আমার প্রিয় পোস্ট
- আট বছর ধরে পৃথিবী ঘুরে বেড়িয়ে যে উনত্রিশটি শিক্ষা আমি পেয়েছি - বিলাশ বিডি
- এলোমেলো চিরকুট... (২) - ...অসমাপ্ত
- পড়ুন, না পড়লে মজাটা টের পাবেন না - আহমদ বসির
- ডঃ মুহম্মদ জাফর ইকবাল স্যারকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা ও কিছু স্মৃতিকথন !! - শ।মসীর
- আসুন পরিচিত হই ঢাকা শহরের অলিগলির সাথে (পর্ব-৪ + শেষ পর্ব) - মোসারাফ
- বাংলা ব্লগ'স্ফেয়ারে মুক্ত'চিন্তার গুরুত্বপূর্ণ লেখা/পোস্ট/ব্লগ সংগ্রহের উদ্যোগঃ সচেতন সকলে'র অংশগ্রহন কাম্য … - মনির হাসান
- একজন আইটি ব্যক্তিত্ব এবং তাঁর তৈরী করা শেয়ারের একটি চমৎকার সাইট - সুনীল সমুদ্র
- আপেক্ষিক তত্ত্বের কিছু অজানা কথা -২ - নুভান
- জার্মানিতে উচ্চ শিক্ষার জন্য বৃত্তি - ফুয়াদ মু. খালিদ হোসেন
- ইন্ডিয়ান ভিসা সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য - বংশী নদীর পাড়ে
- এ টীমের নীতি মালা - ডাক্তার আইজউদ্দিন
- হাউ টু স্যালুট ইউ, সোলজার? - মুখফোড়
- দ্রোহী পুরাণ ০৪ - দ্রোহী
- চলে গেলো এ-টিমের জন্মদিন, আমরা কি তবে ভুলতে বসেছি তাদের অবদান? - স্বপ্নকথক
- বাংলার ফুল - জেরী
- ISLTS [ইন্টারন্যাশনাল সিলেটি ল্যাংগুয়েজ টেস্টিং সিস্টেম]- সিলোটি বাষার এখমাত্র টেস্ট সিস্টেম - ডজ
- মাসুদ রানা : ৪০০ নট আউট যেভাবে এল মাসুদ রানা ( কাজী আনোয়ার হোসেন) - তাশফী
- ব্লগানুবাদঃ দ্য সেলফিশ জিন - রিচার্ড ডকিন্স (১ম অধ্যায়) - ছন্নছাড়ার পেন্সিল
- একটি খুব সাধারণ ঘটনা - ছন্নছাড়ার পেন্সিল
- টুকরো টুকরো মুক্তিযুদ্ধ - টাইম ম্যাগাজিনে ১৯৭১ - রাগিব
- ফ্রাইডে দ্য থার্টিন্থ- ছোট গল্প (প্রথম পর্ব) - পারভেজ
- রেলের বিশমুহূর্তে জমাট প্রজাপতি - ছন্নছাড়ার পেন্সিল
- পথের সাথী হারিয়ে যাবি, কোথায় লুকাই তোরে........................ - ফারা তন্বী
- ফিনল্যান্ডে পড়াশোনা..২ - বিডিআর
- অনলাইনে সিনেমা দেখার অসাধারণ তিনটি সাইট - ত্রিকাল
- ঝাপসা নীল বিন্দু - বিলাশ বিডি
