somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... ক্রেডিট কার্ড -ম্যানেজ করা খুবই হার্ড কাজেই অনুরোধে ঢেকি গেলার মত আমি কার্ড গিলি। ক্রেডিট কার্ড। মানিব্যাগে এখন কার্ডের সংখ্যা অনেক। সবগুলি কার্ডের মোট লিমিট মনে পড়লে ভিরমী খেতে হয় মাঝে মাঝে। উরিব্বাস!!আমার পকেটে এতগুলি টাকা??
যাইহোক, পকেটে কার্ড থাকলে খরচ করবোনা এমন সংযমী আমি নই। আমার সংযম খুবই কম, এবং আমি কার্ড এর উপর ভর করে যখন তখন যেকোনো দোকানে, হোটেলে, শপিং মলে ঢুকে যাই। ভেবে নেই ব্যাপার না কার্ড তো আছে।
তারপর?অনুরোধে গেলা ঢেকি বেঁজে যায় গলায়। হয়ে ওঠে গলার কাঁটা। শুরু হয় মিনিমাম পেমেন্ট দেয়া। মিনিমাম পেমেন্ট এমন এক ধান্দা যে মিনিমাম পেমেন্ট দিয়ে লোন শুধতে সারাজীবন লেগে যাবে। একদিন দেরী হলেই ফোন আসতে থাকবে ব্যাংক থেকে। যদিও যত দেরী ওদের তত লাভ। সমানে লেট ফি, ইন্সুরেন্স ফি, হ্যান ফি, ত্যান ফি, আরো কত কি?
সুতারং, সাধু সাবধান। বন্ধুরা আমার, ক্রেডিট কার্ড ইউজ করবেন ভেবে চিন্তে। নইলে চিন্তাও করতে পারবেন না কি অবস্হা হবে। উপরের লেখাটা লিখেছি আমার এক কলিগের বাস্তব অবস্হা দেখে এবং শুনে। তাই কার্ড এক্সিকিউটিভ দেখলেই ভয় লাগে কারণ ক্রেডিট কার্ড ম্যানেজ করা খুবই হার্ড।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sohanantashablog/28810560 http://www.somewhereinblog.net/blog/sohanantashablog/28810560 2008-06-17 15:31:35
আব্বুকে মনে পড়ে আজকে সম্ভবত "বাবা দিবস"। পৃথিবীর সব বাবারা ভাল থাকুক। পৃথিবীর বাইরে অন্য কোন জগতে যেসব বাবারা আছেন, আমার আব্বুর সাথে, তারাও ভাল থাকুক। আব্বু কি কখনো হারিয়ে যায়?দেখিনা তো কি হয়েছে ?আমার প্রতিটি মুহূতে' আমার আব্বু আমার সাথে থাকে। আব্বুকে বাবা দিবসের শুভেচ্ছা। "আব্বু তুমি পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ বাবা"। তোমাকে খুব মনে পড়ে।খুব..খুব...

(শিরোণামটি হুমায়ূন আজাদের বই এর নাম থেকে নেয়া/চুরি করা। তিনিও তো একজন বাবা। আমি জানি তিনি রাগ করবেন না বা করতেন না আমার এই চুরিতে।)]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sohanantashablog/28809705 http://www.somewhereinblog.net/blog/sohanantashablog/28809705 2008-06-15 09:59:40
ব্লগ বন্ধুদের সাহায্য দরকার- Marketing Research Project এর জন্য আমি নীচে একটা প্রশ্ন দিচ্ছি। আপনারা যদি দয়া করে মন্তব্যের ঘরে আপনাদের উত্তর বা মন্তব্য দেন তাহলে আমার খুবই উপকার হবে। ধন্যবাদ।

Question: What are the factors (things) you consider while choosing a mobile operator?

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sohanantashablog/28788678 http://www.somewhereinblog.net/blog/sohanantashablog/28788678 2008-04-17 14:08:20
ভালবাসি যারে... আমার ভালবাসাকে কিকরে বুঝাই তাঁরে আমি কত ভালবাসি?কিকরে বুঝাই আমার কষ্ট। আমি এত চাই আমার ভালবাসার মত হতে কিন্তু হয়তো পারিনা। হয়না আমার ভালবাসাকে ভাল রাখা। আমি পারিনা আমার ভালবাসাকে ভাল রাখতে, আমি তাঁকে হাসাতে পারিনা, কাঁদাতে পারি, অথচ কাঁদাতে পারলে হাসাতেও পারা উচিৎ আমার। কিন্তু আমি যে পাগল এক মানুষ। আমাকে ভালবেসে, আমার কাছে কষ্ট পেয়ে কাঁদে আমার ভালবাসা। আমি কিছুই করতে পারিনা শুধু কষ্ট পাওয়া ছাঁড়া। ভালবাসার কান্না দেখে আমি কাঁদি, আমি কেঁদে যাই শুধু।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sohanantashablog/28755695 http://www.somewhereinblog.net/blog/sohanantashablog/28755695 2008-01-01 14:44:39
আমাদের প্রত্ন সম্পদ ফ্রান্সের যাদুঘরে দেখানোর দরকার কি???? কিন্তু কেন? কার ইশারায়?কার নিদে'শে? আগে কি কখনো এমন করা হয়েছে? আমি এর মধ্যে কেমন যেন ষড়যন্ত্রের গন্ধ পাচ্ছি!!যা হচ্ছে ঠিক হচ্ছেনা। প্রতিবাদ জানাচ্ছি। ]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/sohanantashablog/28753508 http://www.somewhereinblog.net/blog/sohanantashablog/28753508 2007-12-24 11:15:12 জিম মরিসন... ]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/sohanantashablog/28752340 http://www.somewhereinblog.net/blog/sohanantashablog/28752340 2007-12-18 17:40:55 কতদিন দেখিনা.. আজো যেকোন বিপদে, যেকোন ঝামেলায় আব্বুর কথা প্রথমে মনে পড়ে। মুহুতে' বুঝতে পারি আব্বু তো আর নাই।
খুব দেখতে ইচ্ছে করছে আব্বু কে দেখতে, একটু কথা বলতে, একটু আব্বুর গা ঘেঁষে বসে থাকতে, বকা শুনতে..আহারে কতদিন দেখিনা..অবাক লাগে, কোনদিন আর দেখবোও না...]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sohanantashablog/28749290 http://www.somewhereinblog.net/blog/sohanantashablog/28749290 2007-12-04 11:45:03
ওকে দাও ফিরিয়ে দাও..ওর সোনালী গিটার আর গিটারের ঝংকার(গানের কথায় ভুল থাকলে ক্ষমা চাই) জেরিন আজ নেই। চলে গেছে অনেকদিন হলো। ওর প্রিয় শিল্পী সন্জীব ও চলে গেলেন। জেরিন অনেক ভাল গান গাইত। আমাদের আড্ডায় জেরিন এর গান না হলে জমত না। আচ্ছা জেরিনের সাথে কি ওপারে সন্জীব এর সাথে দেখা হবে?জেরিন কি ওর প্রিয় শিল্পির কাছে ওর প্রিয় গানটা শুনতে চাবে?সন্জীব গান শুনালে তখন কি জেরিন এর কান্না ঝড়বে? সুমির কথা মনে করেই কাঁদবে জেরিন?সুমীকে সেদিন দেখলাম একটি চ্যানেলে খবর পড়ছে। ভালই তো আছে সে!!!কি দরকার ছিল ওর জেরিনের সাথে জড়ানোর। জেরিন কে শেষ করে দেয়ার কে জানে???
সন্জীবের গানের কথায় বলতে ইচ্ছে করে সৃষ্টি কতা'কে "-ওকে দাও ফিরিয়ে দাও, ওর সোনালি গিটার আর গিটারের ঝংকার"দাওনা ফিরিয়ে জেরিন কে..দাওনা ফিরিয়ে সন্জীব কে। ...]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sohanantashablog/28746300 http://www.somewhereinblog.net/blog/sohanantashablog/28746300 2007-11-19 09:30:27
মুক্তিযোদ্ধারা কি ভুল করেছিল?
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sohanantashablog/28740886 http://www.somewhereinblog.net/blog/sohanantashablog/28740886 2007-10-29 09:27:35
একাত্তরের কান্না
আমি টিভি অনুষ্ঠানটি দেখিনি। আজকের যুগান্তরে পড়লাম বিস্তারিত। হান্নান সাহেব বলেছেন-‘৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ মূলত একটি গৃহযুদ্ধ। পশ্চিম পাকিস্তান ও পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক শক্তির লড়াইয়ের রেশ ধরেই এ গৃহযুদ্ধ সংঘটিত হয়েছে।

