somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

নির্বাচনকে যেসব বিষয় প্রশ্নবিদ্ধ করেছে

৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:১০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

২৯ ডিসেম্বরের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট নিরঙ্কুশ বিজয় লাভ করার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ দীর্ঘদিনের অগণতান্ত্রিক শাসন থেকে গণতন্ত্র হত্যাকারীদের শাসনে পদার্পণ করেছে। এ নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে নানারকম হিসেব নিকেশ চলছে, চলবে। বিগত নির্বাচনগুলোর ভোটের হিসাবের সাথে এবারের নির্বাচনের ফলাফল সম্পূর্ণ অসঙ্গতিপূর্ণ হওয়াতেই এসব জল্পনা-কল্পনা। অন্যদিকে মাঠপর্যায়ের জরিপগুলোর সাথেও তেমন কোনো মিল নেই এ ফলাফলের। যদিও আপাত দৃষ্টিতে নির্বাচন সুষ্ঠূ হয়েছে এবং বিভিন্ন নির্বাচন পর্যবক্ষকদল তার সার্টিফিকেটও দিয়েছেন, তা সত্ত্বেও এবারের নির্বাচনে এমন কিছু অসঙ্গতি ধরা পড়েছে যা এধরনের একপেশে ফলাফলকে সন্দেহবিদ্ধ করার জন্যে যথেষ্ট।
১/১১ এর পটপরিবর্তনের মধ্য দিয়ে সুশীল-সামরিক জোট সরকারের মতা গ্রহণের পরপরই সেই সরকারের আওয়ামী প্রীতি জনগণের দৃষ্টিগোচর হতে থাকে। দুর্নীতির নামে বিএনপির নেতাকর্মীদের ঢালাও গ্রেফতারের মাধ্যমে এই পক্ষপাতিত্বের সূত্রপাত। আওয়ামী আমলে দুর্নীতির হার কয়েকগুণ বেশি হওয়া সত্ত্বেও আশ্চর্যজনকভাবে আওয়ামী নেতাকর্মীদের ধরপাকড় তুলনামূলক কম করা হয়। ৭ নভেম্বরের জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের ছুটিকে বাতিল করা এবং ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস ঘোষণা করায় সরকারের একতরফা আচরণের প্রকাশ ঘটে। এছাড়াও বিএনপির সংস্কারপন্থী বিদ্রোহী নেতাদের প্রতি সরকার তথা সিইসির পক্ষপাতমূলক আচরণ বিএনপি ভাঙনে সরকারের দুরভিসন্ধির বহিঃপ্রকাশ ছাড়া আর কিছু ছিল না। নানা অনিশ্চয়তার মধ্য দিয়ে এগিয়ে যেতে থাকে তথাকথিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার। দেশের রাজনীতি নিয়ন্ত্রণ করতে কখনো মাইনাস টু ফর্মুলা কখনো চাপানো সংস্কার আবার কখনোবা জাতীয় ঐক্যমতের সরকার গঠনের আইডিয়া প্রকাশ হতে থাকে। এর সবই জনগণ একে একে প্রত্যাখ্যান করতে থাকলে অবশেষে সরকার নিরুপায় হয়ে টালবাহানাসুলভ আচরণ ত্যাগ করে নির্বাচনের ব্যাপারে জনগণকে আশ্বস্ত করে। এরই মধ্যে দেশের অর্থনীতিতে চরম ধস নামে। অগণতান্ত্রিক সরকারের কারণে দেশ ২০ বছর পিছিয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেন বিশ্লেষকরা। অন্যদিকে যে দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার বাহানায় তত্ত্বাবধায়ক সরকার মতা গ্রহণ করেছিল তার সামান্যই বাস্তবায়িত হয় এ আমলে। টিআইবির রিপোর্টে ধরা পড়ে যে, বড় দুর্নীতিগুলোর ক্ষেত্রে একটা ধাক্কা এলেও ছোট দুর্নীতিগুলো বহুগুণে বেড়ে যায় এ সময়।
সব মিলিয়ে কিছু সাফল্য সত্ত্বেও অসাংবিধানিক সরকারের ব্যর্থতার খতিয়ানটিই নিঃসন্দেহে বড় হয়ে পড়েছিল। সুতরাং তত্ত্বাবধায়ক সরকারের জন্যে পরবর্তী সরকার এমনটি হওয়া আবশ্যক হয়ে পড়ে যারা তাদের সব কাজের বৈধতা দান করে তাদের রেহাই দেবেন। সেই সময় শেখ হাসিনাই এগিয়ে আসেন তাদের উদ্ধারে। ঘোষণা দেন নির্বাচিত হলে তাদের সব কাজের বৈধতা দেবেন। ফলে আ’লীগ স্বাভাবিকভাবেই পরিণত হয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রিয়ভাজনে।
