আমার প্রিয় পোস্ট
- আট বছর ধরে পৃথিবী ঘুরে বেড়িয়ে যে উনত্রিশটি শিক্ষা আমি পেয়েছি - বিলাশ বিডি
- এলোমেলো চিরকুট... (২) - ...অসমাপ্ত
- পড়ুন, না পড়লে মজাটা টের পাবেন না - আহমদ বসির
- ডঃ মুহম্মদ জাফর ইকবাল স্যারকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা ও কিছু স্মৃতিকথন !! - শ।মসীর
- আসুন পরিচিত হই ঢাকা শহরের অলিগলির সাথে (পর্ব-৪ + শেষ পর্ব) - মোসারাফ
- বাংলা ব্লগ'স্ফেয়ারে মুক্ত'চিন্তার গুরুত্বপূর্ণ লেখা/পোস্ট/ব্লগ সংগ্রহের উদ্যোগঃ সচেতন সকলে'র অংশগ্রহন কাম্য … - মনির হাসান
- একজন আইটি ব্যক্তিত্ব এবং তাঁর তৈরী করা শেয়ারের একটি চমৎকার সাইট - সুনীল সমুদ্র
- আপেক্ষিক তত্ত্বের কিছু অজানা কথা -২ - নুভান
- জার্মানিতে উচ্চ শিক্ষার জন্য বৃত্তি - ফুয়াদ মু. খালিদ হোসেন
- ইন্ডিয়ান ভিসা সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য - বংশী নদীর পাড়ে
- এ টীমের নীতি মালা - ডাক্তার আইজউদ্দিন
- হাউ টু স্যালুট ইউ, সোলজার? - মুখফোড়
- দ্রোহী পুরাণ ০৪ - দ্রোহী
- চলে গেলো এ-টিমের জন্মদিন, আমরা কি তবে ভুলতে বসেছি তাদের অবদান? - স্বপ্নকথক
- বাংলার ফুল - জেরী
- ISLTS [ইন্টারন্যাশনাল সিলেটি ল্যাংগুয়েজ টেস্টিং সিস্টেম]- সিলোটি বাষার এখমাত্র টেস্ট সিস্টেম - ডজ
- মাসুদ রানা : ৪০০ নট আউট যেভাবে এল মাসুদ রানা ( কাজী আনোয়ার হোসেন) - তাশফী
- ব্লগানুবাদঃ দ্য সেলফিশ জিন - রিচার্ড ডকিন্স (১ম অধ্যায়) - ছন্নছাড়ার পেন্সিল
- একটি খুব সাধারণ ঘটনা - ছন্নছাড়ার পেন্সিল
- টুকরো টুকরো মুক্তিযুদ্ধ - টাইম ম্যাগাজিনে ১৯৭১ - রাগিব
- ফ্রাইডে দ্য থার্টিন্থ- ছোট গল্প (প্রথম পর্ব) - পারভেজ
- রেলের বিশমুহূর্তে জমাট প্রজাপতি - ছন্নছাড়ার পেন্সিল
- পথের সাথী হারিয়ে যাবি, কোথায় লুকাই তোরে........................ - ফারা তন্বী
- ফিনল্যান্ডে পড়াশোনা..২ - বিডিআর
- অনলাইনে সিনেমা দেখার অসাধারণ তিনটি সাইট - ত্রিকাল
- ঝাপসা নীল বিন্দু - বিলাশ বিডি
- মাইক্রোসফট এর সাতকাহন - পর্ব ২ (ইন্টার্ণশীপ অভিজ্ঞতা) - বিলাশ বিডি
- “ভালোবাসার কাজটি খুঁজে নিতে হবে” – স্টিভ জবস এর বিখ্যাত সমাবর্তন বক্তৃতা - বিলাশ বিডি
