শিহরণ জাগানিয়া মায়াবী মৎস্যকন্যাদের বেহাল দশা
০৩ রা আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ২:০৫
![]()
হাজার হাজার বছর ধরে মানুষের সব জল্পনা কল্পনায় আশ্রিত মৎস্যকন্যার অস্তিত তাহলে বাস্তব? সেরকম-ই এক চিত্র ফুটে উঠেছে নিচের ছবিগুলোতে। মৎসকন্যা একটি মিথলজিক্যাল জলজ প্রাণী যার শরীরের উপরের অংশ দেখতে হুবুহু একজন নারী (পুরুষও হতে পারে) আর নিচের অংশ অন্য কোন পরিচিত জলজ প্রাণী যেমন মাছ বা ডলফিন।
আজ থেকে প্রায় ৩ হাজার বছর আগে মেসোপটেমিয়ার টাইগ্রিস নদীর উপর অবস্থিত আসিয়ারা রাজ্যের রুপকথার গল্পে সর্বপ্রথম এই মৎস্যকন্যার চিত্র পাওয়া যায়। প্রাচীন গ্রীক গল্প, আরব্যরজনী এবং ব্রিটিশ গল্পেও মৎস্যকন্যাদের বিচরণ দেখা যায়। যাই হোক এসব কল্পনা ছেড়ে এবার পরিচিত হওয়া যাক বাস্তব মৎস্যকন্যার সংগে।
২৬ ডিসেম্বর ২০০৪ সালের প্রলয়ংকারী সুনামির কথা হয়ত সবার মনে আছে।
ছবি-সুনামি যা থাইল্যান্ডে আঘাত হেনেছিল:
![]()
হাজার হাজার প্রাণহানি হওয়ার সাথে কি তান্ডবটাই না চলেছিল পৃথিবীর বুকে। আর সেই সুযোগেই এক দল গবেষকের মাথায় প্রশ্ন আসে, মৎস্যকন্যা বলে যদি কিছু থেকে থাকে তাহলে এই সুনামি তাদের উপর কি প্রভাব রাখলো? তারা ঘুরে বেড়ালো বিভিন্ন সুমদ্র উপকুলে, গভীর সাগরের বুকে আবার কখন ও বা সুমদ্রের তীরবর্তী জংগলে। তাদের সেই গবেষণাতে কিছু পাওয়া গেল কিনা তা বিচার করা যায় নিচের ছবিগুলো দেখে। আসুন তাহলে আমরাও দেখে ফেলি এসব আশ্চর্য্যজনক ছবিগুলো।
তবে অনেকেই এইসব ছবি বিশ্বাস করে না বরং বলে থাকে এসব বানানো, আমিও হয়তো ঐ সব অনেক মানুষের মতোই ভাবি।
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): মৎস্যকন্যা ফানপোষ্ট ;
সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে এপ্রিল, ২০১১ দুপুর ২:০০ | বিষয়বস্তুর স্বত্ত্বাধীকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
েপচাইললা বলেছেন:
ফালতু সব কল্পনা। কিছু লো্কজন আছে যারা এগুলো করে সবাইকে কনফিউজ করতে চায়। লেখক বলেছেন: কল্পনা সে তো কল্পনাই, কল্পনা যদি বিনোদন যোগায় তাহলে তো ভালোই.............মৎস্যকন্যাদের গল্প শুনতে কিন্ত বেশ মজা পেতাম।
লেখক বলেছেন: না না ভাইয়া কনফিউজড না হয়ে বুঝতে শিখুন..............
বিপ্লব কান্তি বলেছেন:
বানানো ছবি
লেখক বলেছেন: হুমম.............আপনার নিজের নিকে তো বানানো ছবি দেখা যায়, খুঁজে দেখি কোন মৎস্যকন্যা আছে কিনা..........
লেখক বলেছেন: কি বলেন আপনি মৎস্যকন্যা হবেন কেন??
আতেল তাপস বলেছেন:
ফালতু, ছবিগুলু ভাল করে দেখলেইত বুঝা যায়........................
লেখক বলেছেন: ওকে ওকে মাইনা নিনু.........
