনের জনপ্রিয় গান গুলি কখনোই হারাবে না, থাকবে গান প্রেমিক মানুষের মনে।
অনেক ভাল থেকো তুমি, নিরালায় নিভৃতে, নিজের মত করে...।

মরিযাদ হারুন বলেছেন: চিনচিন কষ্টে ভরে ওঠলো বুকটা।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sketchbookblog/28969829 http://www.somewhereinblog.net/blog/sketchbookblog/28969829 2009-06-26 14:11:49
৫ বছর পর দেখা চারুকলায় নববর্ষ উৎসব
এবার মনে হল, এভাবে এড়িয়ে যাওয়াটা হয়তো ঠিক নয়। ছবি তুলে জীবন পার করে দেয়া ইচ্ছেটা যেহেতু আছে, কাজেই সব পরিবেশে, সব পরিস্থিতিতে ছবি তোলা দরকার। এখানে "ভালো লাগেনা" কথাটি না বলাই ভাল।

খোঁজ লাগালাম জোনাথনের। নাম জোনাথন মুন্সি, আমেরিকান বাংলাদেশি, ফটোগ্রাফির পাগল। সঙ্গে পুরো আমেরিকান ফটোগ্রাফি লাভার জিওফ্রে হ্যালার, ম্যাপ ফটো এজেন্সির খালেদ সাত্তার আর আমি। ভোর সাড়ে পাঁচটায় যখন জোনাথনকে ফোন দিলাম তখন শুনলাম ওরা অলরেডি শাহবাগের দিকে রওনা হয়ে গেছে। ফলে আমি একাই গেলাম।

সকাল ৬টা থেকে ৭টা পর্যন্ত ছিলাম রমনায়, তারপর চলে এসেছি চারুকলায়। বেলা একটা পর্যন্ত সেখানেই ছিলাম। দেখা হলো ডেইলি স্টারের জাকির হোসেন, বিডি নিউজের মোস্তাফিজ মামুন, এপির পাভেল রহমানসহ বেশ কয়েকজনের সঙ্গে।

প্রায় শ' দুয়েক ছবি তুলেছি এ সময়ের মধ্যে। সেখান থেকে কয়েকটি তুলে দিলাম এখানে।


এটাই আমার কাছে বাংলাদেশের চেহারা। সামাজিক নানা সীমাবদ্ধতা থাকলেও মনের ভেতর আছে উৎসবে যোগ দেয়ার মানসিকতা।


পুলিশ বাহিনীর এ নরী সদস্য ডিউটি দিচ্ছিলেন রমনা বটমূলে। পেশার সঙ্গে উৎসবের কি কোনো বিরোধ আছে?


বাংলার আরেক নমুনা। "যার যা আছে তাই নিয়ে" উৎসবে যোগ দেয়া


চারুকলায় চলছে ঢোলের তালে নাচ


আহারে বেচারা ভাষ্কর্য, তরুনী কেশের ঘ্রাণ তার জানা হবে না কখনো


এমন অবাক দৃষ্টি আর সারল্য ভরা চোখ এ বয়সেই সম্ভব


সেদিন দুজনে
(কেবল এরা নয়, গতকাল যে যার মতো করে যার খুশি তার ছবি তুলেছে। বাধা দেয়নি কেউ, অনেকে আবার স্মিত হেসে জানতে চেয়েছে অন্য কোনোভাবে "পোজ দিতে" হবে কি না।


কে কার প্রতিবিম্ব?


পুলিশের এর চেয়ে ভালো পারট্রেইট তুলতে পারিনি গতকাল <img src=" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sketchbookblog/28938427 http://www.somewhereinblog.net/blog/sketchbookblog/28938427 2009-04-15 14:52:55
জাহাঙ্গীরনগর ক্যাম্পাসের কিছু ‍'হাকুল্লা' ছবি

গত মঙ্গলবার গিয়েছিলাম জাহাঙ্গীরনগর ক্যাম্পাসে। সকালে উঠে ধানমন্ডির স্টার রেস্টুরেন্টে বন্ধুর সঙ্গে নাশতা, তারপর পুবালী বাসের টিকেট কেটে ধানমণ্ডি ৫ নম্বর রোডের সামনে থেকে যাত্রা শুরু। ক্যাম্পাসে গিয়ে পৌছলাম বেলা ১০টায় বা সোয়া ১০টায়। ছিলাম সাড়ে তিনটা পর্যন্ত।

এখানে যে ছবিগুলো দেয়া হলো, সেগুলি কোনো প্ল্যান না করেই তোলা। টুকটাক যা চোখের সামনে পাওয়াতে মনে হয়েছে ছবি তুলে রাখা যায়, তেমনি কিছু ছবি এগুলো। এ ছবিগুলোর মধ্যে এক-দুইটা কেবল বলা যায় যে, জাহাঙ্গীরনগর ক্যাম্পাসের প্রতিনিধিত্ব করে। যেমন গাছতলায় একাকী বসা যুবকের ছবিটা এ ক্যাম্পাসের যে কেউ দেখে বলে দিতে পারবে কোথায় তোলা, কিন্তু বেশিরভাগ ছবিই বাংলাদেশের যে কোনো শহরতলীর হতে পারত। সে কারণেই শিরোনামে হাকুল্লা বললাম।

কয়েকজন বন্ধু ছিলাম একসঙ্গে। তাদের চেহারা এড়িয়ে গেলাম ইচ্ছে করেই।













]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sketchbookblog/28932661 http://www.somewhereinblog.net/blog/sketchbookblog/28932661 2009-04-02 14:58:46
যে অমূল্য কথাগুলো সব সময় ফটোগ্রাফারদের অনুপ্রাণিত করেছে
অনেকে জানতে চান, একজন ভালো ফটোগ্রাফার কি করে ভালো ফটো তুলতে পারেন। ফটো তোলার সময় তার মনে কি চিন্তা চলে এবং ফটো তোলার আগের মুহূর্তে তিনি কি ভাবেন। এর উত্তর পাবেন নিচের এ কোটেশন থেকে- একজন ভালো ফটোগ্রাফার হিসাব করেন ইঞ্জিনিয়ারের কলম দিয়ে, চিন্তা করেন দার্শনিকের মন দিয়ে এবং দেখেন একজন কবির চোখ দিয়ে।

