আমার প্রিয় পোস্ট
- আয়না সুন্দর ও নীলছুরি - মুক্তি মণ্ডল
- জলের কাছে - অ রণ্য
- বিখ্যাত কোম্পানীর লোগো পরিবর্তন - তুষারপাত
- হাইব্রীড বীজ নিয়ে আশঙ্কা সত্যি হলো এবার 'সত্যিরা' ভয়াবহ আতঙ্ক ছড়াচ্ছে ! - মনজুরুল হক
- দুইরকম তারুণ্য - সুমন রহমান
- ঈশ্বরের লাশ - অ রণ্য
- ইন্টারনেটের প্রকৃত ইতিহাস - ১ম পর্ব (ব্রাউসার যুদ্ধ) - নাফিস ইফতেখার
- নিজস্ব প্রজাতির ভাষা - নাজনীন খলিল
- সেক্টর কমান্ডারস ফোরাম প্রকাশিত যুদ্ধাপরাধীর তালিকা: যে নামগুলো চিনে রাখা জরুরি - মুনীর উদ্দীন শামীম
- চিংড়িঘের : নোয়াখালীর উপকূলে বিপর্যয়ের আশঙ্কা - মাহমুদুল হক ফয়েজ
- নারী অধিকার লংঘন ও প্রতিকার: যৌনপীড়ন - খোকন জিও
- স্তন ক্যান্সার চিহ্নিত করার উপায়-- স্তন পরীক্ষার সহজ ৫টি ধাপ - মিছে মন্ডল
- স্নানঘর থেকে শুরু... - সোমেশ্বর অলি
- স্তন ক্যান্সার নিয়ে জনসচেতনতা এবং তা নিয়ে আমাদের সবারই জানার আছে অনেক কিছু - জটিল
- আমাদের মাতৃগর্ভগুলি এই নষ্ট দেশে..... - মনজুরুল হক
- কালোঘোড়া - মুক্তি মণ্ডল
- শরৎ - মেঘ দূত
- হাতুড়ে গদ্য-২ (সময়ের কবিতা) - বৃত্তবন্দী
- দেবদূতের মত এসে দাঁড়ালেন অন্নদাতা - মনজুরুল হক
- জীবন খুঁজে ফিরি (কবিতা) - নাজনীন খলিল
- ভালো লাগা প্রিয় কবিতারা-৪৪ ( আপনি বলুন, মার্কস --মল্লিকা সেনগুপ্ত ) - আবদুর রাজ্জাক শিপন
- হারিয়ে যাওয়া দুপুর এবং পড়শীর নাকফুল - সুলতানা শিরীন সাজি
- কম্পিউটারের গতি কমার কারন ও গতি বৃদ্ধির কিছু কৌশল [খন্ড- ২] - মোঃ শরিফুল ইসলাম সবুজ
- শহরীয় নকশি কাঁথা - আমি ও আমরা
- অর্কেষ্ট্রা - প্রণব আচার্য
- ট্রান্সকম (আলো-স্টার) গ্রুপ চলে উলফার টাকায়!! - আওরঙ্গজেব
- পথ ও সুড়ঙ্গ - সোহেল হাসান গালিব
- নষ্টালজিয়া (একটা চিঠি) - আমি ও আমরা
- স্বপ্নবাজ চাতক - আমি ও আমরা
- কাল রাতে শব্দগুলো জ্বলে ঊঠেই নিভে গেল ... - সিহাব চৌধুরী
- মা এভাবে আমার কাছে কিছু চেয়েও না, আমার লজ্জা লাগে! - হমপগ্র
- দ্বীপান্তরে - প্রণব আচার্য
- আনন্দ ভ্রমন - প্রণব আচার্য
- আমাদের নতুন উপহার: যে কোন সাইটে ফোনেটিক কিবোর্ড - নোটিশবোর্ড
- তোমায় নিয়ে কবিতা লিখব বলে - অন্তিম
- আবার যুদ্ধ হলে আমি রাজাকার হব... - মো. তারিক মাহমুদ
- মা তোমায় মনে পড়ে(বন্ধু তোমায় মনে পড়ে) - সুলতানা শিরীন সাজি
- একক স্বপ্নের চৌকাঠ - বৃশ্চিক
- কবিতার খুচরাংশ - আমি ও আমরা
- তোমরা আমাকে আর একবার - নিয়ন আলোয় বাউল
- প্রেমাংশুর প্রত্যাবর্তন - আকাশচুরি
- যদি দালাল হতে পারতাম। - বিহংগ
- অভিশাপ নারে আশীর্বাদ দিমু (উৎসর্গ : প্রিয় ব্লগার সামী মিয়াদাদ কে) রি-পোস্ট - উত্তরাধিকার
- টস্ বৃত্তান্ত !! @ প্রিয় ব্লগার সবাক ! - উত্তরাধিকার
- আগেকার লেখা কিছু কবিতা ৩ - প্রণব আচার্য
- লাবণী পয়েন্ট - চিটি (হামিদা আখতার)
- বাণিজ্যিক পিছুটান। - রাতিফ
- জীবনানন্দ দাশ : 'বনলতা সেন' কাব্যগ্রন্থ - একরামুল হক শামীম
