somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... ব্যক্তিগত রুপকথা:'তুমি আমায় ডেকেছিলে ছুটির নিমন্ত্রণে'(শেষ পর্ব) [link|http://www.somewhereinblog.net/sleepy1660blog/post/28694589|c]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/sleepy1660blog/28694975 http://www.somewhereinblog.net/blog/sleepy1660blog/28694975 2007-01-23 02:09:42 ব্যক্তিগত রুপকথা:'তুমি আমায় ডেকেছিলে ছুটির নিমন্ত্রণে'-(প্রথম পর্ব)
---'আমার সকল নিয়ে বসে আছি সর্বনাশের আশায়'..

ছোট্ট স্টেশন।বালক ট্রেন থেকে নামে;দ্যাখে -প্ল্যাটফর্মের এককোণে র বেঞ্চিতে বালিকা বসে আছে..

:পথে কষ্ট হলো?
::তেমন না;তবে আপনি অনেক দেরী করলেন..
:সরি!আরে,তুমি দেখি সত্যিসত্যি কলাবেণী করে আসছো!খুকী-খুকী লাগতেসে..
::হাসবেন না, প্লীজ!আপনিই না এভাবে চুল বাঁধতে বললেন..আমার বেণী শুধু খুলে যায়..
:আবার দেখি নেইল-পালিশ ও দিসো?
:উফ!আপনি না বড্ড জালান!
:পায়ের এই রুপার আঙটিটা আমি কিনে দিসিলাম না?হাতে পরে আছো কেন?
::কি করবো?হাতের আঙটি কিনে দেয়ার মতো তো কেউ নাই..

বালক-বালিকা পাহাড়ী রাস্তার ঢাল বেয়ে বেয়ে সমুদ্্রের দিকে নেমে যায়..কেউ কাউকে ছোঁয়না কিন্তু..সমুদ্্রের পারে বাঁধানো উঁচু পাথরে তারা বসে..বালক পা ঝুলায়ে দিয়ে সমুদ্্রের জলে
ভিজায়ে বসে থাকে..বালিকার ছোট্ট পা প্রশান্ত মহাসাগরের নাগাল পায়না..সে তার নরম হাতে ভর দিয়ে একটু উঁচু হয়ে পা দিয়ে জল ছোঁয়ার চেষ্টা করতে থাকে..

:নাও,তোমার জন্য এইটা আনছি..
::ওমা,চকলেট!আমি ভাবসিলাম,আপনি আমার জন্য হাতে বানানো কিছু আনবেন..(কপট রাগত: স্বরে)
:তুমি কি আনছো?

বালিকা হলুদ রঙের একটা খাম আগায়ে দ্যায় বালকের দিকে..তারপর একটু দূরে বসে চকলেটে কুটুস-কুটুস কামড় দিতে থাকে..বালক দুরুদুরু বুকে জীবনের প্রথম সুগন্ধী খামটা খুলে..সূর্যমুখী ফুল আঁকা একটা ছোট্ট হলুদ চিঠি,গোটা গোটা মেয়েলী অক্ষরে লেখা..
'..রাজপুত্র,আমি কি আপনার চুলে একটুছুঁয়ে দেখতে পারি?..'
বালক এক মূহুর্তের জন্য নি:শ্বাস নিতে ভুলে যায় কি?

আবার দু'জনে র ছোট ছোট গল্প,ছোট ছোট খুনসুটি চলতে থাকে..বালক অন্যমনষ্ক ভঙ্গিতে একথা-সেকথায় সায় দিয়ে যায়..অনেকদিন আগে হলুদ শাড়ি পরা বালিকার ছবি দেখে 'মুনিয়া পাখি' বলে ভ্রম হওয়ার কথা মনে পড়ে..চিম্বুক পাহাড়ের চূড়ায় উঠে কার জন্য যেন বুকে মোচড় দেয়া কষ্টের কথা মনে পড়ে..একজোড়া সস্তা রুপার নূপুর মনে পড়ে..একটা নিতান্ত সাধারণ,কিন্ত সাহসী প্রথম গোলাপ মনে পড়ে..
হঠাৎ বালিকার উচ্ছল চিৎকারে সম্বিত ফিরে পায়..