অনেকেই ফটো তোলার সময় টেকনিকাল বিষয়ে অনেক বেশি গুরুত্ব দেন। টেকনিকাল দিকে অবশ্যই খেয়াল রাখা জরুরি কিন্তু অন্য কোনো দিকে খেয়াল না রেখে কেবল টেকনিকাল বিষয়ে নির্ভুল থাকলে তা আপনাকে বড় ফটোগ্রাফার বানাবে না। যেমনটা বলা হয়েছে এভাবে- ফটোতে গ্রে অ্যামাউন্ট হিসাব করা ভালো, আরো ভালো ওই ফটো বিষয়ে আপনার চিন্তা কতোটুকু গ্রে ছিল সেটি সম্পর্কে সচেতন থাকা।

অনেকেই চান বাজারের সবচেয়ে দামি এবং সবচেয়ে বেশি ফাংশন আছে এমন ক্যামেরার মালিক হতে। সোজা ভাষায় বাজারের সবচেয়ে ভালো ক্যামেরাটি আমার চাই। কিন্তু প্রশ্ন হলো, ভালো ক্যামেরা কোনটি? উত্তরে বলা যায়- ভালো ক্যামেরা সেটিই, যার ওপর একজন ভালো ফটোগ্রাফার আস্থা রাখেন

এর পরও প্রশ্ন থেকে যায়। ভালো ক্যামেরা পেলেই কি ভালো ফটো নিশ্চিত করে? এর উত্তরে আমারা তাকাতে পারি আরো একটি অমৃতবাক্যের দিকে- ক্যামেরা অনেকাংশেই একটি বহুরূপী গিরগিটির মতো। ব্যবহারকারীর ব্যক্তিত্বের সঙ্গে তারও স্বভাব বদলায়।

তাহলে একজন ভালো ফটোগ্রাফার কি করেন? তিনি ক্যামেরাটিকে বোঝার চেষ্টা করেন এবং এর ক্ষমতা ও অক্ষমতা জেনে নেন। তার পর সচেতনভাবে ক্যামেরাটিকে ব্যবহার করেন। এমনকি ঠিক ভাবে ব্যবহার করতে জানলে লেন্সের ওপরের ধুলাও ফটোগ্রাফারের অ্যাসিস্টান্ট হিসেবে কাজ করতে পারে।

তাহলে কিভাবে এগোনো দরকার? ফাইনাল কথাটি হলো- সব সময় মনে রাখুন আপনার ফটো কেবল কিছু দেখালেই হবে না, ফটো তখুনি সাকসেসফুল যখন এটা দর্শককে একই সঙ্গে ভাবাবে।
সেটা কিভাবে করা সম্ভব? কখন একটি ফটো দর্শকদের ভাবাবে? এর উত্তর হলো- প্রথমে জেনে নিন কিসের বা কার ফটো তুলছেন। সাবজেক্টকে বোঝার চেষ্টা করুন। রূপক অর্থে কথাটি বলা হয় এভাবে- প্রথমে শিখে নিন ফুল কাকে বলে। তারপর বুঝুন আপনার সামনে যা আছে সেটি কোন ফুল এবং তার পর ফটো তুলুন।

এমনি আরো অনেক দরকারি বিষয় আছে যা মেনে চললে কেবল ফটোগ্রাফি নয় অনেক বিষয়েই সাফল্য আনে।

ডিসক্লেইমার : বোল্ড হরফে লেখা অংশগুলো আমার নিজের বাক্য নয়। পছন্দ হয়েছিল বলে অনেক বড় ফটোগ্রাফারের এমন কোটেশন আমি লিখে রেখেছি যখনই চোখে পড়েছে।

ওপরের ছবিটি তোলা হয়েছে সোনারগাঁয়ে লোকশিল্প জাদুঘর এলাকার ভেতর লেক পাড় থেকে। ফোকাল লেংথ ৫০ মিলিমিটার, অ্যাপারচার এফ ৪, শাটার স্পিড ১/১৬০ সেকেন্ড এবং আইএসও ১০০।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sketchbookblog/28922585 http://www.somewhereinblog.net/blog/sketchbookblog/28922585 2009-03-10 23:15:21
সিম্পল একটা প্রশ্নের উত্তর জানতে চাই
কেউ কেউ আবার প্রক্সি বা নানা ঘুরপ্যাচ করে কিভাবে ইউটিউব দেখা যায় সে পদ্ধতি বাতলাচ্ছেন।

আমার প্রশ্ন অনেক গেড়াতে। প্রাইম মিনিস্টারের সঙ্গে কোনো পক্ষের রুদ্ধদ্বার বৈঠক হলে সেটি অডিও বা ভিডিও রেকর্ড করা আইনসম্মত কি না, এটা কি কেউ বলতে পারেন?

কমন সেন্স বলে, রুদ্ধদ্বার বৈঠক করাই হয় গোপন আলাপের জন্য। আর প্রধান মন্ত্রীর সঙ্গে রুদ্ধদ্বার বৈঠক মানে হলো সেটি রাষ্ট্রিয় গোপন আলাপের বিষয়। সরকার প্রধান বলে কথা। কমন সেন্স কি বলে? এটি রেকর্ড করা কি আইনসিদ্ধ?

