স্বপ্নেরা থাকুক স্বপ্নের মাঝেই

গোলাম আযমের বিরূদ্ধে ডঃ আনিসুজ্জামান উত্থাপিত অভিযোগপত্র

৩০ শে অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৪:২৫

শেয়ারঃ
0 17 0

গোলাম আযমের বিরূদ্ধে ডঃ আনিসুজ্জামান উত্থাপিত অভিযোগপত্র

মাননীয় আদালত,
আমি, মরহুম ডা. এ টি এম মোয়াজ্জমের পুত্র এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক আনিসুজ্জামান, অভিযোগ উত্থাপন করছি। আমি অভিযোগ করছি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের পক্ষে; আমি অভিযোগ করছি পাকিস্তানি সৈন্যদের হাতে লাঞ্ছিত মায়েদের পক্ষে; আমি অভিযোগ করছি হানাদার বাহিনী দ্বারা ধর্ষিত বোনদের পক্ষে; আমি অভিযোগ করছি পাকিস্তান সেনাবাহিনীর দোসর আল বদর কর্তৃক নিহত বুদ্ধিজীবীদের পক্ষে; আমি অভিযোগ করছি শত্রুর হাতে প্রাণদানকারী পিতামাতার অসহায় এতিম সন্তানদের পক্ষে; আমি অভিযোগ করছি স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশের নাগরিকদের পক্ষে।
আমি অভিযোগ আনছি মরহুম মওলানা গোলাম কবিরের পুত্র গোলাম আযমের বিরুদ্ধে-ইনি একজন পাকিস্তানি নাগরিক, তবে বহুদিন ধরে বেআইনিভাবে বসবাস করে আসছেন ঢাকার রমনা থানার মগবাজার এলাকার ১১৯ নম্বর কাজী অফিস লেনে।
ইনি সেই গোলাম আযম-যিনি ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর প্রতিটি অন্যায়, বেআইনি, অমানবিক ও নিষ্ঠুর কাজ প্রকাশ্যে সমর্থন করেছিলেন; যিনি মুক্তিযোদ্ধাদের দেশদ্রোহী বলে আখ্যা দিয়ে তাদেরকে সমূলে ধ্বংস করার আহ্বান জানিয়েছিলেন; যিনি আল বদর বাহিনী গড়ে তুলে দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তানদের নির্মমভাবে হত্যা করার প্ররোচনা দিয়েছিলেন। গোলাম আযমের প্ররোচনায় শহীদ বুদ্ধিজীবীদের মধ্যে আছেন আমার শিক্ষক মুনীর চৌধুরী, মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরী, সন্তোষকুমার ভট্টাচার্য ও সিরাজুদ্দীন হোসেন, আমার অগ্রজপ্রতিম শহীদুল্লা কায়সার, আমার বন্ধু গিয়াসউদ্দিন আহমদ, আমার সহকর্মী আবুল খায়ের, আনোয়ার পাশা, রাশীদুল হাসান ও মোহাম্মদ মোর্তজা, আমার ছাত্র আ ন ম গোলাম মোস্তফা ও সৈয়দ নজমুল হক-যাঁদের মৃত্যুতে আমি ক্ষতিগ্রস্ত, শোকাহত ও ব্যথাতুর।
