নাস্তিকরা মূলত ধর্ম-বিদ্বেষী, "ধর্মান্ধতা বা ধর্ম নিপাত যাক" এই কথা তারা বলে বেড়ায়। কিছু ব্লগের ব্যানারেও এই কথা লেখা আছে (সচলায়তন )। এই জন্য মিয়ানমারে (বার্মা) যখন মুসলিম নিধন চলছিল তখন নাস্তিকরা নিরব থেকেছে। কারণ, এক ধর্মের লোক অন্য ধর্মের লোককে মারছে। এই সূত্রে পৃথিবীর কোথাও ধর্মীয় সহিংসতা হলে এবং তার ফলে হতাহত হলে নাস্তিকদের নিরব থাকার কথা। রামু'তে যখন বৌদ্ধ মন্দির ধ্বংস হল তারা তখন আর নিরব থাকতে পারছে না। ধর্মীয় গোঁড়া/গাধারা যখন একে-অন্যকে মারছে তখন কিন্তু নাস্তিকদের নিরব থাকার কথা ছিল। কিন্তু দেখতে পাচ্ছি তার উল্টোটা, কেন?
যেকোন রকম সহিংসতা/উগ্রতা অবশ্যই বর্জনীয়। খুন-খারাবি-লুটপাট নিন্দনীয় এবং ক্ষমাহীন অপরাধ। আমরা অবশ্যই ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রেখে চলব, এটা আমাদের ঐতিহ্য, আমাদের ইতিহাস। আমরা জানি সাম্প্রদায়িকতা এনেছে হুমায়ূন আযাদ, শামসুর রাহমানের মত নাস্তিকরা। তারাই দেশকে অস্থিতিশীল করে তুলেছে, এখন তাদের উত্তরসূরীরা সেই অস্থিতিশীলতা বহাল রাখতে সচেষ্ট। তাই আসুন, আমরা নাস্তিকদের এড়িয়ে চলি, এবং ধর্মীয় সম্প্রীতি বজার রাখি।
ধন্যবাদ সবাইকে।
সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা অক্টোবর, ২০১২ বিকাল ৪:৩৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