- জীবন মু্দ্রা। - রাতিফ
- একটি হারানো বিজ্ঞপ্তি - মুকুল
- সে এসেছে - আশরাফ মাহমুদ
- ফিরে দেখুন আমাদের ইতিহাস - ৭ - নামহীন মানব
- ফিরে দেখুন আমাদের ইতিহাস - ৬ - নামহীন মানব
- বুদ্ধদেবের কিছু কবিতা... - নীল নিঃসঙ্গতা
- "শত্রু তুমি পালাও!" - রাগ ইমন
- আমি নাস্তিক। - পুতুল
- এলোমেলোতায় - সুলতানা শিরীন সাজি
- সকল জামাত বিরোধী, রাজাকার বিরোধী পোস্টের সংকলন। - হ্যারি সেলডন
- সহীহ মুসলিম মতে গোলাম আজম, নিজামি, মুজাহিদ, সাইদী এবং অন্যান্য জামাতিদের ইমানের স্তর। - হ্যারি সেলডন
- মা, তুমি তৈরী থেকো। - রাতিফ
- আপনি যেভাবে ব্যর্থ হয়েছেন - প্রণব আচার্য
- মুক্তি পেয়েও আরিফের ফেরারী যাপন - অমি রহমান পিয়াল
- নাটক : তুই রাজাকার - সবাক
- সব ব্লগার বন্ধুদের জন্মদিন বিষয়ক একটি জরিপ - মিলটন
- গডফাদার - মানব মানিক
- নবীনদের জন্য - নাদান
- আমার মায়ের সাতটি মিথ্যা কথা - প্রত্যুৎপন্নমতিত্ব
- মা (একটি সত্য ঘটনার আলোকে) - সবাক
- হুমায়ুন আজাদের জন্মদিনে তাঁর ‘ছাপ্পান্নো হাজার বর্গমাইল’ উপন্যাসের কিছু অংশ... - মুকুল
- প্রিয় কবি হুমায়ুন আজাদ - রিয়াজ শাহেদ
- তসলিমার পক্ষে বলছি - সবাক
- অমর একুশে'র ভাষা সৈনিকদের তালিকা - স্বাধীন বাংলা
বিশ্বাসী বেশ্যারা চিরজীবী হও
২৮ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১০:০০
পৃথিবী সৃষ্টি হয়েছে আবার পৃথিবী ধ্বংসও হবে। ধ্বংস হওয়াটা খুব জরুরী বলেই পৃথিবী সৃষ্টির পর থেকেই এর ধ্বংসের সার্বক্ষণিক মহড়া চলছে। সেই মহড়াকে শক্তি দিতে সময়ের গর্ভে নিষিক্ত হতে থাকে কিছু বিষয়ের। যে বিষয়গুলো আমাদের সামনে আয়নার ভিতরের স্বচ্ছতার দাবি করে। যদিও আয়নার গায়ে শক্ত একটা ফ্রস্টেড পেপার লাগানো আছে। তাই আমরা বরাবরই অন্ধ থাকি বা থাকতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করি। পৃথিবীর স্থায়িত্বকালে কিছু বিষয় বা আবহ চিরন্তন হওয়ার সুযোগ লাভ করে। যে বিষয়গুলোকে শুভ ভাবার কোন কারণ ঘটেনা, আবার ঘটে! বিষয়গুলো যদি আমার বা স্বগোত্রীয় সৃষ্টি হয়, তবে তা আমার জন্য অবশ্যই শুভ। সেই শুভ অশুভ’র দোলাচলে পৃথিবীতে চিরন্তন বলে একটি বিষয়ের চিরঞ্জীবনী সনদ নিশ্চিত হয়ে গেছে। তা হলো ‘মহামারি’। সময়ের নাকের উপ দিয়ে অনেক মহামারি আসলো গেলো, আরও আসবে যাবে। সময়কে চোখ ত্যাড়া করে দেখা অতীত মহামারির নাম নিতে কুন্ঠিত হচ্ছি। তাই বর্তমানের কথা বলছি। বর্তমানের চেহারায় যে বলিরেখার অবস্থান স্পষ্টত:ই বর্তমানকে বুড়ো করে দিচ্ছে তা হলো ‘অনুভূতি’। এই অনুভূতির শক্তির বাহুল্যতার কথাই বলা বাহুল্য! “অনুভূতি” শব্দটার বিশালতা বিশালের চেয়েও বিশাল। এর ঘ্রান শক্তি কুকুরের চেয়েও বেশী। আবার এর শোষন ক্ষমতা জোঁকের চেয়ে বেশী। এই একটি বিষয়ের শক্তি পারমানবিক বোমার চাইতেও বেশী। উপরন্তু ঐ বোমার সৃষ্টিও অনুভূতিতে আঘাত লাগার ফলেই হয়েছে। অনুভূতি’র ব্যাপ্তি সকল জীবের