somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

জামায়াত প্রস্তুতি নিচ্ছে মরণ কামড় দেয়ার?

২৩ শে ডিসেম্বর, ২০১১ দুপুর ১২:৩৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

Click This Link

অস্তিত্ব রৰায় জামায়াতে ইসলামী মরণ কামড় দেয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। জামায়াত ১৯৯১ সাল থেকে জঙ্গী সংগঠনগুলোর সরাসরি গডফাদার হিসেবে কাজ করছে। সর্বশেষ বিগত বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে গঠিত নিষিদ্ধ জঙ্গী সংগঠন হিযবুত তাহ্রীর গঠনেও জামায়াতের মদদ ছিল। জামায়াতের প্রত্যক্ষ মদদ ও আর্থিক সহায়তায় এখনও দেশে নিষিদ্ধ জঙ্গী সংগঠনসহ ৩৬টি দলের তৎপরতা রয়েছে। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ঠেকাতে প্রায় একযুগ পর নিজেদের অর্থায়নে পরিচালিত ৩৬টি দলকে মাঠে নামাতে তৎপরতা চালাচ্ছে।
গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে, আওয়ামী লীগ ৰমতাসীন হওয়ার পর থেকেই জামায়াত যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ঠেকাতে প্রথমে কূটনৈতিকভাবে চেষ্টা করে। এতে ব্যর্থ হয়ে চারদলীয় জোটের মাধ্যমে এ থেকে পরিত্রাণ পাওয়ার পথ খোঁজে। সে পরিকল্পনাও ভেস্তে যায়। এরপর জামায়াতের ভয়াবহতা সম্পর্কে সরকার ও জনগণকে ধারণা দিতে হার্ডলাইনে যায় দলটি। পুরো দেশে জামায়াত সম্পর্কে ভীতি সৃষ্টি করতে গত বছরের ৮ ফেব্রুয়ারি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগ কর্মী ফারুক হোসেনকে হত্যার পর তার লাশ ম্যানহোলে ফেলে দেয়া হয়।
এরপর শুরু হয় অভিযান। তারই ধারাবাহিকতায় গত বছরের ২ মার্চ রাজধানীর উত্তরা থানায় সন্ত্রাস দমন আইনে দায়েরকৃত মামলায় ১৯ মার্চ আন্তর্জাতিক জঙ্গী সংগঠন হিযবুত তাহ্রীরের মুখপাত্র ও প্রধান সমন্বয়কারী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএর শিৰক অধ্যাপক ড. মহিউদ্দিন আহম্মেদকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এরপর দলটির অর্থের যোগানদাতা কাজী মোরশেদুল হককে গ্রেফতার করে র্যাব। পরে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ গত বছরের ৮ জুন হিযবুত তাহ্রীরের প্রতিষ্ঠাতা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা বিভাগের শিৰক অধ্যাপক ড. সৈয়দ গোলাম মাওলাকে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারকৃতরাই গোয়েন্দাদের কাছে প্রথম প্রকাশ করে দেন হিযবুত তাহ্রীর গঠনে বিএনপি-জামায়াতের সরাসরি মদদ ছিল। বিশেষভাবে মদদ ছিল জামায়াতে ইসলামীর। জামায়াতে ইসলামী হিযবুত তাহ্রীর গঠনে আর্থিক সহায়তাও করেছিল। হিযবুত তাহ্রীর গঠনের পর দলটিকে জামায়াতে ইসলামীর ছাত্র সংগঠন ছাত্রশিবিরের নিজস্ব ঘাঁটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন ২৩৪ নম্বর নিউ এলিফ্যান্ট রোডের খায়রম্নন্নেসা ভবনেই দলীয় কার্যক্রম চালানোর জন্য অফিস খুলে দেয়। ২০০৮ সালে পাকিসত্মানে হিযবুত তাহ্রীর নিষিদ্ধ করা হয়। বাংলাদেশে নিষিদ্ধ হয় ২০০৯ সালের ২৪ এপ্রিল।
গত বছরের ২৪ মে জামায়াতের কেন্দ্রীয় নেতা ও নিষিদ্ধ জঙ্গী সংগঠন জেএমবির প্রধান মুফতি মাওলানা সাইদুর রহমান জাফরসহ জেএমবির সামরিক শাখার প্রধান আবু বক্কর সিদ্দিক ওরফে নজরম্নল ওরফে শিবলু, সামরিক শাখার সমন্বয়ক আমির হোসেন ওরফে শরীফ, এহসার সদস্য নূর হোসেন ওরফে সবুজ ও নাইমা নামে জেএমবির এক মহিলা সদস্যকে শক্তিশালী গ্রেনেড, আগ্নেয়াস্ত্র তৈরির অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি, গ্রেনেড তৈরির বিস্ফোরক, আত্মঘাতী হামলা চালানোর নানা সরঞ্জাম ও বিপুল পরিমাণ জিহাদী বইসহ গ্রেফতার করে পুলিশ।
সাইদুর রহমানের বরাত দিয়ে গোয়েন্দা সূত্র জানায়, জেএমবি জামায়াতের অঙ্গসংগঠন। জামায়াতের নির্দেশেই জঙ্গীরা ঢাকায় আসত্মানা গাড়ছে। মজুদ করছে অস্ত্র গোলাবারম্নদ। নিজামী, মুজাহিদ, সাঈদী গ্রেফতার হওয়ার পর কামারম্নজ্জামান ও কাদের মোলস্না জামায়াত-শিবির ও জঙ্গী সংগঠনগুলোকে নিয়ে তিনসত্মর বিশিষ্ট একটি নয়া ফোরাম গঠন করে। পাশাপাশি যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ঠেকাতে দেশ অচল করে দেয়ার নানা কৌশল উদ্ভাবন করে। কৌশলের মধ্যে রয়েছে গুপ্তহত্যা, প্রয়োজনে প্রকাশ্যে হত্যা, খুন, অতর্কিতে হামলা, গুপ্তহামলা, বড় ধরনের নাশকতা চালানো।
১৯৯১ সালে বিএনপি ৰমতায় গেলে দেশে জঙ্গীবাদের ভয়াবহ উত্থান ঘটে। জামায়াত জঙ্গীসহ মৌলবাদী দলগুলোর গডফাদারের ভূমিকা পালন করতে থাকে। জামায়াতের প্রত্যৰ মদদ ও আর্থিক সহায়তায় দেশে ৩৬টি সংগঠন এখনও তৎপর রয়েছে। জামায়াত আর্থিকভাবে জঙ্গী সংগঠনগুলোকে সহায়তা করে আসছে। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বাধাগ্রসত্ম করতে জামায়াত ৩৬টি দলকে মাঠে নামানোর চেষ্টা করছে। যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের মধ্যদিয়ে অসত্মিত্ব সংকটে পড়তে পারে জামায়াত। এজন্য মরণ কামড় দেয়ার প্রসত্মুতি নিচ্ছে জামায়াত। ভবিষ্যতে জামায়াত-শিবির ও জঙ্গী সংগঠনগুলো ভয়াবহ নাশকতা চালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে।
৫টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

