মাধবকুন্ড জলপ্রপাতের কথা সবাই জানেন। কিন্তু পরীকুন্ড জলপ্রপাতের নাম শুনেছেন? অনেকের ভ্রূ কুচকে উঠতে পারে। এটা আবার কোথায়? পরীকুন্ড জলপ্রপাত মাধবকুন্ডের খুব নিকটে খুব বেশী হলে আধা কি.মি দূরত্বে অবস্হিত। অবাক হলেন!? অবাক হওয়ারই কথা। খুব কম লোক এটির বিষয়ে জানেন। এর কারণও আছে। মাধবকুন্ডে সারা বছর কম বেশী পানির ধারা থাকলেও পরীকুন্ডে পানি থাকে শুধু বর্ষাকালে। আর মাধবকুন্ডে অধিকাংশ আসেন শীতকালে। সে সময় পানি থাকে না। ফলে এই বিষয় অজানা থেকে যায়। এছাড়া দুর্ঘটনা সহ নানা যৌক্তিক কারণে স্হানীয় প্রশাসন এই কুন্ডের প্রচারে তেমন আগ্রহী নয়।
বর্ষা শুরু হয়েছে এবং পরীকুন্ডেও নেমেছে ঝর্ণার ধারা। তাই ঘুরে আসলাম পরীকুন্ড। রাস্তা অল্প হলেও পুরোটা পানির উপর দিয়ে পাথরে খালি পায়ে যেতে হয়। গাইডের সহায়তা নিতে হয়েছিল। গাইড দেখিয়ে দিচ্ছিল ঠিক কোন জায়গায় পা ফেলতে হবে। রাস্তা খুবই পিচ্ছিল। যদি চিৎপটাং হন সমস্যা নেই
চলুন ছবির সাহায্যে ঘুরে আসা যাক পরীকুন্ড জলপ্রপাত।
প্রবেশ দ্বার
টকটকে সবুজ প্রকৃতি
মাবধকুন্ডের ঠিক পূর্বে এই মন্দির। পরীকুন্ডে যাওয়ার জন্য এর ঠিক উল্টা পাশের ঢালু বেয়ে নেমে যেতে হবে
প্রবাহিত ঝর্ণার ধারা অতিক্রম করতে হবে
পান পুন্জী
গাছে লতানো খাসিয়া পান
পিচ্ছিল পানিময় পথ
পরীকুন্ড
তোমারি ঝর্ণা তলার নির্ঝনে... ... ...
ফেরার পথে প্রকৃতির ভিন্ন সৌন্দর্য
কুখ্যাত বিছুটি পাতা (স্হানীয়ভাবে চোতরা পাতা নামে পরিচিত)। গায়ে লাগলে খবর আছে, সপ্তাহ যাবে চুলকানো বন্ধ হবে না
বুনোফুল

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