- মৃত্যু ছায়া - ছোট গল্প - পারভেজ
- প্রমিত বাংলা বানান রীতিঃ সচরাচর সমস্যা করে এমন শব্দের একটি সম্ভার! - ম্যাভেরিক
- নিঝুম রাতের সুরের পরী - রুবাইয়াত ইসলাম সাদাত
- রেডহ্যাট লিনাক্সে yum repository সেটআপ । খুব জরুরী বা দরকারী একটা টুল । - গাজী সালাহউদ্দিন
- উকিলবাড়ি যাওন বাদ দেন, লন একটা উকিলমারা সফটওয়্যার কুইকেন উইলমেকার প্লাস ২০০৭ - আমিই স্রোত
- ই-বুক কালেকশনঃ পর্ব-১ - বিডি আইডল
- যন্ত্র গণকের যন্তর মন্তর - ১ - রাগিব
- তুমি সন্ধ্যার মেঘমালা - অপ্সরা
- মেডিটেশন এবং আমার কথা - মাহবুবুল আলম লীংকন
- কাচ্চি বিরিয়ানী রেসেপি - মাহবুব সুমন
- কানাডায় উচ্চশিক্ষা- কিছু তথ্য - _তানজীর_
- আমার বান্দরবেলা...............৩ - তামিম ইরফান
- এনামুল আজিমঃ অকালে ঝরে পড়া একটি প্রতিভা - পারভেজ
- আ লিটল ফাইটার স্লিপিং উইথ আর্মস - একরামুল হক শামীম
- পেন্সিলে আঁকা পরী - অচেনা সৈকত
- মূহুর্ত হলেও, থামুন: কনসেন্ট্রেশান ক্যাম্প, ডাখাউ, জার্মানী - তীরন্দাজ
- গল্পঃ স্মৃতিভ্রষ্টতার উল্টোযাত্রা - ছন্নছাড়ার পেন্সিল
- ক্রিয়েটিভ কমন্স লাইসেন্সের ছয় বছর পূর্তী - আশাবাদী!!
- মানবতাবোধ Installing... - নীল আলো
- যুদ্ধ শিশু বলছি--কে আছ শুনবার?? - নিবিড়
- মেঘে মেঘে হারিয়ে যাওয়া... - নীল আলো
- আমেরিকায় পড়ি - শাহরিয়ার নির্জন
- বার্লিন দেয়াল, ইস্ট সাইড গ্যালারি ও ঐক্যের আকাঙ্ক্ষা... - |জনারন্যে নিসংঙগ পথিক|
- ~পথের শুরু...... - নীলদ্বীপের স্বপ্নকন্যা
- পঞ্চ ইন্দ্রিয় - পারভেজ
- স্যার আইজেক নিউটনের সূত্রকে ভুল প্রমাণ করেছি আমি - রুখসানা তাজীন
- ব্লগে আপনার পড়া সেরা ফান পোষ্ট কোনটা ?? - চিলে কোঠার সেপাই
- গ্রুপ থিওরীর আর্টিকেল - গণিত পাগল
- আমার ছেলের কথা বলছি শোনো - ভাঙ্গা পেন্সিল
- তন্দুরীরুটি গ্যাসের চুলায়!!
- েজবীন
- শিবনারায়ণ দাশ - বাংলাদেশের লাল সবুজ পতাকার প্রথম নকশা-প্রণেতা - রাগিব
- কয়েক মিনিটে উইন্ডোজ ইনষ্টল করুন - এস. এম. মেহেদী আকরাম
- রিলাক্সেশন টেকনিক - আহমেদ হেলাল ছোটন
- অসময়ের হাইকুরা - নীরর
আমরা যারা ভালবাসা খুঁজি...
০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৩৫
![]()
১.
