আমার প্রিয় পোস্ট
- অসাধারণ কিছু শর্টফিল্ম ( প্রতিটির এন্ডলাইনে আপনাকে মুগ্ধ হতেই হবে ! ) - অন্ধ আগন্তুক
- বিবিসি ও টাইম ম্যাগাজিনের দৃষ্টিতে বিশ্বের সেরা ১০০ টি উপন্যাস,সেরা সাইন্স ফিকশন ও নন ফিকশন - অপার্থিব ক্রিয়েশন
- এক জ্যোস্নায়, স্বপ্নেরা যখন সত্যি হলো - শায়মা
- বাংলাদেশের প্রায় সকল পর্যটন স্হানের ছবি ব্লগের সংকলন (শত তম পোষ্ট ) - শ।মসীর
- তেসরা জুলাই,গুলশান মোড়ে দুপুর দুইটায় (হোসেইনের কবিতাঞ্জাল) - হোসেইন
- নয়ন জুড়ে রেখো মোরে, পরাণ খুলে ডেকো.............. - ফারা তন্বী
- কষ্ট - ছন্নছাড়ার পেন্সিল
- আজকাল অনেক কিছুই মনে থাকে না - মুকুল
- আমার প্রিয় পোস্টগুলো - বিবর্তনবাদী
- ‘আমার এ ঘর ভাঙিয়াছে যেবা আমি বাঁধি তার ঘর’: পল্লীকবি জসীমউদ্দীন-এর একটি কবিতা - ইমন জুবায়ের
- বাঁশি রবীন্দ্রনাথের একটি আধুনিক কবিতা! - হমপগ্র
- দ্বিচারিনী একজন......[চতুর্থ] - ত্রেয়া
- দরজাটা বন্ধ করে দাও.................. - সুলতানা শিরীন সাজি
- অনলাইনে ইনকামঃ খাইটা খান - আতিকুল হক
- সেরা রোমান্টিক মুভি - শওকত হোসেন মাসুম
- আজ কি আমার বিকেলগুলো, অন্য কারো ? - সুনীল সমুদ্র
- বাংলা ই-বুকের সন্ধানে - মহসিন০৮
- অপ্রকাশিত চিঠি (১)................... - সুলতানা শিরীন সাজি
- প্রবাসে কিছু বিমূর্ত ভালবাসা। - সাঈফ শেরিফ
- ভালো লাগা প্রিয় কবিতারা- ২২ ( মানুষ--নির্মলেন্দু গুণ) - আবদুর রাজ্জাক শিপন
- এক , দুই বা পাঁচ টাকার অর্থহীন গল্প - মেহরাব শাহরিয়ার
- বন্ধুরা ভুলে গেছে,চলে গেছে দৃষ্টির আড়ালে,ঢেকেছে আঁধারে... - ভাঙ্গন
'ছেলে' নিয়ে সেকালে ভাবা ভাবনা
০৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:১৩
“ছেলেরা পেছনে লাগলে ভালই লাগে, না রে?” এটা ছিল আমার স্কুলজীবনে শোনা অন্যতম সেরা একটা স্বীকারোক্তি। কথাটা বলেছিল আমার এক বান্ধবী। তখন ক্লাস টেনে পড়ি আমরা। ‘ছেলেরা পেছনে লাগা’ বিষয়টার সাথে অল্পবিস্তর পরিচয় সবারই হয়ে গেছে ততদিনে। আমি ওর কথাটা বিবেচনা করে বুঝতে পারলাম পুরোপুরি ভুল বলে নি সে। দুইজন মিলে ভেবে দেখলাম আসলেই ছেলেদের মনোযোগ পেতে বেশ একটা খুশি খুশি লাগে। তবে সেই ছেলে হতে হবে “নর্মাল ছেলে” অর্থাৎ কিছুতেই কোন গুণ্ডামাস্তার গোছের কেউ না, সে ভদ্র টাইপ হবে, লাজুক হবে এবং পছন্দের কথাটা মুখে বলতে আসবে না, আচার আচরণে প্রকাশ হয়ে পড়বে।
আহা কি মজার দিনই না ছিল! কিশোরকাল। বাসার আশেপাশের রাস্তা দিয়ে হাঁটার সময়েও ক্রিকেট খেলতে থাকা ‘ছেলেরা’ নজর এড়াতো না। সারা পথ চিল্লাচিল্লি করতে করতে এলেও ক্রিকেট খেলোয়াড়দের মাঝ দিয়ে যাওয়ার সময় একটু ভাব নিতে হত। সেই সাথে তাদেরকে যেকোন রকম গুজগুজ করতে দেখলেই একটা কপট বিরক্তি-‘এদের সমস্যা কি? মেয়েরা হেঁটে গেলেই আলোচনা শুরু করে। যত্তসব!’ সুন্দর করে সাজগোজ করে কোথাও যাবার সময় কেউ একটুও না দেখলে কি সাজটা ষোলআনা হত কখনও? বন্ধুরা কাউকে নিয়ে খোঁচা দিয়ে কথা বলতে গেলে যতই মেজাজ খারাপের ভান করা হোক না কেন, তলে তলে তো ঠিকই দারুণ লাগত সেই ‘ক্ষ্যাপানো’।
