somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... ডোমেইন নেম ও ওয়েব হোস্টিংয়ের বিস্তারিত- ৫ আমরা সবাই জনপ্রিয় ইমেইল সার্ভিস ইয়াহু বা জিমেইল সার্ভিস ব্যবহার করে থাকি । কিন্তু ব্যবসায়িক প্রয়োজনে এগুলো না ব্যবহার করে আপনার প্রতিষ্ঠানির নাম যুক্ত ঠিকানা । অর্থাৎ @yahoo.com না হয়ে @your_com_name নাম হোক । এর ফলে আপনার ওয়েবসাইট ভিজিটাররা সহজে যোগাযোগ করতে পারবে । আপনার সাথে এই যোগাযোগকে চিন্তা করতে পারেন পোষ্ট অফিসের মাধ্যমে যোগাযোগ হিসাবে । এক্ষেত্রে জনপ্রিয় দু’টি প্রটোকল হল SMTP (Simple Mail Transfer Protocol) আর POP3 (Post Office Protocol Version 3) । যদিও এ দু’টিই প্রটোকল টিসিপি(ট্রান্সমিশন কন্ট্রোল প্রটোকল ) ব্যবহার করে, কিন্তু তাদের মধ্যে বিস্তর ব্যবধান আছে । SMTP ক্ষেত্রে মেইল প্রেরক এবং গ্রহীতা দুজনকেই অনলাইনে থাকতে হয় । আর POP3 এর ক্ষেত্রে মেইল সার্ভারে জনা থাকে । পরে রিসিভার সার্ভারে লগইন করে মেইল ডাউলোড করে নেয় । ওয়েব হোস্টিং করার সময় অবশ্যই জেনে নিবেন : কোন প্রটোকল ব্যবহার হবে, কতটি ই-মেইল অ্যাকাউন্ট এবং প্রতিটি অ্যাকাউন্টে কতটুকু জায়গা দেয়া হবে । অনেক সময় আনলিমিটেড ই-মেইল অ্যাকাউন্ট দেয় সেসব প্রতিটি অ্যাকাউন্টের জন্য কতটুকু জায়গা দেয় ভালভাবে দেখে নিবেন ।
কন্ট্রোল প্যানেল :
ওয়েব হোস্টিং করার সময় কন্ট্রোল প্যানেল সম্পর্কে অবশ্যই ভালভাবে জেনে নিবেন । এর মাধ্যমে আপনি ওয়েব হোস্টিং অ্যাকাউন্টের বিভিন্ন সেটিং সহজে করতে পারবেন । এর মাধ্যমে ওয়েব হোস্টিং অ্যাকাউন্টের বিভিন্ন সেটিং সহজে করতে পারবেন । এর মাধ্যমে ওয়েবসাইটের বিভিন্ন পরিসংখ্যান জানতে পারবেন, ডেটাবেইজ ম্রানেজ করতে পারবেন । সাব ডোমেইন, ইমেইল অ্যাকাউন্ট কনফিগার ও ম্যানেজ করতে পারবেন ।
সাধারণত সব ওয়েব হোস্টি প্রোভাইডারই তাদের ইউজারদের কন্ট্রোল প্যানেলের সুবিধা দিয়ে থাকে । অনেক কন্ট্রোল প্যানেল সফটওয়ার আছে, তাদের মধ্যে জনপ্রিয় তিনটি হল CPanel, Ensim এবং Plesk । CPanel-ই সবজেয়ে জনপ্রিয় এবং বেশির ভাগ ওয়েব হোস্টিং প্রোভাইডার এটি ব্যবহার করে থাকে । (পরে কন্ট্রোল প্যানেল সম্পর্কে একটি পোষ্ট দেয়ার ইচ্ছা আছে ।)

প্রয়োজনীয় তথ্য ও ঠিকানাঃ
আপনি আপনার ব্যক্তিগত বা কোম্পানির ওয়েবসাইটটি হয়তো কোনো ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন ফার্ম বা ওয়েব হোস্টিং কোম্পানির মাধ্যমে করালেন তখন এ সংক্রান্ত বেশ কিছু ইনফরমেশন জেনে নেয়া জরুরি । কারন, কোনো সময যদি এ ফার্মটি বন্দ হয়ে যায় বা ব্যবসায় পরিবর্তন করে, তখন আপনার ওয়েবসাইটির ঔপর আপনি নিয়ন্ত্রন হারাবেন, এক বছর পর আইপি এ্যাড্রেস রিনিউ করা না হলে তা হারিয়ে যাবে । সেই সাথে হারিয়ে যাবে আপনার এই ওয়েবসাইটটি । আবার যদি আপনার ওয়েব হোস্টিং কোম্পানির সেবায় সন্তুষ্ট না হয়ে অন্য কারো সার্ভিস নিতে চান, তাহলেও আপনাকে এ তথ্যগুলো জানতে হবে । আপনার ডোমেইন নেমটির দ্বায়দ্বায়িত্ব একজন অ্যাডমিনিস্ট্রেটরের ওপর ন্যাস্ত করে রেজিস্টার । এই ডোমেইন নেম সংক্রান্ত সব বিষয়ে সবচেযে ক্ষমতাবান এই অ্যাডমিনিস্ট্রেটর । ডোমেইন নেমের ইউনিক নেম নিশ্চিত করা, তার ফিজিক্যাল এ্যাড্রেস, whois ডেটাবেইজে তার এ্যাড্রেস, ইমেইল, টেলিফোন নম্বর পরিবর্তন এ ধরনের সব কাজের ক্ষমতা থাকে এ অ্যাডমিনিস্ট্রেটরের উপর । কাজেই ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন এবং ওয়েব হোস্টিং করার সময় এর কন্টাক এ্যাড্রেস অবশ্যই জেনে নিবেন । আপনার ডোমেইন নেম যে সার্ভারে ব্যবস্থাপনা করা হয়, তাকে ম্যানেজ করে এই অ্যাডমিনিস্ট্রেটর । নেমসার্ভারের সার্বক্ষণিক নিরপত্তা, পরিবর্তন, কনফিগারেশন করা এর দায়িত্ব । আপনার নেমসার্ভার ক্র্যাশ করলে আপনার ওয়েবসাইট কেউ একসেস করতে পারবে না । তাই এ সংক্রান্ত যে কোন সমস্যায় যোগাযোগ করার জন্য এদের এ্যাড্রেস জেনে রাখতে হবে ।

শেষ কথা :
প্রতারণার হাত থেকে নিজেকে নিরাপদ রাখার জন্য যে জিনিসগুলো জেনে রাখবেন সেগুলো হলো- আপনার রেজিস্ট্রারের ইনফরমেশন, ওয়েব সার্ভারের কন্ট্রোল প্যানেলে আপনার ওয়েব সাইট একসেস করার জন্য আইডি এবং পাসওয়ার্ড , এ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ টেকনিকাল ও বিলিং কন্ট্রাক্ট ।


১ম অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন ।

২য় অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন ।

৩য় অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন ।

৪র্থ অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন । ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sobuz_ict/29003199 http://www.somewhereinblog.net/blog/sobuz_ict/29003199 2009-09-01 23:57:52
ডোমেইন নেম ও ওয়েব হোস্টিংয়ের বিস্তারিত- ৪ ডাটাবেজ সার্ভারঃ
বেশিরভাগ ওয়েবসাইটেই কোনো না কোনো ডাটাবেজ সার্ভার ব্যবহার করে হয় । এর ফলে তথ্য জমা রাখা, বের করে আনা, সার্চ করা সহজতর হয় । আবার অনেক ক্ষেত্রে ডাটাবেজই মুখ্য, ওয়েবসাইটি শুধু ডাটা প্রর্দশন করে । আপনি যে ডাটাবেজ সিস্টেম ব্যবহার করবেন আপনার ওয়েব হোস্টিং কোম্পানিকে অবশ্যই সেটা সাপোর্ট করতে হবে । সবচেয়ে জনপ্রিয় ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (DBMS)- এর মধ্যে রয়েছে মাইএসকিউএল, ওরাকল, মাইক্রোসফট এসকিউএল সার্ভার ২০০৫ ইত্যাদি । ওয়েবসাইট ডিজাইন ও হোস্টিং করার আগে সিদ্ধান্ত নিতে হবে ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হিসাবে কোনটি ব্যবহার করবেন । কারন এর সাথে স্ক্রিপিং ল্যাঙ্গুয়েজের ব্যবহার ও ওয়েব সার্ভারের অপারেটিং সিস্টেমও জড়িত ।


ওয়েব সার্ভারের অপারেটিং সিস্টেমঃ
এটা খুবই প্রয়োজনীয় একটি বিষয় । কারন, এর ওপর নির্ভর করে কোন ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সার্ভার ও কোন ধরনের ল্যাঙ্গুয়েজ ব্যবহার করবেন । ওয়েব সার্ভারগুলোতে মূলত তিনটি অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার হয় : লিনাক্স, উইন্ডোজ আর ইউনিক্স । লিনাক্স নির্ভর অপারেটিং সিস্টেমে পিএইচপি, পার্ল, পাইথন এবং অন্যান্য ইউনিক্সভিত্তিক স্ক্রিপিং ল্যাঙ্গুয়েজ ব্যবহার করা হয় । সাধারণত মাইএসকিউএল এবং পোষ্টপ্রিএসকিউএল ডাটাবেজ সার্ভার এক্ষেত্রে জনপ্রিয় । আর উইন্ডোজনির্ভর ডট নেট, এএসপি এবং মাইক্রোসফটের অন্যান্য টেকনোলজি ভালো সাপোর্ট করে । ইউনিক্সনির্ভর সার্ভারের ফিচারগুলো অনেকটাই নিনাক্স নির্ভর সার্ভারের মতোই । জেএসপি এবং ওরাকল-এর সাপোর্ট সব প্লাটফরমেই সম্ভব । সাধারণত দেখা যায় নিনাক্স বা ইউনিক্স নির্ভর সার্ভারে ওয়েব হোস্টিং খরচ উইন্ডোজ ভিত্তিক সার্ভারে হোস্টিংয়ের খরচ তুলনায় কিছুটা কম । কোন ধরনের প্লাটফরমে কাজ করবেন, তা আপনার প্রয়োজন ও ব্যবহার করা টেকনোলজির ওপর নির্ভর করবে ।

শেয়ারড নাকি ডেডিকেট সার্ভারঃ
মূলত দুই ধরনের হোস্টিং সার্ভিস আছে- শেয়ারড এবং ডেডিকেটেড । দাম ও পারফরমেন্সের বিশাল পার্থক্য জড়িত এখানে । শেয়ারড হোস্টিংয়ের ক্ষেত্রে একই ওয়েব সার্ভারে একাধিক ওয়েবসাইটকে হোস্ট করা হয় । ফলে খরচ অনেক কম হয় । কিন্তু এর ফলে স্টোরেজ ক্যাপাসিটি ও ব্যান্ডউইডথ সবার মধ্যে ভাগ হয়ে যায় । কারন, একটি সার্ভার সব ওয়েবসাইটের সব ভিজিটরকে হ্যান্ডেল করে । যদি আপনার ওয়েবসাইটের ভিজিটর সংখ্যা এক হাজারের নিচে হয়, তাহলে এ ধরনের সার্ভিস বেছে নিতে পারেন । আর অন্য ধরনের সার্ভিস হলো ডেডিকেটেড হোস্টিং । এক্ষেত্রে একটি ওয়েব সার্ভারে শুধু একটি ওয়েবসাইই হোস্টিং করা হবে । ফলে স্টোরেজ, সিপিইই আর নেটওয়ার্কের পুরো ক্ষমতা ব্যবহার করা সম্ভব হয় । এটি বেশ ব্যয়বহুল । প্রতিমাসে ন্যূনতম ৮০ থেকে ১০০ ডলার খরচ হয়ে থাকে ।

