somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... ভাজিলি আর্কাইপভ: নিউক্লিয়ার যুদ্ধ থেকে পৃথিবীকে রক্ষাকারী সেই মানুষটি নিউক্লিয়ার যুদ্ধ থেকে। উত্তর কোরিয়া প্রায় দক্ষিণকে হুমকি দেয় যে তারা দক্ষিণের রাজধানি সিউলকে আগুনের সাগরে পরিণত করবে! কয়েকদিন আগে চাইনিজ মেজর জেনারেল ঝাং জো ঝং বলেলন ইরানকে রক্ষা করতে হলে প্রয়োজন তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ হলেও চীন তাতে দ্বিধা করবে না । এশিয়ার ক্রমবর্ধমান উন্নয়ন, আমেরিকা-ইউরোপের সাম্রাজ্যবাদিতা, বিশ্বে প্রতিনিয়ত জন্ম নেওয়া নতুন নতুন সমষ্যা একদিন হয়তো সত্যি সত্যি আমাদের এই পৃথিবীকে ঠেলে দিবে নিউক্লিয়ার যু্দ্ধের দিকে; ধংস হয়ে যাবে পৃথিবী। সে যাক, এই পোষ্টে ভাজিলি আর্কাইপভ কিভাবে নিউক্লিয়ার যুদ্ধ থেকে পৃথিবীকে রক্ষা করেছিলেন সেটা জানবো। তবে তার আগে চলুন দেখি আরো কয়েকটটি চান্চল্যকর ঘটনা সেগুলোও ছিল বেশ ভয়ানক!

ডিলিউথ বিমানঘাঁটিতে অনধিকার প্রবেশকারী
কিউবান ক্ষেপনাস্ত্র সংকটকালে, ১৯৬২ সালের ২৫ অক্টোবর, মিনিসোটার ডিলিউথের একটি বিমানঘাঁটিতে একজন গার্ড হটাৎ লক্ষ্য করে যে অবৈধ ভাবে কেউ একজন সীমানা প্রাচীর বেয়ে উঠতেছে। গার্ড ঐ ব্যক্তিকে লক্ষ্য করে গুলি করে এবং বিপদসংকেত দেয়। এতে করে ঐ এলাকার সব বিমান ঘাঁটিতেই বিপদসংকেত বেজে ওঠে। যাই হোক, উইচকনসেনের ভোক ফিল্ড বিমানঘাঁটিতে বিপদসংকেত সিস্টেমে ত্রুটি ছিল। ছোট-খাট বিপদ সংকেতের পরিবর্তে এটা নিউক্লিয়ার-অস্ত্র সজ্জিত এফ-১০৬এ ডেল্টা ডার্ট ইন্টারসেপ্টরদেরকে DEFCON 3 সংকেত দিয়ে আকাশে ওড়ার নির্দেশ দেয়! যেহেতু DEFCON 3 সংকেতে কোন অনুশীলনের সুযোগ নেই তাই পাইলটরা মনে করে যে সোভিয়েত ইউনিওনের সাথে নিউক্লিয়ার যুদ্ধ শুরু হয়ে গেছে। বিমান উড়বে এই মূহুর্তে কন্ট্রোল টাওয়ার থেকে তাড়াহুড়ো করে বিমানের দিকে একটি গাড়ি ছুটে আসে এবং বিমান থামানোর জন্য সংকেত প্রদান করে! পরবর্তিতে দেখা যায়, যেটি অবৈধভাবে প্রাচীর বেয়ে উঠতেছিল সেটি আসলে একটা ভালুক!


ডিলিউথ বিমানঘাঁটির বিমান উড়ার প্রস্ততি

থুলি বিমানঘাঁটি পতন
"হার্ড হেড" মিশনের অংশ হিসাবে ১৯৬৮ সালের ২১ জানুয়ারী একটি বি-৫২ বোমারু বিমান ৪ টি হাইড্রোজেন বোম নিয়ে গ্রীনল্যান্ডের নিকট বাফিন উপসাগরের উপর দিয়ে উড়ছিল। জায়গাটি আসলে একটি বিমানঘাঁটি যেটি ঠিক সোভিয়েত এয়ার স্পেসের সীমানা লাগোয়া যেখান থেকে প্রয়োজনে খুব দ্রুত শত্রু পক্ষকে আঘাত করা যায় বা প্রতিশোধমূলক পাল্টা আক্রমন করা যায়। যাই হোক, হটাৎ করে এই ফ্লাইটে আগুন ধরে যায়! বৈমানিকদের ৬ জন বের হয়ে যেতে পারলেও একজন মারা গিয়েছিল। প্লেন টুকরো টুকরো হয়ে সাগরের বরফের উপর পড়লো এবং নিউক্লিয়ার বোমের উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন বিস্ফোরক দ্রব্যাদি বিস্তীর্ণ সাগরের উপরে ছড়িয়ে গেল আর তার সাথে সাথে তেজস্ক্রিয় পদার্থও। ভাগ্য ভালো সেখানে কোন পারমানবিক বিস্ফোরণ হয়েছিল না কারণ বোমাগুলো অস্ত্রসজ্জায় সজ্জিত ছিল না। পরবর্তিতে বড় ধরণের পরিষ্কার অভিযান চালানো হয় এবং ৬৭০০ ঘনমিটার দূষিত বরফ এবং তুষার যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে যাওয়া হয়।

নরওয়ের গবেষনা রকটে
১৯৯৫ সালের ২৫ জানুয়ারী, নরওয়ের একদল বিজ্ঞানী Black Brandt XII নামের একটি গবেষণা-রকেট নিক্ষেপ করেন। রাশিয়ান রাডার ষ্টেশনগুলো এটাকে নর্থ কেপ থেকে নিক্ষিপ্ত Trident missile হিসাবে সনাক্ত করে। এবং এক প্রকার বিশ্বাস করা হয় যে, এই মিসাইল মস্কোর কমান্ড ও কন্ট্রোল সিস্টেমকে ধংস করার জন্য ছোড়া হয়েছে। রাডারের সতর্কবার্তা সাথে সাথে রাশিয়ান হাই কমান্ডকে জানানো হয়। এবং অতি দ্রুত রাশিয়ান প্রেসিডেন্ট, প্রতিরক্ষা মন্ত্রী এবং সামরিক বাহিনীর প্রধানদের মধ্যে ভিডিও কনফারেন্স হয় (কেউ কি কল্পনা করতে পারেন কি রকম হতে পারে সেই কথোপকথ!!)। আট মিনিট পরে, রাশিয়ান বিশেষ কম্পিউটার হিসাবে করে বের করে যে মিসাইলগুলো প্রকৃতপক্ষে নরওয়ের সাগরে বিস্ফোরিত হবে; এটার টার্গেট রাশিয়া না। যাক বাবা এবারের মতো বাঁচা গেল। পরবর্তীতে রাশিয়ান নিউক্লিয়ার এক্সপার্টরা বলেছিল যে এই ধরণের নিউক্লিয়ার মিসাইলের পাল্টা ব্যবস্থা হিসাবে নিউক্লিয়ার মিসাইল নিক্ষেপ করা হবে কিনা সেই সিদ্ধান্ত নিতে ১০ মিনিট সময় থাকে। তার মানে, প্রেসিডেন্ট বরিস ইয়েল্থসিনের মাত্র ২ মিনিট সময় ছিল! পথ ছিলো দুটো, হয় নিজেদের নিউক্লিয়ার মিসাইল ছোড়া এবং বিশ্বব্যাপি যুদ্ধ শুরু করা, নতুবা নিজেরা চুপচাপ ধংস হয়ে যাওয়া।


নরওয়ের রকেট

কর্নেল পেট্রোভ: মহান ব্যক্তি
১৯৮৩ সালের ২৬ সেপ্টেমবর মধ্যরাত, বেলারুশের গেন্টসাভিচি শহরের সেরপোকভ ১৫ বান্কারে কর্তব্যপালনে ছিলেন কর্নেল স্ট্যানিসলভ পেট্রোভ। হটাৎ করে বান্কারের কম্পিউটার থেকে সতর্ক সংকেত: ওকো ওয়ার্নিং স্যাটেলাইট মধ্য-পশ্চিম আমেরিকা থেকে নিক্ষিপ্ত ৫ টি মিনিউটম্যান-II ICBM (আন্তঃমহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্র) ডিটেক্ট করেছে। এই সংকেত রাশিয়ান হাই কমান্ডকে জানানোর অর্থ-ই হলো নিউক্লিয়ার যুদ্ধ অনিবার্য। যাই হোক, পেট্রোভ সোভিয়েত নিয়ম-কানুন কে অমান্য করলেন এবং হাই কমান্ড কে কোনরুপ সংকেত দেওয়া থেকে বিরত থাকলেন। পরবর্তীতে, তিনি বলেছিলেন আমেরিকা যদি ঐ সময় প্রথমে ক্ষেপনাস্ত্র মেরে সোভিয়েতকে ধংস করতে চায়বে তাহলে কেন মাত্র ৫ টি মিসাইল, কেন কয়েক হাজার মিসাইল একসাথে নয়; ৫ টি মিসাইল খুব বেশি ধংস করতে পারবে না। যাই হোক, পরে জানা যায় যে, স্যাটেলাইটের ইন-ফ্রারেড সেন্সরে ত্রুটি ছিল।