এমতাবস্থায় নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে থাকে সরকার। এ লক্ষ্যে নির্বাচন কমিশনের সাথে রাজনৈতিক দলগুলোর সংলাপে সিইসির পপাতিত্ব স্পষ্ট হয়ে ওঠে। আওয়ামী লীগের সাথে সংলাপে সিইসি শেখ মুজিবুর রহমানের ভূয়সী প্রশংসা এবং মুক্তিযুদ্ধে আওয়ামী লীগের অবদানকে অকুণ্ঠচিত্তে স্মরণ করলেও বিএনপির সাথে সংলাপে এধরনের সৌজন্য দেখান নি। নির্বাচনের পূর্বে সিইসি এবারের নির্বাচনকে ৭০’র নির্বাচনের মতো করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। যার প্রতিফলন আমরা বাস্তবেই পেয়েছি এবারের নির্বাচনে।
নির্বাচনী প্রচারণার শুরুতেই আওয়ামী লীগের অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসী মনোভাব ধরা পড়ে। এর আগে শেখ হাসিনার দীর্ঘ বিদেশে অবস্থান এ আত্মবিশ্বাসের গোপন নিয়ামক শক্তি হতে পারে। সাথে সাথে এতদিনের পপাতমূলক অবস্থান থেকে সরে এসে সিইসিও নিরপে আচরণ শুরু করেন। অপর দিকে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের মাঝে নির্বাচন প্রস্তুতিকালীন এমন আত্মবিশ্বাস দেখা যায়, যা সচেতন মহলের মনে সংশয় সৃষ্টি করে। বিশেষত আওয়ামী লীগের ভিশন-২০২১ এবং শেখ হাসিনার রাষ্ট্রপ্রধানসূলভ ভাব নিয়ে দেশের রাঘববোয়ালদের সাথে একাধিক মতবিনিময় সংশয়কে আরো বৃদ্ধি করে। তাদের আত্মবিশ্বাস এবং চরিত্রের অবিশ্বাস্য ইতিবাচক পরিবর্তন দেখে এক গল্পের কথা মনে পড়ছিল। যেখানে গ্রামের এক গবেট ছাত্র পরীর আগে কোনো এক ফকিরের তাবিজ পেয়ে পড়াশোনা ছাড়াই পরক্ষায় খুব ভালো করার ব্যাপারে চরম আত্মবিশ্বাসী হয়ে ওঠে এবং সহপাঠীদের সাথে পড়াশোনার প্রসঙ্গ উঠলে পড়াশোনাকে খুব সহজ ব্যাপার হিসেবে চালিয়ে দেয় এবং গর্বভরে বলে, “এতদিন পড়াশুনা করি নি বলে কিছু পারতাম না, এখন বই-পুস্তক ধরে দেখছি এতদিন অযথাই ভয় করেছি ওসব। পড়লে সবকিছুই খুব সহজ!”
তবে গল্পের এই গবেট ছাত্রটির সাথে আ’লীগের নেতাকর্মীদের আত্মবিশ্বাসের পার্থক্যটা হলো, ফকিরের তাবিজ সেই ছাত্রটিকে সাফল্য দিতে পারে নি কিন্তু আ’লীগকে পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী সেই অদৃশ্য শক্তিটি বিজয়ী করতে সম হয়েছে।
নির্বাচনে গণমাধ্যম ও বিভিন্ন জরিপ প্রতিষ্ঠানের জরিপে আ’লীগের এমন বিজয়ের আভাস তো ছিলই না বরং চারদলের বিজয়ের সম্ভাবনাই ছিল উজ্জ্বল। অন্ততপে একটি ভালো প্রতিদ্বন্দ্বিতার আশা করা হয়েছিল নির্বাচনে। উপরন্তু মাঠে-ময়দানে বিএনপি নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নিরন্তর প্রচেষ্টার তুলনায় শেখ হাসিনার প্রচেষ্টা কম দৃষ্টিগোচর হওয়া সত্ত্বেও এই নির্বাচনে বিএনপিসহ চারদলীয় জোটের নজিরবিহীন পরাজয় স্বাভাবিকভাবেই অনেক প্রশ্নের জন্ম দেয়।
নির্বাচনে আপাত দৃষ্টিতে কারচুপির কোনো ঘটনা ধরা না পড়লেও জনগণকে যে বড় কোনো সূক্ষ্ম প্রতারণা করা হয়েছে তা নির্বাচনের ফলাফলে ধরা পড়ে। এ ধরনের ফলাফলের জন্যে ময়দানে জয়ী দলটির পে গণজোয়ার সৃষ্টি হতে হয়। এবারের নির্বাচনে সেই ধরনের একচেটিয়া গণজোয়ার দেখা যায় নি। বরঞ্চ একাধিক আসনে ব্যক্তিগত পর্যবেণে যা দেখেছি তাতে চারদলের পে গণজোয়ার থাকা সত্ত্বেও সেখানে তাদের পরাজিত হতে হয়েছে।
এ পরাজয়ের পেছনে কোন কোন ব্যাপার কাজ করেছে সে ব্যাপারে বিভিন্নজন যা বলছেন, সেসব কেবলই বলার জন্যে বলা। প্রকৃতপে এর পেছনে এমন কোনো সূক্ষ্ম প্রতারণা কাজ করেছে যা এই মুহূর্তে নির্দিষ্ট করে না বলা গেলেও ভবিষ্যতে কখনো না কখনো তা উদঘাটিত হবে। তবে যে বিষয়গুলো ভেবে দেখবার মতো তার ক’টি আমি উল্লেখ করছি।
প্রথমত, নির্বাচনের অনেক আগেই সিইসি বলেছিলেন, এবারের নির্বাচন হবে ৭০’র নির্বাচনের মতো। কার্যতই ফলাফলে তেমনটিই দেখা গেল। এধরনের ভবিষ্যদ্বাণী কিভাবে করলেন তিনি? সিইসি কি তাহলে গণনা জানেন?
দ্বিতীয়ত, আওয়ামী লীগকে কখনোই নির্বাচনের সময় এতটা নমনীয় দেখা যায় নি যতটা নমনীয় তারা এবার ছিল। রাতারাতি আওয়ামী চরিত্র যদি তারা বদলে ফেলে তবে ভালো কথা, তবে ২০০ আসনের বেশি সিট পাবার ব্যাপারে তাদের এবং ৩০ সিট পাবার ব্যাপারে নির্বাচনের আগ মুহূর্তে এরশাদের দৃঢ় আশাবাদ সেই সময় অনেকটা হাস্যকর শোনা গেলেও পরবর্তীতে সেটিই সত্য হয়েছিল। এভাবে মিলে যাওয়াটা কি অবিশ্বাস্য নয়?