ম্যানেজড না আনম্যানেজডঃ
ডেডিকেটেড সার্ভার আবার দু’রকমের হয়ে থাকে: ম্যানেজড এবং আনম্যানেজড । ম্যানেজড সার্ভারের সব ঝামেলা হোস্টিং মোম্পানি নিজ দায়িত্বে সশাধান করে, আপনি শুধু অ্যাডমিন প্যানেলে গিয়ে বেসিক কনফিগারেশনটুকু করে দেবেন । যেমন ডোমেইন, মেইলবক্স সেটিংস ইত্যাদি । কিন্তু সার্ভার কনফিগার করা ও মেইনটেইর করার কাজগুলো হোস্টিং কোম্পানিই করে দেবে । আনম্যানেজড সার্ভারের ক্ষেত্রে সবকিছু আপনাকে ম্যানেজ করতে হবে । আপনি সার্ভার কনফিগার ও মেইটেইন করা, প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার ইন্সটল করা, ডোমেইন কনফিগার করা, মেইলবক্স সেটিংস করা সবই করবেন । এমনকি সিস্টেম সফটওয়্যারকে নিয়মিত আপডেট করতে হবে, যেন তা হ্যাকারদের আক্রমনে না পড়ে । এ অপশনটুকু ইউনিক্স অ্যাডমিনিস্ট্রেশন ব্যবহারকারী লোকেদের জন্য । এটা তুলনামুলক অনেক কম খরচবহুল ।




১ম অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন ।
২য় অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন ।
৩য় অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন ।
শেষ অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন । ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sobuz_ict/28904098 http://www.somewhereinblog.net/blog/sobuz_ict/28904098 2009-01-29 22:11:00
ডোমেইন নেম ও ওয়েব হোস্টিংয়ের বিস্তারিত- ৩ কোন ধরনের ল্যাঙ্গুয়েজ ব্যবহার করবেনঃ
বর্তমানে ওয়েবসাইট মানে শুধু লেখা আর তথ্য নয়, বরং অনেক বেশি ইন্টারেকটিভ মাল্টিমিডিয়ার ব্যবহার হয় সেখানে, আর প্রায় সব ওয়েবসাইটই ডায়নামিক ( যে ওয়েবসাইটে কন্টোল প্যানেলের মাধ্যমে খুব সহজে কনটেন্ট যোগ করা যায়) । তথ্য শুধু সেখানে প্রদর্শ করা হয় না, বরং ইউজার ইনপুট ডাটাবেজ, আউটপুট সব মলিয়ে তা করা হয়, কমিউনিকেশনের মাধ্যমে । তাই আপনি যদি ওয়েবসাইট ডেভেলপ করতে চান তবে আপনাকে একটা স্ক্রিপিং ল্যাঙ্গুয়েজ ব্যবহার করতে হবে । অনেক স্ক্রিপিং ল্যাঙ্গুয়েজ আছে, তবে জনপ্রিয় কতগুলো হলো পিএইচপি, এএসপি, পার্ল, জাভাস্ক্রিপ, সিজিআই ইত্যাদি । এর সাথে ওতোপ্রোতবাবে জড়িত হলো কোন ধরনের ডাটাবেজ সার্ভার ব্যবহার করবেন এবং যেখানে হোস্টিং করবেন সেখানকার অপারেটিং সিস্টেম কি কি ধরনের স্ক্রিপিং ল্যাঙ্গুয়েজ সাপোর্ট করে । সব সার্ভার সব ধরনের স্ক্রিপিং ল্যাঙ্গুয়েজ সাপোর্ট করে না । অনেক সময় আপনি অনেক থার্ড পার্টি লাইব্রেরি ব্যবহার করতে পারেন, সেখানেও কোন স্ক্রিপিং ল্যাঙ্গুয়েজ ব্যবহার করবেন তা জানা দরকার ।

ব্যান্ডউইথের পরিমান:
ওয়েবসাইট হোস্টিং করার সময় যে বিষয়টি ভালোভাবে লক্ষ্য করতে হবে, তা হলো আপনাকে মাসে কি পরিমান ব্যান্ডউইথ দেয়া হবে তা । এখানে ব্যান্ডউইথ বলতে বুঝানো হয় যে ইউজাররা সেই ওয়েবসাইট থেকে মাসে কি পরিমান ডাটা ডাউনলোড করতে পারবে তার পরিমান ।
ব্যান্ডউইথ হিসাব আপনি খুব সহজে করতে পারবেন । ধরা যাক, আপনার ওয়েবসাইটিতে প্রতিটি ওয়েবপেজের টেক্সট সাইজ ৩ KB(কিলোবাইট) এবং গ্রাফিক্স সাইজ ১০ KB(কিলোবাইট) । প্রতিদিন গড়ে ১০০ জন ভিজিটর গড়ে ৩টি করে পেজ ভিজিট করে । তবে মোট ব্যান্ডউইথ দরকার = (৩ KB+ ১০ KB)*১০০*৩*৩০ = ১,১৭,০০০ KB(কিলোবাইট) = ১১৪.২৬ MB (মেগাবাইট) । আপনাকে অবশ্যই আনুপাতিক হিসাবের চেয়ে বেশী ব্যান্ডউইট কিনতে হবে শুরুতেই । আপনি জেনে নিবেন ভবিষতে আরো বেশী ব্যান্ডউইথ কিনতে চাইলে কত মূল্য পরিশোধ করতে হবে । আজকাল অবশ্য অনেক ওয়েব হোস্টিং কোম্পানি আনলিমিটেড ব্যান্ডউইথ দিয়ে থাকে । সেক্ষেত্রে তাদের সার্ভারের ম্যাক্সিমাম ব্যান্ডউইথ ক্যাপাসিটি এবং লোড সম্পর্কে জেনে নিন ।

স্পেসের পরিমাণঃ
আপনার ওয়েবসাইটের জন্য প্রয়োজনীয় ফাইলগুলো অর্থ্যাৎ টেক্সট, গ্রাফিক্স, ডাটাবেজ ইত্যাদি রাথার জন্য সার্ভারের স্পেস কিনতে হবে । আপনার ওয়েবসাইট তৈরির পর প্রোপাটিজ জেনে নিন নূন্যতম কতটুকু জায়গা দরকার হবে এর । তবে মাত্র ততটুকু জায়াগা কেনা উচিত হবে না । ওয়েবপেজনি স্টাটিক হয়, তবুও আপনি কিছু দিন পরপর নতুন কিছু যুক্ত করতে বা পরিবর্তন করতে চাইতে পারেন । আর যদি এতে ইউজারদের ইনপুট দেয়ার ব্যবস্থা থাকে বা নিয়মিত আপডেট করতে হয়, তাহলেতো কথাই নেই । ডাটাবেজ ব্রবহার করে তাকলেও আশা করা যায় দিনে দিনে তার সাইজ বাড়বে । তাই আপনার যতটুকু দরকার তার কমপক্ষে দ্বিগুণ জায়গা কিনুন । আর যদি ডাটাবেজ নির্ভর ওয়েবসাইট হয়ে থাবে, তবে হিসেব করুন আগামী কয়েক বছরে ইনপুট কত হবে । তার ওপর ভিত্তি করে আরো বেশ কিছুটা বেশি হার্ডডিস্ক স্পেস কিনুন । আর যদি ভবিষ্যতে আরো বেমি হার্ডডিস্ক স্পেস কিনতে হয় তবে কত টাকা দেতে হবে সেটাও আপনার ওয়েব হোস্টিং কোস্পানির কাছ থেকে জেনে নিন ভালভাবে ।

ওয়েব সার্ভারে ওয়েবসাইট আপলোডঃ
যে ওয়েব হোস্টিং কোম্পানির মাধ্যমে আপনার ওয়েবসাইট হোস্ট করছেন, সেগুলো আপনাকে এর জন্য দরকারী ইউজার নেম ও পাসওয়ার্ড দেবে । তাহলেই আপনি এফটিপি(ফাইল ট্রান্সফার প্রটোকল) ব্যবহার করে এ কাজটি করতে পারবেন । এ কাজটি সহজ করার জন্য রয়েছে আরো বেশ কিছু সফটওয়ার, যেগুলো সাধারণভাবে ওয়েব বিল্ডার নামে পরিচিত । অনেক হোস্টিং কোম্পানি ও ডোমেইন নেম প্রোভাইডার এটি ফ্রি দিয়ে থাকে বা আপনি অনলাইনেও ব্যবহার করতে পারেন । এর মাধ্যমে ওয়েবসাইট পাবলিশ করার আগে তার প্রিভিউ দেখেও নিতে পারবেন ।



১ম অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন ।
২য় অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন ।
৪র্থ অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন । ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sobuz_ict/28895904 http://www.somewhereinblog.net/blog/sobuz_ict/28895904 2009-01-11 13:12:20
ডোমেইন নেম ও ওয়েব হোস্টিংয়ের বিস্তারিত- ২ ডিএনএস নেমসার্ভার (DNS name server) কি এবং কিভাবে কাজ করে ?