যারা আইন বিষয়ে অভিজ্ঞ তাদের মতামত পেলে ভালো লাগত।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sketchbookblog/28921694 http://www.somewhereinblog.net/blog/sketchbookblog/28921694 2009-03-09 00:37:25
ক্রমশঃ আমার ছবির আর্কাইভে জমছে কষ্ট : ভাবিনি কর্নেল গুলজারের ছবি এভাবে পোস্ট করতে হবে
যারা ভাবেন ফটোগ্রাফারের জীবন একসাইটিং, থ্রিলিং এবং অ্যাডভেঞ্চারপূর্ণ, তারা সম্ভবত পুরোটা জানেন না। ফটোগ্রাফারের জীবন ক্রমশ কষ্টকর হতে থাকে, বিশেষ করে যদি আপনি পোরট্রেইট ফটোগ্রাফার হন। আপনি ছবি তুলে রাখবেন এবং একই সঙ্গে আপনার ছবির লোকজন একের পর এক অতীতে হারিয়ে যেতে থাকবেন। যতোবার আপনার ছবির আর্কাইভে আপনি হাত দেবেন ততোবার বুক থেকে বেরিয়ে আসবে দীর্ঘশ্বাস। যতো দিন যাবে, সে বুক চাপা শ্বাস ক্রমশঃ দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হতে থাকবে। কারণ ততোদিনে আরো বেশ কিছু ব্যক্তি নাম লিখিয়েছেন অতীত নামের খাতায়।

আমি যতোবার আমার বাবাকে দেখি, হয়তো সকালের রোদে পেপার পড়ছেন, হয়তো তার নাতনিটাকে কোলে নিয়ে দুষ্টুমি করছেন, কখনো বাসার পাশে চৌরাস্তায় আড্ডা দেয়া মহল্লার ছেলেদের সঙ্গে কথা বলছেন, আমি ছবি তুলে রাখি। বাবার বয়স এখন ৮০। আর কয়েক দিন পরেই তিনি চলে যাবেন আমেরিকায় বড় ছেলের কাছে। প্রাণপন চেষ্টা করি বাবার যতোটুকু সম্ভব আমার কাছে রেখে দিতে।

ঠিক একই রকম অনুভূতি হয়েছে যখন ছবি তুলেছি বহুমাত্রিক শিল্পী মুস্তাফা মনোয়ারের, ৭১ সালে আকাশবাণীর বিখ্যাত সংবাদ পাঠক দেবদুলাল বন্দোপাধ্যায়ের, নোবেল জয়ী মুহাম্মদ ইউনূসের, ম্যাগনামের বষীঁয়ান ফটোগ্রাফার আব্বাস কিংবা ইনডিয়ান কিংবদন্তীতুল্য ফটোগ্রাফার রঘু রাইয়ের। সে তালিকায় আরো যোগ হয়, আবদুল গাফফার চৌধুরী, ফাদার গাস্তোঁ রবের্জ কিংবা কবি আল মাহমুদের নাম।

যাদের নাম বললাম, তাদের প্রত্যেকের বেলাতেই শাটার টেপার সময় আমি অনুভব করেছি একটি দায়িত্ব। এ মানুষদের যথাযথ গুরুত্ব দিয়ে ধরে রাখার দায়িত্ব। আমি চাই বা না চাই, তারা বেশিদিন থাকবেন না এবং এটাই বাস্তবতা। শাটার টেপার সময় আমার মন কেন্দ্রিভূত থাকে কেবল একটি বিষয়ে, মুহুর্তের সঙ্গে মানুষটিকেও ধরে রাখতে হবে। আমি চাই বা না চাই, তখন আমার শ্বাস অল্প সময়ের জন্য বন্ধ হয়ে যায়।

আজ যখন এই লেখাটি লিখছি, খুব সচেতন হয়ে যখন ভাবছি তখন মনে পড়ছে কর্নেল গুলজারের ছবি তোলার সময় উল্লিখিত অনুভূতি আমার হয়নি। আমার মনেই হয়নি এ লোকটির আয়ু আছে আর মাত্র বছর তিনেক। ছবিটি যখন তুলি, র‌্যাবের গোয়েন্দা শাখার কর্নেল গুলজার তখন সারা বাংলাদেশে হিরো। আগেরদিনই তিনি বাংলাভাই এবং শায়খ আবদুর রহমানকে ধরেছেন সিলেট এলাকা থেকে। পরদিন তিনি এলেন বিটিভিতে লাল গোলাপ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে।

হায়, কখনো আন্দাজ করিনি সেই কর্নেল গুলজারের ছবি এভাবে কখনো পোস্ট করতে হবে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sketchbookblog/28918480 http://www.somewhereinblog.net/blog/sketchbookblog/28918480 2009-03-01 16:30:42
ব্লগ বাতিল বিষয়ক একটি সহজ জড়িপ
ব্লগারদের সচেতন মতামত চাইছি। চাইলে নোটিশবোর্ডও এ জড়িপে অংশগ্রহণ করতে পারেন।

আপনাদের ধন্যবাদ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sketchbookblog/28915434 http://www.somewhereinblog.net/blog/sketchbookblog/28915434 2009-02-23 22:26:18
সরি নোটিশবোর্ড, আপনাদের সব কথা মানতে পারলাম না
প্রথমেই বলে নেই, আমি ব্লগের নীতিমালা পুরোটা পড়ার পক্ষপাতি নই। ব্লগে যে নীতিমালা দেয়া আছে সেটি আমার বিশ্বাস, ব্যাক্তি জীবনে আর দশটা লোকের সঙ্গে সামাজিক সম্পর্ক বজায় রাখার বেলায় যে নীতিমালা আমি সচেতন বা অবচেতনভাবে মনে চলি, তাই যথেষ্ট হবার কথা, বা হওয়া উচিৎ। কখনো যদি দেখা যায় আমার নীতিমালার সঙ্গে ব্লগের নীতিমালার ঠোক্কর খাচ্ছে, তখন অবধারিতভাবে ধরে নিতে হবে- হয় আমি আর দশটা মানুষের সঙ্গে তাল মেলাতে পারছি না, অথবা ব্লগের নীতিমালা আর দশটা লোকের সামাজিক আচরণের সঙ্গে মিলছে না। এ দুটোর যে কোনো একটি ঘটনা ঘটলে আমি ব্লগ ছেড়ে দেয়ার বা আমার দিক থেকে ব্লগকে মুক্তি দেয়ার দরকার বলে মনে করি। কারণ, আরোপিত নীতিমালার লোহার খাঁচায় আর যাই হোক, সহজ স্বাভাবিক সম্পর্ক বজায় রাখা সম্ভব নয়।