আমার একটা পার্ট টাইম বন্ধু আছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে। পার্ট টাইম বন্ধু ...কারণ আমরা দুজনেই দুজনকে খুঁজি যখন আশেপাশে আর কারো খোঁজ পাওয়া যায় না তখন। যেমন কোনও একটা কাজে যাব ...সাথে কাউকে নেওয়া দরকার। আমার ছোট্র লিস্টের কাউকে পাওয়া যাচ্ছে না, ঠিকাছে ...দাও জনি কে ফোন। খুব কম দরকার পড়ত ...তাই আমার অনেক অনুরোধেই জনি ঢেকি গিলেছে। একই অবস্থা জনির জন্যও।
জনি আবার ফ্রিল্যান্স লেখালেখি (সাংবাদিকতা বলা যায়) করে বিভিন্ন পত্রিকায়। ওর এসাইনমেন্টের সুবাদে কয়েকটি অন্যরকম অভিজ্ঞতার সঙ্গি হয়েছি কয়েকবার।
একবার সম্ভবত শিশু দিবস এর আগে আগে জনির একটা এসাইনমেন্ট এর জন্য সাথে গিয়েছিলাম তেঁজগা রেলস্টেশনের সাথের এক বস্তিতে।
সাবজেক্ট বস্তির শিশুরা। ...বড় বড় কথা ...আর নাগরিক অনুভুতির কোমল জায়গার মোলায়েম খোঁচা দিয়ে খুব সাময়িক দুঃখ্য বিলাস তৈরি করতে হবে।
যে লেখা পড়ে আমরা সকাল বেলার আলসেমির সাথে সাথে একটা দুঃখ্য দুঃখ্য ভাব করে রাস্তায় বের হয়ে সিগন্যালের কুৎসিত মানুষের ছানার গাড়ির কাচ ছোয়ার মত মহা অপরাধে অমৃতবাণী বর্ষন করব। ....সেই রকম একটা কড়া লেখা দিতে হবে জনিকে। আর সাথে আসার জন্য আমি পাব ফুলপেট বিরিয়ানি।
বস্তিতে এক ধরণের মহাজন টাইপ মা দেখলাম। তার নিজের কোন সন্তান নেই (অথবা কোন এককালে ছিল)। তার পেশা হচ্ছে ছোট বাচ্চাদের মা হওয়া। তার জিম্মায় অনেক রকম আর সাইজের বাচ্চা আছে। এদের দিয়ে ভিক্ষা করিয়ে বা অন্য কোন কাজ করিয়ে তার আয় হয়।
আমরা গিয়েছিলাম সন্ধার পরে... ...তার সন্তানদের ছবি তুলতে চাইলে দিলেন না। অনেক দয়া করে কথা বলার অনুমতি দিলেন। জনির টেপরেকর্ডার আর কৌশলি কথার ফাঁক কেটে আমার নজর পড়ল কিছুটা দুরে বসা নায়ক রুবেলের উপর। একমনে মার্বেল নিয়ে ব্যাস্ত। আধো অন্ধকারে চেহারা-সুরত বেশ ভালই মনে হল। তার চিড়িং-বিড়িং স্বভাবের কারণে ভাইবোনের কাছে তার নাম "নায়ক রুবেল"। "এফডিসিতে যাও নাকি?" ...জিজ্ঞেস করতেই ছেড়া স্যান্ডো গেন্জি পরা রুবেল ফোকলা মুখে একটা মুচকি হাসি দেয়। পাশ থেকে আরেক পিচ্চি জবাব দেয় "...যায়না আবার ...কাম কাইজ ফালাইয়া ছবির পুস্টার দেইখ্যা ব্যাড়ায়।"
কথায় কথায় জানলাম... এই পরিবারে রুবেলের জন্ম কমলাপুর রেল স্টেশন থেকে। আসল বাবা-মা কে ...কেউ জানে না।
কথায় কথায় মুখ ফসকে জনি জিজ্ঞেস করে ফেলে
"...রুবেল ...আসল বাপ মার কথা মনে পড়ে না?"
হাস্যমুখি খুদে নায়ক সাথে সাথে চেহারায় সন্ধার কালো আকাশ নিয়ে আসে। চোখ দুটোকে জমজ সন্ধাতারা করে আস্তে আস্তে উত্তর দেয় "...কুনো মা-বাপ নাইক্যা। আমি রাস্তার।"
উত্তরের এমন কাঠিন্যের জন্য প্রস্তুত ছিলাম না।
হয়ত ভাল কোন টিভি সাংবাদিক উপস্থিত থাকলে এমন একটা পরিস্থিতি নিয়ে কাঁপা কাঁপা গলায় জমজমাট কমেন্ট করতেন ....
....দেখুন দর্শক ৭ বা ৮ বছরের এই ছোট্র শিশু জনি ...জানে না কে তার মা-বাবা। আমরা তাকে জিজ্ঞেস করতে পারিনি কখনো কি সে মমতা বলে কোন অনুভূতির দেখা পেয়েছে কিনা? ...মা নামের কিছু কি তাকে বুকে জড়িয়ে ধরে বাপধন বলে কপালে চুমে খেয়েছে কিনা? আজ শিশু দিবসে কি আমরা এই শিশুগুলোর কথা মনে রাখব?