বিশ্বে যত ডোমেইন নেম আছে, সেগুলো মিলে একটি ট্রি-এর মত গঠন লাভ করে । এই ট্রিকে কতগুলো জোনে ভাগ করা হয় । একটি জোনের সব ডোমেইন নেমের দায়দায়িত্ব যে কম্পিউটার নেয় তাকে বলা হয় সে জোনের Authoritative DNS name server ।
ডিএনএস নেমসার্ভারের দায়িত্ব হল তার জোনে অবস্থিত সব কম্পিউটারের ডোমেইন নেমের সাথে আইপি অ্যাড্রেস ম্যাচ করানো । না পারলে টপ লেভেল ডোমেইনকে জানানো এবং সে অনুযায়ী ব্যবস্থা করা । পুরো বিষয়টিকে অনেকটা পোষ্ট অফিসের মত করে ব্যাখ্যা করা যায় ।
ধরা যাক, আপনি একটি চিঠি লিখলেন । প্রাপকের ঠিকানা যদি আপনার স্থানীয় পোষ্ট অফিসের এলাকায় মধ্যে হয়, তবে তারাই তা পৌঁছে দেবে । আর যদি না হয়, তবে এরা প্রথমে দেখবে প্রাপকের ঠিকানা কোন দেশে । তারপর সে দেশের মূল পোষ্ট অফিসে পাঠিয়ে দেবে চিঠি । সেখান থেকে বিভাগ বা জেলা শহরের পোষ্ট অফিসে, এরপর উপজেলায়, তারপর স্থানীয় পোষ্ট অফিসে চিঠিটি পৌঁছে দেবে । তাই বাংলাদেশের দিনাজপুরের কালাম আর ভারতের দিনাজপুরের কালাম দু’জনের কাছেই যার যার চিঠি সঠিক ভাবে পৌঁছানো সম্ভব এভাবে । ডোমেইন নেমের ক্ষেত্রে এ ঠিকানা খুঁজে বের করাকেই বলা হয় অ্যাড্রেস resolving, আর সেটা কাজ করে ঠিক পোষ্ট অফিসের মতোই ।
এখন যদি com.bd রিসলভার যদি deshibook.com.bd -এর আইপি অ্যাড্রেস জানতে চায়, তবে প্রথমে সে তার জোনের ডিএনএস নেমসার্ভার com.bd -এর কাছে জানতে চাইবে । যেহেতু deshibook.com.bd একই জোনে আছে, তার নেমসার্ভারকে তা জানিয়ে দেবে । কিন্তু যদি সে freeebbok.net.us -এর আইপি অ্যাড্রেস জানতে চায়, তবে com.bd -এর নেমসার্ভার তা জানাতে পারবে না । তখন এই ডিএনএস query পাঠিয়ে দেয়া হবে টপ লেভেল us জোনের নেমসার্ভারে । সেখান থেকে থেকে net নেমসার্ভারে । সে যেহেতু freeebbok.net.us -এর আইপি অ্যাড্রেস জানে, তাই সে প্রতিউত্তরে com.bd কে জানিয়ে দিবে ।

ডোমেইন রেজিস্ট্রেশনঃ



ডোমেইন রেজিস্ট্রেশনকে তুলনা করা যায় আপনার অফিস বিল্ডিংয়ের জন্য জায়গা লিজ নেবার সাথে । এর মাধ্যমে আপনার ওয়েবসাইটের জন্য নাম (ডোমেইন নেম) বরাদ্দ করলেন । সাধারণত এক বছরের জন্য এ বরাদ্দ হয়ে থাকে, সময় শেষ হবার আগেই তা নবায়ন করতে হয়, নয়তো অন্য কেউ সে একই নামের জন্য আবার আবেদন করতে পারে ।
ইন্টারন্যাশনাল কর্পোরেশন ফর এসাইনড নেমস এ্যান্ড নাম্বারস (ICANN) এসব ডোমেইন নেম ম্যানেজ করে থাকে । ICANN -ই নিশ্চয়তা দেয় যে, প্রতিটা ডোমেইন নেম ইউনিক এবং এর সাথে একটা ইউনিক আইপি অ্যাড্রেস বরাদ্দ করা হয়েছে ।
আপনি ডোমেইন নেম রেজিস্ট্রেশন করবেন যেসব কোম্পানির মাধ্যমে তাদের বলা হয় রেজিস্ট্রার । বিভিন্ন কোম্পানির ফি ও সেবা বিভিন্ন হতে পারে, তবে একই ফি সাধারণত খুব কমই হয়ে থাকে । আপনি যে নামে ওয়েবসাইট তৈরি করতে চান, রেজিস্ট্রার কোম্পানি প্রথমে অনলাইন ডাটাবেজে সার্চ করবে যে এ নাম অন্য কাউকে বরাদ্দ করা হয়েছে কিনা । কাউকে বরাদ্দ না করে থাকলে কেবল আপনি এ নাম পেতে পারেন ।
ডোমেইন নেম রেজিস্ট্রেশনের সময় আপনার পুরো নাম, অ্যাড্রেস, টেলিফোন নম্বর ও ইমেইল অ্যাড্রেস দিতে হয়, যা WHOIS (who is) ডাটাবেজে সংরক্ষিত থাকে । লক্ষ রাখবেন, এসব তথ্য সবার জন্য উন্মুক্ত এবং আপনার প্রাইভেসি নষ্ট করতে পারে । যে কেউ চাইলে এ তথ্য দেখতে পারে । বর্তমানে অবশ্য ইমেজ কী ভ্যালুর মাধ্যমে স্পাইওয়্যার ও সফটবট (software robot) ঠেকানো হচ্চে, তবুও তা প্রাইভেসির নিশ্চয়তা দেয় না । অনেক রেজিস্ট্রারই এ সমস্যা কাটানোর জন্য সামান্য ফি-র বিনিময়ে নিজেরাই প্রক্সি হিসেবে কাজ করে । সে রকম কোন সার্ভিস নিলে সতর্কতার সাথে তাদের শর্তাবলী পড়ে নিন ভালমতো ।
আরো দুটি বিষয় নিশ্চিত হয়ে নিন, ডোমেইন নেম রেজিস্ট্রেশনের সময় আপনার রেজিস্ট্রেশনের নিয়ন্ত্রণ কার হাতে থাকবে ? অনেক রেজিস্ট্রার নিজেই তার অধীনস্থ ডোমেইন নেমকে নিয়ন্ত্রণ করে থাকে, যা বাঞ্জণীয় নয় । আর এটাও জেনে নিন, পরে আপনি যদি ওয়েবসাইটটিকে অন্য কোনো রেজিস্ট্রারের অধীন নিতে চাইলে সম্ভব কিনা ? এ ধরনের সার্ভিসের শর্ত ও ফি সম্পর্কেও ভালমত জেনে নিন । কারন ভাল সেবার জন্য অন্য কোনো রেজিস্ট্রারের কাছে যেতে হতে পারে ।
ডোমেইন নেম রেজিস্ট্রেশনের কয়েক ঘন্টা থেকে কয়েক দিনের মধ্যে আপনার ওয়েবপেজ সবার জন্য উমুক্ত হবে । আপনার রেজিস্ট্রার সাধারণত একটি ডামি পেজ বসিযে দিবে । আপনার ওয়েবপেজকে এবার হোস্টিং করতে হবে । অনেক রেজিস্ট্রার এ হোস্টিংয়ের সেবাও দিয়ে থাকে, তবে আপনি অন্য কোনো কম্পানির মাধ্যমেও তা করতে পারেন ।
ICANN তাদের নির্ধারিত রেজিস্ট্রারদের মাধ্যমেই ডোমেইন নেম রেজিস্ট্রেশনের পরামর্শ দিয়ে থাকে । এরা নূন্যতম মানের নিশ্চয়তা দেয় । এদের তালিকা ICANN এর http://www.icann.org/ ওয়েবসাইটে সংরক্ষিত আছে । ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন সংক্রান্ত সমস্ত তথ্যাবলী সংরক্ষণ করে থাকে ICANN । বিশ্বের সব ডোমেইন রেজিস্ট্রার ও রেজিস্ট্রেশন সংক্রান্ত তথ্য পাবেন তাদের http://whois.webhosting.info/ ওয়েবসাইটটিতে । আপনি সামহোয়ারইন ব্লগ এর তথ্য জানতে হলে সাইটিতে গিয়ে বক্সে somewhereinblog.net টাইপ করে এটার প্রেশ করুন । তাহলে নিন্মরুপ ইনফরমেশন আসবে ।


অনুরূপভাবে আপনি যদি প্রথম আলোর ইনফরমেশন জানতে চান তাহলে ব্রাউজারে http://whois.webhosting.info/prothom-alo.com লিখুন প্রথম আলোর ইনফরমেশন জানা যাবে ।


১ম অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন ।
৩য় অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন ।
৪র্থ অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন ।
শেষ অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন । ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sobuz_ict/28884018 http://www.somewhereinblog.net/blog/sobuz_ict/28884018 2008-12-17 22:41:19
ডোমেইন নেম ও ওয়েব হোস্টিংয়ের বিস্তারিত- ১
ওয়েব সাইট হোস্টিং কি ?

কোন তথ্যকে অন্যের কাছে তুলে ধরার সবচেয়ে জনপ্রিয় ও সহজ মাধ্যম হচ্ছে ওয়েবসাইট । আজকের কম্পিউটার ব্যবহারকারী মাত্রই ওয়েবসাইট সম্পর্কে অবগত আছেন । সহজ ভাষায় বলা যায়, ওয়েবসাইট হল আপনার তথ্যকে অন্যের সামনে উপস্থাপন করার রাস্তা- সেটা টেক্সট বা মাল্টিমিডিয়া (যেমনঃ ছবি, অডিও বা ভিডিও) যে কোন ধরনের হতে পারে । ওয়েবসাইটে সেগুলো সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা ওয়েব ডেভেলপারের কাজ । আর আপনার ওয়েবসাইটটি অন্যদের দেখার জন্য উপযোগী করাই ওয়েব হোস্টিং নামে পরিচিত ।
আপনার ওয়েবসাইটটিকে যদি তুলনা করা হয় আপনার প্রতিষ্ঠানের অফিস বিল্ডিং হিসাবে, তবে তার তথ্য বা কনটেন্ট হবে এর আসবাবপত্র । আর ওয়েবসাইট ডেভেলপ করাকে তুলনা করা যাবে বাড়িটি তৈরি করার সাথে । সেক্ষেত্রে ওয়েবসাইট হোস্টিংকে তুলনা করা যায় আপনার অফিস বিল্ডিংয়ের জন্য জায়গা কেনা এবং সে জায়গায় বাড়িটি তৈরি করার সাথে । তবেই ভিজিটররা ওয়েবসাইটি ব্যবহার করার সুজোগ পাবে ।



ডোমেইন নেম কি ?

আগের উদাহরনে ফিরে যায় । আপনার অফিসে যদি কেউ আসতে চায়, তবে তাকে এর ঠিকানা জানতে হবে । ওয়েবসাইটের ক্ষেত্রে এই ঠিকানাটা হচ্ছে তার নাম যাকে বলা হয় ডোমেইন নেম । এই ডোমেইন নেমই আপনার ওয়েবসাইটকে অনন্যভাবে আইডেন্টিফাই করবে । বিশ্বের সবাই ওয়েবসাইটটিকে চিনবে এবং একসেস করবে এ নাম ব্যবহার করে ।

ডোমেইন নেম সিস্টেম (DNS) কি ?

কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সফটওর্য়ার কিন্তু কোনো ডোমেইন নেমকে সরাসরি বুঝে না । সে বুঝে নেটওর্য়াক অ্যাড্রেস বা আইপি অ্যড্রেস । তাই প্রত্যেক ডোমেইন নেমের সাথে একটা আইপি অ্যাড্রেস এসাইন করা হয় । ডোমেইন নেম ব্যবহার না করে এ আইপি অ্যড্রেস দিয়েও সরাসরি ওযেবসাইটটিতে যাওয়া যায় । আইপি অ্যাড্রেস মনে রাখা বেশ কঠিন, সাধারণত ১২ অংকের সংখ্যা হয় । তাই বাস্তবে সবাই ডোমেইন নেম ব্যবহার করে



কিন্তু আপনার কম্পিউটারের আইপি অ্যাড্রেস জানা দরকার যে কোন ধরনের কমিউনিকেশনের জন্য । সর্বপ্রথম নেটওর্য়াক ARPANET -এর সময় host.txt নামে একটা ফাইলে সব কম্পিউটারের নাম আর তার আইপি অ্যাড্রেস লিখে রাখা হত । যখন নেটওয়ার্কে কোটি কোটি কম্পিউটার থাকে, তখন এভাবে আইপি অ্যাড্রেস লিখে রাখা সহজ কথা নয় । কারন প্রতিনিয়ত আইপি অ্যড্রেস সংযুক্ত হয় এবং পরিবর্তিত হয় । এ সমস্যার সমাধানে ধারাবাহিক, ডায়নামিক এবং ডিস্ট্রিবিউটেড ডাটাবেজ সম্বলিত একটা সিস্টেম দাঁড় করানো হয়েছে, যাকে বলা হয় ডোমেইন নেম সিস্টেম ।
ডোমেইন নেমকে কতগুলো লেভেলে ভাগ করা হয়ে থাকে । প্রায় ২৪০ টি টপ লেভেল ডোমেইন আছে, বাকি সবই থাকে এদের অধীনে একটা ট্রি স্ট্যাকচারে । ওয়েবসাইটের বিষয়বস্তুর উপর ভিত্তি করে প্রায় ১৯ টি টপ লেভেল ডোমেইন আছে । এর মধ্যে সাধারণ সব ওয়েবসাইটের জন্য .com, ব্যবসায়িক ওয়েবসাইটের জন্য .biz, খবর ও অনান্য ইনফরমেশন সাইটের জন্য .info, নন প্রফিটেবল অর্গানাইজেশনের জন্য .org, অনলাইন সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানেনর জন্য .net। আবার প্রায় প্রত্যেক দেশের রয়েছে নিজস্ব টপ লেভেল ডোমেইন, যেমনঃ ব্রিটেনের .uk, জাপানের .jp, যুক্তরাষ্টের .us বাংলাদেশের .bd ইত্যাদি ।


২য় অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন ।
৩য় অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন
৪র্থ অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন । ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sobuz_ict/28883472 http://www.somewhereinblog.net/blog/sobuz_ict/28883472 2008-12-16 22:54:20
আপনার সিস্টেমকে ক্র্যাশ থেকে রক্ষা করুন-১
১) হার্ডওয়ার কনফ্লিক্টঃ
উইন্ডোজ ক্র্যাশের এক নম্বর কারন হচ্ছে হার্ডওয়ার কনফ্লিক্ট । প্রত্যেকটি হার্ডওয়ার ডিভাইস অন্য ডিভাইসের সাথে interrupt request channel (IRQ) মাধ্যমে সংযুক্ত থাকে । প্রত্যেকটি ডিভাইসের জন্য একটি অনন্য IRQ থাকে । যেমনঃ কীবোর্ড সাধারণত IRQ1 এর সাথে আন্তসংযুক্ত থাকে । প্রিন্টার সাধারণত IRQ7 এর সাথে আন্তসংযুক্ত থাকে ।
যদি কোন পিসিতে অনেকগুলো ডিভাইস থাকে অথবা ডিভাইসগুলো সঠিকভাবে ইনস্টল করা না হলে তারা একই IRQ নাম্বার শেয়ার করতে চায় । যখন ইউজার একই সাথে উভয় ডিভাইস একই সময়ে ব্যবহার করতে চায় তখন সিস্টেম ক্র্যাশ করে ।
হার্ডওয়ার কনফ্লিক্ট পরীক্ষা করার জন্য My Computer-এ ডান বাটনে ক্লিক করে Manage সিলেক্ট করুন । Computer Management ডায়লগ বক্স আসবে, সেখান থেকে Device Manager সিলেক্ট করুন । যদি একটি ডিভাইসে ইনস্টলেশনে সমস্যা থাকে তাহলে প্রায়ই একটি হলুদ ‘!’ Device Manager-এর description-এ দেখা যায় ।

এই ডিভাইসটিকে আনইনস্টল করে পুনরায় ইনস্টল করুন ।
২) খারাপ RAMঃ
RAM (Random-access memory) খারাপ থাকলে স্ক্রীন নীল রঙের হয় এবং Fatal Exception Error মেসেজ প্রদান করে । অনেক সময় এটির নষ্ট অংশকে পরিবর্তন করার প্রয়োজন হয় । Fatal Error এর একটি অন্যতম কারন চিপসের সাথে RAM-এর mismatch । যেমনঃ ৭০ ন্যানোসেকেন্ডের র‌্যামের সাথে ন্যানোসেকেন্ডের র‌্যাম এক সাথে সেট করলে কম্পিউটারের গতি হ্রাস পায় । এটি প্রায় সিস্টেম ক্র্যাশ করে যখন র‌্যামকে বেশী কাজ করতে হয় ।
এই সমস্যা সমাধানের একটি উপায় হল BIOS সেটিং-এ গিয়ে র‌্যামে wait state বৃদ্ধি করতে হবে । আর একটি সমাধান হল র‌্যামগুলো সঠিকভাবে সাজাতে হবে অথবা কিছু র‌্যাম বাদ দিতে হবে (যেগুলো একই নয) ।
৩) BIOS সেটিং‌ঃ
প্রতেকটি মাদারবোর্ড একটি নিদির্ষ্ট সীমার সেটিং দিয়ে ফ্যাক্টরিতে তৈরি হয় । এই সেটিং একসেস করতে হলে সাধারণত F2 অথবা Delete কী বুট আপের সময় কয়েক সেকেন্ড প্রেস করে পরিবর্তন করা যায় । BIOS সেটিং-এ পরিবর্তন করার সময় সঠিকভাবে সেটিং না করলে অনেক সময় ইরর দেখা দেয় । BIOS সেটিং-এর একটি সাধারণ হচ্ছে CAS latency. পুরাতন EDO (extended data out) র‌্যামের CAS latency হচ্ছে ৩ এবং নতুন র‌্যামের CAS latency হচ্ছে ২ । এই CAS latency ভুল ভাবে সেটিং করলে র‌্যাম লক হযে যায় এবং ডিসপ্লে স্থির হয়ে যায় । Microsoft Widows অন্য বায়োসের চেযে ভালোভাবে IRQ নাম্বার allocating করতে পারে । যদি সম্ভব হয় তাহলে IRQ নাম্বার বায়োসে গিয়ে অটো সেট করে দিন ।

[.....................................চলবে.................................................]
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sobuz_ict/28862630 http://www.somewhereinblog.net/blog/sobuz_ict/28862630 2008-10-31 19:57:26
হার্ডডিস্ক ক্র্যাশ ও তার প্রতিকার (পর্ব-৩)
ডেটা পুনরুদ্ধারঃ হার্ডডিস্ক ক্র্যাশ করলে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ডেটা পৃনরুদ্ধার করা যায় । এমনটি হার্ডডিস্ক করাপ্ট করলে বা ডিস্কের ইলেকট্রোম্যাগনেটিক তথা চৌম্বকত্ব লোপ পেলেও ডাটা পুনরুদ্ধার করা সম্ভব । হার্ডডিস্কের ফিজিক্যাল এরর বা ইলেকট্রিক্যাল সমস্যা সমাধানের জন্য হার্ডডিস্ককে উন্মুক্ত করে প্রয়োজন অনুসারে কোনো কম্পোনেন্ট বদলিযে নতুন কম্পোনেন্ট সেটিং প্রয়োজন হতে পারে । এ ধরনের কাজ কেবল মাত্র একজন অভিজ্ঞ টেকনিশিয়ানের পক্ষেই সম্ভব । তবে লজিক্যাল ক্রাশ বিভিন্ন সফটওয়ারের সাহায্যে সমাধান করা সম্ভব এবং ডেটা রিকভারী টুল দিয়ে ডেটা রিকভারী করা সম্ভব ।

হার্ডডিক্স ক্র্যাশ হলে করণীয়ঃ
১) হার্ডডিস্ক ক্র্যাশ করলে সাথে সাথে কম্পিউটার শার্টডাউন করুন ।
২) এরপর কম্পিউটার অন করে বায়োসে গিয়ে দেখুন হার্ডডিস্ক ডিটেক্ট করে কিনা ।
৩) যদি হার্ডডিস্ক ডিটেক্ট করে তাহলে বিভিন্ন ইউটিলিটিজ সফটওয়ার (যেমনঃ ডিস্ক ম্যানাজার)ব্যবহার করে হার্ডডিস্ক ক্র্যাশ সম্পূর্ণ ঠিক করা যায় কিংবা ক্র্যাশ অংশটিকে ব্লক করে রাখা যায় ।

হার্ডডিস্ক ক্র্যাশ প্রতিরোধে করনীয়ঃ
১) সপ্তাহে একদিন স্ক্যানডিস্ক করুন ।
২) মাসে একদিন হার্ডডিস্ক রিপেয়ার সফটওয়ার যেমনঃ নর্টন সিস্টেম ওয়ার্ক ব্যবহার করুন ।
৩) হার্ডডিস্ক সতর্কতার সাথে ইনসার্ট ও রিমুভ করুন ।
৪) হার্ডডিস্ক বহনের সময় হার্ডডিস্কের কভার ব্যবহার করুন ।
৫) হার্ডডিস্ক সমান্তরালভাবে কেসিং-এর সাথে সেট করে হার্ডডিস্ক টু হার্ডডিস্ক কপি করবেন ।
৬) হার্ডডিস্কের উপর ময়লা জমলে পরিষ্কার করুন ।

[.............................চলবে.........................................]

১ম পর্ব পড়তে এখানে ক্লিক করুন
২য় পর্ব পড়তে এখানে ক্লিক করুন
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sobuz_ict/28857856 http://www.somewhereinblog.net/blog/sobuz_ict/28857856 2008-10-21 20:00:16
হার্ডডিস্ক ক্র্যাশ ও তার প্রতিকার (পর্ব-২) প্রথম পর্ব পড়তে এখানে ক্লিক করুন

[ প্রথম পর্বের পর ]

৩)ধুলা-বালিঃ হার্ডডিস্কের হেড এবং ডিক্স সাধানত এনক্লোজার দ্বারা আবৃত থাকে । এটি হেড ও ডিক্সকে ধূলাবালি, তরল বা আঠালো পদার্থ জমা থেকে রক্ষা করে । ডিক্স এনক্লেজারে একটি ব্রিদিং ফিল্টারএ থাকে । এই ফিল্টার দিয়ে বাতাস আসা-যাওয়া করে । ক্সিতু বাতাসের প্রবাহের তারতম্য ঘটলে তাপমাত্রার পরিবর্তন ঘটে এবং ধূলাবালি জমার সম্ভাবনা দেখা যায় । এর ফলে হার্ডডিক্সের গুরুতর সমস্যা দেখা যায় ।

৪) ভাইব্রেশনঃ হার্ডডিস্কের জন্য একটি নির্দিষ্ট ভাইব্রেশনের মাত্রা থাকে । ভাইব্রেশন বেশী হলে হেডের পজিশনিং কন্ট্রোল সিস্টেম ক্ষতিগ্রস্থ হয় এবং হেডের রিড/রাইট পারফরমেন্স ব্যাহত হয় ।

৫) শকঃ যদি কোন কারনে শক-এর মাত্রা বৃদ্ধি পেয়ে নির্দিষ্ট সীমা ছাড়িয়ে যায়, তাহলে স্পিন্ডল নর্মাল পজিশনিং কেমানিজমকে ক্ষতিগ্রস্থ করে । ফলে হার্ডডিস্ক ড্যামেজ হয় এবং সংরক্ষিত ডেটার ব্যাপক ক্ষতি সাধন হয় ।