এনসাইক্লোপেডিয়া ও তৎকালীন বিদেশী পত্র-পত্রিকায়ও বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকে গৃহযুদ্ধ বলে অভিহিত করা হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘যুদ্ধে রাজাকার এবং মুক্তিযোদ্ধা উভয় পক্ষই নিহত হয়েছে। যার সংখ্যা কোন অবস্থাতেই ৩০ লাখ নয়। শেখ মুজিবুর রহমান একবার নিহতের সংখ্যা ১০ লাখ বলেছেন। পরে আবার ৩০ লাখ বলেছেন। প্রকৃত সত্য কোনটি তা উদঘাটনে স্বাধীনতার পর কোন সরকারই উদ্যোগ নেয়নি। এছাড়া বিচারপতি হামদুর রহমান কমিশনের রিপোর্টে বলা হয়েছে, নিহতের সংখ্যা ২৬ হাজার অথবা তার চেয়ে আরও কিছু কম।’

মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে গণহত্যার বিষয়টিও অস্বীকার করে টকশো’তে শাহ আবদুল হান্নান আরও বলেন, ‘৭১ সালের লড়াইটা ছিল জাতিগত এবং রাজনৈতিক শক্তিগুলোর মধ্যে। বাঙালি ও বিহারিরা পরস্পরের বিরুদ্ধে লড়াই করেছেন। পাশাপাশি ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে যুদ্ধ হয়েছে। এ যুদ্ধে রাজাকার ও তাদের সহযোগীরা নিহত হয়েছে। মুক্তিযোদ্ধারাও নিহত হয়েছেন। তাই এটাকে গণহত্যা বলা যাবে না। জাতিসংঘও এটাকে গণহত্যা বলেনি।’

স্বাধীনতা বিরোধী এসব লোক কত বড় বড় অবস্হানে চলে গেল, আর আমার বীর পংগু মুক্তিযোদ্ধারা মিরপুর এ মানবেতর জীবনযাপন করে। একটা মুক্তিযোদ্ধা সাটি'ফিকেটের জন্য মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রনালয়ের পিয়নের বকা শুনে আর নীরবে চোখের পানি ফেলে।

এরপরও কি এদের বিচার হবেনা?মুক্তিযুদ্ধ কে সরাসরি অপমান করার পরও কি আমরা সবাই চুপ থাকবো?ত্রিশ লাখ শহীদের আত্মা কিন্তু আমাদের কানের কাছে কেঁদে যাচ্ছে। আপনারা কি কেউ শুনতে পাচ্ছেননা সেই কান্না?

আমরা কি এসব অসভ্য লোকদের বিচার চাবোনা? নাকি আবার সেই ৩০ লাখ শহীদ কেই ফিরে আসতে হবে?
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sohanantashablog/28740877 http://www.somewhereinblog.net/blog/sohanantashablog/28740877 2007-10-29 09:05:08
মুক্তিযুদ্ধের ৯ নং সেক্টর কমান্ডার মেজর জলিল http://www.somewhereinblog.net/blog/sohanantashablog/28738588 http://www.somewhereinblog.net/blog/sohanantashablog/28738588 2007-10-20 13:27:19 কি ভয়ংকর !!!
ইয়াবা আসক্ত ছয় তরুণের ব্যাপারে বেরিয়ে আসছে চাঞ্চল্যকর সব তথ্য। শুধু ইয়াবা বা যৌন উত্তেজক ট্যাবলেট বিক্রি নয়, পর্নো সিডি থেকে শুরু করে ব্ল্যাকমেইলিং ছিল এদের ব্যবসা। প্রত্যেকেই অভিজাত পরিবারের সন্তান হলেও নেমেছিল নিষিদ্ধ জগতে। অনেক অভিজাত তরুণীর জীবন নষ্ট করেছে তারা। ঠেলে দিয়েছে নেশার নীল রাজ্যে। গুলশান-বনানীর এসব ধনীর দুলাল টাকা কামানোর নেশায় নিজেরাই বনে গেছে ব্যবসায়ী। জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া বিচিত্র সব তথ্যে র‌্যাব কর্মকর্তারাই হতবাক। এর সূত্র ধরেই র‌্যাব-এর গোয়েন্দা দল ইয়াবা ট্যাবলেট চোরাচালানিদের খোঁজে মাঠে নেমেছেন। ওদিকে নারী নির্যাতনের অভিযোগে ছয় তরুণের মধ্যে তমাল, আহেদ শফিক ও সালমান রহিমের নামে দায়ের করা হয়েছে মামলা। মারিয়াম মীর তৃণা নামে এক তরুণী গতকাল এ মামলা করেন। এ মামলায় পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে সাতদিনের রিমান্ড চেয়ে গতকাল আদালতে হাজির করেন। আদালত তাদের জেল হাজতে পাঠানোর আদেশ দেন। আগামী ২২শে অক্টোবর রিমান্ডের শুনানির পরবর্তী দিন ধার্য করেন। র‌্যাব জানায়, গ্রেপ্তারকৃত ছয় যুবকই ধনীর দুলাল। তাদের মধ্যে কেউ এ-লেভেল, ও-লেভেলের ছাত্র আবার কেউ ব্যবসা করে। এদের মধ্যে তমাল এ গ্রুপের দলনেতা। নানা ফন্দি করে সুন্দরী শিক্ষিত তরুণীদের ফাঁদে ফেলে ইয়াবা ট্যাবলেটে আসক্ত করাই ছিল তাদের কাজ। তরুণীদের নেশায় আসক্ত করেই নিয়ে যেতো নেশার জগতে। পাশাপাশি চালাতো আনন্দ ফুর্তি। তরুণীদের মাতাল বানিয়ে করতো ভোগবিলাস। এভাবে তারা কমপক্ষে শতাধিক তরুণীর জীবন নষ্ট করেছে। এ গ্র“পের আরও কিছু সদস্য আছে। এখন ওদের খোঁজে র‌্যাব সদর দপ্তরের একটি টিম মাঠে কাজ করছে। সূত্র জানায়, এরা প্রথমে সুন্দরী তরুণীদের টার্গেট করে তাদের সঙ্গে প্রেমের