আমার প্রিয় পোস্ট
- আয়না সুন্দর ও নীলছুরি - মুক্তি মণ্ডল
- জলের কাছে - অ রণ্য
- বিখ্যাত কোম্পানীর লোগো পরিবর্তন - তুষারপাত
- হাইব্রীড বীজ নিয়ে আশঙ্কা সত্যি হলো এবার 'সত্যিরা' ভয়াবহ আতঙ্ক ছড়াচ্ছে ! - মনজুরুল হক
- দুইরকম তারুণ্য - সুমন রহমান
- ঈশ্বরের লাশ - অ রণ্য
- ইন্টারনেটের প্রকৃত ইতিহাস - ১ম পর্ব (ব্রাউসার যুদ্ধ) - নাফিস ইফতেখার
- নিজস্ব প্রজাতির ভাষা - নাজনীন খলিল
- সেক্টর কমান্ডারস ফোরাম প্রকাশিত যুদ্ধাপরাধীর তালিকা: যে নামগুলো চিনে রাখা জরুরি - মুনীর উদ্দীন শামীম
- চিংড়িঘের : নোয়াখালীর উপকূলে বিপর্যয়ের আশঙ্কা - মাহমুদুল হক ফয়েজ
- নারী অধিকার লংঘন ও প্রতিকার: যৌনপীড়ন - খোকন জিও
- স্তন ক্যান্সার চিহ্নিত করার উপায়-- স্তন পরীক্ষার সহজ ৫টি ধাপ - মিছে মন্ডল
- স্নানঘর থেকে শুরু... - সোমেশ্বর অলি
- স্তন ক্যান্সার নিয়ে জনসচেতনতা এবং তা নিয়ে আমাদের সবারই জানার আছে অনেক কিছু - জটিল
- আমাদের মাতৃগর্ভগুলি এই নষ্ট দেশে..... - মনজুরুল হক
- কালোঘোড়া - মুক্তি মণ্ডল
- শরৎ - মেঘ দূত
- হাতুড়ে গদ্য-২ (সময়ের কবিতা) - বৃত্তবন্দী
- দেবদূতের মত এসে দাঁড়ালেন অন্নদাতা - মনজুরুল হক
- জীবন খুঁজে ফিরি (কবিতা) - নাজনীন খলিল
- ভালো লাগা প্রিয় কবিতারা-৪৪ ( আপনি বলুন, মার্কস --মল্লিকা সেনগুপ্ত ) - আবদুর রাজ্জাক শিপন
- হারিয়ে যাওয়া দুপুর এবং পড়শীর নাকফুল - সুলতানা শিরীন সাজি
- কম্পিউটারের গতি কমার কারন ও গতি বৃদ্ধির কিছু কৌশল [খন্ড- ২] - মোঃ শরিফুল ইসলাম সবুজ
- শহরীয় নকশি কাঁথা - আমি ও আমরা
- অর্কেষ্ট্রা - প্রণব আচার্য
- ট্রান্সকম (আলো-স্টার) গ্রুপ চলে উলফার টাকায়!! - আওরঙ্গজেব
- পথ ও সুড়ঙ্গ - সোহেল হাসান গালিব
- নষ্টালজিয়া (একটা চিঠি) - আমি ও আমরা
- স্বপ্নবাজ চাতক - আমি ও আমরা
- কাল রাতে শব্দগুলো জ্বলে ঊঠেই নিভে গেল ... - সিহাব চৌধুরী
- মা এভাবে আমার কাছে কিছু চেয়েও না, আমার লজ্জা লাগে! - হমপগ্র
- দ্বীপান্তরে - প্রণব আচার্য
- আনন্দ ভ্রমন - প্রণব আচার্য
- আমাদের নতুন উপহার: যে কোন সাইটে ফোনেটিক কিবোর্ড - নোটিশবোর্ড
- তোমায় নিয়ে কবিতা লিখব বলে - অন্তিম
- আবার যুদ্ধ হলে আমি রাজাকার হব... - মো. তারিক মাহমুদ
- মা তোমায় মনে পড়ে(বন্ধু তোমায় মনে পড়ে) - সুলতানা শিরীন সাজি
- একক স্বপ্নের চৌকাঠ - বৃশ্চিক
- কবিতার খুচরাংশ - আমি ও আমরা
