আশরাফ, আমাদের পাশের উপজেলার ছেলে । দুর্দান্ত কবিতা লেখে। তাকে খুব ইর্ষা হয়। আমাকে শানানোর জন্য তার প্রচেষ্টা মুগ্ধ করে। ফরহাদ উদ্দিন স্বপন আমাকে নন প্র্যাকটিক্যাল মানুষ হিসেবে চিহ্নিত করেছে। আমাকে নিয়ে যে ভাবেন এতে খুব খুশি। আরো খুশি হই যখন তিনি সামনে পরীক্ষা দেয়ার বিষয়ে খোজ খবর নেন। ব্লগার রাঙা মিয়া আমাকে নিয়ে খুব আশাবাদী। অনেকগুলো দ্রোহের কবিতা লিখিয়েছেন সবাকের হাতে। দরদ দিয়ে লিখিনি বলে যার অনেকগুলো দেখলে এখন খুব আফসুস হয়
আমার দেখা সবচে ইমোশনাল পোলা। নাম অন্তিম। তারে চেনার আগে নিজেরেই সবচে ইমোশনাল ভাবতাম। আমার Ranking টারে মাঠে মাইরা দিছে এই পোলা। কখনো সুযোগ পেলে অন্তিমের সাথে জীবনের বেশ ক'টা দিন কাটানোর ইচ্ছা আছে। এতো নন প্প্প্র্যাকটিক্যাল পোলা খুবই আছে।
নিয়ন আলোয় বাউলের লেখার মাঝে আমি সুপ্ত কিছু দেখি। তারমাঝে কিছু একটা আটকে আছে। সে ছাড়তে পারছে না। তবে একদিন ঠিকই পারবে।
প্রাকৃত'র কথা বলি, সোজা সাফটা কবিতা লেখে। একেবারেই সরল। আমাকে রীতিমতো দুখুমিয়া বানিয়ে ছাড়লো।
অন্তিম, নিয়ন আলোয় বাউল আর প্রাকৃত'র নাম আমি পাশাপাশি রাখতে পছন্দ
করি।
তনুজা, অদৃশ্য, নিবিড়, তারার হাসি, শতরূপাসহ বেশক'জন ব্লগার আছেন যাদের ব্লগে সময়ের অভাবে যেতে পারি না
আমাকে মাঝে মাঝে কিছু ব্লগার চমকে দিয়েছিলেন। ফোন অথবা ম্যাসেঞ্জারে এ্যাড করে। প্রথম চমকটা আসে নিহন থেকে। একদিন বিকেলে ব্লগার মানব মানিকের ফোন পাই। কিন্তু তিনি কোনভাবেই আমাকে পরিচয় দিচ্ছেন না। অনেকক্ষন পর যখন মানব মানিক বললেন তখন তার লেখা আমার খুব প্রিয় একটি কবিতার নাম মনে পড়ে যায়। নাম "গডফাদার"। আর তার বার বণিতার জবানবন্দী নামের কবিতাটিতো এক খাঁসা সৃষ্টি। ব্লগার বৃত্তবন্দী (কাউয়া
একজন প্রণব আচার্য। যাকে আমি গুরু সম্বোধন করি। ভালো লাগে মুক্তি মন্ডলের কবিতা। খুব ভালো লাগে। ফয়সল নোই খুব কম লেখে আর যাই লেখে জোওস লেখে। একজন কবির কবিতা পুরোটা না পড়েই এড়িয়ে যেতাম। একপর্যায়ে খুব বিরক্তও লাগলো। পরে প্রণব আচার্য বললেন, আপনি পড়ে দেখুন ভালো লাগবে। আসলেই তাই, আন্দালীব অসম্ভব ভালো লেখে। অরণ্য ! তার কবিতা একেবারে হৃষ্টপুষ্ট খরগোশের মতো। বিচ্ছিরি প্যাটেন্টধারী বৃত্তবন্দীর উপর ইদানিং কাউয়া নজর ফেলছে। কে জানে হয়তো কবির সাথে কাকের একটা সম্পর্ক আছে
দিনমজুরের ক'টা লেখা পড়েছি। কেন জানি তার লেখাগুলো খুব কার্যকর মনে হয়। নাস্তিকের ধর্মকথার ধর্ম বিষয়ক পোস্টগুলো দেখি আর ভাবি একজন মানুষ কতটুকু জ্ঞান ধারণ করতে পারেন !
গল্প খুবই কম পড়ি। একবার খুব মনযোগ দিয়ে আকাশচুরি আর মোস্তাফিজ রিপনের গল্প পড়ি। লোভে পড়ে যাই। কিন্তু তারা এতো দেরি করে লেখা দেন যে বারবার ফিরে আসতে হয়
রাগ ইমনের কয়েকটি লেখা পড়েছি। ভালো লাগছে ভীষণ। পুতুল নামের এক ব্লগারের কয়েকটি লেখা আমার কাছে ভিন্নমাত্রায় ঠেকেছে। লীনা ফেরদৌসীর শ্লোকছড়াগুলো পড়তে যাই। নম্রতার কবিতা পড়ার লোভে ভুগি। লাবন্যপ্রভার প্রথমাবস্থার লেখাগুলো খুব ভালো লাগতো।
নাফিস ইফতেখার। একটি অত্যাশ্চার্য ছেলে। তার একেকটি পোস্ট দেয়ার পেছনে যে পরিমান সময় ব্যয় করে, আমার দ্বারা কখনো সম্ভব হবে না
যদি মেয়ে হতাম। তবে একটি ছেলেকে প্রেমের জালে আটকানোর জন্য যতো ফাঁদ পাতা যায়, সবই পাতার চেষ্টা করতাম। এতো বৈচিত্রময় সে, আমার মনে হয় তার জীবনটা অবিকল তার কবিতার মতো। আমি নির্ঝর নৈ:শব্দের কথা বলছি। কি সুন্দর লেখে।
(খুব কনফিউসনে আছি
=============================
বাকিটা ৩য় এবং ৪র্থ কিস্তিতে (আরেকটা কিস্তি বাড়লো, ওই কিস্তিতে সব অপ্রিয় ঝেড়ে ফেলবো।)
সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে মে, ২০১২ রাত ২:১৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