....আমরা দুই খোড়া মস্তিস্কের মানুষ আর কথা না বাড়িয়ে ফিরে এসেছিলাম। কিছু বাস্তব আড়ালে থাকাই আমাদের মত সভ্যদের(!) জন্য স্বস্তিদায়ক।
২.
গাবতলি বাসস্ট্যন্ড থেকে আমার নিজের শহরে (হোম টাউন এর ভাল বাংলা কি?) ফেরার বাসে উঠতে হয়। বাসে ওঠার পর থেকে বাস ছাড়ার আগে পর্যন্ত নানা ধরণের বাণিজ্যর মুখোমুখি হতে হয়। রকমারি হকার ...আর ততোধিক রকমারি পণ্য। ...একবার এরকম ইন-হাউস হলিডে মার্কেটে বসে বাস ছাড়ার অপেক্ষায় আছি... তখন হাতে কয়েক রঙের টুথব্রাস নিয়ে এক কিশোরের উপস্থিতি। বেশ ভাল করে সিঁথি কাটা চুল। একহারা গড়ন। লজ্জা লজ্জা ভাব নিয়ে বিভিন্ন সিটের পাশে দাড়িয়ে ক্ষিণ গলায় টুথব্রাস নেওয়ার কথা বলছে। একেবারেই হকারদের প্রফেশনাল চটপটে ভাব নেই।
গায়ে পড়ে কথা বলার মত সামাজিক কোন কালেই ছিলাম না। আমার পাশের সিটে বসে ছিলেন এক ভদ্রলোক। আমাদের সিটের পাশে আসতেই তিনি জিজ্ঞাসা করে বসলেন ... "কিরে মিন মিন করিস কেন, তোকে দেখে তো হকার মনে হয় না। ব্যাপার কি?"
বেচারা টুথব্রাস-বালক পারলে সংকোচে নিজের ভেতর সেধিয়ে যায়। মৃদস্বরে যা বলল ...তার মর্মার্থ হচ্ছে... তার ছোটবেলায় মা মারা যাবার পর থেকেই এতিমখানায় মানুষ। পড়ালেখা শিখছিল ওখানে, কোনমতে দিন কাটছিল। বাবার ২য় বিয়ের পর তার ২য় মায়ের মাথায় এতদিন পর কন্ডোলিৎসা চাল(বাজ) এর মত বুদ্ধি আসে ...এটাকে খাটালে কিছু পয়সা পাওয়া যাবে। তাই এতিমখানা থেকে এনে হকারিতে ঢুকিয়েছে। আজকে ২য় দিন।
গতকাল তার রোজগার দেখে সৎমা কর্পোরেট হুমকি দিয়েছে। আজকে সেলস টার্গেট ফুলফিল না হলে ...বাবার হোটেল বন্ধ।
...আমি কিছু না বলে চুপ করে শুনছিলাম। পাশের ভদ্রলোক এবার ধমক দিয়ে উঠলেন... বাংলাসিনেমার গল্প.... না? ঝেড়ে কাশ। আমি কিছু বলার আগেই... বেচারা কিছু না বলে এক সেকেন্ডের একটা একটা আহত দৃষ্টি দিয়ে সামনে চলে যায়। ...নামটাও জানা হল না।
...আহ দুনিয়া ...বেশ তার মানুষগুলো।
৩.
