আমার প্রিয় পোস্ট

There is only one good, knowledge, and one evil, ignorance.

আমি আস্তিক কারণ নাস্তিকতা হলো অসুস্থ মস্তিস্কে এলোমেলো ভাবনার ফসল

০৪ ঠা আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১১:০৫

শেয়ারঃ
0 1 0

বিশাল মহাবিশ্বের আদি অবস্থা কিরকম ছিল, আদৌ কোন অস্তিত ছিল কিনা তা নিয়ে বিতর্কের কোন শেষ নেই। যুগে যুগে দার্শনিকেরা যুক্তি দিয়ে তাদের অবস্থান ব্যাখ্যা করেছেন। কেউ বলেছেন সৃষ্টিকর্তা বলে অবশ্যই কেই আছেন আবার কেউ এর বিপক্ষে মত প্রদান করেছেন। সৃষ্টিকর্তা নিয়ে আমার মত কি, আমি কি ভাবি, বা কেন ভাবি ও কিভাবে ভাবি তা তুলে ধরতেই এই লেখা।
আমরা জানি প্রাকৃতিকভাবে ঘটে যাওয়া কোন ঘটনার ব্যাখ্যা দিতে একটি মডেল দাঁড় করানো হয়, এবং সেই মডেলের আলোকে যদি ঐ ঘটনার কারণে ঘটিত অধিকাংশ প্রভাবকে ব্যাখ্যা করা যায় তাহলে মডেলটিকে মোটামুটি সত্য হিসাবে ধরে নেওয়া হয়। সেই মডেলই আবার অনেক সময় বিবর্তিত হয়ে যুক্তি প্রমানের ভিত্তিতে থিওরি হিসাবে আবির্ভুত হয়। তবে যাহাই সত্য বা মিথ্যা হিসাবে বিবেচনা করা হোক না কেন সেটা মানুষের বিচারে সত্য বা মিথ্যা। যেটাকে মিথ্যা বলা হচ্ছে সেটা কি আসলেই মিথ্যা? বা যেটাকে সত্য বলা হচ্ছে সেটা কি আসলেই সত্য? সেটা বিচার করার চরম পদ্ধতি মানুষের অজানা! মানুষের নলেজ খুবই সীমিত। এখন পর্যন্ত মানুষ ৪ টি (সব মিলিয়ে ১০টি) ডাইমেনশনের বেশি ডাইমেনশনকে অস্তিত দিতে অক্ষম। পৃথিবীর বিভিন্ন গবেষণাগারে এই নিয়ে গবেষণা ও চলছে নতুন ডাইমেনশন সৃষ্টি করা যায় কিনা। আবার এই মহাবিশ্বের ব্যাপ্তি এত বিশাল যে মানুষের বিচরণের ক্ষেত্র সেখানে শুন্যের কোঠায় বলা চলে।
যাই হোক প্রসংগে যাওয়া যাক, সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্ব আছে নাকি নাই। অনেকে অনেকভাবে এই প্রশ্নের জবাব খুঁজে বেড়ায়। তেমনি আমি শুরু করি একটি জায়গা থেকে, মনে করি সৃষ্টিকর্তা আছে। তাহলে তার কতটুকু নলেজ থাকার কথা? গ্রহ, উপগ্রহ, গ্যালাক্সি, আলো, অন্ধকার, কোয়ান্টাম মেকানিক্স, ক্লাসিক্যাল মেকানিক্স, মেডিক্যাল সায়েন্স, ইন্জিনিয়ারিং, দেখা, অদেখা সহ মানুষ যা কল্পনা করতে পারে বা পারে না তার সবগুলোর উপরই সৃষ্টিকর্তার পূর্ননলেজ থাকা আবশ্যক বৈকি। কোন মানুষের এই সকল বিষয়ের উপর নলেজ নেই এ কথা সহজেই অনুমেয়, তাহলে সৃষ্টিকর্তার সৃষ্ট জিনিষসমুহের উপরেই যেখানেই কোন মানুষের ধারণা পূর্ণ নয় সেখানে সৃষ্টিকর্তা কেমন হবে? কিভাবে এল? কে তাকে সৃষ্টি করলো এসব প্রশ্ন অবান্তর মাত্র। তারপরও যদি কারো মনে সৃষ্টিকর্তার উৎস সম্পর্কে জানতেই ইচ্ছা করে তবে তার উচিৎ হবে এ মহাবিশ্বের প্রতিটি জিনিষ সম্পর্কে সম্যক ধারণা পাবার জন্যে মরিয়া হওয়ার। কিন্ত অনেক সময়ই দেখা যায় সেটা না করে সরাসরি সৃষ্টিকর্তা কোথা থেকে এলো তাই নিয়ে টানাটানি, যেন আদার ব্যাপারি হয়ে জাহাজের খবর নেওয়ার মত।

প্রশ্ন উঠবে একজন মানুষ না হয় সব বিষয় সম্পর্কে জানে না কিন্ত সব মানুষের মিলিত নলজকে এক জায়গায় করলেই তো সমষ্যার সমাধান হয়ে যায়। উত্তর হলো সেটা সম্ভব না। কারণ ঐ মিলিত নলেজ ও মহাবিশ্ব সম্পর্কে তেমন কোন ফলাফলাই প্রদান করে না, বরং মানুষের সীমাব্ধতাকে আরো স্পষ্ট করে তোলে। মানুষ জানে না, এই সব নলেজ মিলিত করলে মিলিত নলেজ লিনিয়ারিটি ফলো করে কিনা? তাই ঘুরে ফিরে ঐ একই কথা যে সৃষ্টিকর্তার উৎস সম্পর্কে টানাটানি করা কোন যোক্তিক মানুষের নেচার নয় বরং রোগাক্রান্ত চিন্তাধারার ফসল মাত্র। সেই সাথে এই সব চিন্তাধারা তার চরম নাস্তিক হওয়ার পথে বাঁধাও বৈকি।