কর্নেল পেট্রোভ


এইবার সেই: কিউবান মিসাইল ক্রাইসিস মুকাবিলা
১৯৬২ সালের ১৪-ই অক্টোবর সকালে একটি আমেরিকান U-2 প্লেন (সৈনাপত্য-সংক্রান্ত প্রাথমিক নিরীক্ষণে ব্যবহৃত) কিউবার কমিউনিস্ট আইল্যান্ডের উপর দিয়ে উড়ার সময় সোভিয়েত ইউনিয়ন কর্তৃক মাঝারি পাল্লার ক্ষেপনাস্ত্র SS-4 নিক্ষেপের জন্য নির্মিত কয়েকটি জায়গা আবিষ্কার করলো। এই আবিষ্কারের সাথেই সাথেই শুরু হয়ে যায় সারা পৃথিবীকে ভয়ে ভয়াতুর করে তোলা কিউবান মিসাইল ক্রাইসিস। আমেরিকানদের নাকের ডগায় মিসাইল নিক্ষেপের ব্যবস্থা দেখে স্বভাবতই তারা খুশি হতে পারলো না; সম্তব্য হুমকি মোকাবেলায় তারা বেশ কয়েকটি উপায়ও ভাবলো যেমন কিছই না করা, ক্ষেপনাস্ত্র ধংসের জন্য এয়ারস্ট্রাইক করা, পুরো দমে সামরিক হামলা করা। অবশেষে, তারা আইল্যান্ডটিকে অবরোধ করে রাখলো, যাতে করে আর কোন মিসাইল কিউবাতে না প্রবেশ করতে পারে। সোভিয়েত ইউনিয়ন এটাকে আগ্রাসন হিসেবে বিবেচনা করায় উত্তেজনা বাড়তে থাকে। প্রথমবার এবং বিশ্বইতিহাসের এই একমাত্রবার, মার্কিন বিমান বাহিনীকে DEFCON 2 (লাল রং) তে প্রস্তত রাখা হয়। অবরোধ চলাকালীন, অক্টোবর ২৭ তারিখ, সেখানে থাকা একটি আমেরিকান Destroyer সোভিয়েত সাবমেরিন বি-৫৯ কে উদঘাটন করে। সাবমেরিনটিকে উপরিভাগে নিয়ে আসার জন্য আমেরিকান Destroyer থেকে ডেপথ চার্জ (সাবমেরিন ধংস করার প্রাথমিক পদক্ষেপ হিসাবে জোর করে পানির উপরিভাগে নিয়ে আসা হয়) প্রয়োগ করা হয়।


রাশিয়ান সাবমেরিন

অবস্থা ভয়াবহ এবং আর কোন উপায় না দেখে সাবমেরিন ক্যাপ্টেন ভ্যালেন্টিন সোভেটস্কি পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে ১৫ কিলোটনের নিউক্লয়ার বোমায় সজ্জিত টর্পেডো ফায়ারিং এর জন্য প্রস্তত করার নির্দেশ দেয়। উল্লেখ্য যে, সাবমেরিন থেকে নিউক্লিয়ার-টর্পেডো ফায়ারের জন্য মস্কো থেকে কোন অনুমতির প্রয়োজন ছিল না। কিন্ত, টর্পেডো ছোড়তে হলে সাবমেরিনের ক্যাপ্টেন সহ রাজনৈতিক কর্মকর্তা এবং সেকেন্ড-ইন-কমান্ড ভাজিলি আর্কাইপভ এই তিনজনের অনুমতির প্রয়োজন ছিল। ক্যাপ্টেন এবং রাজনৈতিক কর্মকর্তা টর্পেডো ছোড়ার পক্ষে থাকলেও বিপক্ষে থাকলো ভাজিলি আর্কাইপভ। এবং ভাজিলি আর্কাইপভ ক্যাপ্টেনকে ম্যানেজ করে সাবমেরিনকে উপরে নিয়ে আসেন এবং মস্কোর উপর সবকিছু ছেড়ে দেন। সেই সাথে এড়িয়ে যাওয়া সম্ভব হয় নিউক্লিয়ার যু্দ্ধটি, সে সাথে বেঁচে যায় এই পৃথিবীটিও। সালাম তোমাকে ভাজিলি আর্কাইপভ । আজ তোমার জন্মদিন, তোমাকে জানাই শ্রদ্ধা।


ভাজিলি আর্কাইপভ।

ভাজিলি আর্কাইপভের আরো কয়েকটি তথ্য:
জন্ম: ১৯২৬ (মস্কো)
মৃত্য: ১৯৯৯
পেশা: নেভাল অফিসার, সর্বশেষ র‌্যাংক: ভাইস এডমিরাল
যুদ্ধ: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ, কিউবান মিসাইল ক্রাইসিস
পুরষ্কার: অর্ডার অব দ্যা রেড ব্যানার , অর্ডার অব দ্যা রেড ষ্টার
-উপর নির্মিত ছবি: ক্রিমসন টাইড

একটি ভিডিও

ক্রিমসন টাইডে তুলে ধরা সেই সংকটুময় মুহৃত:]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sriaz/29531977 http://www.somewhereinblog.net/blog/sriaz/29531977 2012-01-30 13:26:00
বরিস্কা: মঙ্গল গ্রহ থেকে আগত বিস্ময় বালক পৃথিবীতে কত যে আজগুবি ঘটনা/কাহিনী ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে তার কোন শেষ নেই। ধর্ম-গুরুদের ঐশী ও ভবিষ্যত বাণী যুগে যুগে মানুষকে করেছে উতলা, সংখ্যা-তত্তের আলোকে ভবিষ্যত বাণী দিয়ে সময়ে সময়ে মানুষকে করা হয়েছে বিভ্রান্ত। অনেক দিন ধরে শুনছি
মায়া ক্যালেন্ডারের কথা, পৃথিবী নাকি ২০১২ সালে শেষ হয়ে যাবে। কি সব হিসাব-নিকাশ করে একেবারে নির্ভুলভাবে বের করে ফেলে কবে কখন শেষ হতে যাচ্ছে মানুষের আনাগোনা। বাবা ভাঙ্গা তো রীতিমত পরবর্তী তিন হাজার বছরে পৃথিবীতে কোথায় কি ঘটবে তা বলে গেছে। ইউটিউবে এ নিয়ে অনেক ভিডিও পাওয়া যায়। সবচেয়ে মজার ব্যাপার হলো বাবা ভাঙ্গার একটি ভবিষ্যত বাণী: ২০১০ সালের নভেম্বরে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হবে। ২৩ নভেম্বর উত্তর কোরিয়া যখন দক্ষিণ কোরিয়ার ইয়ংপিয়ং দ্বীপে আর্টিলারি এট্যাক করে, তার কিছুক্ষণ পরেই ইন্টারনেট জগতে দেখা যায় অনেকই বলছে এটা নাকি বাবা ভাঙ্গার ভবিষ্যত বাণী সত্য প্রমান করছে!

ইদানিং এরকমই একটি বিস্ময় হচ্ছে বরিস্কা। ১৪ বছরের রাশিয়ান এই বালক নাকি পুনর্জন্ম নিয়ে পৃথিবীতে এসেছে। বিস্ময়টি হলো এর আগে বরিস্কা মঙ্গল গ্রহে জন্মগ্রহন করেছিল। আর সে জন্যই বরিস্কাকে বলা হয় মঙ্গল গ্রহের বালক। এবং বরিস্কা এ জন্মে মঙ্গল-জীবনের অনেক কিছুই মনে করতে পারে! ইন্টারনেটে একটু ঘাটাঘাটি করে বেশ কিছু তথ্যও পাওয়া গেল বরিস্কাকে নিয়ে।

১৯৯৬ সালে বরিস্কা জন্মগ্রহন করে রাশিয়ার ভলগোগ্রাড রিজিয়নের ভলঝাই শহরে।পৃথিবীতে তার জন্মগ্রহনের সময়কার ঘটনাও একটু অসাভাবিক বটে। তার মা কিপ্রিনিয়াওভিচ এ সম্পর্কে বলেন , "এ সব এত দ্রুত ঘটে গেল যে আমি কোন প্রসব যন্ত্রনাও পেলাম না। যখন নার্সরা শিশুটিকে আমাকে দেখালো, সে আমার দিকে পরিপূর্ণ দৃষ্টিতে তাকিয়ে ছিল। একজন শিশুরোগ-চিকিৎসক হিসাবে আমি জানি নবজাতক এভাবে কোনকিছুর দিকে একদৃষ্টিতে তাকাতে পারে না"।

হসপিটাল থেকে বাড়ি আসার পর সে তার নবজাতকের বেশ কিছ অসাভাবিক জিনিষ লক্ষ্য করতে শুরু করলেন। মাত্র ১৫ দিন বয়স থেকেই সে তার মায়ের হাত শক্ত করে ধরতে পারে। সে সাধারণত কাঁদে না, এমনকি তার কোন রোগেও ধরে না। সে অন্যান্য শিশুদের মত বড় হতে থাকলেও মাত্র ৮ মাস বয়সেই সাভাবিক মানুষের মত করে কথা বলা শিখে যায়। বাবা-মা (বরিস্কার) তাকে একটি মেকানো দিলে সে বিভিন্ন পার্ট দিয়ে নির্ভুলভাবে সঠিক জ্যামিতিক আকারে পরিনত করে। তারা লক্ষ্য করে শিশুটি এমন কারো সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করছে যেন তার নিজের বাপ-মা তার কাছে ভিন্ন গ্রহের কেউ।

বরিস্কার বয়স যখন ২ বছরে তখন সে নীল ও বেগুনি রং-এ মিশ্রিত এমন সব অদ্ভুত ছবি আঁকতে শুর করে যা প্রথমত বিমূর্ত মনে হতো। সাইকোলজিস্টরা বললো শিশুটি খুব সম্ভবত তার আশে পাশে যাদেরকে দেখে এসব তাদেরই ছবি। বয়স ৩ না পেরোতেই সে তার বাবা-মাকে মহাবিশ্বের গল্প বলা আরম্ভ করে। সে বলতে পারে সমস্ত গ্রহ এবং তাদের উপগ্রহের সংখ্যা ও নাম, গ্যালাক্সিদের সংখ্যা ও নাম। বাবা-মা বলে, "আমরা প্রথমত ভয় পেয়ে যাই, তবে বরিস্কার দেওয়া তথ্য সত্য কিনা তা যাচায়ের নিমিত্তে বাজার থেকে জোতির্বিদ্যার উপর বই কিনে আনি, এবং এতে দেখা যায় বরিস্কার দেওয়া তথ্য পুরোপুরি সঠিক"।

একজন শিশু জোতির্বিদ হিসাবে বরিস্কার কথা খুব দ্রুত শহরে ছড়িয়ে পড়ে। অনেক লোক আসে শিশু বরিস্কা এত কিছু কিভাবে জানে তা জানতে। এবং বরিস্কাও তাদেরকে ভিন্ন গ্রহের সভ্যতা নিয়ে বলতে চেষ্টা করে। সে বলে মানুষের আদি জাতির কথা যারা নাকি ৩ মিটার পর্যন্ত লম্বা ছিল। সে বলে জলবায়ু নিয়ে, বৈশিক পরিবর্তন নিয়ে। সে জানায় বিভিন্ন অতীত ও ভবিষ্যতের কথা। সবাই খুব আগ্রহ নিয়ে এসব শুনতে থাকে এবং কেই-ই বলে না যে এসব তারা বিশ্বাস করে না। যাই হোক, বাপ-মার কাছে মনে হলো তাদের সন্তান অবশ্যই বেশ অসাভাবিক। তাই তাকে নিয়ে বেশ চিন্তায় পড়লো, এমনকি তাকে চার্চে দিয়ে দেওয়ারও পরিকল্পনা করেছিল।

