ইয়াবা আসক্ত ছয় তরুণের ব্যাপারে বেরিয়ে আসছে চাঞ্চল্যকর সব তথ্য। শুধু ইয়াবা বা যৌন উত্তেজক ট্যাবলেট বিক্রি নয়, পর্নো সিডি থেকে শুরু করে ব্ল্যাকমেইলিং ছিল এদের ব্যবসা। প্রত্যেকেই অভিজাত পরিবারের সন্তান হলেও নেমেছিল নিষিদ্ধ জগতে। অনেক অভিজাত তরুণীর জীবন নষ্ট করেছে তারা। ঠেলে দিয়েছে নেশার নীল রাজ্যে। গুলশান-বনানীর এসব ধনীর দুলাল টাকা কামানোর নেশায় নিজেরাই বনে গেছে ব্যবসায়ী। জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া বিচিত্র সব তথ্যে র্যাব কর্মকর্তারাই হতবাক। এর সূত্র ধরেই র্যাব-এর গোয়েন্দা দল ইয়াবা ট্যাবলেট চোরাচালানিদের খোঁজে মাঠে নেমেছেন। ওদিকে নারী নির্যাতনের অভিযোগে ছয় তরুণের মধ্যে তমাল, আহেদ শফিক ও সালমান রহিমের নামে দায়ের করা হয়েছে মামলা। মারিয়াম মীর তৃণা নামে এক তরুণী গতকাল এ মামলা করেন। এ মামলায় পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে সাতদিনের রিমান্ড চেয়ে গতকাল আদালতে হাজির করেন। আদালত তাদের জেল হাজতে পাঠানোর আদেশ দেন। আগামী ২২শে অক্টোবর রিমান্ডের শুনানির পরবর্তী দিন ধার্য করেন। র্যাব জানায়, গ্রেপ্তারকৃত ছয় যুবকই ধনীর দুলাল। তাদের মধ্যে কেউ এ-লেভেল, ও-লেভেলের ছাত্র আবার কেউ ব্যবসা করে। এদের মধ্যে তমাল এ গ্রুপের দলনেতা। নানা ফন্দি করে সুন্দরী শিক্ষিত তরুণীদের ফাঁদে ফেলে ইয়াবা ট্যাবলেটে আসক্ত করাই ছিল তাদের কাজ। তরুণীদের নেশায় আসক্ত করেই নিয়ে যেতো নেশার জগতে। পাশাপাশি চালাতো আনন্দ ফুর্তি। তরুণীদের মাতাল বানিয়ে করতো ভোগবিলাস। এভাবে তারা কমপক্ষে শতাধিক তরুণীর জীবন নষ্ট করেছে। এ গ্র“পের আরও কিছু সদস্য আছে। এখন ওদের খোঁজে র্যাব সদর দপ্তরের একটি টিম মাঠে কাজ করছে। সূত্র জানায়, এরা প্রথমে সুন্দরী তরুণীদের টার্গেট করে তাদের সঙ্গে প্রেমের অভিনয় করতো। আর তাদের এ মিশনে ব্যবহার করা হতো বিলাসবহুল বিএমডব্লিউ আর পোরশে গাড়ি। ইয়াবা ছাড়াও তারা আসক্ত ছিল ফেনসিডিল, বিয়ারসহ অন্যান্য অত্যাধুনিক নেশাদ্রব্যে। সেক্স মিশনে ব্যবহার করতো হ্যান্ডকাফ। এছাড়াও তারা বিকৃত যৌন আনন্দের জন্য অ্যানাল অ্যারাউজার, সেক্স গিয়ার, সেক্স স্ট্রাইপ, যৌন উত্তেজক জেলি ও লিকুইডসহ নানা রকমের দামি দ্রব্য ব্যবহার করতো। ওদিকে ছবি ও নাম প্রকাশ না করার শর্তে দুই তরুণী র্যাব ও সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। এক তরুণী জানান, তিনি