চরম নাস্তিকতা আবার কি জিনিষ? মহাবিশ্বের সমস্ত সম্ভাব্য নলেজ থাকার পর কোন ব্যাক্তি যদি এই সিদ্ধান্তে উপনিত হয় যে সৃষ্টিকর্তা বলে কিছু নেই তবেই তাকে চরম নাস্তিক বলা যাবে। সুতরাং সমস্ত নলেজ না অর্জন করেই যদি কেউ নাস্তিক হয় তাহলে তাকে চরম নাস্তিক বলছি না। সেই একই যুক্তিতে চরম আস্তিকতা বলে কিছু আছে কি? উত্তর হলো হাঁ এবং তার ডেফিনেশনও ঐ একই রকম। তাহলে ফলাফল, সকল আস্তিকই আপেক্ষিক আস্তিক আবার সকল নাস্তিকই আপেক্ষিক নাস্তিক। কিন্ত পার্থক্য, আস্তিকতায় সৃষ্টিকর্তার অস্তিতকে বিশ্বাসের মাধ্যমে এই পৃথিবীর সব কিছুকে ব্যাখ্যা করা সম্ভব হয়ে ওঠে, অপরদিকে নাস্তিকতায় সৃষ্টিকর্তার অস্তিতকে অবিশ্বাসের মাধ্যমে এই পৃথিবীর সব কিছুকে ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তালগোল পাকিয়ে ফেলে। কারণ একজন আপেক্ষিক নাস্তিক একবার বলে ডিম আগে, আরেকবার বলে মুরগি আগে, অর্থাৎ সে শুরু আগেই চিন্তা জগতের মাথা খেয়ে বসে থাকে পরিণত হয়ে অসাড় এবং গর্দভ হাবাগোবায়।
সৃষ্টিকর্তা কিভাবে তার সৃষ্টিকে পরিচালনা করবেন বা করেন? উত্তর খুব সহজ, সৃষ্টিকর্তার যেমন ইচ্ছে তেমন। তার ইচ্ছেটা কেমন, তা কি আমার পক্ষে জানা সম্ভভ! তবে আমি অনুমান করতে পারি মাত্র, সেটি বুদ্ধিদীপ্ত এবং জটিল এক হিসাবের মধ্য দিয়ে, যে হিসাবে রয়েছে সমস্ত অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যতের প্রোগ্রামিং ফ্লো। তাই আমি চাইলেই তিনি আমার মত আচরণ করবেন তা নয়, আমি তাকে যেমন নির্দেশনা দিব তেমনটি নয়, আমি তার সম্পর্কে কোন কিছু প্রিডিক্ট করে ফেলবো তা নয়। তিনি আদি ও অনন্ত (কতটা আদি ও কতটা অনন্ত!!!) তাই আমার এই শুন্যসময়তুল্য জীবনকালে তার কাজের দোষ-ত্রুটি নিয়ে আলোচনা করা হাস্যকর বটে। একজন আপেক্ষিক নাস্তিক সেই কাজটিই করে চলে এবং ফলশ্রুতিতে সে পরিণত নির্বোধ ব্যাক্তিতে। কারণ? যে কোন একটি কাজ বা আবিষ্কার তৈরি যেমন কঠিন সেই কাজ বা আবিষ্কারের সত্যতা যাচাই আরো কঠিন। নির্বোধরা পারলে তারা প্রথমটি আগেই করে দেখাক অর্থাৎ এরকম একটি মহাবিশ্ব তৈরি করুক তারপরেই না হয় বর্তমান মহাবিশ্বের সৃষ্টিকর্তার ভুল-ত্রুটি নিয়ে ফালাফালি করুক। কিন্ত তারা তা করবে না কারণ তারা বিকারগ্রস্ত এবং আউট অব সিসটেমেটিক।
সৃষ্টিকর্তা কোথায় বা কোন ফর্মে (আকার) আছে? উত্তর আমি জানি না তবে আমি ধারণা করতে পারি। কিভাবে? ধরে নিই তিনি দেখতে আমার বাস্তব বা কাল্পনিক কোন চিত্র, তার মানে সেটা হবে এই মহাবিশ্বের সৃষ্টকর্তারই কোন সৃষ্টির অনুরুপ বা কতগুলো সৃষ্টির সংমিশ্রন ছাড়া আর কিছুই না। কিন্ত সৃষ্টকর্তা নিজেই কোন সৃষ্টির অনুরুপ বা কতগুলো সৃষ্টির সংমিশ্রন হবেন সেটা অযোক্তিক বটে। তাই তিনি নিরাকার হবেন এবং কাজেই তিনি অদৃশ্য হবেন সেটাই বিবেচ্য বৈকি।

বস্তত, নাস্তিকতা একটি বাস্তবতা বিবর্জিত চিন্তাধারার ফসল ছাড়া আর কিছুই নয়। সৃষ্টিজগত নিয়ে ভাবনার সিঁড়িতে যখন তার পদযাত্রা থেমে যায়, তখন-ই সে নাস্তিকতার বুলি আওড়ায় কারণ নাস্তিক হতে যে সাধনার প্রয়োজন সেটা তার নেই বা হারিয়ে ফেলে। অপরদিকে আস্তিকতা সত্য সন্ধানের পথে একটি সিসটেমেটিক পদ্ধতি।

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): আস্তিকতাআস্তিকতা ;
সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই জুলাই, ২০১০ বিকাল ৪:২১ | বিষয়বস্তুর স্বত্ত্বাধীকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ০৪ ঠা আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১১:১০
লড়াকু বলেছেন: না পড়ে শুধু শিরোনামের জন্যেই মাইনাস। এখন পড়া শুরু করতেছি।
০৪ ঠা আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১১:১৫

লেখক বলেছেন: এই ধরনের মন্তব্য করে নিজের দৈনদশাকে তুলে ধরা হলো।

আর এই পোষ্টও ঐ একই বিষয়ের উপর লিখিত।

২. ০৪ ঠা আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১১:১৬
সৈয়দ নূর কামাল বলেছেন:
সুন্দর চিন্তার বহিঃপ্রকাশ এবং+
০৪ ঠা আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১১:১৮

লেখক বলেছেন: চিন্তাভাবনা সুন্দর কিনা জানি না তবে একজন সুস্থ মস্তিস্কের মানুষ মনে হয় এভাবেই ভাবে।

ধন্যবাদ কষ্ট করে পড়ার জন্য।

৩. ০৪ ঠা আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১১:১৭
দুরের পাখি বলেছেন: খেক খেক খেক । বিয়াপক গ্যান আপ্নের ।
০৪ ঠা আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১২:২৪

লেখক বলেছেন: হুমম

০৪ ঠা আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১১:২০

লেখক বলেছেন: জ্যে...................

৫. ০৪ ঠা আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১১:১৯
শূন্য আরণ্যক বলেছেন: +

তবে পুরান অভিজ্ঞতা থেকে আপনাকে বলি । এই সব নিয়ে অনেক জল ঘোলা হয়েছে ব্লগে । সত্য কথা হলো এখানে কেউ আপনার কথার দাম দিবে না ।