অভিনয় করতো। আর তাদের এ মিশনে ব্যবহার করা হতো বিলাসবহুল বিএমডব্লিউ আর পোরশে গাড়ি। ইয়াবা ছাড়াও তারা আসক্ত ছিল ফেনসিডিল, বিয়ারসহ অন্যান্য অত্যাধুনিক নেশাদ্রব্যে। সেক্স মিশনে ব্যবহার করতো হ্যান্ডকাফ। এছাড়াও তারা বিকৃত যৌন আনন্দের জন্য অ্যানাল অ্যারাউজার, সেক্স গিয়ার, সেক্স স্ট্রাইপ, যৌন উত্তেজক জেলি ও লিকুইডসহ নানা রকমের দামি দ্রব্য ব্যবহার করতো। ওদিকে ছবি ও নাম প্রকাশ না করার শর্তে দুই তরুণী র‌্যাব ও সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। এক তরুণী জানান, তিনি লন্ডন থেকে এ লেভেল সম্পন্ন করে দেশে ফেরার পর এদের সঙ্গে পরিচয় হয়। পরে তিনিও তাদের সঙ্গে নেশায় আসক্ত হন। একই নম্বর প্লেট ব্যবহার করে দু’টি বিলাসবহুল গাড়ি দিয়ে মাদক সরবরাহ করতো। গ্রেপ্তারকৃত মুশফিকুর রহমান তমালের বারিধারা ১ নম্বর রোডের ২০ নম্বর বাড়ির অফিসে চলতো ইয়াবার অবাধ কেনাবেচা। ও বাসাতেই যেতো নেশাগ্রস্ত তরুণীরা। আলতাফ আকমল কল্লোলের গুলশান ১-এর ১৩ নম্বর রোডের বাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয় একই নাম্বার প্লেটের দু’টি বিলাসবহুল গাড়ি। কল্লোলের স্বীকারোক্তিতে অপর সহযোগীদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা স্বীকার করে, এ পর্যন্ত তারা শতাধিক তরুণীর জীবন নষ্ট করেছে। গুলশান থানার সেকেন্ড অফিসার সাব-ইন্সপেক্টর রেজাউল করিম বলেন, র‌্যাব সদর দপ্তরের ইন্সপেক্টর মিজানুর রশীদ বাদী হয়ে একটি মামলা করেছেন। সাব-ইন্সপেক্টর আবদুর রশীদ মামলাটি তদন্ত করছেন। র‌্যাব কমান্ডার এ কে আজাদ বলেন, এরা সবাই অভিজাত পরিবারের সন্তান। নেশায় আসক্ত ছেলেমেয়েদের অভিভাবকরা ফোন করে তাদের অভিযান অব্যাহত রাখার দাবি জানিয়েছেন। আবার অনেকেই লজ্জায় পরিচয় প্রকাশ করেননি। গুলশান, বনানী, বারিধারার মতো অভিজাত এলাকার শিক্ষিত ছেলেমেয়েরা এ সমাজে মিশে গেছে। এসব নেশাজাতীয় দ্রব্য মিয়ানমার, থাইল্যান্ড ও ভারত থেকে সীমান্তপথ দিয়ে দেশে আসছে। র‌্যাব সীমান্ত এলাকায় গোয়েন্দা নজরদারি শুরু করেছে। আর গ্রেপ্তারকৃত ছয়জনের সহযোগীদের গ্রেপ্তার করতে র‌্যাবের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। র‌্যাবের এক কর্মকর্তা জানান, গ্রেপ্তারদের মধ্যে প্রধান হচ্ছে মজিবর রহমান (মরহুম)-এর ছেলে মুশফিকুর রহমান ওরফে তমাল। সে পলমল গ্রুপের মালিকের জামাই। ২০০২ সালেও একবার ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার হয়ে জেলে গিয়েছিল। পরে জামিনে বেরিয়ে আসে। আর মোহাম্মদ আকমলের ছেলে আলতাফ আকমল কল্লোল রিয়েল এস্টেট ব্যবসা করে। ঘটনার শিকার এক তরুণী র‌্যাবকে জানিয়েছেন, অভিজাত এলাকার স্কুল-কলেজ পড়–য়া ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে ১০ ভাগ ইয়াবা আসক্ত হয়ে পড়েছে। গ্রেপ্তারকৃতরা হলো- গুলশান-সিডব্লিউএন (৪)২ এর ৩৫ নম্বর রোডের ৪৫ নম্বর বাড়ির ফ্ল্যাট-এ/৩-এর বাসিন্দা মীর শহীদুল্লাহর ছেলে দাই খান বীর ওরফে চিকু (৩২), বারিধারার ১ নম্বর রোডের ২০ নম্বর বাড়ির মরহুম মজিবর রহমানের ছেলে মুশফিকুর রহমান ওরফে তমাল (৩৪), তেজগাঁও পশ্চিম রাজাবাজারের ১৫৩/৩ নম্বর বাড়ির তিনতলার বাসিন্দা শেখ মোহাম্মদ শফিকের ছেলে শেখ আহেদ শফিক (৩৩), বনানীর ৭ নম্বর রোডের এফ-ব্লকের ১৯ নম্বর বাড়ির বাসিন্দা জাহিদুর রহিম জোয়ার্দারের ছেলে সালমান রহিম জোয়ার্দার (২৮), গুলশান ১-এর ১৩ নম্বর রোডের ৭ নম্বর বাড়ির বাসিন্দা মোহাম্মদ আকমলের ছেলে আলতাফ আকমল কল্লোল (৩৩) এবং গুলশান ২-এর ১০৪ নম্বর রোডের ৬ (বি-৪) বাড়ির বাসিন্দা সাইফুল ইসলামের ছেলে মাহমুদ আল জুবেরী ওরফে শ্যানন (১৯)। তাদের কাছ থেকে ঢাকা মেট্রো-ভ-১১-১১৩০ একই নাম্বার প্লেটের একটি বিএমডব্লিউ-৩২৫১ এম-২০০৬ সাদা রঙের কার ও একটি পোরশে গাড়ি, ১৭টি ইয়াবা ও নেশাজাতীয় ট্যাবলেট, পাঁচটি মোবাইল ফোন, পাঁচ বোতল ফেনসিডিল, দুই বোতল বিয়ার, ২৪টি পর্নোসিডি, বিকৃত যৌন আনন্দের সেক্স হ্যান্ডকাফ, অ্যানাল অ্যারাউজার, সেক্স গিয়ার, সেক্স স্ট্রাইপ ফর ফিমেল, যৌন উত্তেজনা বর্ধক জেলি ও লিকুইড, পর্নো সারভেইল্যান্স বইসহ বিভিন্ন দ্রব্যাদি উদ্ধার করা হয়।