- মাইক্রোসফট এর সাতকাহন - পর্ব ২ (ইন্টার্ণশীপ অভিজ্ঞতা) - বিলাশ বিডি
- “ভালোবাসার কাজটি খুঁজে নিতে হবে” – স্টিভ জবস এর বিখ্যাত সমাবর্তন বক্তৃতা - বিলাশ বিডি
- মৃত্যু ছায়া - ছোট গল্প - পারভেজ
- প্রমিত বাংলা বানান রীতিঃ সচরাচর সমস্যা করে এমন শব্দের একটি সম্ভার! - ম্যাভেরিক
- নিঝুম রাতের সুরের পরী - রুবাইয়াত ইসলাম সাদাত
- রেডহ্যাট লিনাক্সে yum repository সেটআপ । খুব জরুরী বা দরকারী একটা টুল । - গাজী সালাহউদ্দিন
- উকিলবাড়ি যাওন বাদ দেন, লন একটা উকিলমারা সফটওয়্যার কুইকেন উইলমেকার প্লাস ২০০৭ - আমিই স্রোত
- ই-বুক কালেকশনঃ পর্ব-১ - বিডি আইডল
- যন্ত্র গণকের যন্তর মন্তর - ১ - রাগিব
- তুমি সন্ধ্যার মেঘমালা - অপ্সরা
- মেডিটেশন এবং আমার কথা - মাহবুবুল আলম লীংকন
- কাচ্চি বিরিয়ানী রেসেপি - মাহবুব সুমন
- কানাডায় উচ্চশিক্ষা- কিছু তথ্য - _তানজীর_
- আমার বান্দরবেলা...............৩ - তামিম ইরফান
- এনামুল আজিমঃ অকালে ঝরে পড়া একটি প্রতিভা - পারভেজ
- আ লিটল ফাইটার স্লিপিং উইথ আর্মস - একরামুল হক শামীম
- পেন্সিলে আঁকা পরী - অচেনা সৈকত
- মূহুর্ত হলেও, থামুন: কনসেন্ট্রেশান ক্যাম্প, ডাখাউ, জার্মানী - তীরন্দাজ
- গল্পঃ স্মৃতিভ্রষ্টতার উল্টোযাত্রা - ছন্নছাড়ার পেন্সিল
- ক্রিয়েটিভ কমন্স লাইসেন্সের ছয় বছর পূর্তী - আশাবাদী!!
- মানবতাবোধ Installing... - নীল আলো
- যুদ্ধ শিশু বলছি--কে আছ শুনবার?? - নিবিড়
- মেঘে মেঘে হারিয়ে যাওয়া... - নীল আলো
- আমেরিকায় পড়ি - শাহরিয়ার নির্জন
- বার্লিন দেয়াল, ইস্ট সাইড গ্যালারি ও ঐক্যের আকাঙ্ক্ষা... - |জনারন্যে নিসংঙগ পথিক|
- ~পথের শুরু...... - নীলদ্বীপের স্বপ্নকন্যা
- পঞ্চ ইন্দ্রিয় - পারভেজ
- স্যার আইজেক নিউটনের সূত্রকে ভুল প্রমাণ করেছি আমি - রুখসানা তাজীন
- ব্লগে আপনার পড়া সেরা ফান পোষ্ট কোনটা ?? - চিলে কোঠার সেপাই
- গ্রুপ থিওরীর আর্টিকেল - গণিত পাগল
- আমার ছেলের কথা বলছি শোনো - ভাঙ্গা পেন্সিল
- তন্দুরীরুটি গ্যাসের চুলায়!!