তৃতীয়ত, নির্বাচনের দিন ভোর থেকেই আওয়ামী ঘরানার ইলেকট্রনিক মিডিয়াগুলো চারদলীয় ঐক্যজোটের বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অভিযোগ তুলতে থাকে যে, বিভিন্ন স্থানে চারদলের প্রার্থীরা টাকা বিতরণ করতে গিয়ে আটক হয়েছেন (সন্ধ্যায় বিজয় নিশ্চিত বুঝতে পেরে পরে তারা আর এই অভিযোগ করে নি) অথচ মহাজোটের প্রার্থীদের নির্বাচনী আচরণবিধি ভঙ্গ করে টাকা বিতরণের সময় (নীলফামারী-৩ আসনে মহাজোটের প্রার্থী কাজী ফারুক কাদের) হাতেনাতে ধরা পড়ার খবর কিংবা দেশের নানা জায়গায় চারদলের নেতাকর্মীদের হয়রানির খবর সুস্পষ্ট প্রমাণসহ পাওয়া গেলেও তারা তা প্রচারিত না করে নির্বাচনকে প্রভাবিত করেছে।
চতুর্থত, আমার ব্যক্তিগত পর্যালোচনায় মনে হয়েছে এবারের নির্বাচনে সুকৌশলে একটি সাজানো নাটক মঞ্চস্থ হয়েছে। আওয়ামী লীগ এবার মহাজোটে জাতীয় পার্টিকে রেখেছে নিজেদের পূর্ণ স্বার্থ সংরতি রেখে। নির্বাচনের আগে জাতীয় পার্টি তাদের আসনগুলোতে আ’লীগ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের দাবিতে মহাজোট ত্যাগ করে। পরবর্তীতে তাদের সে দাবি মেনে নেয়ার আশ্বাস দিয়ে তাদের মহাজোটে নিয়ে আসা হলেও কার্যত আ’লীগের নেতারা জাতীয় পার্টির আসনগুলোতে তাদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেনি। বরং নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছে এবং আশ্চর্যজনকভাবে যে আসনগুলোতে নৌকা ও লাঙ্গল উভয় প্রতীকই ছিল সেখানে নৌকার প্রার্থীরাই জয়ী হয়েছে। এতে বোঝা গেল আ’লীগ তাদের প্রার্থীদের ঠিকই জয়ী করে এনেছে। আর এরশাদকে কলা দেখিয়ে তারা তাকে মহাজোটে রেখেছে ‘মহাজোট’ নামটির স্বার্থকতা অর্জনের উদ্দেশ্যে মাত্র। অথবা জনগণকে এ কথা বোঝাবার জন্যে যে, চারদলীয় জোটের বিরুদ্ধে সব রাজনৈতিক দল আ’লীগের নেতৃত্বে একতাবদ্ধ, আর এজন্যেই তাদের এই পরাজয়।
পঞ্চমত, বিভিন্ন আসনে মহাজোটের প্রার্থীর পে গণজোয়ার থাকাতো দূরের কথা, জনতা ছিল তাদের বিরুদ্ধে প্তি। তাসত্ত্বেও এসব আসনে তারা জয়ী হয়েছে এবং নির্বাচনের আগে তারা তাদের জয়ের ব্যাপারে ঘোষণা দিয়েছে এই বলে যে, তিনটি ভোট পেলেও জয়ী হবেন তারাই। গাইবান্ধা-১ আসনে মহাজোটের প্রার্থী এমনটি বলেছেন।
ষষ্ঠত, আ’লীগের প থেকে বড় গলায় বলা হচ্ছে, দুর্নীতি ও যুদ্ধাপরাধের বিরুদ্ধে এটি গণরায়। যদি তাই হয়ে থাকে, তবে বিএনপির এমন অনেক ভিআইপি প্রথম সারির প্রার্থী যাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি কিংবা যুদ্ধাপরাধের প্রশ্ন নেই তারা কী করে পরাজিত হলেন? মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর কমান্ডার হামিদুল্লাহ খান কেন পরাজিত হলেন? অন্যদিকে শহীদ জিয়ার হত্যাকারী কিংবা এরশাদের মতো সর্বজনস্বীকৃত স্বৈরাচার ও দুর্নীতিবাজ নির্বাচিত হলেন কী করে?
সপ্তমত, আ’লীগের সব সিনিয়র নেতাই এবারের নির্বাচনে জয়ী হয়েছেন কিন্তু বিএনপির সিনিয়র নেতাদের তিনজন ছাড়া সকলেই পরাজিত হয়েছেন। পরাজিত এসব বিএনপি নেতাদের কারো কারো বিরুদ্ধে যেমন দুর্নীতির মামলা রয়েছে তেমনি মামলা রয়েছে আ’লীগের জয়ী সেসব প্রার্থীদের অনেকের বিরুদ্ধেও। সত্যি যদি জনগণ এবারের নির্বাচনে বিবেচনা প্রয়োগ করে থাকে তবে তারা কি আ’লীগের ব্যাপারে বিবেচনা খাটায় নি?
অষ্টমত, যেসব আসনে চারদলের প্রার্থীদের বিজয় ছিল সুনিশ্চিত সেসব আসনের অধিকাংশ কেন্দ্রগুলো
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:১২
৪টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