মাঝে। সকল জীবের মধ্যে আবার মানুষের অনুভূতি অতীব প্রবল এবং প্রকট। অন্যপ্রাণী যেমন, সাঁপ, কুকুর, নেকড়ে, বাঘ, সিংহসহ হিংস্র অন্তর্ভূক্তিতে যা আছে, তাদের অনূতিতে আঘাত এলে আঘাতকারীর সমূহ বিপদের আশংকা থাকে। অন্যদের ক্ষতির আশংকা নেই বললেই চলে। কিন্তু একমাত্র মানুষই আছে, যার অনুভূতিতে আঘাত লাগলে সামষ্টিক ক্ষতির কারণ ঘটে। বেশ কয়েকটি যৌগিক অনুভূতি মানুষের বিকাশকে ভেঙ্গে দিচ্ছে। এই ভেঙ্গে দেয়াকে প্ররোচিত করে মানুষের অনুভূতিকে আরো ধংসাত্মক হতে ইন্দন যোগাচ্ছে "বিশ্বাস" নামক আরেকটি বিষয়। বিশ্বাসের উপর ভিত্তি করে নেয়া বহমান সময়ের মাঝে নিজ অবস্থান প্রকাশের আগেই আমরা বলতে শিখে গেছি "আমার বিশ্বাসই সেরা!!" হতে পারে; যদি তা হয়ও- তবে আমার কোন সমস্যা থাকার কথা নয়। সমস্যা তখনই হয় যখন তোমরা যারা বিশ্বাসী, তাদের সামনে যখন আমার অবিশ্বাসগুলো প্রকাশ করতে থাকি তখনই তোমরা যৌন যন্ত্রনায় ভোগা বিরান মানবীর মতো তোমাদের বিশ্বাসের তরবারিগুলোকে নগ্ন করে ফেল। তোমার বিশ্বাস আর আমার অবিশ্বাসকে মুখোমুখি করে ফেল। তা তুমি করতেই পারো! আমি বলবো- তাও তোমার অধিকার। যদিও মোটেও তুমি অধিকার চেতন নও। আমার অবিশ্বাসগুলোকে তোমার বিশ্বাসের শত্রু বলে ধরে নিলেও আমি বিস্মিত হবো না। কারণ আমার ভালোই জানা আছে- তোমার জন্মের পরই তুমি বিশ্বাসের আলখেল্লায় নতুন গজে উঠা শরীরটাকে পুরে নিয়েছো। যে আলখেল্লার বুক পকেটে মৃত্য নামক এক ভয়ানক আফিম জমা আছে। যার স্বাদ তুমি পাবে না। তুমি পাবে অলৌকিক মৃত্যুর স্বাদ। তোমার মৃত্যু তোমার স্রষ্টাই নিয়ন্ত্রন করে কারণ তুমি বিশ্বাসী। আর আমার মৃত্যু তুমি (তোমরা) নিয়ন্ত্রন করো, কারণ আমি অবিশ্বাসী। এতোদিনেও আমার জেনে নিতে অসুবিধা হয়নি যে, বিশ্বাসীর মৃত্যু স্রষ্টার হাতে আর অবিশ্বাসীদের মৃত্যু বিশ্বাসীদের হাতে। তোমার জন্মান্তরের পরে নেয়া আলখেল্লার সাইড পকেট গুলোতেই সেই বাণী জ্বলছে চিরন্তর। তোমার বিশ্বাসগুলোকে তুমি নিজে তৈরি করে নিতে পারোনি। অথচ আমার অবিশ্বাসগুলোকে আমি নিজেই তৈরি করে নিয়েছি। কারণ এগুলো উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া নয়। ধার করে নেয়া বিশ্বাসের মূল্য আমার মৌলিক অবিশ্বাসের চেয়ে মূল্যবান হতে দেখলে আমি মোটেও নিরাশ হই না, ভেঙ্গে পড়ি না। কারণ আমার ভাবনা বিশ্বাস নিয়ে নয়। আবার আমি বিশ্বাসীও বটে, কারণ তোমরা যে কেবলই বিশ্বাস ভঙেগর কারণে ভেঙ্গে পড়বে এ বিষয়ে আমি লৌকিকভাবেই একমত হতে পারি। এটাও এক ধরনের বিশ্বাস। যা তোমাদের অবিশ্বাস।
হুমায়ুন আজাদ স্যারের "আমার অবিশ্বাস" গ্রন্থে আমি বিশ্বাসের চেয়ে অবিশ্বাসের কথায়ই বেশি পড়েছি। পড়েছি আর ব্যথিত হয়েছি। ব্যথিত হওয়ার নিরাপদ অবস্থানে কিন্তু বিশ্বাস ছিলো না। ছিলো অবিশ্বাস। তোমাদের অনুভূতি আর বিশ্বাসের সঙ্গমে যে ধ্বংসের উৎপত্তি হয়েছে- তাতেই হুমায়ুন আজাদ স্যার অতীত হয়ে গেলেন। "বিশ্বাসীরা বরাবরই হিংস্র হয়" হুমায়ুন আজাদ স্যারের কথাটি প্রমাণিত হতে হতে এখন অনেক কিছু দেখেই আর দীর্ঘশ্বাস পড়ে না। সত্যমানবরা দৈহিকভাবে বাঁচেন না। তবে আত্মিকভাবে ধ্বংস হয়ে যাওয়া মানুষগুলোর চাইতে বেশিদিনই পৃথিবীতে বেঁচে থাকেন। স্যারও বেঁচে থাকবেন। থাকবেনতো বটেই। কোন সেন্দহ নেই।
