বিশ্বকাপের আগে জিম্বাবুয়ের সাথেই মনে হয় শেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলে ফেললাম।আমাদের কি এই ইমরুল, জুনায়েদ, রাকিবুল, মুশফিক,শফিউলের উপরেই ভরসা করতে হবে বিশ্বকাপে ভাল কিছু করার জন্য!!
শাহরিয়ার নাফিস, জহুরুল আর রুবেল কে কি একটা ম্যাচ খেলানো উচিত ছিল না? আশরাফুলকে কি নাইমের পজিশনে ট্রাই করানো যেত না? আশরাফুলকে একদমই ভাল লাগে না, যেভাবে উইকেট থ্রো করে আসে। কিন্তু ব্যাটসম্যানদের মধ্যে তামিমের পরে ওর হাতেই সবচেয়ে বেশি স্ট্রোক! হায়ার ওর্ডারে ফ্লপ মারলেও, লোয়ার অর্ডারে নাইম/মাহামুদুল্লাহর পজিশনে ওদের থেকে মনে হয় আশরাফুল বেশি কার্যকর হত!
শেষ ম্যাচে তো সিরিজ হারার ব্যাপার ছিল না, তো শাহরিয়ার নাফিস, জহুরুল আর রুবেল কে খেলানো যেত। বর্তমান উইনিং টিমকেই যদি বিশ্বকাপে খেলায়, আর তখন যদি কেউ ইনজুরিতে পড়ে তাহলে কি হবে? মাশরাফি তো ইনজুরিতে না পড়লে সবাই অবাক হবে।আমাদের এই রিজার্ভ বেন্চকেও তো ঝালাই করে নেয়া উচিত ছিল! শেষ ম্যাচে যে ব্যাটিং অর্ডারে নামাইছে সেটা কি চেনজ করা যেত না? নাইম বা শুভকে ব্যাটিং করার চান্স দেয়া উচিত ছিল, যেখানে তামিম অলরেডি উইনিং নক্ খেলে ফেলেছে।
ইমরুল, জুনায়েদ, রাকিবুল এই তিনজন টেষ্ট ব্যাটসম্যান দিয়ে আমাদের ওয়ানডে বিশ্বকাপ খেলতে হবে!! আর মুশফিক মাঝে মাঝে যে দর্শনীয় মিস করে, তাতে পাইলটের কথা খুব মনে পড়ে! আমাদের টিম পুরা স্পিন নির্ভর! এই টিম নিয়ে ভারতের সামনে দাড়ালে কি যে অবস্থা হবে ভাবা যায় না।ভারত বিশ্বে সবার চেয়ে ভাল স্পিন খেলে!
ব্যাটিং পাওয়ার প্লে কিভাবে নিতে হবে এইটা এখনও আমাদের কোচ, কাপ্তান বুঝে না! সব দলের চেয়ে মনে হয় আমাদের এই স্ট্রটেজিটা সব চেয়ে খারাপ। ৪০-৪৫ওভার পাওয়ার প্লে নেয়া উচিত বলে আমার মনে হয়। ৪৫-৫০ ওভার তো খেয়ে না খেয়ে সবাই এমনিই পিটাবে। উইকেটে ভাল ব্যাটসম্যান থাকতে থাকতে কিংবা তামিম থাকতে থাকতেই এটা নেয়া উচিত। কারন বাকিরা তো ৩০গজ পার করতে পারে না!
জিম্বাবুয়ের সাথে ১ম ম্যাচের মতন, বিশ্বকাপে ধরা খাওয়ার ভাল চান্স আছে। এক গোল্লারে কি কষ্ট কইরা টিম থেকে বাদ দিছে, আর এখন ৩টা গোল্লা যোগ হইছে। ভেবে পাইনা, ওরা নিজেদের খেলার ভিডিও দেখে লজ্জাও বোধ করে না! নিজেদের খেলা,স্ট্রাইক রেট নিয়ে ওদের নিজেদের কি মুল্যায়ন!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



