আমার প্রিয় পোস্ট

সুমন সওদাগরের ব্লগ

বিশ্বাসী বেশ্যারা চিরজীবী হও

২৮ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১০:০০

শেয়ারঃ
0 6 0

পৃথিবী সৃষ্টি হয়েছে আবার পৃথিবী ধ্বংসও হবে। ধ্বংস হওয়াটা খুব জরুরী বলেই পৃথিবী সৃষ্টির পর থেকেই এর ধ্বংসের সার্বক্ষণিক মহড়া চলছে। সেই মহড়াকে শক্তি দিতে সময়ের গর্ভে নিষিক্ত হতে থাকে কিছু বিষয়ের। যে বিষয়গুলো আমাদের সামনে আয়নার ভিতরের স্বচ্ছতার দাবি করে। যদিও আয়নার গায়ে শক্ত একটা ফ্রস্টেড পেপার লাগানো আছে। তাই আমরা বরাবরই অন্ধ থাকি বা থাকতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করি। পৃথিবীর স্থায়িত্বকালে কিছু বিষয় বা আবহ চিরন্তন হওয়ার সুযোগ লাভ করে। যে বিষয়গুলোকে শুভ ভাবার কোন কারণ ঘটেনা, আবার ঘটে! বিষয়গুলো যদি আমার বা স্বগোত্রীয় সৃষ্টি হয়, তবে তা আমার জন্য অবশ্যই শুভ। সেই শুভ অশুভ’র দোলাচলে পৃথিবীতে চিরন্তন বলে একটি বিষয়ের চিরঞ্জীবনী সনদ নিশ্চিত হয়ে গেছে। তা হলো ‘মহামারি’। সময়ের নাকের উপ দিয়ে অনেক মহামারি আসলো গেলো, আরও আসবে যাবে। সময়কে চোখ ত্যাড়া করে দেখা অতীত মহামারির নাম নিতে কুন্ঠিত হচ্ছি। তাই বর্তমানের কথা বলছি। বর্তমানের চেহারায় যে বলিরেখার অবস্থান স্পষ্টত:ই বর্তমানকে বুড়ো করে দিচ্ছে তা হলো ‘অনুভূতি’। এই অনুভূতির শক্তির বাহুল্যতার কথাই বলা বাহুল্য! “অনুভূতি” শব্দটার বিশালতা বিশালের চেয়েও বিশাল। এর ঘ্রান শক্তি কুকুরের চেয়েও বেশী। আবার এর শোষন ক্ষমতা জোঁকের চেয়ে বেশী। এই একটি বিষয়ের শক্তি পারমানবিক বোমার চাইতেও বেশী। উপরন্তু ঐ বোমার সৃষ্টিও অনুভূতিতে আঘাত লাগার ফলেই হয়েছে। অনুভূতি’র ব্যাপ্তি সকল জীবের মাঝে। সকল জীবের মধ্যে আবার মানুষের অনুভূতি অতীব প্রবল এবং প্রকট। অন্যপ্রাণী যেমন, সাঁপ, কুকুর, নেকড়ে, বাঘ, সিংহসহ হিংস্র অন্তর্ভূক্তিতে যা আছে, তাদের অনূতিতে আঘাত এলে আঘাতকারীর সমূহ বিপদের আশংকা থাকে। অন্যদের ক্ষতির আশংকা নেই বললেই চলে। কিন্তু একমাত্র মানুষই আছে, যার অনুভূতিতে আঘাত লাগলে সামষ্টিক ক্ষতির কারণ ঘটে। বেশ কয়েকটি যৌগিক অনুভূতি মানুষের বিকাশকে ভেঙ্গে দিচ্ছে। এই ভেঙ্গে দেয়াকে প্ররোচিত করে মানুষের অনুভূতিকে আরো ধংসাত্মক হতে ইন্দন যোগাচ্ছে "বিশ্বাস" নামক আরেকটি বিষয়। বিশ্বাসের উপর ভিত্তি করে নেয়া বহমান সময়ের মাঝে নিজ অবস্থান প্রকাশের আগেই আমরা বলতে শিখে গেছি "আমার বিশ্বাসই সেরা!!" হতে পারে; যদি তা হয়ও- তবে আমার কোন সমস্যা থাকার কথা নয়। সমস্যা তখনই হয় যখন তোমরা যারা বিশ্বাসী, তাদের সামনে যখন আমার অবিশ্বাসগুলো প্রকাশ করতে থাকি তখনই তোমরা যৌন যন্ত্রনায় ভোগা বিরান মানবীর মতো তোমাদের বিশ্বাসের তরবারিগুলোকে নগ্ন করে ফেল। তোমার বিশ্বাস আর আমার অবিশ্বাসকে মুখোমুখি করে ফেল। তা তুমি করতেই পারো! আমি বলবো- তাও তোমার অধিকার। যদিও মোটেও তুমি অধিকার চেতন নও। আমার অবিশ্বাসগুলোকে তোমার বিশ্বাসের শত্রু বলে ধরে নিলেও আমি বিস্মিত হবো না। কারণ আমার ভালোই জানা আছে- তোমার জন্মের পরই তুমি বিশ্বাসের আলখেল্লায় নতুন গজে উঠা শরীরটাকে পুরে নিয়েছো। যে আলখেল্লার বুক পকেটে মৃত্য নামক এক ভয়ানক আফিম জমা আছে। যার স্বাদ তুমি পাবে না। তুমি পাবে অলৌকিক মৃত্যুর স্বাদ। তোমার মৃত্যু তোমার স্রষ্টাই নিয়ন্ত্রন করে কারণ তুমি বিশ্বাসী। আর আমার মৃত্যু তুমি (তোমরা) নিয়ন্ত্রন করো, কারণ আমি অবিশ্বাসী। এতোদিনেও আমার জেনে নিতে অসুবিধা হয়নি যে, বিশ্বাসীর মৃত্যু স্রষ্টার হাতে আর অবিশ্বাসীদের মৃত্যু বিশ্বাসীদের হাতে। তোমার জন্মান্তরের পরে নেয়া আলখেল্লার সাইড পকেট গুলোতেই সেই বাণী জ্বলছে চিরন্তর। তোমার বিশ্বাসগুলোকে তুমি নিজে তৈরি করে নিতে পারোনি। অথচ আমার অবিশ্বাসগুলোকে আমি নিজেই তৈরি করে নিয়েছি। কারণ এগুলো উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া নয়। ধার করে নেয়া বিশ্বাসের মূল্য আমার মৌলিক অবিশ্বাসের চেয়ে মূল্যবান হতে দেখলে আমি মোটেও নিরাশ হই না, ভেঙ্গে পড়ি না। কারণ আমার ভাবনা বিশ্বাস নিয়ে নয়। আবার আমি বিশ্বাসীও বটে, কারণ তোমরা যে কেবলই বিশ্বাস ভঙেগর কারণে ভেঙ্গে পড়বে এ বিষয়ে আমি লৌকিকভাবেই একমত হতে পারি। এটাও এক ধরনের বিশ্বাস। যা তোমাদের অবিশ্বাস।