সন্ধায় ক্লাস বা ল্যাব থাকলে গর্তে ঢোকার আগে চা খেয়ে যাই। যেখানে চা খাই (ভদ্র ভাবে ...পান করি) ...সেই ২ ইট (৩স্টার এর মত, ইটালিয়ানের ২ ইট সমমানের) চাশালায় কামলা খাটে এক পিচ্চি। ওকে কখনো শিশু বা কিশোর ভেবেছি... মনে পড়ে না। ও সব সময়ই পিচ্চি। একটু পরিচিত হয়ে নাম জেনেছিলাম আকবর। ...বাদশা আকবর আমাদের খুব প্রিয় টি-সার্ভার। সবার পছন্দ মনে রেখে ঠিক ঠিক কাপ হাতে দেয়।
বাদশা আকবরের গল্পটা আরো ভয়াবহ। আকবরের বাড়ী ছিল ফরিদপুরের কোন এক চরে। বাবা কৃষক ছিল। আকবর যতদূর মনে করতে পারে বেশ ভালই ছিল তারা। সব হারানোর খেলাটা শুরু করে প্রমত্তা পদ্মা নদী। ...সেই পুরনো গল্প... পদ্মার ভাঙনে কৃষক সর্বশান্ত। ...অতঃপর হতাশ কৃষকের অকাল মরন। পুরো পরিবারের পথে বসা। ...তারপর বিচ্ছিন্নতা। পেটের টানে আকবর ছয় বা সাত বয়েসে ঢাকা আসে। ....তারপর থেকে আকবরের গল্পটা সবার প্রতিদিন বহুবার দেখা সেই বিরক্তিকর গল্প।
গল্প শেষ। এবার কিছু অনুভূতিতে খোঁচানোর চেষ্টা করব।
বেশকিছুদিন আগে প্রথম আলোর শনিবারের সাপ্লিমেন্ট "ছুটির দিনে" একটা পাতা থাকত।
"ঘর নেই" (ঠিক বললাম তো?) ...খুব মনোযোগ দিয়ে পাতাটা পড়তাম। কলেজ জীবণে তখন মনে মনে অনেক স্বপ্ন। পড়তাম আর মনে মনে নোনা জল ফেলে ভাবতাম ...একদিন ...একদিন.. সব পাল্টে দেব। .....কিচ্ছু করি নাই। কিচ্ছু না।
রোজ ভালবাসা খুঁজেফিরি আমরা। একবুক ...কিংবা... এক সাগর, মহাসাগর ভালবাসা নিয়ে অপেক্ষায় থাকি। আফসোসে মনে মনে তড়পাই... কেউ ভালবাসা চাইল না। কেউ কি নেই??
কিংবা বসে বসে দুজনে ফ্রেন্চফ্রাইগুলোকে ভালবাসার সসে মাখিয়ে খাই। রাতভর সেলফোনের নেটওয়ার্কগুলো আমাদের ভালবাসার উপচে পড়া রসে যান্ত্রিক ক্লান্তিতে ভেঙ্গে পড়তে চায়। আজকাল ফ্লেক্সিলোডেও তো ভালবাসা পাঠাই আমরা। ফেব্র্রুয়ারির ১৪ তারিখে তো আমাদের ভালবাসাগুলো উপচে পড়ে চারিদিকে ভাসিয়ে দেয়। পদ্মা নদীটাও মনে হয় জন্মের পর থেকে এত উৎসরণ ঘটায়নি। আহারে.... বুড়ো পৃথিবীটা এত ভালবাসার ভার কেমন করে সহ্য করে??
...এত ভালবাসার ঠিকানা হয়না শুধু আসলেই যারা ভালবাসা খুঁজেফেরে তাদের হৃদয়ের আলিন্দ-নিলয়ের কোন এক গুমরে কাঁদা প্রকোষ্ঠের দিকে।
আমি নিজেও একটা ভন্ড। পেইনকিলার কিনতে গিয়ে পান্থপথের ফুটপাথে কুৎসিত মানুষের ছানাগুলোকে স্র্রেফ একটা পাতলা চটগায়ে শুয়ে থাকতে দেখে আবেগের তোড়ে এই আবর্জনা লিখলাম। ....আজকে রাতের চমৎকার একটা ঘুমের পর এইসব আবেগ কোথায় যে ধুয়েমুছে যাবে ...স্বয়ং ইশ্বরও বলতে পারবেন না।
শুধু নায়ক রুবেল, টুথব্রাশ-বয় বা বাদশা আকবরদের পুরো পৃথিবীর উপর অভিমান ...হয়ত কখনো পরিবর্তন হবে না। ...কারণ ...আমাদের সস্তা ভালবাসাগুলোর শুদ্ধতম এইসব হৃদয় ছোয়ার কোন সাহস... কোনদিনই হবে না।
শিরোনামের আমরা বলতে ...আমরা ভন্ডরা না।
যাদের গল্পগুলো আমার এই আবর্জনায় শোনানোর মত সাহস করেছি ...তারা।
ব্যবহৃত ছবিটি শ্রদ্ধেয় রফিকুন নবীর "টোকাই"
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): আবর্জনা, আব-জাব লেখা ;
সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:৩৯ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: আপনার ব্লগ এর প্রিয় লিস্ট থেকে একদিন লেখাটা পড়েছিলাম। ....কিচ্ছু বলার নেই। ...মানুষতো এমনই হয় তাই না?
