আমার প্রিয় পোস্ট
- সামহোয়্যারইন ব্লগে ''নারী বিষয়ক পোস্ট'' সংকলন A 2 Z: ২০১১ - পটল
- সূর্যই পৃথিবীর চারিদিকে ঘুরছে - মাহবুব রোকন
- আমার দেখা সেরা শর্টফিল্ম গুলোর কালেকশন, একটি মাস্টওয়াচ পোস্ট - নিয়নের আলো
- মুক্ত/ নাস্তিক/ সংশয়ী/ ধর্মদ্রোহী'দের যুদ্ধটা ... আসলে কাদের বিরুদ্ধে, কিসের বিরুদ্ধে ? - মনির হাসান
- এক বছরে দ্যাশটা কেমন বদলাইয়া গেল - অন্যমনস্ক শরৎ
- চির রহস্যময় কিংবদন্তী-খনা!!! - শায়মা
- ইসলামের কথা বলা শুরু করলে, সে রাজাকার হয়ে যায় but ধন্যবাদ,মন্তব্য মডারেটেড - াহো
- খ্রীষ্টানরা পায় গড, মুসলিমরা পায় জাইগোট, তারা মানুষরে কি মনে করে? পুরাই গোট? (Goat) - স্টাডি-ইটিই
- জ্ঞানের সীমাবদ্ধতা নিয়ে স্বগতোক্তি এবং বিক্ষিপ্ত প্রশ্ন - সোজা কথা
- রূপগঞ্জে সামরিক ভুমি আগ্রাসন:“দিনরাত লেফ-রাইট করলে ক’মণ শস্য ফলে এক গন্ডা জমিতে?” - দিনমজুর
- কালিদাস এবং ... - ৩ - মে ঘ দূ ত
- মহাবিশ্বের সৃষ্টি এবং ঈশ্বর নিয়ে স্টিফেন হকিং এর সর্বশেষ বই “দি গ্র্যান্ড ডিজাইন” এর সার-সংক্ষেপ/রিভিউ - বিলাশ বিডি
- সুনিতা পালের সুলুক সন্ধানে - রেজওয়ান
- ইসলামের নামে মুসলিম জ্ঞানীঁদের হত্যা ও নিযার্তনের কথা - নুরুজ্জামান মানিক
- গ্রাফিক ডিজাইনারদের জন্য প্রয়োজনীয় কিছু লিংক - অন্যসকাল
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর - আধুনিক ব্যাংকিং এর স্বপ্নদ্রষ্টা - ন হন্যাতে
- শিল্পের দ্বায়বদ্ধতা, শিল্পীর দ্বায়বদ্ধতা।উৎসর্গ: হাসান মাহবুব। - স্তব্ধতা'
- বিচিত্র বমি - তাশমিয়া
- কোয়ান্টাম তত্ত্বের সূচনা, বিব্রত ম্যাক্স প্লাঙ্ক (এবং কোয়ান্টামকে বোঝার চেষ্টা) - শুভ রহমান
- মুসলমানরা মানুষ নয়! পর্ব-২ - রিয়াজওয়ার্ল্ড
- ধর্ম, ঈশ্বর ও জিবরাইলের বাহাস - নতুনদেশ
- ওয়েব ডেভোলপারদের জন্য ১০টি গুরুত্বপুর্ন শর্টকাট ফাংশন লিষ্ট (ডাউনলোড লিঙ্কসহ) - খুজে ফিরি অজানা কে?
- ইউনিলিভারের বর্ণবাদ আর সাম্রাজ্যবাদ - এ.টি.এম.মোস্তফা কামাল
- যুদ্ধাপরাধী আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদি কি করেছিলেন - সিস্টেম
- বাংলাদেশে একাত্তরের যুদ্ধপরাধীদের বিচার না হওয়ার অন্যতম কারণ: ওয়াহাবী কানেকশন। - ইমন জুবায়ের
- সমকামীতায় সচেতন ন্যাচারালাইজ হবার সময় হয়েছে এই সমাজের - অন্যমনস্ক শরৎ
- সামুতে যাদের লেখা মিস করি--পর্ব ১ - দি ফিউরিয়াস ওয়ান
- যাকে ভালুবাসি তাকে সব দিব - আলিফ দেওয়ান
- চলে গেলো এ-টিমের জন্মদিন, আমরা কি তবে ভুলতে বসেছি তাদের অবদান? - স্বপ্নকথক
- ওমর খৈয়ামের “রুবাইয়াৎ” থেকে - রাত্রি২০১০

উবুন্তু/ লিনাক্সপ্রেমীদের জন্য সুখবর!! আকর্ষণীয় টি-শার্ট বেছে নিন!!

- 'লেনিন'
- ঈশ্বরের প্রতিশ্রুতি। - হোরাস্
- কার্ল মার্কস ও তথাকথিত প্রকৃতি বিজ্ঞান (Natural Science) - পি মুন্সী
- আহমদ ছফা প্রধানমন্ত্রী হয়ে যা যা করতে চেয়েছিলেন - হৃদয়ে বাংলাদেশ
- এবার প্রেসের কাজে বাংলা লিখুন ইউনিকোডেই একদম সরাসরি ফটোশপ (মেহেদী ভাইয়ের নতুন পোস্ট) - টেকি মামুন
- ত্রিশ লক্ষ শহীদ : মিথ নাকি বাস্তবতা ? - লাইটহাউজ
- ইসলামের জন্ম এবং ইতিহাস বিষয়ক একটি বই - মেজভাবী
- আল্লাহ কি গণিত বুঝেননা? - চনদন
- হা হা পে গে ! - হায় ঈশ্বর!
