...................বউয়ের নামে টাকা পাঠাও
...........................দেশে এসে দেখতে পাও
....................................বউ বাইছে অন্য নাও
------------------------------এ নিয়ে যদি কথা কও
----------------------------------নির্যাতনের মামলা খাও
---------------------------------------রাগে যদি মরতে যাও
--------------------------------------------নায়ের চিপায় জীবন দাও
শুরু---------------------------------শেষ
১. বাপের জমানো টাকা অথবা জমি-জমা বিক্রী করেই বাংলাদেশী ভাইয়েরা প্রবাস জীবন শুরু করে থাকে।
২. প্রবাসের জীবন যাপন অনেক কষ্টের ও যন্ত্রনা দায়ক। নিজেদেরকে রান্না করে খেতে হয়। এক রুমে ১০/১২ জনকে থাকতে হয়। পরিবার থেকে বহু দুরে থাকতে হয়।
৩. প্রবাসীদেরকে কেউ (দেশ থেকে) ফোন করে না। প্রবাসীকেই ফোন করে পরিবারের খবরা খবর রাখতে হয়। বন্ধু ও আত্বীয় স্বজনরাও ফোন বা এসএমএস করে প্রবাসীর খবর নেয় না।
৪. কঠোর পরিশ্রম করে অবিবাহিত প্রবাসী যুবকটি একাকীত্ব জীবনের অবসান ঘটানোর জন্য কোন এক সময় দেশে এসে বিয়ে করার জন্য স্বপ্ন দেখতে থাকে।
৫. দুই মাসের ছুটিতে দেশে এসেই পাত্রী খুজতে খুজতেই ১ মাসের বেশী পার হয়ে যায়। কারণ প্রবাসীকে কেউ মেয়ে বিয়ে দিতে রাজী নয়। তাই যে কোন পরিবার থেকে বিয়ে করতে বাধ্য হয়।
৬. বিয়ের পর মাত্র কয়েক সপ্তাহ সুখের সংসার করার পর আবার ও কর্মস্থলে ফিরে আসতে হয়। তারপর শুরু হয় বিরহ আর বিরহ। প্রবাসীর কান্নায় আকাশ-বাতাস ভারী হয়ে উঠে।
৭. বিয়ের মেহেদীর রং না মুছতেই প্রিয়তমা বউটি একা হয়ে যায়। লুকিয়ে লুকিয়ে কাদঁতে থাকে। স্বামীর অবর্তমানে শশুর বাড়ীতে থাকতে হয়। কিছু দিন পর বউ-শাশুড়ীর দ্বন্ধ শুরু হয়ে যায়।
৮. বউ আর মায়ের দুই রকম কথা শুনে প্রবাসী সবসময় টেনশনে থাকে। অনেকেই এলোমেলো জীবন যাপন করে থাকে। বউয়ের সাথে দুরত্ব বাড়তে থাকে।
৯. বউটিও স্বামীর সাথে রাগ করে গাল ফুলিয়ে বসে থাকে। স্বামীর সাথে দুরত্ব বাড়তে থাকে। এই ভাবে চলতে চলতে.............
১০. এক সময় অশান্তির সংসার থেকে কারো হাত ধরে (স্বামীর ব্যাংক ব্যালেন্স ও স্বর্ণ-অলংকারসহ) অজানার উদ্দেশ্য পাড়ি দেয়।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