....নিজেকে মানুষ বলে মনে হয়না আজকাল।
কঁাকন বলেছেন:
অসাধারন লিখেছেনমনটা একটু বিষন্ন হোলো
কিন্তুজানি আরো কয়েকটা পোষ্ট পড়তে পড়তে বিষন্নতটা হারিয়ে যাবে
ভালো থাকুন
লেখক বলেছেন: কষ্ট করে পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ কঁাকন। ...আপনিও ভাল থাকুন।
লেখক বলেছেন: ....তারপরও অস্বীকার করব না... আমাদের মাঝেও কিছু চমৎকার মানুষ আছে। ...সবসময় হয়ত দেখি না। কিন্তু আছে অবশ্যই।
...হয়ত বেশিরভাগ মানুষগুলোই চমৎকার। ...খারাপটাই তো বেশি করে চোখে পড়ে।
কিছু যদি এদের জন্য করতে পারি, তবে তো সৃস্টিকরতার কাছে জবাবদিহি করতে পারব...
লেখাটি সুন্দর হয়েছে। এভাবে লিখেও কজন আর এদের প্রতি যে আমাদের দায়িত্ব আছে তা মনে করিয়ে দেয়?
লেখক বলেছেন: শিবলী ভাই ...হয়ত একদিন কিছু করত পারব। "...হয়ত" টা মনে হয় নিজের স্বার্থের কথা মনে রেখে বললাম।
লেখক বলেছেন: নিঃসঙ্গ ভাই..... এইবার আমার মত চরম নিলজ্র্জও লজ্জা পেল।
কষ্ট করে পড়েছেন.... সেজন্য অনেক ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: আপনার ব্লগের প্রথম মন্তব্যটি পেয়ে সত্যিই অনেক খুশি হলাম। শুভেচ্ছা নেবেন।
ভাল থাকুন।
নরাধম বলেছেন:
আমিও আরেকজন ভন্ড। পোস্ট প্রিয়তে।
লেখক বলেছেন: নারাধম... অনেক ধন্যবাদ।
....ব্যাপার না, আমরা ভন্ডরাও হয়ত একদিন কিছু করব। ![]()
দারুণ একটা লেখা পড়লাম,যাদের জন্য কেউ লেখেনা তাদের নিয়ে কয়জনই বা লিখতে পারে?
লেখক বলেছেন: আমাদের দেশে লিখে খুব একটা কাজ হয় না ভাই। ...আমরা লিখি, ভুলে যাই, আবার লিখি।
...কিন্তু সত্যিকারের কাজ করে কয়জন?
মনির হাসান বলেছেন:
এই আর কি ... আপনি ক্যামন আছেন .. ?