স্টাফ রিপোর্টার : ইয়াবা আসক্ত ছয় তরুণের ব্যাপারে বেরিয়ে আসছে চাঞ্চল্যকর সব তথ্য। শুধু ইয়াবা বা যৌন উত্তেজক ট্যাবলেট বিক্রি নয়, পর্নো সিডি থেকে শুরু করে ব্ল্যাকমেইলিং ছিল এদের ব্যবসা। প্রত্যেকেই অভিজাত পরিবারের সন্তান হলেও নেমেছিল নিষিদ্ধ জগতে। অনেক অভিজাত তরুণীর জীবন নষ্ট করেছে তারা। ঠেলে দিয়েছে নেশার নীল রাজ্যে। গুলশান-বনানীর এসব ধনীর দুলাল টাকা কামানোর নেশায় নিজেরাই বনে গেছে ব্যবসায়ী। জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া বিচিত্র সব তথ্যে র‌্যাব কর্মকর্তারাই হতবাক। এর সূত্র ধরেই র‌্যাব-এর গোয়েন্দা দল ইয়াবা ট্যাবলেট চোরাচালানিদের খোঁজে মাঠে নেমেছেন। ওদিকে নারী নির্যাতনের অভিযোগে ছয় তরুণের মধ্যে তমাল, আহেদ শফিক ও সালমান রহিমের নামে দায়ের করা হয়েছে মামলা। মারিয়াম মীর তৃণা নামে এক তরুণী গতকাল এ মামলা করেন। এ মামলায় পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে সাতদিনের রিমান্ড চেয়ে গতকাল আদালতে হাজির করেন। আদালত তাদের জেল হাজতে পাঠানোর আদেশ দেন। আগামী ২২শে অক্টোবর রিমান্ডের শুনানির পরবর্তী দিন ধার্য করেন। র‌্যাব জানায়, গ্রেপ্তারকৃত ছয় যুবকই ধনীর দুলাল। তাদের মধ্যে কেউ এ-লেভেল, ও-লেভেলের ছাত্র আবার কেউ ব্যবসা করে। এদের মধ্যে তমাল এ গ্রুপের দলনেতা। নানা ফন্দি করে সুন্দরী শিক্ষিত তরুণীদের ফাঁদে ফেলে ইয়াবা ট্যাবলেটে আসক্ত করাই ছিল তাদের কাজ। তরুণীদের নেশায় আসক্ত করেই নিয়ে যেতো নেশার জগতে। পাশাপাশি চালাতো আনন্দ ফুর্তি। তরুণীদের মাতাল বানিয়ে করতো ভোগবিলাস। এভাবে তারা কমপক্ষে শতাধিক তরুণীর জীবন নষ্ট করেছে। এ গ্র“পের আরও কিছু সদস্য আছে। এখন ওদের খোঁজে র‌্যাব সদর দপ্তরের একটি টিম মাঠে কাজ করছে। সূত্র জানায়, এরা প্রথমে সুন্দরী তরুণীদের টার্গেট করে তাদের সঙ্গে প্রেমের অভিনয় করতো। আর তাদের এ মিশনে ব্যবহার করা হতো বিলাসবহুল বিএমডব্লিউ আর পোরশে গাড়ি। ইয়াবা ছাড়াও তারা আসক্ত ছিল ফেনসিডিল, বিয়ারসহ অন্যান্য অত্যাধুনিক নেশাদ্রব্যে। সেক্স মিশনে ব্যবহার করতো হ্যান্ডকাফ। এছাড়াও তারা বিকৃত যৌন আনন্দের জন্য অ্যানাল অ্যারাউজার, সেক্স গিয়ার, সেক্স স্ট্রাইপ, যৌন উত্তেজক জেলি ও লিকুইডসহ নানা রকমের দামি দ্রব্য ব্যবহার করতো। ওদিকে ছবি ও নাম প্রকাশ না করার শর্তে দুই তরুণী র‌্যাব ও সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। এক তরুণী জানান, তিনি লন্ডন থেকে এ লেভেল সম্পন্ন করে দেশে ফেরার পর এদের সঙ্গে পরিচয় হয়। পরে তিনিও তাদের সঙ্গে নেশায় আসক্ত হন। একই নম্বর প্লেট ব্যবহার করে দু’টি বিলাসবহুল গাড়ি দিয়ে মাদক সরবরাহ করতো। গ্রেপ্তারকৃত মুশফিকুর রহমান তমালের বারিধারা ১ নম্বর রোডের ২০ নম্বর বাড়ির অফিসে চলতো ইয়াবার অবাধ কেনাবেচা। ও বাসাতেই যেতো নেশাগ্রস্ত তরুণীরা। আলতাফ আকমল কল্লোলের গুলশান ১-এর ১৩ নম্বর রোডের বাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয় একই নাম্বার প্লেটের দু’টি বিলাসবহুল গাড়ি। কল্লোলের স্বীকারোক্তিতে অপর সহযোগীদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা স্বীকার করে, এ পর্যন্ত তারা শতাধিক তরুণীর জীবন নষ্ট করেছে। গুলশান থানার সেকেন্ড অফিসার সাব-ইন্সপেক্টর রেজাউল করিম বলেন, র‌্যাব সদর দপ্তরের ইন্সপেক্টর মিজানুর রশীদ বাদী হয়ে একটি মামলা করেছেন। সাব-ইন্সপেক্টর আবদুর রশীদ মামলাটি তদন্ত করছেন। র‌্যাব কমান্ডার এ কে আজাদ বলেন, এরা সবাই অভিজাত পরিবারের সন্তান। নেশায় আসক্ত ছেলেমেয়েদের অভিভাবকরা ফোন করে তাদের অভিযান অব্যাহত রাখার দাবি জানিয়েছেন। আবার অনেকেই লজ্জায় পরিচয় প্রকাশ করেননি। গুলশান, বনানী, বারিধারার মতো অভিজাত এলাকার শিক্ষিত ছেলেমেয়েরা এ সমাজে মিশে গেছে। এসব নেশাজাতীয় দ্রব্য মিয়ানমার, থাইল্যান্ড ও ভারত থেকে সীমান্তপথ দিয়ে দেশে আসছে। র‌্যাব সীমান্ত এলাকায় গোয়েন্দা নজরদারি শুরু করেছে। আর গ্রেপ্তারকৃত ছয়জনের সহযোগীদের গ্রেপ্তার করতে র‌্যাবের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। র‌্যাবের এক কর্মকর্তা জানান, গ্রেপ্তারদের মধ্যে প্রধান হচ্ছে মজিবর রহমান (মরহুম)-এর ছেলে মুশফিকুর রহমান ওরফে তমাল। সে পলমল গ্রুপের মালিকের জামাই। ২০০২ সালেও একবার ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার হয়ে জেলে গিয়েছিল। পরে জামিনে বেরিয়ে আসে। আর মোহাম্মদ আকমলের ছেলে আলতাফ আকমল কল্লোল রিয়েল এস্টেট ব্যবসা করে। ঘটনার শিকার এক তরুণী র‌্যাবকে জানিয়েছেন, অভিজাত এলাকার স্কুল-কলেজ পড়–য়া ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে ১০ ভাগ ইয়াবা আসক্ত হয়ে পড়েছে। গ্রেপ্তারকৃতরা হলো- গুলশান-সিডব্লিউএন (৪)২ এর ৩৫ নম্বর রোডের ৪৫ নম্বর বাড়ির ফ্ল্যাট-এ/৩-এর বাসিন্দা মীর শহীদুল্লাহর ছেলে দাই খান বীর ওরফে চিকু (৩২), বারিধারার ১ নম্বর রোডের ২০ নম্বর বাড়ির মরহুম মজিবর রহমানের ছেলে মুশফিকুর রহমান ওরফে তমাল (৩৪), তেজগাঁও পশ্চিম রাজাবাজারের ১৫৩/৩ নম্বর বাড়ির তিনতলার বাসিন্দা শেখ মোহাম্মদ শফিকের ছেলে শেখ আহেদ শফিক (৩৩), বনানীর ৭ নম্বর রোডের এফ-ব্লকের ১৯ নম্বর বাড়ির বাসিন্দা জাহিদুর রহিম জোয়ার্দারের ছেলে সালমান রহিম জোয়ার্দার (২৮), গুলশান ১-এর ১৩ নম্বর রোডের ৭ নম্বর বাড়ির বাসিন্দা মোহাম্মদ আকমলের ছেলে আলতাফ আকমল কল্লোল (৩৩) এবং গুলশান ২-এর ১০৪ নম্বর রোডের ৬ (বি-৪) বাড়ির বাসিন্দা সাইফুল ইসলামের ছেলে মাহমুদ আল জুবেরী ওরফে শ্যানন (১৯)। তাদের কাছ থেকে ঢাকা মেট্রো-ভ-১১-১১৩০ একই নাম্বার প্লেটের একটি বিএমডব্লিউ-৩২৫১ এম-২০০৬ সাদা রঙের কার ও একটি পোরশে গাড়ি, ১৭টি ইয়াবা ও নেশাজাতীয় ট্যাবলেট, পাঁচটি মোবাইল ফোন, পাঁচ বোতল ফেনসিডিল, দুই বোতল বিয়ার, ২৪টি পর্নোসিডি, বিকৃত যৌন আনন্দের সেক্স হ্যান্ডকাফ, অ্যানাল অ্যারাউজার, সেক্স গিয়ার, সেক্স স্ট্রাইপ ফর ফিমেল, যৌন উত্তেজনা বর্ধক জেলি ও লিকুইড, পর্নো সারভেইল্যান্স বইসহ বিভিন্ন দ্রব্যাদি উদ্ধার করা হয়।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sohanantashablog/28738569 http://www.somewhereinblog.net/blog/sohanantashablog/28738569 2007-10-20 11:03:05
ঢাকায় শুরু হচ্ছে উন্নয়নের জোয়ার!!!!!!!!!!!! ২। স্বচ্ছ পানির লেক হিরাঝিল।
৩।টানেল যা যুক্ত করবে জাহাংগীর গেট কে রোকেয়া স্মরণীর সাথে।
৪।এলিভেটেড এক্সপ্রেস ওয়ে।
উপরের পদক্ষেপ গুলি নিতে যাচ্ছে বত'মান সরকার ঢাকার আধুনিকায়ন এর জন্য।
ঢাকা শহর জুঁড়ে হবে ৫২ কিলোমিটার ট্রেন লাইণ। ১.৪ কি.মি. পরপর ষ্টেশন থাকবে। ভাড়া হবে ৫ টাকা থেকে সবো'চ্চ ২৫ টাকা।নিয়মিত যাত্রীরা নিতে পারবে স্মাট' কাড' যেগুলো রিচাজ' করতে পারবে ফ্লেক্সিলোডের মাধ্যমে।জাপানের একটি কোম্পানী নিজ খরচে প্রকল্পটি করবে আর নিমা'ণের ৩০ বছর পর সরকার কে বুঝিয়ে দেবে। ১ নম্বর রুট হবে গাবতলী থেকে সায়েদাবাদ। ২ নম্বর রুট হবে টংগী ব্রিজ থেকে মহাখালী।৩য় রুট টি হবে পল্লবী থেকে সংসদ ভবন। ৪ নম্বর রুট হবে শ্যামলী থেকে শাহবাগ পয'ন্ত। ৫ নম্বর হবে সায়েদাবাদ থেকে বাংলা মটর। ৬ নম্বর হবে গুলশান থেকে সদরঘাট। প্রতি রুটেই ১.৪ কি.মি. পরপর বিভিন্ন স্টেশনে থামবে ট্রেন।