আমি আরও কিছু বিষয় বিশেষজ্ঞ না হয়েই ভালো জানি- যেমন ধরো... "আমি তখনই বেঁচে থাকার অধিকার হারিয়ে ফেলবো, যখন আমি সত্য কথা বলতে শিখবো। আমার মৃত্যুর জন্য দায়ী হবে বিশ্বাস আর অনুভূতি।" আমার মৃত্যুকে আমি স্মরণীয় করে রাখতে চাই। রাখতে চাই এই জন্য যে, যে যত বেশি জ্ঞানী হবে সে ততোই আগে মরবে। কারণ জ্ঞানপাপীরা জ্ঞানের সাথে লড়াইয়ে পেশীর ব্যবহার করে। তিল তিল করে ঘড়ে তোলা আমার মৌলিক জ্ঞানের উপর ভিত্তি করে প্রকাশ করা আমার অনুভূতি যখন তোমার সামনে যাবে, তখন সে তোমার ধার করা (উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া) বিশ্বাস আর অনুভূতির যৌথ পবিত্রতায় ফিরে আসবে মৃত্যুর পরোয়ানা নিয়ে। তুমি হয়তো ভাবছো যে... কথাগুলো তোমাদের ভেতরই গোপন থাকে। হা হা হা... আসলে তা নয়। আমরা অবিশ্বাসীরা তা অনেক আগেই জেনে ফেলেছি। আরো জানবো, কারণ তুমি প্রতিরাতে নারীর মাংস চুষে খেয়েও স্বীকার করার সাহস পাও না। অথচ আমি হরিজন সম্প্রদায়ের বালিকার বুকের সৌডলতা দেখে মুগ্ধ হয়ে তা প্রকাশ করার সৎ সাহস রাখি। আমি নির্দ্ধিদায় বলতে পারি, কবিতা আর নারীর বুকের উষ্ণতা পৃথিবীর যেকোন সুখের চেয়ে বেশি। তুমি তা পারে না। কারণ তুমি অন্ধকারে লোকচক্ষুর আড়ালে অনেক কিছু করতে জানো, আবার দল বেধে উপাসনালয়েও যেতে পারো। পারো না কেবল স্বীকার করতে- প্রতি রাতে কয়জন নারীর যৌনাঙ্গ চুষে কামরস পান করো। তুমি অনেক কিছুই করতে পারো, পারো না বলতে। আর আমার করার গন্ডিও অনেক বড়ো আবার বলার গলাও অনেক জোরালো। তুমি পাপ করার সময় যাবতীয় বিশ্বাসকে আলখেল্লার অন্ধকারে রেখে ঘটনার ক্রিয়ারস ক্ষেপনের পর আবার অতিশয় বিশ্বাসী হয়ে সামাজিক হয়ে যাও। সমাজকেও ভয় পেতে শুরু করো, কারণ তুমি বিশ্বাস করো সমাজ তোমাকে বের করে দিবে- যদি তুমি বলো যে একজন পুরুষের মলদ্বারে তোমার লিঙ্গটি তুমি কোন পিচ্ছিল পদার্থ ছাড়াই প্রবেশ করিয়েছো। অথচ তুমি নির্দ্ধিধায় তা করতে পারো।
যে ছেলে হুড তোলা রিকশায় বসে বসে প্রেমিকার স্তন পেষাতে পারে। সুযোগ পেলেই সেলোয়ারের ভেতর হাত ঢুকিয়ে প্রেয়সীর যোনীপথের পিচ্ছিল ভালো লাগা নিয়ে নিজ বীর্যপাত ঘটাতে জানে, সেও যেন তসলিমার নাসরিনের নাম শুনে তাকে অভিসম্পাত করতে চায়। যদিও সে রিকশায় বা কোন নির্জন স্থানে বা কোন বদ্ধ ঘরে প্রেমিকার কাঁচা মাংস চিবিয়ে খেলেও প্রেমিকা ছাড়া কেউ জানার আশংকা থাকে না। ভন্ডামির পিঠে চড়ে যে কোন স্পষ্টবাদির স্পষ্টতায় তোমাদের স্পর্ধা জেগে উঠতে দেখেও আমি স্বাভাবিক থাকি। কারণ আমি বিশ্বাসীদের দলে নই।
