ভারতীয় আগ্রাসন তো খালি একদিক থেইকা না, চারদিক থেইকা। সংস্কৃতি, অর্থনীতি, জাতীয় সার্বভৌমত্ব প্রতিটা ক্ষেত্রেই এই আগ্রাসন সীমা অতিক্রম করেছে। সিমান্তে হত্যা, ট্রানজিট, টিপাইমূখ, ভারতীয় চলচ্চিত্র ইত্যাদি ইদানিংকার চলতি ইস্যু, পেছনে গেলে আরো অনেক ইস্যু উঠে আসবে (উদাঃ পাট শিল্প), সামনেও আরো অনেক কিছুই আসবে (উদাঃ সমুদ্র সীমানা, সামুদ্রিক সম্পদ)। আলাদা আলাদাভাবে সবগুলারই প্রতিবাদ দরকার, আন্দোলন দরকার, সেইসাথে দরকার ফলাফল। আর এই ফলাফলের জন্যে এইসব আলাদা প্রতিবাদের একটা সাধারণ ঐক্যও থাকা দরকার আছে। তারচেয়েও বড় যেই বিষয়টা বুঝতে হবে যে বাংলাদেশ সরকার এদেশের জনগণের স্বার্থ রক্ষা করতে পারছেনা, বরং প্রতিটা ক্ষেত্রেই ভারতীয় আগ্রাসনের কাছে মাথানত করছে, সোজা সরল ভাবে কইতে গেলে ভিনদেশী আগ্রাসনের সামনে কোন প্রতিরোধ ছাড়াই আমাদের সরকার পরাজিত হচ্ছে, লড়াই করার মতো আদর্শিক, মানসিক শক্তি এবং লড়াইএর কৌশল, সর্বপোরি দরকারি লড়াইটাই নাই। প্রতিরোধের লড়াইটা তাই জনগণকেই লড়তে হবে, প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। একবিংশ শতকে বাস করি আমরা, আগ্রাসনের ভাষা আর কৌশল এখন অনেক, প্রতিরোধও হওয়া চাই তাই বহুমূখী। আলাদা আলাদা প্রতিবাদের বাইরেও তাই এখন আমাদের সময় হয়েছে পালটা আঘাত হানার। ভারত এমনি এমনি আমাদের নিয়ন্ত্রন করতে চায়না, তার স্বার্থ এবং ডিপেন্ডেন্সির কারনেই নিয়ন্ত্রন করতে চায়। এই স্বার্থ আর ডিপেন্ডেন্সির জায়গাগুলা আলাদা করে সেইগুলাতে আঘাত হানতে হবে। আমাদের বুঝতে হবে এইটা যুদ্ধ, এইখানে সাংস্কৃতিক আদান প্রদান, আঞ্চলিক ঐক্য বন্ধুত্ব এইসব কথাবার্তা বিলাসিতা ছাড়া অন্যকিছু না। আমাদের ভারতীয় পন্য বর্জন করতে হবে, ভারতীয় চ্যানেল, চলচ্চিত্র এইসব বর্জন করতে হবে, বাংলাদেশে ওদের ব্যাবসা করা আমরা কঠিন করে তুলবো, পশ্চিম বঙ্গকে সাংস্কৃতিক ঐক্যের দোহাই অথবা নির্ভরতার জায়গা থেকে আমাদের সমর্থন দিতে বাধ্য করতে তুলবো, হয় বাংলাদেশের স্বার্থের পক্ষ থাকো, নাইলে তোমাদের সাথে আমাদের কোন সাংস্কৃতিক ঐক্য নাই। আমরা গোস্যা করবো, বংলাদেশ থেকে ওদের সাহিত্যিকদের বয়কট করবো। এই কাজগুলা আমাদের সরকারের করার কথাছিল, তারা করছেনা, ভবিষ্যতে যেই সরকার আসবে, তারাও করবেনা। এইগুলা আমাদেরই করতে হবে, জনগণকেই নিজের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব রক্ষা করতে হবে। রাষ্ট্র চালক শোষক শ্রেণী, রাজনৈতিক দল, আমলা শ্রেণী আর তাদের দোষর বুদ্ধিজীবীদের এত এত দুর্নিতী, লুটপাট, বিদেশী প্রভুর দালালি ইত্যাদি সত্ত্বেও বাংলাদেশ যে এগিয়ে চলেছে, উন্নতি করছে সেইটা সম্ভব হয়েছে এইদেশের পরিশ্রমী, খেটে খাওয়া জনতার শ্রমেই। জনগণই এই দেশ স্বাধীন করেছে, জনগণই এই দেশ রক্ষা করবে। আমরা জনগণ একজোট হলে ভারতকে অবশ্যই রুখে দিতে পারবো।
আলোচিত ব্লগ
দ্য ড্রাগ কিং

সতর্কবার্তা: এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম ফিকশন। বাস্তব একটি অপরাধের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পাঠকদের জন্য এর চরিত্র, নাম এবং স্থান পরিবর্তন করে গল্পটি সাজানো হয়েছে।
খুলনা... ...বাকিটুকু পড়ুন
সামুতে আবারও লিলিপুটিয়ানদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে
আমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন
ইজিবাইক চলাচলের প্রকৃত কর্তৃপক্ষ কে?

দেশের বিভিন্ন শহর ও গ্রামে ইজিবাইক নামে একটি যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু এর পরিচালনা, লাইসেন্সিং এবং চলাচলের ক্ষেত্র সম্পর্কে সুস্পষ্ট ও সর্বজনবিদিত কোনো নীতিমালা সাধারণ মানুষের কাছে দৃশ্যমান নয়।
শহরের ভেতরে,... ...বাকিটুকু পড়ুন
মন কথনিকা-৪৮৭৩-৭৪
মন কথনিকা-৪৮৭৩
তোমার আমার মতামতে আকাশ পাতাল সীমা
আমার বুলি বরফ জলের তোমার যেন বোমা,
তুমি বলো রোদের তেজে আমি বর্ষার মতন
বুকের ভিতর বন্ধু বুঝি পাথর পুষো যতন।
মন কথনিকা-৪৮৭৪
পিঠে ব্যথা ভাল্লাগে না, মন... ...বাকিটুকু পড়ুন
“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।