- তোমরা আমাকে আর একবার - নিয়ন আলোয় বাউল
- প্রেমাংশুর প্রত্যাবর্তন - আকাশচুরি
- যদি দালাল হতে পারতাম। - বিহংগ
- অভিশাপ নারে আশীর্বাদ দিমু (উৎসর্গ : প্রিয় ব্লগার সামী মিয়াদাদ কে) রি-পোস্ট - উত্তরাধিকার
- টস্ বৃত্তান্ত !! @ প্রিয় ব্লগার সবাক ! - উত্তরাধিকার
- আগেকার লেখা কিছু কবিতা ৩ - প্রণব আচার্য
- লাবণী পয়েন্ট - চিটি (হামিদা আখতার)
- বাণিজ্যিক পিছুটান। - রাতিফ
- জীবনানন্দ দাশ : 'বনলতা সেন' কাব্যগ্রন্থ - একরামুল হক শামীম
- জীবন মু্দ্রা। - রাতিফ
- একটি হারানো বিজ্ঞপ্তি - মুকুল
- সে এসেছে - আশরাফ মাহমুদ
- ফিরে দেখুন আমাদের ইতিহাস - ৭ - নামহীন মানব
- ফিরে দেখুন আমাদের ইতিহাস - ৬ - নামহীন মানব
- বুদ্ধদেবের কিছু কবিতা... - নীল নিঃসঙ্গতা
- "শত্রু তুমি পালাও!" - রাগ ইমন
- আমি নাস্তিক। - পুতুল
- এলোমেলোতায় - সুলতানা শিরীন সাজি
- সকল জামাত বিরোধী, রাজাকার বিরোধী পোস্টের সংকলন। - হ্যারি সেলডন
- সহীহ মুসলিম মতে গোলাম আজম, নিজামি, মুজাহিদ, সাইদী এবং অন্যান্য জামাতিদের ইমানের স্তর। - হ্যারি সেলডন
- মা, তুমি তৈরী থেকো। - রাতিফ
- আপনি যেভাবে ব্যর্থ হয়েছেন - প্রণব আচার্য
- মুক্তি পেয়েও আরিফের ফেরারী যাপন - অমি রহমান পিয়াল
- নাটক : তুই রাজাকার - সবাক
- সব ব্লগার বন্ধুদের জন্মদিন বিষয়ক একটি জরিপ - মিলটন
- গডফাদার - মানব মানিক
- নবীনদের জন্য - নাদান
- আমার মায়ের সাতটি মিথ্যা কথা - প্রত্যুৎপন্নমতিত্ব
- মা (একটি সত্য ঘটনার আলোকে) - সবাক
- হুমায়ুন আজাদের জন্মদিনে তাঁর ‘ছাপ্পান্নো হাজার বর্গমাইল’ উপন্যাসের কিছু অংশ... - মুকুল
- প্রিয় কবি হুমায়ুন আজাদ - রিয়াজ শাহেদ
- তসলিমার পক্ষে বলছি - সবাক
- অমর একুশে'র ভাষা সৈনিকদের তালিকা - স্বাধীন বাংলা
ব্লগ উপন্যাস : ভূমিপুত্র পর্ব-২
০৭ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:৫২
ভূমিপুত্র (গল্প) পর্ব-১
আজ একটু তাড়াতাড়িই হোটেল থেকে বেরিয়ে এসেছে। বারী্গ্রামের কালী মন্দিরের গেইটে চা'য়ের দোকানে বসে চা খাচ্ছে জয়। আর দোকানের মালিকের সাথে কথা বলছে। এমন সময় একটা লোক এসে বললো, চিরন্ময় দাস নাকি জয়কে দাসবাড়িতে যেতে বলেছেন। লোকটি চলে যাবার পর দোকানী জয়কে একটু সাবধান করে দিলেন। কিন্তু সাবধনতা কেন? তাই জয় বুঝতে পারলো না। অবশ্য জয়'র মনে কোন ভয় কাজ করছে না এই মূহুর্তে। বরং ভালোই লাগছে, কারণ এই পাড়ার শীর্ষ ব্যক্তি তাকে খবর পাঠিয়েছে। একবার যাওয়া দরকার। উনার কাছ থেকে অনেক কিছু জানা যাবে।