ভার্সিটিতে ধীরে ধীরে ‘ছেলেরা’ স্বাভাবিক হয়ে আসতে শুরু করে। কিন্তু কারো ভাল লাগা পাওয়ার ইচ্ছা তখনও মরে যায় না। মনে মনে আফসোস ঠিকই চলতে থাকে-আমাকে কেউ চোখে দেখে না কেন? কেউ পছন্দ করে ফেলে না কেন? তখন সেই না দেখার পেছনে একটা দোষও বের হয়ে যায়, সেটা হল ‘ছেলেদের’ কাছে সুন্দর চেহারাই সব। কিছুদিনের মধ্যেই মোবাইল ফোন হয়। আবার বান্ধবীদের সাথে আলাপ, ‘আচ্ছা তোরা সবাই দেখি মোবাইল নিয়ে এত ঝামেলায় পড়িস, আমাকে কেউ ডিসটার্ব করে না কেন রে?’ এখানেও আবার একমত হওয়া, একটা ‘ভাল’ ছেলে যদি অনেক কাঠখড় পুড়িয়ে ফোন নাম্বারটা যোগাড় করত! সেই ছেলের আবার আমাকে খুব ভাল করে জানতে চিনতে হবে। ফোন করে অবাক করে দেয়ার মত কথা বলবে যেগুলো কারো খেয়াল করার কথা না, জন্মদিনের দিন হ্যাপি বার্থডে উইশ পাওয়া যাবে, কিন্তু কিছুতেই বের করা যাবে না সে কে।
তবে সবসময়ই সব কথার বড় কথা ছিল, ছেলেকে অবশ্যই ভালমানুষ হতে হবে, কারো কোন ক্ষতি করবে না, শুধু দূর থেকে ‘অ্যাডমায়ার’ করে যাবে।
এখন অনেক বড় হয়ে গেছি। এমন কত কি ভাবতাম মনে করে হাসি পেয়ে যায়।
(শেষের একটা লাইন আমি তুলে নিলাম। আমার এক বড় ভাইয়ের একটা মন্তব্য পেয়ে, যেটা এখানে করা হয়নি, আলাদাভাবে পেয়েছি, মনে হয়েছে হয়তবা শেষ লাইনটা ভুলভাবে ব্যাখ্যা করা হতে পারে যেটা কিনা আমার ভাবনার সাথে মিলবে না। ভাইয়াকে ধন্যবাদ। এবং তাকে জানিয়ে রাখছি আমি আসলেই একজনের মনোযোগ নিয়েই খুশি থাকতে পারি। আমি চাই যেন একজন গুণী মানুষ হই আর সবাইকে যেন গুণ দিয়ে জয় করতে পারি, সবার সম্মান পেতে পারি। এর বেশি কিছু না।)
সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:৫৪ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: হায় সময় থাকতে কেউ জানলো না রে ভাই। :-(
আছ কেমন তুমি?
স্পেলবাইন্ডার বলেছেন:
তবে সবসময়ই সব কথার বড় কথা ছিল, ছেলেকে অবশ্যই ভালমানুষ হতে হবে, কারো কোন ক্ষতি করবে না, শুধু দূর থেকে ‘অ্যাডমায়ার’ করে যাবে।
এই রকমই তো ছিলাম......কিন্তু কেউ কথা রাখেনি.......
লেখক বলেছেন: কথা দিলেই না রাখবে, দিয়েছিল তো ঠিকমত?
লেখক বলেছেন: ![]()
ভাঙ্গন বলেছেন:
আপনার ভাবনা মাঝের অংশের সাথে গ্রামীন ফোনের বিজ্ঞাপনের একটা অংশের মিল পেয়েছি।ক্রিকেট খেলার মধ্যখানে মেয়েরা হেঁটে যেতেই ছেলেগুলো কেমন করে তাকাচ্ছিলো।
...........
আমাদের সময়গুলো এখনো পেরিয়ে যায়নি।
ভাবনাগুলো এখনো তাজা।
.........
লেখক বলেছেন: হ্যাঁ ভাল লেগেছিল বিজ্ঞাপনের ওই অংশে ছেলেগুলোর এক্সপ্রেশান।...আমারও ভাবনা তাজাই, তবে সময় পেরিয়ে গেছে কিনা ভাবছি। ![]()
মহলদার বলেছেন:
কিন্তু এই পুরানো ভাবনাগুলোর লেশমাত্রও অবশিষ্ট নেই এমনটা বলতে গলার জোরও যেন খুব একটা পাওয়া যায় না.........হা হা হা। পোষ্টে মজা পেয়েছি।
লেখক বলেছেন: সত্যি কথা বললাম তো।
লেখক বলেছেন:
থ্যাঙ্কু।
লেখক বলেছেন: একজনের ব্লগে জেনেছিলাম, প্রচারেই প্রসার আর প্রসারেই প্রাপ্তি। তাই আশায় আছি কেউ এসে হাঁড়ি জোড়া লাগায় নাকি। ![]()
কালপুরুষ বলেছেন:
ভাল লাগলো ছেলেদের নিয়ে ভাবনার কথাগুলো।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে কালপুরুষদা।
লেখক বলেছেন:
কালীদাস বলেছেন:
হায় হায়; আমার বেলায় উল্টা হল কেন? যার পেছনে লাগতে গেছি, তারেই দেখছি 'স্টেটাস: অ্যাফেয়ার আছে'! মনের গুপ্ত কুনায় একখানা গদাম খাইলাম!!!