- ভিক্ষুক ও ডেসটিনি রোগীর মধ্যে পার্থক্য - সুমন অহেমদ
- ইসলামে কাম ও কামকেলি (3-2) - মানব
- দৃষ্টি আকর্ষণ: ব্লগারবৃন্দ, আমাদের জিনিস আমাদেরই বুঝে নিতে হবে - আশরাফ মাহমুদ
- শেষ পর্যন্ত অন্য গ্রহে গিয়ে সাম্রাজ্যবাদের শিল্পিত সমাধান আসলো?: প্রসঙ্গ আভাটার - অন্যমনস্ক শরৎ
- অনলাইনে পাওয়া জীবনানন্দ দাশের সব কবিতা - র হাসান
- অবিস্মরনীয় সেইসব মেটাল এলবাম গুলো...( একটি \m/ জাতের MEGA পোস্ট) - প্রিয়তমেষু
- ভিওআইপি ব্যবসা নয়, রাষ্ট্রের প্রাপ্য ট্যাক্সের টাকা ভাগ বাটোয়ারার কাহিনী - পি মুন্সী
- কার্ল গুস্তাফ য়ুং: লোকোত্তর এক বিশ্বঅবচেতনার সাধক - ইমন জুবায়ের
- লেখাটার লগে ছবিও দিয়া দিলাম কিন্তু!! - এস.আর.এফ খাঁন
- আধুনিক ইতিহাসের পাঠশালায় বাঙ্গাল, 'আ' তে আওয়ামী, 'ব' তে বাকশাল (দ্বিতীয় খন্ড) - বাঙ্গাল
- আলোচনা পোস্টঃ ছাগু বিরোধি ফাইটারদের দৃষ্টি আকর্ষন করছি - শয়তান
- বিদায় পৃথিবী- k-79er34b নক্ষত্রপুন্জের C-37 গ্রহে নিমন্ত্রণ রইলো - k-79er34b
- বিশেষতঃ ব্লগ কবিগনের দয়াবনত দৃষ্টি আকর্ষন, একটি কবিতা এবং সামু কর্তৃপক্ষের নিকট একটি প্রস্তাবনা - মতিউর রহমান সাগর
- সুশীল বলে কাউকে চিহ্নিত করলে কী মানে দাঁড়ায় - পি মুন্সী
- আধুনিক গবেষনায় দেশের সায়েন্স ও টেকনিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় গুলির দীর্ঘ ব্যর্থতা।মূল কারনটা কোথায়?যোগ্যতা-প্রতিভার অভাব না অন্যকিছু? কিস্তি-৩ - প্লাটো
- ব্লগার জানার মুখোমুখি - ফিউশন ফাইভ
- দালালরা কখনোই বদলায় না নিজেকে, প্রগতিশীলরা অসম্ভব গতিশীল... বদলে যেতে সময় লাগে না। - রাগ ইমন
- হিটলারের আঁকা কিছু ছবি ( ফটো ব্লগ )
- আসফাকুল আমিন
- সহি আসল ইবলিশনামা অথবা শয়তানের ডারুইনী ইতিহাস - খারেজি
- মিথ, রূপকথা ও ব্রান্ডিং: রূপকথা নিয়ে ব্রান্ডিংও হতে পারে। - জাতিষ্মর
- নাস্তিকদের প্রতি ছুঁড়ে দেয়া চ্যালেন্জ গ্রহণ করলাম - দুরের পাখি
- দেখেন কুত্তার বাচ্চাটা কি বলে !!! - পাপী
- মামোর গল্পু ৮ : মামো ২০২০ - চিন্তা ভাবনা করে ইদুর
- :: আপনি কি একজন হ্যাকার? তো হয়ে যাক এক দান। ::
- ফিবোনাকি
- জ্ঞান-বিজ্ঞানের রাজ্যে মুসলমানঃ উত্থান ও পতন পর্ব-২ - তায়েফ আহমাদ
- আমরা মহল্লায় আছি , লাগলে মিসকল দিয়েন ( এ-টিমের জন্মদিন, হোসেইনের শুভেচ্ছা ) - হোসেইন
- হোসেইন : মিস ইউ কমরেড - প্রতিবিপ্লবী
- শয়তানের ইতিহাস........(ভাল শয়তানের জন্য লিখিত) - রেজোওয়ানা
- জরথুশত্র: প্রাক-খ্রিস্টীয় যুগের পারসিক ধর্মপ্রচারক - ইমন জুবায়ের
- আজ বিকেলে যাঁরা ‘দুনিয়া কাঁপানো ত্রিশ মিনিটের মিছিলে’ যাবেন, তাঁদের জন্য কটকটিওয়ালার গল্প........ - তায়েফ আহমাদ
- দুনিয়া কাঁপানো ৩০ মিনিট ও লন্ড-ভন্ড শহীদ মিনার - টিংকু ট্রাভেলার
- বিদ্রোহী (কাজী নজরুল ইসলাম) - সমুদ্রের উত্তাল তরঙ্গ
- তিরিশ মিনিটে ‘দুনিয়া কেঁপেছে’, আমরা কেঁপে উঠবো কবে? - প্রশ্নোত্তর
- বাঙ্গালী বা বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ - মু আ হাকিম নিউটন
- শ্লোগান ২০১০: চেতনা দেখান, গ্রামীন ফোনে কথা বলুন নয় মাস - বিবর্তনবাদী
- আজকে আমি আজিজ!!! - "ডিজিটাল বয়াতী" উলঙ্গ বাবা পিণিক চাঁন ব্যাভিচারী
- আজিজীয় রিমিক্সের চিপায় রবীন্দ্রনাথ
- "ডিজিটাল বয়াতী" উলঙ্গ বাবা পিণিক চাঁন ব্যাভিচারী
- আমাদের লুঙ্গীহীন ফরহাদ্দা (দাদা অর্থে) - রাজীব আহমেদ
- নুহ এর প্লাবন ঘটিত সমস্যা-----(বড্ড বাচা বাইচা গেলাম)----
--পর্ব ১ - ফারজান ওয়াদুদ
- ডেসটিনির গাছে সোনার কাঁঠাল এবং আবুল ভাইয়ের তৈলাক্ত গোঁফ্ - স্তব্ধতা'
- নতুন নতুন ব্লগে ঢুকিয়া আমার ইছলামি চেতনা যেভাবে পিছলা খাইলো - চিন্তিত তাপস পাল
- প্রেতাত্মারোধে হব সন্ত্রাসী আজ (আবুবকর সিদ্দিকের তরে) - পাপতাড়ুয়া
- ধর্মগ্রন্থের মতো রবীন্দ্রনাথের জঠর থেকে বিজ্ঞান বের না করলে চলে না? - অনিশ্চিত
- চাঁদ-তারা কি ইসলামের প্রতীক? - ভিন্ন চিন্তা
- ইনু-বিদিছার পালা - ঠুকেমারি
- '' আমি রাজাকার'' এর সাপোর্টার রা সাবধান
- পাগলা ঘাতক
- ওয়েবে ছড়িয়ে থাকা সকল বাংলা ব্লগের লিস্ট এর সংকলন(আপডেটেড ৩০/১২) - রাহা
- প্রাচীন পৃথিবীর বিস্ময়, সিন্ধু লিপি, আর্য প্রোপাগাণ্ডা এবং নতুন আলো - ম্যাভেরিক
- সিকিম ও কাস্মিরের ভুখন্ড বড়দের বাট্টা হতে পারে কিন্তু রক্তের দামে কেনা বাংলাদেশ নয়- পর্ব ১ - এ. এস. এম. রাহাত খান
- শাকিরার গান ... গোয়া আমার সত্যবাদী - ঠুকেমারি
- বিবর্তনবাদ - বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব হিসাবে প্রতিষ্ঠিত, কিন্তু তবুও বিতর্কের শেষ নেই! - হোরাস্
