somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

অসাধারণ এক দিনের জন্য... একটি শিরোনামহীন আব-জাব।

২৮ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:০৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



কোন এক অজানা কারণে মাঝে মাঝে দিনগুলো কেমন যেন কোন নোটিশ ছাড়াই অন্যরকম হয়ে যায়। ভাল লাগার দিন, খারাপ লাগার দিন, হেরে যাবার দিন, জয়ের আনন্দের দিন, হারিয়ে যাবার দিন... আরো কত নাম যে দেওয়া যায়। আমার দিনগুলো অবশ্য খুব সাধারণ দিন হয়েই আসে আবার চলে যায়।
বিভিন্ন কারণে কেন যেন কয়েকদিন খুব খারাপ যাচ্ছিল। যা করছিলাম এলোমেলো হয়ে যাচ্ছিল। সব থেকে ভালটা কেমন করে যেন সম্ভাব্য চুড়ান্ত খারাপে রূপ নিচ্ছিল। চেষ্টা করছিলাম বের করতে ...কোথায় সুর কেটে যাচ্ছে। পারিনি। "...ঠিকাছে তবে এভাবেই চলুক দিনগুলো" এই মন্ত্রে গা ছেড়ে দিয়েছিলাম।

আজকের সকালটাই কেমন যেন ছিল। এলার্ম টা ইচ্ছে করেই বন্ধ করে ঘুমিয়েছিলাম গত রাতে। আজকে ঘুম ভেঙ্গেছে মুখে সূর্য্যের আলো পড়ে। রোদের স্পর্শে ঘুম ভাঙ্গাটা আম্মুর হাতের ছোয়ার মত লাগল। রাতে জানালার পর্দা কিছুটা খোলা ছিল। সেই ফাক দিয়ে এই দলছুট সূর্য্যকিরণগুলো ঘুম ভাঙ্গিয়েছে। ঘুম থেকে ভোরে ওঠার পরেই প্রতিদিনের মত ঘুমের ক্লান্তি মাখা চোখে সকালটা না দেখে আজকে পুরো অন্যরকম লাগল। মনটাও দেখি বেশ হালকা হালকা লাগছে। ... বুঝলাম আজকের সূর্য্য মামা আমার মন খারাপের বরফে আঁচ লাগাতে আরম্ভ করেছেন।

গত রাতে করা কাজগুলো গুছিয়ে নিতে নিতে জানা দোয়া গুলো আওরাতে আরম্ভ করেছিলাম। আজকে এক কোর্সের প্রজেক্ট পেপার জমা দেব। টেনশন একটু হচ্ছিল ঠিকই ...কিন্তু দিনের শুরুটাই এমন যে যখন তৈরি হয়ে বাইরে বেরুবো তখন টেনশন ভুলে গুন-গুন করা আরম্ভ করেছি। আমি আর এক কাজিন আপাতত এক সাথে থাকি। আমার সব গুন-গুনই ওনার কাছে হরিসংকীর্তন মনে হয়। :)

সাড়ে এগারোটার টার দিকে বোচকা-বুচকি নিয়ে বের হয়েই ...মনে মনে বল্লাম ...ইয়াল্লা ...What a DAY !! ...আজকের আকাশটা দেখেছিলেন। ...সেই রকম একটা রং নিয়েছিল। আর মেঘের আব্রু ছাড়া আকাশটার দিকে নিল্লর্জভাবে তাকিয়ে বুঝলাম, আজকের দিনটা আর যাই হোক ...খারাপ হতে পারে না। আর যাই হোক ..কোন কিছুই আজকে আমার মন খারাপ করাতে পারবে না।

মুখে নিশ্চই একটা কার্টুন হাসি এসেছিল ...কারণ এক প্রতিবেশীর মন্তব্যে লজ্জা পেলাম, " কি মিয়া লেডিস হোস্টেলের দিকে তাকায় থাকার অবস্থায় চলে গেছ :) " আসলেই তো... যে বাসাটার উপরের একচিলতে আকাশ আমি দেখছিলাম ....সেটা একটা ক্রিশ্চান লেডিস হোস্টেল X(

যাই হোক ...বিব্রত হই নি। :D দুজনেই মজা পেলাম। :)