তসলিমা নাসরিনকে নিয়ে ক'দিন পরপরই ব্যাপক সমালোচনা/আলোচনা হয়। যার অধিকাংশের ফলাফলেই তার বুকে পিঠে বেশ্যার সাইনবোর্ডটা খুব ভালোভাবে লাগে। জীবনের অনেক পঁচা বিষয়কে মাড়িয়ে স্বধীন হওয়ার অন্তিম বাসনা নিয়ে লালিত স্বপ্নের পিঠে চড়ে একবার এই দেশে আবার সেই দেশে আশ্রয় খুজে চলেছেন তসলিমা নাসরিন। স্রষ্টার পৃথিবীটা স্রষ্টারই এক সৃষ্টির জন্য নরক হয়ে গেল। যেন সে এ পৃথিবীর কেউ নয়, স্রষ্টার সৃষ্টিও নয়। শুধুমাত্র আত্মজীবনী লেখার কারনেই আজ তসলিমা ঘৃনিত, লাঞ্চিত। আত্মজীবনীতো অনেকেই লেখে। আজকালতো তা একটা ফ্যাশন। খ্রীশ্চিয়ান ধর্মগুরু অগুস্তঁ (৩৪০-৪৪৩ খ্রিঃ) থেকে শুরু করে পাকিস্তানি স্বৈরশাসক পারভেজ মোশাররফ পর্যন্ত অনেক আত্মজীবনীই বিখ্যাত হয়েছে। বেশকিছু আবার বিতর্কিতও হয়েছে। খ্রীশ্চিয়ান ধর্মগুরু অগুস্তঁ (৩৪০-৪৪৩ খ্রিঃ) তার জীবনীতে আলজেরিয়ায় অবস্থান কালে তার অনেক অসামাজিক বাঁধহীন জীবনের কথা উল্লেখ করেছেন। যেখানে নারীভোগ থেকে শুরু করে স্বলিঙ্গের মৈথুনানন্দও রয়েছে। ফরাসি লেখক জ্যঁ জ্যাক রুশো (১৭১২-১৭৭৮ খ্রিঃ) তার জীবনীতে জীবনের নানান কুকীর্তির কথা তুলে ধরেছিলেন, অথচ সে সময় তার অনেক ভক্ত। কোন কিছুর তেয়াক্কা না করে অকপটে স্বীকার করেছেন সবকিছু। সমসাময়িক রাশিয়ায় বসবাসরত ফরাসি লেখক মাদমাজোল গতোঁ তার জীবনীতে লিখেছেন, "মাদাম দ্য ওয়ারেন" যাকে আমি মা বলে জানি, তাকে দেখেও আমার যৌন আকাংখা জাগে।" বেঞ্জামিন ফ্যাঙ্কলিন (১৭০৯-১৭৯০) তার যৌনতার উম্মালাত ছান্দসিক বর্ণনা দিতে গিয়ে তার জারজ পুত্রকে ঘরে তুলে আনার কথা বলেছেন। রবার্ট রাসেল তার জীবনীতে বিভিন্ন রমনীর সাথে মৈথুনানন্দের কথা লিখে গেছেন। রাশিয়ার বিখ্যাত লেখক এবং দার্শনিক লিয়েফ তলস্তয় লিখেছেন চৌদ্দবছর বয়সেই তার জীবনে রক্ষিতাদের আগমনের কাহিনী। সমাজের অনেক নিচুতলার এবং দরিদ্র মেয়েদের দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে তাদের সাথে দৈহিক সম্পর্ক, এমনকি এতে করে যৌন রোগে ভোগার কথাও গোপন রাখেননি। তার বিখ্যাত গ্রন্থ রেজারেকশন (পুনুরুজ্জীবন) এ লিখেছেন আরও অনেক কিছু। বর্তমান সময়ের ফরাসি লেখিকা ক্যাথরিন মিলে তার নিজের কথায়ই লিখেছেন নিজের লেখা La vie sexuelle de Catherine M নামক বউয়ে।ষাটের দশকে তার বহু পুরুষ ভোগের কথা নিখুত ভাবে বর্ণনা করে গেছেন। যা পড়লে যৌন ভাবে দুর্বল পুরুষদের বীর্যপাত ঘটারও সম্ভাবনা আছে।গ্যাব্যিয়েল গর্সিয়া মার্কোজ তার Vivir para contarla বইতে নারীদের সাথে লীলাখেলার কথা একটুও বাদ রাখেননি। এতে করে কি তার জনপ্রিয়তায় ফাটল ধরেছে? বা তার নামে কেউ আদালতে মামলা করেছে? রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরও তার আত্মজীবনীতে কিছু কথা লিখে গেছেন। বাল্য বিবাহের বিরুদ্ধে কথা বলেও তার আনিন্দ্য সুন্দরী কিশোরী মেয়েকে কেন কিশোরী থাকতেই বিয়ে দিলেন? তার পিছনে কি কবিগুরুর যৌন ভয় কাজ করেনি?