:দ্যাখেন,দ্যাখেন! রঙধনু..আমি দেশের বাইরে আসার পরে এই প্রথম রঙধনু দেখলাম..আপনি?
::আমিও।এই দেশের বৃষ্টির দেবতা বোধহয় খুব কৃপণ!বৃষ্টিই দ্যায় ভিক্ষার মতন,রঙধনু তো দূরের কথা..
:আজকে তাইলে একটা অদ্ভুত বিকাল,তাইনা?
::হমম।কিন্তু বেগুনীর চাপে আসমানীটা তো দ্যাখাই যাচ্ছেনা..
:রঙধনুর সব রঙ দেখতে হলে সেরকম চোখ লাগে..
::আমি তো ভাই ছোটবেলা থেকেই চশমাওয়ালা। কোনদিন না জানি পুরা কানা হয়ে যাই..
:সত্যিই!সো এক্সাইটিং!আপনি আসলেই শুভ্রের মত কানাবাবা হয়ে যাবেন?
::কেন?হইলে তুমি খুশি হও নাকি?
: অবশ্যই!শুভ্র যখন একদম অন্ধ হয়ে যায়,তখন সে চশমা খুলে রেখে রুপার হাত ধরে সমুদ্্রেনেমে পড়ে..রোমান্টিক না,বলেন?
::বিশ্বাস করো,আমি না চোখে কিছু দেখতে পাচ্ছিনা..মনে হয় এখনি অন্ধ হয়ে গেলাম..
:ধুর! ঢং করবেন না তো..

বালক-বালিকা প্রশান্ত মহাসাগরের পাড়ে কিছুক্ষণ এলোমেলো হাঁটাহাঁটি করে..আসলেই সে এক অদ্ভূত বিকেল!কন্যাসুন্দর আলোর(নাকি আলোসুন্দর কন্যার) প্রভাবে চারদিক বড় মোহময়,বড় প্রগলভ লাগে..বালক ব্যাকুল হয়ে সন্ধ্যার জন্য প্রতীক্ষা করতে থাকে.. নিজের অনিবার্য অন্ধত্বের জন্য মনে মনে প্রার্থনা করতে করতে..

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sleepy1660blog/28694589 http://www.somewhereinblog.net/blog/sleepy1660blog/28694589 2007-01-19 00:04:49
ক্লান্তি আমার ক্ষমা করো
প্র ীতিভোজের পাট চুকায়ে ম্যানেজারের সাথে গেলাম বাবুর্চিদের হিসাব বুঝে নিতে।মাংস-পোলাও বেঁচে গেছে অঢেল, বেঁচে যাওয়া রোস্ট এর সংখ্যাও নেহাত মন্দ নয়।আমার অযাচিত অতি-আপ্যায়নের ফলে অতিথিরা খাবার নষ্ট করেছেন প্রচুর, এখানে-সেখানে এঁটো খাবার জমে আছে স্তূপের আকারে।

হঠাৎ চোখ পড়ল প্যান্ডেলের বাইরে বসে থাকা জনা-তিরিশেক কালো কালো মানুষের দিকে। বিয়েবাড়ির আলোর ছটায় জমাট অন্ধকারটা সেখানে কিছুটা ফিকে হয়ে আসা;সেই অদ্ভুত আলোয় কালো মানুষগুলোকে আরো নিকষ কালো দ্যাখায়। কালো কালো শিশু;আদুল গা,নাক দিয়ে শিকনি পড়ছে গড়ায়ে গড়ায়ে।কালো কালো নারী; ব্লাউজ ছাড়া শাড়ি পরনে, সেই শাড়ির তালিগুলো অন্ধকারেও চোখ এড়ায় না।কালো কালো বৃদ্ধ-বৃদ্ধা; হাতের লাঠি মাটিতে শোওয়ায়ে অপেক্ষা করছে তীর্থের কাকের মত।এক পলক তাকায়েই আমি চোখ ফিরায়ে নিই মাংস আর পোলাও এর দিকে।

বেঁচে যাওয়া পোলাও-মাংস আর রোস্টগুলো আগামীকাল সকালের নাস্তার জন্য গাড়িতে তুলে ফেলতে বলি।ঠিক তখনি আমার খুব মহানুভব হতে ইচ্ছে করে।গলায় যথেষ্ট মমতা মিশিয়ে ম্যানেজারকে বলি-"এই এঁটো খাবারগুলো ফেলে না দিয়ে বরং ঐ ফকিরনীদেরকে দিয়ে দেন।কিন্তুদেখবেন, ফকিরনীরা যেন গেটের সামনে ভীড় করতে না পারে।" তারপর,নিজের ঔদার্যেনিজেই সন্তুষ্ট হয়ে প্রসন্নচিত্তে রওনা দেই গাড়ির দিকে।

গাড়িতে উঠে মনটা একটু খুঁতখুঁত করছিলো-বেঁচে যাওয়া খাবারগুলা ঐ কালো মানুষদের দিয়ে আসলে খারাপ হতোনা।আবার নিজেকেই সান্তনা দিলাম-থাক,ভালোই হয়েছে;'কুত্তার পেটে ঘি সয়না'।ঐসব ফকিরনীর পেট আর কুত্তার পেটে আর এমন কি তফাত!তাই ঘিয়ে রান্না করা পোলাও ওদের পেটে সহ্য হতোনা বলে সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলি।যাক,আজকের এই শুভদিনে যথেষ্ট ভালো কাজ করা হয়েছে,আপাতত আর ঐসব ফকিরনীদের কথা না ভাবলেও চলবে।আমি বরং প্রগলভ শ্যালক-শ্যালিকাদের সাথে করণীয় স্থূল রসিকতা নিয়ে ভাবতে থাকি,আমি বরং বউয়ের সাথে ফুলশয্যার মৈথুন নিয়ে ভাবতে থাকি..