এদের বরং বলতে পারেন "আপনার যে জ্ঞান আছে সেই বিষয়ে নাস্তিক" অর্থাৎ আপনি যে অর্থপূর্ন চিন্তা করতে পারেন সেই ব্যাপারে তারা বিশ্বাস রাখে না ।

~~~~~~~~~~

তবে অনেকেই আছে যারা আসলে অনেক কিছু চিন্তা করে । তাদের চিন্তা ভাবনাটা অন্য পর্যায়ের ।

এইসব ব্যাপারে লিখে অহেতুক সময় নষ্ট । আর আমার মনে হয় আপনি নিজেও জানেন এই ধরনের তর্ক কোন ফলপ্রসু না ।

এনিওয়ে হ্যাপি ব্লগিং।
০৪ ঠা আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১১:২৫

লেখক বলেছেন: গঠনমুলক পরামর্শ দিয়েছেন। এজন্য আপনাকে বিশেষ পরামর্শ।

তর্ক নয় বরং নিজের চিন্তাটাকে একটু তুলে ধরা যদিও হয়ত নতুন কোন চিন্তা নয় তবু সত্যকে তুলে ধরার প্রয়াস সবয় থাকে বা থাকতে হবে।

আর অসুস্থ মস্তিস্কের মানুষ যদি কেই থাকে তার আচরণ যে সুস্থ হবে না, সেটা হয়তো আমরা সহজেই অনুমান করতে পারি।

ধন্যবাদ।

৬. ০৪ ঠা আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১১:২০
শান্তির দেবদূত বলেছেন: একটা জমজমাট আলোচনা/বিতর্ক আশা করছি। পোষ্ট পর্যবেক্ষণে রাখলাম। শেষে গালাগালি/মারামারি/চুলাচুলিতে না গড়ালেই হলো...

তবে আপনার হেডিংটা আক্রমনাত্মক হয়ে গেছে। আপনি যদি প্রতিপক্ষকে গালাগাল করে আলোচনা শুরু করেন তাহলে আলোচনা বেশিদুর আগাবেনা এটাই স্বাভাবিক
০৪ ঠা আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১১:২৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ দেবদূত ভাইয়া।

হেডিংটা দিয়ে আমি প্রতিপক্ষকে আক্রমন করি নাই, আমি বুঝাতে চেয়েছি যে

"সুস্থ মস্তিস্কে আমি নাস্তিকতার কথা চিন্তা করতে পারি না, তাই আমি আস্তিক"

০৪ ঠা আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১২:২৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

৮. ০৪ ঠা আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১১:২৭
নতুন বলেছেন: আস্তিক নাস্তিক প‌্যাচেলের জন্য মাইনাস....

অনথ`ক একটা টপিকস... দুনিয়ায় আরো অনেক বিষয় আছে
০৪ ঠা আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১১:৩২

লেখক বলেছেন: দুনিয়ায় আরো অনেক বিষয় আছে। সহমত।


সৃষ্টিকর্তা সম্পর্কে আত্মউপলব্ধি একটি মৌলিক বিষয়, তাই ঘুরেফিরে এটি আসবেই।

৯. ০৪ ঠা আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১১:২৭
বৃত্তবন্দী বলেছেন: আপনি হেডিংএ প্রি কনসিভ একটা ট্যাগ করে দিয়েছেন, যা থেকে বুঝা যাচ্ছে যে আপনি কোনো রকম যুক্তিই শুনতে চাইবেন না...

তাই কিছু আর বলবো না, আপনি যা ভেবে সুখী থাকেন...
০৪ ঠা আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১১:৩৪

লেখক বলেছেন: যে কোন ধরণের গঠনমুলক আলোচনাকে স্বাগত জানায়।

হেডিংটার ব্যাখ্যা আমি শান্তির দেবদূত ভাইয়ার ৬ নং কমেন্টে দিয়েছি।

১০. ০৪ ঠা আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১১:২৮
নতুন বলেছেন: ওহ.. প্লাসে চাপ দিয়াদিসি. :) আমারটা মাইনাস হিসেবে নয়েন ;)
০৪ ঠা আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১১:৩৬

লেখক বলেছেন: শিওর।

১১. ০৪ ঠা আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১১:২৯
ম্যাক্স পেইন বলেছেন: ষ্টিকর্তা কোথায় বা কোন ফর্মে (আকার) আছে? উত্তর আমি জানি না তবে আমি ধারণা করতে পারি। কিভাবে? ধরে নিই তিনি দেখতে আমার বাস্তব বা কাল্পনিক কোন চিত্র, তার মানে সেটা হবে এই মহাবিশ্বের সৃষ্টকর্তারই কোন সৃষ্টির অনুরুপ বা কতগুলো সৃষ্টির সংমিশ্রন ছাড়া আর কিছুই না। কিন্ত সৃষ্টকর্তা নিজেই কোন সৃষ্টির অনুরুপ বা কতগুলো সৃষ্টির সংমিশ্রন হবেন সেটা অযোক্তিক বটে। তাই তিনি নিরাকার হবেন এবং কাজেই তিনি অদৃশ্য হবেন সেটাই বিবেচ্য বৈকি।



ব্যাপক ঘবেষণা
তয় বুঝবার ফারি নাই
০৪ ঠা আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১১:৩৭

লেখক বলেছেন: না বুঝলে নিজেই গবেষণাটা আরো একধাপ এগিয়ে নিন, আমাদেরকে জানান।

উপকৃত হবো।

০৪ ঠা আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১১:৩৬

লেখক বলেছেন: ধন্য হলাম।

১৩. ০৪ ঠা আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১১:৩৬
মারূফ মনিরুজ্জামান বলেছেন: ধর্ম বিষয়ে আমি একেবারে বকলম- কিছু মুখস্থ বাক্য ছাড়া আমার কোন জ্ঞান নাই- তাই এই টাইপ আলোচনা থেকে আমি দূরে থাকি-

অনেক (সব নয়)আস্তিক এবং নাস্তিকের যারা তর্ক করে মুখে ফেনা তুলে ফেলেন ধর্ম বিষয়ে তাদের জ্ঞান এবং গবেষনা খুব কম- তর্কটা দূর থেকে দেখতে তাই খুব মজা লাগে-

আর একটা কথা ৪ টা ডাইমেনশন না- ১০ টা ডাইমেনশন এর কথা বলা হয়ে থাকে আমি যদি বুঝতে ভুল না করে থাকি আপনি কোন ডাইমেনশনের কথা বলছেন-
০৪ ঠা আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১১:৪২

লেখক বলেছেন: ডাইমেনশন সম্পর্কে আমার ধারণা সলিড নয়, যদি ভুল বলে থাকি তাহলে সংশোধিত হতে বাঁধা নেই।

x, y, z এবং t এই ৪টি কে বুজিয়েছি।

১৪. ০৪ ঠা আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১১:৪২
ভন্ডপির বলেছেন:
যুক্তি দিয়া স্রষ্টার ব্যাখ্যা করা মানে স্রষ্টার উপরে যুক্তির অবস্থান। যুক্তি কি স্রষ্টার সৃষ্টি? উত্তর হ্যা হইলে তাইলে যুক্তি দিয়া স্রষ্টা ব্যাখ্যা করে কেমনে? উত্তর না হইলে যুক্তিই ঈশ্বর।

বৈগ্যানিক ভাবে কথা বললেই বৈগ্যান হয় না। তয় মস্তিস্ক অসুস্থ না হইলে মস্তিস্ক আছে কিনা সেইটাই সন্দেহর বিষায়। :D
০৪ ঠা আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১২:০৮

লেখক বলেছেন: ইনপুট দিলে আউটপুট আসে, সেই আউটপুট আবার ইনপুট আকারে নেওয়া হয়। যেহেতু আউটপুটই ইনপুট এবং আউটপুট আছে তাই আর কোন ইনপুটের প্রয়োজন নেই!!!

যুক্তি যদি মহাবিশ্বকে নিয়ন্ত্রনের ক্ষমতা রাখে, সে যদি হয় আদি ও অনন্ত সে যদি হয় সমস্ত ক্ষমতার উৎস। তাহলে সে যুক্তিকে সৃষ্টকর্তা বলতে আমার বাঁধা নেই।

১৫. ০৪ ঠা আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১১:৪২