গোলাম আযমের বিরুদ্ধে আমার বিশেষ অভিযোগঃ তিনি সর্বদা বাংলাদেশের বিরুদ্ধে চক্রান্ত করেছেন এবং এখনো করছেন; বিশেষ করে, ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর থেকে ১৯৭৮ সালের ১০ জুলাই পর্যন্ত পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে সশরীরে উপস্থিত থেকে, বক্তৃতা ও আলোচনার মাধ্যমে, স্মারকলিপি ও বিবৃতির দ্বারা, মুদ্রিত ও প্রকাশিত প্রচারপত্র ও প্রবন্ধের মধ্য দিয়ে এবং সাংগঠনিক উদ্যোগ গ্রহণ করে নিজে এবং অপরের দ্বারা গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ রাষ্ট্রকে দুর্বল ও সহায়হীন, বিচ্ছিন্ন ও বিনষ্ট করার ষড়যন্ত্র করেছেন। বাংলাদেশের একজন নাগরিক হিসেবে এতে আমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি।
আমার অভিযোগের সমর্থনে গোলাম আযমের কিছু কার্যকলাপের পরিচয় এখানে তুলে ধরছি।
[১] ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর বাংলাদেশ শত্রুমুক্ত হলে গোলাম আযম পাকিস্তানে বসে মাহমুদ আলী ও খাজা খয়েরউদ্দীনের মতো দেশদ্রোহীর সঙ্গে মিলিত হয়ে পূর্ব পাকিস্তান পুনরুদ্ধার কমিটি নামে একটি সংগঠনের সূচনা করেন এবং বিভিন্ন দেশে পূর্ব পাকিস্তান পুনঃপ্রতিষ্ঠার আন্দোলন গড়ে তোলার আয়োজন করেন। তিনি এই উদ্দেশ্যে দীর্ঘকাল পূর্ব পাকিস্তান জামায়াতে ইসলামীর আমির বলে নিজের পরিচয় দিতেন।
[২] ১৯৭২ সালে গোলাম আযম লন্ডনে ‘পূর্ব পাকিস্তান পুনরুদ্ধার কমিটি’ গঠন করেন এবং বাংলাদেশ রাষ্ট্র উচ্ছেদ করে আবার এই ভূখণ্ডকে পাকিস্তানের অংশে পরিণত করার ষড়যন্ত্র করেন। ১৯৭৩-এ ম্যানচেস্টারে অনুষ্ঠিত ফেডারেশন অফ স্টুডেন্‌টস ইসলামিক সোসাইটিজের বার্ষিক সম্মেলনে এবং লেসটারে অনুষ্ঠিত ইউ কে ইসলামিক কমিশনের বার্ষিক সভায় তিনি বাংলাদেশবিরোধী বক্তৃতা দেন। ১৯৭৪-এ মাহমুদ আলীসহ কয়েকজন পাকিস্তানিকে নিয়ে তিনি পূর্ব লন্ডনে পূর্ব পাকিস্তান পুনরুদ্ধার কমিটির এক বৈঠক করেন। বাংলাদেশকে পাকিস্তানে পরিণত করার প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে দেখে এই সভায় স্থির হয় যে, তাঁরা এখন থেকে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান নিয়ে একটি কনফেডারেশন গঠনের আন্দোলন করবেন। এই সভায় গোলাম আযম ঝুঁকি নিয়ে হলেও বাংলাদেশে ফিরে অভ্যন্তর থেকে ‘কাজ চালানোর’ প্রয়োজনীয়তা ব্যক্ত করেন। ১৯৭৭-এ লন্ডনের হোলি ট্রিনিটি চার্চ কলেজে অনুষ্ঠিত একটি সভায় তিনি এ কথারই পুনরাবৃত্তি করেন এবং সেই উদ্দেশ্য চরিতার্থ করার জন্য পাকিস্তানি পাসপোর্ট ও বাংলাদেশি ভিসা নিয়ে ১৯৭৮ সালে বাংলাদেশে আগমন করেন।
