হাওর জলাভূমির পরিবেশ মারাত্মক হুমকির মুখে, কমে যাচ্ছে মৎস সম্পদ, হচ্ছে আগাম বন্যা
বৃহত্তর সিলেট এবং বৃহত্তর মসয়মনসিংহ এবং ব্রাক্ষন্যবাড়িয়ার কিছু কিছু এলাকায় দেশের সবচেয়ে সম্ভাবনাময় হাওর এবং জলাভূমিগুলোর অবস্থান। এগুলোয় বছরের প্রায় সাত মাস থাকে পানি, সে সময় ঐ এলাকার মানুষ মৎস আহরণ করে এবং পাঁচ মাস এখানকার কৃষকরা চাষ করে বোরো ধানের। কিন্তু গত বেশ কয়েক বছর যাবত এই সকল এলাকায় নানা কৃষক এবং জেলেদের চলছে চরম দূরদিন। একদিকে পরিবেশের উপর নানা ধরনের অত্যাচারের কারণে এখানে মৎস সম্পদ দিনদিন হ্রাস পাচ্ছে। অন্যদিকে, প্রতি বছর আগাম বন্যার কারণে ফসল নষ্ট হয়ে যাবার ফলে কৃষকদের মাথায় হাত পড়ছে। স্থানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ড এবং সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে পাওয়া এক হিসাবে দেখা গেছে, এই এলাকায় প্রতি বছর সাড়ে ৫০০ কোটি টাকা মূল্যের ধান উৎপাদন হয়। এবারে আগাম বন্যার কারণে তা প্রায় সাড়ে চারশ কোটি টাকার ধানের ক্ষতি হয়েছে। এ এলাকার সুনামগঞ্জের মাত্র দুটি হাওর ছাড়া বাকি সবগুলোর সংশ্লিষ্ট এলাকায় আগাম বন্যার কবলে পড়েছিল।
পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের আওতাভুক্ত বাংলাদেশ হাওর ও জলাভূমি উন্নয়ন বোর্ডের সাবেক মহাপরিচালক শাহ ফতেহ আলী মিয়া জানান, অত্যান্ত সম্ভাবনাময়ী এবং ঘোলা মাছের খনি নামে পরিচিত উত্তর পূর্বাঞ্চলের হাওর ও জলাভূমিগুলোর অবস্থা এখন দিন খারাপ পর্যায়ে যাচ্ছে। এখন এখানকার মৎস সম্পদ ক্রমেই কমে যাচ্ছে। এখানকার অনেক জলজ উদ্বিদ এবং প্রাণীর আবাসস্থলও নাজুক হয়ে পড়েছে। পুরা প্রতিবেশ ক্রমে হয়ে উঠছে অসামঞ্জস্যপূর্ন। তিনি জানান, মূলত আসাম থেকে এ এলাকায় পানি নেমে আসে, সেখানেও নানা ধরনের পবিবেশ বিধ্বংশী কার্যকলাপের কারণে এখানকার পানি দূষিত হচ্ছে। পানি দিয়ে ধেয়ে আসছে পলি এবং বালি এগুলোও ভরাট করে দিচ্ছে হাওর জলাধারগুলোকে। তিনি এক প্রশ্নের জবাবে জানান, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন সময়ে পরিবেশের কথা বিবেচনা না করেই হাওর এলাকায় বাঁধ কালভার্টের মত নানা অবকাঠামো গড়ে তুলছে। এ কারণেও প্রাকৃতিক হাওরগুলো ধবংশ হচ্ছে।
হাওর সংশ্লিষ্ট অভিজ্ঞরা বলছেন, হাওরের ওয়াটার রেজিম সংরক্ষননার্থে সুরমা নদীর মূখ সহ আসেপাশের এলাকায় ডেজিং শুরু করা দরকার। পাশাপাশি কালনি, কুশিয়ারা, সুরমা, বৌলাই, মনু ,যদুকাটা, রক্তি সহ বিভিন্ন ছোট বড় নদী এবং এর আশেপাশের খালগুলোর পর্যায়ক্রমিক খনন করা দরকার। তাতে ঐ এলাকায় বর্ষার সময পানি আসবে এবং বর্ষার পর তা আবার চলেরও যাবে। তখন সেখানে কৃষকরা চাষাবাদ করতে পারবে।
আসলে কেউ ফেরে না।
মৃতরা ফিরে আসে না।
ফিরে আসে তাদের ফেলে যাওয়া শূন্যতা,
চায়ের কাপের ধোঁয়া,
অধেক বলা কোনো কথা
অথবা হঠাৎ থেমে যাওয়া কোন সুর
যে প্রেম চলে গিয়েছিল,
সে আর কোনোদিন দরজায় কড়া নাড়ে না।
শুধু একদিন আয়নায়... ...বাকিটুকু পড়ুন
দ্য ড্রাগ কিং

সতর্কবার্তা: এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম ফিকশন। বাস্তব একটি অপরাধের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পাঠকদের জন্য এর চরিত্র, নাম এবং স্থান পরিবর্তন করে গল্পটি সাজানো হয়েছে।
খুলনা... ...বাকিটুকু পড়ুন
সামুতে আবারও লিলিপুটিয়ানদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে
আমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন
ইজিবাইক চলাচলের প্রকৃত কর্তৃপক্ষ কে?

দেশের বিভিন্ন শহর ও গ্রামে ইজিবাইক নামে একটি যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু এর পরিচালনা, লাইসেন্সিং এবং চলাচলের ক্ষেত্র সম্পর্কে সুস্পষ্ট ও সর্বজনবিদিত কোনো নীতিমালা সাধারণ মানুষের কাছে দৃশ্যমান নয়।
শহরের ভেতরে,... ...বাকিটুকু পড়ুন
মন কথনিকা-৪৮৭৩-৭৪
মন কথনিকা-৪৮৭৩
তোমার আমার মতামতে আকাশ পাতাল সীমা
আমার বুলি বরফ জলের তোমার যেন বোমা,
তুমি বলো রোদের তেজে আমি বর্ষার মতন
বুকের ভিতর বন্ধু বুঝি পাথর পুষো যতন।
মন কথনিকা-৪৮৭৪
পিঠে ব্যথা ভাল্লাগে না, মন... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।