৬) হেড ক্র্যাশঃ হার্ডডিস্কের হেড রিড/রাইট করার জন্য ডিস্ক সারফেসের অতি সামান্য ওপর দিয়ে ভেসে বেড়ায় । হেড সারফেসে কোন ধূলাবালি জমলে হেডের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হয় ।

৭) মিডিয়া এররঃ ম্যানুফেকচারিং ত্রুটির কারনে বা অমার্জিত আচরনের কারনেও অনেক সময় প্লটারের নির্দিষ্ট কিছু অংশ ড্যামেজ হতে পারে । এসব ক্ষেত্রে ডেটা রিকভার ছাড়া হার্ডডিস্ক অকার্যকর হয়ে পড়ে ।

৮) কনডেনশনঃ হার্ডডিস্কের আকস্মিক তাপমাত্রার পরিবর্তনের কারনে কনডেনশন হতে পারে । কনডেশনের কারনে ইলেকট্রিক্যাল সার্কিটের ইনসল্যুশনের ক্ষতি হতে পারে কিংবা ক্ষয় হতে পারে যা পরিবর্তিতে অবিরামভারবে এররের সূত্রপাত ঘটাতে পারে ।

পরবর্তী পর্ব পড়তে ক্লিক করুন ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sobuz_ict/28857795 http://www.somewhereinblog.net/blog/sobuz_ict/28857795 2008-10-21 16:23:01
হার্ডডিস্ক ক্র্যাশ ও তার প্রতিকার (পর্ব-১) যখন অপারেটিং সিস্টেম হার্ডডিস্ক সংরক্ষিত ডেটা বা ইনস্ট্রাকশন রিড করতে ব্যর্থ হয়, তখন তাকে হার্ডডিক্স ক্র্যাশ বলে । অর্থ্যাৎ হার্ডডিক্স ক্র্যাশ হচ্ছে ব্যবহারকারীর ডাটার ক্ষতিসাধন । বর্তমানে হার্ডডিস্ক ক্র্যাশ একটি নিত্য নৈমিত্তিক ঘটনা । হার্ডডিক্স ক্র্যাশ করলে বিভিন্ন রকম মেসেজ প্রদান করে । যেমনঃ
Message 1: “Invalid partition table … … …”
Message 2: “Sector not found … … …”
Message 3: “Invalid media type … … …”
Message 4: “General failure reading drive … … …”
হার্ডডিস্কে লজিক্যাল ও ফিজিক্যাল এই দু’ধরনের ক্র্যাশ হতে পারে । লজিক্যাল সমস্যার কারনে বুট সেক্টর, পার্টিশন টেবল, ফ্যাট এরিয়া বা ডাইরেক্টরি এরিয়া নষ্ট হতে পারে ।
আর ফিজিক্যাল সমস্যার কারনে হার্ডডিক্সের কোন কম্পোনেট কিংবা লজিক কার্ড অকার্যকর কিংবা শক সার্কিট হতে পারে ।
হার্ডডিস্ক ক্র্যাশের কারনঃ
হার্ডডিস্ক যেসব কারনে ক্র্যাশ করে তার সেগুলো হলো সফটওয়ার করাপ্ট ২২%, হিউম্যান এরর ৩০%, সিস্টেম ম্যাল ফাংশন ১৮%, হার্ডওয়ার এরর ১৩%, ভাইরাস ৯%, স্যাবোটেজ ৬% এবং ন্যাচারাল ডিজাস্টার ২% ।

১) মেক্যানিক্যাল ফল্টঃ প্রচন্ড ঝাকুনির কারনে হার্ডডিস্ক স্বাভাবিকভাবে কাজ নাও করতে পারে । বিশেষ করে, পিসি স্থান্তরের সময় হার্ডডিস্কের রিড/রাইট হেডকে প্লটারের নন-স্টোরেজ প্রান্তে যদি পার্ক করা না হয়, তাহলে প্লটার সারফেসে স্ক্র্যাচ করতে পারে । তবে বর্তমানে কিছু হার্ডডিস্ক কোম্পানি স্বয়ংক্রিয় প্লটার পার্কিং করার কারনে স্থানতরের সময় ক্র্যাশের সম্ভাবনা প্রায় থাকে না ।

২) তাপমাত্রাঃ হার্ডডিস্ককে তাপমাত্রার একটি সীমার মধ্যে অপারেট করার জন্য ডিজাইন করা হয় । তাই, ভেন্টিলেশন ব্যবস্থা যদি যথাযথ না হয়, তাহলে হার্ডডিক্সের তাপমাত্রা সামীর অতিরক্ত হয় তাহলে হার্ডডিস্ক ক্যাশ করে ।

২য় পর্ব পড়তে এখানে ক্লিক করুন
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sobuz_ict/28857727 http://www.somewhereinblog.net/blog/sobuz_ict/28857727 2008-10-21 14:09:14
ঘরে বসে আয় করার উপায় -১
অ্যাডসেন্সঃ অ্যাডসেন্স হচ্ছে ঘরে বসে আয় করার অন্যতম উপায় । যারা সহজে দ্রুত টাকা আয় করতে চান তাদের জন্য অ্যাডসেন্স হচ্ছে ঘরে বসে টাকা আয় করার নিরাপদ উপায় । আপনি যদি দ্রুত ও সহজে টাকা উপার্জন করতে চান, তবে এটিকে প্রথমে পচ্ছন্দ করতে পারেন । অ্যাডসেন্সের মাধম্যে টাকা আয় করতে হলে আপনার একটি নিজস্ব ওয়েব সাইট থাকতে হবে । তবে আপনার নিজস্ব ওয়েব সাইট না থাকলে ব্লগের মাধম্যেও এ কাজটি করতে পারবেন । আপনি আপনার ওয়েব সাইটিকে মানসম্পন্ন করে তৈরি করুন । আপনার ওয়েব সাইট যত ভিজিটারদেরকে আকর্ষণ করবে আপনার আয় তত বৃদ্ধি পাবে ।
আপনাকে অ্যাডসেন্সে একাউন্ট খুলতে হবে । এরপর অ্যাডসেন্স থেকে আপনাকে কিছু বিজ্ঞাপনের কোড সংগ্রহ করতে হবে এবং এগুলো আপনার ওয়েব সাইট বা ব্লগে এই কোডগুলো যোগ করতে হবে । পুরো কাজ সম্পন্ন হলে আপনার ওয়েব সাইট বা ব্লগের ভিজিটরা কোন এ্যাডে ক্লিক করলে আপনার অ্যাকাউন্ডে ডলার জমবে ।

আর একটি অর্থ আয় করার উপায় হল অ্যামাজন-এর মাধ্যমে । অ্যামাজন বিভিন্ন পন্য বিক্রি করে । তাদের পণ্যের বিজ্ঞাপন আপনার সাইটে রাখতে পারেন । কেউ আপনার সাইট থেকে তাদের কোন পণ্য ক্রয় করলে অ্যামাজন আপনাকে কমিশন দিবে । আপনি এ ওয়েব সাইটের ভার্চূয়াল স্টোর ও লিংক তৈরি করতে পারেন ।

Ebay-এর মাধ্যমে পণ্য বিক্রি করে আপনি অতিরক্ত টাকা আয় করতে পারবেন । এজন্য আপনাকে একটি বিক্রয় কেন্দ্র খুলতে হবে যার মাধ্যমে আপনি পণ্য বিক্রি করবেন । এটি একটি ইকমার্স পদ্ধতি ।


[ বিঃ দ্রঃ পরবর্তীতে এগুলো নিয়ে আরো লিখার আশা রইল ।]]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sobuz_ict/28857008 http://www.somewhereinblog.net/blog/sobuz_ict/28857008 2008-10-19 21:57:18
অভ্র বাংলা ফ্রি সফটওয়ারে বিজয় কীবোর্ড লেআউট দিয়ে টাইপিং প্রথমে ইউনিবিজয় কীবোর্ড লেআউট সিলেক্ট করতে হবে ।

এরপর Option ক্লিক করলে Customize Avro Keyboard এর Keyboard Mode টাব থেকে Select “Keyboard Mode” switching keystroke থেকে Old Bijoy Style : Ctrl + Alt + B সিলেক্ট করুন ।

এরপর Advanced Option টাব থেকে Typing Style in Fixed Keyboard Layout থেকে Use full Old Style Typing সিলেক্ট করুন ।

তবে বিজয়ের কীবোর্ড লেআউট-এ টাইপিং করলেও অল্প কিছু পরিবর্তন আছে । যেমনঃ ং এবং ঙ টাইপিং এর ক্ষেত্রে শিফট ছাড়া ং এবং শিফটসহ ঙ টাইপ করতে হবে ।
কৌ লিখতে হলে ক+ ঔ টাইপ করতে হবে । এগুলো নিয়ে পরবর্তীতে একটি লেখা পোষ্ট লিখব ।

অভ্র সফটওয়ারটি সম্পকে জানতে ও ডাউনালোড করতে এখানে ক্লিক করুন
http://www.somewhereinblog.net/blog/sobuz_ict/28851012
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sobuz_ict/28851156 http://www.somewhereinblog.net/blog/sobuz_ict/28851156 2008-10-05 14:05:33
বাংলা লেখায় ব্যবহার করুন ফ্রি বাংলা সফটওয়ার

সফটওয়ারটি আমার কাছে ভাল লাগল কেন ?
১) প্রথম কারণ হচ্ছে সফটওয়ারটি Omicronlab-এর সম্পূর্ণ ফ্রি সফটওয়ার । আমার যেহুতু দাম দিয়ে বিজয় সফটওয়ার ক্রয়ের সমর্থ নাই , তাই পাইরেটেড বিজয় ব্যবহার করার থেকে বৈধ অভ্র ব্যবহার করি ।
২) আমি বিজয় সফটওয়ার প্রায় ৫ বছর ব্যবহার করায় এর কীবোর্ড লেআউট ব্যবহার করায় অভ্যস্থ হয়ে পড়ি । অভ্রতে আমি বিজয়ের কীবোর্ড লেআউটের প্রায় ৯৯% ব্যবহার করতে পারি ।
৩) এটি একটি ইউনিকোড সফটওয়ার । ফলে অভ্র কীবোর্ডের সাহায্যে লিখা বাংলা যে কোন পিসিতে বাংলা ফন্ট ছাড়াই পড়া যাবে ।
৪) কীবোর্ডে ১২টি মাইক্রো কী কাজ করে ।
৫) কীবোর্ড ও মাউস উভয় দিয়েই টাইপ করা যায় ।
৬) অভ্র ফোনেটিক ( ইংলিশ টু বাংলা ) টাইপ করা যায় ।
৭) অভ্র ইজি, বর্ণনা , ইউনিজয়, ন্যাশনাল কীবোর্ড লেআউট সাপোট করে ।
৮) বাংলা ওয়েবপেজ ডেভেলপ করা যাবে ।
৯) বাংলায় ফাইল বা ফোল্ডার নেম, বাংলায় সার্চ, বাংলায় চ্যাট ইত্যাদি অভ্র দিয়ে করা যাবে ।