[৩] ১৯৭২ সালের ডিসেম্বরে গোলাম আযম রিয়াদে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক ইসলামি যুব সম্মেলনে যোগদান করেন এবং পূর্ব পাকিস্তান পুনঃপ্রতিষ্ঠার সংগ্রামে সকল মুসলিম রাষ্ট্রের সাহায্য প্রার্থনা করেন। ১৯৭৩ থেকে ১৯৭৬ পর্যন্ত তিনি সাতবার সউদি বাদশাহ্‌র সঙ্গে সাক্ষাৎ করে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি না দেওয়ার আহ্বান জানান এবং কখনো তিনি বাদশাহ্‌কে বাংলাদেশে হস্তক্ষেপ করতে ও কখনো বাংলাদেশকে আর্থিক বা বৈষয়িক সাহায্য না দিতে অনুরোধ করেন। ১৯৭৪ সালে রাবেতায়ে আলমে ইসলামির উদ্যোগে মক্কায় অনুষ্ঠিত একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলনে এবং ১৯৭৭ সালে কিং আবদুল আজিজ ইউনিভার্সিটিতে অনুষ্ঠিত একটি সভায় বাংলাদেশের বিরুদ্ধে বক্তৃতা করেন।
[৪] অনুরূপভাবে গোলাম আযম ১৯৭৩ সালে বেনগাজিতে অনুষ্ঠিত ইসলামি পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সম্মেলনে আগত প্রতিনিধিদের কাছে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি না দেওয়ার জন্য লবিং করেন। একই বছরে ত্রিপলিতে অনুষ্ঠিত ইসলামি যুব সম্মেলনে তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের পক্ষে হানিকর বক্তব্য উপস্থাপন করেন।
[৫] ১৯৭৩ সালে গোলাম আযম মিশিগান স্টেট ইউনিভার্সিটিতে অনুষ্ঠিত মুসলিম স্টুডেনটস অ্যাসোসিয়েশন অফ আমেরিকা অ্যান্ড কানাডার বার্ষিক সম্মেলনে বাংলাদেশকে আবার পাকিস্তানভুক্ত করার জন্য সবাইকে কাজ করতে আহ্বান জানান।
[৬] ১৯৭৭ সালে গোলাম আযম ইসতামবুলে অনুষ্ঠিত ইসলামিক ফেডারেশন অফ স্টুডেনটস অরগানাইজেশনের আন্তর্জাতিক সম্মেলনে বাংলাদেশবিরোধী বক্তৃতা করেন।
মাননীয় আদালত,
আমি গোলাম আযমের বিরুদ্ধে বাংলাদেশবিরোধী ষড়যন্ত্রে নেতৃত্ব দেওয়ার অভিযোগ উত্থাপন করছি। ইনি সেই গোলাম আযম-যাঁকে ফেরার ঘোষণা করে বাংলাদেশ সরকার ১৯৭২ সালের ২২শে ফেব্রুয়ারির মধ্যে নিজ এলাকার মহকুমা ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির হতে নির্দেশ দেন; ১৯৭৩ সালের ১৮ই এপ্রিল এক প্রজ্ঞাপনবলে বাংলাদেশ সরকার যাঁর নাগরিকত্ব বাতিল করে দেন; যিনি পাকিস্তানি পাসপোর্ট ও তিন মাসের ভিসা নিয়ে ১৯৭৮ সালের ১১ই জুলাই বাংলাদেশে প্রবেশ করেন এবং ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পর যিনি বেআইনিভাবে এ দেশে রয়ে যান; ১৯৭৬, ১৯৭৭, ১৯৭৮, ১৯৭৯ ও ১৯৮১ সালে বাংলাদেশ সরকারের কাছে আবেদন করেও যিনি নাগরিকত্ব ফেরত পাননি; বাংলাদেশ সরকার যাঁকে ১৯৮৮ সালের ২০শে এপ্রিলের মধ্যে দেশত্যাগের নির্দেশ দিলেও যিনি বাংলাদেশে থেকে যান; যাঁর নাগরিকত্ব ফেরত দেওয়ার ইচ্ছা বাংলাদেশ সরকারের নেই বলে ১৯৮৮ সালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী একাধিকবার জাতীয় সংসদে ঘোষণা করেছেন; সেই গোলাম আযমের উপযুক্ত শাস্তি বিধানের জন্য এই গণ-আদালতের কাছে আমি সুনির্দিষ্ট অভিযোগ উত্থাপন করলাম।



