রেল স্টেশনের পাশে আস্তানা এলাকার মধ্যখান দিয়ে সাধারণের চলাচল সড়ক। দু'পাশে বসতি।
সিটি কর্পোশনের করবস্থানের এ গেইটটির সামনেই ছিলো এরশাদ শিকদারের আস্তানা থেকে বেরিয়ে আসা সুড়ংগের মুখ।
সুড়ংগের মুখ ভরাট হয়েছে অনেক আগে। সেখানে এখন শাক চাষ চলে।
শত্রুপক্ষকে এ দরজা দিয়ে প্রবেশ করানো হতো ফাঁসির ঘরে।
এই সেই ফাঁসির ঘর। যেখানে প্রতিপক্ষের চিরবিদায় হতো।
এ ঘরে সম্ভ্রম এবং জীবন হারিয়েছে অনেক নারী।
শিকদারের বিচারের গুলিদন্ডাদেশ প্রাপ্তরা গুলি খাওয়ার জন্য এ ঘরে আসতেন।
একই সাথে গুলি এবং ধর্ষনঘরের ছবি।
গুলি খাওয়ার পর প্রাণহীন মানুষগুলো ডুবে যেতেন ছোট্ট এ জলাশয়ে। যেখানে অপেক্ষা করত বৃহতাকারের আফ্রিকান বংশের মাগুরমাছেরা।
পরিত্যক্ত সে মাগুরখানার বাইরে এখন গরু ঘাস খায় নির্ভয়ে নিশ্চিন্তে।
পুলিশী হামলার সময় এরশাদ শিকদার সিটি কর্পোরেশনের কবরস্থানে দু'টি খেলনা কবরে (এখন সেখানে খেজুর গাছ) ঢুকে মরে থাকতো কিছুক্ষণের জন্য।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