পাদটীকা:কানাডা প্রবাসীমরিয়ম আক্তার ও নুর মাহমুদ খান বিয়ে করে আমাকে বিষম লজ্জায় ফেলে দিয়েছে।মরিয়মের বাবা আত্ম ীয়-স্বজনদের অনুরোধ জানান,"বর-কনের ইচ্ছা,তারা বিয়ের সব উপহার এসিডদগ্ধ নারীদের জন্য প্রথম আলো সহায়ক তহবিলে দান করবে।তাই উপহার দিলে যেন নগদ টাকা দেয়া হয়।"বেশির ভাগ আত্ম ীয়-স্বজন নবদম্পতির ইচ্ছার প্রতি সম্মান জানান।
[link|http://www.prothom-alo.org/index.news.details.php?nid=MzA0MA==|DuPygv]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sleepy1660blog/28694112 http://www.somewhereinblog.net/blog/sleepy1660blog/28694112 2007-01-15 23:38:11
প্রিয় গান : উৎসর্গ-কনফু ও তার কঙ্কাবতীকে..
আমার খুব প্রি য়, খুব সুন্দর দুইজন মানুষ আছে।একজন হলো 'পূর্ব বাংলার অরাজক কালের স্বপ্নবাজ যুবক' ,আরেকজন হলো তার কঙ্কাবতী-গান গেয়ে বৃষ্টি নামানো প্রজাপতি মেয়ে। আমার এক বিশেষ দিনে ,রবিঠাকুরের এই গানটা একান্তই আমার নিজের জন্য লেখা বলে মনে হচ্ছিলো। স্বপ্নময় দুই প্রিয় মানুষের বিশেষ দিনে তাই ধার করা এই ছোট্ট উপহার..


"বলি ও আমার গোলাপবালা, বলি ও আমার গোলাপবালা
তোল মু'খানি, তোল মু'খানি কুসুমকুঞ্জ কর আলা।
বলি, কিসের শরম এত সখী, কিসের শরম এত সখী?
পাতার মাঝারে লুকায়ে মু'খানি কিসের শরম এত বালা?

ঘুমায়ে পড়েছে ধরা সখী,ঘুমায় চন্দ্রতারা
প্রিয়ে, ঘুমায় দিগ্বালারা সবে, ঘুমায় জগত যত।
বলিতে মনের কথাটি, এমন সময় কোথা প্রিয়ে?
তোল মু'খানি, আছে যে আমার প্রাণের কথা কত!

আমি এমন সুধীর স্বরে সখী, কহিব তোমার কানে
প্রিয়ে, স্বপনের মত সে কথা আসিয়ে পশিবে তোমার প্রাণে তবে।
মু'খানি তুলিয়ে চাও সুধীরে মু'খানি তুলিয়ে চাও
সখী,একটি চুম্বন দাও
গোপনে,একটি চুম্বন দাও।

বলি ও আমার গোলাপবালা,বলি ও আমার গোলাপবালা..."

যদিও চারপাশে অনেক আঁধার,অনেক পুঁতিগন্ধ-তবুও আমাদের এই বেঁচে থাকা এখনো অনেক অনেক সুন্দর ।প্রিয় যুবক-যুবতী,পৃথিবীর যাবতীয় সৌন্দর্য্য তোমাদের সাথী হোক..]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sleepy1660blog/28691786 http://www.somewhereinblog.net/blog/sleepy1660blog/28691786 2006-12-24 01:17:33
অন্ধকারে দু'চোখ আলোয় ভরো প্রভু.. তুমি জাগ্রত জনতা।
সারা বিশ্বের বিস্ময়, তুমি আমার অহংকার!"

ভিন্ন মতাবলম্বী দের মতামতের প্রতি যথাবিহিত সম্মান প্রদর্শনপূর্বক সবিনয়ে বলতে চাই যে,আমি ডক্টর ইউনুস এর পক্ষে,আমি গ্রামীণ ব্যাংক এর পক্ষে। নোবেল পুরষ্কার লাভের পর আবেগের আতিশয্যে ডক্টর ইউনুসকে 'মহামানব' এর অভীধায় অভিষিক্ত করার মত বালখিল্য আমার নাই,কিন্ত যাবতীয় দুর্বলতা ও সমালোচনার ঊধের্্ব,ফতুয়া-পরা এই ভদ্্রলোক এবং উনার ক্ষুদ্্রঋণ প্রকল্প ,নিদারূণ নৈরাশ্যবাদী এই আমাকেও জাগ্রত বাংলাদেশের স্বপ্ন দ্যাখায়।