বাড়ির উঠোনে পুত্র আর নাতিদের নিয়ে বসে বিকেলের খোশ গল্পের আসরে চিরন্ময় দাস। প্রতিদিনই এভাবে বসা হয়। এটি এ বাড়ির ঐতিহ্য। বিকেলের এ সময়টাতে পূর্বপুরুষদের দাপট আর ব্যক্তিত্বের কীর্তন হয় এখানে। একটি বিষয় পুরোপুরি দাস বাড়ির পক্ষে, যা সাধারনত দেখা যায় না। এ বাড়ির সব পুরুষই একই মানসিকতা সম্পন্ন। গোঁয়ারতুমি, অন্যকে হীন করে আচরণ করা, অপরের সম্পদ লুন্ঠনের ইচ্ছা, সবই দাসবাড়ির মাটির সাথে মিশে আছে।
চিরন্ময় দাস যখন মনে মনে জয়'র আগমন কামনা করছেন, তখনই জয় দাস বাড়ির উঠোনে পা রাখলো। কর্তাও তখন জল চৌকি থেকে উঠে জয়'কে স্বাগত জানালেন, যদিও মনের মাঝে বিষ বিছিয়ে রেখেছেন উঠোনে পাতা শীতলপাটীর মতো। জয়কে শীতলপাটীতে বসতে বলে নিজের জলচৌকীর আসনে বসলেন চিরন্ময় দাস। এই পাড়ায় জয়'র আগমনের হেতু জানতে পেরে দাস বাবু জানালেন, " আরে বেটা শুন, জাত নিয়ে টানাটানি কি আর আমার মতো সুশীলেরা করে? ওসব তো চাষাদের কাজ। যারা কর্মে নিম্ন তারাইতো জাতে নিম্ন। অথচ আমার কামলা আমাকে জাত তুলে কথা বলে! আরে আমি দাস হয়েছি বলে কি পঁচে গেছি? এই তল্লাটে আমার চেয়ে আর কেইবা ধনী আছে। আচ্ছা বাবা বাদ দাও, কি খাবে বলো? ঘরে গুড়ের সন্দেশ, নারকেলের নাড়ু আর গাছের চম্পা কলা আছে। তোমার দিদি মনিকে বলেছিলাম একটু কালাজিরার পোলাও আর কাতলের মুড়িগন্ড করতে, কিন্তু বেচারীকে দেখতে আজ ডাক্তার এসেছে দুইবার।" দাস বাবুর কথামালা ভালোই উপভোগ করতেছিলো জয়। কিন্তু সেও আর বেশিক্ষণ বসলো না। ক'টা সন্দেশ আর একগ্লাস জল খেয়ে দাস বাড়ি থেকে বেরিয়ে পড়েছে জয়। এবার একটু গ্রাম দেখবে।
পাড়াটি আসলেই খুব সুন্দর। অপর আট দশটা হিন্দু পাড়ার মতো নয় এখানটার হালচাল। একটা গ্রামের পুরো অর্ধেক জুড়ে এই পাড়ার অবস্থান। সুদৃঢ় সমাজ তাদের।
শক্তিশালী না হলেও নড়বড়ে পঞ্চায়েতও আছে। সমাজ, সমাজপতি, উপাসনালয়, ঠাকুরবাড়ি সবই আছে। নেই শুধু রাশভারী কিছু জাত উপজাত। যেমন, গঙ্গোপাধ্যায় (পাধ্যায় সমূহ), ধর, কর্মকার, বিশ্বাস, ভট্টাচার্য না থাকলেও ভট্ট এবং আচার্য্য আলাদা আলাদা ভাবে আছে,। সূত্রধরের সূত্রের ভগ্নাংশটা ধরে রেখেছে ঝন্টু সূত্রধর। নেই নেই অনেক কিছুই নেই। কিন্তু গোত্রীয় টাইটেল কম