- েজবীন
- শিবনারায়ণ দাশ - বাংলাদেশের লাল সবুজ পতাকার প্রথম নকশা-প্রণেতা - রাগিব
- কয়েক মিনিটে উইন্ডোজ ইনষ্টল করুন - এস. এম. মেহেদী আকরাম
- রিলাক্সেশন টেকনিক - আহমেদ হেলাল ছোটন
- অসময়ের হাইকুরা - নীরর
অসাধারণ এক দিনের জন্য... একটি শিরোনামহীন আব-জাব।
২৮ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:০৯
কোন এক অজানা কারণে মাঝে মাঝে দিনগুলো কেমন যেন কোন নোটিশ ছাড়াই অন্যরকম হয়ে যায়। ভাল লাগার দিন, খারাপ লাগার দিন, হেরে যাবার দিন, জয়ের আনন্দের দিন, হারিয়ে যাবার দিন... আরো কত নাম যে দেওয়া যায়। আমার দিনগুলো অবশ্য খুব সাধারণ দিন হয়েই আসে আবার চলে যায়।
বিভিন্ন কারণে কেন যেন কয়েকদিন খুব খারাপ যাচ্ছিল। যা করছিলাম এলোমেলো হয়ে যাচ্ছিল। সব থেকে ভালটা কেমন করে যেন সম্ভাব্য চুড়ান্ত খারাপে রূপ নিচ্ছিল। চেষ্টা করছিলাম বের করতে ...কোথায় সুর কেটে যাচ্ছে। পারিনি। "...ঠিকাছে তবে এভাবেই চলুক দিনগুলো" এই মন্ত্রে গা ছেড়ে দিয়েছিলাম।
আজকের সকালটাই কেমন যেন ছিল। এলার্ম টা ইচ্ছে করেই বন্ধ করে ঘুমিয়েছিলাম গত রাতে। আজকে ঘুম ভেঙ্গেছে মুখে সূর্য্যের আলো পড়ে। রোদের স্পর্শে ঘুম ভাঙ্গাটা আম্মুর হাতের ছোয়ার মত লাগল। রাতে জানালার পর্দা কিছুটা খোলা ছিল। সেই ফাক দিয়ে এই দলছুট সূর্য্যকিরণগুলো ঘুম ভাঙ্গিয়েছে। ঘুম থেকে ভোরে ওঠার পরেই প্রতিদিনের মত ঘুমের ক্লান্তি মাখা চোখে সকালটা না দেখে আজকে পুরো অন্যরকম লাগল। মনটাও দেখি বেশ হালকা হালকা লাগছে। ... বুঝলাম আজকের সূর্য্য মামা আমার মন খারাপের বরফে আঁচ লাগাতে আরম্ভ করেছেন।
গত রাতে করা কাজগুলো গুছিয়ে নিতে নিতে জানা দোয়া গুলো আওরাতে আরম্ভ করেছিলাম। আজকে এক কোর্সের প্রজেক্ট পেপার জমা দেব। টেনশন একটু হচ্ছিল ঠিকই ...কিন্তু দিনের শুরুটাই এমন যে যখন তৈরি হয়ে বাইরে বেরুবো তখন টেনশন ভুলে গুন-গুন করা আরম্ভ করেছি। আমি আর এক কাজিন আপাতত এক সাথে থাকি। আমার সব গুন-গুনই ওনার কাছে হরিসংকীর্তন মনে হয়।
সাড়ে এগারোটার টার দিকে বোচকা-বুচকি নিয়ে বের হয়েই ...মনে মনে বল্লাম ...ইয়াল্লা ...What a DAY !! ...আজকের আকাশটা দেখেছিলেন। ...সেই রকম একটা রং নিয়েছিল। আর মেঘের আব্রু ছাড়া আকাশটার দিকে নিল্লর্জভাবে তাকিয়ে বুঝলাম, আজকের দিনটা আর যাই হোক ...খারাপ হতে পারে না। আর যাই হোক ..কোন কিছুই আজকে আমার মন খারাপ করাতে পারবে না।
মুখে নিশ্চই একটা কার্টুন হাসি এসেছিল ...কারণ এক প্রতিবেশীর মন্তব্যে লজ্জা পেলাম, " কি মিয়া লেডিস হোস্টেলের দিকে তাকায় থাকার অবস্থায় চলে গেছ
" আসলেই তো... যে বাসাটার উপরের একচিলতে আকাশ আমি দেখছিলাম ....সেটা একটা ক্রিশ্চান লেডিস হোস্টেল
।