লেখক বলেছেন: কও কি? এইটা কেমনে হয়?
আহমেদ রাকিব বলেছেন:
বহুদিন পর প্রথম পাতার একটা লেখা পরে মনে হলো একটু কিছু না বলে গেলেই নয়। ভাবনা মূলক পোষ্ট ভালো লাগলো। গুছিয়ে লিখেছেন। সাথে মজাটাও ষোল আনা ছিল। আফসোস, একটু বেশি ভাল গোছের ছিলাম। কখনো কাউকে এইটুকু ভালোলাগার অনুভূতিও দেয়া হয়ে উঠেনি। শৈশবটা এমনি। যখন কেটে যায়, কি দারুনই না কেটে যায়। আর যখন বড় হয়ে যাই, তখনো স্মৃতি হয়ে আনন্দ দিয়ে যায়।ভাল থাকবেন।
লেখক বলেছেন: আপনার কথাগুলো ভাল লাগল রাকিব। আসলেই শৈশবটা এমনই। মাঝে মাঝে কষ্টও হয় আর ফিরে আসবে না বলে।
ভাল থাকবেন আপনিও।
ইশতে আশিক বলেছেন:
এটাই নেচ্যার, এটাই বায়োলজি এ থেকে তো পরিত্রানের উপায় নেই।
লেখক বলেছেন: পরিত্রাণ চাই না...
সামিউর বলেছেন:
সুন্দর পোস্ট। স্পেলবাইন্ডার বলেছেন:
তবে সবসময়ই সব কথার বড় কথা ছিল, ছেলেকে অবশ্যই ভালমানুষ হতে হবে, কারো কোন ক্ষতি করবে না, শুধু দূর থেকে ‘অ্যাডমায়ার’ করে যাবে।
এই রকমই তো ছিলাম......কিন্তু কেউ কথা রাখেনি....... /
আসলেই।
লেখক বলেছেন: ঘটনা কি? কারোর কোন কথাই দেখি কেউ রাখে না।
ত্রিশোনকু বলেছেন:
কি সুন্দর, অকপট, সাহসী স্বীকারোক্তি!
লেখক বলেছেন: হাহাহা! সত্যি কথা চাপা থাকে না তো।
স্বপ্নকথক বলেছেন:
কেউ খেয়াল করলোনা রে!!!
লেখক বলেছেন: আমারেও না রে!
লেখক বলেছেন: তাই নাকি? হতেও পারে।
আপনের ফুন লম্বরডা দ্যান আফা (ফাইজলামি
লেখক বলেছেন: ছানার কপালে শিকে ছিঁড়বে কিভাবে? বড় হও ছানা।
ফুন নম্বর দিতে পারি তবে শুধু উইশ না, জন্মদিনে এবং বাকি সব অকেশনে যেন সকালে উঠে একগাদা গিফট পাই বাসার দরজা খুলতেই। ![]()
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মেঘদূত। আনন্দ দিতে পেরেছি ভেবে ভাল লাগছে।
লেখক বলেছেন: আমিও আছি ভালই। ![]()
লেখক বলেছেন: হুঁম ছেলেরাও এমন করে কেউ কেউ ভাবে হয়ত। ![]()
রাতমজুর বলেছেন:
ইয়ে, নাতিন, আমাগো লাহান বুইড়াগো নিয়া কিছু ভাবনা নাই?
লেখক বলেছেন: আমি বুইড়া হয়া নি তারপর বুইড়াগো নিয়া ভাবুম। এখনি কি?
হ্যামেলিন এর বাঁশিওয়ালা বলেছেন:
আসলেই এগুলো সেকেলে ভাবনা। এসব হাবিজাবি না ভেবে পড়াশুনায় মন দেয়াই উত্তম।
লেখক বলেছেন: বলে কি হ্যামেলিন! খানিক হাবিজাবি না ভাবলে আসল ভাবনাগুলো বোরিং হয়ে যায় তো।
একরামুল হক শামীম বলেছেন:
সোহাইলা রিদওয়ান বলেছেন: ব্যাপারটা ভাইস - ভার্সা...... আমার যা মনে হয় ! :-)
লেখক বলেছেন: হুঁমম...
ধ্রুবমেঘ বলেছেন:
তবে সেই ছেলে হতে হবে “নর্মাল ছেলে” অর্থাৎ কিছুতেই কোন গুণ্ডামাস্তার গোছের কেউ না, সে ভদ্র টাইপ হবে, লাজুক হবে এবং পছন্দের কথাটা মুখে বলতে আসবে না, আচার আচরণে প্রকাশ হয়ে পড়বে। এখনকার সুন্দরীগো দেখি পোংটা পোলাগো লগে হাত ধরাধরি কইরা ঘুরতে...