সফটওয়ারটি ব্যবহারে অসবিধাঃ
যে সব সফটওযার ইউনিকোড সার্পোট করে না সে সব সফটওয়ারে অভ্র বাংলা কীবোর্ড সফটওয়ারটি ব্যবহার করা যাবে না ।

সফটওযারটি ডাইনলোড করুন এখান থেকে
১) http://www.niponwave.com/download-area/setup_avrokeyboard_4.5.1.exe অথবা,
২) http://maruf42.com/omicronlab/setup_avrokeyboard_4.5.1.exe অথবা,
৩) http://www.pallab.com/downloads/avro/setup_avrokeyboard_4.5.1.exe
এবং ডাউনলোড করুন বাংলা লাঙ্গুয়েজ প্যাক এখান থেকে
http://omicronlab.com/download/tools/iComplex_2.0.0.exe ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sobuz_ict/28851012 http://www.somewhereinblog.net/blog/sobuz_ict/28851012 2008-10-05 00:22:32
কীবোর্ডের সমস্যা হলেও পাসওয়ার্ড লিখে কম্পিউটার ওপেন করার উপায় A=65,B=66,..........Y=89,Z=90
a=97,b=98,.............y=121,122
0=48,1=49,.............8=56,9=57
আর আপনি বিশেষ কোন চিহৃ ব্যবহার করলে তার কোড মনে রাখুন এবং আপনার পাসওয়ার্ডের বক্সে সেটি লিখুন ।

কোড অক্ষর
33 !
34
35 #
36 $
37 %
38 &
39
40 (
41 )
42 *
43 +
44 ,
45
46 .
47 /
48 0
49 1
50 2
51 3
52 4
53 5
54 6
55 7
56 8
57 9
58 :
59 ;
60
63 ?
64 @
65 A
66 B
67 C
68 D
69 E
70 F
71 G
72 H
73 I
74 J
75 K
76 L
77 M
78 N
79 O
80 P
81 Q
82 R
83 S
84 T
85 U
86 V
87 W
88 X
89 Y
90 Z
91 [
92 \
93 ]
94 ^
95 _
96 `
97 a
98 b
99 c
100 d
101 e
102 f
103 g
104 h
105 i
106 j
107 k
108 l
109 m
110 n
111 o
112 p
113 q
114 r
115 s
116 t
117 u
118 v
119 w
120 x
121 y
122 z
123 {
124 |
125 }
126 ~

এই উপায়ে আপনি যে কোন কিছুতে (যেমনঃ MS Office, Notepad, Photoshop ইত্যাদি) লিখতে পারবেন ।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sobuz_ict/28849079 http://www.somewhereinblog.net/blog/sobuz_ict/28849079 2008-09-28 23:14:23
কম্পিউটার ব্যবহারের সময় বিদ্যুৎ সেভ করুন আমরা পিসি ব্যবহার করার সময় প্রায় পিসি থেকে কিছু সময়ের জন্য চলে যায় । এসময় আমরা পিসিকে Stand By মুডে পিসিকে রাখতে পারি ।
এখন জেনে নি Stand By কি ?
Stand By হল উইন্ডোজের এমন একটি মুড যেখানে পিসি সবচেয়ে কম বিদ্যুৎ ব্যবহার করে চালু থাকে । Stand By-এর সময় পিসির র‌্যাম, হার্ডডিক্স, মনিটর ইত্যাদি বিদ্যুৎ ব্যবহার করে না । এতে বিদ্যুতের অপচয় রোধ হয় ।
কিভাবে Stand By মুড সেট করা যায় ?
Start -> Turn Off Computer -> Stand By অথবা,
(উইন্ডোজ কী) -> U -> S
পিসি Stand By মুডে থাকা অবস্থায় মাউস নড়ালে বা কীবোর্ডের কোন কী চাপলে পিসি Normal mode-এ ফিরে আসবে ।এছাড়াও আপনি টাইম সেটিং করে মনিটর এবং হার্ডডিক্স ইত্যাদির বিদ্যুৎ অপচয় রোধ করতে পারবেন ।
এজন্য Start -> Run-এ desk.cpl লিখলে (অথবা ডেক্সটপের উপর ডান বাটনে ক্লিক করে Properties থেকে ) Display Properties ডায়লগ বক্স আসবে । Display Properties-এর Screen Saver টাব থেকে Power-এ ক্লিক করুন ।

Power Options Properties ডায়লগ বক্স আসবে । এর Power Schemes-এর Settings for Home/Office Desk power scheme থেকে Turn off monitor এর পাশের ড্রপ ডাউন লিস্ট থেকে সময় সেটিং করুন ।

Turn off monitor অপশনটি আপনি Screen Saver এর বিকল্প হিসাবে ব্যবহার করতে পারবেন । এতে আপনার মনিটর ভাল থাকবে এবং বিদ্যুৎ অপচয় রোধ হবে ।

এভাবে Turn off hard disks এবং System standby-এর সময় সেটিং করতে পারবেন ।
Power Options Properties ডায়লগ বক্সের Advanced টাবে ক্লিক করুন । When I press the power button on my computer -এর নিচের ড্রপ ডাউন লিস্ট থেকে Shut down নির্বাচন করুন । এবং When I press the sleep button on my computer -এর নিচের ড্রপ ডাউন লিস্ট থেকে Stand by নির্বাচন করুন ।

ফলে আপনার কীবোর্ডের power এবং sleep বাটনে ক্লিক করলে পিসি যথাক্রমে Shut down এবং Stand by হবে ।

[ বিঃ দ্রঃ- ইন্টারনেটে কানেক্ট থাকা অবস্থায় Stand by করা যাবে না । কারন এতে নেট ডিসকানেক্ট হয়ে যাবে । তবে Turn off Monitor এবং Hard disks করতে পারেন । ভিডিও চলার সময় Turn off Monitor অপশনি বন্ধ রাখুন । কারন এতে Monitor এর পাওযার অফ হয়ে যায় । ]]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sobuz_ict/28848998 http://www.somewhereinblog.net/blog/sobuz_ict/28848998 2008-09-28 19:32:34
পিসির সমস্যা সমাধানে সিস্টেম রিস্টোর
Start -> All Programs -> Accessories -> System Tools -> System Restore সিলেক্ট করুন । এর ফলে Welcome to System Restore ডায়লগ বক্স আসবে ।

Restore my computer to an earlier time অপশনটি সিলেক্ট করে Next করুন ।
Select a Restore Point ডায়লগ বক্স আসবে । বামপাশে একটি ক্যালেন্ডার দেখা যাবে । সে সকল তারিখে রিস্টোর পয়েন্ট পয়েন্ট আছে সেগুলো হাইলাইট(বোল্ট) অবস্থায় দেখা যাবে । এখান থেকে আপনার পিসি ভাল থাকা অবস্থার একটি তারিখ সিলেক্ট করুন এবং ডানপাশে রিস্টোর পয়েন্টের নাম দেখা যাবে । যে পয়েন্টে রিস্টোর করতে চান তা সিলেক্ট করুন ।

Confirm Restore Point Selection ডায়লগ বক্স আসবে । Next -এ ক্লিক করুন ।

এর ফলে Restoring Setting নামক প্রগ্রেসবার দেখাবে এবং পিসি রিস্টার্ট হবে । সিস্টেম রিস্টোর করাকালীন সময়ে এটি উইন্ডোজ লগইন উইন্ডো প্রদর্শন করবে ।
রিস্টোর প্রক্রিয়া সফলভাবে সম্পন্ন হলে Restoration has been successful (আর সফলভাবে সম্পন্ন না হলে Restoration was unsuccessful) দেখাবে । OK করুন ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sobuz_ict/28848803 http://www.somewhereinblog.net/blog/sobuz_ict/28848803 2008-09-28 04:45:03
কপি করুন Scratched CD/DVD disk কিংবা damaged drive থেকে
Any Reader সফটওয়ারটি ইনস্টল করতে হয় না এবং এর সাইজ মাএ ২.০ মেগাবাইট । এটি নন রিডেবল মিডিয়া যেমনঃ CD, DVD, LAN-Drives, Flash memory, ZIP disks, Floppy disks ইত্যাদি থেকে ডাটা কপি করতে পারে । যে কোন টাইপের ডিক্স এবং ত্রুটিপূর্ণ কানেকশন থেকে যখন সাধারনভাবে কপি করা যায় না Any Reader সেখানে ইফেক্টটিভলি ভাবে করাপ্ট ডাটা কপি ও সেভ করতে পারে । এটি রিজুমড ডাইনলোড সাপোট করে যেখানে রিমোট পিসি কানেকশন যদি বিচ্ছিন হয় । Any Reader Scratched CD/DVD disk থেকে শেষ পর্যন্ত কপি করে । এটি পাঁচটি ধাপে কাজ সম্পূর্ন করে । Any Reader damaged drive, scratched CD/DVD disk, Unstable network থেকে ডাটা কপি করতে পারে । আপনি একবার ব্যবহার করে দেখুন আপনারও ভাল লাগবে ।


ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন । ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sobuz_ict/28845393 http://www.somewhereinblog.net/blog/sobuz_ict/28845393 2008-09-19 23:23:14
সফটওয়ার ছাড়া কপি করুন Scratched VCD
বছর দুয়েক আগের ঘটনা । দোকান থেকে হুমায়ন আহমেদের দু্ইটি নাটকের সিডি আমি নিয়ে আসি । বাসায় মেহমান আসায় ব্যস্ত হয়ে পড়ি । ভাবলাম নাটক দুইটি কটি করে রাখব । প্রথম নাটকের সিডিটি সিডি ড্রাইভে প্রবেম করিয়ে কপি দিলাম । কিছুক্ষণ কপি হবার পর (প্রায় ৯৫%) দেখি উইন্ডোজ ইরোর দেখাচ্ছে কপি করতে পারছে না । দ্বিতীয় সিডিটিও সিডি ড্রাইভে প্রবেশ করিয়ে কপি দিলাম । প্রবলেম একই কপি হচ্ছে না । মনটা খুবই খারাপ হয়ে গেল । আমি নিউ ফোল্ডারে কপি করছিলাম । একবার ভুল করে নিউ ব্রিফকেস হয়ে যায় । কপি করে দেখি প্রায় শেষের দিকে কপি হতে অনেক সময় লাগছে । ক্যানসেল করলাম । ব্রিফকেসের ভিতরে দেখি কপি হওয়া নাটকটি আছে । এভাবে দ্বিতীয় নাটকটিও কপি করি ।
আপনি ব্রিফকেসে কোন ফাইল কপি করলে যতখানি কপি হবে ততখানি থেকে যাবে । আপনি ডান বাটনে ক্লিক করে New থেকে Briefcase সিলেক্ট করুন । Well come to the Windows Briefcase আসলে Finish করুন । এবার কপি করুন আপনার ভিডিও ফাইল ।