যাই হোক ...বিব্রত হই নি।
দুজনেই মজা পেলাম। ![]()
তারপর বাসে ইউনিভার্সিটি যাবার পথে অনেক দিন পর আজকে এই সময়ে ফাকা সিট পেলাম। ...এইটা দেখি ঈদের দিন -টাইপের ভাব নিয়ে দুই সিট দখল করে ব্যাক-প্যাক রেখে আরাম করে বসলাম। ...আহ.. আজকে দেখি সহযাত্রি গুলোও হাস্যমুখী। তার উপর সুন্দর সুন্দর সব বান্দরে ভরা। মানে স্কুল ছুটি হওয়া বাচ্চারা সাথে তাদের অভিভাবক ...বাসে হাসি-হাসি মুখ ওয়ালা মানুষ কমই দেখি। আমি সিটে বসে সশব্দে আটকে রাখা বাতাস ছাড়তেই শুনি পিচ্চি কন্ঠের খিল খিল হাসি। পাশে তাকিয়ে দেখি আমার অপর পাশে এক সুন্দরী তার বাবার কোলে বসে আমার দিকে তাকিয়ে আছে। আমি তাকাতেই বেমক্কা প্রশ্ন ..."তুমি কোন স্কুলে পড়?" পিচ্চির বাবা বিব্রত হাসি দিয়ে থামাতেই তার ২য় প্রশ্ন.. "স্কুলের ব্যাগ না এইটা?" বুঝলাম ...আমার ব্যাক-প্যাক আর তার ছোট্র গোলাপি বারবি ব্যাক-প্যাক এ সে ধরে নিয়েছে আমি স্কুলে পড়া বুড়ো।
....বাকি পথটুকু সেই সুন্দরীর নানান ভেংচি আর মুচকি হাসি দেখে কখন যে পার হয়ে গেল বুঝলাম না। এই সব লিখতে গেলে আরেকটা পোস্ট লাগবে।
...মহাখালি পার হয়ে সেই পিচ্চি হাই তুলতে তুলতে বাবার কোলে ঘুমিয়ে গেল। আহা... সেই দৃশ্য যদি দেখতেন...। বুঝলাম ...এত যন্ত্রনার পরও কেন মানুষ এই বাচ্চা ভয়ংকর-কাচ্চা ভয়ংকরগুলোকে সেধে আনে।
আজকে রাস্তার মানুষগুলোও কেমন যেন সুখী মানুষ টাইপ হাটা হাটছে। কাকলী মোড়ের রিকশাওয়ালাগুলো পর্যন্ত আজকে দেখি আদর করে ডাক দিচ্ছে লোকজনকে।
...সকালের ক্লাস ক্যান্সেল তাই ...আজকে দেরি করে এসেছি একটু। ...প্রথমেই ইচ্ছে ছিল স্যারের রুমে গিয়ে পেপার সাবমিট করব। লিফটের লাইন ভাগ্য আমার চিরকালই খারাপ। দেখা যায় সবাই ওঠার পর ...আমি ওঠার ঠিক আগে লিফট ফুল বা ওভার লোড সাইন দেয়।
...তাই দিন যত ভালই যাক... আমি লাইনে দাড়ানোর প্রস্তুতি নিয়েই লিফটের কাছে যাই। কিস্তু আজকে যে একের পর এক চমৎকার সব ঘটনার দিন যাচ্ছে। ...আজকে দেখি আমি ওঠার পর পরের জনের জন্য ওভার লোড দেখাচ্ছে। ...আমি একটা "কেমুন লাগে মনা" টাইপ হাসি দিয়ে দিলাম বেচারার উদ্দেশ্যে (ঠিক হয় নাই অবশ্য)।
বড় ধরাটা খেলাম পেপার সাবমিট এর সময়।
....টোকা দিয়ে ভাবছিলাম ঝাড়ি খাব "কোর্সের নিদ্র্দিষ্ট অফিস আওয়ার এর বাইরে কেন এসেছি" টাইপ। যদিও ওই স্যার আমার খুব প্রিয় মানুষগুলোর মধ্যে একজন। কিন্তু গত কয়েক সপ্তাহ ধরে উনি আর আমি কাটা-কাটি খেলা খেলছি। আমি যাই করি উনি তাই কাটেন। আমি যাই করি উনি তাতেই বিরক্ত হন ....
এমনকি উনি এটাও বলে ফেলেছেন ...আমার নাকি দিন দিন আই-কিউ ইলিশ মাছের সমান হয়ে যাচ্ছে। (মনে মনে ভাবি... স্যার... কয়টা লো-আই কিউ এর ইলিশ খেয়েছেন?)