হিরাঝিল আর বেগুনবাড়ী লেককে ৫ কি.মি. দীঘ' স্বচ্ছ পানির লেক। যেখানে থাকবে নগরবাসীর জন্য বিনোদনের ব্যাবস্হা।

রইলাম সুন্দর ঢাকা নগরীর আশায়। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sohanantashablog/28738157 http://www.somewhereinblog.net/blog/sohanantashablog/28738157 2007-10-18 11:23:25
তোমার জন্য....(ব্যাক্তিগত প্রলাপ) রেডিও ফুতি'তে গান চলছে অন্জনের :তুমি না থাকলে সকালটা এত মিষ্টি হতোনা।সতি্য যে দারুণ বাতাস, যেরকম মেঘলা দিন, এমন দিনে তুমি না থাকলে সকালটা কেন, দুপুর, রাত্রি কিছুই মিষ্টি হতোনা সন্দেহ নেই। অবশ্য মেঘলা আর রোদেলা কোন কিছুতেই কিছু আসে যায়না। তুমি থাকলেই তো হল। তুমি থাকলে সব সুন্দর।
আশা করি কেউ লেখাটা পড়বেনা। পড়লে খুব বিরক্ত হবে নিশ্চিত। বেশী বেশী ব্যাক্তিগত হয়ে যাচ্ছে, কিন্তু কিইবা করার আছে আমার?তোমাকে তো অনেক কিছুই বলতে পারিনা। আমার গম্ভীর মুখে গাড়ি চালানো দেখে তুমি হয়তো ভেবেছো আমার মোটেই ভাল লাগছেনা। কিন্তু ঠিক তা না। ড্রাইভার আরো কয়েকদিন ছুটিতে থাকলেও আমার খারাপ লাগতো না। আমার আরো ভাল লাগতো। নিজের কথা গুলি বলতে পারিনা তোমকে ঠিকমত। কখনো যদি, কোনদিন যদি পড় তুমি আমার লেখা গুলি কেমন লাগবে তোমার?আমার খুব জানতে ইচ্ছে হয়। আমি নিজে থেকে কখনোই দেখাতে পারবোনা আমার লেখাগুলি। হয়তো কোনদিন তুমি পেয়ে যাবে লেখাটা।আমি হয়তো তখন থাকতেও পারি, থাকতে নাও পারি, অনিশ্চিত পৃথিবীতে কিছুই বলা যায়না। হয়তো সেদিন আমি তোমার প্রিয় কোন মানুষ থেকে অপ্রিয় কোন অমানুষ হয়ে যাবো। কত কিছুই তো ঘটে পৃথিবীতে।লেখাটা পড়লেই বুঝতে পারবে তখন হয়তো। হয়তো না।হয়তো লেখাটা পড়ে আনন্দে কেঁদে ফেলবে, হয়তো ঘৃনায় মুখ ফিরিয়ে নেবে। কে জানে?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sohanantashablog/28738145 http://www.somewhereinblog.net/blog/sohanantashablog/28738145 2007-10-18 10:02:24
ভালবাসা আমার কত কিছুই না করো তুমি, ভালবাসা আমার,
সবই করো আমার জন্য,
সূয' যেমন আলো দেয়-প্রিথিবিকে, চাঁদকে, সবাইকে
বিনিময়ে চায়না কিছুই,
প্রিথিবির, চাঁদের তাঁও ক্রিতগ্গতা আছে
সূয'কে কেন্দ্র করে তাঁর চারপাশে ঘোঁড়ে,
তোমার জন্য যা আমি, আমরা করতে পারিনা।
ভালবাসা আমার, বধূ আমার
প্রতি মূহুতে' গোপনে বলে যাই
ভালবাসি অনেক তোমাকে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sohanantashablog/28737940 http://www.somewhereinblog.net/blog/sohanantashablog/28737940 2007-10-17 12:34:15
এবারের ঈদে আমার শোনা গান "নিয়ন আলোয় স্বাগতম" এলবামটি ও খুব ভাল হয়েছে। যদিও সবার ভাল লাগেনি এলবামটা। আসলে মিক্সড্ এলবামের সবগান ভাল হয়না সাধারণত। তবে এই এলবামের বেশীরভাগ গানই ভাল। মেঘদলের গানটা খুব ভাল। শিরোনামহীন এর গান ভাল হয়েছে। আরো বেশকিছু ভাল গান আছে।
জেমস এর তুফান এলবামটা আমাকে হতাশ করেছে। আরো ভালো কিছু আশা করেছিলাম জেমস এর কাছে। সেই কিশোর বয়স থেকে জেমস এর ভক্ত আমি, তাঁই তার কাছে আমার আশা টাও বোধহয় একটু বেশী। যাইহোক একেবারে খারাপ লাগবেনা জেমস ভক্তদের।
হাবীবের পান্জাবীওয়ালা শুনে মনে হয়েছে ভালো ও লাগে নাই খারাপ ও লাগেনাই।শুনলেও ক্ষতি নাই, না শুনলেও ক্ষতি নাই টাইপের এলবাম
দলছুটের জোছনা বিহার এলবামটা আমার বেশ ভালো লেগেছে। দলছুটের গানে সবসময় ভিন্ন একটা আমেজ পাওয়া যায়, যা ভাল লাগে।
বালাম এর গানগুলি ভাল হয়েছে। বালাম আগে রক আর হাড'রক গান করতো মনে হয়। এবার বেশ মেলোডিয়াস একটা এলবাম করেছে সে। তাঁর গায়কী ভাল, শুনতে ভাল লাগে, আর গানগুলি ভাল হয়েছে।
স্টইক ব্লিস-কি বলবো তাঁদের সম্পকে'? অনেকে বলেছে একদমই ভালো না। তারপরও শুনলাম। আমার খুব একটা খারাপ লাগে নাই। তবে সিডিটা আবার মনে হয়না ধরা হবে।যদি কেউ কখনো বাঁজায়, বা রেডিও টুডে বা রেডিও ফুতি' তে যদি বাঁজায় আমি রেডিও বন্ধ করে দেবোনা।
উপরে যা লিখলাম সবই আমার নিজস্ব রুচী অনুযায়ী। আমার সাথে পাঠক একমত হবেন কোন কথা নাই। সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে বাংলাদেশে গান নিয়ে অনেক কাজ হচ্ছে এবং প্রতিভাবান অনেক শিল্পী উঠে আসছে।বাংলাদেশের মিউজিক এর সাফল্য কামনা করছি।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sohanantashablog/28737763 http://www.somewhereinblog.net/blog/sohanantashablog/28737763 2007-10-16 12:17:21
ধুত্তোরি!!!ছুটি শেষ এত্ত তাড়াতাড়ি!!!! সকালে যখন এলাম' টা বাজল মনে হইলো যে দোযখে যাওয়ার জন্য কেউ ডাক দিছে।
মাথা গরম হয়া আছে।বা...]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sohanantashablog/28737743 http://www.somewhereinblog.net/blog/sohanantashablog/28737743 2007-10-16 09:48:31
মিরাকলস অব কুরআন-১
২। দুনিয়া শব্দটি এসেছে ১১৫ বার, আখিরাত শব্দটি এসেছে ১১৫ বার।

৩। ফেরেশতা শব্দটি এসেছে ৮৮ বার, শয়তান শব্দটি এসেছে ৮৮ বার।

৪। জীবন-১৪৫ বার, মৃতু্য-১৪৫ বার।

৫। কষ্ট-১১৪ বার, ধৈয'-১১৪ বার।

৬। দিন শব্দটি এসেছে ৩৬৫ বার।

৭। মাস শব্দটি এসেছে ১২ বার।

৮। সমুদ্র এসেছে ৩২ বার আর ভূমি এসেছে ১২ বার। এখন একটি সহজ হিসেব করি চলুন:
৩২ আর ১২ যোগ করলে হয় ৪৫
৩২/৪৫*১০০%=৭১.১১১১১১১১%
১২/৪৫*১০০%=২৮.৮৮৮৮৮৮৮৮%