হুমায়ুন আজাদ স্যারের "আমার অবিশ্বাস" গ্রন্থে আমি বিশ্বাসের চেয়ে অবিশ্বাসের কথায়ই বেশি পড়েছি। পড়েছি আর ব্যথিত হয়েছি। ব্যথিত হওয়ার নিরাপদ অবস্থানে কিন্তু বিশ্বাস ছিলো না। ছিলো অবিশ্বাস। তোমাদের অনুভূতি আর বিশ্বাসের সঙ্গমে যে ধ্বংসের উৎপত্তি হয়েছে- তাতেই হুমায়ুন আজাদ স্যার অতীত হয়ে গেলেন। "বিশ্বাসীরা বরাবরই হিংস্র হয়" হুমায়ুন আজাদ স্যারের কথাটি প্রমাণিত হতে হতে এখন অনেক কিছু দেখেই আর দীর্ঘশ্বাস পড়ে না। সত্যমানবরা দৈহিকভাবে বাঁচেন না। তবে আত্মিকভাবে ধ্বংস হয়ে যাওয়া মানুষগুলোর চাইতে বেশিদিনই পৃথিবীতে বেঁচে থাকেন। স্যারও বেঁচে থাকবেন। থাকবেনতো বটেই। কোন সেন্দহ নেই।

আমি আরও কিছু বিষয় বিশেষজ্ঞ না হয়েই ভালো জানি- যেমন ধরো... "আমি তখনই বেঁচে থাকার অধিকার হারিয়ে ফেলবো, যখন আমি সত্য কথা বলতে শিখবো। আমার মৃত্যুর জন্য দায়ী হবে বিশ্বাস আর অনুভূতি।" আমার মৃত্যুকে আমি স্মরণীয় করে রাখতে চাই। রাখতে চাই এই জন্য যে, যে যত বেশি জ্ঞানী হবে সে ততোই আগে মরবে। কারণ জ্ঞানপাপীরা জ্ঞানের সাথে লড়াইয়ে পেশীর ব্যবহার করে। তিল তিল করে ঘড়ে তোলা আমার মৌলিক জ্ঞানের উপর ভিত্তি করে প্রকাশ করা আমার অনুভূতি যখন তোমার সামনে যাবে, তখন সে তোমার ধার করা (উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া) বিশ্বাস আর অনুভূতির যৌথ পবিত্রতায় ফিরে আসবে মৃত্যুর পরোয়ানা নিয়ে। তুমি হয়তো ভাবছো যে... কথাগুলো তোমাদের ভেতরই গোপন থাকে। হা হা হা... আসলে তা নয়। আমরা অবিশ্বাসীরা তা অনেক আগেই জেনে ফেলেছি। আরো জানবো, কারণ তুমি প্রতিরাতে নারীর মাংস চুষে খেয়েও স্বীকার করার সাহস পাও না। অথচ আমি হরিজন সম্প্রদায়ের বালিকার বুকের সৌডলতা দেখে মুগ্ধ হয়ে তা প্রকাশ করার সৎ সাহস রাখি। আমি নির্দ্ধিদায় বলতে পারি, কবিতা আর নারীর বুকের উষ্ণতা পৃথিবীর যেকোন সুখের চেয়ে বেশি। তুমি তা পারে না। কারণ তুমি অন্ধকারে লোকচক্ষুর আড়ালে অনেক কিছু করতে জানো, আবার দল বেধে উপাসনালয়েও যেতে পারো। পারো না কেবল স্বীকার করতে- প্রতি রাতে কয়জন নারীর যৌনাঙ্গ চুষে কামরস পান করো। তুমি অনেক কিছুই করতে পারো, পারো না বলতে। আর আমার করার গন্ডিও অনেক বড়ো আবার বলার গলাও অনেক জোরালো। তুমি পাপ করার সময় যাবতীয় বিশ্বাসকে আলখেল্লার অন্ধকারে রেখে ঘটনার ক্রিয়ারস ক্ষেপনের পর আবার অতিশয় বিশ্বাসী হয়ে সামাজিক হয়ে যাও। সমাজকেও ভয় পেতে শুরু করো, কারণ তুমি বিশ্বাস করো সমাজ তোমাকে বের করে দিবে- যদি তুমি বলো যে একজন পুরুষের মলদ্বারে তোমার লিঙ্গটি তুমি কোন পিচ্ছিল পদার্থ ছাড়াই প্রবেশ করিয়েছো। অথচ তুমি নির্দ্ধিধায় তা করতে পারো।

যে ছেলে হুড তোলা রিকশায় বসে বসে প্রেমিকার স্তন পেষাতে পারে। সুযোগ পেলেই সেলোয়ারের ভেতর হাত ঢুকিয়ে প্রেয়সীর যোনীপথের পিচ্ছিল ভালো লাগা নিয়ে নিজ বীর্যপাত ঘটাতে জানে, সেও যেন তসলিমার নাসরিনের নাম শুনে তাকে অভিসম্পাত করতে চায়। যদিও সে রিকশায় বা কোন নির্জন স্থানে বা কোন বদ্ধ ঘরে প্রেমিকার কাঁচা মাংস চিবিয়ে খেলেও প্রেমিকা ছাড়া কেউ জানার আশংকা থাকে না। ভন্ডামির পিঠে চড়ে যে কোন স্পষ্টবাদির স্পষ্টতায় তোমাদের স্পর্ধা জেগে উঠতে দেখেও আমি স্বাভাবিক থাকি। কারণ আমি বিশ্বাসীদের দলে নই।