সাগরসিএসই_০৬ বলেছেন: ভাল লাগে নি। কারণ আস্তিকতা হল বিশ্বাসের ব্যাপার। যুক্তি দিয়ে এটাকে দাড়া করানো নিতান্তই মূর্খতা বলে মনে হয়।

আমি মনে করি নাস্তিকতার পক্ষেও যুক্তি আছে। কিন্তু তাই বলে সীমিত জ্ঞানের যুক্তি দিয়ে যেমন কখনই এটাকে সমর্থন করাটা ঠিক না, তেমনি দুর্বল বিশ্বাস নিয়ে নিজেকে আস্তিক দাবি করার মধ্যে কোন কৃতিত্ব নেই। বিশ্বাসটা খুব গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার। মনে হ্য় লেখকের ঐ জায়গাটাতে ঘাটতি আছে বলেই যুক্তি দেখিয়ে সান্তনা পাওয়ার চেষ্টা করছেন।

তবে এই লেখায় নাস্তিকদের জন্য কিছু শিক্ষণীয় ব্যাপার আছে এটা স্বীকার করতে হবে।
০৪ ঠা আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১২:১৫

লেখক বলেছেন: আপনার মন্তব্য গঠনমুলক বলে মনে করি।

আস্তিকতা হল বিশ্বাসের ব্যাপার। শুধুই কি তাই? এ মহাবিশ্ব কিভাবে চলছে? কিভাবে সবকিছু সুনিয়ন্ত্রিত? কিভাবে আলোক ও চুম্বক শক্তির অস্তিত রয়েছে? কেন মানুষ চিন্তা করতে পারে? কেন মানুষ তার আদি কথা জানতে চায়? কেন কেন কেন? এগুলো কি সৃষ্টিকর্তাতে বিশ্বাস এবং তারই ধারাবাহিকতায় সৃষ্টিকর্তার উপর নলেজ তৈরি করে না কি?

সৃষ্টিরহস্য পু্র্নভাবে জানা সম্ভব নয় এটি যদি আপনার মনে স্থান পায় তাহলেই কিন্ত আপনি বলতে পারেন না যে সৃষ্টিকর্তা বলে কিছু নেই।

তবে আপনার শেষের বাক্যটি যদি সত্য হয় তাহলেই আমি স্বার্থক।

তবে এই লেখায় নাস্তিকদের জন্য কিছু শিক্ষণীয় ব্যাপার আছে এটা স্বীকার করতে হবে।

১৬. ০৪ ঠা আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১১:৪২
ক-খ-গ বলেছেন: অ, আইচ্চা! তয় বুঝলাম আফ্নে গিয়ানের উড়াল জাহাজ। এত গিয়ান রাহেন কৈ?
০৪ ঠা আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১২:২৮

লেখক বলেছেন: অপ্রাসাংগিক মন্তব্য। ধন্যবাদ।

১৭. ০৪ ঠা আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১১:৪৭
সালাহউদ্দীন আহমদ বলেছেন: "বলুন আল্লাহ্, এরপর তাদেরকে অনর্থক কথায় ছেড়ে দিন"।

এই বাক্যটি নিশ্চয়ই ছোট বেলাতেই আপনার জানা আছে। অনেক আগেই এসমস্ত বিষয়ের সুন্দর জবাব দেয়া আছে। যাহোক আপনি নিজস্বভাবে বিশ্লেষণের চেষ্টা করেছেন, সেজন্য ধন্যবাদ।
০৪ ঠা আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১২:২৯

লেখক বলেছেন: ঠিক বলেছেন, আমি নিজস্বভাবে বিশ্লেষণের চেষ্টা করেছি।

ধন্যবাদ।

০৪ ঠা আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১২:৩১

লেখক বলেছেন: অপ্রাসাংগিক মন্তব্য।

১৯. ০৪ ঠা আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১২:০৪
সিটিজি৪বিডি বলেছেন: যারা আল্লাহ ও তার রাসুল (সাঃ) কে বিশ্বাস করে তারা কখনো নাস্তিক হতে পারেনা।
০৪ ঠা আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১২:৩৩

লেখক বলেছেন: আল্লাহ, রাসুল এগুলোর আলোকে আমি আমার আস্তিকতা ব্যাখ্যা করি নাই। নিজের মত করে ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করেছি মাত্র।

তবে আমি নাস্তিক নই এটা সত্য কথা। ধন্যবাদ।

২০. ০৪ ঠা আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১২:০৮
ম্যাক্স পেইন বলেছেন: আস্তিকতা হল বিশ্বাসের ব্যাপার। যুক্তি দিয়ে এটাকে দাড়া করানো নিতান্তই মূর্খতা বলে মনে হয়।

আমি মনে করি নাস্তিকতার পক্ষেও যুক্তি আছে। কিন্তু তাই বলে সীমিত জ্ঞানের যুক্তি দিয়ে যেমন কখনই এটাকে সমর্থন করাটা ঠিক না, তেমনি দুর্বল বিশ্বাস নিয়ে নিজেকে আস্তিক দাবি করার মধ্যে কোন কৃতিত্ব নেই। বিশ্বাসটা খুব গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার। মনে হ্য় লেখকের ঐ জায়গাটাতে ঘাটতি আছে বলেই যুক্তি দেখিয়ে সান্তনা পাওয়ার চেষ্টা করছেন।





বিশ্বাসের সাথে যুক্তি চলে না ম্যান
ডাইমেনশানের হিসাব ও চলে না হেহে
০৪ ঠা আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১২:৩৬

লেখক বলেছেন: ১৫ নং মন্তব্যের জবাবে এই ধরণের অবযারভেশনর উত্তর দেওয়া হয়েছে।

২১. ০৪ ঠা আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১২:০৯
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: আবার শুরু হলো নাকি?
০৪ ঠা আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১২:৩০

লেখক বলেছেন: না ভাই এখানে কোন মারামারি/হানাহানি/চুলোচুলির সম্ভাবনা নেই।

২২. ০৪ ঠা আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১২:১৫
সাইলেন্সার বলেছেন:

আস্তিক-নাস্তিক এইসব নিয়ে সুশীল আলোচনার দরকার নাই।
যেখানে নাস্তিকের গন্ধ পাইবেন, সেইখানে চোখ বন্ধ কইরা কোপাইতে শুরু করবেন।
আর যদি হিট পাওয়ার ধান্ধা থাকে তাইলে আলাদা কথা.........
০৪ ঠা আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১:১১

লেখক বলেছেন: চোখ বন্ধ কইরা কোপাইতে শুরু করবেন। এক্সট্রিমিষ্ট হয়ে গেল........

২৩. ০৪ ঠা আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১২:১৭
এস. এম. রায়হান বলেছেন: একজন মহান সৃষ্টিকর্তা ছাড়া স্রেফ বোবা-কালা-অন্ধ প্রকৃতি ভালো ও মন্দের মধ্যে পার্থক্য করতে অক্ষম। ন্যায় ও অন্যায়ের মধ্যে পার্থক্য করতে অক্ষম। সত্য ও মিথ্যার মধ্যে পার্থক্য করতে অক্ষম। নৈতিকতা ও অনৈতিকতার মধ্যে পার্থক্য করতে অক্ষম। গৌতম বুদ্ধ ও হিটলারের মধ্যে পার্থক্য করতে অক্ষম। মহাত্মা গান্ধি ও বিন লাদেনের মধ্যে পার্থক্য করতে অক্ষম।

নাস্তিকদের কাছে গৌতম বুদ্ধ ও হিটলারের মধ্যে কোনই পার্থক্য নেই! মহাত্মা গান্ধি ও বিন লাদেনের মধ্যেও কোনই পার্থক্য নেই!
০৪ ঠা আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১২:৩৭

লেখক বলেছেন: সহমত।

নাস্তিকতা নৈতিকতা ও অনৈতিকতার মধ্যে পার্থক্য করতে অক্ষম বিধায় আমি আস্তিক।

২৪. ০৪ ঠা আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১২:২০