কলেজে পড়ার সময় এক সুন্দরী আমার ক্লাশ রুমের পাশ দিয়া হাইট্টা যাইত তার ভূগোল ক্লাশে। তারে দেখার জন্য বারান্দায় আইসা দাড়াঁইয়া থাকতাম। অবশ্য মুখ ফুইট্টা কিছু বলা তো দূরের ব্যাপার, তার সাথে কোনদিন কথাও হয় নাই। সে কী কখনো লক্ষ্য করছে? কে জানে সুন্দরীরা হয়তো সব কিছু দেখে কিন্তু লক্ষ্য করে না!
তারপরও কেন জানি তারে এক নজর দেখলে ভালো লাগতো। মনে হইত সারাদিনের কাজের রুটিন পূর্ণ হইছে।
লেখক বলেছেন: ঠিকই দেখত বুঝেলন? খুশিও হইত।
আর "এখন অনেক বড় হয়ে গেছি"!!!!!- কত্ত বড়???
লেখক বলেছেন: তত্ত বড় যত বড় হলে এমন ভাবনাগুলোকে ছেলেমানুষি মনে হয়, ঠিক যেন মানায় না। ![]()
হাসান মাহবুব বলেছেন:
আমার ধারনা ছিলো যে কেলাশের সব মাইয়া আমার প্রতিটা মুভমেন্টের দিকে ফ্যালফ্যাল কৈরা চায়া থাহে লেখক বলেছেন: ওররে হিরু...![]()
![]()
![]()
প্রথম ধন্যবাদটা সামহয়ারকে
দ্বিতীয়টা লেখক আপনাকে।
ব্লগ অনেক বিষয়কে নিয়ে কথা বলা সহজ করে দিয়েছে। পরিবেশও চাইলে যে তৈরি করা যায় তাও দেখা গেল।
কথা বলার কত বিষয়ই না আমাদের আছে। বুঝলাম, বলার মত পরিবেশ পাওয়াটাই আসল। আপনি তা সম্ভব করে দেখিয়ে দিলেন। সে হিসাবে প্রথম ধন্যবাদ প্রাপ্য আপনার।
আমি ২৭ নম্বর হিসাবে আগের ২৬টা মন্তব্য দেখে এ'কথাগুলো লেখার সুযোগ পেয়েছি। আপনার লেখা ভাল লেগেছে, সত্যি ভাল লেগেছে।
শিরোনামে "সেকালে" শব্দটা না থাকলেও কিছু হত না - তাই মনে হচ্ছে।
লেখক বলেছেন: হাহাহা! সেকালে শব্দটা লাগবে ভাই। হ্যাঁ ব্লগ কথা বলার পরিবেশ করে দিয়েছে। কিন্তু দেখবেন এই সহজ পরিবেশের কারণে আবার মাঝে মাঝে কেমন ঝগড়া বেধে যায়।
অনেক ধন্যবাদ আপনাকে। ভাল থাকুন।
লেখক বলেছেন: ![]()
![]()
![]()
তুষারকনা বলেছেন:
খিক খিক।ছোটবেলায় একটু বড় হবার পরে (৫ম-ষষ্ঠ শ্রেনীতে পড়ার সময়) ঈদের সময় সমবয়সী ছেলেরা আরো পিচ্চিদের হাত দিয়ে ঈদকার্ড পাঠাতো আর দুর থেকে লুকিয়ে দেখতো।খুব বিরক্তিভাব নিয়ে ওদের কে না দেখার ভান করে (দেখিয়ে দেখিয়ে) কার্ডগুলো ছিঁড়ে পুকুরে ফেলতাম লেখক বলেছেন:
তাই নাকি? নায়কদেরকে এভাবে কষ্ট দিতে পারলে কি করে?
সাদা কালো এবং ধূসর বলেছেন:
অনেক কিছুই বলতে চাইছিলাম, অনেকেই বলে দিয়েছেন, সাতাশ নং কমেন্টে থাম্বস আপ, লেখা দারুন হয়েছে
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ সাদা। ভাল থাকুন। ![]()
সাঈফ শেরিফ বলেছেন:
পুরোপুরি হীরের খনি মনে হল আপনার পোস্টটি পড়ে। এখানেও আবার একমত হওয়া, একটা ‘ভাল’ ছেলে যদি অনেক কাঠখড় পুড়িয়ে ফোন নাম্বারটা যোগাড় করত!
কাঠ খড় পুড়ানো+ ফোনে গালি খাওয়া+ ফোনের পিছনে টাকা খরচ করা = খুব সহসাই ভাল ছেলেকে জন্তুতে পরিণত করা।
সেই সাথে তাদেরকে যেকোন রকম গুজগুজ করতে দেখলেই একটা কপট বিরক্তি-‘এদের সমস্যা কি? মেয়েরা হেঁটে গেলেই আলোচনা শুরু করে। যত্তসব!’