থাকলেও তা নিয়ে বৈষম্যের কোন কমতি নেই। সুচারু এবং সুক্ষতর নোংরা ফ্যাসাদ তাদের প্রাত্যহিক রুটিন। "ডার্টি পার্ট অব সোসাইটি"। ডার্টি শব্দের সাথে থার্টি শব্দের উচ্চারণের ছন্দে হুবহু মিল। যদিও অর্থের গোঁজামিল। কিন্তু থার্টি পিস দাসের দাপটে পুরো পাড়া কিঞ্চিত ডার্টি সবসময়। বিত্তের অভাব তাদের কোন কালেই ছিলো না। কিন্তু চিত্তটা নিতান্তই সংকুচিত। চিত্তের ষ্টোরে ব্ল্যাংক স্পেস এক্সট্রা চর্বিতে ভরা। সাধারণের জন্য তা কেবলই হার্মফুল অয়েল। কদাচিৎ যদি সাধারনের বুকের সাহস বেড়ে গলাটা প্রতিবাদী হয়ে যায় তবে দাস টাইটেলের দোপেয়াজ রান্না করে ছাড়ে। তাদেরতো এই সম্বল, অপেক্ষাকৃত নিম্ন শ্রেনীর দাস টাইটেলের অধিকারী হয়ে দিনমজুর লালু সেনের হাতে কি হেস্ত নেস্তই না হলো চিরম্নয় দাস। অথচ শুধু এ পাড়াতে নয়, পুরো তল্লাটে এমন অর্ধেক বিত্তের মানুষও খুজে মরা অনর্থক এবং বাহুল্য।
জাত বৈষম্য যতোই থাকুক তা ঐ পাড়ার ভেতরই থাকে। নিজস্ব অবস্থান, জাতি সত্ত্বা, নাগরিক অধিকার সবই তারা জানে। এও জানে যে, তারা সনাতন ধর্মালম্বী এবং বাংলাদেশী। সংখ্যাগুরুও নয় আবার সংখ্যালঘুও নয়। দেশপ্রেম, অধিকার, নাগরিক দ্বায়িত্ববোধকে কখনোই সংখ্যাতত্বের অধীনস্ত করা যায় না। ধর্মীয় পরিচয়ের ভিন্নতা দিয়ে জাতিকে ভাগ করার নিয়ম এখানের অনেক হিন্দুর শাস্ত্রেই নেই। এটা কোন রূপ বা খোলস নয়। যখন দেখবেন রাম ঠাকুর বা লোকনাথের ছবির পাশে বাংলাদেশী কোন ক্রিকেটার বা দেশের কোন দর্শনীয় স্থানের ছবি ঝুলছে, থকন নিশ্চিতভাবেই জেনে যাবেন দেশপ্রেমে কখনওই ধর্ম গুরুর অবমাননা হয় না।
এই পাড়ার অধিকাংশ মানুষই পান চাষের সাথে জড়িত। পানচাষীদের স্থানীয় ভাষায় "বারী " বলা হয়, তারই সূত্র ধরে পাড়ার নাম "বারীগ্রাম"। ছোট বড় দুইশ'র উপর পানের বাগান আছে এই গ্রামে। পানের বাগান ছাড়াও গ্রামের বৈশিষ্টে নিবিড়ভাবে জড়িয়ে একটি প্রকৃতির দান। বারীগ্রামের ঠিক বুকের মাঝখান দিয়ে শতবর্ষের স্বাক্ষি হয়ে বয়ে গেছে কৃষ্ণমহুরী খাল। মেঘনা নদী থেকে বড় হয়ে আসা হিজলী খালের মাথা থেকে শুরু হয়ে চিপচিপে শরীরের কৃষ্ণমহুরী মিশে গেঝছে হিজলী খালের লেজের সাথে। যাওয়ার সময় নিংড়ে নিয়েছে প্রায় ২৫টি গ্রামের বুকের উত্তাপ। ভাগ করে গেছে সমাজ ও সামাজিক জীবন। খাল এবং খালপাড়ের জীবন প্রাকৃতিক অলংকার হলেও বাস্তবে কিছুটা নাক সিঁটকানো।
