আজ সকালে একটা কথা মনে পড়ে হাসছিলাম। যদিও এই ঘটনাগুলো মাঝে মাঝেই আমাদের ছুটির দিনের সকালের চায়ের টেবিলে হাসির রোল তোলে।
একবার আমরা ঢাকা-জামালপুর-টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ-ঢাকা ট্রিপ করছিলাম। সাথে ছিলেন আমার সুপারভাইজার, তাঁর এক বন্ধু, আমার বস এবং আমি। গাড়ী যখন চলে তখন শুধু গাল গপ্প চলে। সুপারভাইজারের বন্ধু ডঃ নি, তিনি একজন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক। তাঁর স্ত্রী ও অন্য একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষিকা। ডঃ নি'র ধারনা তিনি তার স্ত্রীকে অনেক ভয় পান। মাসের শুরুতেই স্ত্রীকে তিনি বেতনের সব টাকা দিয়ে দেন। এরপর নিজের খরচের টাকাটা স্ত্রীর কাছ থেকে নেন। অর্থাৎ তাঁর স্ত্রী ঘরোয়া অর্থনীতির সর্বময় কর্ত্রী
এরপর তিনি ঘোষণা দিলেন, সঙসারে যিনি নরম (কম শক্ত) তিনি সব সময় অন্য পক্ষের রায় মেনে নিবেন। এটাই নিয়ম। অর্থাৎ কোন সংসারে স্ত্রী সব সিদ্ধান্ত নেন, তার মানে স্বামী তেমন স্ট্রং না। আবার স্বামী মূল ভূমিকায় থাকা মানে স্ত্রী ততটা স্ট্রং না।
এই ঘোষণা শুনে আমরা সবাই নড়েচড়ে বসলাম। অতি অবশ্যই যার যার সংসারের চালচিত্রটি মিলিয়ে দেখছিলাম। কার সংসারে কে স্ট্রং!
এমন সময় আমার সুপারভাইজার বিরস মনে বললেন, নি, তুমি যা বললে যতি তা সত্য হয় তাহলে এই উক্তি আমাকে ভীষণ ব্যথিত করেছে। কারণ আমার পরিবারে যখন কোন ব্যপারে সিদ্ধান্ত নিতে হয় তখন ব্যপারটা হয় এমন যে............
১। যখন আমি এবং আমার স্ত্রী কোন বিষয়ে একমত হই তখন সিদ্ধান্ত নেই আমি!
২। যখন আমরা একটি বিষয়ে কোনভাবেই একমত হতে পারি না তখন সিদ্ধান্ত নেন আমার স্ত্রী।
(ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা আমার প্রফেসর বা তার ধারে কাছের কোন মানুষ যেন এই ব্লগ না পড়ে!)
সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে জুলাই, ২০১১ রাত ১০:২৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