আমরা জানি যে উপরের এই পরিমাণ ই হচ্ছে সমুদ্র আর ভূমির অনুপাত।

এরকম আরো অনেক আশ্চয' জিনিস আছে কোরআন শরীফে যা প্রমাণ করে যে কোরআন কোন মানুষের সৃষ্টি নয় বরং আল্লাহ্তাআলার বাণী।

আল্লাহ সবাইকে হেদায়েত করুক, রহমত করুক। আমীন।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sohanantashablog/28736204 http://www.somewhereinblog.net/blog/sohanantashablog/28736204 2007-10-08 12:13:25
বন্ধুরা আমার.. তোগো মনে আছে জুনুন এর কনসাট' দেখতে সেকেন্ডইয়ার ফাইনালের আগের রাতে সব আমি' স্টেডিয়ামে গেছিলাম?আরে কতো সহজে তখন কতকিছু করতে পারতাম, আর এখন এক পা দিতে হইলে কত চিন্তা করতে হয়!!!মেডিকেল কলেজ অডিটোরিয়াম এ জেমস এর কনসাট' এর কথা মনে আছে? ঐদিন রেজার আইবিএর রেজাল্ট দিলো। রেজাল্ট এর আগে সবতে মিলা গেলাম কনসাট' এ।ওহ কি যে দারুণ সময়।
মাঝে মাঝে সিলেট আর কুয়াকাটা টুরের ছবি গুলি দেখি, আহারে বার বার ফিরে যেতে চায় মন সেইসব দিনে।
ঐ মনে আছে গরীব চত্বরে আড্ডা দেয়ার সময় কফি হাউজের ঐ আড্ডাটা আজ আর নেই গানটার পেরোডী করলাম সবাই মিলে, কত হাসাহাসি তাইনা? কিন্তু দেখ আজকে সবাই ঠিকই অনেক দূরে চলে গেছি।
এমি আপুদের ফেয়ারওয়েল এর দিন টিএসসি তে যখন কফি হাউজের ঐ আড্ডাটা গানটা আমরা করলাম, সেদিনের কথা মনে আছে? গানটা শেষ করার পর মনজুর স্যার আর ফকরুল স্যার যে প্রশংসা করলেন মনে আছে?মনজুর স্যার বলছিলেন যে "আমাদের ইংলিশ ডিপাট'মেন্ট টাও একটা কফি হাউজ আর তোমরা কেউ নিখিলেশ, কেউ মইদুল, কেউ সুজাতা, কেউ রমা রায়, কেউ ডি সুজা, কেউ অমল। আর আমরা টিচাররা হলাম কফি হাউজের ওয়েটার"।সেদিন খুব হেসেছিলাম, এখন বুঝতে পারছি কত সত্য কথা বলেছিলেন স্যার সেদিন।
লিখতে ইচ্ছা করছে অনেক অনেক কিছু, কিন্তু এখন আর সমুয় নাই, মিটিং আছে একটা।যেতে হবে। মেইল করিস শালারা। ফোন করিস। সাজ্জাদের বিয়ে আসছে, খুব মজা করুম চিন্তা করতেছি। রেজা আইতে পারবি বইলা মনে হয়না।মামু সিডনী আর ঢাকা খুব বেশী দূরত্ব না। আয়া পড়। ভাল থাকিস সবাই।
(ইমেইলটা বন্ধুদের লিখলাম। সবার সাথে একটু শেয়ার করলাম সেই সুন্দর দিনগুলির স্ম্রিতি।)



_uacct = "UA-2747538-1";
urchinTracker();
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sohanantashablog/28735221 http://www.somewhereinblog.net/blog/sohanantashablog/28735221 2007-10-03 10:03:40
অলস আমি, ব্যাথ' আমি। যাই হোক রবিঠাকুর এর একটা গানের কথা পড়লাম এই মাএ গীতবিতান থেকে, গানটা পড়ে মনটা ভাল হইছে। গানটা শুনলে মনে হয় আরো ভালো হইতো। গানটা দিলাম আপনাদের জন্য:
আছে দু:খ, আছে মৃতু্য, বিরহদহন লাগে।
তবুও শান্তি, তবু আনন্দ, তবু অনন্ত জাগে।
তবু প্রাণ নিত্যধারা, হাসে সূয' চন্দর তারা,
বসন্ত নিকুন্জে আসে বিচিএ রাগে। ।
তরংগ মিলায়ে যায়, তরংগ উঠে
কুসুম ঝরিয়া পড়ে, কুসুম ফুটে।
নাহি ক্ষয়, নাহি শেষ, নাহি নাহি দৈন্য লেশ-
সেই পূণ'তার পায়ে মন স্হান মাগে। ।

জোশ কথা গানটার। কারো মন খারাপ হলে গানটা শুনতে পারেন। ভাল লাগবে। আর সবাই আমারে একটু গালাগালি করেন, কারণ গালাগালি খেয়ে কান গরম না হলে আমার আর এমবিএ হওয়া হবেনা মনে হয়। এম এ ইন ইংলিশ লিটারেচার হয়েই থাকতে হবে যেটা আমি বেশী পছন্দ করি।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sohanantashablog/28735067 http://www.somewhereinblog.net/blog/sohanantashablog/28735067 2007-10-02 15:13:41
মাওলানা আবুল কালাম আজাদ ওরফে বাচ্চু রাজাকার কে ধিক্কার আর নিজের কাছে নিজে ক্ষমা প্রাথ'না আমি অবাক হয়ে দেখলাম কিভাবে একটা কুখ্যাত ঘৃনিত রাজাকার ভোল পাল্টে একজন আলেম হয়ে উঠেছে আর টিভিতে বিভিন্ন মানুষকে উপদেশ দিচ্ছে। আমি মাঝে মাঝে ঐ লোকের প্রোগ্রাম দেখতাম এবং আমার কাছে ভাল লাগত ওঁর কথা বাতা'। ঘুনাক্ষরেও চিন্তা করিনি যে এই লোক এত শয়তান একটা লোক। অসভ্য এক ধষ'নকারী টিভিতে এখন মা-বোনের পদা'র কথা বলে!!!কত বড় শয়তান, নষ্ট লোক।
আমি ক্ষমা প্রাথ'না করছি আমার নিজের বিবেকের কাছে কারণ আমি এই রাজাকারের বাচ্চার অনুষ্ঠান দেখেছি, ভালো লেগেছিল আমার ওঁর অনুষ্ঠান।
ঘৃনা জানাই ঐ রাজাকারের প্রতি, সকল রাজাকারের মুখে মারি একদলা থুথু। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sohanantashablog/28734629 http://www.somewhereinblog.net/blog/sohanantashablog/28734629 2007-09-30 15:24:52
আবোলতাবোল অদ্ভূতুড়ে সব চলছে
ভন্ড মানুষ গুলিও যখন
ভালো কথা বলছে।

চোরের সংগী চোর না হয়ে
সেজেছে এখন সৎ
ব্যাক্তিপুজা বাদ দিয়ে
সব দিচ্ছে নাকে খত।

হায়রে আমার সোনার দেশে
এখনও সবই হয়
চোরগুলি সব সাইড হয়েছে
ডাকাতের এখন ভয়!!]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sohanantashablog/28733952 http://www.somewhereinblog.net/blog/sohanantashablog/28733952 2007-09-27 14:38:24
শুভ জন্মদিন গুগল http://www.somewhereinblog.net/blog/sohanantashablog/28733892 http://www.somewhereinblog.net/blog/sohanantashablog/28733892 2007-09-27 10:45:29 The Stranger - Albert Camus
The Stranger is indeed a very strange book, to the point that it might be absurd. In fact this 1943 novel is one of the best examples of absurdist fiction. Absurdism is a philosophy rooted in Danish philosopher Søren Kierkegaard stating that the efforts of humanity (i.e. human being) to find meaning in the universe will ultimately fail (and, hence, are absurd) because no such meaning exists, at least in relation to humanity. Absurdism as a belief system was born of the Existentialist movement.