মারূফ মনিরুজ্জামান বলেছেন: আমি নিজেও খুব ভাল বুঝি না- নিজে ভালমত না জেনে কিছু সহজে বলা কঠিন এবং ভুল হতে পারে এবং কপটতার পর্যায়ে পড়ে। কিন্তু একটা ধারণা দেয়ার চেষ্টা করি- শুরু করে দেই ভুল ঠিক করার জন্য অনেকেই এগিয়ে আসেন ব্লগে- তাছাড়া স্ট্রিং থিওরীর উপর অসংখ্য ডকুমেন্ট আছে। গুগল সাহায্য করতে পারে-

x,y,z,t এই চারটা ঠিক আছে- পরের মাত্রা গুলো এরকমঃ

ধরেন একজন ছোটবেলা থেকে অনেক কিছু করে বড় হয় তারপর মারা যায়- এখন সে হয়ত একজন ডাক্তার হয়েছে- কিন্তু সে কৃষক, ডাকাত ইত্যাদি অনেক কিছু হতে পারত- সব সম্ভবনা নিয়ে অসংখ্য সমান্তরাল বিশ্ব -

এখন ধরেন অসংখ্য সম্ভবনাময় বিশ্ব- যেটা বিগ ব্যাং এ শুরু কিন্তু শেষ অসংখ্য সম্ভবনাময় বিশ্বে- যার সবগুলিতে মূল সূত্রগুলি একই থাকবে- আলো সরল রেখায় চলবে-

এখন এমন একটা সম্ভাবনা কল্পনা করা যাক যেখানে মূল সূত্রগুলি আর আমাদের পরিচিত বিশ্বের মত নয়- আলো বাঁকা পথে চলে-

এখন সব সম্ভাবনাময় বিশ্ব এবং সম্ভাবনাময় সময় কল্পনা করলে আমাদের দশম মাত্রা পাব-

এখানে আবার কোয়ান্টাম ফিজিক্স এর ব্যাপারও আছে- সাব এ্যাটমিক পার্টিকেল এর ক্ষেত্রে একটা পার্টিকেল এর অবস্থা অনিশ্চিত থাকে যতক্ষন তাকে কোন ভাবে না দেখা (!) হয়-
০৪ ঠা আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১২:২৬

লেখক বলেছেন: বুঝতে পেরেছি। ধন্যবাদ।

০৪ ঠা আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১:১৫

লেখক বলেছেন: মাইনাসে আপত্তি নাই। আপনার সে অধিকার আছে। যেহেতু মাইনাস এবং প্লাস দুটো বাটনই আপনি দেখতে পাচ্ছেন এবং আপনি তা ক্লিকও করতে পারছেন।

তবে আলোচনা করাটা সব সময় প্লাস।

২৬. ০৪ ঠা আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১:০৯
ঘাতক বলেছেন: আল্লাহ আছে কি নাই সেটা জানিনা, তই ধর্ম গুলান যে মিথ্যা এতে কোনো সন্দেহ নাই আমার।
০৪ ঠা আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১:১৩

লেখক বলেছেন: আপনার সন্দেহ না থাকলে তো ভালো।

তবে আল্লাহ থেকে থাকলে এরপর ভাবনা কি হওয়া উচিৎ সেটাও নিশ্চয় খুব শক্তশালি অধ্যায়।

২৭. ০৪ ঠা আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১:১৪
সাইফুল ফারদিন বলেছেন: আমি আস্তিক। তবে ব্যাপারটা পরিস্কার ভাবে তুলে ধরতে পাড়েন নি।
০৪ ঠা আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১:১৬

লেখক বলেছেন: সীমাবদ্ধতা তো থাকবেই। বাদবাকিটা আপনি যদি পরিস্কার ভাবে তুলে ধরেন তাহলে আরো নিশ্চয় ভালো হয়। ধন্যবাদ।

২৮. ০৪ ঠা আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১:২১
সাইফুল ফারদিন বলেছেন: অবশ্যই তুলে ধরব। তবে অসম্পূর্ণ ভাবে নয়।
০৪ ঠা আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১:২৬

লেখক বলেছেন: নিশ্চয়।

২৯. ০৪ ঠা আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১:৩৩
নাজিম উদদীন বলেছেন: প্রক্রিয়াটা উল্টে দিলে কেমন হয়? শিরোণামের উল্টোটাও সত্য।
০৪ ঠা আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১:৩৯

লেখক বলেছেন: স্বাধীনচেতা হিসাবে যে কোন মানুষের যে কোন ভাবে ভাবার অধিকার রয়েছে। প্রত্যেকটি মানুষ একই প্যারামিটারের উপর ভিত্তি করে কোন একটি বিষয়ের উপর আলোকপাত করবে সে রকমও না।

৩০. ০৪ ঠা আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১:৩৬
সরকার সেলিম বলেছেন: পোস্টটি ৮ জনের ভাল লেগেছে, ৯ জনের ভাল লাগেনি । ব্লগে এতো গুলো নাস্তিক!! কোন মাইনাস মেশিনের কারসাজি নাইতো!!

সুন্দুর লিখেছেন। পিলাস+
০৪ ঠা আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১:৪১

লেখক বলেছেন: মাইনাস মেশিন!! সে টা তো জানি না। তবে একই জনের একাধিক নিক থাকে সেটা সত্য, তবে সেখান থেকে তো প্লাস প্রক্রিয়াও বাড়ানো যায়।

মাইনাস-প্লাস এখন ভুলে যাই........যার যা মনে আসে তা দিক।

ধন্যবাদ।

০৪ ঠা আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১:৪২

লেখক বলেছেন: Thanks

৩২. ০৪ ঠা আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ২:১১
পড়ুয়া_পড়ুয়া বলেছেন: পাগল নাকি বাকিদের পাগল ভাবে ? কথাটা কি সত্যি ?
০৪ ঠা আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ২:২৩

লেখক বলেছেন: প্রাসাংগিক ও গঠনমুলক মন্তব্য একটি আলোচনাকে অর্থবহ করতে অনেকাংশে সাহায্য করে। তবে আমাদের সবাইকে সাহায্যকারি হিসাবে অভিহিত করা ঠিক হবে না।

৩৩. ০৪ ঠা আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ২:১২
পড়ুয়া_পড়ুয়া বলেছেন: আমি কিন্তু আপনাকে পাগল ভাবছি না । আবেগী ভাবছি ।
৩৪. ০৪ ঠা আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ২:৩৯
সিএইচকে বলেছেন: পুরান পাগলে ভাত পায় না নয়া পাগলের আমদানি।
০৪ ঠা আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ২:৫৩

লেখক বলেছেন: অপ্রাসাংগিক।

৩৫. ০৪ ঠা আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ২:৫২
কিউরিয়াস বলেছেন: লেখক বলেছেন: কিন্ত পার্থক্য, আস্তিকতায় সৃষ্টিকর্তার অস্তিতকে বিশ্বাসের মাধ্যমে এই পৃথিবীর সব কিছুকে ব্যাখ্যা করা সম্ভব হয়ে ওঠে, অপরদিকে নাস্তিকতায় সৃষ্টিকর্তার অস্তিতকে অবিশ্বাসের মাধ্যমে এই পৃথিবীর সব কিছুকে ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তালগোল পাকিয়ে ফেলে।

এইখানে যুক্তির অভাব আছে :) আপনি ঢাবির শিক্ষক, আপনার লজিক কেন দূর্বল হবে? :)

"আস্তিকতায় সৃষ্টিকর্তার অস্তিতকে বিশ্বাসের মাধ্যমে এই পৃথিবীর সব কিছুকে ব্যাখ্যা করা সম্ভব হয়ে ওঠে,"
কি বোঝাতে চাইলেন, বোঝা গেল না, ঠিক কোন ব্যাখ্যাটাকে আপনার সন্তোষজনক মনে হয়েছে, একটু বিস্তারিত বলবেন?

০৪ ঠা আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ২:৫৬

লেখক বলেছেন: সৃষ্টকর্তা কোথা থেকে এল এই প্রশ্নের মধ্য দিয়ে নয় বরং সৃষ্টিকর্তার অস্তিতকে স্বীকার করার মধ্য দিয়েই সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়া যায়।