আজকে দেখি স্যার আমাকে দেখে "কি খবর টাইপ" একটা বিরাট হাসি দিয়ে ফেললেন। আমিতো পুরা নার্ভাস... কারন হাসিটা আমার কাছে প্রথমে ক্ষুধার্ত বাঘ যেমন বাছুর দেখলে হাসি দেয় (আমি অবশ্য দেখি নাই, পই-পত্রে পড়েছি আর কি) ...সেই রকম লেগেছিল। কোন মতে ফোল্ডার আর সিডিগুলো এগিয়ে দিয়ে মিনমিন করে বললাম "স্যার তাহলে লান্চের পর আসি?" ...স্যার আবার সেই কলিজা ঠান্ডা করা হাসি দিয়ে বললেন আড়াইটার পর গ্রুপের আরেকজনকে সাথে নিয়ে আসতে।
আড়াইটার পর যখন গেলাম তখন দেখি বাঘমামা গোফে তা দেওয়ার মত করে দাড়িতে হাত বুলোতে বুলোতে স্যার পাতা উল্টোচ্ছে। আমার দিকে তাকিয়ে অবশেষে একটা গুয়ামুরি হাসি দিয়ে "কি অনেক খাটিয়ে ফেললাম নাকি? আরে এই বয়সে এতটুকুতেই ক্লান্ত হয়ে যাও সামনে তো আরো কাজ পড়েই আছে।" ... মনে মনে বলি ...স্যার খাটাননি.. যা করেছেন তার ফল অন্য সাবজেক্টেগুলোর গ্রেডশিটে শক দিয়ে দেবে আর কি। বুঝলাম ...অবশেষে বাঘমামার মনমত আবর্জনা নামাতে পেরেছি।
বাইরে বের হয়ে ...আন্দালিব এর দিকে তাকাতেই দেখি ..মরা মানুষের মত করে তাকিয়ে আছে। ..."কিরে ব্যাটা বউ মরছে নাকি?" ফাজলামি করতেই আন্দালিব গরম চোখ করে তাকিয়ে অন্যদিকে চলে গেল।
এই বাচ্চাটা একটু বেশি সেনসিটিভ টাইপ ভাল মানুষ ...একাডেমিক বিষয়ের বাইরে সব কিছুই ওর কাছে আনন্দহীন। আন্দালিবকে নাকি একবার এক ইংলিশ কোর্স করার সময় বিবিএ প্রডাকশন হাউজের জুনিয়র কোন মেয়ে ভাল লাগার কথা বলেছিল। উত্তরে নাকি আন্দালিব এমন এক লুক দিয়েছিল... মেয়ে পরদিন কোর্স ড্রপ করেছিল। আহারে ...বেচারি।
। আমার আর আন্দালিবের একটা জায়গায়ই মিল আছে। সেটা হল কেমন করে কেমন করে যেন ফাস্ট ইয়ারের পর আমাদের সব কোর্স একসাথে পড়ে যেত।
বিকালে এই সেমিস্টারের শেষ ল্যাব ক্লাসে দেখি আমাদের ওভার স্মার্ট ইন্সট্রাক্টর পর্যন্ত রসিকতা করার চেষ্টা করছে। ...