The novel opens with the funeral of Meursault’s mother. That he has settled the old Madame in a senior home three years ago has been judged by his contemporaries as unloving and uncaring. Being completely unapologetic and unreflecting, he does not express any usual emotions that a funeral usually induces. To the caretaker’s utter aphysicallyazement, he doesn’t want to view his mother one last time before the casket is sealed. All these have laid the foundation of his demise.

Then the book goes on to document the next few days of his life in a first person point-of-view. Here Camus is silently but cleverly staging his basic theory that there exists no truth to humanity. Meursault himself might not be savvy of this truth then but his actions, which are later deemed remorseless and despicable, demonstrate the gist of this school of thought: the only real things in life are what one experiences physcially, the sensory experiences. This justifies the fact that the first half of the novel is written in very simple sentences that are meant to inform, and not to analyze.

As Meursault has explained himself later, his nature is such that his physical needs often get in the way of his feelings. Tiredness can drown out natural feelings for his mother. Only physical experiences–the funeral procession, swimming at the beach, watching a comedy film, sexual intercourse with Marie–move him and make him feel constituent to his being. In these days, he helps his friend Raymond dismiss an Arab girlfriend whom Raymond suspects of infidelity. Later, the woman’s brother encounters the two on a beach and Raymond gets cut in the knife fight. Meursault afterwards returns to the beach and shoots one of the two Arab men. As one might have deduced and reason has dictated, the prosecutor believes the crime is premeditated, using the insensitivity and heartlessness of Meursault as an evidence to support the argument that he is incapable of remorse. That he has fired four more shots at the corpse shows that not one of the moral principles governing men’s hearts is within his reach.

But he has told no lies throughout the book. He kills the Arab because of his response to the glaring sun, which beats down upon him as he walks toward him on the beach. Not only does the testimony snap in place what he usually claims about physical needs, it also shows that the death of Arab is not particularly meaningful in itself. It’s merely something else that happens to him, except of huge consequences. It forces him to reflect upon his life and its meaning as he contemplates his impending punishment. His honestly takes a very thorough course but naive dimension during his trial. He is truthful to his atheism and refuses to pretend he has found religion, for he knows he makes his own destiny; and he, not God, is responsible for his actions and their consequences. This realization is one of happiness even though it is “in the gentle indifference of the world.”]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sohanantashablog/28733723 http://www.somewhereinblog.net/blog/sohanantashablog/28733723 2007-09-26 14:49:40
আমার হারিয়ে যাওয়া... হঠাৎ করেই সেদিন মনে পড়ল সিরাজ ভাই এর কথা। সিরাজ ভাই ছিলেন বরিশালে আমার পাড়ার এক দোকানের মালিক। আমার ছোট বেলায় সিরাজ ভাই ছিলেন যেন প্রিথিবীর সবথেকে ধনবান ব্যাক্তি। মনে হত সিরাজ ভাই এর কাছে আছে বল, শাটল কক', ছোট খেলনা, কোল্ড ড্রিংকস, মজার বিস্কিট এসবের খনি। আমার শিশু মন ব্যাবসায় বলে কোন জিনিষের অস্তিত্ব তখনো বোঝেনি। কিন্তু সিরাজ ভাই এর কথা সেদিন মনে পড়ে যখন গেল তখন প্রথমে আমি সেই ছোটবেলার আবেগ অনুভব করেছিলাম। হঠাৎ করেই মনে হয়েছিলো অনেক বড়লোক সিরাজ ভাই এর কথা যদিও তিনি সেটা নন।

আমার হারিয়ে যাওয়া বন্ধুদের কথা মনে পড়ে যায় মাঝে মাঝে। খুব কাছের বন্ধু না হলেও ফয়সাল নামের একটি ছেলের কথা মনে পড়ে। একদিন ফুটবল খেলার সময় ওর সাথে মারামারি হয়েছিলো। দোষটা মনে হয় আমার ই ছিল। তাঁর কিছুদিন পর একটা দুঘ'টনায় ছেলেটা মারা যায়। হারিয়ে যায়। ক্ষমা চাওয়া আর হয়নি আমার।
এরকম যদি তালিকা করতে থাকি, সে তালিকার কোন শেষ হবেনা। কারণ প্রতিদিন, প্রতিক্ষণ কাউকে না কাউকে, কিছু না কিছু হারাচ্ছি শুধু। একদিন আমিও হারিয়ে যাবো কারো জীবন থেকে, কেউ হয়তো আমাকে ভাববে, হ্য়তো না।