২০০৪ সালে বরিস্কা প্রথমবার রাশিয়ান বিজ্ঞানীদের নজরে আসে। রাশিয়ান একাডেমি অব সায়েন্সের ইন্সটিউট অব আর্থ ম্যাগেনটিসম এ্যান্ড রেডিও ওয়েভসের বিশেষজ্ঞরা শিশু বরিস্কার ওরা (প্যারানরমাল) ফটোগ্রাফ নেয়। এবং তারা তাকে অসম্ভব বুদ্ধিমত্তার অধিকারি হিসাবে দেখতে পায়। এ সম্পর্কে অধ্যাপক ভ্লাডিলাভ লিউগোভেন্কো বলেন, "একটি থিওরি আছে, যেটা অনুসারে মানুষের দুই ধরণের মেমরি আছে: ওয়ার্ক এবং রিমোট মেমরি। মানুষের ব্রেনের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ক্ষমতা হলো অভ্যন্তরীণভাবে এবং বাহ্যিকভাবে অর্জিত অভিজ্ঞতা, আবেগ এবং চিন্তাভাবনাগুলোকে মহাবিশ্বের একক তথ্য কেন্দ্রে জমা করে রাখা। শুধুমাত্র হাতেগোনা কয়েকজন মানুষই সেখান থেকে তথ্য গ্রহন করতে পারে। বরিস্কা তাদেরই একজন"।

এখন বরিস্কার বয়স ১৪/১৫ বছর। এ্যাস্ট্রোনমিতে প্রচুর নলেজ তার। বরিস্কার মতে মঙ্গল গ্রহে মানুষের পূর্বপুরুষদের বাস ছিল, তারা অনেক লম্বা ছিল। খাদ্যের ঘাটতি হবার ফলে এখন তাদের প্রায়-সব ধ্বংস হয়ে গেছে। যারা এখনও বেঁচে আছে তারা মঙ্গলের মাটির ভিতরে আশ্রয় নিয়েছে। বরিস্কা মনে করতে পারে তার মঙ্গল-জীবনের অনেক কিছু। সে মনে করতে পারে তার বন্ধুর কথা যার সাথে সে অনেক সময় স্পেসশিপে করে মহাবিশ্ব ভ্রমনে বের হতো। এমনকি সে পৃথিবীর আশে পাশেও এসেছে। আর সে জন্যেই সে মহাবিশ্বের গ্রহ-নক্ষত্রের কনস্টেলেশন বলতে পারে নির্ভুলভাবে। পৃথিবীর মানুষ মঙ্গলের মাটির রং লাল হিসাবে জানলেও সেটা নাকি আসলে কমলা। সেখানে কোন গাছপালাও নাই।

ইন্টারনেট থেকে নেওয়া বরিস্কার ছবি:


প্রিয় পাঠক, কেমন যেন সব গল্প মনে হচ্ছে তাই না? আপনারা দেখতে পারেন বরিস্কার উপর ইউটিউব ভিডিও। তাকে অনেকবারই অনেকের সামনেই দিতে হয়েছে সাক্ষাতকার। প্রজেক্ট ক্যামেলটও হাজির হয়েছে তার কাছে। সেই বরিস্কা এবার বলছে ২০১১ তে পৃথিবীর বুকে ঘটতে যাচ্ছে ভয়াবহ বিপর্যয়। এর আগে সে বলেছিল ২০০৮ এ একটি মহাদেশ সর্বনাশ ঘটবে। অনেকই বলেন চায়নার সিচুয়ান প্রদেশে ঘটে যাওয়া ভুমিকম্পটাই ছিল বরিস্কার ভবিষ্যতবাণী। কয়েক লক্ষ মানুষের প্রাণহানি ঘটেছিল সেই ভয়াল ভুমিকম্পে। সে বলছে ২০১১ তে তিনটি বিপর্যয় হবে এবং একটি বড় বিপর্যয় ঘটবে ২০১৩ তে। অনেক মানুষই বরিস্কার এই ভবিষ্যতবাণী নিয়ে শংকিত এবং তারা ভাবছে কি ধরণের বিপর্যয়? এটা কি শুধু ভুমিকম্প নাকি অন্য কিছু।

বরিস্কার মন্তব্যকে গুরুত্ব দেওয়ার কারণও আছে। এ্যাস্ট্রোনমির গুরুদেব ষ্টিফেন হকিংসও বরিস্কার প্রতিভা বিশ্বাস করে । ইউনিভার্স নিয়ে বরিস্কার নলেজকে প্রশংসাও করেছে হকিংস। বিখ্যাত এই বিজ্ঞানী সবাইকে সতর্ক করে বলেন বরিস্কার ভবিষ্যববাণীকে উপেক্ষা করা উচিৎ নয়। হকিংস আরো বলেন, " বরিস্কা মঙ্গল গ্রহ থেকে এসেছে নাকি পৃথিবীই তার একমাত্র আবাস সেটা বিষয় নয় বরং মহাবিশ্বের উপর বরিস্কার যে নলজে রয়েছে সেটা আমার কল্পানার বাইরে"।

আমরা যেমন অন্য গ্রহের খোঁজ-খবর নিতে পাঠায় ভাইকিং, ফোবোস, পাথ-ফাইন্ডার, এম.এস.এল/কিউরিয়াসিটির মতো মহাকাশযান। অন্যরাও হয়তো পৃথিবীর দিকে পাঠাচ্ছে বিশাল সব স্পেসশিপস । সমস্ত জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে আসলেই কি একদিন মানুষ এবং এলিয়েনের মধ্যে সম্পর্ক/যোগাযোগ গড়ে উঠবে?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sriaz/29300726 http://www.somewhereinblog.net/blog/sriaz/29300726 2011-01-02 15:15:18
শিশিরের দৃশ্য দেখা মানুষদের তুষার উপভোগ করার কতগুলো ছবি
৩ জানুয়ারি দিবাগত মধ্যরাত অর্থাৎ ৪ জানুয়ারির শুরু থেকে একটু একটু করে নেমে আসে তুষার। রোড লাইটের নিয়ন আলো কাচের জানালাকে ভেদ করে এক ঝলক চোখে এসে পড়তেই মনে হলো, আবহাওয়া পুর্বাভাসকে সত্যি প্রমান করে আলো-আধারের পর্যাবৃত্ত তরঙ্গ ছায়া শুরু হয়ে গেছে। তখনই ক্যামেরা হাতে বাইরে এসে একটি ছবি তুলে নেওয়া।
তারপর ঘুম, রাতে শেষে ঘুম থেকে উঠে প্রস্ততি শেষে ল্যাবের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হওয়ার আগে বাইরে উকি দিতেই মনটা খুশিতে ভরে গেল। কি অপরুপ দৃশ্য, প্রকৃতি নিজেই সেজেছে শুভ্রতার অলংকারে। ক্যামেরাটা হাতে নিলাম। বের হয়েই বাসার সামনে থেকে একটি ছবি নিলাম। তাড়াতাড়ি ক্যাম্পাসে গেলাম, অন্যরাও নিশ্চয় আসবে সবাই মিলে ছবি নেওয়া যাবে, উপভোগ করা যাবে কয়েক দশকের রেকর্ড পরিমান তুষারপাতের দৃশ্য। কয়েকটি ছবি আপনাদের সাথে শেয়ার করলা। ভালো না লাগলে কিন্ত মাইনাস দিয়েন না।<img src=" style="border:0;" />

১) মধ্যরাতে তুষার যখন শুরু হয় তখন বাসার সামনে থেকে


২) বাসা থেকে বের হয়েই


৩) ক্যাম্পাসে ঢুকতেই বিয়ে বাড়ির গেট সাজানো তুষার দিয়ে!


৪) প্রধান লেকটিতে চলে এসেছে অনেক বিদেশি ছাত্র-ছাত্রী


৫) লেকের ধারে বসার বেন্চগুলোতে তুষার এসে ঘুমোচ্ছে


৬) তুষারে উপরের দৌড়াদৌড়ি খেলা


৭) বালিকা বলে এই ভ্দ্রমহিলাকে ছাড় দেওয়া হয়নি


৮) তুষার দিয়ে আক্রমন


৯) ছাড় দেওয়া হয়নি বড়ভাই ব্লগার শুভ৭৭কে


১০) শুভভাই নিজেও মনে হচ্ছে প্রতিহিংসাপরায়ন হয়ে উঠেছিল


১১) ক্যাম্পাসে রাখা প্লেনটিকে ঘিরে ছিল তুষার


১২) মঙ্গোলিয়ান মেয়েটি তুষার দিয়ে বানিয়েছিল সাদা নারী


১৩) মনে হচ্ছে স্বপ্ন


১৪) তুষার আবৃত পড়ন্ত বিকেলের দৃশ্য


১৫) ক্যাম্পাসের একটি পার্ক


১৬) গাছটি দেখে সত্যজিৎ রায়ের আঁকা ছবিটির কথা মনে পড়েছিল


১৭) যে লেকের উপর বেশি ঘুরাফেরা হয়েছিল, সামারের দৃশ্য


১৮) সামারে নেওয়া ক্যাম্পাসের প্রশাষনিক ভবনের সামনে


১৯) তুষারে ঢাকা প্রশাষনিক ভবনের সামনে!


শুভ৭৭ এর মত আমাদের সাথে ছিল সামুর আরো অনেক ব্লগারও! কয়েকজন: হুমায়ুন_কবির_হাকিম, বিলাস আহমেদ, সমুদ্রের তীরে। এই ছবি পোষ্টটি তৈরি করার সময় মনে হলো সামুতে সরাসরি কম্পিউটার থেকে ছবি নেওয়ার ফিচারটি যদি থাকতো তাহলে বেশ সুবিধা হতো। তারপরও সামুর পাতায় নিজে হাতে তোলা কয়েকটি তুষার দৃশ্য জমা রাখতে পেরে আমার ভালো লাগছে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sriaz/29073684 http://www.somewhereinblog.net/blog/sriaz/29073684 2010-01-07 14:21:00
নৈতিকতার চরম বিপর্যয়: সুইপার-বাবুর্চি নিয়োগেও মন্ত্রী-এম.পি দের ঢালাও সুপারিশ
দেশ নিয়ে আশা দেখি যতবার নিরাশ হয় তার চাইতে বেশি বার, তাতে কিই বা আসে যায় তাদের। কিছুদিন আগে আমরা জেনেছিলাম স্কুলে ভর্তির জন্য মন্ত্রী-এম.পি দের সুপারিশ/অর্ডার ইস্যু করা হয়েছে স্কুল কর্তৃপক্ষকে। সেই সব মন্ত্রী-এম.পিদের মধ্যে ছিলেন অনেকেই যেমন হাসানুল হক ইনু, দিলীপ বড়ুয়া। অথচ এই লোকগুলো কি মুখোশ না পরে আছে বাস্তব সমাজে। কি বড় বড় কথা। আদর্শে ভরপুর!