..সেইটা আরেক কমেডি। রাম গড়ুড়ের ছানা আরকি।
সান ল্যাবে এক মজার ঘটনা শুনলাম। গান গায়... আনিলা চৌধুরি বা এই নামের একজন সিএসই এর ফ্যাকাল্টি হয়ে জয়েন করেছে এই সেমিস্টারে। তো তিনি একটা কোর্স করান সফটওয়ার মিস্তিরিগিরির উপর। আমাদের সিএসই এর এক কঠিন হুজুর টাইপ সিনিয়র বড় ভাই আছেন। যার কাছে আমরা সবাই নসিহত প্রাপ্ত হই, প্রেয়ার ফ্লোরে নামাযের পর জ্বালাময়ি ভাষন শুনি।
(নাম লিখছি না... কারণ যতদূর জানি উনি সামহোয়ারএও নসিহত দেন) । তো সেই ভাইয়া নাকি সেই কোর্সে রেজিস্ট্রেশন করিয়েছিলেন। কারন রেজিস্ট্রেশন এর সময় ফ্যাকাল্টির নাম টিবিএ (টু বি এনাউনস্ড) ছিল। পরে প্রথম ক্লাসে সেইরকম মহিলা ফ্যাকাল্টি দেখে ভাইজান প্রথম ক্লাস শেষে কোর্স ড্রপ করে দেন।
আর কারণ হিসেবে প্রেয়ার রুম থেকে আসা পোংটা পোলাপান যে খবর দিয়েছে সেটা হচ্ছে ...ওনার নাকি মেয়েদের দিকে তাকালে ঈমান হালকা হয়ে যাবার সম্ভাবনা আছে।
.... আর সেই ফ্যাকাল্টি নাকি... মাশাল্লাহ.... ![]()
আমরা এই রকম "ঈমান হালকা করে" টাইপের গ্যাটিস ফ্যাকাল্টি নিয়োগের জন্য বিওজির কঠোর নিন্দা জানাই।
আহ... আজকে অনেকদিন পর ...বেশ একটা ফুরফুরে দিন গেল।
বিকালে যখন সূর্য্যটা ডুবছিল ... তখন ল্যাবের পেছনের উইন্ডো ব্লাইন্ডগুলো সরিয়ে দিতই শেষ বিকেলের হালকা রঙিন আলোর আভায় আরেকবার আম্মুর স্পর্শ পেলাম। মন খারাপ হয়নি। বরং ডুবতে থাকা সূর্যটাকে দেখে রাখছিলাম। কারন আবার যখন মন খারাপ করা দিনগুলো আসবে ...তখন চেষ্টা করব প্রতিদিনের সূর্য্যটাকে মেলাতে। মন খারাপ করা দিনের সূর্য্যটা নিশ্চই আজকের মত হবে না?
এই বয়েসে এসেও আমার ভাবতে ইচ্ছে করছে... গত রাতে ঘুমের সময় আমার জানালায় নিশ্চই কোন পরী এসেছিল। যে পরী আমার ঘরে ছড়িয়ে থাকা দুঃখ্যের ধুলোগুলো তার জাদুর সোনালী কাঠিটা দিয়ে বদলে ছোট ছোট আনন্দের কণা করে দিয়েছিল। আর সূর্য্যটাকে বলে গিয়েছিল আমার মায়ের আদরের উষ্নতার সমান উষ্নতায় যেন সারাদিন আমাকে ঘিরে রাখে।
এমন চমৎকার দিনেও ...মাকে খুব মিস করছি।
অনেকদিন পরে একটা গান শুনছি। শেয়ার করলাম।
Click This Link
আবর্জনাটা পুরোপুরি আমার খোলা-ডায়েরির একটি পাতা। এর মাঝে কোন সাহিত্য খোজার চেষ্টা ব্যানিয় অপরাধ বলে গণ্য হবে। ...এই ধরণের বৃহৎ আবজাব এর জন্য ক্ষমা প্রার্থী। বৃহস্পতিবার রাতটা আসলেই অলস । আমার আরো একটি আবর্জনায় ধারাবাহিক বানান ভুল... আমার সল্প মস্তিস্কের আরো একটি অক্ষমতা বলে মেনে নিচ্ছি। তারপরও কেউ ধরিয়ে দিলে কৃতজ্ঞ থাকব।
পোস্টে ব্যবহার করা ছবিটি ফ্লিকার এর sytoha's এর পাতা থেকে নেওয়া।
যার লিংক ... http://www.flickr.com/photos/sytoha/2949538051/
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): খোলা-ডায়েরি, আব-জাব, আবর্জনা ;
সর্বশেষ এডিট : ২৮ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১:৫৮ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
সাইফুর বলেছেন:
সফটওয়ার মিস্তিরিগিরির কোর্স নিয়ে এক বিরাট অভিজ্ঞতা আছেরে ভাই...