আমি বিশ্বাস করি, সামহয়্যার ইন ব্লগ সহজ ভাষায় বাংলা ভাষী লোকজনের মত প্রকাশের জায়গা, পাশাপাশি আন্তর্জালিক বা ভার্চুয়াল সম্পর্ক তৈরির জায়গাও বটে। সে ভার্চুয়াল সম্পর্ক নেটের আওতা ছাড়িয়ে আমাদের ব্যক্তি জীবনেও চলে আসছে। এটি একটি নতুন দিগন্তও তৈরি করছে ক্রমশ। ব্লগ আশ্রয়ী অনেক সামাজিক আয়োজন-আন্দোলনও তৈরি হচ্ছে, সাহায্যের অনেক হাত পাওয়া যাচ্ছে, এমনকি ভ্যালেরি টেইলার ইস্যুর মতো রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসও রুখে দেয়ার কথা আজ বুক ফুলিয়ে বলতে পারে সামহয়্যার ইন ব্লগ।

সামহ্যার ইন ব্লগের আজকের যে সফলতা সেটি আমি দেখি দুই পক্ষের লোকজনের আন্তরিকতার ফল। এক হচ্ছে সামহয়্যার ইন ব্লগের কারিগরি লোকজন এবং উদ্যোক্তা এবং দ্বিতীয় গ্রুপ হচ্ছে এর অনলাইন সদস্য ব্লগারবৃন্দ। বাংলাদেশে সচেতন অনেক লোক আছেন, তাদের অনেক মতামতও আছে দেশের জন্য, সমাজের জন্য। অথচ তারা তাদের বক্তব্য জায়গামতো বলতে পারছেন না কেবল তাদের সামহয়্যারের মতো একটি প্লাটফরম নেই বলে। আবার সামহয়্যার-এর পর তৈরি হওয়া আরো দু-একটি ব্লগ অনেক বড় মিডিয়ার সাপোর্ট নিয়েও তেলশুন্য প্রদীপের মতো ধুকে ধুকে জ্বলছে, কারণ সামহয়্যারে যে উচ্চকণ্ঠ, সচেতন এবং স্বাধীনচেতা ব্লগার আছেন, তাদের সেটি নেই। কেবল জ্বী হুজুর মার্কা লোকজন দিয়ে একমুখী তথ্য প্রবাহ চালানো হয়তো যায়, তাতে সোশ্যাল নেটওয়ার্ক এবং সহজ ও কার্যকর ওপিনিয়ন ফ্লো তৈরি হয় না।

সমস্যা হলো, সামহয়্যারের যেটি দ্বিতীয় সম্পদ (আমার আলোচনায়) অর্থাৎ উচ্চকণ্ঠ, সচেতন এবং স্বাধীনচেতা ব্লগার, সেটিই কখনো কখনো এর জন্য অস্বস্তিকর বিষয় হয়ে দাঁড়ায়। যেমনটি হয়েছে গত কয়েক দিন যাবত।

আমার এ পোস্টে গত কয়েকদিনের ঘটনায় কে দোষী, কার শাস্তি বেশি বা কম হয়েছে সেটি আলোচনা করতে চাই না। সেটি নিয়ে আলোচনার আগে আরো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় রয়ে গেছে বলেই এই সন্ধ্যায় কি বোর্ড নিয়ে বসেছি। সেটি হচ্ছে ব্লগের মডারেশন প্রসেস। আমার চোখে গত কয়েক দিনে এবং আজকের নোটিশবোর্ডের সাফাইয়ে যে বিষয়গুলো মনে হয়েছে তা হলো-

১. ব্লগে একজন ব্যক্তির আচরণ নিয়ে বিভ্রান্তি, ভুল বোঝাবুঝি, কাঁদা ছোড়াছুড়ি বা নোংরামী যাই বলুন না কেন, হয়েছে। ক্রমাগত এ নিয়ে মতামত বা অভিযোগ এসেছে। সামহয়্যার কতৃপক্ষ বলেছেন কোনো বিশেষ বাটন টিপে এটি জানাতে এবং তারা এ বিষয়ে পোস্ট চান না। কারণ তারা এভাবেই নীতিমালা তৈরি করেছেন। তাদের চোখে "আদর্শ" বলে যে ব্লগ চরিত্র তারা চান, তার সঙ্গে এ ধরণের বিষয়ে প্রথম পাতার পোস্ট মানানসই হয় না।

এখানে দুটি বিষয় আসে। অনেক ব্লগার অভিযোগ করেছেন, বিশেষ ওই বাটন টিপেও কোনো ফল পাওয়া যায় না। আরেকটি কারণও এখানে থাকতে পারে, সেটি হলো ব্লগাররা বাটনের তুলনায় সরাসরি পোস্টকে অধিক কার্যকর হিসেবে দেখেছেন ও পছন্দ করছেন।

যখন প্রচলিত সিস্টেমে কাজ হয় না, বা ভালভাবে হয় না, প্রকৃতির নিয়মই হলো তখন এর বিকল্প পথ তৈরি করে নেয়া। সেটিই করেছেন ব্লগাররা। এটি দুই পয়সার ব্লগার হাসান বিপুলের থিওরি না। আজ থেকে ১৫০ বছর আগে ডারউইন সাহেব এটি বলে গেছেন। এর জন্যই বিবর্তন ঘটে। সামহয়্যার কর্তৃপক্ষ যদি সে প্রয়োজনের প্রতি সম্মান না দেখান, ডারউইন সাহেব এবং অতিকায় তথাপি বিলুপ্ত ডাইনোসরের উদাহরণ তাদের সামনেই আছে। কাজেই নীতিমালায় আছে বলেই কেবল অনাদিকাল থেকেই বাটন টেপা নীতি চলতে থাকবে, সেটি আশা করলে সামহয়্যার কর্তৃপক্ষ ভুল করবেন। আর তারা যদি বাটনেই থাকতে চান, তবে এমন কার্যপ্রণালী ও উদাহরণ তৈরি করুন যাতে ব্লগাররা বাটনকেই সবচেয়ে ভাল অপশন হিসেবে দেখেন। তাহলে আর এমন কৈফিয়ৎ মার্কা পোস্ট আপনাদের দিতে হবে না।