মাঝে মাঝে মনে হয় আশে পাশের সবগুলো ছেলে যদি তাবলীগী হুজুর হয়ে লাইন ধরে আলখাল্লা পরে নত দৃষ্টিতে পথ চলত, মেয়েদের এই পাত্তা পাওয়া আর কপটতা দেখানোর ব্যবসাটা মাঠে মারা যেত। বুক-মাথা চাপড়ে দেবদাসী হবার পথে থাকতো কিনা-সেটিও গবেষণার দাবি রাখে।
সাধুবাদ সহকারে পোস্ট প্রিয়তে।
লেখক বলেছেন: সদ্য ছেলেমেয়ের পার্থক্য ভালভাবে বোঝার পর পাত্তা পেতে সবাই চায়। সে স্বীকার করুক আর না করুক। এটা হল বিপরীত লিঙ্গের প্রতি একটা সহজাত আকর্ষণ।...তবে কথা ঠিক। ছেলেরা সব মুখ নিচু করে চললে 'কপটতা'টা দেখানোর জো থাকত না। আবার মেয়েরা 'হ্যান্ডসাম' দের দিকে মুগ্ধ হয়ে না দেখলে চক্রাবক্রা টি শার্ট সানগ্লাস আর যাবতীয় পোজপাজও মাঠে মারা যেত।...আর প্রকাশ্যে হোক বা নিভৃতে, দেবদাস এবং দেবদাসী যুগে যুগে থাকবেই।
ধন্যবাস সাঈফ।
লেখক বলেছেন: ![]()
রিমঝিম বৃষ্টি বলেছেন:
পড়ে অনেক মজা পেলাম। ছেলেবেলায় ভাবতাম মেয়েরা ছেলেদের একটুও পাত্তা দেয় না। কিন্তু মেয়েরাও যে এত পাত্তা চায়, সেটা বুঝতাম না। আমার ব্লগে একবার ঢু মেরে আসবার নিমন্ত্রন দিয়ে গেলাম।
লেখক বলেছেন: মেয়েরা কমবেশি পাত্তা চায় যদি সেটা কোন সমস্যা তৈরি না করে। ![]()
নিমন্ত্রণ সানন্দে গ্রহণ করলাম। ![]()
রিমঝিম বৃষ্টি বলেছেন:
ছোটবেলায় দুইজনের লাভ লেটার পেয়েছিলাম লেখক বলেছেন: ঠিক আছে কি আর করবেন। এখন আপনার থেকে যারা পেতে চায় তাদের মধ্যে কাউকে দেয়ার মত পাবেন এই আশা রেখে মাঠে নেমে পড়েন।
লেখক বলেছেন:
তুষারকনা বলেছেন:
চুপি চুপি বলি,আমার জীবনের সত্যিকারের নায়কও ছোটবেলায় অন্য একজনের কার্ড আমার হাতে পৌছিয়ে দিয়েছিললেখক বলেছেন: হেহেহে! তুষারকনার কাহিনী দেখি হালকার উপর ঝাপসা জানা গেল। তারপরে কেমনে কি হইল?
রিমঝিম বৃষ্টি বলেছেন:
@তুষারকনাঃ দারুন মজার ঘটনা দেখছি। তবে এমন প্রায়ই হয়ে থাকে। পত্রলেখক বাদ দিয়ে পত্রবাহকের সাথে প্রনয় হয়ে যায়। মনে হচ্ছে তেমন কিছুই ঘটেছে।
সাঈফ শেরিফ বলেছেন:
আবার মেয়েরা 'হ্যান্ডসাম' দের দিকে মুগ্ধ হয়ে না দেখলে চক্রাবক্রা টি শার্ট সানগ্লাস আর যাবতীয় পোজপাজও মাঠে মারা যেত।এভাবে বললে তো মুস্কিল, ম্যাডাম! এতকালের প্রজাতিগত লাজ-লজ্জা শিকোয় তুলে নিস্পলক তাকিয়ে থাকবার মত অবস্থা অভাগীজন ছাড়া আর কারো হয় বলে জানা নেই। ছেলেদের যন্ত্রণায় ত্যক্ত-তিষ্ট সুন্দরী মেয়েদের মাঝে পুরুষের ব্যাপারে "মুগ্ধতা" জিনিসটা ঠিক কাজ করতে চায়না। সুদর্শন ছেলেদের ব্যাপারেও কথাটি সত্য। দেমাগ বাড়লে ১২ টা ছেলেকে ঘুরিয়ে আব্বু-আম্মুর পছন্দ মত ১৩ নম্বরটাকে বিয়ে করব ধরনের ছেলে মানুষিও কম হয়না।
আর মাস্তান-ডিজুস প্রজাতির চক্রাবক্রা টি শার্ট, সান গ্লাস, হাতের ব্রেসলেট, সিগারেট যে হ্যান্ডসাম হবার প্রসাধনী বা মেয়েদের মুগ্ধ করে, সেটিও আজ প্রথম শুনলাম।সেলিব্রেটি পাগল মেয়েদের নতুন প্রজন্ম কি এত সহজে ডিজুস মাস্তানকে হ্যান্ডসাম ভেবে মুগ্ধ হবে!