৩৬. ০৪ ঠা আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৩:০৪
কিউরিয়াস বলেছেন: "সৃষ্টিকর্তা কোথা থেকে এল"--এটা বেশ পরের ব্যাপার, আগে আরেকটা বিষয়ে আপনার মতামত জানতে চাই,
আপনি বললেন, "আস্তিকতায় সৃষ্টিকর্তার অস্তিতকে বিশ্বাসের মাধ্যমে এই পৃথিবীর সব কিছুকে ব্যাখ্যা করা সম্ভব হয়ে ওঠে,"
এটা আরেকটু বুঝিয়ে দেবেন? ঠিক কোন ব্যাখ্যাটাকে আপনার সন্তোষজনক মনে হয়েছে?
০৪ ঠা আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৩:৪৯

লেখক বলেছেন: মনে করি সৃষ্টকর্তা আছে।

১) তাহলে আদিতেও তিনি অন্তেও তিনি।

২) মহাবিশ্বের দেখা অদেখা সবকিছুতেই তার রয়েছে পূর্ণ নিয়ন্ত্রন।

৩) কোথায় কি হয়েছিল, কি হচ্ছে বা কি হবে সবই তিনি জানেন।

৪)আমার যে নলেজ তা তার কাছে কিছুই নয়

৫) তিনি কিভাবে সৃষ্টিকে পরিচালনা করেন সেটা আমার বোধগম্য নয় (তার সেই বুদ্ধিদীপ্ত ও জটিল প্রোগ্রামিং) কারণ আমি যদি তা জানতাম তাহলেই আমি নিজেই তো সর্বশক্তিমান হয়ে যেতাম।

এইরকম বহুমুখি প্রশ্নের ব্যাখ্যা নাস্তিকতাতে পাওয়া যায় না।

********************************************
নোট: আমার ব্যাখ্যা মানে এই নয় যে

"আস্তিকতা দিয়ে আমি পানির রহস্যময় নেচারকে ব্যাখ্যা করতে পারবো।"

বা আস্তিকতা মানে এই নয় যে "আমি সেটা দিয়ে উড়োজাহাজ আবিষ্কার করে ফেলবো"

বস্তত এইসব সব আবিষ্কারের সাথে আস্তিকতা বা নাস্তিকতার কোন সম্পর্ক আছে বলে আমি মনে করি না।

০৪ ঠা আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৩:৫০

লেখক বলেছেন: মাইনাস আপনি দিতেই পারেন।

৩৮. ০৪ ঠা আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৪:২৭
মনির হাসান বলেছেন: নির্বোধ'তো আপনিও কম না মশাই । অংকের শুরুতেই আপনি ধরে নিয়েছেন সৃষ্টিকর্তা আছে । তার পর অংক মেলানো শুরু করেছেন । পিতৃপ্রদত্ব বৃত্ত থেকে বেড়িয়ে আসতে পারেননি, আর নাস্তিক'দের নির্বোধ প্রমানে ব্যাস্ত হয়েছেন ! হাস্যকর ! !

এই দুনিয়াদারি সৃষ্টি না অনাসৃষ্টি না রুপান্তর না সংঘটন মাত্র ... এসব নিয়ে ভেবেছেন ? ভাবলে এর প্রতিফলন'তো দেখলাম না কোন জায়গায়। প্রথমেই সৃষ্টিতত্ত্ব'এ আত্মসমর্পণ করে আলোচনা শুরুটা বোধকরি পিতৃপ্রদত্ত অর্বাচীনতা ... সারা জীবন শব্দগুলো শুনে এসেছেন ... 'সৃষ্টি' 'সৃষ্টিকর্তা' ... এর বাইরে মগজ কাজ না করাটাই স্বাভাবিক ।

যাই হোক ... অর্বাচীন থেকে দূরে থাকা নিরাপদ তারপরও একটা ছোট প্রশ্ন ... সৃষ্টিকর্তায় বিশ্বাস আনলে অংক মিলতে সুবিধা (টিপিকাল আত্মসমর্পন) ... আর প্রশ্ন করার কিছুই থাকেনা ... এরকম সুবিধাবাদী আস্তিকতার সার্থকতা কি ?

আর একটা ছোট প্রশ্ন ... আপনার ভাষায় "জ্ঞানের সীমাবদ্ধ গন্ডির ভেতর থেকে সৃষ্টিকর্তাকে নিয়ে খুজতে যায় বা প্রশ্ন করে বলে নাস্তিকেরা নির্বোধ গর্দভ" ।

তাহলে কি আপনার স্বীদ্ধান্তে ... সকল নবী রাসূল নির্বোধ গর্দভ । ইব্রাহীম নির্বোধ গর্দভ ... যীশূ, মুসা, স্বীদ্ধার্থ সকলে নির্বোধ গর্দভ । মুহাম্মদ সঃ'ও ছিলেন নির্বোধ গর্দভ ।
কারণ আমরা জানি এসব মানুষ সৃষ্টিকর্তা'কে খুজতে গিয়েছেন ... প্রশ্ন করেছেন ...
০৪ ঠা আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৪:৪১

লেখক বলেছেন: অংকের শুরুতেই যেমন ধরে নিয়েছি সৃষ্টিকর্তা আছে । তার পর অংক মেলানো শুরু করেছি। ঠিক তাই, কারণ অংক মিলে গেলে মন্দ কি? শুরুতেই যেমন ধরে নিয়েছি সৃষ্টিকর্তা আছে, আবার তেমনি সৃষ্ট থেকেও সৃষ্টিকর্তার দিকে যাওয়া হয়েছে।

সৃষ্টিকর্তা'কে খুজতে গিয়ে প্রশ্ন করাটা কোন গর্দভসুলভ কাজ নয়। গর্দভ তখন-ই হয় যখন প্রশ্নের কোন রুপ উত্তর না পেয়ে এবং সম্ভাব্য সমস্ত পরিক্ষা সম্পন্ন না করেই নাস্তিকতাকে মগজের ভিতর ঢুকিয়ে ফেলা হয়।

৩৯. ০৪ ঠা আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৭
তাজা কলম বলেছেন: সহমত হতে পারলাম না। বহু পুরানো বিতর্ক। ঈশ্বর আমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন অথবা আমরা ঈশ্বর সৃষ্টি করেছি কে জানে। ঈশ্বর কোন প্রমাণিত সত্তা নয়। বিশ্বাসীর বিশ্বাসেই ঈশ্বরের বাস। পৃথিবীর তাবদ ধর্মগ্রন্থই এ কথা বলে।
০৪ ঠা আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৪:৪৬

লেখক বলেছেন: মৌলিক বিষয় পুরানো হয়েও হয় না।

ভেবে দেখুনতো "ইশ্বর প্রমানিত সত্তা" এটার ব্যাখ্যা কতদুর যায়!!

৪০. ০৪ ঠা আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৪:৫৬
মনির হাসান বলেছেন: হা হা হা হা ... সুবিধাবাদী আস্তিকিয় আত্মসমর্পণ


এবং প্রশ্নের উত্তরে স্রষ্টা মিললেই অংক ঠিকাছে নাইলে সে নির্বোধ গর্দভ । বেশ ভালো বলেছেন ।

তো ভাই আপনি কোন ডিপার্টমেন্টে আছেন ?
ছাত্র'দের এভাবেই শিখান ?
০৪ ঠা আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৫:০৪

লেখক বলেছেন: আপনার হাসি দেখে সত্যিই আমার হাসি পেয়েছে।

যাই হোক, মনির হাসান ভাই আপনাকে ধন্যবাদ এই আলোচনায় কিছুটা হলেও অংশগ্রহন করার জন্যে। আমার দেখানো হিসাব চরম সত্য বলে কিছু না। যা আমার বিচারে সত্য তা আপনার বিচারে মিথ্যা হতে পারে। আর সেটাই তো অসাভাবিক কিছু নয়।

আমি যে বিভাগে আছি সেখানে অবশ্য এইসবের উপর (সৃষ্টিতত্ব) কোন ডিলিংস করা হয় না। সেখানে প্রতিষ্টিত কতুগুলো ফর্মুলা নিয়ে চর্চা করা হয়। তাই ভয়ের কোন কারণ নেই।

ভালো থাকবেন।

৪১. ০৪ ঠা আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০৪
মুহাম্মদ মোহেব্বুর রহমান বলেছেন: পোস্টে প্লাস। মন্তব্যের জবাব দানেও প্লাস।
০৪ ঠা আগস্ট, ২০০৯ রাত ৯:২৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৪২. ০৪ ঠা আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫৭
ভাবুক ০৯ বলেছেন: বিতর্ক কিছুটা আক্রমনাত্মক হয়ে যাচ্ছে। তবে লেখকের মন্তব্যে যথেষ্ট ভদ্রতা আছে। কিন্তু তিনি শিরোনামটাতেই যথেষ্ট আক্রমণ করে ফেলেছেন। এ প্রসঙ্গটি সব সময়ই অমিমাংসিত রয়ে যাবে, অন্তত ততদিন যতদিন যুক্তি দিয়ে সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্ব বুঝার চেষ্টা করা হবে। আর যদি বিশ্বাসের কথা বলেন, তাহলে তর্কে জড়ানোর যৌক্তিকতা নেই। কারণ যুক্তি খুঁজতে গেলে উভয় দিকেই অনেক যুক্তি পাওয়া যাবে। এখন প্রশ্ন হলো আমরা যুক্তি দিয়ে ধর্ম বুঝবো, নাকি বিশ্বাস দিয়ে? যদি মনে করেন ধর্মও যুক্তি দিয়ে বুঝবো, তাহলে বিতর্ক চলতে পারে। আমিও অংশগ্রহন করতে রাজি।
০৪ ঠা আগস্ট, ২০০৯ রাত ৯:৩৩

লেখক বলেছেন: আমিও আগেও বলেছি যে
হেডিংটা দিয়ে আমি প্রতিপক্ষকে আক্রমন করি নাই, আমি বুঝাতে চেয়েছি যে

"সুস্থ মস্তিস্কে আমি নাস্তিকতার কথা চিন্তা করতে পারি না, তাই আমি আস্তিক"

আর এটা সম্পর্ণরুপে আমার নিজের বিশ্লেষণ তাই লেখাতে কোন রেফারেন্সও নাই, যদিও একইভাবে হয়তো এই কথাগুলো অনেকই বলেছে।

এবং খেয়াল করুন নাস্তিক না লিখে নাস্তিকতা লিখেছি।

আর আপনি যেমনটি চেয়েছেন, ধর্মকে যুক্তির বিচারে বিচার করতে, আমি সেদিকে যাইনি। সেটি হয়ত সম্পর্ণ ভিন্ন ইস্যু বৈকি। আস্তিকতাকে মনে স্থান দিয়ে কে কিভাবে চলবে সেটা অন্য অধ্যায়ও বটে। তবে আমি মুসলিম।

৪৩. ০৪ ঠা আগস্ট, ২০০৯ রাত ৮:৫২
লুথা বলেছেন:
পডে খুব ভালো লাগছে... +++ দিলাম
০৪ ঠা আগস্ট, ২০০৯ রাত ৯:৩৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৪৪. ০৪ ঠা আগস্ট, ২০০৯ রাত ৯:০৫
অপরিচিত_আবির বলেছেন: মনির হাসান ভাইকে যাঝা।

আর লেখককে বলছি, আর যাই হোক সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্ব নিয়ে অনেক প্রশ্ন থাকতে পারে কিন্তু আপনি নাস্তিকদের মস্তিষ্কের সুস্থতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে বুদ্ধিমানের কাজ করেন নি। আস্তিক হতে গেলে পড়াশোনা করা লাগে না। একজন গ্রামের অশিক্ষিত কৃষক আস্তিক কারণ তার পিতামাতাও আস্তিক ছিল এবং সে সরল বিশ্বাসে সেটাই মেনে নিয়েছে। কিন্তু একজন নাস্তিক কিন্তু পড়াশোনা ছাড়া নাস্তিক হতে পারে বলে মনে হয় না। নাস্তিকের ধর্মকথার একটা কমেন্টে একবার একটা লিংক ধরে দেখেছিলাম যে বিশ্বের নাস্তিকেরা বেশিরভাগই হাই আই কিউ এর মানুষ। এটা আমি বলছি না এটা পরিসংখ্যানই বলে। আপনি যদি হাই আইকিউ কে মানসিক অসুস্থতা বলে আখ্যায়িত করেন তবে দয়া করে আপনার আইকিউটা একবার জানিয়ে যাবেন।
০৪ ঠা আগস্ট, ২০০৯ রাত ৯:৪৮

লেখক বলেছেন: হাই আইকিউ সম্পন্ন মানুষ যদি সৃষ্টি রহস্যটা ব্যাখ্যা করে যেতেন, তিনি যদি সমস্ত নলেজের অধিকারী হতেন, তিনি যদি নাস্তিকতাকে প্রতিষ্ট করে যেতেন তাহলে হয়তো আমিও আস্তিক হতাম না।

কিন্ত আফসোস তারা তা করে যেতে পারেন নি। ডি.এন.এ. সম্পর্কে হালকা পাতলা নলেজ যার আছে তার আবার মহাবিশ্বের কন্সটেলেশন সম্পর্কে কোন ধারণা নেই এবং উল্টা। তাই হাই আই কিউ সম্পন্ন ব্যাক্তির সিদ্ধান্তকে মেনে নিতে পারছি না।

আমি তার কথায় মেনে নিব যার আছে অসীম নলেজ, যিনি সব কিছুকে ব্যাখ্যা করতে পারেন, যিনি সবকিছুকে নিয়ন্ত্রন করতে পারেন আর তাকেই আমি ইশ্বর বলি।

তাই যে বলে ইশ্বর নেই সে নিজেই তার সীমাবদ্ধতাকে তুলে ধরছে। নিজেই তার জানার জার্নিটাকে শেষ সমাপ্ত করে ফেলছে।

অট: আমার আই কিউ হয়ত আপনার চেয়ে অনেক অনেক গুন কম।

৪৫. ০৪ ঠা আগস্ট, ২০০৯ রাত ৯:১৯
শয়তান বলেছেন: শিরোনাম ই মাইনাস দেয়ার জন্য কাফি।
০৪ ঠা আগস্ট, ২০০৯ রাত ৯:৫০

লেখক বলেছেন: শিরোনাম যেমন উম্মুক্ত মাইনাস বাটনও তেমনি উম্মুক্ত।

৪৬. ০৪ ঠা আগস্ট, ২০০৯ রাত ৯:২০
আরিফুর রহমান বলেছেন: গোঁজামিলের উৎসব..

এই পোস্ট..

মোল্লা মাদবরের চটি আর বয়ান ধর্মী 'কিতাব' পড়লে চিন্তা এর চেয়ে আগে বাড়বে না...

বিজ্ঞান বুঝতে হলে একটু খাটাখাটনি করতে হয়.. আর সবাই লজিক খাটিয়ে চিন্তাও করতে পারে না...

বেচার আব্দুর রহমান.. ;)
০৪ ঠা আগস্ট, ২০০৯ রাত ৯:৫৯

লেখক বলেছেন: আপনার নিকট যদি আমার চিন্তাকে অথর্ব মনে হয় তাতে আমার মন খারাপ হলেও সেটা অযোক্তিক। কারণ আপনি আপনার মত ভাবতে পারেন এবং আপনার ইচ্ছামত বিচারিক মানদন্ড নির্বাচিত করতে পারেন।

ও হ্যাঁ

আপনার দেওয়া লিংটি পড়েছি।

৪৭. ০৪ ঠা আগস্ট, ২০০৯ রাত ৯:২৩
আলী আরাফাত শান্ত বলেছেন: এগুলা পোস্ট না দিলেই কি ভালো না!
মাইনাস!
০৪ ঠা আগস্ট, ২০০৯ রাত ৯:৫৪

লেখক বলেছেন: এই পর্যন্ত এই একটা পোষ্ট-ই দিয়েছি এর উপর। তবে হ্যাঁ সামুতে এই সবের উপর অনেক অনেক আলোচনা হয়েছে সেটা আমি জানি। এবং যখন ব্লগে রেজিষ্ট্রেশন করি নাই তখনও অফলাইনে অনেক পোষ্ট পড়েছি। একটি পোষ্টে আমার ২/১ টি কথা তুলে ধরার জন্যই এই পোষ্ট দিলাম তা যোক্তিক হোক আর অযোক্তিক।

৪৮. ০৪ ঠা আগস্ট, ২০০৯ রাত ৯:২৫
হাসান মাহবুব বলেছেন: শয়তান বলেছেন: শিরোনাম ই মাইনাস দেয়ার জন্য কাফি।
০৪ ঠা আগস্ট, ২০০৯ রাত ৯:৫৪

লেখক বলেছেন: জি ধন্যবাদ।

৪৯. ০৪ ঠা আগস্ট, ২০০৯ রাত ১০:৪২
কিউরিয়াস বলেছেন: ৩৭ নং মন্তব্যের উত্তরে যা বললেন, সেটা কিন্তু গোঁজামিল দিয়ে অংক মেলানো ছাড়া কিছু নয়......অংকের যোগ বিয়োগ শেষে ৫ টা আপেলের কোন হিসাব নাই, সেইটা "ভূতে খেয়েছে" বলা আর আপনার কথাগুলোর মধ্যে খুব বড় কোন তফাৎ নাই :)

আপনার লেখার আরেকটা বিভ্রান্তিকর দিক তুলে দেই:
আপনি বললেন, সৃষ্টিকর্তাকে পুরা বোঝা এখনো অনেক দূর...

("মনে করি সৃষ্টিকর্তা আছে। তাহলে তার কতটুকু নলেজ থাকার কথা?.....সবগুলোর উপরই সৃষ্টিকর্তার পূর্ননলেজ থাকা আবশ্যক বৈকি। কোন মানুষের এই সকল বিষয়ের উপর নলেজ নেই এ কথা সহজেই অনুমেয়, তাহলে সৃষ্টিকর্তার সৃষ্ট জিনিষসমুহের উপরেই যেখানেই কোন মানুষের ধারণা পূর্ণ নয় ")

আবর সেই সৃষ্টিকর্তাকেই এই জগত ব্যাখ্যা করার কাজে লাগালেন (আস্তিকতায় সৃষ্টিকর্তার অস্তিতকে বিশ্বাসের মাধ্যমে এই পৃথিবীর সব কিছুকে ব্যাখ্যা করা সম্ভব হয়ে ওঠে,)

স্ববিরোধী কথা :)
০৭ ই আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১:১১

লেখক বলেছেন: এখানে আমি কোন স্ববিরোধী কথা দেখতেছিনা।