তসলিমা নাসরিনকে নিয়ে ক'দিন পরপরই ব্যাপক সমালোচনা/আলোচনা হয়। যার অধিকাংশের ফলাফলেই তার বুকে পিঠে বেশ্যার সাইনবোর্ডটা খুব ভালোভাবে লাগে। জীবনের অনেক পঁচা বিষয়কে মাড়িয়ে স্বধীন হওয়ার অন্তিম বাসনা নিয়ে লালিত স্বপ্নের পিঠে চড়ে একবার এই দেশে আবার সেই দেশে আশ্রয় খুজে চলেছেন তসলিমা নাসরিন। স্রষ্টার পৃথিবীটা স্রষ্টারই এক সৃষ্টির জন্য নরক হয়ে গেল। যেন সে এ পৃথিবীর কেউ নয়, স্রষ্টার সৃষ্টিও নয়। শুধুমাত্র আত্মজীবনী লেখার কারনেই আজ তসলিমা ঘৃনিত, লাঞ্চিত। আত্মজীবনীতো অনেকেই লেখে। আজকালতো তা একটা ফ্যাশন। খ্রীশ্চিয়ান ধর্মগুরু অগুস্তঁ (৩৪০-৪৪৩ খ্রিঃ) থেকে শুরু করে পাকিস্তানি স্বৈরশাসক পারভেজ মোশাররফ পর্যন্ত অনেক আত্মজীবনীই বিখ্যাত হয়েছে। বেশকিছু আবার বিতর্কিতও হয়েছে। খ্রীশ্চিয়ান ধর্মগুরু অগুস্তঁ (৩৪০-৪৪৩ খ্রিঃ) তার জীবনীতে আলজেরিয়ায় অবস্থান কালে তার অনেক অসামাজিক বাঁধহীন জীবনের কথা উল্লেখ করেছেন। যেখানে নারীভোগ থেকে শুরু করে স্বলিঙ্গের মৈথুনানন্দও রয়েছে। ফরাসি লেখক জ্যঁ জ্যাক রুশো (১৭১২-১৭৭৮ খ্রিঃ) তার জীবনীতে জীবনের নানান কুকীর্তির কথা তুলে ধরেছিলেন, অথচ সে সময় তার অনেক ভক্ত। কোন কিছুর তেয়াক্কা না করে অকপটে স্বীকার করেছেন সবকিছু। সমসাময়িক রাশিয়ায় বসবাসরত ফরাসি লেখক মাদমাজোল গতোঁ তার জীবনীতে লিখেছেন, "মাদাম দ্য ওয়ারেন" যাকে আমি মা বলে জানি, তাকে দেখেও আমার যৌন আকাংখা জাগে।" বেঞ্জামিন ফ্যাঙ্কলিন (১৭০৯-১৭৯০) তার যৌনতার উম্মালাত ছান্দসিক বর্ণনা দিতে গিয়ে তার জারজ পুত্রকে ঘরে তুলে আনার কথা বলেছেন। রবার্ট রাসেল তার জীবনীতে বিভিন্ন রমনীর সাথে মৈথুনানন্দের কথা লিখে গেছেন। রাশিয়ার বিখ্যাত লেখক এবং দার্শনিক লিয়েফ তলস্তয় লিখেছেন চৌদ্দবছর বয়সেই তার জীবনে রক্ষিতাদের আগমনের কাহিনী। সমাজের অনেক নিচুতলার এবং দরিদ্র মেয়েদের দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে তাদের সাথে দৈহিক সম্পর্ক, এমনকি এতে করে যৌন রোগে ভোগার কথাও গোপন রাখেননি। তার বিখ্যাত গ্রন্থ রেজারেকশন (পুনুরুজ্জীবন) এ লিখেছেন আরও অনেক কিছু। বর্তমান সময়ের ফরাসি লেখিকা ক্যাথরিন মিলে তার নিজের কথায়ই লিখেছেন নিজের লেখা La vie sexuelle de Catherine M নামক বউয়ে।ষাটের দশকে তার বহু পুরুষ ভোগের কথা নিখুত ভাবে বর্ণনা করে গেছেন। যা পড়লে যৌন ভাবে দুর্বল পুরুষদের বীর্যপাত ঘটারও সম্ভাবনা আছে।গ্যাব্যিয়েল গর্সিয়া মার্কোজ তার Vivir para contarla বইতে নারীদের সাথে লীলাখেলার কথা একটুও বাদ রাখেননি। এতে করে কি তার জনপ্রিয়তায় ফাটল ধরেছে? বা তার নামে কেউ আদালতে মামলা করেছে? রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরও তার আত্মজীবনীতে কিছু কথা লিখে গেছেন। বাল্য বিবাহের বিরুদ্ধে কথা বলেও তার আনিন্দ্য সুন্দরী কিশোরী মেয়েকে কেন কিশোরী থাকতেই বিয়ে দিলেন? তার পিছনে কি কবিগুরুর যৌন ভয় কাজ করেনি?

গোপনে অনেক কিছুই ঘটে। দুর্বল চিত্তের মানুয়েরা তা গোপন রাখে আর সবল চিত্তের সত্য প্রিয়রা তা প্রকাশ করেন। তসলিমাও তা প্রকাশ করতে চেয়েছেন জীবনে যত ঘাটের জল খেয়েছেন সবঘাটের সর্দার আর যত নৌকায় চড়েছেন সব নৌকার মাঝির নাম প্রকাশ করেছেন। তাতেই দোষ হলো? তার লেখতে স্তন, নিতম্ব, বীর্য, জরায়ু এই শব্দ গুলো আছে এই জন্য? তবে কি নারীর একান্তই নিজস্ব স্তন, স্তন মুকুল, নিতম্ব, জরায়ু, ঋতুস্রাব, এই শব্দ গুলো নিয়ে লেখার অধিকার শুধু পুরুষেরই আছে? এক নারী তার জীবনীতে কি লিখবে, তার সীমানা কি মোল্লারা আর হরিদাস পালেরা লিখে দিবে? মন মতো না হলে তাকে অবাঞ্চিত ঘোষনা করা হবে? তারার তসলিমা নিজ দেশ চেড়ে আরেক বাংলাতে আশ্রয় নেন। সেখান থেকেও বিতাড়িত হয়ে সুইডেনের আশ্রয়ে গেলেন। আর আমরা দিব্যি এদেশে হাওয়া খাচ্ছি। অন্ধকারে প্রণয়ে মেতে চলছি। অথচ এ দেশেরই এক নারী (নাগরিক) নামে বেনামে অনেক পুরুষের প্রমোদ সঙ্গিনী হয়ে আজ দেশান্তরিত। কিন্তু যাদেরকে সুখ দিয়ে গেলেন (বাধ্য হয়ে) আজ তারা সু-নাগরিকের বেশেই আছেন।

যারা মুখোশধারী, স্বভাবতই তোমরা সু-নাগরিক থাকবে। কারণ তোমরা বিশ্বাসী। বিশ্বাসী বলেই পাপ করতে পছন্দ করো আবার গোপন রাখতে ভালোবাসো। তোমাদের বিশ্বাস আর অনুভূতির তোপে পড়ে আমাদের মৃত্যু ঘটলেও আমরা স্বাভাবিক থাকি। কারণ আমাদের বেঁচে থাকা না থাকা বিশ্বাসীদের হাতে। যা তোমাদের স্রষ্টাই তোমাদের বলে দিয়েছে।

 

প্রকাশ করা হয়েছে: বখাটে কথন  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ১১ ই ডিসেম্বর, ২০১০ বিকাল ৫:৪২ | বিষয়বস্তুর স্বত্ত্বাধীকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২৮ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১০:০৫
একজন ব্লগার বলেছেন: মাথার ৪০ হাত উপর দিয়া গেল সবাক্ভাই!:(
২৮ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:৫৯

লেখক বলেছেন: কেন প্রলয় ভাই??:(

২. ২৮ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১০:০৬
বিডি আইডল বলেছেন: একজন ব্লগার বলেছেন: মাথার ৪০ হাত উপর দিয়া গেল সবাক্ভাই!
আমার ১০০!!
২৮ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:৫৯

লেখক বলেছেন: :(

৩. ২৮ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১০:২০
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: মাথার ৭৫৩ মিটার উপর দিয়া গেল
২৯ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:০০

লেখক বলেছেন: :(

৪. ২৮ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১০:২৬
মেহরাব বলেছেন: অতি চমৎকার লেখা.... এক দৌড়ে প্রিয়তে গেল
২৯ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:০১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মেহরাব

৫. ২৮ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১০:৩৫
রাজর্ষী বলেছেন: ভালোই তবে কিছু দ্বিমত আছে। যাউকগা,

আপনে আমাকে চমকে দিতে চাইসিলেন, কই পরে তো আর আওয়াজ করলেন না। আওয়াজ কইরেন সময় পাইলে।
২৯ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:০৩

লেখক বলেছেন: চমক না দেয়ার বিষয়টি কাকতালীয়ভাবে ঘটে গেছে। অডিও রেকর্ডার পাইনি/শিল্পী ও সুরকার গেলো নোয়াখালীর বাইরে সবমিলিয়ে তথৈবৈচ অবস্থা:(

৬. ২৮ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১০:৪৮
শফিউল আলম ইমন বলেছেন: লেখা ভালো লাগছে। মনে হইতেছে কারো উপরে চেতে লিখেছো??
ব্যাপার না। লেখালেখি চালিয়ে যাও।
সবার সৎ সাহস থাকে না। যাদের আছে তাদের সম্মান করি।
২৯ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:০৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ইমন ভাই