- সাহিত্যের ভবিষ্যৎ / বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর - ফকির ইলিয়াস
- জামাতে ইছলাম গ্রুপে যৌন হয়রানির ফাঁদ!!! - লোকালটক
- দ্য আদার কনসার্ট ফর বাংলাদেশ : যেটার কথা কেউ বলে না! - অমি রহমান পিয়াল
- ছুটি (মানুষের ছোট গল্প) - মানুষ
- ধরো বন্ধু আমার কেহ নাই !! - দুরের পাখি
- লাক্স এর চামড়া ব্যবসা , দর্শকের দেহ কামনা আর ব্লগে ধর্ষকামী ভূতের আছর - ২য় পর্ব - রাগ ইমন
- বাজে দৃষ্টান্ত! - জলপাই দেশি
- ৭টি, পুরাতন বোতলে নতুন ফেন্সিডিল - ইশতিয়াক অাহমেদ
- পৃথিবীর দেশে দেশে ছাত্র আন্দোলন - জানুয়ারী ২০০৯। - ভিন্ন চিন্তা
- বিশ্বায়নকালে মিডিয়া: বড়ো দানবদের ছোট্ট দুনিয়া - ফাহমিদুল হক
- ঘষ্টানি - রোদেলা খাতুন
- Dofollow এনাবেল ৫০টি ওয়েব ফোরামের লিংক (সাথে একটা বোনাস নিউজ) - আরিফ বল্গ
- প্রসংগঃ আস্তিকের ধর্মকথা-১ - }নবজাতক{
- টিপাইমুখ বাধ প্রসংগে: চাই সংগ্রামের আন্ত:সংযোগ - দিনমজুর
- কোরান অবিকৃত অবস্থায় সংরক্ষিত হয় নি - সাহোশি৬
- কোপেনহেগেন জলবায়ু ক্ষতিপূরণ কিংবা ঘুষ: ক্ষতি চালিয়ে যাওয়ার লাইসেন্স? - দিনমজুর
- সোমালিয়ার ক্ষুধার্ত মুসলমান এবং যাকাতখোর ডাঃ জাকির নায়েকেরা - জাহিদুর রহমান মাসুদ
- ধেয়ে আসছে প্রকৃতির প্রতিশোধের ভয়ংকর ড্রাগন! জলে-স্থলে-অন্তরীক্ষে কোথাও বাঁচার পথ নেই!! - মনজুরুল হক
- তিনি আরজ আলী, একজন আলো-আঁধারির পরিব্রাজক - নির্ঝর নৈঃশব্দ্য-২
কেন আমি একজন আস্তিক নই ? কেন আমি একজন নাস্তিক নই? - ২
১৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:১৭
(প্রথম পর্বের শেষ প্যারা থেকে শুরু করছি)
এবার আসি বিজ্ঞানের কথায়। “ বিশ্বাসই যেখানে ইসলাম/ খৃষ্টান/ ইহুদি এ জাতীয় ধর্মগুলোর মূল খুটি, সেখানে গত প্রায় এক শতক ধরে এই ধর্মগুলোকে বিজ্ঞানময় বলে যাহির করতে যুদ্ধে নামার কারণ কি? কারণ আর কিছু না, ধর্ম একটা নানান রুপের নানান ধারার ক্রম পরিবর্তনশীল বিষয় হওয়া সত্ত্বেও আধুনিক যুগে এসে আমরা “ধর্ম” শব্দটাকে যেমন একটা বিশেষ বিমূর্ত ব্যাঞ্জনা দিয়েছি বিজ্ঞানের ক্ষেত্রেও সেই একই ঘটনা ঘটেছে। ইউরোপিয়রা এই শব্দটাকে একটা আগ্রাসি হেজিমোনিক রুপ দিয়েছে। শিল্প বিপ্লবের পর একটা শ্রেনী এই “বিজ্ঞান” নামক জিনিসটাকে নিজেদের সম্পত্তি বলে দাবি করে এর সিড়ি বেয়ে ক্ষমতার উচ্চ শিরে নিয়ে গেছে। অন্যদিকে “বিজ্ঞান” নামক কোন একটা কিছুর কাছে নিজেদের অস্তিত্ব সংকটে পড়ে যাওয়ার পর শুরুতে “একটা শ্রেনী” চেষ্টা করেছে এই “বিজ্ঞান” নামক অচেনা অজানা বস্তুটার বিরোধীতা করতে, তা সম্ভব হইনি, ক্ষমতা হাড়ানোও তাদের বন্ধ হয়নি, এখন তারা শুরু করেছেন এই বস্তুটাকে নিজেদের সম্পত্তি বলে দাবি করা। কিভাবে তা দাবি করা যায়, একমাত্র উপায় নিজেদের ধর্ম গ্রন্থে এই বিশেষ বস্তুটাকে খুজে বের করা। কাজটা প্রথমে করেছে ইহুদিরা, তারপর খৃষ্টানরা, তারপর মুসলমানরা, এখন হিন্দুরাও শুরু করেছে। কিন্তু এই বিজ্ঞান জিনিসটা কি? এটাতো বোঝা গেলো না। এটা কি কোন আদর্শ, কোন ধর্ম না কি কোন পদ্ধতি? এটা না জেনে যখন আমরা তর্কে নামি বিজ্ঞান বড় না কি ধর্ম তখন তা আসলে একটা অর্থহীন বিতর্ক ছাড়া আর কিছুই হয় না।
আমি ছোট্র একটা গল্প বলি, এই গল্পের ঘটনাটা অহরহ ঘটে। তাই গল্পটা মনযোগ দিয়ে পড়তে হবে -
“রহিম কহিলো করিমকে, ওহে রহিম, তোমাদের এইসব বিজ্ঞান আমি মানি না। করিম রাগিয়া উঠিলো, সে রহিমকে বলিলো, নালায়েক, তুমি বিজ্ঞানের সকল সুযোগ সুবিধা নিবা, বিজ্ঞানের নব নব আবিস্কারের আসির্বাদে ধন্য হবা অথচ বিজ্ঞান মানিবা না তা তো হয় না। রহিম থতমত খাইয়া গেলো, কিছু বলিতে পারিলো না। এইবার তাকে উদ্ধার করতে আগাইয়া আসিলো তাহার বউ মালেকা বানু, মালেকা করিম কে কহিলো, ওহে নরাধম, বিজ্ঞান লইয়া গর্ব করিয় না, বিজ্ঞানিগন কোরআন হইতে এইসব বিজ্ঞান আরহন করিয়াছেন, বিজ্ঞান বড় নয় রে, ধর্মই বড়। করিম দমিলো না, সে বলিয়া উঠিলো, আজকের যুগ বিজ্ঞানের যুগ, তোমরা তোমাদের আদীম ধর্ম লইয়া পরিয়া থাকো, আমরা বিজ্ঞানের পতাকা উড়াইয়া সামনে আগাইয়া যাই ”।