তারপর বাসে ইউনিভার্সিটি যাবার পথে অনেক দিন পর আজকে এই সময়ে ফাকা সিট পেলাম। ...এইটা দেখি ঈদের দিন -টাইপের ভাব নিয়ে দুই সিট দখল করে ব্যাক-প‌্যাক রেখে আরাম করে বসলাম। ...আহ.. আজকে দেখি সহযাত্রি গুলোও হাস্যমুখী। তার উপর সুন্দর সুন্দর সব বান্দরে ভরা। মানে স্কুল ছুটি হওয়া বাচ্চারা সাথে তাদের অভিভাবক ...বাসে হাসি-হাসি মুখ ওয়ালা মানুষ কমই দেখি। আমি সিটে বসে সশব্দে আটকে রাখা বাতাস ছাড়তেই শুনি পিচ্চি কন্ঠের খিল খিল হাসি। পাশে তাকিয়ে দেখি আমার অপর পাশে এক সুন্দরী তার বাবার কোলে বসে আমার দিকে তাকিয়ে আছে। আমি তাকাতেই বেমক্কা প্রশ্ন ..."তুমি কোন স্কুলে পড়?" পিচ্চির বাবা বিব্রত হাসি দিয়ে থামাতেই তার ২য় প্রশ্ন.. "স্কুলের ব্যাগ না এইটা?" বুঝলাম ...আমার ব্যাক-প‌্যাক আর তার ছোট্র গোলাপি বারবি ব্যাক-প‌্যাক এ সে ধরে নিয়েছে আমি স্কুলে পড়া বুড়ো। B-) ....বাকি পথটুকু সেই সুন্দরীর নানান ভেংচি আর মুচকি হাসি দেখে কখন যে পার হয়ে গেল বুঝলাম না। এই সব লিখতে গেলে আরেকটা পোস্ট লাগবে।
...মহাখালি পার হয়ে সেই পিচ্চি হাই তুলতে তুলতে বাবার কোলে ঘুমিয়ে গেল। আহা... সেই দৃশ্য যদি দেখতেন...। বুঝলাম ...এত যন্ত্রনার পরও কেন মানুষ এই বাচ্চা ভয়ংকর-কাচ্চা ভয়ংকরগুলোকে সেধে আনে। ;)

আজকে রাস্তার মানুষগুলোও কেমন যেন সুখী মানুষ টাইপ হাটা হাটছে। কাকলী মোড়ের রিকশাওয়ালাগুলো পর্যন্ত আজকে দেখি আদর করে ডাক দিচ্ছে লোকজনকে। :P ...সকালের ক্লাস ক্যান্সেল তাই ...আজকে দেরি করে এসেছি একটু। ...প্রথমেই ইচ্ছে ছিল স্যারের রুমে গিয়ে পেপার সাবমিট করব। লিফটের লাইন ভাগ্য আমার চিরকালই খারাপ। দেখা যায় সবাই ওঠার পর ...আমি ওঠার ঠিক আগে লিফট ফুল বা ওভার লোড সাইন দেয়। :( ...তাই দিন যত ভালই যাক... আমি লাইনে দাড়ানোর প্রস্তুতি নিয়েই লিফটের কাছে যাই। কিস্তু আজকে যে একের পর এক চমৎকার সব ঘটনার দিন যাচ্ছে। ...আজকে দেখি আমি ওঠার পর পরের জনের জন্য ওভার লোড দেখাচ্ছে। ...আমি একটা "কেমুন লাগে মনা" টাইপ হাসি দিয়ে দিলাম বেচারার উদ্দেশ্যে (ঠিক হয় নাই অবশ্য)।

বড় ধরাটা খেলাম পেপার সাবমিট এর সময়। :(
....টোকা দিয়ে ভাবছিলাম ঝাড়ি খাব "কোর্সের নিদ্র্দিষ্ট অফিস আওয়ার এর বাইরে কেন এসেছি" টাইপ। যদিও ওই স্যার আমার খুব প্রিয় মানুষগুলোর মধ্যে একজন। কিন্তু গত কয়েক সপ্তাহ ধরে উনি আর আমি কাটা-কাটি খেলা খেলছি। আমি যাই করি উনি তাই কাটেন। আমি যাই করি উনি তাতেই বিরক্ত হন .... :( এমনকি উনি এটাও বলে ফেলেছেন ...আমার নাকি দিন দিন আই-কিউ ইলিশ মাছের সমান হয়ে যাচ্ছে। (মনে মনে ভাবি... স্যার... কয়টা লো-আই কিউ এর ইলিশ খেয়েছেন?)
আজকে দেখি স্যার আমাকে দেখে "কি খবর টাইপ" একটা বিরাট হাসি দিয়ে ফেললেন। আমিতো পুরা নার্ভাস... কারন হাসিটা আমার কাছে প্রথমে ক্ষুধার্ত বাঘ যেমন বাছুর দেখলে হাসি দেয় (আমি অবশ্য দেখি নাই, পই-পত্রে পড়েছি আর কি) ...সেই রকম লেগেছিল। কোন মতে ফোল্ডার আর সিডিগুলো এগিয়ে দিয়ে মিনমিন করে বললাম "স্যার তাহলে লান্চের পর আসি?" ...স্যার আবার সেই কলিজা ঠান্ডা করা হাসি দিয়ে বললেন আড়াইটার পর গ্রুপের আরেকজনকে সাথে নিয়ে আসতে।