আপনার সাহসকে সম্মান করি।

৭. ২৮ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১০:৫৫
রাঙা মীয়া বলেছেন: আমি কিছুই বুঝলাম না। আপনের হইছেটা কি ? আমার বাড়ী আইসেন।
২৯ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:০৬

লেখক বলেছেন: কৈ নাতো কিচ্ছুই হয় নাই.... তয় মনের ভেতর খালি চুলকায়

৮. ২৮ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১০:৫৯
ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন: পরে সময় করে পড়বো। এখন মনোযোগ নাই ! কথা হবে।
২৯ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:০৭

লেখক বলেছেন: ঠিকাসে

৯. ২৮ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:৫৮
রাতমজুর বলেছেন: একটু বেশি কড়া হয়ে গেছে :)
২৯ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:০৭

লেখক বলেছেন: :)

২৯ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:১৩

লেখক বলেছেন: আপনার শোকেস চেক করুন।

ধন্যবাদ... অনেক দিন পর এলেন।
ভালোই লাগলো। ব্লগের শৈশবে ফিরে গেলাম।:)

১১. ২৯ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:১০
বিষাক্ত মানুষ বলেছেন: এই পোলা এমনে লেখে কেমনে !!!!

+++++
২৯ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:১৫

লেখক বলেছেন: কেমন আছেন সুসিক্ত মানুষ??

১২. ২৯ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:১৯
রিয়াজ শাহেদ বলেছেন: সুমন ভাই এইরকম তেজোদ্দীপ্ত একটা লেখা কেমনে লিখলা?

তবে কেনো লিখলা এইটা ধরতে পারছি।

"আমার অবিশ্বাস" পইড়া আমি একদম আউলাঝাউলা হয়া গেছিলামগা।
২৯ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:২৬

লেখক বলেছেন:
কেমনে লিখছি? এপ্রশ্নের কুন জবাব নাই। তবে বোধগুলো এমনই। এখানে লিখি না। কম্পিউটারে ৩৫৬ মেগাবাইট লেখা আছে। আরো পরে একটা বই বের করার চিন্তা আছে। তসমিলাকে উৎসর্গ করে কবিতা লিখে অভিজ্ঞতা অর্জনের পর ব্লগের জন্য এই লেখাটি দিলাম। (পুরোনো এবং নতুন লেখা মিলিয়ে)

আমার অবিশ্বাসের মতো আরো কয়েকটা পড়েছি। আমাকে ভীষণ টানে।

ভালো থেকো শাহেদ ভাই।

১৩. ২৯ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:২২
আরিফ থেকে আনা বলেছেন: মাথার ২৫ হাত উপর দিয়া গেল সবাক্ভাই
২৯ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:৩০

লেখক বলেছেন: কয় হাতে ২৫ হাত হয়?;)

১৪. ২৯ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:২৬
একজন ব্লগার বলেছেন: আবার জিগান "কেন?":|

প্রিয়তে রাখলাম। এক উইকএন্ডে মাথায় তিব্বত কদুর তৈল দিয়ে ঠান্ডা মাথায় পড়ার জন্য। এছাড়া এই লেখার মর্মদ্ধার করা এই জীবনে সম্ভব হবে না।:(
২৯ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:৩৩

লেখক বলেছেন:
একজন ব্লগার বলেছেন: "এছাড়া এই লেখার মর্মদ্ধার করা এই জীবনে সম্ভব হবে না"

ব্যাপক চিন্তার কারণ হৈছে।

** হুমায়ুন আজাদ এবং তসলিমা নাসরিনসহ কিছু ইস্যুতে খুব মুখরোচক কথা শুনি। তাদের সুবিধার জন্য পেষ্টি সল্ট হিসেবে মশলাটা দিলাম। খুব ঘেন্না লাগে, কিন্তু আমিতো ঐসব বালক/বালিকার মতো হত্যা/দেশান্তরী করতে শিখিনি, তাই লিখতে হলো। নইলে সবক'টার জিহ্বা কেটে নিতাম।

১৫. ২৯ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:৩৮
প্রশ্নোত্তর বলেছেন:

হাজার হাদীস-কালাম-রাজাকারনামা-বুটচোষার বয়ানে এইসব লেখা সাধারন পাঠকের মূলত নতুনদের চোখে পরার সুযোগ পায় না! রোজা আসার আগে আগেই আবার বেড়ে গেসে ঐশী ম্যাতকার। কি আর করা...বসে বসে এই বিষ্ঠা পরিষ্কার করতে হবে...এই প্রজন্মের জন্য এটা ওভারটাইম উইদআউট পে...:P
২৯ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:৪৪

লেখক বলেছেন: ;);) হা হা হা

জোশ কৈছেন
আমি ভীষণ ব্যস্ত নইলে ডিউটি ভাগ কৈরা নিতাম:)

১৬. ২৯ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:৪৯
রুবেল শাহ বলেছেন: কিরে দোস তোর এই লেখাটা আমার চোখে পড়ল এত দেরিতে.....

আমি কি কিছু বলুম..... না বুছে নিব........ ?

ভালোবাসা নিস
২৯ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:৫১

লেখক বলেছেন: বুঝে নিলাম..... (তোর ভালো লাগেনি:()


ভালো থাকিস।

১৭. ২৯ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:১৮
উত্তরাধিকার বলেছেন:
বাপরে...
এক টানে পড়ে গেলাম।
গভীরে নাড়া খেলে ভেতরটা খুব শিরশির করে...।

যদি কোন দিন সুযোগ আসে - আমি তোমার মুখে তোমার লেখা গুলো শুনতে চাই...
কি তীব্র আবেগ নিয়ে তুমি লেখো তার পুরাটা ঐ কন্ঠে আসলে কি যে হবে !
আমার খুব সাধ হয় কবিতার শব্দে বোমা ফাটার শব্দ শুনতে...

অনেক অনেক শুভেচ্ছা নাও হে প্রিয় ।
২৯ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:২৬

লেখক বলেছেন: আমার বিশ্বাস করতে কষ্ট হয়:(


ভালো থেকো।

১৮. ২৯ শে আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৪:৫২
কঁাকন বলেছেন: তোমরা যারা মুখোশধারী, স্বভাবতই তোমরা সু-নাগরিক থাকবে। কারণ তোমরা বিশ্বাসী। বিশ্বাসী বলেই তোমরা পাপ করতে পছন্দ করো আবার গোপন রাখতে ভালোবাসো। তোমাদের বিশ্বাস আর অনুভূতির তোপে পড়ে আমাদের মৃত্যু ঘটলেও আমরা স্বাভাবিক থাকি। কারণ আমাদের বেঁচে থাকা না থাকা বিশ্বাসীদের হাতে। যা তোমাদের স্রষ্টাই তোমাদের বলে দিয়েছে।
২৯ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৯:৫৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ কাঁকন


ভালো থাকুন।

১৯. ২৯ শে আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৬:০৫
আশরাফ মাহমুদ বলেছেন: কয়েকটা বিষয় বাড়াবাড়ি হয়ে গেছে। (কিছু কিছু শব্দের ব্যবহার অশ্লীল মনে হল)।
একটা কথা বলি, এরকম লিখতে সাহস লাগে, তোর প্রতি শ্রদ্ধা।