গোপনে অনেক কিছুই ঘটে। দুর্বল চিত্তের মানুয়েরা তা গোপন রাখে আর সবল চিত্তের সত্য প্রিয়রা তা প্রকাশ করেন। তসলিমাও তা প্রকাশ করতে চেয়েছেন জীবনে যত ঘেটের জল খেয়েছেন সবঘাটের সর্দার আর যত নৌকায় চড়েছেন সব নৌকার মাঝির নাম প্রকাশ করেছেন। তাতেই দোষ হলো? তার লেখতে স্তন, নিতম্ব, বীর্য, জরায়ু এই শব্দ গুলো আছে এই জন্য? তবে কি নারীর একান্তই নিজস্ব স্তন, স্তন মুকুল, নিতম্ব, জরায়ু, ঋতুস্রাব, এই শব্দ গুলো নিয়ে লেখার অধিকার শুধু পুরুষেরই আছে? এক নারী তার জীবনীতে কি লিখবে, তার সীমানা কি মোল্লারা আর হরিদাস পালেরা লিখে দিবে? মন মতো না হলে তাকে অবাঞ্চিত ঘোষনা করা হবে? তারার তসলিমা নিজ দেশ চেড়ে আরেক বাংলাতে আশ্রয় নেন। সেখান থেকেও বিতাড়িত হয়ে সুইডেনের আশ্রয়ে গেলেন। আর আমরা দিব্যি এদেশে হাওয়া খাচ্ছি। অন্ধকারে প্রণয়ে মেতে চলছি। অথচ এ দেশেরই এক নারী (নাগরিক) নামে বেনামে অনেক পুরুষের প্রমোদ সঙ্গিনী হয়ে আজ দেশান্তরিত। কিন্তু যাদেরকে সুখ দিয়ে গেলেন (বাধ্য হয়ে) আজ তারা সু-নাগরিকের বেশেই আছেন।
তোমরা যারা মুখোশধারী, স্বভাবতই তোমরা সু-নাগরিক থাকবে। কারণ তোমরা বিশ্বাসী। বিশ্বাসী বলেই তোমরা পাপ করতে পছন্দ করো আবার গোপন রাখতে ভালোবাসো। তোমাদের বিশ্বাস আর অনুভূতির তোপে পড়ে আমাদের মৃত্যু ঘটলেও আমরা স্বাভাবিক থাকি। কারণ আমাদের বেঁচে থাকা না থাকা বিশ্বাসীদের হাতে। যা তোমাদের স্রষ্টাই তোমাদের বলে দিয়েছে।
প্রকাশ করা হয়েছে: বখাটে কথন বিভাগে ।
একজন ব্লগার বলেছেন:
মাথার ৪০ হাত উপর দিয়া গেল সবাক্ভাই!লেখক বলেছেন: কেন প্রলয় ভাই??![]()
লেখক বলেছেন: ![]()
লেখক বলেছেন: ![]()
মেহরাব বলেছেন:
অতি চমৎকার লেখা.... এক দৌড়ে প্রিয়তে গেল
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মেহরাব
রাজর্ষী বলেছেন:
ভালোই তবে কিছু দ্বিমত আছে। যাউকগা,আপনে আমাকে চমকে দিতে চাইসিলেন, কই পরে তো আর আওয়াজ করলেন না। আওয়াজ কইরেন সময় পাইলে।
লেখক বলেছেন: চমক না দেয়ার বিষয়টি কাকতালীয়ভাবে ঘটে গেছে। অডিও রেকর্ডার পাইনি/শিল্পী ও সুরকার গেলো নোয়াখালীর বাইরে সবমিলিয়ে তথৈবৈচ অবস্থা![]()
শফিউল আলম ইমন বলেছেন:
লেখা ভালো লাগছে। মনে হইতেছে কারো উপরে চেতে লিখেছো??ব্যাপার না। লেখালেখি চালিয়ে যাও।
সবার সৎ সাহস থাকে না। যাদের আছে তাদের সম্মান করি।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ইমন ভাই
আপনার সাহসকে সম্মান করি।
রাঙা মীয়া বলেছেন:
আমি কিছুই বুঝলাম না। আপনের হইছেটা কি ? আমার বাড়ী আইসেন।
লেখক বলেছেন: কৈ নাতো কিচ্ছুই হয় নাই.... তয় মনের ভেতর খালি চুলকায়
লেখক বলেছেন: ঠিকাসে
লেখক বলেছেন: ![]()
লেখক বলেছেন: আপনার শোকেস চেক করুন।
ধন্যবাদ... অনেক দিন পর এলেন।
ভালোই লাগলো। ব্লগের শৈশবে ফিরে গেলাম।![]()
লেখক বলেছেন: কেমন আছেন সুসিক্ত মানুষ??
রিয়াজ শাহেদ বলেছেন:
সুমন ভাই এইরকম তেজোদ্দীপ্ত একটা লেখা কেমনে লিখলা? তবে কেনো লিখলা এইটা ধরতে পারছি।
"আমার অবিশ্বাস" পইড়া আমি একদম আউলাঝাউলা হয়া গেছিলামগা।
লেখক বলেছেন:
কেমনে লিখছি? এপ্রশ্নের কুন জবাব নাই। তবে বোধগুলো এমনই। এখানে লিখি না। কম্পিউটারে ৩৫৬ মেগাবাইট লেখা আছে। আরো পরে একটা বই বের করার চিন্তা আছে। তসমিলাকে উৎসর্গ করে কবিতা লিখে অভিজ্ঞতা অর্জনের পর ব্লগের জন্য এই লেখাটি দিলাম। (পুরোনো এবং নতুন লেখা মিলিয়ে)
আমার অবিশ্বাসের মতো আরো কয়েকটা পড়েছি। আমাকে ভীষণ টানে।
ভালো থেকো শাহেদ ভাই।
আরিফ থেকে আনা বলেছেন:
মাথার ২৫ হাত উপর দিয়া গেল সবাক্ভাই
লেখক বলেছেন: কয় হাতে ২৫ হাত হয়?![]()
একজন ব্লগার বলেছেন:
আবার জিগান "কেন?"প্রিয়তে রাখলাম। এক উইকএন্ডে মাথায় তিব্বত কদুর তৈল দিয়ে ঠান্ডা মাথায় পড়ার জন্য। এছাড়া এই লেখার মর্মদ্ধার করা এই জীবনে সম্ভব হবে না।
লেখক বলেছেন:
একজন ব্লগার বলেছেন: "এছাড়া এই লেখার মর্মদ্ধার করা এই জীবনে সম্ভব হবে না"
ব্যাপক চিন্তার কারণ হৈছে।
** হুমায়ুন আজাদ এবং তসলিমা নাসরিনসহ কিছু ইস্যুতে খুব মুখরোচক কথা শুনি। তাদের সুবিধার জন্য পেষ্টি সল্ট হিসেবে মশলাটা দিলাম। খুব ঘেন্না লাগে, কিন্তু আমিতো ঐসব বালক/বালিকার মতো হত্যা/দেশান্তরী করতে শিখিনি, তাই লিখতে হলো। নইলে সবক'টার জিহ্বা কেটে নিতাম।
প্রশ্নোত্তর বলেছেন:
হাজার হাদীস-কালাম-রাজাকারনামা-বুটচোষার বয়ানে এইসব লেখা সাধারন পাঠকের মূলত নতুনদের চোখে পরার সুযোগ পায় না! রোজা আসার আগে আগেই আবার বেড়ে গেসে ঐশী ম্যাতকার। কি আর করা...বসে বসে এই বিষ্ঠা পরিষ্কার করতে হবে...এই প্রজন্মের জন্য এটা ওভারটাইম উইদআউট পে...