লেখক বলেছেন: ভাই সাঈফ, আপনি চক্রাবক্রা টিশার্ট আর সানগ্লাস পরার মধ্যে ডিজুস মাস্তানি কেন পেলেন বুঝতে পারিনি। সানগ্লাস দরকারি একটা অনুষঙ্গ আর ডিজাইন করা টিশার্ট মানুষ পরতেই পারে। আমি ব্রেসলেট আর সিগারেটের কথা কোথাও লিখেছি বলে দেখলাম না। ছেলেরা কেবল মেয়েদের ত্যাক্ত বিরক্ত করে এটাও বোধহয় ঠিক না। মুগ্ধ হওয়া দোষের কিছু না আর সুন্দরের দিকে কেউ দেখেই না এটা আমি মানতে পারলাম না। এটার জন্য নিষ্পলক তাকানোর দরকার পড়ে না কিংবা তাকে বস্তুর মত মনে করে ড্যাবড্যাব করে চেয়ে থাকার মানসিকতা নিয়েই কারো দিকে তাকায় এটাই বা কি করে বলি?
এখনকার মেয়েরা কি দেখে পছন্দ করে আমি ঠিক জানিনা, কারণ আমি কিছুটা আগেরই মানুষ। তবে ছেলেমেয়ে উভয়ের ক্ষেত্রেই আজকালকার অনেক উদ্ভট সাজপোশাক আছে যেগুলোর ব্যবহার ব্যঙের ছাতার মত না ছড়ালেই ভাল।
আপনি সবকিছুকে যেই অর্থে সিরিয়াসলি নিয়েছেন বিষয়টা সেটা নয়। আমি কমবয়সের ভাললাগা পাওয়ার সেই খুশিটার কথাই লিখেছি যেটা ছেলেমেয়ে উভয়ের বেলাতেই একটা সময় কাজ করে এবং যেটার থেকে কোন পক্ষ ক্ষতিতে পড়ে না।
লেখক বলেছেন: প্রব কি? বানাক না!
ক্লাস সেভেনে পড়ার সময়, বিকেলে ঐ বয়সী ছেলেমেয়েরা মিলে হাডুডু খেলছি। দূরে কোথাও হয়ত মুরুব্বীরা তা লক্ষ্য করছিলেন অথবা না। আমার অপজিট দলে আছে আমাদের পাড়ারই এক সমবয়সী মেয়ে, বেশ মোটাসোটা। আমি ওদের কোর্টে গিয়ে হাডুডু করতে করতে ওদের দলের দুজনকে ছুয়ে চলে আসার মুহুর্তে সেই মেয়েটা এমন পাজকোলা করে জাপটে ধরেছিল যে আমার দম শেষ। ঘটনা হয়ত এখানেই শেষ হত কিন্তু হলো না। এরপর, পাড়ার বড় ভাইয়েরা এটা নিয়ে আমাকে টিটকারী দেয়া শুরু করল। আমি যতই বলি আমাকে জাপটে ধরেছে তো কী হয়েছে ওরা ততই বলে ও তো মেয়ে। কিছু বুঝি নাই বাসায় চলে এসেছিলাম।
পরবর্তিতে আমার দুদিন লেগেছিল ব্যাপারটা বুঝতে।ফলাফল: এক বিরাট শক। এরপর থেকে মেয়ে বন্ধুদের সাথে আগের মত সহজ স্বাভাবিক হতে পারেনি।
আমার আপন দুই বড় বোন আছে, ওদের জন্য বেচে গেলাম। ওরা যথেষ্ট সাহায্য করেছিল এই শক থেকে বের হতে।
আমার এখনকার মূল্যায়ন হলো, বড় বোনেরা আমার মানসিক বিকাশে বড় ধরণের ভুমিকা রেখে আছে। এখনও আমি কী করি কী করি না - তা কেন করি না বুঝার চেষ্টায় হাতড়াতে থাকলে এক সময় টের পাই বড় বোনদের কল্যাণে আমার ভিতরে ছোট্ট এক কোনায় আসন গেড়ে বসে আছে এক নারী - সেই ঠিক করে দেয় আমি কি করব কী করবো না।
লেখক বলেছেন: আপনার গল্পের শুরুটা মজার। শক কাটিয়ে উঠেছেন শুনে ভাল লাগছে। আসলে সবাইকে তো মিলেমিশে বোঝাপড়ার মাধ্যমেই চলতে হবে। নারীপুরুষ উভয়ের মধ্যে পরষ্পরের জন্য সম্মানবোধ থাকবে সবার উপরে, এমনটাই চাওয়া। ভাল থাকুন আপনি।
লেখক বলেছেন: ![]()
রিমঝিম বৃষ্টি বলেছেন:
@তুষারকনাঃ কৌতুহল ত আরো বাড়িয়ে দিলেন। কি করা যায় বলুন ত?
লেখক বলেছেন:
লেখক বলেছেন: গল্পটা শুনিয়ে দিন একদিন। ![]()
মুনশিয়ানা বলেছেন:
আহারে, এত দেরি করে এই পোষ্ট দিলেন, কয়েক বছর আগেও যদি আপনার এই পোষ্টটা পড়তাম... আমি তো ভাবতাম মেয়েরা বুঝি সত্যি সত্যিই...