প্রিয়তে রাখলাম।
২৯ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৯:৫৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আশরাফ

২০. ২৯ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১০:০২
তপন চৌধুরি বলেছেন: লেখাতা খুব দ্রুত পরলাম আর বুঝতে সময় লাগে নাই৷ আমাদের সাথে বানরের gene ৯৯% মিল সুতরাং খুব বেশি কিছু আশা করে ভুল৷
২৯ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৫:১৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

২১. ২৯ শে আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১:৪৩
ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন: বিশ্বাস-অবিশ্বাসের প্রশ্নে প্রথা, সংস্কার, সংস্কৃতি এসব চলে আসে। টানাপোড়েনে এত ইস্যু জড়িয়ে গেলে আসলে টানটানিটা সবদিক দিয়ে ঘটে। ব্যক্তি-সমাজ সবকিছুর দায়বদ্ধতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে তখন।

এটা আসলেই তর্কসাপেক্ষ যে আলোচিত ব্যক্তিদ্বয় কেমন মানুষ, স্বত্ত্বা? সেটা বিচার করার মত সময়ও পার হয়নাই। তবে এটা ঠিক যে তাদের চিন্তাধারা আমাদের এই জনপদের সাথে খাপ খায় না। এজন্যই তারা আলোচিত হয়েছেন, নিন্দিতও হয়েছেন।

পাপবোধের অনেক কথা বলেছো। অবিশ্বাসীর পাপবোধ আর বিশ্বাসীর পাপবোধের দাঁড়িপাল্লা আলাদা। সেজন্য দুটাকে মিলানো ঠিক না। বিশ্বাসীদের মাপকাঠি পূর্ব-নির্ধারিত, সেখানে খুব বেশি পরিবর্তন ঘটেনি সময়ের সাথে। কিন্তু অবিশ্বাসীরা নিজের মূল্যবোধ দিয়ে পাপ-বিচারের খাতা লেখে। সেখানে এক এক জনের পাপবোধ আলাদা। তাই এটার আলোচনাও নিষ্ফলা মনে হয়।

এটুকুই আপাতত কথা। আরো কথা হবে পরে!:)
২৯ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৫:১৭

লেখক বলেছেন: পরে কথা হবে...

২৯ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৫:১৯

লেখক বলেছেন: হুমম

২৩. ২৯ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৪:৫৮
প্রণব আচার্য্য বলেছেন: বিডি আইডল বলেছেন: একজন ব্লগার বলেছেন: মাথার ৪০ হাত উপর দিয়া গেল সবাক্ভাই!
আমার ১০০!!


;)



হলদু তরকা
৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:৪৫

লেখক বলেছেন: :)

৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:৫০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

২৫. ৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৯:৩৬
. . . এখনো খুঁজি বলেছেন: পড়তে ইয়ে খানিকটা বিভ্রান্ত হয়েছিলাম - লেখার মাঝে হুমায়ুন আজাদের কথা এসেছে, নাকি পুরোটা তাঁর-ই লেখা !

অ-সা-ধা-র-ণ !
৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:৫২

লেখক বলেছেন: নিজে নিজে লেখার চেষ্টা করেছি...

২৬. ৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৯:৪৩
মুহিব বলেছেন: সুন্দর করে লেখার জন্য ধন্যবাদ।
৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:৫৩

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ।

২৭. ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ৯:৪৪
ফরহাদ উিদ্দন স্বপন বলেছেন: আমার মতো মুর্খের পক্ষে বুঝা অসম্ভব। আসলেই মাথার ৪০ হাত উপর দিয়া চইলা গেল। তারপরেও +++++++++++
০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:০২

লেখক বলেছেন: আমার ব্যর্থতায় লজ্জিত।

০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:১৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ যাযাবর।

ভালো থাকুন সবসময়।

২৯. ১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:৫১
দুরের পাখি বলেছেন:

এই মন্তব্যটি মুছে ফেলা হয়েছে, মন্তব্য করার সময় ব্লগ ব্যবহারের শর্তাবলীর দিকে খেয়াল রাখুন । শর্তাবলী

১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ২:৪৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

৩০. ১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:৫৮
রাহুল বলেছেন: ভালো লাগলো।পিলাচ
১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ২:৪৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ রাহুল

৩১. ০২ রা নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১:৫৫
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:


"বিশ্বাসী বেশ্যারা চিরজীবী হও"

এই শিরোনামটি ব্যাখ্যার দাবী রাখে । পাঠকের জায়গা থেকে সেটার ব্যাখ্যা আমি চাইতেই পারি, চাইছিও । আমি বিশ্বাসী । আপনি অবিশ্বাসী, খুব ভালো কথা ।

খারাপ কথাটা হচ্ছে, বিশ্বাসীদের বেশ্যার সাথে তুলনা, বা বিশ্বাসীরা বেশ্যার মতো বিশ্বাস বিকোয়, এইটা আপনার কেন মনে হলো ?
০২ রা নভেম্বর, ২০০৮ রাত ২:০২

লেখক বলেছেন:
বিষয়টি খুবই বিস্তৃত পরিসরে আলোচনাযোগ্য।

আমি আসলে তাদের উদ্দেশ্যেই লিখেছি, যারা ধর্ম বিশ্বাসের ওপর ভর করে ধর্মে অবিশ্বাসীদের নানান ধরনের সার্টিফিকিট দিতে অভ্যস্ত এবং নিজস্ব নিষিদ্ধকে সিদ্ধ করতে পটু।

এ কথা আমি অবশ্যই বলবো যে, আমি যা অবিশ্বাস করি তাহাও এক ধরনের বিশ্বাস। তবে তার উৎকৃষ্টও অবশ্যই থাকতে পারে এবং সে উৎকৃষ্টের অবস্থান প্রমাণিত হলে আমি সেখানেই যাবো।

আপাতত: এর বেশি নয়।

৩২. ০২ রা নভেম্বর, ২০০৮ রাত ২:৩৯
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:

দীর্ঘ লেখাটির প্রকাশভঙ্গি খোলামেলা হলেও , ভেতরের মসলাকে মোটেও খারাপ বলা যাবে না । আমি বরং একে উৎকৃষ্ট সৎসাহসের প্রকাশ বলেই মানি ।


ধর্মের তরবারী হাতে নিয়ে তসলিমাকে কতল করতে আসা মূর্খ ধার্মিক বা বক ধার্মিকদের বিষয়ে এই পোস্টের বক্তব্যের সাথেও আমার তেমন দ্বিমত নেই ।

এই বিষয়ে এইখানে প্রচুর আলোচনা হয়েছে প্রচুর বিতর্ক করেছি । এখান থেকে হয়তো কিছুটা সাহায্য আপনি পেতে পারেন ।

আমার আপত্তির জায়গাটা শিরোনাম । একজন লেখকের জায়গা থেকে আপনার কিছু দায়বদ্ধতা আছে (আপনি ভালো লিখেন, সেজন্য সে দায়বদ্ধতা আরো বেশী) । থাকা উচিত । একটি সম্প্রদায়ের সবাইকে আপনি বেশ্যার সাথে তুলনা করতে পারেন না । বিশ্বাসী মানুষ মাত্রই কাঠমোল্লা নয় । আমি বিশ্বাসী । অথচ তসলিমার প্রতি যে চরম অন্যায় করা হয়েছে, করা হচ্ছে সেটা স্বীকার নয় শুধু, সম্ভব হলে নিজ হাতে এই অন্যায়ের প্রতিকার করতাম । সেরকম মানসীকতা অন্তত ধারণ করি ।

বাউল ভাস্কর্য বলি মা মূর্তি বলি, সেটাতে আমার ঈমাণ ভেঙ্গে যায় না । আমার ঈমাণ কাঁচের নয় । ঈশ্বর বিশ্বাসের সাথে , আমার সংস্কৃতি আর কৃষ্টির উন্নয়নেও আমি বিশ্বাসী ।

এখন আপনিই বিচার করুন একটি শব্দের আওতায় সবাইকে নিয়ে আসাটা আপনার বিবেচণাবোধে একবারও বাধছে কিনা ?