এইবার, ভাইসব উপরের গল্প থেকে বিজ্ঞানের অর্থ উদঘাটন করেন দেখি। রহিমের বক্তব্যে আমরা জানলাম বিজ্ঞান কোন একটা তত্ত বা বিজ্ঞান এমন একটা জ্ঞান খন্ড যা এমন কিছু বলে যা রহিম মানতে পারে নাই। আবার করিমের বক্তব্য অনুযায়ি, বিজ্ঞান জিনিসটা আবিস্কারক/উদ্ভাবক বা এর ব্যবহার করে আবিস্কার/উদ্ভাবন করা যায় যার উপর আমরা নির্ভরশীল। আবার মালেকা বানুর বক্তব্য থেকে জানা গেলো বিজ্ঞান আসলে ধর্মের একটা প্রতিদ্বন্দী, এইটাও অনেকটা আরেকটা ধর্মের মতোই। আবার করিমের সর্বশেষ বক্তব্যে পাওয়া গেলো তাতে বোঝা গেলো বিজ্ঞান জিনিসটা একটা নবিন জিনিস, আদীকালে মানুষ বেঁচে থাকতো ধর্মের উপর নির্ভর করে, তখন বিজ্ঞান বস্তুটা ছিলোনা, আর বর্তমান যুগের মানুষ ভবিষ্যতের যুগে পারি জমাবে বিজ্ঞানের উপর নির্ভর করে, বিজ্ঞান আধুনিক আর ধর্ম প্রাচীন। সব মিলিয়ে আমরা যা পেলাম তা হচ্ছে “বিজ্ঞান হচ্ছে এমন একটা জিনিস যা সদ্য এই আধুনিক যুগে এসে সৃষ্টি হয়েছে, ধর্মের পিছে লেগেছে, ধর্মকে সরিয়ে ধর্মের যায়গা নিতে চাচ্ছে, নতুন নতুন আবিস্কার/উদ্ভাবন করছে এবং এবং এটি নিজেই একটি তত্ত্ব ”। ঘটনা হচ্ছে, এর কোন অর্থ হয় না, বিজ্ঞান শব্দটা এইখানে একটা রহিমের জন্য একটা আগ্রাসি হেজিমনি আর করিমের জন্য নিজেকে রহিমের চেয়ে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার হাতিয়ার।
কিন্তু, এই আলাদা আলাদা স্বার্থগত যায়গার কথা বাদ দিয়েই তো বিজ্ঞানের একটা অর্থ থাকার কথা। সেই অর্থটা কি? আধুনিক যুগের আগে কি বিজ্ঞান বলতে কিছু ছিলনা? ছিলো। একজন বিজ্ঞানী যেভাবে চিন্তা করে প্রাচীন কালে কি কোন মানুষ সেই ভাবে চিন্তা করতো না? করতো। প্রাচীন যুগে কি বিজ্ঞানের কোন আবিষ্কার নেই। আছে। এবার বিজ্ঞান শব্দটা নিয়ে একটু আলোচনা করা যাক। এখন আমরা বিজ্ঞান শব্দটাকে যেই মর্যাদা দেই, এই সেদিনও, এমনকি রেনেসার শুরুর দিকেও সেই মর্যাদাটা দেয়া হতো ফিলসফি বা দর্শন শব্দটাকে। গ্যালিলিও গ্যালিলি যাকে আধুনিক বিজ্ঞানীদের মধ্যে প্রথম কয়েকজনের একজন হিসাবে মর্জাদা দেয়া হয়, সেই গ্যালিলিওকে কিন্তু তার সময়ের লোকজন ফিলসফার হিসেবেই অভিহিত করতো, সাইন্টিস্ট হিসাবে নয়। এনলাইটনমেন্ট বা যোতির্ময়কালের সময়টায় ধর্মতত্ত্ব আর ভাববাদী দর্শন থেকে অভিজ্ঞতাবাদী পরীক্ষানিরীক্ষা মূলক দর্শনকে পুরোপুরি আলাদা করতে গিয়েই বিজ্ঞান শব্দটার ব্যবহার শুরু করে ইউরোপিয়রা। নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষার্থেই এই কাজ করতে বাধ্য হয় ইউরোপিয় অভিজ্ঞতাবাদীরা। অভিজ্ঞতাবাদী দার্শনিকদের বহু অত্যাচার সহ্য করতে হয়েছে এক কালে। দর্শনের ভাববাদী অংশটা থেকে বেরিয়ে এসে, অধিবিদ্যাকে পুরোপুরি আলোচনার বাইরে রেখে অভিজ্ঞতাবাদি দার্শনিকরা হয়ে গেলেন বিজ্ঞানী। এর একটা ঐতিহাসিক কাহিনি আছে। সামন্তবাদী সমাজ ব্যবস্থা যখন ভেঙে পরছে, চার্চ যখন ক্ষমতা হারাচ্ছে, রাজার যায়গায় তখন উঠে আসছিলো শিক্ষিত, ব্যবসায়ি, মধ্যবিত্তের গণতন্ত্র। এই শিক্ষিত মধ্যবিত্ত শ্রেনীরা রাজার বিরুদ্ধে বিপ্লব করতে গিয়ে রাজার শাসনের সাহায্যকারি আধ্যাত্মিক পুরোহিত শ্রেনীর বিপক্ষেও লড়াইয়ে নামতে বাধ্য হলো। পুরোহিতের সাপোর্ট না পেয়ে এরা সাপোর্ট করেছে বুদ্ধিজিবী/বিজ্ঞানীদের আর বুদ্ধিজিবী/বিজ্ঞানিরা সাপোর্ট করেছে এই নয়া শিক্ষিত মধ্যবিত্ত শ্রেনীর, আর এদের মিলঝুলেই গড়ে ওঠে আধুনিক সভ্যতা। ব্যবসায়ি শ্রনীর সহায়তায় বিজ্ঞানীরা চালিয়ে যেতে পেরেছে গবেষনা, করতে পেরেছে নব নব আবিস্কার, আর সেই আবিস্কার/উদ্ভাবন কাজে লাগিয়ে ব্যবসায়ি শ্রেনী করেছে শিল্প বিপ্লব। বিজ্ঞান ছিলো একটা পদ্ধতি, জ্ঞান অর্জনের, সমস্যা সমাধানের অভিজ্ঞতাবাদী, পরীক্ষা নিরিক্ষা সমৃদ্ধ পদ্ধতি। এই পদ্ধতি তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ, সেই উপাত্তের পরীক্ষা নিরিক্ষার মধ্য দিয়ে বিশ্লেষন এবং সবশেষে পরীক্ষা থেকে প্রাপ্ত ফলাফলের উপর সিদ্ধান্ত গ্রহণ, এই হচ্ছে বিজ্ঞান। বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি আর বিজ্ঞান একই জিনিস। কিন্তু একটা পদ্ধতি কিভাবে একটা মতবাদী চেহারা পেলো? কেনো ইসলাম/খৃষ্টান ইত্যাদি ধর্মের অনুসারিরা “বিজ্ঞান” জিনিসটাকে ধর্মের প্রতিদ্বন্দী বলে ভাবা শুরু করলো।
[ উল্লেখ্যঃ বিজ্ঞান শব্দের বুৎপত্তিগত অর্থ বিশেষ জ্ঞান বা বিশেষায়িত জ্ঞান। এর ইংরেজি প্রতিশব্দ Science শব্দটি এসেছে ল্যাটিন শব্দ scientia থেকে, scientia শব্দের অর্থ জ্ঞান। Science একটা ভালো বিস্তৃত অর্থ পেলাম উইকিপিডিয়ায় “any systematic knowledge-base or prescriptive practice that is capable of resulting in a prediction or predictable type of outcome. In this sense, science may refer to a highly skilled technique or practice.” মানে হলো, বিজ্ঞান জিনিসটা পদ্ধতিগত জ্ঞান অথবা পর্যবেক্ষন গত চর্চা যে পদ্ধতিগত চর্চার মাধ্যমে আগে থেকে ভবিষ্যতবানী যোগ্য ফলাফল লাভ করা সম্ভব, অর্থাৎ বিজ্ঞান শব্দটা দিয়ে উচ্চ যোগ্যতা সম্পন্ন পদ্ধতি বা চর্চা বোঝায়।]
এইখানে কিছু প্রশ্ন করা যাক। প্রশ্ন গুলো নিন্মরুপ-
১। কেনো বেশিরভাগ মুসলমান আর খৃষ্টান, ইহুদিদের ঘৃণা করে অথচ ইহুদিদের নবীদের ভালোবাসে?