সুত্র: http://www.genocidebangladesh.org

মুল পোষ্টের লিঙ্ক

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): গোলাম আজমশুয়ারশিবিরছাগল ;
প্রকাশ করা হয়েছে: উদ্ভট  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই জুলাই, ২০১০ দুপুর ১২:৩০ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ৩০ শে অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৪:২৮
কালের সাক্ষী বলেছেন: ধন্যবাদ স্বপ্ন নীল
৩০ শে অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৩

লেখক বলেছেন: স্বাগতম, ভাইয়া ।


এই গুলা দেখে যদি আমাদের ব্লগিয় ছাগুদের বিবেক জিন্দা হয়.........সেই আশায় পোষ্টানো

৩০ শে অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৭

লেখক বলেছেন: সাদরে গৃহীত হইল ।

৩. ৩০ শে অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৬
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: আজকাল বুঝি না হাতে গোনা দুয়েকটা পত্রিকায় দুই একটা আর০টিকেল ছাড়া এই সব রাজাকার দের খুব বেশী লেখা লেখি হয় না! বুঝলাম না, সব ঝিমায় কেন?
৩০ শে অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৭

লেখক বলেছেন: আমিও বুঝি না সবাই ঝিমায় কেন?

৪. ৩০ শে অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৬
তরু বলেছেন: লেখাটা শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
৩০ শে অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৪:৪১

লেখক বলেছেন: এই নিয়ে আরও অনেক লেখা আছে । চাইলে http://www.genocidebangladesh.org এই ওয়েবসাইটে ঘুরে আসতে পারন । অনেক অজানা কাহিনী জানতে পারবেন ।

৫. ৩০ শে অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৭
ইবনে সালাম বলেছেন: অভিযোগের ফল কি হয়েছিল ?
৩০ শে অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৪:৪৪

লেখক বলেছেন: অভিযোগের ফল হইলে কি আর আজও আমাদের যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাইতে হয়?


সুনির্দিষ্ট ভাবে আমার জানা নেই কেন সেই সময় গোলাম আজমের বিচায় হয়নি ।

৩০ শে অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৪:৪৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ।


একটা ছাগু মাইনাস দিয়া ভাগছে । মন্তব্য করার সাহস হয় নাই !

৭. ৩০ শে অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৪:৪১
আহমদ আবদুল হালিম বলেছেন: সব কিছুর একটা শেষ আছে ।
৩০ শে অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৪:৪৮

লেখক বলেছেন: আমরা সেই শেষের প্রতিক্ষাতেই আছি ভাইয়া ।

৮. ৩০ শে অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৪:৪৪
কালের সাক্ষী বলেছেন: এই পুষ্টেও একটা কুকুর ছানা আসিয়াছিল দেখছি।
কুকুর ছানা নিপাত যাক....
৩০ শে অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৪:৫০

লেখক বলেছেন: আসতে দেন, এরাও দেখুক তাদের নেতার কুকীর্তির নিদর্শন ।

৯. ৩০ শে অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪৫
রাগ ইমন বলেছেন: ডঃ আনিসুজ্জামানের দেওয়া তথ্য ও প্রমান গুলো সারা দেশের সমস্ত মানুষের কাছে উপস্থাপন করা দরকার । প্রচার করা দরকার । এই একটা কাজ না করায় আমরা বার বার মার খাই ।

ওরা মিথ্যা প্রোপাগান্ডা চালিয়ে বেড়ায় । সেইটাকে রুখে দেওয়ার জন্য আমরা পালটা সত্যটা প্রচার করি না ।

আমরা মনে হয় " পাওয়ার অফ প্রোপাগান্ডা" কে খুব খাটো করে দেখছি । এই ভুলের মাসুল দিতে হচ্ছে পদে পদে । আগে থেকে সত্য প্রচার করলে আজকে জামায়াত বা গোলাম আযমের এত বাড় বাড়ত না । ৫০০ কোটি টাকার ব্যবসা ফেঁদে বসতে পারতো না এই বাংলাদেশে । বাংলাদেশী মানুষের টাকা দিয়ে ব্যবসা করে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে কাজ করছে আর আমরা ঘরে বসে আশা করে আছি " সত্যের জয় হবেই" । এই আত্মঘাতী অলসতা এখনই বন্ধ হোক ।