লেখক বলেছেন: বেটার লেট দ্যান নেভার। ![]()
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ দীপান্বিতা। ![]()
বিপ্লব কান্তি বলেছেন:
হুম
লেখক বলেছেন: হ্যাঁ।
ঢাকাইয়া টোকাই বলেছেন:
একটি মেয়ের চিন্তা ভাবনা জানতে পেরে খুশি হলাম। বাট ১৩ ইয়ারস টু লেট।
লেখক বলেছেন: আহারে! জানলে তো আগেই জানাতাম। ![]()
লেখক বলেছেন: ধন্যাপাতা মাম্মা। কষ্ট করে কথা নিজেই দাও, তারপর রাখ। ![]()
সুবিদ্ বলেছেন:
ভালো লাগলো
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ সুবিদ।
যীশূ বলেছেন:
আসলে টিনএজের ভাবনাগুলোই দারুন। তারপর যতই সময় যায় সবকিছু কেমন যেন রুক্ষ হয়ে যায়। যাইহোক, ভালো লাগলো আপনার লেখাটা। লেখক বলেছেন: থ্যাঙ্কস যীশূ। আপনার সাথে একমত। দারুণ সময় টিন এজ, না ছোট না বড়। ভাল থাকুন।
লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ আরাফাত ভাই।
মিলিয়ে নিন.........
কখন যে কোন মেয়ে বলেছিল হেসেঃ
নাবিক তোমার হৃদয় আমাকে দাও,
জলদস্যুর জাহাজে যেয়ো না ভেসে
নুন ভরা দেহে আমাকে জড়িয়ে নাও।
জল ছেড়ে এসো প্রবালেই ঘর বাঁধি
মাটির গন্ধ একবার ভালবেসে
জল ছেড়ে এসো মাটিতেই নীড় বাঁধি
মুক্তো কুড়াতে যেয়ো না সুদূরে ভেসে।
সে তো বলেছিলো, নীল পোশাকটি ছাড়ো
দু’চোখে তোমার সাগরের ফেনা মাখা,
আকাশের রঙ হৃদয় কি এতো গাঢ়?
গাঙচিল-মন ঢেউয়ে ঢেউয়ে মেলে পাখা!
(আমাকে তখন বললো দুলিয়ে শাখা
দূর পাহাড়ের অতিকায় এক পামঃ
গাঙচিল-মন বন্ধ করো না পাখা
ওদের হৃদয়ে কখনো এঁকো না নাম।)
স্বপ্নের মতো মেয়েটিকে বলি শোনো,
ঢেউয়ে ভেসে গিয়ে নামবো গিয়ে অথৈ তলে,
কেনো মিছিমিছি তটের বালুকা গোনো
নেমে এসো সাথে মাণিক কুড়াবো জলে।
মেয়েগো হৃদয়ে সাগরের সুরজাল
জীবন কেটেছে কত তাইফুন ঝড়ে
জলদস্যুরা করবে যে গালাগাল
জন্ম নিয়েছি জলদস্যুর ঘরে।
এই পোষ্টের কন্টেন্টের সাথে মিলে গেল কি?
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ তায়েফ। এই কবিতাটাই। পোস্টের কন্টেন্টের সাথে মিলল না বোধহয়। তবে অনেক দিন পর কবিতাটা আবার পড়তে পেয়ে খুব খুশি হলাম।
লেখক বলেছেন:
লেখক বলেছেন: দেখলাম সালু। অনেক ধন্যবাদ। আমার ব্লগজীবনের প্রথম স্বীকৃতি। ![]()
লেখক বলেছেন: ![]()
![]()
লেখক বলেছেন: একটা পোস্ট দিলাম তো। ![]()
নুভান বলেছেন:
" তবে সেই ছেলে হতে হবে “নর্মাল ছেলে” অর্থাৎ কিছুতেই কোন গুণ্ডামাস্তার গোছের কেউ না, সে ভদ্র টাইপ হবে, লাজুক হবে এবং পছন্দের কথাটা মুখে বলতে আসবে না, আচার আচরণে প্রকাশ হয়ে পড়বে।" -আল্লাহ বাচাইছে আমি গুন্ডা মাস্তান না।
লেখক বলেছেন: ছবি দেইখাই তো ডর লাগতেসে। নর্মাল ছেলে বইলা তো মনে হয় না।
লেখক বলেছেন:
আশরাফুজ্জামান বলেছেন:
“ছেলেরা পেছনে লাগলে ভালই লাগে, না রে?”আহা কি মজার দিনই না ছিল! কিশোরকাল।
তবে সবসময়ই সব কথার বড় কথা ছিল, ছেলেকে অবশ্যই ভালমানুষ হতে হবে, কারো কোন ক্ষতি করবে না, শুধু দূর থেকে ‘অ্যাডমায়ার’ করে যাবে।
অকপট স্বীকারক্তি- ভালো লাগল।
এই প্রথম, মেয়েদের এসব তথ্য জানতে পারলাম।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই। ![]()
কিন্তু ছেলেরা অনেকেই বলল মেয়েদের এই বিষয়টা তারা জানতো না। আফসোস। এই না জানার কারণে কত কলি অকালে ঝরে গেল।
বোহেমিয়ান কথকতা বলেছেন:
মজার ব্যাপার হচ্ছে আমি এই কথা গুলাই একটা রম্য রচনায় লিখছিলাম সে দিন!! মেয়েরা না তাকালে হতাশ হয় টাইপ
তবে আসল কাহিনী হইতেছে ,late কইরা ফেল্লাম বিষয়গুলা বুঝতে!!