০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৩:৫৪

লেখক বলেছেন:
"বাউল ভাস্কর্য বলি মা মূর্তি বলি, সেটাতে আমার ঈমাণ ভেঙ্গে যায় না"
"ঈমাণ ভেঙ্গে যায় না"

এ লাইনটি পড়ার পর আমি আলোচনা বন্ধ করতে বাধ্য। কারণ এখান থেকে জোযন জোযন দূরত্বে অবস্থান করি।

৩৩. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ৯:২০
ফাহমিম বলেছেন: ভাইরে...কি লিখসেন এইটা!

পুরা জট পাকাইয়া গেলো!
১১ ই নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ১১:৪২

লেখক বলেছেন: ohhhhhhhhhh

৩৪. ২২ শে নভেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:১০
বিষাক্ত আলো বলেছেন: লিংক টা দিয়ে ভালই করলেন, একটা ভালো লেখা পড়া হল।
২৩ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ২:২৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ অনেক অনেক।

৩৫. ২৬ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:১৪
পুতুল বলেছেন: শুরুর দিকে ভেবেছিলাম লেখাটা হয়তো স্যারের নিজের, পরে মন্তব্যে এসে নিশ্চিৎ হলাম; এটা আপনার মৌলিক রচনা।
এবার বুঝতেই পারছেন কত ভাল আপনি লিখতে পারেন!
বক্তব্য, শব্দ চয়ন, বাক্য গঠন, উদাহরণ সব কিছু খুব ভাল লেগেছে।

আপনার মত দুএকজন লেখক সৃষ্টি করে গেছেন বলেই; হুমায়ূন আজাদ অমর থাকবেন, বেঁচে থাকবেন।

আশা করি আপনার অনবদ্য গদ্য লেখার হাত চলবে আজীবন। আপনি লিখতে থাকুন, আমরা পড়তে থাকি।
২৬ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:২৮

লেখক বলেছেন: পুতুল....

আপনাকে অনেক ধন্যবাদ আমার নিমন্ত্রন গ্রহণের জন্য।
আমি সত্যিই খুব আনন্দিত...

৩৬. ০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:২৫
ফাতাহ্‌ বলেছেন: (আগেরটা একটু ভুল ছিল, তাই মুছে ফেলুন )

কি অদ্ভুদ ব্যাপার !!!

যাক সে কথা , আপনি কি ভাল/দুশ্চিতাযুক্ত আছেন ??

আপনি " বিশ্বাসী = বেশ্যা " এই মিল পেলেন কেথায় ??

এটা মজার ব্যাপার নয় কি ??...................
০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:৫৭

লেখক বলেছেন:
যে সকল বিশ্বাসীরা হুজুগে হয়ে অবিশ্বাসীদের পিছে লেগে থাকে... বুঝেও কয়, না বুঝেও কয় তারা কি বেশ্যাচরিতের(যে অর্থে বহুল ব্যবহৃত) চাইতে ভালো?


মিলটা ওখানেই পাই।


ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য।

৩৭. ০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৩:২১
ফাতাহ্‌ বলেছেন:
এই জন্য আপনে ঢালাওভাবে সকল বিশ্বাসীদেরকে একথা বলা কি ঠিক ??

কেননা , তাহলে আপনি নিজেও কিন্তু বেশ্যাদের কাতারে পড়ে যান। তাই নয় কি ??

তাই যদি হয় তবে কেন এই সবিরোধী লেখা ??
০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৩:৩৬

লেখক বলেছেন: লেখক বলেছেন:
যে সকল বিশ্বাসীরা হুজুগে হয়ে অবিশ্বাসীদের পিছে লেগে থাকে... (আপনার আগের মন্তব্যের জবাবের প্রথম লাইন...

এ লেখা স্ববিরোধী হতে যাবে কেন?

প্রথমে আমি বলিনি যে আমি বিশ্বাসী(ধর্ম)... দ্বিতীয়ত আমি বিশ্বাসীদের ঢালাওভাবে বলিনি। আমি কেবল বেশ্যাসাদৃশ্য বিশ্বাসীদেরই বলেছি...

(এ লেখার শানে নজুল ------- আমি তসলিমা নাসরিনের জন্মদিনে একটি কবিতা দিই। অনেকেই তসলিমার কারণে কবিতাকে মাইনাস রেটিং করে এবং তসলিমাকে উদ্ধেশ্য করে ক্ষোভ প্রকাশ করে। অনেকের মন্তব্য পড়ে কেন জানি মনে হলো... বুঝে ক্ষ্যাপে না বুঝে ক্ষ্যাপে.....)

আলোচনার জন্য ধন্যবাদ।

৩৮. ০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:৪২
ফাতাহ্‌ বলেছেন: আপনার উওরটা পরে খুবই ভাল লাগলো, কারণ আপনে আমাকে সুন্দরভাবে ব্যাপারটা বুঝিয়ে দিয়েছেন ।

(বিঃদ্রঃ যদিও নিজের মতামত আপনার আলোচনার সেই সব বিশ্বাসীদের পক্ষে নয় )


যাহোক, তবে আমি মনে করি যারা বুঝে ক্ষাপে তাদেরকে যুক্তিযুক্তভাবে বোঝানো বা আলোচনা করা যেতে পারে। আর যারা না বুঝে ক্ষাপে তাদেরকে রাগারাগি বা গালাগালী করলে কিন্তু তারা সেই অন্ধকারেই রয়ে যায়।
রাগারাগি বা গালাগালী থেকে তারা কিন্তু কোন শিক্ষা নেই না, ফলে রাগারাগি বা গালাগালী কিন্তু বৃথা হয়ে যায়। কারণ কুকুরের কাজ কুকর করবে আর মানুষের কাজ মানুষ। তাছাড়া ঐ অমানুষটা কিন্তু আপনার মনুষত্ত থেকে শিক্ষা নেবে (হয়ত আগে বা পরে )।

তাকে সে সুযোগ দেবেন কি , দেবেননা তা আপনার উপর ছেড়ে দিলাম
০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৩:৪৫