আমাদের দারিদ্্র্য এবং বিবিধ দুর্ভাগ্যের জন্য দৈব দুর্বিপাকের পাশাপাশি আমাদের দুর্বিনীত রাজনীতিবিদ সকলের অবদান ও নেহাত বেশি বৈকি,কম নয়। সম্পদের উপর সাধারণ মানুষের অধিকারহীনতাও শতাব্দীব্যাপী বিরাজমান অপব্যবস্থার ফসলমাত্র।রাজনৈতিক দেউলিয়াপনা এবং রাষ্ট্রী য় অপশাসনের সাথে উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত আমাদের জাতিগত চারিত্রিক ত্রুটি তো অগণিত আছেই।এইখানে সেইসব ত্রূটির উল্লেখ করে আর নিজেকে লজ্জা দিতে চাইনা।যাইহোক,দুঃশাসনে কোমরভাঙ্গা এই আমাদের কাছে যখন কেউ ক্র্যাচ নিয়ে এগিয়ে আসে,তখন তাকে ক্র্যাচ ব্যবসায়ী বলে অভিহিত করে, আমাদের কোমরভাঙ্গার পেছনে তার উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ষড়যন্ত্র রয়েছে বলে আমরা সিদ্ধান্তে উপনীত হই।

তবে আশার কথা যে,যারা মাটির সবচেয়ে কাছাকাছি মানুষ-ষড়যন্ত্র উদঘাটনের চাইতে ভাঙ্গা কোমরের চিকিৎসাতেই তাদের আগ্রহ অধিক বলে মনে হয়।সেই জন্যই 25্#ীসু;দে(গ্রামীণ ব্যাংকের ভাষ্যমতে 20%) ধার করা ঋণ ফেরত দেওয়ার সময় তাদের শতকরা 98.85 জনই সফল হন।মুক্তবাজার অর্থনীতির করূণ শিকার প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর বিকল্প কর্মসংস্থানের কোন ব্যবস্থা যখন রাস্ট্র করতে পারলোনা,তখন তারা ক্ষুদ্্রঋণের টাকায় মুরগীর আন্ডা বেচে,লাউ চাষ করে নিজেদের ভরণ-পোষণের যোগাড় টুকু নিজেরাই করে নিলো।আমি এই কৃষিভিত্তিক প্রয়াসকেই টেকসই উন্নয়নের প্রথম ধাপ বলে মনে করি।আমাদের মত প্রান্তিক অর্থনীতিতে কেউ যদি শিল্প বিপ্লব অথবা অতি অধুনা তথ্য প্রযুক্তি বিপ্লবের রুপকথা শোনাতে আসে-তবে তা নিতান্তহঠকারিতা ছাড়া কিছুই নয়।

এই তথাকথিত রক্তচোষা,সুদখোর গ্রামীণ ব্যাংকের ইক্যুইটি'র শতকরা 94 ভাগের অংশীদারই কিন্তু এর ঋণগ্রহীতারা।এই ব্যাংক আজ পর্যন্ত প্রান্তিক জনগণের কাছে প্রায় 29হাজার কোটি টাকার ক্ষুদ্্রঋণ বিতরণ করেছে,যার সিংহভাগই আদায়ী ঋণ।1998 সাল থেকে এই ব্যাংক কোনপ্রকার বৈদেশিক অর্থসাহায্য গ্রহণ করেনি,সম্পূর্ণ নিজস্ব সঞ্চয়ের উপর নির্ভরশীল।তাই,কম সুদে টাকা এনে বেশি সুদে প্রান্তিক মানুষ কে গছিয়ে দেবার অপবাদও ধোপে টিকবেনা।আর গ্রামীণ ব্যাংকের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হচ্ছে যে,ঋণগ্রহীতার প্রায় 97শতাংশই নারী।সারাদেশে ইউনিয়ন পরিষদে সংরক্ষিত নারী আসনের প্রায় এক-চতুর্থাংশই গ্রামীণ ব্যাংকের সদস্য।একেবারে তৃণমূল পর্যায়ে নারীর ক্ষমতায়নে এই প্রভাব কি সোশ্যাল রিফর্মের ঈঙ্গিত দেয়না?আজকের গ্রামবাংলায় পারিবারিক অর্থনীতিতে নারীর সক্রিয় অংশগ্রহণ আমাদের শহুরে নারীবাদীদের চোখের আড়ালে নীরবেই ঘটে গেছে।আর টোটাল ডেভেলপমেন্টের জন্য পলিটিক্যাল কমিটমেন্টের দরকার আছে বলে আমি অন্তত ঃ মনে করিনা,পলিটিক্যাল অ্যাওয়ারনেস ই যথেষ্ট।

