কি জটিল মিথ্যাচার!
সব আনন্দ কুক্ষিগত করে রেখেছে বিশ্বাসীদের দল।
পুরো কাঁচারাস্তা জুড়ে কাদা আর সুড়কির সহবাস-
আগের রাত্তিরে বিছানায় গড়াগড়ি এখানে সেখানে
সমস্ত ব্যাথা নিয়ে সন্যাসীর আনন্দ অন্বেষন!
কোথাও আনন্দ নেই!
আকাশও সুযোগ বুঝে বিধবার মতো যাবতীয় শোক নিয়ে
একখানা ফোকলা নাকের গোমরা মুখ টাঙ্গিয়ে রেখে
দায়সারা গোছের চাঁদ দেখিয়ে আমাকে খুশি হতে বলে গেলো।
আশ্চর্য!... তুমি বললেই হলো?
আলো দিলে না, ভালো দিলে না;
অমনিই আমি নাচবো! গাইবো!
অনুর্বর বুক ঘষে ঘষে খসখসে করে
অপচয় করবো কষ্টিপাথরের ন্যায় প্রত্নতাত্বিক অস্তিত্ব!
অত:পর তুমি চাইলে আর খোশ আমদেদ-খোশ আমদেদ
রবে পক্ষীকূলের পলায়নে বিশ্বাসীরা আনন্দ পেতে থাকবে।
অথচ সারাদিনের গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি প্রেয়সীর হাত ধরতে
সাক্ষাত সতীন হয়ে গেলো; আকাশও নির্বিবাদে বৃষ্টি দিলো।
বাবার সময় ঘনিয়ে এসে চেহারায় মৃত্যুভয় স্পষ্ট-
মাতো নামের আগে মরহুমা বসিয়ে নিশ্চিন্ত হতে চেষ্টা করছেন।
অবিকল শ্মশাণের বুকে দাড়িয়ে মৃত, অর্ধমৃত স্বজনেরা
কুঁড়ে কুঁড়ে আনন্দ বার করে আনে কফিনের কোণগুলো থেকে।
চারপাশের কুঁড়ে ঘরের চালের ছুঁইয়ে পড়া পানির সাথে
কিঞ্চিত হাহাকার, সামান্য রোধন, তিলাবরণ বুক পুঁফানো যে ঝরেনি
তা কি কেউ বলে দিবে?
বিশ্বাসীরা জানে, ঈদ মানে আনন্দ-ঈদ মানে খুশি
এ দিন আনন্দ করতেই হয়! অথচ-
আনন্দ বা খুশি পায়ে হেঁটে আসে না
বরাবরই অলৌকিক নয়, নিশ্চিত নয়!
না খুঁজে পাওয়া(!) আনন্দ খুঁজতে গিয়ে তিলাংকও পাইনি-
বিরক্ত হয়ে ছুটে আসা শাশ্বত বাস্তবতায়
যেখানে সৃষ্টির পুতুল নাচে প্রতিনিয়তই আসর কাঁপে।
০২.১০.০৮
রাত ১০.৩০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