লন্ডন থেকে এ লেভেল সম্পন্ন করে দেশে ফেরার পর এদের সঙ্গে পরিচয় হয়। পরে তিনিও তাদের সঙ্গে নেশায় আসক্ত হন। একই নম্বর প্লেট ব্যবহার করে দু’টি বিলাসবহুল গাড়ি দিয়ে মাদক সরবরাহ করতো। গ্রেপ্তারকৃত মুশফিকুর রহমান তমালের বারিধারা ১ নম্বর রোডের ২০ নম্বর বাড়ির অফিসে চলতো ইয়াবার অবাধ কেনাবেচা। ও বাসাতেই যেতো নেশাগ্রস্ত তরুণীরা। আলতাফ আকমল কল্লোলের গুলশান ১-এর ১৩ নম্বর রোডের বাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয় একই নাম্বার প্লেটের দু’টি বিলাসবহুল গাড়ি। কল্লোলের স্বীকারোক্তিতে অপর সহযোগীদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা স্বীকার করে, এ পর্যন্ত তারা শতাধিক তরুণীর জীবন নষ্ট করেছে। গুলশান থানার সেকেন্ড অফিসার সাব-ইন্সপেক্টর রেজাউল করিম বলেন, র্যাব সদর দপ্তরের ইন্সপেক্টর মিজানুর রশীদ বাদী হয়ে একটি মামলা করেছেন। সাব-ইন্সপেক্টর আবদুর রশীদ মামলাটি তদন্ত করছেন। র্যাব কমান্ডার এ কে আজাদ বলেন, এরা সবাই অভিজাত পরিবারের সন্তান। নেশায় আসক্ত ছেলেমেয়েদের অভিভাবকরা ফোন করে তাদের অভিযান অব্যাহত রাখার দাবি জানিয়েছেন। আবার অনেকেই লজ্জায় পরিচয় প্রকাশ করেননি। গুলশান, বনানী, বারিধারার মতো অভিজাত এলাকার শিক্ষিত ছেলেমেয়েরা এ সমাজে মিশে গেছে। এসব নেশাজাতীয় দ্রব্য মিয়ানমার, থাইল্যান্ড ও ভারত থেকে সীমান্তপথ দিয়ে দেশে আসছে। র্যাব সীমান্ত এলাকায় গোয়েন্দা নজরদারি শুরু করেছে। আর গ্রেপ্তারকৃত ছয়জনের সহযোগীদের গ্রেপ্তার করতে র্যাবের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। র্যাবের এক কর্মকর্তা জানান, গ্রেপ্তারদের মধ্যে প্রধান হচ্ছে মজিবর রহমান (মরহুম)-এর ছেলে মুশফিকুর রহমান ওরফে তমাল। সে পলমল গ্রুপের মালিকের জামাই। ২০০২ সালেও একবার ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার হয়ে জেলে গিয়েছিল। পরে জামিনে বেরিয়ে আসে। আর মোহাম্মদ আকমলের ছেলে আলতাফ আকমল কল্লোল রিয়েল এস্টেট ব্যবসা করে। ঘটনার শিকার এক তরুণী র্যাবকে জানিয়েছেন, অভিজাত এলাকার স্কুল-কলেজ পড়–য়া ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে ১০ ভাগ ইয়াবা আসক্ত হয়ে পড়েছে। গ্রেপ্তারকৃতরা হলো- গুলশান-সিডব্লিউএন (৪)২ এর ৩৫ নম্বর রোডের ৪৫ নম্বর বাড়ির ফ্ল্যাট-এ/৩-এর বাসিন্দা মীর শহীদুল্লাহর ছেলে দাই খান বীর ওরফে চিকু (৩২), বারিধারার ১ নম্বর রোডের ২০ নম্বর বাড়ির মরহুম মজিবর রহমানের ছেলে মুশফিকুর রহমান ওরফে তমাল (৩৪), তেজগাঁও পশ্চিম রাজাবাজারের ১৫৩/৩ নম্বর বাড়ির তিনতলার বাসিন্দা শেখ মোহাম্মদ শফিকের ছেলে শেখ আহেদ শফিক (৩৩), বনানীর ৭ নম্বর রোডের এফ-ব্লকের ১৯ নম্বর বাড়ির বাসিন্দা জাহিদুর রহিম জোয়ার্দারের ছেলে সালমান রহিম জোয়ার্দার (২৮), গুলশান ১-এর ১৩ নম্বর রোডের ৭ নম্বর বাড়ির বাসিন্দা মোহাম্মদ আকমলের ছেলে আলতাফ আকমল কল্লোল (৩৩) এবং গুলশান ২-এর ১০৪ নম্বর রোডের ৬ (বি-৪) বাড়ির বাসিন্দা সাইফুল ইসলামের ছেলে মাহমুদ আল জুবেরী ওরফে শ্যানন (১৯)। তাদের কাছ থেকে ঢাকা মেট্রো-ভ-১১-১১৩০ একই নাম্বার প্লেটের একটি বিএমডব্লিউ-৩২৫১ এম-২০০৬ সাদা রঙের কার ও একটি পোরশে গাড়ি, ১৭টি ইয়াবা ও নেশাজাতীয় ট্যাবলেট, পাঁচটি মোবাইল ফোন, পাঁচ বোতল ফেনসিডিল, দুই বোতল বিয়ার, ২৪টি পর্নোসিডি, বিকৃত যৌন আনন্দের সেক্স হ্যান্ডকাফ, অ্যানাল অ্যারাউজার, সেক্স গিয়ার, সেক্স স্ট্রাইপ ফর ফিমেল, যৌন উত্তেজনা বর্ধক জেলি ও লিকুইড, পর্নো সারভেইল্যান্স বইসহ বিভিন্ন দ্রব্যাদি উদ্ধার করা হয়।
স্টাফ রিপোর্টার : ইয়াবা আসক্ত ছয় তরুণের ব্যাপারে বেরিয়ে আসছে চাঞ্চল্যকর সব তথ্য। শুধু ইয়াবা বা যৌন উত্তেজক ট্যাবলেট বিক্রি নয়, পর্নো সিডি থেকে শুরু করে ব্ল্যাকমেইলিং ছিল এদের ব্যবসা। প্রত্যেকেই অভিজাত পরিবারের সন্তান হলেও নেমেছিল নিষিদ্ধ জগতে। অনেক অভিজাত তরুণীর জীবন নষ্ট করেছে তারা। ঠেলে দিয়েছে নেশার নীল রাজ্যে। গুলশান-বনানীর এসব ধনীর দুলাল টাকা কামানোর নেশায় নিজেরাই বনে গেছে ব্যবসায়ী। জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া বিচিত্র সব তথ্যে র্যাব কর্মকর্তারাই হতবাক। এর সূত্র ধরেই র্যাব-এর গোয়েন্দা দল ইয়াবা ট্যাবলেট চোরাচালানিদের খোঁজে মাঠে নেমেছেন। ওদিকে নারী নির্যাতনের অভিযোগে ছয় তরুণের মধ্যে তমাল, আহেদ শফিক ও সালমান রহিমের নামে দায়ের করা হয়েছে মামলা। মারিয়াম মীর তৃণা নামে এক তরুণী গতকাল এ মামলা করেন। এ মামলায় পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে সাতদিনের রিমান্ড চেয়ে গতকাল আদালতে হাজির করেন। আদালত তাদের জেল হাজতে পাঠানোর আদেশ দেন। আগামী ২২শে অক্টোবর রিমান্ডের শুনানির পরবর্তী দিন ধার্য করেন। র্যাব জানায়, গ্রেপ্তারকৃত ছয় যুবকই ধনীর দুলাল। তাদের মধ্যে কেউ এ-লেভেল, ও-লেভেলের ছাত্র আবার কেউ ব্যবসা করে। এদের