যাইহোক,অনেক ভারী ভারী কথা লিখে ফেললাম।সারমর্ম হলো যে,আমি ডক্টর ইউনুস এর পক্ষে আছি,কারণ উনার প্রস্তাবিত ক্ষুদ্্রঋণ তত্ত্ব আমার দেশের অনেক মানুষকে স্বপ্ন দ্যাখার সাহস দিয়েছ।আমি এই স্বপ্নের পক্ষে,এই সাহসের পক্ষে।রাস্ট্র যখন এইসব মানুষের দায়িত্ব নিতে অস্বীকার করেছিল,তখন এই ভদ্্রলোক ই ব্যক্তি উদ্যোগে নিজের তত্ত্বের বাস্তবায়নে এগিয়ে এসেছিলেন।বড় বড় বুলিতে উনার কাজের সমালোচনা করার পূর্বে নিদেনপক্ষে চিন্তা করা উচিত যে,এর চেয়ে ভালো কি বিকল্প আমরা আমাদের কোমরভাঙ্গা মানুষদের দিতে পেরেছি?ডুবন্ত মানুষগুলোকে এই ভদ্্রলোকের ক্ষুদ্্রঋণ প্রকল্প শুধু আঁকড়ে ধরার জন্য খড়কুটো দেয়নি,বরং ময়নাদ্্বীপের তীরে পৌঁছে দিয়েছ।এখন আমাদের সেই ময়নাদ্্বীপকে সবুজ করে তোলার পালা..আমরা কোমর সোজা করে দাঁড়াচ্ছিমাত্র,একদিন নিশ্চয়ই ঋজু হবো।
আমি দেশ কে নিয়ে স্বপ্নদ্যাখার দুঃসাহস অনেকদিন করিনাই..ডক্টর ইউনুস এর নোবেল পুরষ্কার পাবার দিনে সারাদিন ই চোখে যেন কি পড়ছিল আর মনে হচ্ছিলো যে,এইবার বোধহয় একটু সাহস করা যায়..গ্রামে গ্রামে স্বাবলম্বী মানুষের দল আমাকে স্বনির্ভর বাংলাদেশের স্বপ্নদ্যাখায়..অন্ধকারে মঙ্গলদীপ জ্বেলে যাবার জন্য ফতুয়া পরা ভদ্্রলোক কে ধন্যবাদ! ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sleepy1660blog/21807 http://www.somewhereinblog.net/blog/sleepy1660blog/21807 2006-10-17 14:43:58
বালক ভুল করে নেমেছে ভুল জলে পড়েনি ব্যকরণ,পড়েনি মূল বই।
বালক জানেনা তো সময় প্রতিকূল
সাঁতার না শিখেই সে সাগরে ঝাঁপ দেয়
জলের চোরস্রোত গোপনে বয়ে যায়
বালক ভুল করে নেমেছে ভুল জলে.."

**সংশোধনের জন্য ধন্যবাদ:: ঝরা পাতা**

(রফিক আজাদের কবিতা-স্মৃতি থেকে তুলে দিলাম..স্মৃতি যদি বিশ্বাসঘাতকতা করে,তবে নিজ গুণে ক্ষমা করবেন।)

আমার বন্ধু সুকান্ত।ব্রহ্মপুত্র পাড়ের ছেলে,ঐ নদের মতই শান্ত।ক্যাম্পাসে চোখে পড়ার মত কোন ঝাঁ চকচকে ছেলে সে নয়,পাঠচক্রের সময় কেবল মাঝেমধ্যে দেখা হতো..সুকান্ত সবসময়ই পেছনের একটা চেয়ারে বসা থাকত,একটু অন্যমনষ্ক।একদিন দ্্বান্দিক বস্তুবাদ নিয়ে আলোচনা চলার সময় লুকায়ে লুকায়ে জয় গোস্বামীর কবিতা পড়তে গিয়ে আমার চোখে ধরা পড়ে গেল।ব্রহ্মপুত্র পাড়ের ছেলেটা লাজুক,কিন্তু অসম্ভব মায়াবী একটা হাসি দিয়ে সেই মূহুর্ত থেকে আমার বন্ধু হয়ে গেল।কিছুদিনের মধ্যেই টের পেলাম যে,সমাজতন্ত্রের অ-আ-ক-খ এর চাইতে জীবনানন্দের কবিতার প্রতিই তার ঢের আগ্রহ!আমার বন্ধুটাকে বিপ্লবের স্বপ্ন না দেখে,কবিতার স্বপ্ন দেখলেই যেন বেশি মানাতো।