সেই শুরুতে খালের দুপাড়ে গভীর বাঁশঝাড়। এর একটু এলেই ময়নামতি বিলের শেষাংষের পাড়ে সুদীর্ঘ কাশবন, আর উত্তর পাড়ে মিয়াবাড়ির পেছনের অংশে ঝাউবন। তারপরেই জলপাই ডাঙ্গা আর মাছিমপুর গ্রামের বন্ধনী একেবারেই নতুন লোহার পুল। পুল শেষে এগিয়ে এলেই শুধু তাল খেজুরের গাছ। খালের এ অংশের পানি বেশ স্বচ্ছ। দুপাড়েই বিস্তৃর্ণ চারণভূমি। গরু চাগল আর মহিষের পাল সীমাহীন মগ্নতায় সকাল থেকে সন্ধ্যে পর্যন্ত ঘাস গ্রহনে ব্যস্ত থাকে। কাব্যিক বর্ণনার রাখাল, বাঁশি আর সুরের বাস্তবিক প্রকাশ এখানে। এখানে এসেই খালের পানি হয়ে যায় প্রকৃতির রস। সৌন্দর্য এখানে ছুয়ে যায় উদারতার শীর্ষ চূড়া। প্রকৃতিই একমাত্র দাতা যার দান কখনওই করুণা নয়। কোনরূপ কৃপণতা নয়, নয় কোন স্বার্থপরতা। এ যে কেবলই বিলিয়ে দেয়ার জন্য। হিজলী খালের গর্ভ থেকে ভূমিষ্ঠ হয়ে মাথা বোঝাই রূপ নিয়ে জলভর্তি খালের বেশে প্রাপ্ত যৌবনা উদাসী কোন নারী সাঁপের মতো এঁকেবেঁকে এ পথেই চলছে শতবছর ধরে। তারই দেহের ভাঁজে ভাঁজে অলংকার হয়ে গেঁথে আছে ঘন বাঁশ ঝাড়, কাশবন, ঝাউবন, তালখেজুরের সারি, আর তার হৃদয়ের বারতা নিয়ে ছুটে চলে ছান্দসিক জলরাশি।
চলবে...
প্রকাশ করা হয়েছে: গল্প বিভাগে ।
রুবেল শাহ বলেছেন:
শুভেচ্ছা রেখে গেলাম লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ দোস্ত।
ভালো থাকিস।
রাতমজুর বলেছেন:
সাইন মাইরা গেলাম।
লেখক বলেছেন: ![]()
![]()
মাইর খাওনের হাতেরতুন বাঁইচলাম।
লেখক বলেছেন: ভালোই........
একটা কবিতা মনে হয় মিস করেছেন![]()
তামো ব্লগ বলেছেন:
লেগেছে ভালো
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
ভালো থাকুন।![]()
ইমরান মামা বলেছেন:
ধারাবাহিক.... কেন ? প্লিজ ফুল কপি মেইল করুন
লেখক বলেছেন: গল্পটিতো পুরো লেখা নেই![]()
আচ্ছা ঠিক আছে আপনাকে এখানে এসে পড়তে হবে না, লেখা শেষ হলেই মেইল করবো।
উত্তরাধিকার বলেছেন:
আমি মুগ্ধ সবাক !
এই জায়গাটাতো ক্লাসিকাল-
' "ডার্টি পার্ট অব সোসাইটি"। ডার্টি শব্দের সাথে থার্টি শব্দের উচ্চারণের ছন্দে হুবহু মিল। যদিও অর্থের গোঁজামিল। কিন্তু থার্টি পিস দাসের দাপটে পুরো পাড়া কিঞ্চিত ডার্টি সবসময়। '
আর তোমার বর্ণনায় - চারপাশের পরিবেশ আর মনোরম প্রকৃতি এত মোলায়েম হয়ে এসেছে যে; শেষ হয়ে যাওয়ার পরও তৃষ্ণাটা গলা'র কাছে এসে ঠেকে থাকে।
পরেরটা কখন ওস্তাদ...?