মধ্যে তমাল এ গ্রুপের দলনেতা। নানা ফন্দি করে সুন্দরী শিক্ষিত তরুণীদের ফাঁদে ফেলে ইয়াবা ট্যাবলেটে আসক্ত করাই ছিল তাদের কাজ। তরুণীদের নেশায় আসক্ত করেই নিয়ে যেতো নেশার জগতে। পাশাপাশি চালাতো আনন্দ ফুর্তি। তরুণীদের মাতাল বানিয়ে করতো ভোগবিলাস। এভাবে তারা কমপক্ষে শতাধিক তরুণীর জীবন নষ্ট করেছে। এ গ্র“পের আরও কিছু সদস্য আছে। এখন ওদের খোঁজে র্যাব সদর দপ্তরের একটি টিম মাঠে কাজ করছে। সূত্র জানায়, এরা প্রথমে সুন্দরী তরুণীদের টার্গেট করে তাদের সঙ্গে প্রেমের অভিনয় করতো। আর তাদের এ মিশনে ব্যবহার করা হতো বিলাসবহুল বিএমডব্লিউ আর পোরশে গাড়ি। ইয়াবা ছাড়াও তারা আসক্ত ছিল ফেনসিডিল, বিয়ারসহ অন্যান্য অত্যাধুনিক নেশাদ্রব্যে। সেক্স মিশনে ব্যবহার করতো হ্যান্ডকাফ। এছাড়াও তারা বিকৃত যৌন আনন্দের জন্য অ্যানাল অ্যারাউজার, সেক্স গিয়ার, সেক্স স্ট্রাইপ, যৌন উত্তেজক জেলি ও লিকুইডসহ নানা রকমের দামি দ্রব্য ব্যবহার করতো। ওদিকে ছবি ও নাম প্রকাশ না করার শর্তে দুই তরুণী র্যাব ও সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। এক তরুণী জানান, তিনি লন্ডন থেকে এ লেভেল সম্পন্ন করে দেশে ফেরার পর এদের সঙ্গে পরিচয় হয়। পরে তিনিও তাদের সঙ্গে নেশায় আসক্ত হন। একই নম্বর প্লেট ব্যবহার করে দু’টি বিলাসবহুল গাড়ি দিয়ে মাদক সরবরাহ করতো। গ্রেপ্তারকৃত মুশফিকুর রহমান তমালের বারিধারা ১ নম্বর রোডের ২০ নম্বর বাড়ির অফিসে চলতো ইয়াবার অবাধ কেনাবেচা। ও বাসাতেই যেতো নেশাগ্রস্ত তরুণীরা। আলতাফ আকমল কল্লোলের গুলশান ১-এর ১৩ নম্বর রোডের বাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয় একই নাম্বার প্লেটের দু’টি বিলাসবহুল গাড়ি। কল্লোলের স্বীকারোক্তিতে অপর সহযোগীদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা স্বীকার করে, এ পর্যন্ত তারা শতাধিক তরুণীর জীবন নষ্ট করেছে। গুলশান থানার সেকেন্ড অফিসার সাব-ইন্সপেক্টর রেজাউল করিম বলেন, র্যাব সদর দপ্তরের ইন্সপেক্টর মিজানুর রশীদ বাদী হয়ে একটি মামলা করেছেন। সাব-ইন্সপেক্টর আবদুর রশীদ মামলাটি তদন্ত করছেন। র্যাব কমান্ডার এ কে আজাদ বলেন, এরা সবাই অভিজাত পরিবারের সন্তান। নেশায় আসক্ত ছেলেমেয়েদের অভিভাবকরা ফোন করে তাদের অভিযান অব্যাহত রাখার দাবি জানিয়েছেন। আবার অনেকেই লজ্জায় পরিচয় প্রকাশ করেননি। গুলশান, বনানী, বারিধারার মতো অভিজাত এলাকার শিক্ষিত ছেলেমেয়েরা