২। কেনো বেশিরভাগ মুসলমান পশ্চিমা সভ্যতাকে ঘৃনা করে, অথচ এই সভ্যতার অগ্রযাত্রাকে ভালোবাসে?
৩। কেনো বেশিরভাগ মুসলমান আর খৃষ্টান (ইহুদি/হিন্দু এরাও) আধুনিক বিজ্ঞানের অগ্রযাত্রায় সৃষ্ট কিছু বৈপ্লবিক তত্ত্ব (উদাহরনঃ বিবর্তনবাদ) কে অন্ধের মতো বিরোধিতা করে, আবার নিজেই গলদঘর্ম হয়ে সেই বিজ্ঞানের কোন কোন তত্ত্বের সাথে নিজের ধর্মগ্রন্থের কোন লাইনের সামান্যতম মিল আছে তা হন্যে হয়ে খোজে?
অডিপাস কমপ্লেক্সএর আবিষ্কার করেছেন ফ্রয়েড সে একশ বছরেরও বেশি আগে। ছেলে শিশু বড় হতে হতে হঠাৎ করেই আবিষ্কার করে, তার পরম ভালোবাসার অবলম্বন, তার মা, যাকে সে শুধুমাত্র নিজের ভালোবাসার বস্তু বলে মনে করে, সেই মা শুধু তাকেই ভালোবাসেনা, তার মায়ের ওপর শুধু তার একার অধিকারই নেই, অধিকারে ভাগ বসিয়েছে পিতা, ভালোবাসায়ও। মায়ের প্রতি চরম ভালোবাসা আর পিতার প্রতি একধরণের শ্রদ্ধা মিশ্রিত ঘৃণা নিয়ে বড় হয় এ শিশু। পরিবারের alpha male পিতার সাথে একধরণের Love-Hate সম্পর্ক গড়ে তোলে সে, এরই নাম অডিপাস কমপ্লেক্স। আমাদের দেশে এমন ছেলের অভাব নেই, যে বাবাকে ভয় পায়, বাবার অনেক স্বভাব অপছন্দ করে আবার বড় হয়ে ঠিক নিজের বাবার মতোই হয়ে ওঠে, নিজের অজান্তে সে নিজেই নিজের বাবা হতে চায়। মনবিজ্ঞানীরা অবশ্য এখন আর অডিপাস কমপ্লেক্স’কে কোন সার্বজনিন সত্য বলে মানে না। পরিবার আর সমাজভেদে এই কমপ্লেক্স এর অস্তিত্য কম বেশি হতে পারে, একেবারে নাও থাকতে পারে। তবে অডিপাস কমপ্লেক্স এর একটা মজার বিষয় হচ্ছে এই জিনিসটার অস্তিত্ব আরো ব্যাপক, শুধু মা-শিশু-বাবা এই ত্রিভুজেই এর অস্তিত্ব সিমাবদ্ধ না, মানুষের সমাজে এর অস্তিত্ব আছে আরো নানা প্রকারে।
এবার প্রশ্নগুলোর উত্তর নিয়ে আলোচনা করা যাক-
১। প্রথম প্রশ্নের ক্ষেত্রে মুসলমানদের খুব সহজ এবং প্রচলিত উত্তর আছে। উত্তরটা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ইসরায়েল-প্যালেস্টাইন সম্পর্কিত। কিন্তু এই ঘৃনার বীজ মাত্র ৫০ বছর আগে বোপিত হয় নাই। এই ঘৃণার ইতিহাস আরো পুরোন, সেই ইসলামের বাল্য বেলাতেই এই ঘৃণার জন্ম, প্রথম যে একত্তবাদী ধর্মের বিরুদ্ধে মুসলমানরা লড়াই করেছে সেই ধর্মের নাম ইহুদি ধর্ম। ইউরোপে খৃষ্টানরা কি শুধু দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়ই ইহুদিদের ঘৃণা করেছে, অত্যাচার চালিয়েছে, তার আগে কি চালায়নি? ইতিহাস সাক্ষি, খৃষ্টানরা যে অন্যায় অত্যাচার ইহুদিদের সাথে করেছে, মুসলমানরা তার ধারে কাছেও কোনদিন যেতে পারবেনা। মধ্যযুগে ইউরোপে যত দোষ নন্দ ঘোষের মতোই সব দোষ ছিলো ইহুদিদের। ইহুদি ব্যবসায়িরা ইউরোপের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতো, অনেক ক্ষেত্রেই ব্যংকের কাজ করতো তারা। অথচ যুদ্ধ, মহামারি, প্লেগ, প্রাকৃতিক বিপর্যয় সবকিছুর জন্যই দোষ ধরা হতো ইহুদিদের। বিনা কারণে ইহুদি নিধন ইউরোপে কতবার হয়েছে তার কোন ইয়াত্তা নাই। টাকা ধার নেয়ার দরকার পরলে ইহুদিরা ছাড়া আর কোন উপায় ছিলোনা অথচ ফেরত দেয়ার সময় আসলেই ইহুদিরা হয়ে যেতো রক্তললুপ ঘৃণিত সুদখোর। যদিও সুদের ব্যবসায়ি খৃষ্টানের অভাব ছিলোনা। এমন বহু বাঙালিকে চিনি, যারা ইহুদি জিনিসটা কি তাই ঠিক মতো জানে না, কিন্তু সামাজিক ভাবেই ইহুদি শব্দটা তাদের কাছে একটা ঘৃণিত শব্দ। এবার আমরা যদি কারন অনুসন্ধান করি তাহলে অডিপাস কমপ্লেক্স এর একটা সামাজিক প্রকারভেদ ছাড়া আর কিছু খুজে পাই নি। খৃষ্টান ধর্মের জন্ম একেবারে ইহুদি ধর্মের ভেতরেই, ইহুদি ধর্মেরই একটা মাজহাব হিসেবে। ইসা তো জিবদ্দসায় কোনদিন খৃষ্টান শব্দটাই ব্যবহার করেন নাই, নিজেকে তিনি ইহুদিই মনে করতেন। কিন্তু ইহুদিরা তাকে মসিহ স্বিকৃতী দেয় নাই, স্বিকৃতী দেয় নাই তার অনুসারীদেরও। ইহুদিদের আল্লাহই খৃষ্টানদের আল্লাহ, ইহুদিদের মহান নবীরাই খৃষ্টানদের মহান নবী। অথচ ইহুদিরা তো তাদের ধর্মের ভাগ দিতে রাজি না। ইহুদিদের জেহোভা/ইলোহিম/আল্লাহ তাদের নিজেদের সম্পত্তি, তারা সরাসরি নবীদের বংসধর বলে দাব করে নিজেদের। যুদিও/খৃষ্টান/ইসলাম এই ধারার একত্তবাদী ধর্মের প্রবক্তাই তারা। খৃষ্টান আর ইসলাম এই দুইটা ধর্মই শুরুতে এই আদী ধর্ম ইহুদি ধর্মের স্বিকৃতী চেয়েছে। স্বিকৃতী না পেয়ে সম্পর্কটা হয়েছে প্রবল ঘৃণার।