আড়াইটার পর যখন গেলাম তখন দেখি বাঘমামা গোফে তা দেওয়ার মত করে দাড়িতে হাত বুলোতে বুলোতে স্যার পাতা উল্টোচ্ছে। আমার দিকে তাকিয়ে অবশেষে একটা গুয়ামুরি হাসি দিয়ে "কি অনেক খাটিয়ে ফেললাম নাকি? আরে এই বয়সে এতটুকুতেই ক্লান্ত হয়ে যাও সামনে তো আরো কাজ পড়েই আছে।" ... মনে মনে বলি ...স্যার খাটাননি.. যা করেছেন তার ফল অন্য সাবজেক্টেগুলোর গ্রেডশিটে শক দিয়ে দেবে আর কি। বুঝলাম ...অবশেষে বাঘমামার মনমত আবর্জনা নামাতে পেরেছি।

বাইরে বের হয়ে ...আন্দালিব এর দিকে তাকাতেই দেখি ..মরা মানুষের মত করে তাকিয়ে আছে। ..."কিরে ব্যাটা বউ মরছে নাকি?" ফাজলামি করতেই আন্দালিব গরম চোখ করে তাকিয়ে অন্যদিকে চলে গেল। B-) এই বাচ্চাটা একটু বেশি সেনসিটিভ টাইপ ভাল মানুষ ...একাডেমিক বিষয়ের বাইরে সব কিছুই ওর কাছে আনন্দহীন। আন্দালিবকে নাকি একবার এক ইংলিশ কোর্স করার সময় বিবিএ প্রডাকশন হাউজের জুনিয়র কোন মেয়ে ভাল লাগার কথা বলেছিল। উত্তরে নাকি আন্দালিব এমন এক লুক দিয়েছিল... মেয়ে পরদিন কোর্স ড্রপ করেছিল। আহারে ...বেচারি। :) । আমার আর আন্দালিবের একটা জায়গায়ই মিল আছে। সেটা হল কেমন করে কেমন করে যেন ফাস্ট ইয়ারের পর আমাদের সব কোর্স একসাথে পড়ে যেত।

বিকালে এই সেমিস্টারের শেষ ল্যাব ক্লাসে দেখি আমাদের ওভার স্মার্ট ইন্সট্রাক্টর পর্যন্ত রসিকতা করার চেষ্টা করছে। ...:) ..সেইটা আরেক কমেডি। রাম গড়ুড়ের ছানা আরকি।

সান ল্যাবে এক মজার ঘটনা শুনলাম। গান গায়... আনিলা চৌধুরি বা এই নামের একজন সিএসই এর ফ্যাকাল্টি হয়ে জয়েন করেছে এই সেমিস্টারে। তো তিনি একটা কোর্স করান সফটওয়ার মিস্তিরিগিরির উপর। আমাদের সিএসই এর এক কঠিন হুজুর টাইপ সিনিয়র বড় ভাই আছেন। যার কাছে আমরা সবাই নসিহত প্রাপ্ত হই, প্রেয়ার ফ্লোরে নামাযের পর জ্বালাময়ি ভাষন শুনি। ;) (নাম লিখছি না... কারণ যতদূর জানি উনি সামহোয়ারএও নসিহত দেন) । তো সেই ভাইয়া নাকি সেই কোর্সে রেজিস্ট্রেশন করিয়েছিলেন। কারন রেজিস্ট্রেশন এর সময় ফ্যাকাল্টির নাম টিবিএ (টু বি এনাউনস্ড) ছিল। পরে প্রথম ক্লাসে সেইরকম মহিলা ফ্যাকাল্টি দেখে ভাইজান প্রথম ক্লাস শেষে কোর্স ড্রপ করে দেন। :) আর কারণ হিসেবে প্রেয়ার রুম থেকে আসা পোংটা পোলাপান যে খবর দিয়েছে সেটা হচ্ছে ...ওনার নাকি মেয়েদের দিকে তাকালে ঈমান হালকা হয়ে যাবার সম্ভাবনা আছে। :) :) :) .... আর সেই ফ্যাকাল্টি নাকি... মাশাল্লাহ.... B-)

আমরা এই রকম "ঈমান হালকা করে" টাইপের গ্যাটিস ফ্যাকাল্টি নিয়োগের জন্য বিওজির কঠোর নিন্দা জানাই। ;)

আহ... আজকে অনেকদিন পর ...বেশ একটা ফুরফুরে দিন গেল।

বিকালে যখন সূর্য্যটা ডুবছিল ... তখন ল্যাবের পেছনের উইন্ডো ব্লাইন্ডগুলো সরিয়ে দিতই শেষ বিকেলের হালকা রঙিন আলোর আভায় আরেকবার আম্মুর স্পর্শ পেলাম। মন খারাপ হয়নি। বরং ডুবতে থাকা সূর্যটাকে দেখে রাখছিলাম। কারন আবার যখন মন খারাপ করা দিনগুলো আসবে ...তখন চেষ্টা করব প্রতিদিনের সূর্য্যটাকে মেলাতে। মন খারাপ করা দিনের সূর্য্যটা নিশ্চই আজকের মত হবে না?