আরেকটি বিষয় আমার আলোচনায় আনতে চাই। আমার ধারণা যদি ভুল না হয়, সাম্প্রতিকতম নোটিশটি আমার কাছে অনেকটা ওহী নাজিলের মতো বিষয় বলে মনে হয়েছে। যেন এইটিই সিস্টেম, এর বাইরে যাওয়া চলবে না। প্লিজ, এমন ধারণা থেকে বেরিয়ে আসুন। মতামতটি দ্বিপাক্ষিক হোক। ব্লগাররা একের পর এক পোস্ট দিয়ে মত প্রকাশ করলেন-প্রতিবাদ জানালেন, এর পরপরই ক্রমাগত জেনারেল বানিয়ে লোকজনের মত প্রকাশের স্বাধীনতা কেড়ে নেয়া হল এবং তারপর একটি নোটিশ ঝুলিয়ে দেয়া হল। এটি আজ থেকে শত বছর আগে উপনিবেশগুলোতে চলত। ২১ শতকে এ সিস্টেম চলবে না।

মনে রাখবেন, সামহয়্যারইন ব্লগ যতখানি এর উদ্যোক্তার, ঠিক ততোখানিই এর সদস্য ব্লগারদের। সামহ্যয়ার জনপ্রিয় করার জন্য ব্লগারদের যে শ্রমঘণ্টা খরচ হয়েছে, সেটি হিসেব করতে গেলে মালিকানার পাল্লা ব্লগারদের দিকেই অনেক বেশি ঝুঁকে পড়ে বলে আমি বিশ্বাস করি। তবুও ছোট হোক বড় হোক, কামাই করুক বা না করুক, একটি পরিবারে যেমন সব সদস্যদেরই সমান অধিকার থাকে কথা বলার, তেমনি সামহয়্যারইন পরিবারটি কিভাবে চলবে তা বলার সমান হিস্যা এর ব্লগারগন দাবী করুন আর নাই করুন, আপনারা সে সম্মানটি চাওয়ার আগেই ব্লগারদের দেবেন বলে আশা করি। গদাই লষ্করি চালে অপেক্ষা করার পর গন জেনারেল করণ এবং এর পর দায়সারা একটি সাফাই গোছের নোটিশ দিলে ব্লগারদের অধিকারকে অস্বীকার করা হয়। সে অন্যায়টি করে ফেলার পর নিজেদের অপরাধ আপনারা প্রকাশ্যে স্বীকার করুন আর নাই করুন।

শুভ ব্লগিং।

ডিসক্লেইমার : আমি বিনীতভাবে বলছি সামহয়্যার কর্তৃপক্ষকে আমি প্রতিপক্ষ মনে করছি না। একজন ব্লগার হিসেবে, এর অসংখ্য মালিকের একজন হিসেবে আমি আমার মত প্রকাশ করলাম আমাদের এ পরিবারের শুভ ভবিষ্যতের জন্য। এ পোস্টে যদি আবেগের বাড়াবাড়ি প্রকাশিত হয়ে থাকে, তবে (আপনারা দাবী করার আগেই) আমি করজোড়ে দুঃখ প্রকাশ করছি।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sketchbookblog/28915353 http://www.somewhereinblog.net/blog/sketchbookblog/28915353 2009-02-23 19:48:05
ব্লগার আড্ডা থেকে ফিরেই হাসান বিপুলের শততম পোস্ট (সম্পূর্ণ রঙিন চিত্রযুক্ত) -এইটা তর লেখা?
-আমি বললাম- না, অন্য একজনের। তুই পড়ে বল লেখাটা কেমন হয়েছে।
বন্ধুটি কপাল কুঁচকে বলল, ুদির ভাই এতো তেনা প্যাচায়ে লেকছে ক্যান?

সেই থেকে জানি, বিশেষ উপলক্ষে বিশেষ করে লেখা আমার পক্ষে সম্ভব না। অথচ বাংলা ব্লগে কারো শত পোস্ট হলে নাকি আলাদা করে একটি বিশেষ পোস্ট দেয়া দরকার পড়ে। কেন জানিনা, এটাই নাকি রেওয়াজ। সমস্যা হলো, শততম পোস্টে আমার লেখা পড়ে কোনো ব্লগার মনিটরের দিকে তাকিয়ে আমাকে বিশেষ কিছু একটার ভাই সম্বোধন করে মনে মনে একটি কমেন্ট করবেন, এটা ভাবতেই অসুস্থ লাগে। তার চেয়ে আমি যেটা পারি, অর্থাৎ ছবি তোলা, সেটা দিয়েই যদি পোস্ট দেয়া যায়, ক্ষতি কি?

এবার আজই প্রথমবারের মতো গিয়েছিলাম বই মেলায়। সেখনে এমন বইয়ের ঘোমটা খোলা হবে, যেটি ব্লগারদের জন্য বেশ অনুপ্রেরণাদায়ক। এর পাশাপাশি আরো একটি উদ্দেশ্য ছিল। আমি সামুতে প্রায় সব ব্লগারকেই পছন্দ করি (মানে, চরম বিরক্তিকর দুই একজন ছাড়া)। ফলে, আগে পোস্টের শিরোনাম দেখি, তারপর গোটা লেখা পড়ি। অমুকের লেখা এজন্য পড়ব না, তমুকের লেখা তাই পড়তেই হবে- এমন কোনো সমস্যা আমার কোনো কালে ছিল না, চাইনা হোক। ফলে আশা ছিল বইয়ের ঘোমটা খোলার আয়োজনে এমন বেশ অনেকজনকে নিশ্চয়ই পাব, যাদের মনে মনে কাল্পনিক একটি চেহারা দিয়ে এসেছি। লেখার পেছনের মানুষদের চেনার আগ্রহটা আমাকে তেজগাঁওয়ের অফিস থেকে ঠেলে নিয়ে গেল বই মেলায়।