বিষয়টা এভাবে দেখানো যেতে পারে-
• ইহুদি = পিতা (যেহেতু সে আমার পরিচয়ের সাথে সম্পর্কিত একত্তবাদী ধর্মের আদী ধারক)
• আল্লাহ = মা (আমার ভালোবাসা আর আকাঙ্খার বস্তু, যাকে কেন্দ্র করে আমার জীবন বোধ)
মুসলমানরা শুরুর দিকে ইহুদিদের অপছন্দ করতোনা। একটা সময় পর্যন্ত মুসলমানরা বায়তুল মুকাদ্দাসের দিকে মুখ করে নামাজ পড়তো। মুসলমানরা শুরুতে ইহুদিদের স্বিকৃতী চেয়ছে। ইহুদিরা যখন আর স্বিকৃতী দেয়নি তখন থেকেই এই ঘৃণার সূত্রপাত।
২ এবং ৩। দুই আর তিন নম্বর প্রশ্নের উত্তর একসাথে দেয়া সমিচিন মনে করছি। আগেই উল্লেখ করছি এনলাইটেনমেন্টের সময়টায় প্রচলিত রাজতন্ত্র আর পুরোহিত তন্ত্রের বিপরীতে লড়াই করে বেড়ে ওঠা আধুনিক পুজিবাদী গণতন্ত্রের ধারক ইউরোপিয় মধ্যবিত্ত নিজেদের সুবিদার্থে আর ধর্মিয় পুরোহিততন্ত্রকে পরাজিত করতে ‘বিজ্ঞান নামক পদ্ধতি’কে ব্যবহারিক ভাষায় ব্যবহার করতে শুরু করলো ‘বিজ্ঞান নামক তত্ত্ব” বা “বিজ্ঞান নামক ধর্ম” এই ভাবে। রহিম-করিম-মালেকা বানুর কাহিনি শুরু এইখান থেকে। যেহেতু এই “বিজ্ঞান নামক ধর্ম”ই হয়ে উঠলো তাদের জ্ঞান গরিমা, উন্নতি, সভ্যতার মূল চাবিকাঠি, এই বিজ্ঞান বস্তুটা সাধারণ খৃষ্টান আর ভিনদেশী উপনিবেশের দাস মুসলমানের কাছে হয়ে উঠলো একই সাথে ভালোবাসা আর ঘৃণার বস্তু। এই বিজ্ঞান বস্তুটা আয়ত্ত্ব করে বাপ/প্রভু সমতুল্ল সাদা চামরার ইউরোপিয় মানুষের সমান বা তার চেয়েও বেশি ক্ষমতাও সে চায়, যেহেতু এই সাদা ইউরোপিয়র তৈরি সভ্যতার পৃথিবীতে তার জন্ম, এই সভ্যতা তার মা, তাকে পালন করে লালন করে, অথচ এই সভ্যতা সে তৈরি করেনি, এই সভ্যতার নিয়ন্ত্রনও তার হাতে নাই। এই নিয়ন্ত্রন নিতে সেই ব্রিটিশ আমলেই ইসলামি ঐতিহ্যে ফিরে যাওয়ার উলটো দৌড় লাগিয়েছিলো ভারতীয় উপমহাদেশের মুসলমান। আর এখন সে এই বিজ্ঞান কে খুজে ফেরে কোরআনের পাতায়। কিন্তু সে নিজেই জানে না, বিজ্ঞান কোন বস্তু নয়, তত্ত নয়, বিজ্ঞান একটা পদ্ধতি, সেই পদ্ধতিই তার আয়ত্তে নাই।
মুসলমানদের দুঃখ করা উচিত এই কারণে যে, আধুনিক বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির প্রবক্তাদের মধ্যে সবার আগে যার নাম আসে তিনি কোন ইহুদি/খৃষ্টান/ইউরোপিও নন। তিনি একজন আরব দার্শনিক/বিজ্ঞানি। নাম তার ইবন-আল-হাইথাম। অন্য যেকোন কিছুর চেয়ে সত্যানুসন্ধানই ছিলো তার কাছে মূখ্য বিষয়। তিনি মনে করতেন, সত্যের জন্যই সত্যের অনুসন্ধান করতে হবে, কোন বিশ্বাসের সাথে মেলানোর জন্য নয়। ৯৬৫ সালে জন্ম নেয়া এ মহান ব্যক্তি বলেছিলেন, “সত্য কে সত্যের খাতিরেই খুজতে হবে। আর যখন কেউ সত্য জানার জন্যই সত্যের খোজ করে তখন অন্য কিছু তার এই খোঁজায় প্রভাব ফেলেনা। তবে সত্য কে খুঁজে পাওয়া কঠিন, সত্যের পথ বন্ধুর”।
জাকির নায়েকের বই, বক্তব্য কঠিন কিছু না, সস্তা-সহজ-পিচ্ছিল। ডারউইন সারা জীবনের পরিশ্রমে প্রাকৃতিক নির্বাচন তত্ত্ব আবিষ্কার করেছিলেন। ঐরকম পরিশ্রম ছাড়া ঐ তত্ত্বকে সরিয়ে আরেকটা বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব কেউ প্রতিষ্ঠা করতে পারবেনা। (চলবে)
সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:২৩ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
সাকীব বলেছেন:
কোরান এবং হাদীসের মধ্যে থেকে বিজ্ঞান খুজে বের করা একটা সাম্প্রতিক প্রচেষ্টা। Traditional ইসলামিক scholarship এ এর কোন অস্তিত্ব নাই। এবং এখন যারা একাজে বিশেষ পটু, তাদের প্রায় কেউই traditionally trained না islamic theology/ science এ।
লেখক বলেছেন: সঠিক
পারভেজ আলম বলেছেন:
মাইনাসে আমি কিছু মনে করি না। তবে আমি বিতর্ক আশা করি। আপনার অভিমত দিয়ে মাইনাস দিলে তাই আলোচনা করা যায়। তা না হলে মনে হয়, আলোচনা বা বিতর্ক করার মতো বুদ্ধি আপনার মাথায় নেই, তাই শ্রেফ মাইনাস দিয়ে ঝাল মেটাচ্ছেন।
মুশফিক- রহমান বলেছেন:
আপনি ইসলাম সম্পরকে কতটুকু জানেন?আগে কুরআন পড়েন,তাফসীর পড়েন,তারপর আলোচনা করেন,আপনি কয়টা ইসলামিক বই পড়ছেন,তার নামগুলো একটু বলেন।দেখি আপনার সাথে আলোচনা করা যায় কিনা?