লেখক বলেছেন: হা হা হা


আপনি যে উচ্চজাতের জ্ঞানী প্রয়াসী তা আমি আগেই বুঝেছিলাম।
===================
"যাহোক, তবে আমি মনে করি যারা বুঝে ক্ষাপে তাদেরকে যুক্তিযুক্তভাবে বোঝানো বা আলোচনা করা যেতে পারে। আর যারা না বুঝে ক্ষাপে তাদেরকে রাগারাগি বা গালাগালী করলে কিন্তু তারা সেই অন্ধকারেই রয়ে যায়।
রাগারাগি বা গালাগালী থেকে তারা কিন্তু কোন শিক্ষা নেই না, ফলে রাগারাগি বা গালাগালী কিন্তু বৃথা হয়ে যায়। কারণ কুকুরের কাজ কুকর করবে আর মানুষের কাজ মানুষ। তাছাড়া ঐ অমানুষটা কিন্তু আপনার মনুষত্ত থেকে শিক্ষা নেবে (হয়ত আগে বা পরে )।" ============== আপনার শেষ কমেন্টের এই অংশে আমাকে খুব বড়ধরনের জ্ঞান দেয়ার চেষ্টা করেছন। যদি নিজেকে শুভাকাংখী ভাবতে চান তাহল আমি বলবো..... এধরনের শুভাকাংখীকে আমি ইগনোর করি। আর ইম বইয়ের ভাষায় কথা বলাকে পছন্দ করতে পারি না। ধার করা গৎবাঁধা নীতিকথা বলা আর বসে বস খই খাওয়া একই জিনিস।

আমি আমার লেখার কোথাও গালাগাল করি না। বিষয়টা এমন যে, হুমায়ুন আযাদদের মতো লোক ধর্মের নানা অত্যাচার সহ্য করতে পারলেও হুমায়ুন আযাদের কয়েকটি বই হজম করার ক্ষমতা আপনাদের থাকে না। ঠিক তেমনি এই অধমেরও কিছু বিরক্তি আপনার কাছে গালি হয়ে লাগলো।

শেষ লাইনে যে বিচারের ভার আমার ওপর দিলেন, তার জবাবে বলছি.... আমার অবস্থান তার চেয়ে নিরাপদ দূরত্বে।


আপনার আঁতলামির জন্য সাধুবাদ।

৩৯. ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:৩৪
ফাতাহ্‌ বলেছেন: প্রথমতঃ আলোচনা করা আর বিতর্ক করা এক জিনিস নয়।

আপনি আলোচনাটাকে বিতর্কের দিকে নিয়ে যাবেন না।

দ্বিতীয়তঃ " রাগারাগি বা গালাগালী " এখানে রূপক অথে বলেছি ।

তৃতীয়তঃ " আপনার আঁতলামির জন্য সাধুবাদ।"

আঁতলামির মত অনেক কিছু করেছি কিনা ভেবে দেখতে হবে , তারপরনা সাধুবাদের পালা !!!


চতুর্থতঃ আর আমি আপনার কাছে থেকে ভাল কিছু নিতে পারি কিনা ?? একইভাবে আপনের ক্ষেত্রেও তাই নয় কি ??
০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:০৮

লেখক বলেছেন: যাহোক এবার কথা বলা যায়। কিন্তু এখনতো মনে হয় আপনে নাই।:(

০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:৩৯

লেখক বলেছেন: জো হুকুম জাঁহাপনা :):)

বহুত খুশি

৪১. ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:৪১
নরাধম বলেছেন: সবাক ভাইডি, আছেন কেমন? অনেকদিন খোঁজ খবর নেওয়া হয়না।
০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:৪৬

লেখক বলেছেন: হুমম ভালা আছি...

আমার মনে আছে... এটিম নিয়া পোস্ট দেওনের পরই অনেকেই আমার ব্লগে আসে না। মাঝে মাঝে আমার ডিএনএ টেষ্ট করতে ইচ্ছা হয়।

তবে যাই হোক আমার তেমন একটা দু:খ নাই। নিজের কাছে নিজে খুবই সৎ আছি। যা অনেকেই পারে না।

আপনি কেমন আছেন?
অনেক ভালো থাকুন।

৪২. ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:৫৪
নরাধম বলেছেন: "আমার মনে আছে... এটিম নিয়া পোস্ট দেওনের পরই অনেকেই আমার ব্লগে আসে না। মাঝে মাঝে আমার ডিএনএ টেষ্ট করতে ইচ্ছা হয়।"




ভাই, আমি সবার মধ্যে না। এ-টীমে নিয়ে আপনার মতামতের সাথে আমি একমত না, তবে আপনার লেখা ভাল লাগে। (কোবতে কিন্তু বুঝিনা)। আমাদের মতের অমিল তো থাকবে, কিন্তু সেটা কোন সমস্যা তো না। আমি ব্লগে আসার সময়ই পাইনা ইদানিং। প্রতিদিন খুব বেশী হলে ১০ মিনিট! বেশিরভাগ দিন আসিইনা।
০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:৫৭

লেখক বলেছেন:
এটা ঠিক যে আপনিসহ আরো কয়েকজনকে খুব মিস করি।
নাম বলতেছি না।

৪৩. ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:৫৫
নরাধম বলেছেন: আমি নিরন্তর ভাল থাকি। আপনিও ভাল থাকুন।
০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:৫৮

লেখক বলেছেন: আমিও নিরন্তর ভালো থাকবো।

৪৪. ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৯:২০
দেশী পোলা বলেছেন: লেখক বলেছেন:গোপনে অনেক কিছুই ঘটে। দুর্বল চিত্তের মানুয়েরা তা গোপন রাখে আর সবল চিত্তের সত্য প্রিয়রা তা প্রকাশ করেন


একমত হলাম না, গোপনীয়তা প্রকাশ করা সবল চিত্তের পরিচয় নয়, চিত্তভ্রমের বশেও অনেকে গোপন কিছু প্রকাশ করেন। মলত্যাগ গোপনে করাটা সামাজিকভাবে স্বীকৃ্ত, কিন্তূ লোকসমক্ষে প্রকৃতির ডাকে সাড়া দেয়া কি সবল চিত্তের পরিচয়?
৪৫. ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:৫৪
জেমসবন্ড বলেছেন:
দেশী পোলার মন্তব্যটা ঝা ঝা হইছে....হাসতে হাসতে শেষ ।

তা ভাই তসলিমার জন্য তো খুব দরূদ , ঠিকাচে, মানুষের জন্য দরূদ থাকাটা স্বাভাবিক । তো আপ্নে কয়টা খারাপ কাজ করতে বাধ্য হওয়া মেয়েদের জন্য কি কি করচেন...এট্টু যদি বলতেন ?

...তসলিমা মত প্রকাশ করার কারণে তার এই দুর্গতি ...! তো মাইয়ারা তসলিমার কতা শুইন্যা হের মত ফ্রি হইলে ..কি আপনার কি খুব সুবিধা...? না সমাজের ভালো হইব ? হ, তখন কইবেন..কেন হিরু কনডম আছে না , নাকি ?

........দরূদ থাকা ভালো..জায়গা মত হওয়া চাই...নইলে ....মায়ের অতি আদরে সন্তান নষ্ট -ই হয়...ভালো হয় না , বুইচছেন...আল্লাহ হাফেজ ।
৪৬. ১৪ ই মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪২
ঘাস ফুল বলেছেন: সাহসী লেখার জন্য ধন্যবাদ ...সহমত .........
১৪ ই মে, ২০০৯ রাত ১১:৫৬

লেখক বলেছেন:
Apnakeo dhonnobad......