এন্তার এত্তেলা বলেছেন:
এগুলা সত্যি হইলে ন্যাশনাল জিওগ্রাফিতে অন্তত একশ পর্বের ডকুমেন্টারী চালু হইতো।।।
লেখক বলেছেন: সহমত।
নুসরাত-রিয়াহ্ বলেছেন:
রক্ত রঙ এর সাথে সহমত।
লেখক বলেছেন: ক=খ এবং ক=গ হলে খ=গ
কেল্টূ দা বলেছেন:
ভুয়া
লেখক বলেছেন: মামলা করবেন নাকি?
লেখক বলেছেন: তবে অনেকেই এইসব ছবি বিশ্বাস করে না বরং বলে থাকে এসব বানানো, আমিও হয়তো ঐ সব অনেক মানুষের মতোই ভাবি।
হ্যাঁ, এটি হক্স। মজা করার জন্যেই দেওয়া, বিশ্বাস করানোর জন্য না।
সাইলেন্সার বলেছেন:
রিয়াজুল ইসলাম এবং তানিয়া কবির লিজা মনে হয় একই ব্যক্তির দুই নিক।
ভুল হয়ে থাকলে সরি................
লেখক বলেছেন: হাঁ এটা আপনি ভুলে বলেছেন।
তবে ব্যাপার না। এরকম থাকলেও ক্ষতিই বা কি??
তাজা কলম বলেছেন:
এগুলো তো ফটোপ্রসেসিং-এর কারসাজি। আপনি ভাই ধাপ্পাবাজি গুল গুলোকে বিশ্বাস করেছেন।
লেখক বলেছেন: তবে অনেকেই এইসব ছবি বিশ্বাস করে না বরং বলে থাকে এসব বানানো, আমিও হয়তো ঐ সব অনেক মানুষের মতোই ভাবি।
এসব আমি কিভাবে বিশ্বাস করি বলেন??
লুথা বলেছেন:
আমি যতদূর জানি, আমাদের জ্ঞান খুব সীমিত, এখনও সাগরতলের অনেক রহস্য আমরা বের করতে পারি নাই, আরো বড কথা হচ্ছে, বিজ্ঞানীরা এখনও সাগরের একদম গভীরে কি হচ্ছে জানে না... জানলেও খুব কমই জানে...আরেকটা ব্যাপার বলিঃ আমি এইসব ছবি দেখেছি ওয়েবে...কিন্তু কেন জানি না, আমি বিলিভ করেছি...মাঝে মাঝে এইটা মানতে কষ্ট হয় যে, দুনিয়াতে ডাইনোসরের মতো বিশাল প্রানী ছিলো... কিন্তু এইটা সত্যি যে ছিলো, কিন্তু এখন নাই...তাহলে লাখ লাখ বছর আগে সাগরতলে কি ছিলো এবং এখনও আছে কিনা, কি করে আমরা নিশ্চিত হবো ??
লেখক বলেছেন: হ্যাঁ আপনার এই পয়েন্টের সাথে আমি একমত। এবং যোগ করতে চাই: চরম সত্য বা চরম মিথ্যা বলতে কিছু নাই। সেটা একমাত্র সৃষ্টিকর্তাই বলতে পারেন।
তবে ছবিগুলো মনে হয় আসলেই বানানো। গুগলের ইমেজ সার্চে Mermaid লিখে সার্চ দিলেই এসব ছবি সহ আরো অনেক ছবি বের হয়ে আসবে।
এসব ফালতু ছবি দেওয়ার উদ্দেশ্য মজা করা হলেও এতে করে অনেক জনই তাদের কনফিউশন বুঝতে পারে।
কুতুব্ বলেছেন:
বানানো
লেখক বলেছেন: সহমত
সরকার সেলিম বলেছেন:
আসলেই একটা বিনোদন পেলাম। ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: হা হা ...............পোষ্টটি মজা করার জন্যেই দেওয়া............তবে কেই যদি এইসব বিশ্বাস করে থাকে, তারা তাদের ভুলটাও বুঝতে পারবে।
কিবর বলেছেন:
গুড ওয়ান
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...

