এ সমাজে মিশে গেছে। এসব নেশাজাতীয় দ্রব্য মিয়ানমার, থাইল্যান্ড ও ভারত থেকে সীমান্তপথ দিয়ে দেশে আসছে। র্যাব সীমান্ত এলাকায় গোয়েন্দা নজরদারি শুরু করেছে। আর গ্রেপ্তারকৃত ছয়জনের সহযোগীদের গ্রেপ্তার করতে র্যাবের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। র্যাবের এক কর্মকর্তা জানান, গ্রেপ্তারদের মধ্যে প্রধান হচ্ছে মজিবর রহমান (মরহুম)-এর ছেলে মুশফিকুর রহমান ওরফে তমাল। সে পলমল গ্রুপের মালিকের জামাই। ২০০২ সালেও একবার ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার হয়ে জেলে গিয়েছিল। পরে জামিনে বেরিয়ে আসে। আর মোহাম্মদ আকমলের ছেলে আলতাফ আকমল কল্লোল রিয়েল এস্টেট ব্যবসা করে। ঘটনার শিকার এক তরুণী র্যাবকে জানিয়েছেন, অভিজাত এলাকার স্কুল-কলেজ পড়–য়া ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে ১০ ভাগ ইয়াবা আসক্ত হয়ে পড়েছে। গ্রেপ্তারকৃতরা হলো- গুলশান-সিডব্লিউএন (৪)২ এর ৩৫ নম্বর রোডের ৪৫ নম্বর বাড়ির ফ্ল্যাট-এ/৩-এর বাসিন্দা মীর শহীদুল্লাহর ছেলে দাই খান বীর ওরফে চিকু (৩২), বারিধারার ১ নম্বর রোডের ২০ নম্বর বাড়ির মরহুম মজিবর রহমানের ছেলে মুশফিকুর রহমান ওরফে তমাল (৩৪), তেজগাঁও পশ্চিম রাজাবাজারের ১৫৩/৩ নম্বর বাড়ির তিনতলার বাসিন্দা শেখ মোহাম্মদ শফিকের ছেলে শেখ আহেদ শফিক (৩৩), বনানীর ৭ নম্বর রোডের এফ-ব্লকের ১৯ নম্বর বাড়ির বাসিন্দা জাহিদুর রহিম জোয়ার্দারের ছেলে সালমান রহিম জোয়ার্দার (২৮), গুলশান ১-এর ১৩ নম্বর রোডের ৭ নম্বর বাড়ির বাসিন্দা মোহাম্মদ আকমলের ছেলে আলতাফ আকমল কল্লোল (৩৩) এবং গুলশান ২-এর ১০৪ নম্বর রোডের ৬ (বি-৪) বাড়ির বাসিন্দা সাইফুল ইসলামের ছেলে মাহমুদ আল জুবেরী ওরফে শ্যানন (১৯)। তাদের কাছ থেকে ঢাকা মেট্রো-ভ-১১-১১৩০ একই নাম্বার প্লেটের একটি বিএমডব্লিউ-৩২৫১ এম-২০০৬ সাদা রঙের কার ও একটি পোরশে গাড়ি, ১৭টি ইয়াবা ও নেশাজাতীয় ট্যাবলেট, পাঁচটি মোবাইল ফোন, পাঁচ বোতল ফেনসিডিল, দুই বোতল বিয়ার, ২৪টি পর্নোসিডি, বিকৃত যৌন আনন্দের সেক্স হ্যান্ডকাফ, অ্যানাল অ্যারাউজার, সেক্স গিয়ার, সেক্স স্ট্রাইপ ফর ফিমেল, যৌন উত্তেজনা বর্ধক জেলি ও লিকুইড, পর্নো সারভেইল্যান্স বইসহ বিভিন্ন দ্রব্যাদি উদ্ধার করা হয়।
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে অক্টোবর, ২০০৭ সকাল ১১:১৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