এই বয়েসে এসেও আমার ভাবতে ইচ্ছে করছে... গত রাতে ঘুমের সময় আমার জানালায় নিশ্চই কোন পরী এসেছিল। যে পরী আমার ঘরে ছড়িয়ে থাকা দুঃখ্যের ধুলোগুলো তার জাদুর সোনালী কাঠিটা দিয়ে বদলে ছোট ছোট আনন্দের কণা করে দিয়েছিল। আর সূর্য্যটাকে বলে গিয়েছিল আমার মায়ের আদরের উষ্নতার সমান উষ্নতায় যেন সারাদিন আমাকে ঘিরে রাখে।

এমন চমৎকার দিনেও ...মাকে খুব মিস করছি।

অনেকদিন পরে একটা গান শুনছি। শেয়ার করলাম।
Click This Link

আবর্জনাটা পুরোপুরি আমার খোলা-ডায়েরির একটি পাতা। এর মাঝে কোন সাহিত্য খোজার চেষ্টা ব্যানিয় অপরাধ বলে গণ্য হবে। :) ...এই ধরণের বৃহৎ আবজাব এর জন্য ক্ষমা প্রার্থী। বৃহস্পতিবার রাতটা আসলেই অলস ;)। আমার আরো একটি আবর্জনায় ধারাবাহিক বানান ভুল... আমার সল্প মস্তিস্কের আরো একটি অক্ষমতা বলে মেনে নিচ্ছি। তারপরও কেউ ধরিয়ে দিলে কৃতজ্ঞ থাকব।



পোস্টে ব্যবহার করা ছবিটি ফ্লিকার এর sytoha's এর পাতা থেকে নেওয়া।
যার লিংক ...
http://www.flickr.com/photos/sytoha/2949538051/
সর্বশেষ এডিট : ২৮ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১:৫৮
১০টি মন্তব্য ৮টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ইজিবাইক চলাচলের প্রকৃত কর্তৃপক্ষ কে?

লিখেছেন মাহদী হাসান শিহাব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:৩৪



দেশের বিভিন্ন শহর ও গ্রামে ইজিবাইক নামে একটি যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু এর পরিচালনা, লাইসেন্সিং এবং চলাচলের ক্ষেত্র সম্পর্কে সুস্পষ্ট ও সর্বজনবিদিত কোনো নীতিমালা সাধারণ মানুষের কাছে দৃশ্যমান নয়।

শহরের ভেতরে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

মন কথনিকা-৪৮৭৩-৭৪

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৯

মন কথনিকা-৪৮৭৩
তোমার আমার মতামতে আকাশ পাতাল সীমা
আমার বুলি বরফ জলের তোমার যেন বোমা,
তুমি বলো রোদের তেজে আমি বর্ষার মতন
বুকের ভিতর বন্ধু বুঝি পাথর পুষো যতন।

মন কথনিকা-৪৮৭৪
পিঠে ব্যথা ভাল্লাগে না, মন... ...বাকিটুকু পড়ুন

শেখ হাসিনাই ধ্বসিয়ে দিলেন মমতার দলকে?

লিখেছেন ...নিপুণ কথন..., ০৯ ই জুন, ২০২৬ রাত ১:২২


শেখ হাসিনাই ধ্বসিয়ে দিয়েছেন মমতা ব্যানার্জিকে। কিভাবে? দুই দফায় পানিচুক্তি হতে দেননি মমতা। কংগ্রেসের মনমোহন সিং প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন এবং বিজেপির Narendra Modi প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন দুবার দুজনই বাংলাদেশ সফরে এসেছিলেন, দুবারই... ...বাকিটুকু পড়ুন

পাহাড়ে চড়া আর মাউন্টেনিয়ারিং: এক নয়

লিখেছেন মুনতাসির, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮




আজকাল পাহাড়ে ওঠা অনেক সহজ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই দেখা যায় কেউ না কেউ কোনো পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। ট্রেইল ধরে হেঁটে, কখনো দড়ি ধরে, কখনো গাইডের সাহায্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

×