লেখক বলেছেন: এইটা কি মন্তব্য করলেন। ইসলামের কোন সমালোচনা তো করি নাই। আমি তো এইখানে সমাজ আর জ্ঞানের ইতিহাস নিয়া আলোচনা করলাম। ইসলাম সম্বন্ধে আমারা পোরশোনা কতদুর সেই ধারণা কিসের ভিত্তীতে করলেন বুঝাইলে ভালো হইতো।
বিশ্বশান্তি বলেছেন:
জিন সম্পর্কে কুরআনে অনেক কথা বলা হয়েছে। জিনের অস্তিত্ব অস্বীকার করার কোন উপায় নাই। অথচ জিন সর্ম্পকে বিজ্ঞান কোন ব্যাখ্যা দিতে পারে নাই।
লেখক বলেছেন: আমার এই লেখার সাথে আপনার এই মন্তব্য তথা জিন জাতির সাথে কি সম্পর্ক বুঝিতে পারিলাম না। আমার লেখা শুধু মানুষ নিয়া আলোচনায় সীমাবদ্ধ। জিন জাতি বিষয়ে বিশেষজ্ঞ এই ব্লগে মনির ভাই আছেন। আপাতত তার লিংক খুজিয়া পাইলাম না। পরে পাইলে দিয়া দেবো। জিন জাতি নিয়া ওনার মৌলিক গবেষন আছে।
দুরের পাখি বলেছেন:
অসাধারণ লেখা । আরো অনেক কিছুই বলা যাইতো, তবে এইসব গভীর দর্শণ নিয়া অধমের জ্ঞান খুবই ভাসা ভাসা । তাই অল্পস্বল্প প্রশংসার উপরে দিয়াই গেলাম । আগামি পর্বে আলোচনার থৈ পাওয়ার মত কিছু থাকবে বলে মনে হচ্ছে । আপাতত তাই অপেক্ষাতেই থাকলাম ।ভাইজান তো দেখা যায় এলাকার লোক । ছালাউদ্দিন আর মোল্লা । স্মৃতিকাতর করায়া দিলেন ।
লেখক বলেছেন: এলাকার লোক। স্মৃতিকাতর কি শনির আখড়া আন্দোলন নিয়া? লেখা ভালো লাগায় ধন্যবাদ। আশা করি কথা হবে অচিরেই। দনিয়ায় আরজ আলী মাতুব্বর পাঠাগার চিনেন তো।
রবিন০৪ বলেছেন:
ভালো লাগছে। চালাইয়া যান।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
দুরের পাখি বলেছেন:
বাই দ্য ওয়ে আগেরবার যখন পড়লাম তখন অনেক কমেন্ট ছিলো মনে হচ্ছে । একবার মুছে আবার দিলেন নাকি ?
দুরের পাখি বলেছেন:
আরে নাহ আমারি ভুল । প্রথম প্যারায় চোখ বুলাইয়া দেখলাম আগে পড়ছি । তখন কমেন্ট করি নাই । তাই ভাবলাম এখন করি । উপরে তাকায়া দেখি দ্বিতীয় পর্ব । স্যরি । এখনি পড়তাছি ।
কালো মেঘ অথবা নীল আকাশ বলেছেন:
আমি আস্তিক নই নাস্তিক নই।কারন আমি একটা রামছাগল
লেখক বলেছেন: তাই নাকি ভাই? সরল স্বিকারক্তির জন্য ধন্যবাদ। আমি অবশ্য এই তিনটার কোনটাই না।
দুরের পাখি বলেছেন:
হা হা হা , আপনের লেখার নিরেট যৌক্তিক কাঠামোর জ্বলন্ত প্রমাণ ইউসুফ সুলতানের মন্তব্যের অন্তরালের পাহাড়সম হতাশা ।
লেখক বলেছেন: ইউসুফ সুলতান ব্যক্তিটা কে?
পন্ডিত বলেছেন:
এ পর্বটা আরও জমেছে ।আপনার জন্যঃ নাস্তিক হয়ে ওঠার গল্প নিয়ে সংকলন .....
এবং অবশ্যই জন্মদিনের শুভেচ্ছা
লেখক বলেছেন: পড়ে যাচ্ছেন এ জন্য ধন্যবাদ। লিংক আর শুভেচ্ছার জবাবেও ধন্যবাদ জানালাম।
লেখক বলেছেন: ক্লিক করলাম। কিন্তু কিছুই বুঝলাম না।
হাসিব মীর বলেছেন:
কিছু সরলীকরন করা হয়েছে। যেইটাকে মুসলমানদের বৈশিস্ট বলা হয়েছে সেইটা মুস্লিম সমাজের অনেকের বৈশিস্ট এইটা সত্য কিন্তূ ইস্লামের থিয়োরী সেইটা সাপোর্ট করে কিনা এই পর্যালোচনা বাদে এই আলোচনা ত অসম্পুর্ন থাকবে।
লেখক বলেছেন: দেখেন, বিষয় হইলো আমি ওপরে একটা মন্তব্যে বলছি যে আমি আসলে ঠিক ইসলাম বা এর কোন ইসলামি থিওরি নিয়া আলোচনা করছিনা। আমি আলোচনা করছি সমাজ নিয়া, মানষ আর মানুষের জ্ঞানের ইতিহাসের ক্ষুদ্র একটা অংশ নিয়া। প্রথম পর্বেই আমি বলছি, আমাদের সমাজে যারা নিজের ধর্ম ইসলাম বইলা দাবি করে তাদের বড় অংশই ধর্ম ব্যপারটা অভ্যাসগত ভাবে পালন করে, নিজের অবস্থান নিয়া একটু গভীর ভাবে চিন্তা করলেই তারা বিপন্ন বোধ করবে।
রাজিব খান০০৭ বলেছেন:
১ মাস পর শুরু করব নাস্তিকগো নিয়া প্যাচাল। একমাস সেফ থাইক্যা লই।
মনির হাসান বলেছেন:
স্রেফ অসাধারণ । শেষ প্যারাটা ঘোলাটে ... আরো বিস্তৃত হলে বা একেবারে না থাকলে ভালো হতো ...লেখক'কে স্যালুট । পরবর্তি পর্বের প্রতিক্ষায় এবং অবশ্যই শোকেসে নিলাম ।
আর Click This Link এখানে অন্তর্ভুক্ত করলে আশা করি আপনার আপত্তি নেই ...
পারভেজ আলম বলেছেন:
মুক্তচিন্তার লেখা সংগ্রহের আপনার এ উদ্যোগটা অসাধারণ, এর জন্য ধন্যবাদ। লিংকটা আরো আগেই আমি আমার শোকেসে রেখেছি। এখানে অন্তুর্ভুক্ত হলে অবশ্যই কোন আপত্তি নাই। বরং সম্মানিত বোধ করবো।
ত্রিভুজ বলেছেন:
ব্লগের পাঁড় নাস্তিককূল দেখি এই লেখা পড়ে মুগ্ধ! আমার একটা পোস্টের শেষে নাস্তিকদের অজ্ঞতার নমুনা হিসেবে কিছু পোস্ট যুক্ত করে রাখবো ভেবেছিলাম। পরে মনে হলো কি দরকার। যারা অজ্ঞ থাকতে চায় তারা অজ্ঞই থাকুক, তারা তাদের নিজেদেরই ক্ষতি করে চলেছে মাত্র। অজ্ঞতার উদাহরণ হিসেবে আপনার লেখাটা আপাতত সেভ করে রাখলাম। আর একটা লিঙ্ক দিয়ে গেলাম, সময় থাকলে পড়ে দেখতে পারেন- Click This Link
লেখক বলেছেন: হা: হা: হা:। আমার মেজাজ মর্জি আজকে ভালো ভাই। তাই শুধু হাসলাম, মাইন্ড করলাম না। যদিও মাইন্ড করার মতো অনেক কিছুই করেছেন। মাইনাস দিয়েছেন, ঠিক আছে। কিন্ত এই লেখাকে আপনার কাছে অজ্ঞতার উদাহরণ কেনো মনে হলো সেটাতো ব্যাখ্যা করেন নাই। আর আমার তো অজ্ঞ থাকার বিশেষ কোন ইচ্ছা নাই। আপনি তাই অজ্ঞতা দুর করে দিলে ভালো হতো। আপনার লিংক দেখে ভেবেছিলাম অজ্ঞতা দুর করার লিংক। কিন্তু না, লেখাটা আমি আগে পড়েছি। লেখাটার অনেক কথা আমি সমর্থন করি, অনেক কথা করিনা। কিন্তু খালি এইটা বুঝলাম না, আমার এই লেখার সাথে আপনার ঐ লেখার সম্পর্ক কি? আমার এই লেখায় আপনি যে অজ্ঞতা দেখেছেন সেই অজ্ঞতা আপনার ঐ লেখার কোন বক্তব্যে দুর হয়, বুঝলাম না। আপনার এই মন্তব্য আসলে আপনার আত্ম অহংকার আর বুদ্ধির দৌড়ের মাপকাঠি।
আমার লেখার অজ্ঞতাগুলো পরিস্কার করবেন, তারাতারি। তা না হলে আপনার এই মন্তব্য আর ঐ লেখার ময়না তদন্ত করে পোস্ট দিবো। তখন দেখা যাবে কে কতো অজ্ঞ।
মেঘেরদেশ বলেছেন:
আপনার হেদায়েত কামনা করছি!