যাইহোক,আমি কয়েকদিনের মধ্যেই হাফ-রোমান্টিক বিপ্লব-বিপ্লব ফ্যাশন এর জলাঞ্জলি দিয়ে ভিনদেশে পাড়ি দিলাম।আমার সতীর্থ রোমান্টিকদের পরিণতির ব্যাপারেও খুব একটা সন্দিহান ছিলাম না।কিন্তু আমাকে ধাক্বা দিল শুধু সুকান্ত।আমার ধারণা ছিল যে,সুকান্তও বড়জোর দু'একটা বিপ্লবী ধরণের কবিতা প্রসব করে অন্য সবার মতন ইঁদুরদৌড়ে শামিল হবে।কিন্তু আড়াই বছর পর,লেভেল ফাইনাল পরীক্ষার ঠিক আগে আগে ক্যাম্পাসে গিয়ে শুনলাম যে,সুকান্ত নাকি এখন আদমজীতে।ফোনে কথা বলার এক ফাঁকে পরীক্ষার কথা তুলতেই ঠিক আগের মত লাজুক গলায় বললো,"পরীক্ষা ড্রপ দিতেছি,দোস্ত!"কারণ জিগ্যেস করলাম।এবার লাজুক গলায় পালটা প্রশ্ন আসলো,"এতগুলা শ্রমিকের তো লাইফই ড্রপ হয়া যাইতেসে।আমার একার একটা পরীক্ষা ড্রপ হওয়া কি এর চেয়ে বড় ব্যাপার?"ওর লাজুক গলা ছাপায়ে ওর বিশ্বাসের দৃঢ়তা ঠিকই আমার কানে পৌঁছল-আমি সেদিন আর কথা বাড়াই নাই।

গত বছর দেশে গিয়ে আবার সুকান্তর খোঁজ নিলাম।অন্য বন্ধুরা সব পাশ করে রুটি রোজগার করছে,আর আমার বন্ধুটা হাওড় এলাকার মানুষদের রুটির স্বপ্ন দ্যাখাতে ব্যস্ত।এবার কপালগুণে একদিন আহসানউল্লাহ হলে ওর সাথে দেখা হয়ে গেল।একথা সেকথার পরে বিদায়ের সময় হঠাৎ নিতান্তই অপ্রাসঙ্গিক ভাবে জিগ্যেস করলাম,"দোস্ত,তুই ইঞ্জিনিয়ার হবিনা?"ফেরত আসলো আবারো একটা প্রশ্ন-"খালি ঘর-বাড়ি, ব্রিজ বানাইলেই ইঞ্জিনিয়ার হয়,দোস্ত?মানুষের স্বপ্ন বানাইলে ইঞ্জিনিয়ার হয়না?"সুকান্ত আমাকে নির্বাক করে দিয়ে ওর লাজুক হাসি হাসতে হাসতে ডাইনিং এর দিকে চলে গেল।

আমার বন্ধু সুকান্ত ভুল করেছিল ভুল সময়ে জন্ম নিয়ে।সুকান্ত আরো ভুল করেছিল প্রলেতারিয়েতের রাজ এবং যৌথ খামার জাতীয় ফালতু বিষয়ে স্বপ্নদেখে।বুদ্ধিমান হলে গাড়ী-বাড়ী-নারী জাতীয় স্বপ্নই দেখতো হয়তো।এইসব স্বপ্ন দেখতে দেখতে এমনকি স্বপ্নদোষ হয়ে গেলেও তো কেউ আমার বন্ধুটাকে অন্তত বোকা তো বলতে পারতোনা!

ভাগ্যিস,আমরা সবাই সুকান্তের মত বোকা না। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sleepy1660blog/15498 http://www.somewhereinblog.net/blog/sleepy1660blog/15498 2006-08-05 08:45:10
বিড়াল ও মানুষের বাচ্চা..এবং দুইটি হাদীস
কি আশ্চর্য!কয়েকদিন বাদেই আবার অবিকল ট্যাঁ ট্যাঁ কান্না শুনে একটু চমকে উঠলাম।আমাদের সীমানার ওপারেই কয়েকঘর বস্তি; জানলাম, সেখানেই নাকি এসেছে এক নবজাতক-"সুতীব্রচিৎকারে" তাই সে আমাদের জানাতে চায় তার পদার্পণের সংবাদ..(হায়রে অবোধ শিশু! আরেকটুবড় হলেই বুঝতা,তোমার জন্ম অথবা মৃত্যুর সংবাদে আমরা ভদ্্রলোক দের কিছুই আসে যায়না)..

মাসখানেক গত হয়ে গেল,'মানুষের বাচ্চা' টার ট্যাঁট্যাঁআওয়াজ আর থামেনা..থামবেই বা কি করে?অপুষ্ট মা'র মুখেও পথ্য নাই,বুকেও দুধ নাই-দুধের শিশু কি আর তা বুঝে?আস্তে আস্তেহয়তোবা চ্যাঁচানোর জোরটা ক্ষীণ হয়ে আসছিলো,আমার কানে অবশ্য ধরা পড়ে নাই..বস্তি থেকে তো কত রকম চেঁচামেচি ই কানে আসে-আমি তখন আস্তে করে স্টেরিও'র ভল্যুম বাড়ায় দিতাম..