তবে এ প্রক্রিয়ায় সম্পূর্ণ ফাইল কপি নাও হতে পারে । ফালতু প্যাচালের জন্য ক্ষমা চাচ্ছি ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sobuz_ict/28845402 http://www.somewhereinblog.net/blog/sobuz_ict/28845402 2008-09-19 23:15:52
কম্পিউটারের গতি কমার কারন ও গতি বৃদ্ধির কিছু কৌশল [খন্ড- ৪] পূববর্তী অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন ।
[ ৩য় খন্ডের পর ]
১) ভাইরাসের কারনে পিসি স্লো হলে এন্টি ভাইরাস সফটওয়ার যেমনঃ ম্যাকাফি, নর্টন, ক্যাসপারস্কাই, বিটডিপেন্ডার, পিসি সিলিন ইত্যাদি সফটওয়ার ইনস্টল করুন এবং এন্টি ভাইরাসটিকে আপডেট করে নিন । এরপর স্ক্যান করুন সম্পূর্ণ পিসি । আমার কাছে ক্যাসপারস্কাই এন্টি ভাইরাস বেশী পছন্দের ।

২) অতিরক্ত প্রোগ্রাম সিস্টেমে ইনস্টল দেয়া থাকলে যেগুলো ব্যবহার করেন না বা খুব কম ব্যবহার করেন সেগুলো রিমুভ করুন । এজন্য Start -> Control Panel -> Add or Remove Programs থেকে অপ্রয়োজনীয় প্রোগ্রামগুলে রিমুভ করুন ।

[ Start -> Run -এ গিয়ে appwiz.cpl লিখলেও Add or Remove Programs
ডায়লগ বক্স আসবে । ]

৩) সিস্টেম রিস্টোর অন থাকলে এবং আপনার ফাইল সিস্টেম ফ্যাট ৩২ হলে System Volume Information ফোল্ডারের ভিতর অনেক ফাইল তৈরি হয় । এগুলো ডিলিট করতে হলে প্রথমে Start -> All Programs -> Accessories -> System
Tools -> System Restore -> System Restore Settings

Start -> Control Panel -> Folder Options এ ডাবল ক্লিক করুন । Folder Options ডায়লগ বক্স আসলে View টাবে ক্লিক করুন । [ Start -> Run -এ গিয়ে লিখলেও Folder Options ডায়লগ বক্স আসবে । ] Advanced settings থেকে Hidden files and folders এর Show hidden files and folders সিলেক্ট করুন এবং নিচে Hide protected operating system files (Recommended) অপশনটি ডিসিলেক্ট করুন । Apply ও OK করে বেরিয়ে আসুন ।

এবার C:\System Volume Information গিয়ে ফোল্ডারটি ডিলিট করুন ।

৪) Automatic updates অন থাকলে সি ড্রাইভ ভর্তি হয়ে পিসির গতি স্লো করে । Automatic updates তাই অফ করে রাখা ভাল । Automatic update অফ করতে Start -> Control Panel -> System - এ ডাবল ক্লিক করুন । System Properties ডায়লগ বক্সের Automatic Updates টাবে ক্লিক করুন এবং Notify me but don't automatically download or install them অথবা Turn off Automatic Updates সিলেক্ট করুন ।

[ পাইরেটেড উইন্ডোজ সফটওয়ারের ক্ষেত্রে । ]
৫) আপনার হাডডিক্সের ডাটাগুলো সাজিয়ে রাখলে পিসি দ্রুত কাজ করবে এজন্য Start -> All Programs -> Accessories -> System tools -> Disk Defragmenter -এ ক্লিক করুন । Disk Defragmenter ডায়লগ বক্স আসলে ড্রাইড সিলেক্ট করে Defragment -এ ক্লিক করুন । একটি ড্রাইভ অথবা সকল ড্রাইভ সিলেক্ট করতে পারেন । শেষ হতে মোটামোটি অনেক সময় নিবে ।

[ Start -> Run -এ গিয়ে dfrg.msc লিখলেও Disk Defragmenter ডায়লগ বক্স আসবে । ]

৬) ডিক্স ক্লীনআপের মাধ্যমে আপনার পিসির অপ্রয়োজনীয় ডাটা ডিলিট করতে পারবেন । এজন্য Start -> All Programs -> Accessories -> System tools -> Disk Cleanup যান থেকে ড্রাইভ সিলেক্ট করুন । এভাবে সকল ড্রাইভ সিলেক্ট করে ড্রাইভগুলো পরিষ্কার করুন ।

[ Start -> Run -এ গিয়ে cleanmgr লিখলেও Disk Cleanup ডায়লগ বক্স আসবে । ]

৭) কিছু ভিজুয়াল সেটিং পরিবর্তন করে আপনি আপনার পিসি পারফরমেন্স বৃদ্ধি করতে পারেন । এজন্য My Computer এর ডান বাটনে ক্লিক করুন ।এরপর System Properties ডায়লগ বক্স থেকে Advanced টাব থেকে Performance এর Setting অংশে ক্লিক করুন ।

Performance Options ডায়লগ বক্সের Visual Effects সিলেক্ট থাকা অবস্থায় Adjust for best performance সিলেক্ট করে OK করুন ।


৮) কালার সেটিং এর জন্য ডেক্সটপে ডান বাটনে ক্লিক করে Properties সিলেক্ট করুন । এবার Display Properties ডায়লগ বক্স থেকে টাবে ক্লিক করুন এবং Color quality থেকে Medium (16 bit) সিলেক্ট করুন ।

[ Start -> Run -এ গিয়ে desk.cpl লিখলেও Display Properties ডায়লগ বক্স আসবে । ]

আরো কিছু গতি বৃদ্ধির কৌশল জানতে এখানে ক্লিক করুন ।



কম্পিউটারের গতি কমার কারন ও গতি বৃদ্ধির কিছু কৌশল [খন্ড-১] পড়তে এখানে ক্লিক করুন ।
কম্পিউটারের গতি কমার কারন ও গতি বৃদ্ধির কিছু কৌশল [খন্ড-২] পড়তে এখানে ক্লিক করুন ।
কম্পিউটারের গতি কমার কারন ও গতি বৃদ্ধির কিছু কৌশল [খন্ড-৩] পড়তে এখানে ক্লিক করুন । ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sobuz_ict/28844902 http://www.somewhereinblog.net/blog/sobuz_ict/28844902 2008-09-18 20:11:45
কম্পিউটারের গতি কমার কারন ও গতি বৃদ্ধির কিছু কৌশল [খন্ড- ৩] পূর্ববতী অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন ।
[ ২য় খন্ডের পর ]
কম্পিউটার চলার সময় বিভিন্ন কারনে স্লো হতে পারে । সাধারণত নিচের কারনগুলো কম্পিউটার চলার গতি কমানোর জন্য দায়ী।
১) ভাইরাসের কারনে
২) কম র‌্যামের কারনে
৩) টেম্পোরারি ফাইলের কারনে
৪) অতিরক্ত প্রোগ্রাম ইনস্টল থাকলে
৫) অতিরক্ত ফন্টের কারনে
৬) কম ক্যাশমেমরির কারনে
৭) ভার্চুয়াল মেমরী কম থাকার কারনে
৮) সিস্টেম রিস্টোর অন থাকলে
৯) অটোমেটিক আপডেটের থাকলে (পাইরেটেড Operating System এর ক্ষেত্রে
এবং নেট কানেকশন থাকলে)
১০) ডাটা এলোমেলোভাবে থাকলে
১১) ভিজুয়াল সেটিং এর কারনে
১২) হাডডিক্স ভর্তি হয়ে গেলে

১) ভাইরাসের কারনে: পিসি স্লো হওয়ার অন্যতম প্রধান কারন ভাইরাস । বর্তমানে ফ্লাশ ড্রাইভ এবং মেমরী কার্ডের ব্যবহারের ফলে ভাইরাস দ্রুত পিসিতে আক্রান্ত হচ্ছে । তাছাড়া অনেকে এন্টি ভাইরাস ব্যবহার করে না এবং যারা ব্যবহার করে তাদের অনেকে পুরাতন এন্টিভাইরাস ব্যবহার করে । বাংলাদেশের প্রায় ৯৯% পিসি ব্যবহারকারী পাইরেটেড এন্টি ভাইরাস ইউজ করে এবং তারা এন্টি ভাইরাস আপডেট করে না । ফলে ভাইরাস পিসিতে আক্রমন করে এবং পিসি স্লো হয়ে যায় ।

২) অতিরক্ত প্রোগ্রাম ইনস্টল থাকলে : আমরা অনেকেই পিসিতে যে সফটওয়ারগুলো বা গেম ব্যবহার করি না, সেগুলো রিমুভ করি না । তাছাড়া যারা নতুন কম্পিউটার ইউজ করে তারা সাধারণত সি ড্রাইভে সব সফটওয়ার ও গেম সেটআপ দেয় । যার ফলে পিসির গতি কমে যায়।

৩) সিস্টেম রিস্টোর অন থাকলে (যা ডিফল্ট ভাবে অন থাকে) কম্পিউটারের কোন পরিবর্তন করলে তা System Volume Information ফোল্ডারে সেভ করে রাখে । এমনকি অনেক ফাইল ডিলিট করলে তা System Volume Information ফোল্ডারে সেভ করে রাখে (FAT file এর ক্ষেত্রে বেশী) । যার ফলে সি ড্রাইভ ভর্তি হয়ে যায় ।

৪) অটোমেটিক আপডেট অন থাকলে : অটোমেটিক আপডেট অন থাকলে নেট কানেক্ট হলে আপডেট শুরু করে এবং অপ্রোয়জনীয় ফাইলে সি ড্রাইভ ভর্তি হয়ে যায় । এমনকি মাইক্রোসফট পাইরেটেড অপারেটিং সিস্টেমে ফাইল পরিবর্তন করে যাতে পিসি স্লো হয় ।
৫) হাডডিক্স এ এলোমোলো ভাবে ডাটা থাকলে এবং হাডডিক্স ভর্তি হলে : এলোমেলোভাবে ডাটা কম্পিউটারে স্টোর হয় । হাডডিক্স ভর্তি হলেও পিসি স্লো হয়ে যায় । হাডডিক্স এর সি ড্রাইভে কমপক্ষে ৩৫% এবং অনান্য ড্রাইভে কমপক্ষে ১৫ % খালি জায়গা প্রয়োজন ।

৬) ভিজ্যয়াল সেটিং : যাদের র‌্যাম তাদের পিসিতে কম ভিজুয়াল সেটিং সেট করা উচিত। কালার সেটিং ১৬ বিটে থাকলে ২৪ বা তার বেশী বিট (সাপোর্ট করলেও) এর চেয়ে দ্রুত গতিতে কাজ করে ।

আরো কিছু কারন আছে । সেগুলো জানতে এখারে ক্লিক করুন ।
পরবর্তী অংশ পড়াতে এখানে ক্লিক করুন ।



কম্পিউটারের গতি কমার কারন ও গতি বৃদ্ধির কিছু কৌশল [খন্ড-১] পড়তে এখানে ক্লিক করুন ।
কম্পিউটারের গতি কমার কারন ও গতি বৃদ্ধির কিছু কৌশল [খন্ড-২] পড়তে এখানে ক্লিক করুন ।
কম্পিউটারের গতি কমার কারন ও গতি বৃদ্ধির কিছু কৌশল [খন্ড-৪] পড়তে এখানে ক্লিক করুন ।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sobuz_ict/28844439 http://www.somewhereinblog.net/blog/sobuz_ict/28844439 2008-09-17 18:54:57
কম্পিউটারের গতি কমার কারন ও গতি বৃদ্ধির কিছু কৌশল [খন্ড- ২] পূর্বের অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন ।
[ প্রথম খন্ডের পর ]