পিপাসার্তকে জল দাও হে গুনী ~
লেখক বলেছেন:
তোমার মন্তব্যটাইতো ১০ বারের উপ্রে পড়লাম।![]()
ভয়ে ভয়ে থাকি... যদি তোমাদের পছন্দ না হয় ![]()
**ভাইকে ওস্তাদ বলাতে ভাই খুব মাইনড খাইছে![]()
কালপুরুষ বলেছেন:
পরে পড়বো। তাই মন্তব্যবিহীন প্রস্থান।
লেখক বলেছেন: আচ্ছা...
জুলিয়ান সিদ্দিকী বলেছেন:
শুরু হলো মাত্র! চলুক!
লেখক বলেছেন: আচ্ছা...
|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন:
একটু পুরনো ধাচেঁর বর্ণনা, কিন্তু পড়তে ভালোই লাগছে| চলুক| আপাতত প্লাস|
লেখক বলেছেন: প্লট পুরোনো বলে বর্ণনাও পুরোনো। আর পুরান চাল নাকি ভাতে বাড়ে ![]()
![]()
ধন্যবাদ।
আমি ও আমরা বলেছেন:
চালাইয়া যাও আমি একসাথে সব পড়ব। গল্প থেমে থেমে পড়তে ভালো লাগেনা।
লেখক বলেছেন: ঠিক আছে ভাইয়া![]()
লেখক বলেছেন: ![]()
![]()
হুম তারাতারি
তৌফিক বিষাদ বলেছেন:
এত দীর্ঘ হইলে কেমনে পড়ুম। সময় বড় বেরসিক।
তবে ছুটে চলা জলরাশির মতই ছুটে চলুক আবেগের নৌকা।
লেখক বলেছেন: নৌকাটার তলা ফুটো হয়ে যায় খালি![]()
একরামুল হক শামীম বলেছেন:
পড়লাম। পরের পর্বের অপেক্ষায়।
লেখক বলেছেন:
একটা পর্বও যেন মিস না হয়, তাইলে "মিস" অধ্যাদেশের ফাঁদে পড়বা![]()
কঁাকন বলেছেন:
অপেক্ষায় রইলাম
লেখক বলেছেন: বেশিক্ষণ নয়...
লেখক বলেছেন: হুমম ভাইয়া... আশা করি পরেরটাও ভালো লাগবে...
ভালো থেকো।
লেখক বলেছেন: হুমম
সার্টিফিকিট পাওয়ার মজাই আলাদা![]()
শামীম মোহাম্মদ বলেছেন:
কি খবর? কেমন আছেন?
লেখক বলেছেন: হুমম ভালোই আছি।
আপনি কেমন?
রাহামনি বৃষ্টি বলেছেন:
অসাধারণ বর্ণনা
অসাধারণ!!
১.
"ডার্টি পার্ট অব সোসাইটি"। ডার্টি শব্দের সাথে থার্টি শব্দের উচ্চারণের ছন্দে হুবহু মিল। যদিও অর্থের গোঁজামিল। কিন্তু থার্টি পিস দাসের দাপটে পুরো পাড়া কিঞ্চিত ডার্টি সবসময়।"
২.