৪৭. ১৪ ই মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪৭
আমড়া কাঠের ঢেকি বলেছেন: দেশী বাইএর কমেন্টে জাঝা!!!!!!!
৪৮. ১৪ ই মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫৭
প্রশ্নোত্তর বলেছেন: @দেশি পোলা

এটা কিরকমের যুক্তি হলো? আমের সাথে তুলনা করলেন জবার? তরমুজের তুলনা হলেও একটা কথা ছিল - দু'টোই ফল। এরকম কুযুক্তি সজ্ঞানেই দিলেন নাকি মুখ ফসকে বেরিয়ে গিয়েছে?

যাই হোক, জেমসবন্ড আর আমরা কাঠের ঢেকি আপনার এই অপযুক্তির টুইস্টিং মনে হয় ধরতে পারেনি তাই হে হে করে গেল।
১৪ ই মে, ২০০৯ রাত ১১:৫৯

লেখক বলেছেন:
দেশীপোলারে আমি ইগনোর করি... আর জেমস বন্ডের কল্কি বিষয়ক পোস্ট পইড়াই তার সম্পর্কে ভালো ধারনা হইছে...

তাই তাদের মন্তব্যের জবাব দেয়ার প্রয়োজন বোধ করি নাই।

ভালো থাকুন। :)

৪৯. ১৫ ই মে, ২০০৯ দুপুর ১:০৮
সুস্ময় সুমন বলেছেন: "যে ছেলে হুড তোলা রিকশায় বসে বসে প্রেমিকার স্তন পেষাতে পারে। সুযোগ পেলেই সেলোয়ারের ভেতর হাত ঢুকিয়ে প্রেয়সীর যোনীপথের পিচ্ছিল ভালো লাগা নিয়ে নিজ বীর্যপাত ঘটাতে জানে, সেও যেন তসলিমার নাসরিনের নাম শুনে তাকে অভিসম্পাত করতে চায়। যদিও সে রিকশায় বা কোন নির্জন স্থানে বা কোন বদ্ধ ঘরে প্রেমিকার কাঁচা মাংস চিবিয়ে খেলেও প্রেমিকা ছাড়া কেউ জানার আশংকা থাকে না। ভন্ডামির পিঠে চড়ে যে কোন স্পষ্টবাদির স্পষ্টতায় তোমাদের স্পর্ধা জেগে উঠতে দেখেও আমি স্বাভাবিক থাকি। কারণ আমি বিশ্বাসীদের দলে নই।"

+++++++++++++++++++++++++++
১৫ ই মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১১

লেখক বলেছেন:
আমিও সুমন

৫০. ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:০০
তরু বলেছেন: তসলিমা ফিরে আসুক।

এখানে যারা তার যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন, তারা একটা জিনিশ বুঝছেন না, সেটা হলো তার যোগ্যতা কী আর সে দেশে ফিরে আসবে কি না, দুইটা সম্পূর্ণ আলাদা কথা।

(একজনের যোগ্যতা বিচার করার জন্য আর একজনকে কী কী যোগ্যতা থাকতে হবে, সেইটা অবশ্য সবাইকেই ভেবে রাখা দরকার...)
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:৪২

লেখক বলেছেন:

আপনার মতামতের জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ।


ভালো থাকুন।

৫১. ২৭ শে জুন, ২০১০ সকাল ১১:২৪
আমিও মানুষ বলেছেন: যুক্তি আছে। ভালো লাগলো। ধন্যবাদ...
২৭ শে জুন, ২০১০ বিকাল ৫:৪৬

লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ।

৫২. ০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০১০ দুপুর ২:৫১
আমি উঠে এসেছি সৎকারবিহীন বলেছেন:
ঠিক যেমন লেখা পড়তে চাই...
০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০১০ বিকাল ৪:২৭

লেখক বলেছেন: অনেকদিন পর মন্তব্য দেখে ভালো লাগলো। :)

৫৩. ০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০১০ বিকাল ৩:২১
ওরাকল বলেছেন: বিশ্বাসীদের কৃ্তকর্ম দিয়ে বিশ্বাসরের ভাল-মন্দ যাচাই করতে যাওয়া আর গরু-মহিষ থেকেই সরাসরি চামরার ব্যাগ আশা করার মাঝে খুব একটা তফাত নেই।

মনে রাখতে হবে বিশ্বাসটা ধারন করছে মানুষ যে তার বাবা-মা এমনকি নিজ সন্তানের চাইতেও মন-মানসিকতা বা চিন্তা-চেতনায় আলাদা।

মানুষ যেমন কারো ফটো-কপি নয় ঠিক তার ভেতরের বিশ্বাস ও অন্যের অনুরুপ নয়। তাই বিশ্বাসের আসল রুপ যাচাই করতে তা নিজের উপর প্রয়োগ করাই সর্বশ্রেষ্ঠ উপায়। আরন ভুক্তভোগীই যানে সুখ-দঃখের আসল মর্মার্থ।
১১ ই ডিসেম্বর, ২০১০ বিকাল ৫:১০

লেখক বলেছেন: মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

৫৪. ১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ৮:৩৩
আমি কেউ না বলেছেন: অসাধারন একটা লেখারে ভাই। তবে আমি শুধু এইটুকু বলতে চাই - কেউ যদি ধর্মকে নিজের ইচ্ছা মতো ব্যবহার করে- সেতা শুধু তারই দোষ - ধর্মের না
১১ ই ডিসেম্বর, ২০১০ বিকাল ৫:১১

লেখক বলেছেন: হয়তো তাই।

১১ ই ডিসেম্বর, ২০১০ বিকাল ৫:১২

লেখক বলেছেন: এতোদিন পর মন্তব্য দেখে ভালোই লাগলো :)

১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ ভোর ৪:০৬

লেখক বলেছেন: বাহ! মন্তব্য পেয়ে আসলেই ভালো লাগছে। কতো আগে লিখলাম এই লেখা!

৫৭. ০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১১ দুপুর ১:৪৪
মু. জামান চৌধুরী বলেছেন: আমি ৯০ % মানি যে এগুলো সত্য ১০% ভুল হতেও পারে ?
০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ১০:১৬

লেখক বলেছেন: তাতো বটেই।

৫৮. ০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১১ দুপুর ১:৪৬
মু. জামান চৌধুরী বলেছেন: ঠিক একই ভাবে আমি তাসলিমা কে মুল্যায়ন করি ? সেটা একান্ত ই আমার মত
০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ১০:১৬

লেখক বলেছেন: মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

৫৯. ২৭ শে অক্টোবর, ২০১১ দুপুর ১২:১১
নিকো৮১২৩ বলেছেন: এই পোলা এমনে লেখে কেমনে !!!!

+++++
২৭ শে অক্টোবর, ২০১১ দুপুর ১:২৫

লেখক বলেছেন: লেখাটা আবার পড়লাম। কয়েক যায়গায় শব্দের ব্যবহার দেখে নিজে নিজে হাসলাম। :)

এ লেখাটি আবার গুছিয়ে লিখতে হবে। আপনি কেমন আছেন? অনেকদিন পর দেখলাম।

৬০. ২৬ শে নভেম্বর, ২০১১ বিকাল ৩:৫৫
কাউন্সেলর বলেছেন: প্রিয়তে সোজা, এর পর বাকি কথা।
২৭ শে নভেম্বর, ২০১১ সকাল ১১:৫০

লেখক বলেছেন: ভালো থাকবেন।

 

মোট সময় লেগেছে ১.২২৮৩ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
এখানে জমে আছে পাবলো পিকাসোর জীবনে আসা সর্বশেষ নারীর অপ্রকাশিত হাসি
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