লেখক বলেছেন: এত ফাস্ট রিডার।
.... ঠিকাছে অভিজ্ঞতাটা বলে ফেলুন।
লেখক বলেছেন: এত বড় আবর্জনা পড়তেছেন... আপনার আসলেই কোন কাজ নাই নিঃসঙ্গ। ঠিকাছে ছবির মত গালে হাত দিয়ে পড়তে থাকুন।
লেখক বলেছেন: থ্যাংকু নিঃসঙ্গ।
নীল আলো বলেছেন:
"গুয়ামুরি হাসি"...হাসিটা কেমন হাসি?...interesting collection of thoughts and the way of presentation লেখক বলেছেন:
...কেমনে বোঝাই। ...আপনার ইমোর হাসিটা ঠোট ভাজ করে হাসলে মনে হয় কিছুটা আন্দাজ করতে পারবেন।
লেখক বলেছেন: আসতাগফিরুল্লাহ... ঈমান নিয়ে রিস্ক নেওয়া ঠিক না।
আমি নিজেই এখনো দেখি নাই। এমনিতেই ঈমান নিয়ে টেনসিত.... ভাবতেছি একদিন ঈমান শক্ত করে সিএসই ডিপো তে যাব।
ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন:
...আমি একটা "কেমুন লাগে মনা" টাইপ হাসি দিয়ে দিলাম বেচারার উদ্দেশ্যে (ঠিক হয় নাই অবশ্য)... সৎচিন্তা করছেন ভাই। আমিও এরকম পজিশানে বাইরের ধরা-খাওয়ার ব্যাপারে এরকমই ভাবি! ... বাইরে বের হয়ে ...আন্দালিব এর দিকে তাকাতেই দেখি ..মরা মানুষের মত করে তাকিয়ে আছে। ... ধাক্কা খাইছি। আমার নামও আন্দালিব!
আনিলা'র ইউনিতে পড়েন? বাহ বাহ! বুঝতে পারছি তাহলে। আপনার লেখার হাত (ডায়েরি লেখার হাত) দারুন স্বচ্ছন্দ! একটানে গড়গড় করে পড়া যায়। মাঝে মাঝে অনেকগুলো উপমা ব্যবহার করেছেন, যেগুলো আপনার কাছে অনায়াসে এসেছে। তারমানে আপনার লেখায় সেই শক্তিটা সুপ্ত আছে। এটাকে জাগিয়ে তুলেন। আমরা আরো সুখপাঠ্য লেখা পাবো!!
লেখক বলেছেন: " আনিলা'র ইউনিতে পড়েন? " ...নারে ভাই। এই সেমিস্টার শেষে শুনেছি পোলাপান যে ইভালুয়েশন দিয়েছে, তাতে করে ওই সম্ভাবনার হাত থেকে বেঁচে গিয়েছি।
আর উনিও নাকি এই সব আজেবাজে কাজে (মানে পড়ানো আরকি) আর সময় নষ্ট না করার মহৎ সিদ্ধান্ত নিয়ে সিএসইর পোলাপানগুলোকে রেহাই দিয়েছেন। ![]()
তার মানে সব আন্দালিবই একই রকম হয় ...
...আফসোস নাম কেন আন্দালিব রাখে নাই। তাহলে অন্তত সেইরকম একটা মাথা পাইতাম। ![]()
কষ্ট করে পড়ে যে চমৎকার মন্তব্য লিখেছেন তার জন্যে অনেক ধন্যবাদ আন্দালিব ভাই।
আপনি চমৎকার লিখেন। ধরে নিন, আপনার ব্লগের একজন নিয়মিত পাঠক সংখ্যা বাড়লো।
লেখক বলেছেন: জিহাদ... চমৎকার মন্তব্যের জন্য ...অনেক ধন্যবাদ এবং কৃতজ্ঞতা।
ভাল থাকবেন।
লেখক বলেছেন: আবারো ধন্যবাদ পড়ার জন্য।
...আপনার মন্তব্যেও আমি অনেক আনন্দ পেলাম।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...