একটি নিস্পাপ শিশু, জগৎ সম্পর্কে যে কোন ধারণাই রাখে না তার মেধাকে চাপা দিয়ে মন্ত্রীর সুপারিশ কাম অর্ডারের ছেলেটিকে স্কুলে ভর্তি করানো হলো। এতে করে যে শিশুটিকে তার ন্যয্য অধিকার থেকে বন্চিত করা হলো তার সাথে যে বেইমানিটা করা হলো তা কি ঐ শিশুটি বুঝতে পারলো? এটা কি কোন ক্ষমার্হ অপরাধ!

এই সব সংবাদের মধ্য দিয়ে মনে করেছিলাম, সবই মুখের বলি আসলে পরিবর্তন কোন কিছুই হবে না, বরং নীতি নৈতিকতাকে কিভাবে গলা টিপে হত্যা করা যায় তার নয়া কৌশলে ব্যস্ত থাকবে ঐ সব পাপিষ্ঠ মানুষ রুপি পশুগুলো। এদের মুখে আর যায় হোক শিশু অধিকার রক্ষা, মানব উন্নয়ন এসব কিছু হতে পারে না।

আজকে আবার একটা নিউজ দেখলাম পত্রিকাতে। জানলাম আজ দেশের কোথায় বাবুর্চি, সুইপার নিয়োগ হবে সেটাও মন্ত্রীদের নখ-দর্পনে। দেশ এগিয়ে যাচ্ছে বটে, কি সুন্দর পরিবর্তনের হাওয়া, ভাবতে ভালোই লাগে!
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসাপাতালে বাবুর্চি, সুইপার এসব পদের জন্য সুপারিশ করেছেন স্বয়ং মন্ত্রী, এম.পি, ঢাকা মেডিকেল কলেজ অধ্যক্ষ, বাংলাদেশ মেডিকেল এ্যাসোসিয়েশন, স্বাধীনতা চিকিৎসা পরিষদ।

কারা এই সব মন্ত্রী এম.পি?
বাণিজ্যমন্ত্রী ফারক খান (কি সুন্দর বাণিজ্য), আঈন প্রতিমন্ত্রী কামরুল ইসলাম (কি সুন্দর আইনের শাষণ), শিল্পমন্ত্রী দিলীপ বড়ুয়া (কি সুন্দর আদর্শ), সাংসদ ফজলে নূর তাপস (কালের আইনজীবি!)।

আরো রয়ছেন: নৌ-মন্ত্রী শাজাহান (দলের প্রতীককে রক্ষা করছেন বটে), পশু-মন্ত্রী আব্দল লতিফ (পশু বটে), পানি প্রতিমন্ত্রী মাহবুব, পরিকল্পনা মন্ত্রী খন্দকার (এরা নাকি দেশ গড়ার পরিকল্পনা তৈরি করে!)।

এছাড়া আরো অনেক বড় বড় পদে আসিন ব্যাক্তিবর্গ এসব সুপারিশ কাম অর্ডার দিয়েছেন তার মধ্যে আছেন স্বয়ং ঢাকা মেডিকেল কলেজের অদ্যক্ষ দীন মোহাম্মদ (নিজের বাড়ি বলে কথা)। যতজনকে নিয়োগ দেওয়া হবে সুপারিশকৃত আবেদনের সংখ্যায় তার চাইতে বেশি। চেইনহীন কৃষকের ছেলেটা চাকরি পাবে কিভাবে?

না কোন বিদ্বেষ থেকে লেখাটা নয়, শ্রেফ মনের মধ্যে ভেষে ওঠা একটা দীর্ঘশ্বাস ব্লগের পাতায় রেখে যাওয়া ছাড়া কিই বা মুল্য আছে এসব কথার। আমরা সবাই তো ভন্ড, সামনের মুখটা দেখায়, আর পিছনের টা লুকিয়ে রাখি। আশার তরি তীরে ভেড়ার কি আদৌও কোন সম্ভাবনা দেখা যায়?

সুত্র: ঢামেক নিয়োগ সংবাদ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sriaz/29071452 http://www.somewhereinblog.net/blog/sriaz/29071452 2010-01-04 08:58:51
হন্নে ছাগল: কোরবানী এলে তোমার কথা মনে তো পড়বেই (কোরবানি: পশুহত্যা না সেক্রিফাইস?)
আমাদের একটা ছাগলের বাচ্চা ছিল, ছাগলটার গায়ের রং সোনালি কালারের মত ছিল, আমরা গ্রাম্য ভাষায় বলতাম হন্নে ছাগল। আমাদের সবার সাথেই ছাগলটার দারুণ ভাব ছিল, আস্তে আস্তে বড় হয়ে উঠলো, লাফালাফি করতো, আমাদের গায়ের সাথে গা ঘেঁষতো, শরীরের মধ্যে মুখ ভরে দিত, আমাদের হাত থেকে খাবার খেত, আমাদের পিছনে পিছনে ঘুরে বেড়াতো। সত্যি কথা ছাগলটি আমাদের চোখের আড়াল হলেই আমরা হয়তো একসাথেই বলে উঠতাম হন্নে গেল কই? তাকে আবার খুঁজে পাওয়া যেত। কাছে এসেই মনে হয় যেন বলতো "না আমি বেশি দূরে যাইনি"। আমার মা তো একদিন বলেই ফেললো ছাগল তো নয় ও যেন আমাদের পরিবারেই এক সদস্য। আমার আব্বা ওকে গোষল করিয়ে দিত। নিজে হাতে করে খাওয়াতো। এমনকি অনেক সময় নিজের প্লেটের ভাতও ২/১ মুঠো ছাগলটার জন্য বরাদ্ধ হতো। শীতের সময়, ও আমাদের লেপের মধ্যে ঘুমিয়েও যেত।

অবশেষে, ঐ হন্নেকেই কোরবানির দেওয়া হবে বলে নিয়ত করা হলো। যথারীতি কোরবানি হলো। সবার মন খুব খারাপ হয়েছিল। আমার মা-বাবা সহ আমাদের বাড়ীর কয়েকজন সদস্য হন্নের মাংস খেতে পেরেছিল না। সেদিন আমার চোখে তো বটেই, মা-বাবার চোখেও হন্নের জন্য চোখে জল দেখেছিলাম।

কোরবানির বেশ কয়েকদিন পরে, একা ঘরে বসে আমার মা ঐ হন্নের জন্য হাউ-মাউ করে কেঁদেই ফেলেছিল!

আজও হন্নে আমার স্মৃতিতে জেগে ওঠে। এটা কি শ্রেফ পশু কোরবানি, নাকি প্রকৃতপক্ষেই সেক্রিফাইস?

কালের বিবর্তনে আজ হয়তো কিছু কিছু ক্ষেত্রে পশু কোরবানি না হয়ে পশু হত্যাই হচ্ছে। কিন্ত কোরবানির আসল উদ্দেশ্য কিন্ত প্রিয় জিনিষকেই সেক্রিফাইস করা।
তাই কোরবানিকে যারা শ্রেফ পশুহত্যা বলে চালিয়ে দিতে চান, আমি তাদের সাথে একমত নই।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sriaz/29050502 http://www.somewhereinblog.net/blog/sriaz/29050502 2009-11-27 17:15:11
ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দল সংবিধান অসমর্থিত নয় বাংলাদেশ সংবিধানে "ফ্রীডম অব রিলিজিয়ন" বা "ধর্মের স্বাধীনতা" নামে একটি অনুচ্ছেদ রয়েছে (৪১)। ৪১ (১)-এ যা লেখা আছে তা হলো:

"Freedom of religion.
(1) Subject to law, public order and morality-

a) every citizen has the right to profess, practice or propagate any religion;

b) every religious community or denomination has the right to establish, maintain and manage its religious institutions. "

a) প্রত্যেকটি নাগরিকের যে কোন ধর্মকে গ্রহন, চর্চা এবং প্রচার করার অধিকার আছে

b) প্রত্যেকটি ধর্মীয় গোষ্ঠীর বা উপগোষ্ঠীর তাদের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান স্থাপন, চালনা এবং নিয়ন্ত্রন করার অধিকার আছে।


উল্লেখযোগ্য ধর্মগুলো (যেমন ইসলাম, খ্রীষ্টানিটি) অনুসারে রাষ্ট্রীয় নিয়মকানুন তৈরি হবে তাদের ধর্মের দেওয়া কোড অনুসারে। কোন ধর্মই ব্যক্তির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয় বরং ধর্ম রাষ্ট্র ক্ষমতা গ্রহনের মাধ্যমে সমাজ থেকে সমস্ত অপকর্ম দুর করতে চায়।

সুতরাং ধর্ম প্রচার যেমন সংবিধান অসম্মত নয়, আবার ধর্ম প্রচার শুধু ব্যক্তির উপর নির্ভর করে না বরং তা ব্যক্তিসমষ্টির উপর বর্তায় এবং যৌক্তিকভাবে তা ক্রমবর্ধমানতায় রুপ নেয়। রাষ্ট্র ক্ষমতা না নিলে ধর্ম তার আসল উদ্দেশ্য কখনই হাসিল করতে পারে না। আর এই জন্যেই ধর্ম তার নিয়মভিত্তিক পরিচালিত দলকে সমর্থন দেয়।

অন্যদিকে বাংলাদেশ সংবিধান অনুসারে "যে কোন ধর্মকে গ্রহন, চর্চা এবং প্রচার করা যাবে"।