সেই শুরুতে খালের দুপাড়ে গভীর বাঁশঝাড়। এর একটু এলেই ময়নামতি বিলের শেষাংষের পাড়ে সুদীর্ঘ কাশবন, আর উত্তর পাড়ে মিয়াবাড়ির পেছনের অংশে ঝাউবন। তারপরেই জলপাই ডাঙ্গা আর মাছিমপুর গ্রামের বন্ধনী একেবারেই নতুন লোহার পুল। পুল শেষে এগিয়ে এলেই শুধু তাল খেজুরের গাছ। খালের এ অংশের পানি বেশ স্বচ্ছ। দুপাড়েই বিস্তৃর্ণ চারণভূমি। গরু চাগল আর মহিষের পাল সীমাহীন মগ্নতায় সকাল থেকে সন্ধ্যে পর্যন্ত ঘাস গ্রহনে ব্যস্ত থাকে। কাব্যিক বর্ণনার রাখাল, বাঁশি আর সুরের বাস্তবিক প্রকাশ এখানে। এখানে এসেই খালের পানি হয়ে যায় প্রকৃতির রস। সৌন্দর্য এখানে ছুয়ে যায় উদারতার শীর্ষ চূড়া। প্রকৃতিই একমাত্র দাতা যার দান কখনওই করুণা নয়। কোনরূপ কৃপণতা নয়, নয় কোন স্বার্থপরতা। এ যে কেবলই বিলিয়ে দেয়ার জন্য। হিজলী খালের গর্ভ থেকে ভূমিষ্ঠ হয়ে মাথা বোঝাই রূপ নিয়ে জলভর্তি খালের বেশে প্রাপ্ত যৌবনা উদাসী কোন নারী সাঁপের মতো এঁকেবেঁকে এ পথেই চলছে শতবছর ধরে। তারই দেহের ভাঁজে ভাঁজে অলংকার হয়ে গেঁথে আছে ঘন বাঁশ ঝাড়, কাশবন, ঝাউবন, তালখেজুরের সারি, আর তার হৃদয়ের বারতা নিয়ে ছুটে চলে ছান্দসিক জলরাশি।
বর্ননাতীত সুন্দর।
লেখক বলেছেন: এ অংশ টুকু আমারও প্রিয়![]()
সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন:
এত দারুণ........।কি বলবো।২ পর্ব একসাথে পড়লাম।বর্ণনায় মিশে গেলাম.......।
অসাধারণ লিখেছো।
প্রথম আলো তে পাঠাও না কেনো?
প্রকাশ হলে আমার মা কে বলতাম পড়তে।
অনেক দোয়া থাকলো দুখু মিয়া........
অনেক ভালোলাগা রেখে গেলাম......।
শুভেচ্ছা।
লেখক বলেছেন: ![]()
![]()
ম্যালা খুশি হইলাম।
কিন্তু প্র.আলোয় পাঠানোর মতো লেখক এখনও হইনি। শিল্পগুন নিয়ে এখনও কাজ শুরু করিনি। এখনতো খালি আইডিয়া নিয়ে ভাবি। আগে শৈল্পিকতার ধারটা নিয়ে নিই তারপর।
তোমার সব ভালোলাগা নিয়েতো আমি ভার সইতে পারি না।![]()
ভালো থেকো আপু....
প্রণব আচার্য বলেছেন:
পরিণত লেখা
লেখক বলেছেন: ![]()
![]()
গুরু নমস্কার!
রুখসানা তাজীন বলেছেন:
নদী আর খালের জিওগ্রাফিতে পুরা পথ হারায়া ফেলছি। কোথা থেকে কোনটা বের হয়ে কোথায় পড়ছে, একটু মাঞ্চিত্র দিয়া দেওনা ভাই।দুষ্টামি কর্লাম
লেখক বলেছেন: আমিও আউলাইয়া গেছি...![]()
লেখক বলেছেন: হুম
রিয়াজ শাহেদ বলেছেন:
তাজীনাপুর মন্তব্যটি প্রবাদতুল্য!কিন্তু হে ভায়া, এটা তো গল্প নয়, উপন্যাস হবে বলে মনে হচ্ছে, উপন্যাসেই কেবল এধরনের বর্ণনা এতো দীর্ঘ সময় ধরে চলে; পুরোটা লেখা আছেতো? নাকি খানিক লিখে ব্লগে দিয়ে আবার খানিক লেখা হচ্ছে?
ইয়ে মানে নিচের লিংকে একটা গল্প আছে, একটু পড়ে এসোতো- Click This Link
লেখক বলেছেন: একটু ব্যস্ত আছি...
লেখক বলেছেন: ![]()
![]()
প্রিয় পুষ্প'রা
অসম্ভব খুশি হৈলাম


