তাহলে আসুন এবার নজর দেই আজকের ব্লগার আড্ডা ও বইয়ের মোড়ক উন্মোচন আয়োজনের সচিত্র প্রতিবেদনে।

এখানে একটি কথা বলে রাখি, আমি জানি অনেক ব্লগার নিজের পরিচিতি ছবির মাধ্যমে দিতে চাননা। তাদের সে চাওয়ার প্রতি সম্মান জানিয়ে আমিও ছবির সঙ্গে ব্যক্তি পরিচিতি দেয়া থেকে দূরে থাকলাম। যারা যারা এসব ছবিতে আছেন, তারা নিজেরা চাইলে কমেন্টে নিজেদের পরিচিতি দিতে পারেন, সেটা ভালোই হয়-

প্রথমে মেলায় গিয়েই পেলাম কয়েকজন স্টার ব্লগার জম্পেস আড্ডা দিচ্ছেন



দু একজন দেখা গেল ছবিও তুলছেন



স্বাক্ষর দিলাম যুদ্ধাপরাধী বিচরের দাবীতে গণস্বাক্ষর নেয়ার বইতে। কোনো কোনো আয়োজনে স্রেফ ‌‌‌‌`মিছিলের একজন' হতে পারাটাও আনন্দের।



এরপর আমরা চলে এলাম বর্ধমান হাউসের সামনে নজরুল মঞ্চে



চলছে আলোচনা



দু-একজন দেখা গেল তরুণীদের পাশে পজিশন নেয়ার ব্যাপারে বেশ সচেতন।
জয় গুরু-



একদিকে আলোচনা, অপরদিকে অনেকেই তুলে রাখছিলেন এ আয়োজনের স্মৃতি



নিজেও চেষ্টা করছিলাম নানা অ্যাঙ্গেল থেকে বিভিন্ন শট নিতে



অবশেষে বউয়ের থুক্কু বইয়ের ঘোমটা খোলা হইল



তাহার পর লেখক মহাশয়ের অটোগ্রাফ প্রদান ও ফটোগ্রাফ সেশনে আবির্ভাব



এই পরিবারটির পরিচয় না দিলেও চলে। এদের চেনে না, ব্লগে এমন কে আছে? স্বয়ং আরিল এবং তার পরিবার



দুই একজনের রিকোয়েস্টে শাটার ক্লিক



এক ফাঁকে গিয়েছিলাম উন্মাদের স্টলে। সেখানে দেখা গেল উন্মাদীয় স্টাইলে বইয়ের বিক্রি-বাট্টা। দোকানের মালিক কার্টুনিস্ট আহসান হাবীব বাইরে আর সব কাস্টমার দোকানের ভেতরে!



এরপর আবার যথারীতি নজরুল মঞ্চ ছেড়ে পুরোনো আড্ডায় ফেরত। সেখানে গান শোনালেন একজন ব্লগার



এবং রাত নটায় মেলা সাঙ্গ হবার আগ পর্যন্ত চলছিল বিচারের দাবী


এখন পর্যন্ত আমার হিসাব হলো-
* পোস্ট করেছেন: ১০০টি
* মন্তব্য করেছেন: ১০৬৩টি
* মন্তব্য পেয়েছেন: ১৯১৮টি
* ব্লগ লিখেছেন: ১ বছর ১১ মাস
* ব্লগটি মোট ৩৮৪৪২ বার দেখা হয়েছে।
আর মডারেটর মাহশয়কে জিজ্ঞেস করা লাগে না- তিনি অনায়াসে এখন পর্যন্ত বলছেন- "আপনি একজন নিরাপদ ব্লগার
আপনার লেখা সরাসরি সংকলিত পাতায় প্রকাশিত হবে।"]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sketchbookblog/28911796 http://www.somewhereinblog.net/blog/sketchbookblog/28911796 2009-02-15 23:43:45
নতুন ডিজিটাল ক্যামেরা মালিকের প্রথম ছয়টি ভুল একটু বেশি আবেগপ্রবন যারা, তারাই এই ফাটিয়ে দেয়ার আগেই করে বসি কয়েকটি ভুল। ভুল থেকে শিক্ষা নেয়া ভালো, আরো ভালো ভুল করার আগেই শিক্ষাটি নিতে পারা। আসুন তবে আজ দেখা যাক নতুন ডিজিটাল ক্যামেরা মালিকের ভুলগুলো কি কি-

এক· ঢাউস সাইজের ইমেজ ফাইল ই-মেইল করে পাঠানো
নতুন ক্যামেরাটি হাতে পাওয়ার পর পরই আমাদের ইচ্ছে হয় ক্যামেরাটির স্মার্টনেস এবং নিজের ফটোগ্রাফি প্রতিভার খবর বন্ধুদের জানানো। ফটোগ্রাফিতে নিজের প্রতিভা থাকলে তো খুবই ভালো, আর এটা অন্যকে জানানোতেও দোষের কিছু নেই। তবে সেই ইমেজ ফাইল অন্যকে ই-মেইল করে পাঠানোর আগে ফটোর সাইজটি ছেট করে নেয়া উচিত- যাতে করে এটা ডাউনলোড করতে আপনার বন্ধুর বেশি সময় না লাগে।