লেখক বলেছেন: আমিও। কিভাবে পাওয়া যায় বলেন দেখি।
মেঘেরদেশ বলেছেন:
আরও পড়াশোনা করেন।নিজে পুরোটা বুঝেন তারপর না হয় এখানে লিখেন
লেখক বলেছেন: জ্বী, ঠিকাছে। কি বিষয়ে পড়াশোনা করতে হবে একটু বলে দেন। কোন যায়গাটা বুঝি নাই একটু বুঝাইয়া দেন।
ওরাকল বলেছেন:
আমার মত করে আপনার প্রশ্নগুলার জবাব দিতে চেষ্টা করছি১। কেনো বেশিরভাগ মুসলমান আর খৃষ্টান, ইহুদিদের ঘৃণা করে অথচ ইহুদিদের নবীদের ভালোবাসে?
-> মুসলমান ও খৃষ্টান উভয়ই ইহুদিদের নবীগনকে তাদেরও নবী বলে বিশ্বাস করে। মুসলমানগন ইগুদি ও খৃষ্ট ধর্মকে ইসলামের ইন্টারমিডিয়েট স্টজ বলে স্বিকারও করে। আর খৃষ্টানগন শুধু ইগুদি ধর্মকে তাদেরর ইন্টারমিডিয়েট স্টজ বলে স্বিকারও করে
২। কেনো বেশিরভাগ মুসলমান পশ্চিমা সভ্যতাকে ঘৃনা করে, অথচ এই সভ্যতার অগ্রযাত্রাকে ভালোবাসে?
-> মূলত সভ্যতার ধর্মিয় উদাসিন্নতা ও তার ফল সরুপ সামাজিক ও পারিবারিক মূল্যবোধের অবক্ষয়কেই বেশিরভাগ মুসলমান ঘৃনা করে। তবে এই দিকটি বাদ দিলে পশ্চিমা সভ্যতার অনেক অনুকরনিয় দিক রয়েছে যা মানব জাতির জীবন ধারার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা পালন করতে পারে, এছাড়া পুঁজিবাদ ও প্রযুক্তিগত উৎকর্ষতাও ভাল লাগার অন্যতম কারন।
৩। কেনো বেশিরভাগ মুসলমান আর খৃষ্টান (ইহুদি/হিন্দু এরাও) আধুনিক বিজ্ঞানের অগ্রযাত্রায় সৃষ্ট কিছু বৈপ্লবিক তত্ত্ব (উদাহরনঃ বিবর্তনবাদ) কে অন্ধের মতো বিরোধিতা করে, আবার নিজেই গলদঘর্ম হয়ে সেই বিজ্ঞানের কোন কোন তত্ত্বের সাথে নিজের ধর্মগ্রন্থের কোন লাইনের সামান্যতম মিল আছে তা হন্যে হয়ে খোজে?
-> কারন বিবর্তনবাদ ধর্মিয় ভাব ধারার সাথে সামান্জ্বপূর্ন নয় (এমন কি বিজ্ঞান ও বিবর্তনবাদকে অকাট্ট সত্য হিসাবে প্রতিষ্ঠ করতে পারে নি আজও। প্রানের উন্মেশের সবগুল মতবাদের মধ্য বিবর্তনবাদ জনপ্রিয়তম ও বহুলাংশে ঠিক কিন্ত ১০০% নির্ভুল নয়)।
আর বিজ্ঞান ও ধর্মের টানাহেচরা শুরু হয় মূলত ১৮ শতকের শেষ ও ১৯ শতকের শুরুতে। এর আগে বিজ্ঞান ও ধর্মকে আলাদা ভাবেই দেখা হয়েছে এবং প্রায়ই তা মুখ-মুখি অবস্থান নিয়েছে।
১৮ শতকের মধ্যভাগেই শুরু হয় বিজ্ঞানের স্প্রিন্ট রেস যা মানব সমাজকে প্রবল ঝাকুনি দিয়ে উর্ধমুখে ঠেলে তুলতে থাকে। বিজ্ঞানের এই চমকপ্রদ সাফল্য যেমন মানুষকে করেছে বিজ্ঞান নমস্ক ঠিক তেমনি ভাবে করে তুলেছে যান্ত্রিক ফলে শুরু হয় ধর্মিয় বাধনের ক্ষয়। এই প্রযুক্তি মনস্ক উচ্চাভিলাসী মানুষকে পথে আনতে তাই শুরু হয় ধর্মের বৈজ্ঞানিক বিচার বিশ্লেষন এবং এর শুরুও হয় মুলত পশ্বিমা বিশ্ব থেকে যার ধেউ এসে পৌচেছে ৩য় বিশ্বের দেশ গুলতেও। বলতে পারেন বিজ্ঞান হল এখন ধর্মের মার্কেটিং টুল (মিডিয়ায় যে চেহারার কাটতি বেশি আপনি নিশচই চাইবেন আপনার পন্যের বিজ্ঞাপনটিতে সেই চেহারাকেই যুক্ত করতে যাতে অপনি তার জনপ্রিয়তাকে নিজের কাজে লাগাছে পারেন। ঐ স্টার আপনার পন্যের গুনাগুনে আদও বিশ্বাসি কি না কিন্তু মূখ্য নয়
মেঘেরদেশ বলেছেন:
খুব সুন্দর জবাব। ওরাকল ভাই +
কাকপাখি ২ বলেছেন:
"ব"
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
















আমরা মানব সভ্যতার ইতিহাস অধ্যায়নের মাধ্যমে জানতে পারি যে, মানুষ যখন সভ্য মানুষ হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করলেন, ঈশ্বরও তখন আরেকটু জ্ঞানবান হলেন। এভাবে আজকের বুদ্ধিদীপ্ত মানুষের কারণে ঈশ্বর সকল জ্ঞানের আধার। তার উপরে কোনো জ্ঞান ভাণ্ডার নেই।
এসব হিসেব করে আমি আপনাকে সমর্থন করছি।