আমার প্রিয় পোস্ট

কোন আপডেট নেই।

...অসমাপ্ত দিনের গল্প।

১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:২৩

শেয়ারঃ
0 2 0


১.
অফিস শেষের সময়টা তপুর খুব টেনশনে যায়। কারণ যত ঝামেলার কাজগুলো এই শেষ সময়ে এস ঘাড়ে চাপে। আজকে এরকম কোন ঘটনার জন্য বরাবরের মত দেরি করে বাড়ী ফিরলে সত্যিই খুব ঝামেলায় পড়তে হবে। আজকে একটা বিশেষ দিন। ...কথাটা মনে আসতেই তপুর টেনশনে শক্ত হয়ে আসা চেহারাটা বেশ কোমল হয়ে যায়।

...আহ তিন বছর!! সময়টা কেমন করে যেন খুব হুট করে চলে গেল। এখনও আভা'কে ঠিক বউ বউ মনে হয় না। বরং তিনবছর আগের জীবণের অর্ধেক রহস্যময়ী কোন তরুণীর ছাপটাই প্রবল। আধো রহস্যটুকু মনে হয় সারাজীবণই থাকবে। ...আকর্ষনের রসায়নের খুব জরুরী অনুঘটক হচ্ছে রহস্য।

এইসব আবজাব হাইথটের চিন্তা করতে করতে তপু আইডি-কার্ডটা বের করে এটেনডেন্স রেজিস্টারের স্ক্যানারে সামনে ধরতে যাচ্ছিল। পেছন থেকে অফিস এসিস্ট্যান্ট কবিরের ডাক শুনে হাত কেপে গেল। ঘুরে দাড়াতেই বুঝতে পারল বিপদ উপস্থিত। কারণ কবিরের হাতের ফাইল আর মুখের হাসিই বলে দিচ্ছে কলুর বলদের জন্য খোরাক উপস্থিত।
'তপু ভাই, ফাইলে দরকারি সব আছে। স্যার একটা প্রেজেন্টেশান দাড় করাতে বলেছে। কালকে সকালের মিটিংয়ের জন্য। খুব জরুরী...।'
আজকের জন্য মাফ চাই, জাতীয় কিছু বলার ইচ্ছে ছিল তপুর। কিন্তু সামনের মাসেই সেকশনাল হেডের রিপোর্টের উপর জুনিয়র লেভেল থেকে প্রমোশন আর ইনক্রিমেন্ট নির্ভর করছে ভেবে তেতো মুখে বাধ্য হয়ে ফাইলটা হাতে নিয়ে ডেস্কের দিকে এগুতে হল।

২.
'রাত দশটার সময় বাসস্ট্যান্ডে যারা দাড়ায় ...বুঝতে হবে তাদের সময় খারাপ যাচ্ছে, অথবা তারা কোন কনসেনট্রেশন ক্যাম্প টাইপের অফিসে স্যাডিস্ট বসের আন্ডারে কাজ করে।' ...গুলশান ২ এর আধো অন্ধকারাচ্ছন্ন আর প্রায় ফাকা বাসস্টপে দাড়িয়ে প্রায় চিবিয়ে চিবিয়ে নিজের মনে কথাগুলো বলল তপু। অনেক আগেই ভাল বাসগুলোর লাস্ট ট্রিপ চলে গেছে। এখন ফিরতে হবে মুড়ির টিন মার্কা কোন বাসে সহযাত্রির ঘামের আর সস্তা সিগারেটের কটু ঘন্ধের সাথে আধপোড়া পেট্রোলের তীব্র গন্ধের সুবাস মেখে।

ইচ্ছে ছিল বিকালে অফিস থেকে বের হয়ে আভার জন্য আলাদা করে রাখা টাকা দিয়ে কিছু কিনতে। আভার পছন্দের জিনিস একটাই ...চকোলেট। কিন্তু সব গড়বড় হয়ে গেল। এখন ফিরতে হবে তৃতীয় বিবাহ বার্ষিকীর উপহার ..ফাকা হাত আর ক্লান্ত শরীর নিয়ে।