তারপর একদিন আওয়াজটা একদম থেমে গেল।না,আমি নিজে থেকে উৎসাহী হয়ে খবর নিতে যাই নাই,শুনতে পেলাম যে-বাচ্চাটা নাকি পৃথিবীর মায়া কাটায়ে ফেলছে(সামনে না জানি আরো কত সাঙ্ঘাতিক মায়া অপেক্ষা করছিল!!)..কিভাবে মায়া কাটালো-অতদূর পর্যন্ত অবশ্য আমি আর খোঁজ নিতে যাই নাই।মারী ও মড়ক,এবং আরো কতভাবেই না এইসব ছোটলোক মানুষের বাচ্চারা পৃথিবীর মায়া কাটায়!!আমরা ভদ্্রলোকরা শুধু গান শুনি,গান গাই,কবিতা লিখি-এইভাবে পৃথিবীর মায়া বাড়াই..

বেচারা!! বিড়ালের বাচ্চাগুলো পর্যন্ত এঁটো-কাঁটা খেয়ে টিকে গেল,আর তুই কিনা মানুষের বাচ্চা হয়ে টেঁসে গেলি?

পাদটীকা:দুইটা হাদীস জানতাম( আমার জানায়ভুল ও থাকতে পারে..)
1."তোমাদের সামনে,পিছনে,ডানে,বাঁয়ে চল্লিশ ঘর পর্যন্ত তোমাদের প্রতিবেশী।" 2."যে ব্যক্তি তার প্রতিবেশীকে অভুক্ত রেখে নিদ্্রা যায়,সে ব্যক্তি আমার উপর ঈমান আনে নাই।"

দোয়া করি,হাদীস দুইটা যেন স হীহ হাদীস না হয়!!!]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sleepy1660blog/13190 http://www.somewhereinblog.net/blog/sleepy1660blog/13190 2006-07-07 14:48:33
ছোট্ট ধাক্বা-2
বছর খানেক আগের কথা..শ্রাবণ মাস,ঝুম বৃষ্টির দিন..বেইলী রোডে দাঁড়ায়ে ছিলাম,ভেজা চুপচুপ কাক দের সাথে-তাদের মতই..দূর থেকে একটা রিক্সা আসতে দেখলাম,বাতাসের উল্টা দিকে ধুকে ধুকে আগাচ্ছে;অথবা আগাচ্ছেনা..আমার সামনে আসতেই একেবারে থেমে গেল..সত্তুর এর আগেপিছে হবে বয়স,ছেঁড়া গেনজি র উপর দিয়ে হাঁপরের মত উঠানামা করতে থাকা পাঁজর এর হাড্ডিগুলো স্পষ্টই দেখা যাচ্ছে..মর্মছুঁয়ে যাওয়া বর্ণনা কবিরাই হয়ত ভালো দিতে পারবে,আমি ওপথ মাড়াবোনা..নিতান্তই কৌতুহলবশতঃ(অথবা সময় কাটানোর জন্য??) একটা-দুটা কথা বললাম..বাড়িতে রুগ্ন মেয়ে ছাড়া কেউ নাই,তাই অশক্ত শরীরেও জীবনের সাথে এই অসম লড়াই..অনুযোগের স্বরে বললেন যে,বুড়ো বলে কেউ রিক্সায় চড়তেও চায়না,তাই জমার টাকা টুকু পর্যন্তঅনেকদিন ওঠেনা..কিছুক্ষণ আহা'উহ ুু করলাম,ভাংতির জন্য পকেটে হাতড়ালাম(নিম্নমানের মানুষেরা যেমন করে আর কি!)..তারপর বৃষ্টি থামার সাথেই যুবকতর রিক্সাওয়ালা খুঁজে রওনা দিয়ে দিলাম..

পোড়া মাংসের সুস্বাদু গন্ধ আবার নাকে ধাক্বা দিল..পেটুকের মত মাংস চিবাতে চিবাতে ছোট্ট একটা অংক মাথায় কষলাম..আমার এই একবেলার খাওয়ার খরচে ওই রিক্সাওয়ালার 44দিনের জমার টাকা হয়ে যায়..সত্যিই সেলুকাস!কি বিচিত্র এই মানুষ!কি বিচিত্র তাদের মানবজীবন!

এইসব বিদঘুটে অংক মাথা থেকে ঝেরে ফেলে আরো অনেকক্ষণ ধরে মাংস পোড়ালাম,চিবালাম এবং ঢেকুর তুললাম..তারপর নারীকে বুঝালাম-"এসো,এইভাবে,এইভাবে..এরকম ভাবে.."