সত্যের প্রচার করুন, যে যে ভাবে পারেন।

গোলাম আযমের এই সব কান্ড কীর্তির দলিল গুলা কি ইন্টারনেটে পাওয়া যাবে , এক জায়গায় করা?
৩০ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:০০

লেখক বলেছেন: ভাইয়া, সব কিছু কি রেডিমেড পাওয়া যায়? আমাদের কাজ হবে এসব খুজে খুজে বের করা । তারপর জনসমক্ষে প্রকাশ করা । আজকে সারাদিন গুগুল চাচাকে খাটিয়ে মেরেছি ;) । ফলাফল সামান্যই(!) ।

প্রত্যেকেরই কর্তব্য নিজ নিজ জায়গা থেকে এর প্রচার করা ।

১০. ৩০ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:৩১
বোহেমিয়ান কথকতা বলেছেন: খুব ভাল একটা পোস্ট ++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++
গা জ্বলা করে নাম শুনলেই!!
৩০ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:৩০

লেখক বলেছেন: আপনার প্লাস তো পোষ্ট ফুইড়া বাইরে চইলা যাইতাসে । ;)

গো.আ. র নাম শুনলে শুধু গা জ্বালা করে না হাতও নিশপিশ করে ।

১১. ০২ রা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:২৩
লাভলু জাফর সাদিক চৌধুরী বলেছেন: ধন্যবাদ স্বপ্ননীল।
আপনার প্রচেষ্টা ভাল লাগল।
০৭ ই নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ৮:৫৪

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ ।

০৭ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:২৫

লেখক বলেছেন: thanks.

১৩. ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ৯:৪৩
রোহান বলেছেন: চমৎকার প্রচেষ্টা... +++
০৭ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:২৭

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ ।

১৪. ১৮ ই নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৪৭
সুবিদ্ বলেছেন: এগুলোকে কেন রাষ্ট্রীয়ভাবে প্রচার করা হয়না???
১৮ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:৪৪

লেখক বলেছেন: সেইটাও একটা রহস্য ।

১৫. ১৮ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:৫৯
দুরন্ত স্বপ্নচারী বলেছেন: আনিসুজ্জামানের প্রতি এমনিতেই অশেষ শ্রদ্ধা। এই বক্তব্য তার দেশপ্রেম ও ব্যক্তিত্বের পরিচয়।
প্রিয় পোস্ট।
১৮ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:০৫

লেখক বলেছেন: ধইন্যাপাতা ।

১৯ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:১৬

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ

১৭. ২১ শে নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:৪৫
নির্ণয় বলেছেন:
বড় একটা প্লাস দিলাম। জেনোসাইডের সাইট বন্ধ কেন?
০৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৪৬

লেখক বলেছেন: বড় প্লাস এখন আমি কোথায় রাখব বলুন তো? রাখার জায়গাটাও সাথে দিলে ভাল হত না?

জেনোসাইড.অর্গ সাইট তো খোলাই আছে ।

১৮. ০৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:৪৮
হিমু ব্রাউন বলেছেন: বড় একটা প্লাস দিলাম++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++
১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:১৪

লেখক বলেছেন: একটা কই? আমি তো ছোট ছোট ৪১টা প্লাস দেখতে পাইতেছি । তয় কতা হইল এত্ত গুলান পিলাচ আমি কুতায় রাখব....? লগে একটা ঝুড়ি দিলে ভালা হইত :(



কমেন্টের লাইগ্যা ধইন্যাপাতা লন ।

০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:৪৮

লেখক বলেছেন: n সংখ্যাক স্বাগতম

২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:০৯

লেখক বলেছেন: কুপিপেষ্ট কমেন্ট ...............








 

লেখক এই পোস্টে কোন মন্তব্য গ্রহণ করবেন না

মোট সময় লেগেছে ০.৯৫৭৩ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
সুইসাইড করার আগে সব পোষ্ট ফিরিয়ে দিলাম
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