লেখক বলেছেন:
....খুব ভাল নেই (যথারীতি...)। আশাকরি ভাল আছেন।
এন এইচ আর বলেছেন:
আপনাদের মত ভন্ড লোক আছেন বিধায় ই আমার মত প্রকৃত ভন্ড গুলো বারবার ভন্ডামীর সু্যোগ পাই। তাই ভন্ডামী করেই বলি ভন্ড সমাজ কে নিয়ে আমাদের মত ভন্ড মানুষেদের নিয়ে এরকম লেখা আরও লিখুন। আবার কোন রাতে আপানার পেইন কিলার দরকার হলে নয় সমাজে যে পেইনটা বিদ্যামান তাকে নিয়ে লিখুন ঠিক এভাবে, যে ভাবে আজ লিখলেন।
লেখক বলেছেন: লেখাটা পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ এন এইচ আর। ...আর উৎসাহ দেওয়ার জন্যও।
ভাল থাকবেন।
নিবিড় বলেছেন:
মন থেকে উপলব্ধি করা অথচ এড়িয়ে যাওয়া ,ধাবমান সত্য ফুটে উঠেছে লিখাটায় ।পৃথিবীতে আমরা সবাই অভিনয় করে যাচ্ছি ....কোন এক ঘোরের নেশায় ।
নেশা কেটে গেলে আমাদেরও ছুটতে হয় বাস্তবতা মেনে নিয়ে ।
লিখাটা অসম্ভব ভালো লেগেছে++++
লেখক বলেছেন: নিবিড় ....আপনার কথাগুলো খুবই সত্যি। ....এমনই তো হয়।
আপনার চমৎকার কবিতাগুলোর একজন নিয়মিত ভক্ত বেড়ে গেছে।
শুভেচ্ছা নেবেন।
পারভেজ বলেছেন:
হয়তো কোন একদিন। কতো দেশই তো বদলে গেলো গত ১৫/২০ বছরে; আমাদেরও একদিন দিন বদলের পালা আসবে।এর আগ পর্যন্ত, নিজের অবস্থান থেকে যা করা সম্ভব, সেটাই যেন সবাই চেষ্টা করে। যতটুকুই হোক না কেন।
লেখক বলেছেন: ...ঠিক। আমরা সবাই যেন নিজের অবস্থান থেকে চেষ্টা করি অন্তত একটা জীবণে পরিবর্তন আনার।
ভাল থাকবেন পারভেজ।
সহেলী বলেছেন:
মুগ্ধ হয়ে পড়েছি এতক্ষন ! সত্য অথচ সুন্দরকে বর্ননা করেছেন । শুভেচ্ছা নেবেন ।
লেখক বলেছেন: .... অনেক ধন্যবাদ সহেলী।
আপনিও আমার শুভেচ্ছা নেবেন।
লেখক বলেছেন: আপনার জন্যও ব্যাপক ধইন্যাপাতা ক-খ-গ। ...
নীল আলো বলেছেন:
বাস্তবতা হল আমাদের এই নগর জীবনে আমরা ("সু" নাগরিকেরা ) নিজেদের নিয়ে এত ব্যস্ত থাকি তাই ওদের নিয়ে ভাবা হয়তো হয়না......এক টু পড়েই বুঝে ছিলাম মনটা ভীষণ খারাপ হবে এবং হল...... কিন্তু একটু পর হয়তো এই ক্ষণিক অনুভূতি ভুলেও যাব...আবার ব্যস্ত হয়ে উঠবো নিজ গন্তব্যকে কেন্দ্র করে...
মানুষ খু্বই নিষ্ঠুর...
লেখক বলেছেন: ...আসলে আমরা দেখাতে চাইলে অনেক অজুহাত দেখাতে পারি। আসল কথা হচ্ছে আমরা বেশিরভাগই নিজের স্বার্থের কাছে পরাজিত। ...এটা অস্বাভাবিক কিছু না। এরকমই তো হয়ে আসছে।
তারপরও কিছু মানুষ অন্যরকম হয়। ....আড়ালে থাকা এইসব চমৎকার মানুষগুলোর জন্যই আমরা আশা করতে পারি।
লেখক বলেছেন: কষ্ট করে পড়বার জন্যে অনেক ধন্যবাদ আশরাফ ভাই। ...মিস হয়নি তো ![]()
নিশিব্লগারু বলেছেন:
লেখা পড়েই আমাদের কাজ শেষ।দেশে ফুটানির অভাব নাই!!! আবার ফুটানী পার্ক বানাই আমরা!!!
লেখক বলেছেন: আপনার পোস্টের লেখাগুলো পড়েছি। ...হয়ত ঠিকই বলেছেন।
ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন:
আমি দিন দিন আপনার লেখার মুগ্ধ পাঠক হয়ে যাচ্ছি। শেষের কথাগুলো খুব নাড়া দিল। আর কী বলবো বুঝে পাচ্ছি না...।
লেখক বলেছেন: ছন্নছাড়ার পেন্সিল ভাই... আপনি যে আমার লেখা পড়েছেন, সেটাই আমার জন্য অনেক আনন্দের ব্যাপার।
...অনেক ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন:
...ধন্যবাদ।
জেরী বলেছেন:
সুন্দর লেখা......+++.....।
লেখক বলেছেন:
.... থ্যাংকু জেরী। ...
লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ তাহসিন আহমেদ। ...অনেক ভাল থাকুন।
নীরজন বলেছেন:
আমার কিচ্ছু বলার নাই................শুধু নিজেকে খুব স্বার্থপর মনে হ্ইতেছে।
লেখক বলেছেন: ....আমি নিজেও তো তাই... ...আমরা বেশিরভাগই এরকম।
পড়ার জন্য ধন্যবাদ নীরজন।
ইচ্ছে বলেছেন:
খুব সুন্দর একটি লেখা। ইচ্ছে আছে আমাদের এই স্বার্থপরতার ব্ ত্ত থেকে বেরিয়ে আসব কোন এক দিন।
লেখক বলেছেন: ...আপনার ইচ্ছেটা চমৎকার। ...আমরা সবাই যেন তা পারি।
পড়ার জন্য ধন্যবাদ ইচ্হে।
কালপুরুষ বলেছেন:
চমৎকার লিখেছেন। লেখাটা আগে চোখে পড়েনি। খুব ভাল লাগলো। মন ছুঁয়ে গেল।
লেখক বলেছেন: বাহ... কালপুরুষ... আপনাকে আমার ব্লগে দেখে খুব ভাল লাগল। অনেক ধন্যবাদ কষ্ট করে পড়ার জন্য।
অনেক ভাল থাকুন।
হিমালয়৭৭৭ বলেছেন:
সমস্যা হচ্ছে, 'মর্মস্পর্শী' শব্দটিকে আমি পারতপক্ষে এড়িয়ে চলি, কারণ এটা একটা "কনফিউজিং' শব্দ।সেই কনফিউশন আর ইলিউশনের দ্বন্দ্বে অথবা সন্ধিতে লেখাটা পড়ে ফেললাম। পড়ার পর ছুটির দিনের "ঘর নেই' এর কথা মনে পড়লেও লেখাটি ভালো লেগেছে।।
লেখক বলেছেন: হিমালয়৭৭৭ ...আপনাকেও প্রথমবার আমার ব্লগে পেলাম।
ভাল লাগল। ...বিভিন্ন পোস্টের মন্তব্যে আপনার বিশ্লেষণগুলো ভাল লাগে।
ঘর নেই ...আমার খুব একটা প্রিয় পাতা ছিল। ....
আমার আবজাব টাইপের লেখা পড়া... আর মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ।
দূরন্ত বলেছেন:
লেখাটা দারুন লাগলো। প্রিয় পোস্টে রাখলাম।আসলেই আমরা কতোটুকু মানবিক, এটা চিন্তার বিষয়।
লেখক বলেছেন: দূরন্ত.... অনেক ধন্যবাদ। ...ভাললাগা জানবেন আপনিও।
শুভেচ্ছা... আর ভাল থাকুন।
নীলদ্বীপের স্বপ্নকন্যা বলেছেন:
সত্যি-ই দারুন!!
লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ নীলদ্বীপের স্বপ্নকন্যা। ...অনেকদিন পরে দেখলাম।
লেখক বলেছেন:
...আসলে জীবণটাই এমন। (যদিও এটা খুব বাজে আর পুরানো অজুহাত হয়ে গেল।)
...আবারো আরেকটা পোস্টে আপনাকে পেয়ে ভাল লাগল আকাশনীল। ...ভাল থাকুন।
লেখক বলেছেন: লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ বোহেমিয়ান কথকথা।
ভাল থাকবেন।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ পাপী ০০৭।
সভ্যমানুষ হতে চাইলে কিছু মুখোশ আমাদের অবশ্যই দরকার। তারপরও আমরা মানুষই।
ভাল থাকবেন।
সকাল রয় বলেছেন:
এমন ভালো লিখার পর থেমে গেলেন কেন ?
লেখক বলেছেন: কষ্ট করে পড়ার জন্য ধন্যবাদ সকাল রাত্রী।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...





















Click This Link