কম্পিউটার চালুর সময় গতি বৃদ্ধির কিছু কৌশল ।

১) সফটওয়ার ইনস্টল করলে কিছু সফটওয়ার (যেমন: কুইক টাইম, হিরো প্লেয়ার) স্টার্টআপে যুক্ত হয় । স্টার্টআপ থেকে প্রোগাম সরাতে Start ->Run গিয়ে লিখুন
msconfig এবং ok করুন।

এরপর System Configuration Utility এর Startup tab-এ ক্লিক করে Startup Item থেকে অপ্রযোজনীয় আইটেমগুলো Select করে Apply করে Ok করুন । এরপর System Configuration ডায়লগ বক্স থেকে Restart ক্লিক করে Restart পিসি করুন ।

প্রয়োজনীয় আইটেমগুলো আনএবল না হয় লক্ষ্য রাখতে হবে।

২) টেম্পোরারি ফাইল ডিলিট করার জন্য Start->Run গিয়ে %temp% লিখুন
এবং Ok করুন। এতে মাই ডকুমেন্টের ভিতরের টেম্পোরারি ফাইলগুলো
ওপেন হবে । সবগুলো ফাইল সিলেক্ট করে ডিলিট করুন । এরপর আবার
Start -> Run গিয়ে temp লিখুন এবং Ok করুন। এতে উইন্ডোজের ভিতরের টেম্পোরারি ফাইলগুলো ওপেন হবে । সবগুলো সিলেক্ট করে ডিলিট করুন ।
অথবা,
Start মেনুতে ক্লিক করে Search -> For Files or Folder এ ক্লিক করুন,Search
উইন্ডো ওপেন হবে। এখন Search for files or folders named এর টেক্সট বক্সে
*.tmp লিখুন এবং Look in থেকে Local Hard drives Select করে দিন। এরপর More advanced options এ ক্লিক করুন এবং Search system folders, search hidden files and folders, Search subfolder, case sensitive, Search tape backup অপশনগুলোর সিলেক্ট করে Search এ ক্লিক করুন ।

টেম্পোরারি ফাইলগুলো এলে সিলেক্ট করে ডিলিট করুন।
অথবা,
টেম্পোরারি ফাইলগুলো কিছু ইউটিলিটিজ সফটওয়ার যেমন: টেম্পোরারি ক্লিনার দিয়ে ডিলিট করতে পারেন । টেম্পোরারি ক্লিনার ব্যবহার করা সহজ এবং মাত্র ২০৮ কিলোবাইটের সফটওয়ার ।
টেম্পোরারি ক্লিনার ডাউনালোড করতে এখানে ক্লিক করুন

৩) অপ্রয়োজনীয় ফন্ট আনইনস্টল করার জন্য Start -> Run গিয়ে fonts লিখুন এবং Ok করুন। অথবা, Start -> Control Panel -> Fonts যান ।
অথবা, C:\WINDOWS\Fonts যান ।

সিস্টেমে ইনস্টল করা সকল ফন্ট দেখতে পাবেন । সেখান থেকে অপ্রয়োজনীয় ফন্টগুলো সিলেক্ট করে ডিলিট করুন । তবে লক্ষ্য রাখবেন সিস্টেমের ডিফল্ট ফন্ট ডিলিট না হয় । উইন্ডোজের সিস্টেম ফাইল এবং ডিফল্ট ফন্টের তারিখ একই হবে । তবে একই দিন অন্য ফন্ট সেটআপ দিলে সবুজ রঙের আইকনযুক্ত ফন্টগুলো ডিলিট করবেন না ।
৪) ভার্চুয়াল মেমরী বৃদ্ধি করতে My Computer এর ডান বাটনে ক্লিক করুন ।এরপর System Properties ডায়লগ বক্স থেকে Advanced টাব থেকে Performance এর Setting অংশে ক্লিক করুন ।

এবার ডায়লগ বক্স আসবে সেটির Advanced টাবে সিলেক্ট করে Virtual memory এর Change -এ ক্লিক করুন ।

এরপর Virtual Memory ডায়লগ বক্স থেকে C ড্রাইভ সিলেক্ট করে Paging file size for selected drive এর Initial size (MB) এর বক্সে Maximum size (MB) এর বক্সের সাইজটি লিখুন এবং Set -এ ক্লিক করুন ।


৫) এন্টি ভাইরাস সফটওয়ারগুলো উইন্ডোজ স্টার্টআপের সময় লোড হয় এবং বুট সেক্টর স্ক্যান করে থাকে । আপনার ব্যবহাররকৃর্ত এন্টি ভাইরাসের সেটিং অপশন থেকে স্টার্টআপ স্ক্যান অফ করে পিসি দ্রুত স্টার্ট করতে পারবেন । তবে এতে আপনার পিসি ভাইরাস আক্রান্ত হতে পারে। তাই পিসি খুব স্লো না হলে স্টার্টআপ ভাইরাস স্ক্যান অফ করা উচিত হবে না ।

৬) এছাড়া র‌্যামের এবং এক্সটার্নাল ক্যাশমেমরী বাড়িয়ে পিসির গতি বৃদ্ধি করা যায় ।

পরবর্তী অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন ।


কম্পিউটারের গতি কমার কারন ও গতি বৃদ্ধির কিছু কৌশল [খন্ড-১] পড়তে এখানে ক্লিক করুন ।
কম্পিউটারের গতি কমার কারন ও গতি বৃদ্ধির কিছু কৌশল [খন্ড-৩] পড়তে এখানে ক্লিক করুন ।
কম্পিউটারের গতি কমার কারন ও গতি বৃদ্ধির কিছু কৌশল [খন্ড-৪] পড়তে এখানে ক্লিক করুন । ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sobuz_ict/28844018 http://www.somewhereinblog.net/blog/sobuz_ict/28844018 2008-09-16 21:43:16
কম্পিউটারের গতি কমার কারন ও গতি বৃদ্ধির কিছু কৌশল [খন্ড- ১]
কম্পিউটারের গতিকে তিন ভাবে বিবেচনা করা হয়।
১) কম্পিউটার চালু হওয়ার সময় গতি।
২) কম্পিউটার চলার সময় গতি।
৩) কম্পিউটার বন্ধ করার সময় গতি।

প্রথমে থাকছে কম্পিউটার চালু হওয়ার সময় গতি কমার কারন।

সাধারণত নিচের কারনগুলো কম্পিউটার চালু হওয়ার গতি কমানোর জন্য দায়ী।
ক) কম র‌্যামের কারনে
খ) এন্টি ভাইরাস প্রোগামের কারনে
গ) টেম্পোরারি ফাইলের কারনে
ঘ) স্টার্টআপে বেশী প্রোগ্রাম থাকার কারনে
ঙ) অতিরক্ত ফন্টের কারনে
চ) কম ক্যাশমেমরির কারনে
ছ) ভার্চুয়াল মেমরী কম থাকার কারনে

ক) কম র‌্যামের কারনেঃ উইন্ডোজ এক্সপি চালানোর জন্য কমপক্ষে ১২৮ মেগাবাইট
র‌্যাম দরকার, ২৫৬ হলে ভাল হয়। আর ভিস্তার জন্য কমপক্ষে ৫১২ মেগাবাইট র‌্যাম
দরকার, ১ গিগাবাইট হলে ভাল হয়। তাই পিসিতে র‌্যাম কম থাকলে পিসিতে উইন্ডোজ
লোড হতে বেশী সময় লাগবে।

খ) এন্টি ভাইরাস প্রোগামের কারনেঃ এন্টি ভাইরাস প্রোগ্রাম যেমনঃ ম্যাকাফি, নর্টন,
ক্যাসপারস্কাই, বিট ডিপেনডার, পিসি সিলিন ইত্যাদি প্রোগ্রাম কম্পিউটার চালু সময় লোড
হয় । আর এন্টি ভাইরাসগুলোর বেশীর ভাগ ভার্সনই বুট সেক্টর স্ক্যান করে কম্পিউটার চালু
হওয়ার সময়। তাই কম্পিউটার চালু হতে বেশী সময় লাগে।

গ) টেম্পোরারি ফাইলের কারনেঃ আমরা যেসব সফটওয়ার ব্যবহার করি সেগুলো কাজ করার সময় টেম্পোরারি ফাইল তৈরি করে । অনেক টেম্পোরারি ফাইল পরে
অটোমেটিক ডিলিট হয় না। সে ফাইলগুলোর কারনে চালু হওয়ার সময় গতি হ্রাস করে ।

ঘ) স্টার্টআপে বেশী প্রোগ্রাম থাকার কারনেঃ কম্পিউটারে সফটওয়ার ইনস্টল করলে অনেক
সফটওয়ার স্টার্টআপে যুক্ত হয় । যার কারনে কম্পিউটার স্টার্ট হওয়ার গতি কমে যায়।

ঙ) অতিরক্ত ফন্টের কারনেঃ কম্পিউটারে বিভিন্ন সফটওয়ার ইনস্টল হওয়ার সময় ফন্ট
ইনস্টল হয়ে যায় । পরে সফটওয়ার আনইনস্টল করলে বেশীর ভাগ সফটওয়ারের ফন্ট থেকে যায় । ফলে কম্পিউটার স্টার্টআপে বেশী সময় লাগে ।

চ) কম ক্যাশমেমরির কারনেঃ ক্যাশমেমরী হচ্ছে উচ্চ গতির মেমরী, যা কম্পিউটারের প্রসেসর ও প্রধান মেমরীর মধ্যে অবস্থান করে ।পুরাতন কম্পিউটারগুলোতে ক্যাশমেমরী কম থাকে, ফলে কম্পিউটার স্টার্টআপে বেশী সময় প্রয়োজন হয় ।

ছ) ভার্চুয়াল মেমরী কম থাকার কারনেঃ ভার্চুয়াল মেমরী হচ্ছে সেকেন্ডারী মেমরীর (হার্ড ডিক্স) অংশ যা প্রধান মেমরী (র‌্যাম) হিসাবে ব্যবহৃত হয় । ভার্চুয়াল মেমরী কম সিলেক্ট থাকলে কম্পিউটার স্টার্ট আপে বেশী সময় লাগে ।
পববর্তী অংশ পড়ার জন্য এখানে ক্লিক করুন ।


কম্পিউটারের গতি কমার কারন ও গতি বৃদ্ধির কিছু কৌশল [খন্ড-২] পড়তে এখানে ক্লিক করুন ।
কম্পিউটারের গতি কমার কারন ও গতি বৃদ্ধির কিছু কৌশল [খন্ড-৩] পড়তে এখানে ক্লিক করুন ।
কম্পিউটারের গতি কমার কারন ও গতি বৃদ্ধির কিছু কৌশল [খন্ড-৪] পড়তে এখানে ক্লিক করুন ।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sobuz_ict/28844012 http://www.somewhereinblog.net/blog/sobuz_ict/28844012 2008-09-16 17:33:57
মাহে রমজান http://www.somewhereinblog.net/blog/sobuz_ict/28837616 http://www.somewhereinblog.net/blog/sobuz_ict/28837616 2008-09-02 00:14:07