আবার সংবিধান এটাও বলে যে রাষ্টধর্ম ইসলাম।

কাজেই, ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দল সংবিধান অসমর্থিত নয়। তবে সমর্থিত এটাও প্রত্যক্ষভাবে বলা নেই। বস্তত যে সংবিধানে এই সব ধর্ম কথাগুলো টেনে নিয়ে আসে সে সংবিধান আসলে কি ধর্মনিরপেক্ষ নাকি ধর্মকে কাজে লাগিয়ে ধর্মভিরু কিছু মানুষের সাথে ধোকাবাজি করছে?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sriaz/29049951 http://www.somewhereinblog.net/blog/sriaz/29049951 2009-11-26 12:50:16
অসাধু দালাল চক্রের ভর্তি ফর্ম জালিয়াতি: হাজার হাজার ছাত্র-ছাত্রীর ঢাবি ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহন অনিশ্চিত কিন্ত প্রশ্ন হলো: এই সব হাজার হাজার প্রতারিত ছাত-ছাত্রীদের কি হবে? তারা তো ভর্তি পরীক্ষাটাই দিতে পারবে না।

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে কিছু ছাত্র-ছাত্রী বিক্ষিপ্তভাবে ঢাকা শহরে মিছিলও করেছে। সেখানে সেইসব নিরপরাধ ছাত-ছাত্রীরা আমাদের তথাকথিত রক্ষকদের কাছে থেকে কি ধরনের ব্যবহার পেয়েছে সেটাও টেলিভিশনের মাধ্যমে আপনারা অনেকেই দেখেছেন (http://www.youtube.com/watch?v=E4V_m9Aa6V4)। নিন্দা জানানোর ভাষা আমার জানা নেই।

ঢাবি কর্তৃপক্ষ কি ঘটনা এড়িয়ে যেতে পারে?
অনেক বছর ধরেই দেখে আসছি, বিভিন্ন কোচিং সেন্টার এক সাথে হাজার হাজর ফর্ম কিনে থাকে। তারা এই ফর্মগুলো কোথা থেকে পায়? নিশ্চিৎ বলা যায় ঢাবি/অগ্রনী-জনতা ব্যাংক থেকে। একসাথে এতগুলো ফর্ম কারা কিনছে কেন কিনছে তা নিশ্চয় ঢাবির অজানা নয় (যদি অজানা হয়ে থাকে কেন তাদের এই প্রশ্ন আসেনি যে এত ফর্ম কোথায় যায়!)। তার মানে ঢাবির গোচরেই এই ফর্মগুলো দালাল চক্রের হাতে গিয়ে পড়ছে এবং মুলদামের চাইতে বেশি দামেই ছাত্র-ছাত্রীদের কাছে বিক্রি করা হচ্ছে। এখানেই কিন্ত সমষ্যার শুরু। কারণ যারা নকল ভর্তি ফর্ম তৈরি করেছে তারা জানে যে এই ফর্মগুলো তারা বিক্রি করতে পারবে। কেন বিক্রি করতে পারবে? কারণ, ঢাবি এবং এর অথোরাইজড প্রতিষ্ঠান ছাড়াও কিছু দালাল কোচিং সেন্টারগুলো কোন রকম জবাবদিহিতা ছাড়াই ভর্তি ফর্ম বিক্রি করে চলেছে অনায়াসেই। সেই সুযোগে তারা তাদের নকল ফর্ম গুলো বাজারে ছেড়ে দিতে সক্ষম হয়েছে। আর এর ফলে এবার প্রতারিত হয়েছে হাজার হাজার নিরপরাধ ছাত্র-ছাত্রী এবং হতাশ হয়ছেন তাদের অভিভাবকরাও। ছাত্র-ছাত্রী বা অভিভাবকদের কে কি দোষ দেওয়া যাবে? মোটেও না, কারণ ঢাবি কর্তৃপক্ষ কোথাও ঘোষনা দেয়নি যে শুধুমাত্র লিষ্টেড প্রতিষ্ঠান থেকেই ভর্তি ফর্ম কিনতে হবে। সুতরাং আজ এই হাজার হাজার কোমলমতি শিক্ষার্থীর শিক্ষাজীবনের গতিধারাকে ধংশের দিকে ঠেলে দেওয়ার জন্য ঢাবিকে দায়ী করা যায় বৈকি।

এখন করণীয়?
১) ঢাবি নতুন করে অন্তত ২/১ সপ্তাহের জন্য আবার ভর্তি ফর্ম বিক্রি করুক যাতে করে প্রতারিত হাজার হাজার ছাত্র-ছাত্রী আবার ভর্তি ফর্ম কিনতে পারে এবং ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহনের সুযোগ পায়। এতে করে নিশ্চয় মহাভারত অশুদ্ধ হয়ে যাবে না।

২) এই হাজার হাজার ছাত্র-ছাত্রীর ভবিষ্যত গুরুত্বসহকারে চিন্তা করে তারা যেন আসন্ন ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহন করতে পারে সেই ব্যাপারে সংবাদ মাধ্যমেও যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হোক।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sriaz/29030492 http://www.somewhereinblog.net/blog/sriaz/29030492 2009-10-23 11:39:53
এই রকম খাদক কি আসলেই সম্ভব? ২৪ কেজি মাংস আরো সাথে অনেক কিছু।
এই সংবাদ কি বিশ্বাস করার মত! কিন্ত ভিডিও দেখে আমি অবাক।পাকিস্তানি এই লোক নাকি ছোটবেলা থেকেই এরকম খায়। জীবনেও পেট ভরে খেতে পারে নি। তাই দাওয়াত পেয়ে একবেলা পেট পুরে খাওয়া।

তার সিগারেট টানার স্টাইলও বেশ অন্যরকম। আমার ধারণা ঐ লোকের ফুসফুসও অতিরিক্ত বাতাস নিতে পারে, কারণ সে এক টানে ২ টা সিগারেট শেষ করছে।

ভিডিও দেখুন এইখানে ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sriaz/29025667 http://www.somewhereinblog.net/blog/sriaz/29025667 2009-10-14 14:52:57
আমি আস্তিক কারণ নাস্তিকতা হলো অসুস্থ মস্তিস্কে এলোমেলো ভাবনার ফসল আমরা জানি প্রাকৃতিকভাবে ঘটে যাওয়া কোন ঘটনার ব্যাখ্যা দিতে একটি মডেল দাঁড় করানো হয়, এবং সেই মডেলের আলোকে যদি ঐ ঘটনার কারণে ঘটিত অধিকাংশ প্রভাবকে ব্যাখ্যা করা যায় তাহলে মডেলটিকে মোটামুটি সত্য হিসাবে ধরে নেওয়া হয়। সেই মডেলই আবার অনেক সময় বিবর্তিত হয়ে যুক্তি প্রমানের ভিত্তিতে থিওরি হিসাবে আবির্ভুত হয়। তবে যাহাই সত্য বা মিথ্যা হিসাবে বিবেচনা করা হোক না কেন সেটা মানুষের বিচারে সত্য বা মিথ্যা। যেটাকে মিথ্যা বলা হচ্ছে সেটা কি আসলেই মিথ্যা? বা যেটাকে সত্য বলা হচ্ছে সেটা কি আসলেই সত্য? সেটা বিচার করার চরম পদ্ধতি মানুষের অজানা! মানুষের নলেজ খুবই সীমিত। এখন পর্যন্ত মানুষ ৪ টি (সব মিলিয়ে ১০টি) ডাইমেনশনের বেশি ডাইমেনশনকে অস্তিত দিতে অক্ষম। পৃথিবীর বিভিন্ন গবেষণাগারে এই নিয়ে গবেষণা ও চলছে নতুন ডাইমেনশন সৃষ্টি করা যায় কিনা। আবার এই মহাবিশ্বের ব্যাপ্তি এত বিশাল যে মানুষের বিচরণের ক্ষেত্র সেখানে শুন্যের কোঠায় বলা চলে।
যাই হোক প্রসংগে যাওয়া যাক, সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্ব আছে নাকি নাই। অনেকে অনেকভাবে এই প্রশ্নের জবাব খুঁজে বেড়ায়। তেমনি আমি শুরু করি একটি জায়গা থেকে, মনে করি সৃষ্টিকর্তা আছে। তাহলে তার কতটুকু নলেজ থাকার কথা? গ্রহ, উপগ্রহ, গ্যালাক্সি, আলো, অন্ধকার, কোয়ান্টাম মেকানিক্স, ক্লাসিক্যাল মেকানিক্স, মেডিক্যাল সায়েন্স, ইন্জিনিয়ারিং, দেখা, অদেখা সহ মানুষ যা কল্পনা করতে পারে বা পারে না তার সবগুলোর উপরই সৃষ্টিকর্তার পূর্ননলেজ থাকা আবশ্যক বৈকি। কোন মানুষের এই সকল বিষয়ের উপর নলেজ নেই এ কথা সহজেই অনুমেয়, তাহলে সৃষ্টিকর্তার সৃষ্ট জিনিষসমুহের উপরেই যেখানেই কোন মানুষের ধারণা পূর্ণ নয় সেখানে সৃষ্টিকর্তা কেমন হবে? কিভাবে এল? কে তাকে সৃষ্টি করলো এসব প্রশ্ন অবান্তর মাত্র। তারপরও যদি কারো মনে সৃষ্টিকর্তার উৎস সম্পর্কে জানতেই ইচ্ছা করে তবে তার উচিৎ হবে এ মহাবিশ্বের প্রতিটি জিনিষ সম্পর্কে সম্যক ধারণা পাবার জন্যে মরিয়া হওয়ার। কিন্ত অনেক সময়ই দেখা যায় সেটা না করে সরাসরি সৃষ্টিকর্তা কোথা থেকে এলো তাই নিয়ে টানাটানি, যেন আদার ব্যাপারি হয়ে জাহাজের খবর নেওয়ার মত।

প্রশ্ন উঠবে একজন মানুষ না হয় সব বিষয় সম্পর্কে জানে না কিন্ত সব মানুষের মিলিত নলজকে এক জায়গায় করলেই তো সমষ্যার সমাধান হয়ে যায়। উত্তর হলো সেটা সম্ভব না। কারণ ঐ মিলিত নলেজ ও মহাবিশ্ব সম্পর্কে তেমন কোন ফলাফলাই প্রদান করে না, বরং মানুষের সীমাব্ধতাকে আরো স্পষ্ট করে তোলে। মানুষ জানে না, এই সব নলেজ মিলিত করলে মিলিত নলেজ লিনিয়ারিটি ফলো করে কিনা? তাই ঘুরে ফিরে ঐ একই কথা যে সৃষ্টিকর্তার উৎস সম্পর্কে টানাটানি করা কোন যোক্তিক মানুষের নেচার নয় বরং রোগাক্রান্ত চিন্তাধারার ফসল মাত্র। সেই সাথে এই সব চিন্তাধারা তার চরম নাস্তিক হওয়ার পথে বাঁধাও বৈকি।

চরম নাস্তিকতা আবার কি জিনিষ? মহাবিশ্বের সমস্ত সম্ভাব্য নলেজ থাকার পর কোন ব্যাক্তি যদি এই সিদ্ধান্তে উপনিত হয় যে সৃষ্টিকর্তা বলে কিছু নেই তবেই তাকে চরম নাস্তিক বলা যাবে। সুতরাং সমস্ত নলেজ না অর্জন করেই যদি কেউ নাস্তিক হয় তাহলে তাকে চরম নাস্তিক বলছি না। সেই একই যুক্তিতে চরম আস্তিকতা বলে কিছু আছে কি? উত্তর হলো হাঁ এবং তার ডেফিনেশনও ঐ একই রকম। তাহলে ফলাফল, সকল আস্তিকই আপেক্ষিক আস্তিক আবার সকল নাস্তিকই আপেক্ষিক নাস্তিক। কিন্ত পার্থক্য, আস্তিকতায় সৃষ্টিকর্তার অস্তিতকে বিশ্বাসের মাধ্যমে এই পৃথিবীর সব কিছুকে ব্যাখ্যা করা সম্ভব হয়ে ওঠে, অপরদিকে নাস্তিকতায় সৃষ্টিকর্তার অস্তিতকে অবিশ্বাসের মাধ্যমে এই পৃথিবীর সব কিছুকে ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তালগোল পাকিয়ে ফেলে। কারণ একজন আপেক্ষিক নাস্তিক একবার বলে ডিম আগে, আরেকবার বলে মুরগি আগে, অর্থাৎ সে শুরু আগেই চিন্তা জগতের মাথা খেয়ে বসে থাকে পরিণত হয়ে অসাড় এবং গর্দভ হাবাগোবায়।
সৃষ্টিকর্তা কিভাবে তার সৃষ্টিকে পরিচালনা করবেন বা করেন? উত্তর খুব সহজ, সৃষ্টিকর্তার যেমন ইচ্ছে তেমন। তার ইচ্ছেটা কেমন, তা কি আমার পক্ষে জানা সম্ভভ! তবে আমি অনুমান করতে পারি মাত্র, সেটি বুদ্ধিদীপ্ত এবং জটিল এক হিসাবের মধ্য দিয়ে, যে হিসাবে রয়েছে সমস্ত অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যতের প্রোগ্রামিং ফ্লো। তাই আমি চাইলেই তিনি আমার মত আচরণ করবেন তা নয়, আমি তাকে যেমন নির্দেশনা দিব তেমনটি নয়, আমি তার সম্পর্কে কোন কিছু প্রিডিক্ট করে ফেলবো তা নয়। তিনি আদি ও অনন্ত (কতটা আদি ও কতটা অনন্ত!!!) তাই আমার এই শুন্যসময়তুল্য জীবনকালে তার কাজের দোষ-ত্রুটি নিয়ে আলোচনা করা হাস্যকর বটে। একজন আপেক্ষিক নাস্তিক সেই কাজটিই করে চলে এবং ফলশ্রুতিতে সে পরিণত নির্বোধ ব্যাক্তিতে। কারণ? যে কোন একটি কাজ বা আবিষ্কার তৈরি যেমন কঠিন সেই কাজ বা আবিষ্কারের সত্যতা যাচাই আরো কঠিন। নির্বোধরা পারলে তারা প্রথমটি আগেই করে দেখাক অর্থাৎ এরকম একটি মহাবিশ্ব তৈরি করুক তারপরেই না হয় বর্তমান মহাবিশ্বের সৃষ্টিকর্তার ভুল-ত্রুটি নিয়ে ফালাফালি করুক। কিন্ত তারা তা করবে না কারণ তারা বিকারগ্রস্ত এবং আউট অব সিসটেমেটিক।
সৃষ্টিকর্তা কোথায় বা কোন ফর্মে (আকার) আছে? উত্তর আমি জানি না তবে আমি ধারণা করতে পারি। কিভাবে? ধরে নিই তিনি দেখতে আমার বাস্তব বা কাল্পনিক কোন চিত্র, তার মানে সেটা হবে এই মহাবিশ্বের সৃষ্টকর্তারই কোন সৃষ্টির অনুরুপ বা কতগুলো সৃষ্টির সংমিশ্রন ছাড়া আর কিছুই না। কিন্ত সৃষ্টকর্তা নিজেই কোন সৃষ্টির অনুরুপ বা কতগুলো সৃষ্টির সংমিশ্রন হবেন সেটা অযোক্তিক বটে। তাই তিনি নিরাকার হবেন এবং কাজেই তিনি অদৃশ্য হবেন সেটাই বিবেচ্য বৈকি।

বস্তত, নাস্তিকতা একটি বাস্তবতা বিবর্জিত চিন্তাধারার ফসল ছাড়া আর কিছুই নয়। সৃষ্টিজগত নিয়ে ভাবনার সিঁড়িতে যখন তার পদযাত্রা থেমে যায়, তখন-ই সে নাস্তিকতার বুলি আওড়ায় কারণ নাস্তিক হতে যে সাধনার প্রয়োজন সেটা তার নেই বা হারিয়ে ফেলে। অপরদিকে আস্তিকতা সত্য সন্ধানের পথে একটি সিসটেমেটিক পদ্ধতি।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sriaz/28988532 http://www.somewhereinblog.net/blog/sriaz/28988532 2009-08-04 11:05:29
শিহরণ জাগানিয়া মায়াবী মৎস্যকন্যাদের বেহাল দশা
হাজার হাজার বছর ধরে মানুষের সব জল্পনা কল্পনায় আশ্রিত মৎস্যকন্যার অস্তিত তাহলে বাস্তব? সেরকম-ই এক চিত্র ফুটে উঠেছে নিচের ছবিগুলোতে। মৎসকন্যা একটি মিথলজিক্যাল জলজ প্রাণী যার শরীরের উপরের অংশ দেখতে হুবুহু একজন নারী (পুরুষও হতে পারে) আর নিচের অংশ অন্য কোন পরিচিত জলজ প্রাণী যেমন মাছ বা ডলফিন।

আজ থেকে প্রায় ৩ হাজার বছর আগে মেসোপটেমিয়ার টাইগ্রিস নদীর উপর অবস্থিত আসিয়ারা রাজ্যের রুপকথার গল্পে সর্বপ্রথম এই মৎস্যকন্যার চিত্র পাওয়া যায়। প্রাচীন গ্রীক গল্প, আরব্যরজনী এবং ব্রিটিশ গল্পেও মৎস্যকন্যাদের বিচরণ দেখা যায়। যাই হোক এসব কল্পনা ছেড়ে এবার পরিচিত হওয়া যাক বাস্তব মৎস্যকন্যার সংগে।

২৬ ডিসেম্বর ২০০৪ সালের প্রলয়ংকারী সুনামির কথা হয়ত সবার মনে আছে।

ছবি-সুনামি যা থাইল্যান্ডে আঘাত হেনেছিল:


হাজার হাজার প্রাণহানি হওয়ার সাথে কি তান্ডবটাই না চলেছিল পৃথিবীর বুকে। আর সেই সুযোগেই এক দল গবেষকের মাথায় প্রশ্ন আসে, মৎস্যকন্যা বলে যদি কিছু থেকে থাকে তাহলে এই সুনামি তাদের উপর কি প্রভাব রাখলো? তারা ঘুরে বেড়ালো বিভিন্ন সুমদ্র উপকুলে, গভীর সাগরের বুকে আবার কখন ও বা সুমদ্রের তীরবর্তী জংগলে। তাদের সেই গবেষণাতে কিছু পাওয়া গেল কিনা তা বিচার করা যায় নিচের ছবিগুলো দেখে। আসুন তাহলে আমরাও দেখে ফেলি এসব আশ্চর্য্যজনক ছবিগুলো।













তবে অনেকেই এইসব ছবি বিশ্বাস করে না বরং বলে থাকে এসব বানানো, আমিও হয়তো ঐ সব অনেক মানুষের মতোই ভাবি। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sriaz/28988151 http://www.somewhereinblog.net/blog/sriaz/28988151 2009-08-03 14:05:01
রহস্যময় রমনীরা এবার ধরা দিলো থাইল্যান্ডের রহস্যময় গাছে
নারিপল গাছ কোথায় আছে বা নারিপোল গাছ কি? ইতোপূর্বে আপনি হয়ত কোন মেইল পেয়ে থাকতে পারেন বা অন্য কোন ফোরামে এই বিষয়ে অবগত হতে পারেন যেখানে বলা হয় এক রহস্যময় গাছের অস্তিতের কথা। প্রমান হিসাবে তারা নিচের ছবিগুলোকে প্রদর্শন করে। তারা বলতে চায়, "এটা থাইল্যান্ডের এক বিষ্ময়কর গাছ যার নাম নারিপল। নারি মানে বালিকা/মেয়ে/নারী আর পল মানে গাছ অর্থাৎ নারিপল মানে হলো নারী গাছ । এটা বিষ্ময়কর যে ঈশ্বর এই বিশ্বকে বিভিন্নভাবে উপস্হাপন করে যা মানুষকে বিষ্ময়কর করে তোল............যদি আপনি ব্যাংকক থেকে ৫০০ কিলোমিটার দুরে ফেটচাবুন প্রদেশে যান তাহলে বাস্তবে এই গাছের দেখা পেতে পারেন"।





প্রিয় ব্লগার আপনারা যারা একটু হলেও ভাবছেন এটা সত্য কিনা? আসলে এটি একটি ইন্টারনেট হক্স ছাড়া আর কিছুই না।



@রিপোষ্ট]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sriaz/28986788 http://www.somewhereinblog.net/blog/sriaz/28986788 2009-07-31 18:10:34
স্পর্ধা-র সীমা ভেঙ্গে পাবলিক সার্ভেন্টরা পাবলিক রিপ্রেজেন্টিটিভ কে বরখাস্তের ক্ষমতা চায়: এবার আমলারা চান জনপ্রতিনিধিদেরকে নিয়ন্ত্রন করতে
১) জনগনের ভোটে নির্বাচিত প্রতিনিধিদেরকে বরখাস্ত করার ক্ষমতা চেয়ে তারা পরোক্ষভাবে জনগনকে বরখাস্ত তথা জমিদারি মনোভাব পোষণ করে কি?

২) অনেক বলেন ডিসি নামের বাংলা অর্থটা জেলা প্রশাষক করাটা সঠিক না কারণ এতে করে ডিসিদের মধ্যে শাষক ভাবটা জন্ম নেয়। তাদের এই দাবির মধ্যে সেরকমই কোন মনোবাভ প্রকাশ পেয়েছে কি?

৩) ডিসিদের যদি এই ক্ষমতা দেওয়া হয় তাহলে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কোটি কোটি টাকা খরচ না করে সরাসরি প্রশাষনিক ক্যাডারে সরকারি নিয়োগের মাধ্যমে চেয়ারম্যান পদে নিয়োগ দেওয়া যুক্তি সংগত নয় কি? (এতে করে অনেক বেকার সমষ্যারও সমাধান হবে)

৪) যদি বলা হয় ল-ইন-অর্ডার ঠিক রাখার জন্য তাদেরকে সাময়িক বরখাস্ত করার ক্ষমতা দেওয়া যেতে পারে, তাহলে ব্যাপারটা শিয়ালের কাছে মুরগী বন্দক দেওয়ার মত নয় কি? (কারণ আমলারা এ পর্যন্ত উল্লেখযোগ্য কোন অবদান রেখেছে বলে অনেকর কাছেই মনে হয় না)

৫) কিছুদিন পরে সচিবরা সাংসদদেরকে বরখাস্ত করার ক্ষমতা চায়বে কি?

বুঝলাম জনপ্রতিনিধিরা অনেক সময় অন্যায় কাজ করে থাকে কিন্ত সেটি সম্পুর্ণ ভিন্ন ইস্যু। আমার কাছে তাদের (আমলাদের) দাবিকে অযোক্তিক এবং ক্ষমতালোভির বহিপ্রকাশ-ই মনে হয়েছে। তারা এখন মনিবের চোখ অন্ধ না হতেই মাছের মাথাটাকে খেতে চাইছে।

আররে আগে মনিবের চোখটাকে তো অন্ধ হতে দাও তারপরেই না হয় বিড়াল থেকে হুলোবিড়াল হও।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sriaz/28986065 http://www.somewhereinblog.net/blog/sriaz/28986065 2009-07-30 10:41:40
প্রসংগ সেক্স থিম পার্ক: দক্ষিণ কোরিয়া, লন্ডনের উত্তরসুরি হচ্ছে চায়না
সেক্স এডুকেশন এবং সেক্সুয়াল লাইফকে উন্নতি কল্পে এবার চায়না তৈরি করছে "সেক্স থিম পার্ক"। চায়নার Chongging-এ তৈরি লাভ পার্কে থাকবে বাহ্যিক যৌনাঙ্গগুলোর বিশাল বিশাল মুর্তি/কাঠামো, নগ্ন শরীর এবং সেক্স ইতিহাসের প্রদর্শনী। সেক্স কলাকৌশল এবং নিরাপদ সেক্স পদ্ধতির উপর বিভিন্ন ওয়ার্কশপও হবে এখানে।

অন্যান্য আকর্ষণের মধ্যে এই পার্কে থাকছে একজন নগ্ন নারীর নিম্নাংশের বিশাল আকৃতির ঘুর্ণায়মান মুর্তি।

পার্ক ম্যানেজার লু জিয়াও কিং বলেন দক্ষিণ কোরিয়ার জেজু আইল্যান্ডে অবস্থিত জনপ্রিয় সেক্স থিম পার্কটি ভিসিট করার পর তারা চায়নাতে সেক্স থিম পার্ক করার উৎসাহ পান।

শুধু দক্ষিণ কোরিয়াতেই নয় লন্ডনেও রয়েছে এরকম পার্ক নাম "Amora Sex Theme Park"।

আমি নিজে যখন ২০০৮ সালের জুলাই মাসে দক্ষিণ কোরিয়ার জেজু আইল্যান্ড গিয়েছিলাম তখন সেক্স থিম পার্কে যেতে চেয়েছিলাম তবে ওখানে যেতে যেতে প্রায় সন্ধা হয়ে যাওয়ার কারণে আর ভিতরে ঢুকতে পারিনি। তবে দূর থেকে বেশ কিছু মুর্তি দেখেছিলাম। যাই হোক নিজের ক্যামেরাতে সরাসরি আর ছবি গুলো তোলা হয়নি। কিন্ত ইন্টারনেটে ঐ পার্কের উপর রয়েছে পর্যাপ্ত তথ্য যা নিচের সুত্রতে পাওয়া যাবে।

সেখান থেকে কিছু ছবিও দিয়ে দিলাম। আরো ছবি দেখতে যথারীতি সুত্র।












সুত্র:

১) চায়না তৈরি করছে সেক্স থিম পার্ক
Click This Link

২) সেক্স এডুকেশন থিম পার্ক কোরিয়া
Click This Link ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sriaz/28985708 http://www.somewhereinblog.net/blog/sriaz/28985708 2009-07-29 16:00:21
বেবি নাজনীন নিজেই বন্ধু তুমি কই গানটি নকল করেছেন!!
শিরোনামে উল্লেখিত গানটি আমি বেবি নাজনীনের কন্ঠে ও ক্লোজ-আপ ওয়ানে দিনার কন্ঠে ও শুনেছি। গানটি আমার খুব ভালোও লেগেছিল। ব্লগ এমনকি বাংলাদেশের দৈনিক পত্রিকাতেও এই গানের সুরটিকে, ভারতের মিউজিক ডিরেক্টর প্রীতম কতৃক নকল করা হয়েছে (গান "আহু আহু" মুভি "লাভ আজ কাল") বলে অভিযোগ আনা হয়েছে।

কৌতুহুল বশত ঢুঁ মারা হলো ইউটিউবে। শুনলাম "আহু আহু" গান। মনে হলো তাই তো "বন্ধু তুমি কই" গানের নকল। ইউটিউবের সাইড বারে দেখানো লিংক থেকে শুনলাম আরো একটি গান।

ইউটিউবে ঐ গানের নিচে যে কমেন্ট দেখলাম তাতে ঘটনা অন্য দিকে মোড় নিল। মনে হলো গানটির উৎস আসলে পাকিস্তান। এবং ঐ কমেন্টগুলোর অনেক গুলো আমি পড়লাম এবং যেখানে যথারীতি পাক-ভারত বাক যুদ্ধ।

ভাবছিলাম আমি "আহু আহু" গানটির নিচে কমেন্ট করবো যে এই গানটি বাংলাদেশের একটি গানের নকল কিন্ত তা আর করা হলো না।

আপনারাও দেখতে পারেন।

পাকিস্থানি পান্জাবি গান-১:





পাকিস্তানি শওকত আলির গান-২:



এইটাই আমার কাছে আসল গান বলে মনে হয়েছে (একজন পাকিস্তানি ফ্রেন্ডের মন্তব্য অনুসারে)।

ভারতীয় প্রীতমের গান:




এখন আর কি, শেষে মনে হলো নাই বা জানতাম তথ্যটি!!]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sriaz/28985203 http://www.somewhereinblog.net/blog/sriaz/28985203 2009-07-28 18:07:44
১৯৯৬ সালে এইচ.এস.সি, মাঝখানে পুরো এক যুগ- আজ আসছে নতুন প্রজন্ম
১৯৯৪ সালে আমরা যখন SSC পরীক্ষার জন্য ফর্ম পুরণ করেছিলাম তখন শুরু হয়েছিল নতুন নিয়ম, কম্পিউটার বেসড SIF (Student Information Form)। সেবার ঐ পরীক্ষার আগে বেসরকারি শিক্ষকরা তাদের দাবি আদায়ে আন্দোলনে নেমেছিল। যার ফলে আমাদের পরীক্ষা গুলো আগের কেন্দ্র গুলোতে দিতে পেরেছিলাম না, যেতে হয়েছিল সরকারি প্রতিষ্ঠান গুলোতে। মনে আছে আমাদের পরীক্ষা হয়েছিল দর্শনা সরকারি কলেজে। স্কুলে পড়ি, কলেজের স্যারেরা পরীক্ষা নিবে! একটু আদটু ভয় পেছিলাম বৈকি।

SSC পাঠ শেষ করে এবার HSC এর পালা। প্রতিযোগিতা শুরু হলো কিভাবে আরো বেশি নম্বর পাওয়া যায়। কারণ ১ টি নম্বর অনেক অনেক গুরুত্বপুর্ণ! বেশি জানার প্রতিযোগিতায় না থেকে বেশি নম্বর তোলার প্রতিযোগিতাটা খুবই ভয়াবহ। মনে পড়ে HSC এর গণিত/পরিসংখ্যান/পদার্থ/রসায়ন কতবার যে সিলেকটিভ রিভিশন দিয়েছিলাম, কারণ একটাই এ সব বিষয়ে ৯০ এর উপরে পেতে হবে! কি অদ্ভুত ধারণা। অথচ তা না করলে তখন হয়তো ঐ সব বিষয়ের বেসিক গুলো আরো ভালো ভাবে ভালো পরিসরে জানা হতো। যাক সে কথা, ১৯৯৬ সালেই প্রথমবারের মতো ৫ টি শিক্ষাবোর্ডের প্রশ্নপত্র একই হয়েছিল। কিন্ত আমরা তা আগে ভাগে জানতে পারিনি, জেনেছিলাম পরীক্ষার কিছুদিন আগে। আবার নতুন চিন্তা, তাহলে এবার কি কৌশলে পড়তে হবে? আমরা ছিলাম যশোর বোর্ডের অধীনে তাই ঢাকা বোর্ডের বিগত বছরগুলোর প্রশ্ন যোগাড়ে নামতে হয়েছিল সেই সাথে ঢাকা ও নটরডেম কলেজের সাজেশন ও নির্বাচনিক পরীক্ষার প্রশ্নপত্র, কারণ ঢাকা বোর্ড বলে কথা।

HSC পাশ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি। আবার সেই একই জিনিষ, আমরা গিনিপিগ!! পুরাতন ৩ বছর মেয়াদী সাবসিডিয়ারি BSc এর বদলে শুরু হলো নতুন চার বছর মেয়াদী ইন্টিগ্রেটেড BSc। যা অবশ্য আমাদের জন্য ভালোই হয়েছিল।

সেই সব প্রশ্নপত্র আজ নেই, সে সব সিলেবাসেও এসেছে অনেক অনেক পরিবর্তন। তবে সবচেয়ে ভালো যে দিকটি হয়েছে তা হলো গ্রেডিং ব্যাবস্থা চালুকরণ। বোর্ড ষ্ট্যান্ড নিয়ে অতিরিক্ত টেনশন (ছাত্র-ছাত্রীদের চাইতে অভিভাবকদের আরো বেশি) নেই। কলেজে ভর্তি পরীক্ষাও এখন আর হয় না, জিপিএ এর ভিত্তিতে ভর্তি নেওয়া হয়। উচ্চ শিক্ষা ব্যবস্থাতে ও চালু হয়েছে গ্রেডিং (যদিও বুয়েটে আগে থেকেই গ্রেডিং ছিল)। এখন তাদেরকে বাইরের বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন করার সময় নম্বর পদ্ধতিগত যে সমষ্যা সে ঝামেলাই পড়তে হচ্ছে না।

কেটে গেছে এক যুগ, আজ আবার ঘুরে ফিরে লাখ লাখ পরীক্ষার্থী তাকিয়ে আছে কখন তাদের ফলাফল পাবে। সাত সমুদ্র তের নদীর ওপার থেকে তোমাদের সবার জন্য শুভকামনা রইল। আমাদের আর কি, অতীত স্মৃতি স্মরণ করি। এভাবেই একদিন জীবনের শেষ প্রান্তে ও চলে আসতে হবে। তোমাদের কাছে শুধু আবেদন মানুষ হও, দেশটাকে বিশ্বের দরবার তুলে ধরো..........................]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sriaz/28983334 http://www.somewhereinblog.net/blog/sriaz/28983334 2009-07-25 10:07:47
একটি অনুচ্ছেদে জীবনের ব্যাখ্যা
১৯৮৩ সালে হার্ট অপারেশনের সময় দূষিত রক্ত গ্রহনের কারণে, উইমব্লডন তারকা খেলোয়াড় Arther Ashe এইডস নামক মরণব্যধিতে আক্রান্ত হয়েছিলেন। সারা বিশ্বে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা অসংখ্য গুনগ্রাহি থেকে সমবেদনা জানানো অনেক অনেক চিঠি ও পেতে লাগলেন। তার মধ্যে একজন ভক্তের আবেগপ্রবণ চিঠির এক অংশের ভাষা ছিল "এই পৃথিবীতে এত মানুষ থাকতে ইশ্বর কেন তোমাকেই বেছে নিল এই মরণ ব্যধিটির জন্যে"।

Arther Ashe এই চিঠির জবাবে যা লিখেছিলেন "সারা বিশ্বে ৫০ মিলিয়ন শিশু টেনিস খেলা শুরু করে, এর মধ্যে ৫ মিলিয়ন শিশু টেনিস খেলা শিখে, ৫০ জন উইমব্লডনে পৌঁছে, ৪ জন সেমিতে, ২ জন ফাইনালে, অবশেষে যখন আমি কাপটি জিতেছিলাম আমি কখনও ইশ্বরকে জিগ্গাসা করিনি কেন আমি?এবং আজ এই মরণ যন্ত্রনাক্ষনে ইশ্বরের কাছে আমার জিগ্গাসা করা উচিৎ নয় কেন আমি?"

"Happiness keeps you Sweet,
Trials keep you Strong,
Sorrow keeps you Human,
Failure keeps you humble and Success keeps you glowing, but only Faith & Attitude Keeps you going...
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sriaz/28968995 http://www.somewhereinblog.net/blog/sriaz/28968995 2009-06-24 18:09:30
ইহুদিরা যুগে যুগে যেভাবে প্যালেষ্টাইন দখল করেছে

জাতিসংঘ পার্টিশন প্ল্যান (১৯৪৭)


১৯৪৯-১৯৬৭


২০০০


এরপর???


সুত্র:

Click This Link]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sriaz/28966770 http://www.somewhereinblog.net/blog/sriaz/28966770 2009-06-19 18:26:25
ঢাকা শহর ও বাংলাদেশের কিছু পুরাতন ছবি
রমনা গেট (১৯০১): বর্তমানের দোয়েল চত্তর


চকবাজার মোড় (১৯০৪): বর্তমানের নাজিমউদ্দিন রোড


ঢাকা কলেজ (১৯০৪)


ঢাকেশ্বরি মন্দির (১৯০৪)


লালবাগ কেল্লা (১৮৭২)


মিডফোর্ড হাসপাতাল (১৯০৪): বর্তমানে সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ


নর্থবুক হল (১৯০৪): বর্তমানে নর্থবুক হল রোড


ঢাকার একটি বৃটিশ অফিসার মেস (১৯৩৪)


পুরাতন ঢাকা কলেজ (১৮৭২)


লালবাগ কেল্লার ভিতর পরিবিবির মাজার (১৯০৪)


পুরানা পল্টন (১৮৭৫)


ঢাকার একটি অচেন সড়ক (১৮৭২)


চকবাজার (১৮৭৫)


তুরাগ নদীর উপর টংগী ব্রীজ (১৮৮৫)


ঢাকার নবাবের হরিণ পার্ক (১৮৭৫): বর্তমানের রমনা পার্ক


বুড়িগংগা নদী (১৮৮০)


নারিন্দা খ্রীষ্টান গ্রেভ ইয়ার্ড (১৮৭৫)


থমাস চার্চ ঢাকা (১৮৭২)


ধোলাইখালের ষ্টীল ব্রীজ (১৯০৪): বর্তমানের লোহারপুল


পদ্মা নদী (১৮৬০)


একটি বাংলাদেশী গ্রাম (১৮৬০)


হুকা তৈরির দৃশ্য (১৮৬০)


কুষ্টিয়ার গড়াই নদী (১৮৬০)


একজন বাংলাদেশী শিক্ষিত লোক (১৮৬০)


আরেকজন বাংলাদেশী (১৮৬০)


সময়ের ব্যবধানে আমরা ও এরকম অতীত হয়ে যাব.............]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sriaz/28966506 http://www.somewhereinblog.net/blog/sriaz/28966506 2009-06-18 23:38:04
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী টিপাইমুখ বাঁধ নিয়ে আপনার অবস্থান পরিষ্কার করুন
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনাকে পরামর্শ তো দুরের কথা আপনার নাম নেওয়া ও আমার মত সাধারণ জনগনের জন্য পাপ। শধু আজ আপনাকে একটা অনুরোধ জানাতে চাই। আপনি জানেন টিপাইমুখ বাঁধ নির্মাণের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে ভারত। তাই জাতির মনে আপনার সরকারকে নিয়ে যে সন্দেহ দানা বেঁধেছে তা খোলাসা করতে টিপাইমুখ বাঁধ নিয়ে আপনার অবস্থান পরিষ্কার করুন। জাতির এই ক্রান্তিকালে অনতিবিলম্বে তাদের উদ্দেশ্যে ভাষন দিন। আপনার সরকার বা বাংলাদেশের কোন দুর্বলতা থাকলে তাও জাতিকে সত্য ও সরল ভাষায় প্রকাশ করে যান।

পরিশেষে বলি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বাংলার মাটি এবং জনগনের সাথে বেইমানি করবেন না। তারা বড় আশা নিয়ে আপনাকে দেশের নেতা নির্বাচিত করেছিল। আপনি না বললে ভারত কেন ভারতের বাবার ও ক্ষমতা নেই টিপাইমুখ বাঁধ নির্মাণ করার।
ভেবে দেখুন এটা তো শত সিডরের চাইতে ও ভয়াবহ!! জনগনকে সাথে নিয়ে দেশের এই দুর্যোগ মোকাবেলা করুন। আর তা যদি না করেন ইতিহাস আপনাকে ক্ষমা করবে না।

তাই দয়া করে টিপাইমুখ বাঁধ ঠেকাতে অতিসত্তর নিম্নে উল্লেখিত ব্যবস্থাগুলো সহ যত ব্যবস্থা নেওয়া যায় তা গ্রহন করুন। আপনি জানেন হাতে সময় খুব কম...................রোগী যেন আই সি ইউ তে:


১) ইলেক্ট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়াগুলো জরুরিভাবে টিপাইমুখ বাঁধ নিয়ে ধারাবাহিক প্রচার শুরু করুক।

২) টিপাইমুখ বাঁধের উপর সর্বত্র গনসচেতনতা এবং দেশীয় ও আন্তর্জাতিক ফোরামে যথাযথ ভাবে উপস্হাপনের জন্য আসন্ন বাজেটে বরাদ্ধ দেওয়া হোক।

৩) বিদেশ অধ্যায়ণরত ছাত্র-ছাত্রী সহ সমস্ত প্রবাসিরা প্রতিবাদে অংশ নিক এবং প্রয়োজনে বিশ্বের সকল দেশের ভারতীয় দূতাবাসের সামনে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করুক।

৪) বাংলাদেশে ভারতীয় হাইকমিশনারকে পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ে তলব করা হোক এবং কড়াভাষায় ভারতের টিপাইমুখ বাঁধ নির্মাণের সমালোচনা করা হোক।

৫) বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয় গুলো সহ সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্রদের প্রতিবাদ সভা করা হোক।

৬) জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে বিভিন্ন পলিটিক্যাল পার্টির যে সব সংগঠন ও অংগসংগঠন রয়েছে তারা স্ব স্ব জেলা/ উপজেলায় বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করুক।

৭) বাংলাদেশ সরকার বাংলাদেশে অবস্হিত সমস্ত রাষ্ট্রদূতকে আমন্ত্রণের মাধ্যমে একটি জায়গায় ডাকুন এবং টিপাইমুখ বাঁধের ভয়াবহতা তাদেরকে অবহিত করুক এবং দেশী বিদেশী এক্সপার্টদেরকে সেখানে হাজির করিয়ে তাদের মতামত ব্যক্ত করানো হোক।

৮) বাংলাদেশের সংবাদ মাধ্যমগুলো বিশ্বের সমস্ত সংবাদ মাধ্যমগুলোকে টিপাইমুখ বাঁধের ভয়াবহতা নিয়ে বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ করতে অনুরোধ করুক।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sriaz/28961077 http://www.somewhereinblog.net/blog/sriaz/28961077 2009-06-06 20:05:52