অনেক তাতাইছো হাওয়া
অনেক করছো ধাওয়া
সিন্ধু থাইকা সুন্দরবন।
আমার চৌদ্দপুরুষ, মাটির মানুষ,
রক্ত চুইষা নিছ, দেখাইয়া ফানুষ।
পশ্চিম থাইকা আইছো উইড়া,
পশ্চিম থাইকা আনছো ধইরা,
বেহেশতের হুর, পাঁচ বছরে একদিনের গণতন্ত্র,
আর দ্বান্দিক বস্তুবাদ।
আমার চৌদ্দ পুরুষ ক্ষেতের চাষী,
দুধের নহর, ব্যালট বাক্স আর বিপ্লবের স্বপ্নে,
গলায় পড়াইছো ফাঁসি।
অনেক তাতাইছো হাওয়া,
অনেক করছো ধাওয়া,
দেখ নাই, বানাইছো শূণ্যস্থান।
দেখ নাই,
কেমনে আমার নদীর, বুকে ডাকে বান।
কেমনে ভাষায় কূল, ক্যামনে জমায় পলি।
কিরুপে জাত-পাত-ভাব-বস্তু
নির্বিষ করে লালনের আখড়ার ধারের
ছেউড়িয়ার মরা নদী কালি।
দেখ নাই তুমি, বানাইছো শূণ্যস্থান,
এখনো দেখ নাই,
দক্ষিণ থাইকা আসছে ছুইটা,
লণ্ডভণ্ড করতে তোমার উপনিবেশের বাগান,
দক্ষিনের কালবৈশাখী।
[ প্রায় মাসাধিক কাল ব্লগে কিছু পোস্ট করি নাই। গত ৩/৪ দিন যাবৎ পুরান সিরিজটা আগানোর চেষ্টা করতাছি, কিন্তু ঠিক মতো আগাইতে পারতাছিনা। ডেডলক ভাঙতে বছর দুই আগের এই কবিতাটা পোস্ট করলাম।]
সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই জুলাই, ২০১০ রাত ১:০১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