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sleepy1660blog/12498 http://www.somewhereinblog.net/blog/sleepy1660blog/12498 2006-06-27 12:55:43
প্রিয় কবিতা:চামেলী হাতে নিম্নমানের মানুষ

"আসলে আমার বাবা ছিলেন নিম্নমানের মানুষ
নইলে সরকারী লোক,পুলিশ বিভাগে চাকরি কোরেও
পুলিশী মেজাজ কেন ছিলনা ওনার বলুন চলায় ও বলায়?
চেয়ার থেকে ঘরোয়া ধূলো,হারিকেনের চিমনীগুলো মুছে ফেরার মতোন তিনি
আস্তেকেন চাকরবাকর এই আমাদের প্রভু নফর সম্পর্কটা সরিয়ে দিতেন?
থানার যত পেশাধারী ,পুলিশ সেপাই অধীনস্থ কনেস্টবল
সবার তিনিএকবয়সী এমনভাবে তাস দাবাতেন সারা বিকেল।

মায়ের সঙ্গে ব্যবহারটা ছিল যেমন ব্যর্থপ্রেমিক
কৃপা ভিক্ষা নিতে এসেছে নারীর কাছে।

আসলে আমার বাবা ছিলেন নিম্নমানের মানুষ
নইলে দেশে তাঁর ভাইয়েরা জমিজমার হিশেব কষছে লাভঅলাভের
ব্যক্তিগত স্বার্থ সবার আদায় কোরে নিচ্ছে সবাই
বাবা তখন উপার্জিত সবুজ ছিপের সুতো পেঁচিয়ে মাকে বোলছেন,এই দ্যাখোতো
জলের রং এর সাথে এবার এই সুতোটা খাপ খাবেনা?

আমি যখন মায়ের মুখে লজ্জা ব্রীড়া,ঘুমের ক্রীড়া
ইত্যাদিতে মিশেছিলুম,বাবা তখন কাব্যি কোরতে কম করেননি মাকে নিয়ে
শুনেছি শাদা চামেলী নাকি চাপা এনে পরিয়ে দিতেন রাত্রিবেলা মায়ের খোপায়।

মা বোলতেন বাবাকে তুমি এই সমস্তলোক দ্যাখোনা?
ঘুষ খাচ্ছে,জমি কিনছে,শনৈঃ শনৈঃ উপরে উঠছে,
কত রকম ফন্দি আটছে কত রকম সুখে থাকছে,
তুমি এসব লোক দ্যাখোনা?

বাবা তখন হাতের বোনা চাদর গায়ে বেরিয়ে কোথায়
কবি গানের আসরে যেতেন মাঝরাত্তিরে
লোকের ভীড়ে সামান্য লোক,শিশিরগুলি চোখে মাখাতেন।

এখন তিনি পরাজিত,কেউ দ্যাখেনা একলা মানুষ
চিলেকোঠার মতোন তিনি আকাশ দ্যাখেন,বাতাস দ্যাখেন
জীর্ণ শীর্ণব্যর্থচিবুক বিষন্নলাল রক্তে ভাবুক রোদন আসে,
হঠাৎ বাবা কিসের ত্রাসে দুচোখ ভাসান তিনিই জানেন।

একটি ছেলে ঘুরে বেড়ায় কবির মতো কুখ্যাত সব পাড়ায় পাড়ায়
আর ছেলেরা সবাই যে যার স্বার্থ নিয়ে সরে দাঁড়ায়
বাবা একলা শিরদাঁড়ায় দাঁড়িয়ে থাকেন,কী যে ভাবেন,
প্রায়ই তিনি রাত্রি জাগেন,বসে থাকেন চেয়ার নিয়ে

চামেলী হাতে ব্যর্থ মানুষ,নিম্নমানের মানুষ।"



]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sleepy1660blog/12486 http://www.somewhereinblog.net/blog/sleepy1660blog/12486 2006-06-27 08:48:05
একটা ছোট্ট ধাক্কা ... আজকে সকালের প্রথম আলো'য় পড়লাম। ইদানীং বিভিন্ন ধরনের নেগেটিভ খবর পড়তে পড়তে-সত্যি কথা বলতে দু'একটা মৃত্যুর খবর আর তেমন গায়ে লাগেনা (যদিও খুবই লজ্জার কথা-কিন্তু আসলেও এতটাই 'নিম্নমানের মানুষ' হয়ে গেছি!)।তবু,মাত্র দুই টাকার জন্য মানুষের মৃত্যুর কথা শুনলে এখনো একটু ধাক্কা লাগে..ভয় হচ্ছে-কবে যেন এই ধাক্কা টুকুও শেষ হয়ে যায়. .জানিনা,আর কত ধাক্কা খাওয়ার পর আমি আবার 'মানুষ' এ ফিরতে পারব?(অথবা আদৌ পারব কি?...) ]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/sleepy1660blog/11431 http://www.somewhereinblog.net/blog/sleepy1660blog/11431 2006-06-14 02:05:57