লেখক বলেছেন: ![]()
হা হা হা
জোশ কৈছেন
আমি ভীষণ ব্যস্ত নইলে ডিউটি ভাগ কৈরা নিতাম![]()
রুবেল শাহ বলেছেন:
কিরে দোস তোর এই লেখাটা আমার চোখে পড়ল এত দেরিতে.....আমি কি কিছু বলুম..... না বুছে নিব........ ?
ভালোবাসা নিস
লেখক বলেছেন: বুঝে নিলাম..... (তোর ভালো লাগেনি
)
ভালো থাকিস।
উত্তরাধিকার বলেছেন:
বাপরে...
এক টানে পড়ে গেলাম।
গভীরে নাড়া খেলে ভেতরটা খুব শিরশির করে...।
যদি কোন দিন সুযোগ আসে - আমি তোমার মুখে তোমার লেখা গুলো শুনতে চাই...
কি তীব্র আবেগ নিয়ে তুমি লেখো তার পুরাটা ঐ কন্ঠে আসলে কি যে হবে !
আমার খুব সাধ হয় কবিতার শব্দে বোমা ফাটার শব্দ শুনতে...
অনেক অনেক শুভেচ্ছা নাও হে প্রিয় ।
লেখক বলেছেন: আমার বিশ্বাস করতে কষ্ট হয়![]()
ভালো থেকো।
কঁাকন বলেছেন:
তোমরা যারা মুখোশধারী, স্বভাবতই তোমরা সু-নাগরিক থাকবে। কারণ তোমরা বিশ্বাসী। বিশ্বাসী বলেই তোমরা পাপ করতে পছন্দ করো আবার গোপন রাখতে ভালোবাসো। তোমাদের বিশ্বাস আর অনুভূতির তোপে পড়ে আমাদের মৃত্যু ঘটলেও আমরা স্বাভাবিক থাকি। কারণ আমাদের বেঁচে থাকা না থাকা বিশ্বাসীদের হাতে। যা তোমাদের স্রষ্টাই তোমাদের বলে দিয়েছে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ কাঁকন
ভালো থাকুন।
আশরাফ মাহমুদ বলেছেন:
কয়েকটা বিষয় বাড়াবাড়ি হয়ে গেছে। (কিছু কিছু শব্দের ব্যবহার অশ্লীল মনে হল)। একটা কথা বলি, এরকম লিখতে সাহস লাগে, তোর প্রতি শ্রদ্ধা।
প্রিয়তে রাখলাম।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আশরাফ
তপন চৌধুরি বলেছেন:
লেখাতা খুব দ্রুত পরলাম আর বুঝতে সময় লাগে নাই৷ আমাদের সাথে বানরের gene ৯৯% মিল সুতরাং খুব বেশি কিছু আশা করে ভুল৷
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
এটা আসলেই তর্কসাপেক্ষ যে আলোচিত ব্যক্তিদ্বয় কেমন মানুষ, স্বত্ত্বা? সেটা বিচার করার মত সময়ও পার হয়নাই। তবে এটা ঠিক যে তাদের চিন্তাধারা আমাদের এই জনপদের সাথে খাপ খায় না। এজন্যই তারা আলোচিত হয়েছেন, নিন্দিতও হয়েছেন।
পাপবোধের অনেক কথা বলেছো। অবিশ্বাসীর পাপবোধ আর বিশ্বাসীর পাপবোধের দাঁড়িপাল্লা আলাদা। সেজন্য দুটাকে মিলানো ঠিক না। বিশ্বাসীদের মাপকাঠি পূর্ব-নির্ধারিত, সেখানে খুব বেশি পরিবর্তন ঘটেনি সময়ের সাথে। কিন্তু অবিশ্বাসীরা নিজের মূল্যবোধ দিয়ে পাপ-বিচারের খাতা লেখে। সেখানে এক এক জনের পাপবোধ আলাদা। তাই এটার আলোচনাও নিষ্ফলা মনে হয়।
এটুকুই আপাতত কথা। আরো কথা হবে পরে!
