(উৎসর্গ আমি ও আমরা (বাপ্পী ভাইয়া) এবং উনার বোন বৃষ্টিকে)
শাঁই শাঁই চুম্বনের শব্দে নেচে উঠতো আগুনের শরীর।
তোমাকে ভালোবাসতাম, ভেজাতাম
চুম্বন ফিরিয়ে দিয়ে জোড়ায় জোড়ায়
বুক চেরা সঙ্গমে স্নান সেরে আসা ক্লান্তি রেখে দিতাম
সুড়সুড়ির গর্তে সবুজ রঙের চিহ্নে
কামনা ছিলো সভ্যতা গিলে খাওয়ার মতো
সমস্ত শরীর স্তনের মতো উর্বর
সঙ্গমের গন্ধে পুরো দেহের নড়ে ছড়ে ওঠা
জীবের খাদ্যগ্রহনের মতো সরল
দেহের মাঝখানে একটাই পথ
স্তনের ফাঁকে নেতিয়ে পড়া পথে
কেবলই চলে যেতাম। কেবলই চলে যেতাম।
এখনও চলে যাই, কেবলই চলে যাই;
দাপিয়ে চলা হাপরঘরে বাতাসের প্রতারনা;
আমাকে ছুঁ'তে যেওনা !
না- কামাগ্র জরায়ুতে হিরোশিমার মতো ক্যান্সার ছড়াবে
চিৎ হয়ে শুয়ে থাকা চামড়ার পাট্টায় পাট্টায়
গদগদে ঘেন্নার দল তিরস্কার করবে।
ভালোবাসতে যেও না !
না- আগুনের ঠোট চুষে পুঁজের স্বাদ
ড্যাবড্যাবে সনাতন ক্ষতে দুধে আলতা পুঁজ।
আমার হাত ধরো না !
না- সুগন্ধির ভার মেঘের মতো ছাই বইবে না।
তবু তুমি যাবে, তবু তুমি যাচ্ছ হাতে চেপে
স্তনের ফাঁকে নেতিয়ে পড়া পথে দু'কদম গিয়েই
তেমুহনীর বিন্দু বরাবর আমি কামনার গর্তে।
আর তুমি যাচ্ছ আমার হাতের সাথে।
কেবলই চলে যাচ্ছ
এ পথে তুমি
ও পথে যতো হাইব্রিড জননীরা
সে পথে স্তনের ফাঁকে নেতিয়ে পড়া পথ।
(সরল অংক কষতে থাকে তোমার মাটিতে গজে ওঠা মোটা সব বৃক্ষদল। ক্ষমা করো জননী, ক্ষমা করো চাষা-ভুষাকে)

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