দুই· ইমেজ ফাইল ব্যাকআপ না করা
অনেকেই নিজের ফটোর নেগেটিভ যুগ যুগ ধরে সংরক্ষণ করেন। কিন্তু ডিজিটাল ফটোর বেলায় ওই আগ্রহটি কেন যেন থাকে না। আজ তোলা ছবিগুলো ডেস্কটপে রাখলেন, গতকালকের গুলো রেখেছিলেন জি ড্রাইভের ভেতর পিকনিক ফোল্ডারে, এতে করে দরকারের সময় কাঙ্ক্ষিত ছবি আপনি খুঁজে পাবেন এমন গ্যারান্টি আপনি নিজেই দিতে পারবেন না। মনে রাখবেন ডিজিটাল ক্যামেরা হাতে পেলেই আপনার প্রচুর ছবি তুলতে ইচ্ছে করবে। ফলে অল্প দিনেই আপনি প্রচুর ফটোর মালিক হয়ে যাবেন। এই ফটো গুছিয়ে রাখার অনেক উপায় আছে। তবে সবাই লাইব্রেরি সায়েন্স পড়বেন বা ক্যাটালগিং সিস্টেম জানবেন এমন কোনো কথা নেই- তার চেয়ে সহজ সরল ভাবে বছর ওয়ারি বা সাবজেক্ট ওয়ারি ফোল্ডার করে পিসিতে ফটো রাখুন। ধরা যাক ২০০৬ নামে একটি ফোল্ডার করলেন, তার মধ্যে আবার সাব ফোল্ডার করে রাখুন একেক ইভেন্টের ফটো।

তিন· ক্যামেরার ডিজিটাল জুম ব্যবহার
এটা একবারেই ভুয়া একটি অপশন। ক্রেতা টানার জন্যই ক্যামেরা কম্পানিগুলো এটা করে থাকে। বাস্তবে এর কোনো রেজাল্ট নেই। তাই কেবল ফটো তোলা নয়, ডিজিটাল কামেরা কেনার সময়েও ডিজিটাল জুমের অপশনে কোনো রকম গুরুত্ব দেয়ার দরকার নেই।

চার· কম রেজুলুশনে ফটো তোলা
অনেকেই ক্যামেরার মেমরি কার্ড বাঁচানোর জন্য কম রেজুলুশনে ফটো তোলেন। মনে করে দেখুন, যখন ফিল্ম ক্যামেরায় ফটো তুলতেন কতোটা হিসেব করে এক একটা ফ্রেম সেট করতেন। সে হিসেবে সবচেয়ে বড় সাইজে ফটো তুললেও আপনার ক্যামেরায় ফিল্মের চেয়ে বেশি ফটো তোলা যাবে। আজকের ফটো যদি আগামীর স্মৃতি হয়, তাহলে সেই স্মৃতিটি যেন বড় আর ডিটেইল হয় সেদিকে খেয়াল রাখুন।

পাচ· ক্যামেরার সঙ্গে পাওয়া সফটওয়্যারটিই ব্যবহার করা
প্রতিটি ডিজিটাল ক্যামেরার সঙ্গেই থাকে একটি সফটওয়্যার সিডি। এতে সাধারণত একটি ইমেজ এডিটিং সফটওয়্যার থাকে। অনেকেই কেবল এই সিডির সফটওয়্যারটিই ব্যবহার করেন। হ্যা, এগুলোতে ছবি এডিট করার কিছু শর্টকাট সিস্টেম দেয়া থাকে, তবে এগুলো কখনোই প্রফেশনাল স্ট্যান্ডার্ড টুল নয়। ফটো এডিট করার জন্য অ্যাডোবি ফটোশপ বা এ মানের কোনো এডিটিং সফটওয়্যার ব্যবহার করম্নন।

ছয়ঃ ক্যামেরটিকে বুঝতে একটু সময় দিন
অনেকে ক্যামেরাটি হাতে নিয়েই ফটো তুলতে শুরু করেন। এটা করার আগে ম্যানুয়ালটি ভালো করে পড়ে নিন। প্রতিটি যন্ত্রের নতুন মডেলই হয়ে থাকে আগেরটির চেয়ে আলাদা। ক্যামেরার বেলায় এই পরিবর্তনটি হয় বেশ অনেকখানি। তাই বেশিরভাগ সাধারণ নিয়মকানুন জানা থাকলেও ম্যানুয়ালটি আগে মনোযোগ দিয়ে পড়ে নিন। সম্ভব হলে ম্যানুয়ালটির একটি ফটোস্ট্যাট কপি করে রাখুন। কারণ ক্যামেরা মডেল অনেক বেশি হয় এবং কোনো ম্যানুয়াল একবার হারিয়ে গেলে দ্বিতীয় কপি আর সহজে খুজে পাবেন না।

অদরকারি তথ্য
০১. এ লেখাটি প্রথম ছাপা হয়েছিল যায়যায়দিনের ক্যামেরা পাতায়
০২. ওপরের ছবিটি শাখারিবাজারে কল্পনা বোর্ডিংয়ে তোলা। সেখানে ছবিমেলার অংশ হিসেবে একটি প্রদর্শনী চলেছে ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। মুনেম ওয়াসিফের সে প্রদর্শনীর নাম ছিল "ব্লাড স্প্লিন্টার অফ জুট" বাংলায় বলা হয়েছে "পাটের মৃত্যু আখ্যান"।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sketchbookblog/28910775 http://www.somewhereinblog.net/blog/sketchbookblog/28910775 2009-02-13 23:16:12
লেখার অনভ্যাস ও দু'একটি ফাউ জোক






এক.
আয়ারল্যান্ডে সবচেয়ে বড় প্লেন দুর্ঘটনা করে হয়োছিল জানেন? ১৯৯৮ সালে যখন একটি টু সিটার সেসনা প্লেন পুরোনো এক গোরস্তানে বিধ্বস্ত হয়। সেখান থেকে মোট ১৮২২টি মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল।

দুই.
এক ইটালিয়ান, এক ফেঞ্চ, এক জার্মান ও একজন আইরিশ মহিলাকে ১১০ তলা থেকে ফেলে দেয়া হল। সবার শেষে মাটিতে পড়ল আইরিশ মহিলা। কেন জানেন? তিনি এর তার কাছে রাস্তা চিনে চিনে পড়েছেন।