(শিরোনামটি অণ'ব এর একটি গান থেকে ধার নেয়া)]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sohanantashablog/28733436 http://www.somewhereinblog.net/blog/sohanantashablog/28733436 2007-09-25 10:50:04
এবার সাপ্তাহিক ২০০০ আজকে জানলাম সাপ্তাহিক ২০০০ এর ঈদ সংখ্যাটিকে নাকি বাজেয়াপ্ত করেছে সরকার। আর এই বাজেয়াপ্ত করার কারণ হচ্ছে প্রবাসী কবি এবং লেখক দাউদ হায়দারের একটি লেখা। (আমি এখনো দাউদ হায়দারের লেখাটি পড়তে পারিনি)।
দাউদ হায়দার নাকি তাঁর আত্নজীবনীমূলক একটি লেখায় পবিত্র কাবা ঘরকে বাঈজীঘরের সাথে তুলনা করেছেন। (নাউজুবিল্লাহ)।
কেউ কি পড়েছেন লেখাটা। কারো কাছে আছে?থাকলে কি পাওয়া যাবে?
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sohanantashablog/28733029 http://www.somewhereinblog.net/blog/sohanantashablog/28733029 2007-09-23 14:42:24
ব্যান্ড লিরিক এর কথা যদি বলতে হয় তবে আমি বলতে বাধ্য যে সতি্যই আমাদের এসব নতুন ব্যান্ড এর লিরিকস খুবই সাধারণ। তাঁদের মিউজিক কম্পোজিশান, বাজানো, অনেক ভাল হলেও লিরিকস নিয়ে তাঁদের দৈনতা ফুঁটে উঠেছে। আমাদের নতুন প্রজন্মের কিছু ব্যান্ড বা অন্যান্য সলো কিছু গায়কের লিরিকস শুনলে আসলেই কষ্ট লাগে।
তবে একথাও বলতে হবে মেঘদল, শিরোনামহীন, আধার, এসব ব্যন্ডের লিরিকস খুবই সমদ্ধ। বোঝাই যায় এই লিরিকস গুলির শ্রষ্টাদের পড়াশুনার পরিধি বেশ ভালো।অনেকেই বলেছেন আমাকে যে ভাল লিরিকস লিখতে হলে কি খুব পড়াশুনার দরকার আছে? আমি অবাক হই এই প্রশ্নটা শুনে, কারণ বেশি পড়ার কোন বিকল্প নাই।
ব্ল্যাক, আট'সেল এসব ব্যান্ডের ও লিরিকস বেশ ভালো।ব্ল্যাক এর একটি গান "অনেক অনেক মৃতু্যর পর.."। আমার অসাধারণ লেগেছে গানটির কথা। মেঘদলের এবং শিরোনামহীন এর কিছু গানের কথা শুনে আমি অবাক হই, এত ম্যাচুরিটি এদের!!!!
যাইহোক, আমি মনে করি বাংলাদেশের ব্যান্ড সংগীত অনেক এগিয়েছে। এরকম অল্প বয়সী ছেলেরা কি সুন্দর নিজেরা নিজেরা একটা গান বানিয়ে ফেলছে, বাজাচ্ছে তো অসাধারণ। এই কথাটা আমি বলতে চাই যে যেমন গান গাক ইনস্ট্রুমেন্ট বাজানোতে প্রায় সবাই দক্ষ। অসাধারণ বাজায় সবাই। লিরিকস এর দুব'লতা কাঁটিয়ে উঠতে পারলেই ব্যান্ডগুলি আরো আরো ভাল করবে। শুভ কামনা ওদের জন্য।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sohanantashablog/28731718 http://www.somewhereinblog.net/blog/sohanantashablog/28731718 2007-09-17 09:57:55
শিরোনামহীন-২ তবে আজকে খুবই ভিন্ন এক অভিগ্গতা হল। আমি যখন গুলশান থেকে মতিঝিল আসছিলাম তখন মহাখালীর জ্যাম এড়ানোর জন্য বেগুনবাড়ী নামের একটা ছোট রাস্তায় ঢুকেছিলাম। ঢুকে দেখলাম প্রচন্ড জ্যাম গলির মধ্যে।মনটাই বিষিয়ে উঠল। হঠাৎ করে রাস্তার পাশের একটা গতে' পড়ল আমার গাড়ী। কোন ভাবেই আর উঠেনা। এদিকে আমার গাড়ির জন্য প্রচন্ড জ্যাম এর সৃষ্টি হয়ে গেল ঐ যায়গায়।কেউ কেউ গালি ও দিলো শুনলাম। এসি ফুল এ দিয়েও দেখি আমি ঘামছি। অনেক ভাবে চেষ্টা করতে লাগলাম কিন্তু কিছুতেই কিছু হয়না। এর মধ্যে হঠাৎ করে নিম্নবিত্ত কিছু মানুষ আমার গাড়ীর কাছে এলো আর অনেক কষ্ট করে আমার গাড়ীর চাঁকা তুলে দিল। গাড়ীর চাঁকা জোরে ঘোরার কারণে কাঁদা পানিতে ভিঁজে গেল ওঁরা। কিন্তু সরে গেলনা। আমার গাড়ী ওঠার পর আমি গাড়ী একপাশে রেখে ওদের ডাকলাম। কিছু টাকা বের করে দিতে গেলাম কিন্তু ওরা রাজী হলো না। ভাবলাম হয়তো কম হয়ে গেছে, আরো কিছু টাকা নিয়ে দিলাম, কিন্তু ওরা হাঁসিমুখে আমাকে ফিরিয়ে দিল, বলল-স্যার টাকা লাগবেনা।আমি জোর করে তবুও কিছু টাকা দিয়ে এসেছি ওদের হাতে। কি অদ্ভূত!!!!সব মানুষ তাহলে অনুভূতি শুন্য হয়ে যায়নি, তাইনা???]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/sohanantashablog/28730948 http://www.somewhereinblog.net/blog/sohanantashablog/28730948 2007-09-13 14:26:20 শিরোনামহীন চাঁদের আলো বেশ আলোকিত করে রেখেছে নদীটাকে। অদ্ভূত সুন্দর লাগছে নদীর পানিতে চাঁদের আলো।বাতাসে একটু শীত শীত ভাব। বেশ ভাল লাগছে দূরে অন্ধকারের দিকে তাঁকিয়ে থাকতে।
বরিশাল গিয়েছিলাম। ফিরছিলাম ঢাকার দিকে। প্রচন্ড ক্লান্ত শরীরটা। বরিশাল যাওয়ার কারণটা আমার এক কাজিনের ম্রিতু্য। হঠাৎ করে একজন মানুষ মারা গেল, আমি সহ আত্নীয়রা ছুঁটলাম বরিশালে।বরিশালে ছিলাম কুল্লে ৭ ঘন্টা। ঢাকা থেকে সকাল ৭ টায় রওনা দিয়ে বরিশাল পৌঁছেছি ১২টার দিকে। সারাদিন জানাজা, কবর দেয়া সব করে ৭:৩০ এ আবার লন্চে কারণ পরেরদিন অফিস করতে হবে।শোক এর আয়ু যে বড় কম। যে যাওয়ার সে তো চলে গেছেই, শুধু শুধু একটা দিনের ছুটি নষ্ট করে লাভ কি!!!!
ইদানীং বরিশাল যাওয়া হয় শুধু কেউ মারা গেলেই। গত ৫ বছরে যতবার বরিশাল গিয়েছি, প্রতিবারই ঐ একই কারণ।এমন কিছু রিলেটিভস আছে যাদের সাথে এখন শুধু দেখা হয় কেউ মারা গেলে। "আরে তুমি উমুকের ছেলেনা?কত বড় হয়ে গেছ!!তুমুক যেবার মারা গেল তখন তো অনেক ছোট দেখেছি!!!"এরকম কথোপকথন খুব শোনা যায় ইদানীং মরাবাড়িতে।
কাজিনদের সাথে অনেকদিন পর দেখা। একটু কান্নাকাটির পর দেখলাম ছোট ছোট গ্রুপে গল্প চলছে। খুব শব্দ করে না হলেও হাসিও শুনলাম বেশ কয়েক বার।
লন্চ জানি' আমি বরাবরই খুব উপভোগ করি, এবারও করলাম । খুব ভাল লাগল ডেকে বসে বউকে ফোন করলাম যখন। ওকে সতি্য খুব মিস করছিলাম।এরপর কেবিনে ঢুকে আবার টিভি ছাঁড়লাম। হিন্দী ছবিটা পুরোটাই দেখলাম। খুব ভাল না লাগলেও কয়েক যায়গায় হাসলাম ও।
সারাদিন অনেক কিছুই করলাম।অনেক স্ম্রিতিচারণ করলাম অনেকের সাথে। অদ্ভূত ব্যাপার!! শুধু আমার মরে যাওয়া বোনটাকেই মনে পড়ল না একবারো।পাষাণ হয়ে গেছি কি আমি, আমরা?কেউ কাঁদলেই বলেছি কেঁদ না ওঁর আত্না কষ্ট পাবে।সতি্য কি তাঁই? নাকি কান্নার শব্দ শুনতে ভাল লাগছিলনা গল্পের ফাঁকে ফাঁকে। এমন কেন হয়ে যাচ্ছি আমরা সবাই???
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sohanantashablog/28730813 http://www.somewhereinblog.net/blog/sohanantashablog/28730813 2007-09-12 18:21:28
ব্লগের পরিবেশ-বাংলাদেশের খন্ডচিএ তবে আমার যেখানে খারাপ লাগে সেটা হল রাজনৈতিক মতদৈ্বততা ধীরে ধীরে প্রচন্ড শত্রুতার দিকে মোড় নেয় আর এই শত্রুতা সৃষ্টি করে বিভাজন যে বিভাজন ভয়ংকর। একজন আরেকজনকে দেখে মুখ ফিরিয়ে নেয়া, কুশল বিনিময় না করা-এসবের জন্য আমাদের প্রাক্তন দুই নেত্রীকে আমরা অনেক সমালোচনা করেছি। ব্লগেও দেখি কয়েকজন আছেন যারা বিশেষ রাজনৈতিক মতাদশে'র অনুসারী এবং তাঁরা দুই দলে বিভক্ত। সবচেয়ে পীড়াদায়ক ব্যাপার হছ্ছে এই দুইটি শিবির একজন আরেকজনকে কোনভাবেই সহ্য করতে পারেনা। অশ্লীল গালিগালাজ পয'ন্ত করা হয়। কি অদ্ভূত!!সংকীন' বাংলাদেশের ই একটি মিনিয়েচার যেন আমাদের এই ব্লগ।বাংলাদেশেও মুষ্টিমেয় গলাবাজদের জন্য সংখ্যাগরিষ্ঠ সাধারণ মানুষেরা কোনঠাঁসা, ব্লগেও দেখছি এই বিশেষ পরিচয়ে পরিচিত দুই দল ব্লগার এর চাঁপে সাধারণ ব্লগাররা কোনঠাঁসা।
আমার এই লেখা নিতান্তই আমার ব্যাক্তিগত অবজাভে'শন। কাউকে আঘাত করার জন্য এই লেখা নয়। আমি শুধু চাই বাংলাদেশের মানুষ ক্ষুদ্র রাজনৈতিক পরিচয়কে ছাঁপিয়ে উঠুক, হয়ে উঠুক রাজনৈতিক চেতনাধারী সত্যিকারের মানুষ, সত্য কে যারা ভয় পায়না, বাংলাদেশ কে সমৃদ্ধশালী করা এবং উন্নয়নের দিকে নিয়ে যাওয়ার ইছ্ছা হবে যাদের মূল চাঁলিকাশক্তি।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sohanantashablog/28730039 http://www.somewhereinblog.net/blog/sohanantashablog/28730039 2007-09-08 11:01:18