শিক্ষা খাতে শুরু হয়েছে তারেক রহমান ম্যাজিক

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১১:২৯


রাজনীতির মাঠে ক্ষমতার হাতবদল যেমনই হোক না কেন, সাধারণ মানুষের আসল নজর থাকে জীবনের মৌলিক জায়গাগুলোতে। আর একটি দেশের ভবিষ্যৎ বদলে দেওয়ার সবচেয়ে বড় হাতিয়ার হলো শিক্ষা ব্যবস্থা।... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা এমন কেন?

লিখেছেন তাই-ফি, ০৯ ই জুন, ২০২৬ রাত ৩:৪৪

একটা গল্প দিয়ে শুরু করা যাক।

শেষ বিচারের পর নরকে শাস্তি ভোগ করছে পাপীরা। বিশাল বিশাল তেলের ড্রামে তাদের একবার ডুবিয়ে আবার ভাসিয়ে তোলা হচ্ছে। প্রতিটি ড্রামের সামনে একজন করে পাহারাদার... ...বাকিটুকু পড়ুন

পাহাড়ে চড়া আর মাউন্টেনিয়ারিং: এক নয়

লিখেছেন মুনতাসির, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮




আজকাল পাহাড়ে ওঠা অনেক সহজ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই দেখা যায় কেউ না কেউ কোনো পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। ট্রেইল ধরে হেঁটে, কখনো দড়ি ধরে, কখনো গাইডের সাহায্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের গ্রামের গল্প!

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৩



আমাগো গ্রাম আপনারা সবাই চিনেন।
মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। শ্রীনগর থানা। খুবই প্রাচীন অঞ্চল। অবশ্য এখন গ্রাম বদলে গেছে! ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল হয়েছে, বিউটি পার্লার, কমিউনিটি সেন্টার, শপিংমল, ফাস্টফুডের দোকান হয়েছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×