খবর:
এইচ.এস.সি-তে "ইসলাম শিক্ষা" নামের নতুন বিভাগ খুললেন পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের সচিব ব্রজগোপাল ভৌমিক বলেন।
ইতিহাস:
বাংলাদেশের প্রথম মাদ্রাসা'র প্রিন্সিপাল ছিলেন একজন খ্রিষ্টান এবং তারপর ছিলেন একজন হিন্দু
মতামত:
আজ মাদ্রাসা বোর্ড থেকে যে শিক্ষা নিয়ে ছাত্রছাত্রীরা বের হচ্ছে, তারা স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক, ইউনিলিভার বা গ্রামীনফোনের মত জায়গায় ভালো পোস্টে চাকুরী পাচ্ছে না কারন তাদের শিক্ষায় একটা বাউন্ডারী এঁকে দেয়া হয়েছে। তখন মনে হত এদেরকে ইসলামের মূল স্পিরিট, জ্ঞান অর্জন, থেকে অনেক দূরে রাখা হচ্ছে। কারন, এটা ছিল মুসলমানদেরকে সমাজে ছোট করে রাখার পেছনে ব্রিটিশদের একটা চাল।
এখন যখন দেখলাম একজন হিন্দু মানুষ 'ইসলাম শিক্ষা' বিভাগের প্রবক্তা, তখন ভয় পাওয়াটাই স্বাভাবিক। বইগুলোতে কি থাকবে? ইসলামের সঠিক কথাগুলো থাকবে তো? নাকি এবার জীবনযাপনের সবচেয়ে বুদ্ধিদীপ্ত শিক্ষাগুলোকে ঐ কাঠমোল্লাদের ওয়াজগুলোর মতই যা-তা দিয়ে ভরা থাকবে!
কোনও ধর্মকে ছোট করে দেখছি না। কিন্ত যদি একজন মুসলমানকে দায়িত্ব দেয়া হয় 'হিন্দু শিক্ষা' বিভাগ খুলতে, তাকে কিন্তু আশপাশের মানুষের দেয়া তথ্যের উপরই বেশী ভর করতে হবে। সেক্ষেত্রে, সত্য ধর্মটা কতটুকু উঠে আসবে?
ভয় হয়, কেউ কি দাঙ্গা বাঁধানোর জন্যই এগুলো করছে নাকি ইসলামকে মাটিতে মিশিয়ে দেয়ার পায়তারা? আমার বাংলাদেশকে একটু শান্তিতে থাকতে দিলে কি ক্ষতি তাদের?

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