আমি শুধু নর্মাল ভদ্র/ভালু না! চ্রম ভদ্র+ভালু!!!
কেউ অবশ্য বিশ্বাস করে না!!
++
লেখক বলেছেন: ভালু হউয়া ভালু নয়।
অন্ধ দাঁড়কাক বলেছেন:
টিনএজের ভাবনাগুলোই দারুন। একটি মেয়ের চিন্তা ভাবনা জানতে পেরে খুশি হলাম। এইসবতো আগে বুঝতামনা!!!!
লেখক বলেছেন: হেহেহে! এখন বুঝলেন তো! ![]()
লেখক বলেছেন: হেহেহে! এখন বুঝলেন তো! ![]()
লেখক বলেছেন: হেহেহে! এখন বুঝলেন তো! ![]()
হায়রে দুনিয়া বলেছেন:
ধুরু, এই ব্লগটা পাইলাম অনেক দেরীতে। যখন পাইলাম তখন অন্য এক ব্লগ থেকে জানতে পারলাম যে আপনার বিয়ে হয়ে গেছে।নাহলে অনেক কাঠখড় পুড়িয়ে ফোন নাম্বারটা যোগাড় করে ফোন করে অবাক করে দেয়ার মত কথা বলতাম যেগুলো কারো খেয়াল করার কথা না, জন্মদিনের দিন হ্যাপি বার্থডে উইশ করতাম।
এখন আর খামাখা পয়সা এবং শ্রম নষ্ট করার মানে নাই
লেখক বলেছেন: আহারে! কি মিস! লক্ষ কোটি হৃদয়ফাটা মজনুর কাতারে আরেকটি নাম যোগ হল। ![]()
লেখক বলেছেন: আহারে! কি মিস! লক্ষ কোটি হৃদয়ফাটা মজনুর কাতারে আরেকটি নাম যোগ হল। ![]()
লেখক বলেছেন:
![]()
ইষ্টিকুটুম বলেছেন:
আপুনি, কথাটা বলেছ সত্যই। এই ধরনের ভাবনা তাদের সবারই আসে যাদের খুব এইরকম কাউকে পাওয়ার ইচ্ছে থাকে; খুব ভালোবাসতে মন চায়। কথাটা আমি কিন্তু, খারাপ সেন্সে বলিনি। ভালো লাগলো। কারন এইরকম ভাবনার সাথে আমি নিজেও কিছুটা...
ঈদের শুভেচ্ছা রইলো।
লেখক বলেছেন: আর আমি তো এইরকম ভাবনার সাথে পুরাই মিলেমিশে ছিলাম। হি হি। তোমাকেও ঈদের অনেক শুভেচ্ছা ইষ্টি।
আসিফ মুভি পাগলা বলেছেন:
লেখাটা পড়ে ভাল লাগল । লেখার গুণ নাকি পরীক্ষা সামনে এই জন্য ভাল লাগল বুঝলাম না ""পরীক্ষার আগের রাতেই মুভি দেখার উপযুক্ত সময়'' । -আসিফ মুভি পাগলা
লেখক বলেছেন: মনে হয় পরীক্ষার গুণ। পরীক্ষা বিকালে থাকলে পরীক্ষার দিন সকালও মুভি দেখার উপযুক্ত সময়।
রিমন০০৭ বলেছেন:
তবে সবসময়ই সব কথার বড় কথা ছিল, ছেলেকে অবশ্যই ভালমানুষ হতে হবে, কারো কোন ক্ষতি করবে না, শুধু দূর থেকে ‘অ্যাডমায়ার’ করে যাবে। ভাল লাগল
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ রিমন।
মোঃ গোলাম কিবরিয়া বলেছেন:
ওয়াও!!!!!!!!! অসাধারন ............... অপূর্ব..........অনেক ভাল লাগছে আপু.. মনে হল ক্লাস টেন এ পড়ার সময়ে ফিরে গেলাম। স্কুল ছুটি হলে পাশের গার্লস স্কুল এর মেয়েদের দেখার জন্য যখন দাড়ায়ে থাকতাম রাস্তার পাশের আমাদের স্কুল এর দোতালার বারান্দায় , তখন দেখতাম আমাদের দেখে আমাদের সাথে যারা প্রাইভেট পড়ত ওরা মুখ টিপে হাসত । সৌভাগ্য ক্রমে ওদের মাঝের একজন আমার খুব ভাল বন্ধু এখন। আগের কথা মনে পরলে অনেক হাসি পায় লেখক বলেছেন: হাহাহা ঠিক। অনেক মজার ছিল সেই সময়গুলি। সামনের সময়গুলিও ভাল কাটুক এই শুভকামনা।
যে শহর চোরাবালি বলেছেন:
দেখেন তো আপু আমার খোমাডা গুন্ডার লাহান নাকি? তয় আপু যা লেখসেন
লেখক বলেছেন: হে হে সানগ্লাস থাকলে ওই সময় গুন্ডাই লাগত।
আপনারে ধইন্যা।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...



























ইন্টারেস্টিং ভাবনা তো