লেখক বলেছেন: পরে কথা হবে...
আমি ও আমরা বলেছেন:
ফাটাফাটি।
লেখক বলেছেন: হুমম
প্রণব আচার্য বলেছেন:
বিডি আইডল বলেছেন: একজন ব্লগার বলেছেন: মাথার ৪০ হাত উপর দিয়া গেল সবাক্ভাই!আমার ১০০!!
হলদু তরকা
লেখক বলেছেন: ![]()
আলমগীর কুমকুম বলেছেন:
দশে দশ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
. . . এখনো খুঁজি বলেছেন:
পড়তে ইয়ে খানিকটা বিভ্রান্ত হয়েছিলাম - লেখার মাঝে হুমায়ুন আজাদের কথা এসেছে, নাকি পুরোটা তাঁর-ই লেখা ! অ-সা-ধা-র-ণ !
লেখক বলেছেন: নিজে নিজে লেখার চেষ্টা করেছি...
মুহিব বলেছেন:
সুন্দর করে লেখার জন্য ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ।
ফরহাদ উিদ্দন স্বপন বলেছেন:
আমার মতো মুর্খের পক্ষে বুঝা অসম্ভব। আসলেই মাথার ৪০ হাত উপর দিয়া চইলা গেল। তারপরেও +++++++++++
লেখক বলেছেন: আমার ব্যর্থতায় লজ্জিত।
জাজাবর পাখি বলেছেন:
মুগ্ধ
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ যাযাবর।
ভালো থাকুন সবসময়।
দুরের পাখি বলেছেন:
লেখাটা ভালো লাগলো । তবে অবিশ্বাসী অবস্থানটাকে ভিক্টিম রুপে দেখাটাকে আমি পছন্দ করি না । অনেকটা সেল্ফ পিটি'র পর্যায়ে চলে গেছে । অন্যায়ের প্রতিবাদকারীর নাকি-কান্না মানায় না ।
তসলিমাকে নিয়ে যদিও আমি ব্যক্তিগতভাবে হাস্যরস করি, কিন্তু দৃঢ়ভাবে মনে করি নষ্ট রাজাকার আর মুল্লাদের চাইতে বাংলাদেশে বসবাস করার অধিকার ওর অনেক বেশি । ওর ভোদা, ও ঠিক করবে কাকে খুলে দেবে কাকে দেবে না । আমার কোনও বাল ও বলার নাই তাতে ।
ভালো থাকুন ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
রাহুল বলেছেন:
ভালো লাগলো।পিলাচ
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ রাহুল
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:
"বিশ্বাসী বেশ্যারা চিরজীবী হও"
এই শিরোনামটি ব্যাখ্যার দাবী রাখে । পাঠকের জায়গা থেকে সেটার ব্যাখ্যা আমি চাইতেই পারি, চাইছিও । আমি বিশ্বাসী । আপনি অবিশ্বাসী, খুব ভালো কথা ।
খারাপ কথাটা হচ্ছে, বিশ্বাসীদের বেশ্যার সাথে তুলনা, বা বিশ্বাসীরা বেশ্যার মতো বিশ্বাস বিকোয়, এইটা আপনার কেন মনে হলো ?
লেখক বলেছেন:
বিষয়টি খুবই বিস্তৃত পরিসরে আলোচনাযোগ্য।
আমি আসলে তাদের উদ্দেশ্যেই লিখেছি, যারা ধর্ম বিশ্বাসের ওপর ভর করে ধর্মে অবিশ্বাসীদের নানান ধরনের সার্টিফিকিট দিতে অভ্যস্ত এবং নিজস্ব নিষিদ্ধকে সিদ্ধ করতে পটু।
এ কথা আমি অবশ্যই বলবো যে, আমি যা অবিশ্বাস করি তাহাও এক ধরনের বিশ্বাস। তবে তার উৎকৃষ্টও অবশ্যই থাকতে পারে এবং সে উৎকৃষ্টের অবস্থান প্রমাণিত হলে আমি সেখানেই যাবো।
আপাতত: এর বেশি নয়।
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:
দীর্ঘ লেখাটির প্রকাশভঙ্গি খোলামেলা হলেও , ভেতরের মসলাকে মোটেও খারাপ বলা যাবে না । আমি বরং একে উৎকৃষ্ট সৎসাহসের প্রকাশ বলেই মানি ।
ধর্মের তরবারী হাতে নিয়ে তসলিমাকে কতল করতে আসা মূর্খ ধার্মিক বা বক ধার্মিকদের বিষয়ে এই পোস্টের বক্তব্যের সাথেও আমার তেমন দ্বিমত নেই ।
এই বিষয়ে এইখানে প্রচুর আলোচনা হয়েছে প্রচুর বিতর্ক করেছি । এখান থেকে হয়তো কিছুটা সাহায্য আপনি পেতে পারেন ।
আমার আপত্তির জায়গাটা শিরোনাম । একজন লেখকের জায়গা থেকে আপনার কিছু দায়বদ্ধতা আছে (আপনি ভালো লিখেন, স
