একজন বণিক, যিনি বদলে দিয়েছিলেন সমগ্র আরবের ইতিহাস

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:৪৩


মরুভূমির মাঝে দাঁড়িয়ে পুরো আরবকে বদলে দেওয়ার স্বপ্ন দেতেন একজন মানুষ। শুনতে পাগলামি লাগে, তাই না? কিন্তু সেই মানুষটা যদি ছোটবেলা থেকে কাফেলায় কাজ করে থাকেন, যদি তিনি জানেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা যেভাবে আব্বাসীদের জন্য হুমকি হয়ে আসছে- কী হবে খালেদ মহিউদ্দিনের?

লিখেছেন হিমন, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:৫০

হোমো ইরেক্টাসদের প্রায় বিশ লাখ বছর আগের আগুনের ব্যবহার থেকে শুরু করে ছয় হাজার বছর আগের চাকা আবিষ্কার, ১৮৩১ সালের বিদ্যুৎ, গত শতাব্দীর অ্যান্টিবায়োটিক, আর এই সেদিনের ইন্টারনেট ও স্মার্টফোন—... ...বাকিটুকু পড়ুন

আসলে কেউ ফেরে না।

লিখেছেন রানার ব্লগ, ০৮ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৭:০৬

মৃতরা ফিরে আসে না।
ফিরে আসে তাদের ফেলে যাওয়া শূন্যতা,
চায়ের কাপের ধোঁয়া,
অধেক বলা কোনো কথা
অথবা হঠাৎ থেমে যাওয়া কোন সুর

যে প্রেম চলে গিয়েছিল,
সে আর কোনোদিন দরজায় কড়া নাড়ে না।
শুধু একদিন আয়নায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্য ড্রাগ কিং

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:১৫


সতর্কবার্তা: এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম ফিকশন। বাস্তব একটি অপরাধের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পাঠকদের জন্য এর চরিত্র, নাম এবং স্থান পরিবর্তন করে গল্পটি সাজানো হয়েছে।

খুলনা... ...বাকিটুকু পড়ুন

সামুতে আবারও লিলিপুটিয়ানদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৮

আমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×