তিন.
এক আইরিশ, এক ফ্রেঞ্চ, এক রাশান ও এক আমেরিকান গিয়েছে পিকনিক করতে। নিয়ম ছিল সবাই সেখানে কিছু না কিছু নিয়ে যাবে। ফ্রেঞ্চ লোকটি নিয়ে গেল এক বোতল শ্যাম্পেন, আমেরিকান লোকটি নিয়ে গেল রোস্ট করা আমেরিকান টার্কি, রাশান লোকটি নিয়ে গেল দামী ভদকা। আইরিশ কি নিয়ে গেল জানেন? সঙ্গী হিসেবে তার ছোট ভাইটিকে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sketchbookblog/28907227 http://www.somewhereinblog.net/blog/sketchbookblog/28907227 2009-02-05 21:24:44
মি. টেরেন্স পিনেরো, আপনার কথাগুলো আজো মনে পড়ে
টেরেন্স কলেজের মেইন গেটের দিকে যাচ্ছেন, তখন তাকে দেখে জন তার সিগারেটটি ফেলে দিল। টেরেন্স সোজা গিয়ে তার পাশে দাঁড়ালেন।

আমরা ভাবলাম এইবার বুঝি জনের ঝাকড়া চুল মুঠি করে ধরেন। না, সেটা তিনি করলেন না। হাত রাখলেন জনের কাঁধে। তারপর বললেন (আমরা এই কথোপকথন পরে শুনেছিলাম), তুমি কোন ব্র্যান্ডের সিগারেট খাও?

জন তখন হার্টফেল করার অবস্থায়। তোতলাতে তোতলাতে বলল, সরি স্যার, আর করবো না।

টেরেন্স বললেন, ভয়ের কিছু নাই ব্যাটা, কোন ব্র্যান্ড খাচ্ছিলা?

জন বলল, স্যার রেড লিফ।

টেরেন্স বললেন, আমি বেনসন খাই, তোমার চলবে?

জন সোজা টেরেন্সের পায়ে ধরে বলল, স্যার মাফ করে দেন, আর হবে না।

টেরেন্স বললেন, আমি ধরে নিচ্ছি বেনসন তোমার চলবে। এই নাও ধরো। (অথচ, এই লোকই আগের সপ্তাহে বেয়াদবী করার জন্য ক্লাসে বলেছিলেন, "শোন বাবারা, আমার এ জুতা জোড়া ইটালি থেকে কেনা। চামড়া নরম, কিন্তু সোল খুব শক্ত। সায়েন্স টু সেকশনে যে দু একটা বেয়াদপ আছো, কথাগুলো মনে রাখলে ভাল করবা।")

আমরা মাঠ থেকে অবাক হয়ে দেখছি, মি. টেরেনাস পিনেরো জনকে নিজ হাতে লাইটার জ্বালিয়ে সিগারেট ধরিয়ে দিচ্ছেন। তারপর ছাত্রের কাঁধে হাত রেখে একটি বেনসন দুজন মিলে ভাগ করে টানলেন।

সিগারেট শেষ হলে জনকে বললেন, শোনো, যে কাজটি বুক চিতিয়ে সবার সামনে করতে পারবা না, সেটা গোপনে করার মধ্যে কোনো ক্রেডিট নাই। বলে তিনি ঢুকে গেলেন কলেজের টিচার্স রুমে।

এটা সম্ভবত সেকেন্ড ইয়ারের ঘটনা। এই ভদ্রলোকের আরেকটি কথা মনে পড়ে। ইন্টার ফার্স্ট ইয়ারের প্রথম ক্লাসে বলেছিলেন, দ্যাখো বাবারা, নটর ডেম থেকে পাশ করা ছাত্র ইনটেলে, নাসায় যেমন কাজ করছে, তেমনি নটর ডেমের ছাত্র আন্তঃজেলা ডাকাত-ও আছে। তুমি কি হবা সেটা তোমার বিষয়। আমরা তোমাকে এমন করে গড়ে দিতে চাই যাতে যেখানেই যাও, যেন প্রথম সারিতে থাকো।

কেন কোন কারণে জানি না, এই লোকের কথা আজ খুব মনে পড়ছে। স্যার, আপনি যেখানেই থাকুন, ভালো থাকুন।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sketchbookblog/28899737 http://www.somewhereinblog.net/blog/sketchbookblog/28899737 2009-01-20 01:25:33
নতুন বছরে একজন সোহাগ আমাদের পথ দেখাক
২০০৭ সালের ১৫ নভেম্বর যে সিডর আঘাত করে সুন্দরবনসহ বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলে, সে ঝড়টি নিয়ে যায় প্রায় ৫০০০ প্রাণ। সোহাগের বাবা-মা মারা যান সে ঝড়ে। আর সোহাগকে পরদিন উদ্ধার করা হয় প্রায় ৩০ ফুট উচু একটি নারকেল গাছের ওপর থেকে। সে তখনো অজ্ঞান, কিন্তু বেঁচে থাকার তীব্র আকুতিতে তার দুটি কচি হাত আকড়ে ধরে আছে গাছের যে অংশটুকু ধরা সম্ভব।

সোহাগ এখন তার বড় বোনের সঙ্গে থাকে, স্কুলে যায় এবং স্বপ্ন দেখে। তার স্বপ্নের তালিকায় ডাক্তার হওয়ার আকাঙ্ক্ষা যেমন আছে, তেমনি সে ক্রিকেটারও হতে চায়। তার ছবি তুলে ফিরে আসার সময় সে শহর থেকে আসা ফটোগ্রাফারের হাত ধরে বলে, আমাদের বাড়িতে একদিন থেকে যান। আপনজন কেড়ে নেয়া ঝড় অতিক্রম করে সে মানুষকেই আবার আপন করে নিতে চায়।

সিডর এবং তার পর জীবনের যে ঝড় সোহাগের ওপর দিয়ে বয়ে গিয়েছে, তেমন সম্ভবত খুব কম মানুষের বেলাতেই ঘটে। সেই সোহাগ যদি নতুন জীবনের স্বপ্ন দেখে, আমরা কি করে নিজেকে ফিরিয়ে নিতে পারি একটি নতুন বছর গড়ে তোলার স্বপ্ন থেকে?

সবাইকে নতুন বছরের শুভেচ্ছা।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sketchbookblog/28891354 http://www.somewhereinblog.net/blog/sketchbookblog/28891354 2009-01-01 01:27:01