হার্ডডিস্ক ক্র্যাশ ও তার প্রতিকার (পর্ব-৩)
২১ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৮:০০
[ ২য় পর্বের পর ]
ডেটা পুনরুদ্ধারঃ হার্ডডিস্ক ক্র্যাশ করলে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ডেটা পৃনরুদ্ধার করা যায় । এমনটি হার্ডডিস্ক করাপ্ট করলে বা ডিস্কের ইলেকট্রোম্যাগনেটিক তথা চৌম্বকত্ব লোপ পেলেও ডাটা পুনরুদ্ধার করা সম্ভব । হার্ডডিস্কের ফিজিক্যাল এরর বা ইলেকট্রিক্যাল সমস্যা সমাধানের জন্য হার্ডডিস্ককে উন্মুক্ত করে প্রয়োজন অনুসারে কোনো কম্পোনেন্ট বদলিযে নতুন কম্পোনেন্ট সেটিং প্রয়োজন হতে পারে । এ ধরনের কাজ কেবল মাত্র একজন অভিজ্ঞ টেকনিশিয়ানের পক্ষেই সম্ভব । তবে লজিক্যাল ক্রাশ বিভিন্ন সফটওয়ারের সাহায্যে সমাধান করা সম্ভব এবং ডেটা রিকভারী টুল দিয়ে ডেটা রিকভারী করা সম্ভব ।
হার্ডডিক্স ক্র্যাশ হলে করণীয়ঃ
১) হার্ডডিস্ক ক্র্যাশ করলে সাথে সাথে কম্পিউটার শার্টডাউন করুন ।
২) এরপর কম্পিউটার অন করে বায়োসে গিয়ে দেখুন হার্ডডিস্ক ডিটেক্ট করে কিনা ।
৩) যদি হার্ডডিস্ক ডিটেক্ট করে তাহলে বিভিন্ন ইউটিলিটিজ সফটওয়ার (যেমনঃ ডিস্ক ম্যানাজার)ব্যবহার করে হার্ডডিস্ক ক্র্যাশ সম্পূর্ণ ঠিক করা যায় কিংবা ক্র্যাশ অংশটিকে ব্লক করে রাখা যায় ।
হার্ডডিস্ক ক্র্যাশ প্রতিরোধে করনীয়ঃ
১) সপ্তাহে একদিন স্ক্যানডিস্ক করুন ।
২) মাসে একদিন হার্ডডিস্ক রিপেয়ার সফটওয়ার যেমনঃ নর্টন সিস্টেম ওয়ার্ক ব্যবহার করুন ।
৩) হার্ডডিস্ক সতর্কতার সাথে ইনসার্ট ও রিমুভ করুন ।
৪) হার্ডডিস্ক বহনের সময় হার্ডডিস্কের কভার ব্যবহার করুন ।
৫) হার্ডডিস্ক সমান্তরালভাবে কেসিং-এর সাথে সেট করে হার্ডডিস্ক টু হার্ডডিস্ক কপি করবেন ।
৬) হার্ডডিস্কের উপর ময়লা জমলে পরিষ্কার করুন ।
[.............................চলবে.........................................]
১ম পর্ব পড়তে এখানে ক্লিক করুন
২য় পর্ব পড়তে এখানে ক্লিক করুন
প্রকাশ করা হয়েছে: তথ্য ও প্রযুক্তি বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ২১ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৮:০২ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: ভাইয়া এগুলো কি এখন কোন কাজ করে না (!!!!!) ?
২) মাসে একদিন হার্ডডিস্ক রিপেয়ার সফটওয়ার যেমনঃ নর্টন সিস্টেম ওয়ার্ক ব্যবহার করুন ।
বর্তমানের লেটেস্ট ওএস এবং হার্ডডিস্কের ক্ষেত্রে ম্যানুয়াল স্ক্যানডিস্ক চালানোর প্রয়োজনীয়তা প্রশ্ন সাপেক্ষ। নর্টন সি্স্টেম ওয়ার্কসের ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য
৩) হার্ডডিস্ক সতর্কতার সাথে ইনসার্ট ও রিমুভ করুন ।
৪) হার্ডডিস্ক বহনের সময় হার্ডডিস্কের কভার ব্যবহার করুন ।
৫) হার্ডডিস্ক সমান্তরালভাবে কেসিং-এর সাথে সেট করে হার্ডডিস্ক টু হার্ডডিস্ক কপি করবেন ।
বর্তমানের সস্তা কিন্তু উচ্চধারনক্ষমতার পোর্টেবল ইউএসবি ড্রাইভের কারনে হার্ডডিস্ক খুলে বহন করার দিন আর নাই
৬) হার্ডডিস্কের উপর ময়লা জমলে পরিষ্কার করুন ।
কেসিং খুলে হার্ডডিস্কের উপরের ময়লা পরিস্কার করার কথা আগে কখনো শুনেছি বা কোথাও দেখেছি বলে মনে পড়েনা। একজন সাধারন ইউজার কেনো কেসিং খুলবে হার্ডডিস্কের কাভার পরিস্কার করার জন্য!
লেখক বলেছেন: নর্টট সিস্টেম ওয়ার্ক -এর লেটেস্ট ভারশন লেটেস্ট অপারেটিং সিস্টেমের (ভিস্তা/ এক্সপি) চেয়ে হার্ডডিস্কে বেশী সমস্যা দূর করে ।
ভাইয়া আমার দেখা অনেকে এখনও হার্ডডিস্ক টু হার্ডডিস্ক কপি করে (যদিও আগের তুলনায় ব্যবহার কম) । কারন বেশী ডাটা হলে ফ্লাশ ড্রাইভ দিয়ে বার বার স্থান্তরিত করার ঝামেলা থেকে মুক্ত পেতে । হ্যাঁ এখন ফ্লাশ ড্রাইভের দাম কম এবং সাইজ বেশী হয়েছে, কিন্তু সবার প্রয়োজন বৃদ্ধি পেয়েছে । আগে পাঁচ বছর আগে যেখানে ৪০গিগা হার্ডডিস্ক ব্যবহার কর হত সেখানে এখন ব্যবহার করা হয় ২৫০ গিগা ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আমার জন্য লেখা ।
অক্ষর বলেছেন:
আরবেরা যখন গুহায় থাকতো আর খাজুর খাইতো তখন চলতো এইসব পদ্ধতি, এখন না
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মোঃ নাজমুল হাসান
মুহাম্মাদ তারিক সাইফুল্লাহ বলেছেন:
আগ্রহ নিয়ে শুরু করেছিলাম। ভালো লাগেনি। দুঃখিত।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...

















১) সপ্তাহে একদিন স্ক্যানডিস্ক করুন ।
২) মাসে একদিন হার্ডডিস্ক রিপেয়ার সফটওয়ার যেমনঃ নর্টন সিস্টেম ওয়ার্ক ব্যবহার করুন ।
৩) হার্ডডিস্ক সতর্কতার সাথে ইনসার্ট ও রিমুভ করুন ।
৪) হার্ডডিস্ক বহনের সময় হার্ডডিস্কের কভার ব্যবহার করুন ।
৫) হার্ডডিস্ক সমান্তরালভাবে কেসিং-এর সাথে সেট করে হার্ডডিস্ক টু হার্ডডিস্ক কপি করবেন ।
৬) হার্ডডিস্কের উপর ময়লা জমলে পরিষ্কার করুন ।
এগুলা পাচ বছর আগে হার্ডডিস্কের জন্য প্রযোজ্য ছিল এখন না