১০ ফেব্র্য়ারী বুধবার দেশের প্রধান সব দৈনিকের প্রধান শিরোনাম রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের কর্মী খুনের ঘটনা। যুগান্তর প্রথমেই লাশের ছবি দিয়েছে।রাজশাহী থেকে বুলবুল চৌধুরীর করা ওই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে শিবির ৪ জনের রগ কেটে দিয়েছে। নতুন পত্রিকা কালের কণ্ঠ প্রথম পাতার প্রায় পুরোটা শিবির প্রসঙ্গে কাভারেজ দিয়েছে। পত্রিকাটি প্রধান শিরোনাম করেছে, আবার শিবিরের নৃশংসতা।
এর পাশেই এক কলামের একটি সংবাদের শিরোনাম ছিল, যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা সংস্থার দৃষ্টিতে শিবির সন্ত্রাসি সংগঠন।কোথাও তথ্য প্রমাণ বা পরিস্কার করে বলা হয়নি সংগঠনটি কখন কোথায় কিভাবে সন্ত্রাসি কর্মকান্ড পরিচালনা করছে। তারা বলেছে শিবির বাংলাদেশে ইসলামি শিক্ষাব্যবস্থা প্রণয়ন করার লক্ষে কাজ করে যাচ্ছে। তারা আরো উল্লেখ করেছে এটি বিশ্বের সর্ববৃহৎ ইসলামী ছাত্রসংগঠন।
সমকাল প্রধান শিরোনাম করেছে, শিবিরের বর্বরতা। তাদের প্রথম পাতায় তিনটি সংবাদ ছাড়া সবকটি ছাত্রলীগ কর্মী নিহত হওয়ার সংবাদ।
প্রথম আলো শিরোনাম করেছে, শিবিরের তান্ডবে রক্তাক্ত রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়। এর পরের দিন প্রায় সব পত্রিকা একচেটিয়া শিবিরের কর্মকান্ড নিয়ে সংবাদ ছেপেছে।
পরদিন পুলিশ গুলি করে শিবিরের এক নেতাকে হত্যা করেছে পাবনায়। অন্যদিকে চট্টগ্রামে এক শিবির কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা করে। পরদিন আমার দেশ এবং নয়া দিগন্তে খবরটি প্রধান শিরোনাম হয়। জামায়াতের মুখপাত্র সংগ্রাম ছাড়া আর কোনো পত্রিকা এ খবরটি ভালো কাভার করেনি।
কালের কণ্ঠ পাবনায় শিবির নেতা হত্যার খবরটি প্রথম ও শেষ পাতার কোথাও দেয়নি। অন্যদিকে সমকাল, ‘শাহীন হত্যায় ঢাকা পড়ল অনেক তথ্য’ শিরোনামের একটি সংবাদে লিখেছে, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগ নেতা ফারুক হত্যা মামলার আসামি হাফিজুর রহমান শাহীনের মৃত্যুতে (পুলিশ গুলি করে হত্যা করেছে উল্লেখ করেনি) আড়াল হয়ে গেল অনেক অজানা তথ্য। পত্রিকাটি হাফিজের মৃত্যুর কথা বললেও সেটা কিভাবে হয় বিষয়টি স্পষ্ট করেনি।
এদিন নয়া দিগন্তের প্রথম পাতায় ছাত্রলীগ কর্মীরা সাংবাদিক নির্যাতনের(প্রথম আলোর এক ফটো সাংবাদিককে ) একটি ছবি দিয়েছে। মজার বিষয় প্রথম আলো এ ছবিটি ভিতরের পাতায় ছাপালেও তারা উল্লেখ করেনি যে, তাদেরই ফটো সাংবাদিককে ছাত্রলীগ কর্মীরা বেধড়ক পিটাচ্ছে
চট্ট্রগ্রামে অন্য শিবির কর্মীর হত্যাকে প্রথম আলো লিখেছে, ঢাকা ও রাজশাহীর পর এবার চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন ছাত্রকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে।
প্রধান ধারার সংবাদমাধ্যমগুলোর double standard make us very confuse about truth.....
সংবাদমাধ্যমগুলো আজকাল সরাসরি রাজনৈতিক দলগুলোর মুখপাত্র হিসেবে কাজ করছে.........

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

