আমার স্বামী যুবলীগ নেতা ইব্রাহিমকে এমপি শাওনই খুন করেছেন। এই খুনের ঘটনা ধামাচাপা দেয়ার জন্য শাওন টাকা ছড়াচ্ছেন। শাওন আমার বাসায় এসে আমাকেও ২৫ লাখ টাকা দেয়ার প্রস্তাব দিয়ে এই টাকা আমার মেয়ের নামে ব্যাংকে ফিক্সড ডিপোজিট করে দিতে চেয়েছেন। দীর্ঘক্ষণ আমার দু’পা জড়িয়ে ধরে রেখেছেন। কিন্তু তার প্রস্তাবে আমি রাজি হইনি। আমি আমার স্বামী হত্যার বিচার চাই। পুলিশের কাছে আমার দাবি শাওনকে গ্রেফতার করুন। রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করুন। আমার স্বামীর প্রকৃত খুনি শাওনই।
গতকাল দৈনিক আমার দেশ-এর সঙ্গে এক সাক্ষাত্কারে ইব্রাহিমের স্ত্রী যুবলীগ নেত্রী রীনা ইসলাম সেগুনবাগিচা ২৭/১১/১-এ নম্বর বাসার তৃতীয়তলায় তার স্বামীর হত্যাকাণ্ড সম্পর্কে এ বক্তব্য দেন।
রীনা ইসলাম অভিযোগ করেন, ইব্রাহিম হত্যা মামলা নিয়ে টাকার খেলা চলছে। আওয়ামী লীগের এমপি নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করতে কোটি টাকা নিয়ে মাঠে নেমেছেন। তিনি বলেন, ঘটনার দিন ১৩ আগস্ট তিনি গ্রামের বাড়ি রাজবাড়ীতে ছিলেন। স্বামী হত্যার খবর তিনি দলীয় কোনো লোকের কাছ থেকে পাননি। ৫৬ নম্বর ওয়ার্ডের বিএনপি দলীয় কমিশনার সীমা আক্তার রাত ৮টার দিকে ফোন করে ইব্রাহিম গুলিবিদ্ধ হওয়ার খবর তাকে জানান। রাতেই তিনি ঢাকায় এসে আত্মীয়স্বজন নিয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে গিয়ে স্বামীর লাশ দেখতে পান। এমপি শাওনের ক্যাডাররা তখনও হাসপাতালের আশপাশে ছিল বলে জানান রীনা। রীনা ইসলাম বলেন, শাওন যদি আমার শুভাকাঙ্ক্ষিই হতো তাহলে কেন আমাকে ফোন করলেন না? অন্য লোকজনের কাছ থেকে কেন আমি খবর পেলাম? তিনি বলেন, হত্যাকাণ্ডের পর শাওন লাশ গুম করে ঘটনা ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করেছিলেন। তিনি টাকা দিয়ে আমাদের কিনতে চেয়েছিলেন।
আমার দেশ
প্রথম আলোর আলু ছড়ানো খবর: গাড়িতে সাংসদের পিস্তল রাখার কারণ জানতে চায় পুলিশ

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