ধন্যবাদ।

৫০. ১৪ ই আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৪৮
কাব্য বলেছেন: আমি আস্তিক কারণ নাস্তিকতা হলো অসুস্থ মস্তিস্কে এলোমেলো ভাবনার ফসল
১৪ ই আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০৯

লেখক বলেছেন: পোস্টটি ১৫ জনের ভাল লেগেছে, ২২ জনের ভাল লাগেনি

৫১. ১৪ ই আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩৬
সত্যবাক বলেছেন: ভালো পোষ্ট। ++

পোষ্টটি কতজনের ভাল লেগেছে আর কতজনের ভাল লাগেনি এ দিয়ে কিন্তু কোন পোষ্টের মান যাচাই হয় না। কারণ ব্লগে কিছু আঁতেল আছে যারা বুঝেও মাইনাস মারে, না বুঝেও মারে।

প্রমাণঃ নিচের লিংকটি দেখুন।

Click This Link

বেচারা ব্লগে নতুন, তাই অনেক কিছুই বুঝেনা। তাই খুব সংক্ষেপে ব্লগের নিয়ম-কানুন জানতে চেয়েছিল। কিন্তু তাতেও তার মাইনাসের কবল থেকে মুক্তি নেই!!

এইসব মাইনাসওয়ালাদের আঁতেল না বলে আর কী বলবেন?
৫৩. ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:৩২
চিরসবুজ-মানব বলেছেন: অফটপিকের জন্য দুঃখিত! আপনার মতামত চাই..............


Click This Link
৫৪. ১৩ ই অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২৫
তাজা কলম বলেছেন: আমার ফান পোষ্টে আপনাকে স্বাগত:

Click This Link
৫৫. ১৩ ই অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫১
ভুরিদত্ত বলেছেন: আর যাকে বলেছেন বলেছেন, ক্রিস্টোফার হিকিন্স যদি এক বার জানতে পারে, টকাটক গাঁট্টা মেরে মাথাকে পুরো আলু বানিয়ে দেবে কিন্তু। ;)
৫৬. ১৩ ই অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫৯
দন্ডিত বলেছেন: সায়েন্টিফিক মেথড কিভাবে কাজ করে জানেন?
৫৭. ০৯ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:৪৮
মানু্ষ বলেছেন: nice posting - at least positive way of thinking.
৫৮. ০৯ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:০৩
সারওয়ার ইবনে কায়সার বলেছেন: মনির হাসান বলেছেন: নির্বোধ'তো আপনিও কম না মশাই । অংকের শুরুতেই আপনি ধরে নিয়েছেন সৃষ্টিকর্তা আছে । তার পর অংক মেলানো শুরু করেছেন । পিতৃপ্রদত্ব বৃত্ত থেকে বেড়িয়ে আসতে পারেননি, আর নাস্তিক'দের নির্বোধ প্রমানে ব্যাস্ত হয়েছেন ! হাস্যকর ! !













আর উনারা কি করেন?? পয়লাই ধইরা নেন যে ঈশ্বর নাই......তারপর মিলাইতে থাকেন.....
৫৯. ০৯ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:১৭
প্রচ্ছদ বলেছেন: এস. এম. রায়হান বলেছেন: একজন মহান সৃষ্টিকর্তা ছাড়া স্রেফ বোবা-কালা-অন্ধ প্রকৃতি ভালো ও মন্দের মধ্যে পার্থক্য করতে অক্ষম। ন্যায় ও অন্যায়ের মধ্যে পার্থক্য করতে অক্ষম। সত্য ও মিথ্যার মধ্যে পার্থক্য করতে অক্ষম। নৈতিকতা ও অনৈতিকতার মধ্যে পার্থক্য করতে অক্ষম। গৌতম বুদ্ধ ও হিটলারের মধ্যে পার্থক্য করতে অক্ষম। মহাত্মা গান্ধি ও বিন লাদেনের মধ্যে পার্থক্য করতে অক্ষম।

নাস্তিকদের কাছে গৌতম বুদ্ধ ও হিটলারের মধ্যে কোনই পার্থক্য নেই! মহাত্মা গান্ধি ও বিন লাদেনের মধ্যেও কোনই পার্থক্য নেই!
০৪ ঠা আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১২:৩৭

লেখক বলেছেন: সহমত।

নাস্তিকতা নৈতিকতা ও অনৈতিকতার মধ্যে পার্থক্য করতে অক্ষম বিধায় আমি আস্তিক।
......................................হালকা প্রশন:

একাত্তরে খুনীধর্ষক রাজাকার আলবদরের মধ্যে কয়টা নাস্তিক ছিল?
৬০. ০৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৪২
লালসালু বলেছেন: লড়াকু বলেছেন: না পড়ে শুধু শিরোনামের জন্যেই মাইনাস। এখন পড়া শুরু করতেছি।
এরা কি না পড়েই নাস্তিক হয়েছে? এদের জন্য দুঃখ লাগে। লেখাটা দারুন।
৬২. ১৯ শে জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৬:৪৯
মৌ-মাছি বলেছেন: "আমি আস্তিক কারণ নাস্তিকতা হলো অসুস্থ মস্তিস্কে এলোমেলো ভাবনার ফসল"

ভেবেছিলাম লেখাটিতে আস্তিক হওয়ার বিষয়ে লেখকের একান্ত ব্যক্তিগত কিন্তু যুক্তি সংগত কিছু বক্তব্য পাব। কিন্তু পুরো লেখাটিই যুক্তির বিচারে এলোমেলো। আমি নিজে আস্তিক বা নাস্তিক বা কোনটি পছন্দ করি সেটি বিবেচ্য নয়। আমি বুঝতে চেয়েছিলাম লেখকের ভাবনা। দুঃখের বিষয় কাঁচা হাতে যুক্তি দেয়ার নামে যুক্তি নিয়ে এমন খেলা খেলা হয়েছে যে সেটি বাচ্চাদেরকে কেন জাতীয় প্রশ্ন একাধারে করতে থাকলে বাচ্চারা যেমন উত্তর দেয় তেমন হয়ে গেছে।

লেখকের পুরো বক্তব্যের পরেও "আমি নাস্তিক কারণ আস্তিকতা হলো অসুস্থ মস্তিস্কে এলোমেলো ভাবনার ফসল" এটি আর লেখকের "আমি আস্তিক কারণ নাস্তিকতা হলো অসুস্থ মস্তিস্কে এলোমেলো ভাবনার ফসল" দুটিই একই পর্যায়ে রয়ে গেছে।

৬৩. ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০১০ বিকাল ৩:৩৬
মাহফুজশান্ত বলেছেন: মুসলমানের নামধারী আরিফুর, মনির---এদরে কথায় কান দেবেন না। এরা মানুষের বেশে নাস্তিক নামের ফানুস। আপনি আপনার মত জানুন, ভাবুন এবং লিখুন ++

'খাঁটি মুমীন'

খাঁটি মুমিনেরা স্রষ্টার ধ্যানে
সর্বদা রয় মগ্ন
দুনিয়ার মোহে এই মগ্নতা
কখনো হয়না ভগ্ন,
দেহ-মন তাঁরে সপিয়া করে
নফসের সাথে যুদ্ধ
লা-ইলাহার মধুর পরশে
আত্মাকে করে শুদ্ধ,
হিংসা, লোভের কালোছায়া হতে
অন্তর রাখে মুক্ত
দম্ভ-মুক্ত ঈমানি চেতনা
হৃদয়কে করে সিক্ত,
খাসদিলে খাঁটি তওবা কোরে
পরম শান্তি পায়
সৃষ্টির সেরা রসূলের প্রেমে
জান-মাল ঢেলে দেয়,
বিশ্ব বাসীর হিত সাধনে
নিজেকে বিলিয়ে দেয়
মানুষে মানুষে ভেদাভেদ ভুলে
স্রষ্টাকে খুঁজে পায়।


৬৪. ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০১০ বিকাল ৪:০৪
ফাহিম আহমদ বলেছেন: সুন্দর লেখা +++++++++++

 

মোট সময় লেগেছে ১.১৩৯৬ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
এটা ওটা নিয়ে একটা পোষ্ট লেখা আসলেই অনেক কঠিন কাজ। সময় পাই না বলে চালিয়ে দিলেও আসল ঘটনা হলো অলসতা...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই