আমার প্রিয় পোস্ট
- আপনার উইন্ডোজ কে ওয়াইফাই হট স্পট হিসেবে ব্যবহার করুন এবং ইন্টারনেট কানেকশান শেয়ার করুন যত খুশি তত পিছি তে কোন রকম রউটার ব্যবহার ছাড়া - বোরহান উদদীন
- উবুন্টুতে গ্রাফিক্যালি সবকিছু : টিউটোরিয়াল । এরপর খালি বলে দেখেন উবুন্টু কঠিন , খবর আছে!!! - ইন্ঞ্জিনিয়ার
- পেট ফেটে যাওয়া কিছু কৌতুক-{সংগ্রহ} - নষ্ট কবি
- ছবি এডিট করা এত সহজ! এখন থেকে এক তুড়িতেই নিজের ছবি প্রফেশনালদের মতো এডিট করুন!!

- হাসান জোবায়ের
- জনপ্রিয় সংগীত তারকা শান এর রবীন্দ্রসংগীত অ্যালবাম "খোলা হাওয়া" থেকে গান ডাউনলোড করুন - ৈসকত মজুমদার
- ফ্রি মাস্টারকার্ড (MasterCard) - আবু বকর িসিদ্দক
- রি-পোস্ট : ট্যাক্স আইডেন্টিফিকেশন নাম্বার করবেন যেভাবে - ইনক্রেডিবল
- আপনার উইন্ডোস কম্পিউটার বার বার “হ্যাং” হওয়ার সমস্যা থেকে মুক্তি চান? (ছোট্ট একটি টিপস এর মাধ্যমে খুব সহজেই মুক্তি পেথে পারেন!! ) - মঈনউদ্দিন
- আপনি যে সফটওয়ারের ক্র্যাক বা কিজেন খুজছেন.. - নাজিরুল হক
- ইনকা সভ্যতা, পাথর নগর, স্প্যানিশ বর্বরতা ও মাচু পিকচুর সেই সূর্যদেবতার থান ... - ইমন জুবায়ের
- ইউটিউবে আমার পছন্দের কিছু সুর, সারাদিন বসে বসে যেগুলো শুনি-২ - নুভান
- আপনার কম্পিউটারকে ব্যবহার করুন Fax Machine হিসাবে। - কাজু
- ✓ বাংলা নাটক, গান ডাওনলোডের ভাল সাইটগুলো ♪♠☺ - হাশেম
- মুভি ব্লগ: শূন্য দশকের সেরা ১০ ছবি - শওকত হোসেন মাসুম
- মেমোরি প্রশিক্ষন - কিভাবে সব কিছু মনে রাখবেন - শ্রাবনের ফুল
- টেকি পোস্ট ঃ কমেন্টে ফটো দিবেন কিভাবে ?? - শয়তান
- 'গণযুদ্ধের পটভূমি' এবং একজন অনাবিস্কৃত 'এস এম তুষার' - শ খি আ ঈয়ন
- বাংলাদেশের সকল ব্যাংকসমূহ / All Banks in Bangladesh - মাসুদ চৌধুরী
- পিডিএফ(Pdf)তৈরী-ওয়ার্ডে রূপান্তর,ইউটিউব ভিডিও ডাউনলোড-আপলোড,ওয়েব পেজের স্ক্রিনশর্ট,ইউনিকোড কনভার্ট,হট কী,আইকন পরিবর্তন - মাসুদ চৌধুরী
- ~*~*~IP দিয়ে খুজে বেড় করুন যাকে খুজছেন তার অবস্থান!!~*~*~ - এ. এস. এম. রাহাত খান
- আসুন জেনে রাখি-২: কিভাবে পাসপোর্ট তৈরি করবেন - নিরব হাসি
- প্রেমের জন্য চুরি - মুহম্মদ ওয়াসিম
- লিনাক্স :: একটি বিশ্বস্ত, শক্তিশালী এবং স্বপ্নের অপারেটিং সিস্টেম (ইতিহাস, ইন্সটল, ব্যবহার) - পাপী
- ইন্টারনেটের প্রকৃত ইতিহাস - ১ম পর্ব (ব্রাউসার যুদ্ধ) - নাফিস ইফতেখার
- PHP ডেভেলপার, নবিস ও জানতে আগ্রহীদের জন্য বিশাল সুখবর!! - ত্রিভুজ
- জরুরী কিছু টেলিফোন নং [কাজে লাগতে পারে] - মিলটন
- "Best Loved Children's Songs" আপনার সোনামনির জন্য সুন্দর উপহার হতে পারে । - লুলুপাগলা
- হ্যাক এন্ড ক্র্যাক: উইন্ডোজ এক্সপি ও ২০০০ এর এডমিন পাসওয়ার্ড ভুলে গিয়েছেন? - ত্রিভুজ
- সহজ নেটওয়ার্কিং ও ইন্টারনেট শেয়ারিং - ত্রিভুজ
জন্মদিন
১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ সকাল ৭:৩৯
সকালে ঘুম থেকে উঠে জানালা খুলে সামনে তাকাতেই চোখে পড়ল একজন প্রতিবেশীর বাড়ির দিকে । লোকজন, হৈ চৈ তখনও বেশী না । তবুও হাবভাবে মনে হল সেখানটায় কিছু একটা হতে যাচ্ছে। কি হবে জানবার জন্য কৌতুহল হল । কিন্তু তখনই সে বাড়ির কাউকে হাতের কাছে পাওয়া গেলনা। তাই ব্যাপার কি জানা হলনা, কৌতুহল চেপে রেখেই প্রাত:কালীন কাযর্াদি সম্পন্ন করার জন্য চলে এলাম ভিতরে ।
কিছুক্ষন পরে আমার দরজার কড়া নড়ে উঠল । দরজা খুলে দেখলাম সেই বাড়ির এক ভদ্রলোক দাড়িয়ে । সম্ভা্সন বিনিময়ের পর তিনি ভিতরে এসে বসলেন, বসেই বললেন তিনি খুব ব্যস্ত, বেশীক্ষন বসবার সময় নেই । তাদের বাড়িতে সামান্য আয়োজন। গুটিকয়েক লোকজনের খানা পিনার ব্যবস্থা করা হয়েছে । বাড়ির কর্তা আমাকে আগেই খুজেছিলেন, দেখা হয়নি । আমি যেন তাদের সঙ্গে রাতে খাবার টেবিলে শরীক হই । ভাবলাম দাওয়াত খাব, কি সুখবর! বাড়ীতে যা খাই আজকাল, যাক অনেকদিন পর ভাল খাবার একটা সুযোগ এলো । এসব ভেবেই বললাম -এতো আমার সৌভাগ্য, নিশ্চয়ই যাব । ভদ্রলোক চলে গেলেন । আমি কিন্তু তখনই উঠতে পারলাম না । চিন্তায় পেয়ে বসল, আমি তো না হয় খাব , হয়ত পেট পুর্ইে খাব । ভাল ভাল জিনিস খাব । কিন্তু ছেলে মেয়ে গুলো? কতদিন ওদের ভাল মাছ খাওয়াতে পারিনি । খাসী , মুরগী যে খাবার বস্তু তা হয়ত ভূলেই গেছে । এইত সেদিন ছোট ছেলেটা খেতে বসে থালায় খানিকটা্ শব্জী দেখে গোস্বা করল । ওর মাকে বলল - কত দিন শুধু শব্জীই খাচ্ছি, এর কোন রকমফের হবেনা মা? - - - যা দেয়া হয়েছে তাই খেতে বলা হল । ছেলে কিন্তু রাজি নয় , বলল মাসের পর মাস শুধু শাক-পাতা খেতে ভাল লাগেনা । বাবাকে বলো মাসে অন্তত : একদিন মাছ গোস্ত খাওয়াতে। ওর কন্ঠে মিনতি ঝরল। কোন উত্তর না পেয়ে ছেলেটি অগত্যা সেগুলো গল:ধকরন করে উঠে পড়েছিল ।
হঠাৎ মনে পড়ল , হাতে অনেক কাজ , বসে থাকলে তো হবেনা , তার চেয়ে কাজে মন দেই গিয়ে । এই যা: ! উৎসব টা কিসের ? এত খানাপিনার আয়োজনই বা কেন? কিছু্ই জিজ্ঞেস করা হল না । যাকগে , সময়মত গিয়ে খেয়ে আসব , আর কি?
বেলা বাড়তে লাগল । উৎসব বাড়ীর উৎসবের পরিমান বাড়তে লাগল, লোকজন বাড়ল , বাড়ল হৈ চৈ। বাড়ী-ঘরকে সুন্দর করে তোলা হল । প্যান্ডেল পড়ল । রঙ্গীন বালবের আলোয় সমস্ত বাড়ী ঝলমল করে উঠল । যথাসময়ে টেবিলে খাবার পরিবেশিত হলো । রকমারী খাবার , প্রচুর খুশবু, খেয়ে সবাই তৃপ্ত। আমিও খেয়েছি খুব। অনেকদিন পর ভাল খাবার খেয়ে যেন একটু বেশী পরিমানেই খেয়েছি । এবার বিদায়ের পালা ।একে একে সকলে বিদায় নিয়ে চলতে শুরু করল । হঠাৎ কে একজন জিজ্ঞেস করল - অনেক খেলাম , প্রচুর আনন্দ পেলাম কিন্তু উৎসব টা কিসের তাতো জানা হলনা । যেন হঠাৎ মনে পড়েছে এভাবেই সকলেই বাড়ির কতর্াকে ধরে বসলেন । ভদ্রলোক নম্র ও লাজুক হেসে বললেন , এমন কিছুনা । জানেন তো আমার কোন ছেলে মেয়ে নেই । তাই গিনি্নর নানা শখ নানা বায়না । তেমনি একটা বায়না মিটাতেই আজকের এই আয়োজন । গিনি্ন একটা বিড়াল পোষেন , আজ তারই জন্মদিন । সকলে একবাক্যে গিনি্নর প্রতি কতর্ার ভালবাসা এবং দরাজ দিলের প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়ে বিদায় নিল । আমিও বাসায় ফিরলাম।
ফিরে এসেই যত ঝামেলা, অমন সুন্দর খাবারটাও যেন আর হজম হবেনা । আমার সাত বছরের মেয়েটি তখনও ঘুমায়নি। ঢুকতেই জিজ্ঞেস করল , আব্বু কি খেয়েছ ? সঙ্গে সঙ্গে উত্তর দিতে পারলাম না । কেমন যেন একটা সংকোচ আমার গলা চেপে ধরল । আপনারা না জানলেও আমার তো জানা আছে পুঁইয়ের ডাটা চিবিয়েই আজ ওদের রাতের খাবার শেষ হয়েছে । আমাকে ইতস্তত: করতে দেখে অতটুকু মেয়েও বুঝিবা ওর বাবার অসুবিধাটা বুঝতে পারল । সে তার প্রশ্নের জন্য চাপ সৃষ্টি না করে অন্য একটি প্রশ্ন ছুড়ে দিল ।ওদের বাড়ীতে উৎসব কিসের ? বললাম - ও বাড়ীতে আজ বেড়ালের জন্মদিন। মেয়েটি জিজ্ঞেস করল জন্মদিন কি আব্বু? উত্তর দিলাম, কিন্তু তাতে ফ্যাসাদ বাড়ল । আমাদের তো ছেলে মেয়ে আছে , তবে আমরা ওদের জন্মদিন পালন করিনা কেন? সহৃদয় পাঠক , এ প্রশ্নের সদুত্তর কিসে হবে? ছোট ছেলেটি তখন ঘুমিয়ে , নইলে আরও কত প্রশ্নের উত্তর দিতে হত খোদাই জানেন।
তখনকার মত ঝামেলা থামল বটে । কিন্তু তার পরের দিন থেকে আর এক নতুন ফ্যাসাদ । কতন পর পর আমার মেয়ের প্রশ্ন সাতই সেপটেম্বর কবে? আর কদিন বাকি ? ও: বুঝতে পারছেন নাতো ! ওটা্ই আমার মেয়ের জন্মতারিখ । হাতের কড় গুনে সে যখন বুঝে ফেলল আর মাত্র চার দিন বাকি তার জন্মদিনের তখন এক নতুন প্রশ্ন করে বসল । আব্বু আমার জন্মদিন পালন করবে? আমাকে চুপ করে াকতে দেখে বলল - আব্বু , ওরা বেড়ালের জন্মদিন পালন করে আর তুমি আমাদের জন্মদিন পালন করনা কেন? আপনারাই বলেন - আমার এই অবোধ শিশুকে কেমনে বোঝাবো যে ওদের অনেক আছে , ওরা কথায় কথায় টাকা খরচ করতে পারে । কিন্তু আমরা ? আমরা যারা মাসে একবার বেতন পাই, উপড়ি প্রাপ্তিও যাদেও ভাগ্যে জোটেনা, তাদের ত দুবেলা মুখে পোরাই দায় তাদের এই সব উটকো কাজ করার সঙ্গতি কোথায়? ওসব ভাগ্যবানদের সাথে চলবার মতা আমাদের কতটুকু ? দুর থেকে ওদের জৌলস দেখে থমকে তাকানো, নিদেন পক্ষে ঈর্ষা করা ছাড়া আর কিইবা করতে পারি ? এসব আমি বুঝলেও আমার ছেলে মেয়েরা বুঝবে কেন? বিশেষ করে আমার সাত বছরের শিশু কন্যা । কাজেই তার আবদার চলতেই থাকল । মেয়ে আমার কেঁদে ফেলল । মেয়ের কান্না দেখে মেয়ের মা অর্থাৎ আমার গিনি্নও এগিয়ে এল বলল , মেয়েটি আজ কয়েকদিন থেকে বায়না করছে , আর এমন কিছু অন্যায্য বায়নাও নয়, করই না ওর জন্মদিনটা এবার। জীবনে তো কিছু করলে না, না করলে নিজের জন্মদিন না করলে আমার । নিদেন পক্ষে বিবাহ - বার্ষিকিটাও তো করতে পারতে এক আধবার। এই দশ বছর হতে না হতেই দিন তারিখ টা পর্যন্ত ভূলতে বসেছি। বললাম তথাস্থ , হবে। মা মেয়ে উভয়ই দেখি খুশি। ওদের মুখ দেখে আমিও খুশি হয়েছিলাম। মেয়েকে বললাম, মা-মনি তোমার জন্মদিন পালন করব ঠিকই তবে ওদের মত পারবনা । বাড়ি ঘর সাজানো হবেনা আর অনেক লোককেও দাওয়াত দিতে পারব না । আমরা নিজেরাই উৎসব করব, মাইক বাজবে না কিন্তু আমরা নিজেরাই গান করব । মেয়ে তাতেই খুশি। কি হবে না হবে তাতে তার ভ্রুপে নেই , ওর জন্মদিন পালন হবে এটাই ওর আনন্দ। দৌড়ে গিয়ে ছোট ভাই টাকে জড়িয়ে ধরল। জান ভাইয়া ! আমার জন্মদিন হবে। আমরা পেট ভরে খাব । কত মজা ! পোলাও কোরমার কথা শুনে ছেলেটাও খুশি । দুই ভাই বোনের সে কি আনন্দ ! দেখে আমারও খানিকটা তৃপ্তি লাগল ।
সাতই সেপটেম্বর এল। অনাড়ম্বর শুধু নয়, নিরাভরন আয়োজন করলাম। কোন অতিথি থাকলনা। মাইক বাজলনা। লাইট জ্বলল না। প্যান্ডেল হল না। বাবুর্চি এলো না। স্রেফ একটি মুরগী পোলাওয়ের ব্যবস্থা। ছেলে মেয়ে গিনি্ন আর আমি মিলে এই ব্যবস্থা। আর তাতে আমরা সবাই মেতে থাকলাম। পাকানো শেষে সবাই মিলে খেতে বসলাম। গিনি্ন ছেলে মেয়ে দুজনার পাতে দুটি রান উঠিয়ে দিতেই মেয়েটি ছোট ভাইকে বলল , আজতো আমার জন্মদিন, কোন মেহমান নেই , তুমিই যেন আমাদের মেহমান। আম্মু , ওকে একটু বেশী বেশী খেতে দিও । মেহমানদের যে আদর যত্ন করে খাওয়াতে হয়। আমি ওর মুখের দিকে চেয়ে থাকলাম। ও লজ্জা পেয়ে মুখ নিচু করল। পরক্ষনেই মুখ তুলে বলল আব্বু খাও, পোলাউ ঠান্ডা হয়ে গেল ।
প্রকাশ করা হয়েছে: আমার ডায়েরি বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ সকাল ৭:৫৮ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
অতিথি বলেছেন:
সত্যিই তুমি আমাকে কাঁদিয়ে ছাড়লে। অসম্ভব ভাল লাগলো দোস্ত!
রাগ ইমন বলেছেন:
তোমার আগের লেখাটা মিস হইলো কিভাবে? !!! ছিঃ, নিজেকে ধিককার!দুটোই খুব ভালো হয়েছে। এটা কি সিরিজ? চলুক তবে। জীবনের কঠিন রুপটা কেউ বলুক, আমি বলি আশার কথা।
ভালো আছো বন্ধু?
শাহানা বলেছেন:
আমি বলি? সৃজন, ঐ বাড়ির খাবার খেয়ে বা খাইয়ে সবাই যে আনন্দ পেয়েছে, আপনি এবং আপনার ছেলে মেয়ে বউ পেয়েছে তার চেয়েও বেশি। আপনার প্রাপ্তি কোন অংশে কম না, বরং বেশি। আপনার মেয়ে বড় হয়ে ওর জন্মদিনের আনন্দের কথা তার ছেলে মেয়েদের বলবে। যার ছেলে মেয়ে নেই, তার কি হবে? সে আপনার চেয়েও অনেক বেশি অসুখি।
অতিথি বলেছেন:
নিজেকে দেখে লজ্জা পেলাম.কিন্তু যে আছি সেই থাকব কোন পরিবর্তন হয় না,হবে না.জুলাই এর পর সেপ্টেম্বরে এসে 2 য় পোস্ট টা করলেন.আপনার কাছ থেকে আরো লিখা আশা করছি.
(স্কুলে থাকা কালে একটা কবিতা পড়েছিলাম --আফিসারের কুকুরের জন্মদিনে একজন কর্মচারীর মনের কি অবস্থা হয়েছিল ...কবিতা টা ভুলে গেলাম.)
অতিথি বলেছেন:
আরেকটা গল্প ছির পন্ডিতমশায়ের। ইনস্পেক্টরের তিন ঠ্যাং ওয়ালা কুকুরের গল্প। কি মর্মান্তিক। দোস্ত ইউ আর এ ব্রিলিয়ান্ট রাইটার ইনডিড।
অতিথি বলেছেন:
ধন্যবাদ দিলে কাজ হবে না .নিয়মিত পোস্ট চাই.
অতিথি বলেছেন:
খুব ভাল লেগেছে এটাও।
অতিথি বলেছেন:
অসাধারণ সংস্পর্শী। অত্যন্ত সংবেদী অনর্্তভেদী দৃষ্টি এবং ভালো মানের লেখা।
রাজনৈতিকদের মতো তেলতেলে মুখে কইতে ইচ্ছা করতেছে..."সবই আপনাদের দোয়া"...
কিন্তু আমি কই..."যেমন পাঠক তেমন লেখক, যেমন লেখক তেমন পাঠক"...

সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...