৩.
বিকেল থেকেই আভা তাদের চিলেকোঠার ওপরের তিন কামরার ছোট্র বাসাটা যতটুকু সম্ভব সুন্দর করে সাজাবার চেষ্টা করছে। সাজাবার মত খুব বেশি কিছু হয়ত এই তিন বছরে তারা ঘরে আনতে পারেনি। কিন্তু যেটুকু আছে ...তার প্রতিটির সাথেই জড়িয়ে আছে অসম্ভব ভাল লাগার স্মৃতি। খুব বড় কিংবা দামী কিছু না হলেও প্রতিটা জিনিসের পেছনে একটা করে গল্প আছে। তাই গোছাতে গোছাতে আভা বার বার নস্টালজিক হয়ে পড়ছিল। গোছানো আর রান্না শেষ করে সাতটা সাড়ে সাতটা বাজতেই নিজেকে গুছিয়ে নিয়ে তার অপেক্ষা শুরু হয়।
বিয়ের পরেই আভাও একটা চাকরি শুরু করেছিল। এনজিওর চাকরি... তাই বেশ ছোটাছুটি ছিল। কিন্তু নিজের মাঝে আরেক জনের উপস্থিতির কথা জানার কিছুদিন পরেই চাকরি ছেড়ে দেয়। এখন প্রায় প্রতিদিনই আভা তপুর জন্য অপেক্ষায় থাকে ...কিন্তু আজকের অপেক্ষাটা অন্যকম হওয়াই স্বাভাবিক। বার বার মনে পড়ে যাচ্ছিল ইউনিভার্সিটি জীবণের অপেক্ষার কথা। ...অপেক্ষার সময়টুকু সব সময় বিরক্তিকর হলেও প্রিয় মানুষের জন্য অনন্তকাল আগ্রহ নিয়ে অপেক্ষা করা যায়। যেমন এখন আভার খুব প্রিয় অপেক্ষা তার ছোট্ট রাজকণ্যার জন্য, আর সন্ধায় তপুর ঘরে ফেরার জন্য।

ভাবতে ভাবতে সামনে বিসিএসের ঢাউস বইটার উপর আভা তন্দ্রাচ্ছন্ন হয়ে গিয়েছিল। ছাদের পানির ট্যাঙ্ক ভরে পানি উপচে পড়ার শব্দে চোখ খুলে যায়। ...ঘড়িতে এগারোটা পনের বাজে।
সম্ভবত মন খারাপ হওয়া দরকার ...কিন্তু তপুর উপর মনে হয় কোনদিনও সে রাগ করতে পারবে না। চোখে-মুখে পানির ঝাপটা দিয়ে আভা দরজা খুলে ছাদে বের হয়ে আসে।
চারপাশের আলোর জন্য ফিকে অন্ধকারেও আকাশটা কালো লাগছে। সম্ভবত মেঘের জন্য। পেটের উপর হাত রেখে আভা তার মেয়ের সাথে কথা বলে ওঠে ... 'আজকে আমরা দুজনেই তোমর বাবাকে একসাথে বকা দেব ...ঠিকাছে মা? ...আহারে বেচারাকে আজকে মনে হয় বৃষ্টিতে ভিজে ফিরতে হবে।' ...

৪.
মুমূর্ষ হয়ে যাওয়া গোলাপদুটো আর একটা গোলাপি হাওয়াই মিঠাইয়ের কাঠি ধরে বাসের মানুষের ভিড় বাচিয়ে তপু কোনমতে রড ধরে দাড়ায়। ভেতরের ভ্যাপসা গরমে দম বন্ধ হয়ে আসতে চায়। বাসের দোলনির সাথে সাথে পাশের মানুষর কপাল বেয়ে পড়া ঘামে তপুর শার্টের একপাশে ফোটা ফোটা ভেজা ভেজা দাগ পড়ে। তারপরও সে সব কিছু বাচিয়ে গোলাপদুটো সাবধানে রাখে।
...নেতিয়ে যাওয়া প্রায় শুকনো ফুল দুটোর দিকে তাকিয়ে মনটা খুব ছোট হয়ে আসে তপুর। বাসস্টপের পাশে প্লাস্টিকের বালতি হাতে পিচ্চিটার কাছে শুধু এইদুটো ফুলই অবশিষ্ট ছিল। আর চকোলেটের সব দোকান আটটার পরেই বন্ধ হয়ে গেছে।
...ষোলোকলা পূর্ণ করতেই বড় বড় ফোটায় বৃষ্টিও আরম্ভ হয়ে গেল।

৫.
মোহাম্মদপুরের রিং রোডে যখন তপু নামল তখন প্রায় সাড়ে এগারোটা বাজে। আর বৃষ্টির বেগ ঝির-ঝিরে। ভিজতে ভিজতে আদাবরের ভেতরের রাস্তা দিয়ে লঘুপায়ে এগোয় সে। আর মাত্র কিছুক্ষণ পরেই ৫ জুলাই শেষ। বৃষ্টির ভেতরে মানুষ সাধারণত দ্রুত চলতে চায়। কিন্তু তপুর ক্লান্ত পা যতটা না শারীরিক ক্লান্তিতে শ্লথ তারথেকেও বেশি আভার কথা ভেবে।

বাসার সামনে এসে তপু গোলাপ দুটোর দিকে তাকায় ...বৃষ্টির পানি পথে দেরি করিয়ে দিলেও গোলাপ দুটোতে প্রাণ ফিরিয়ে দিয়েছে। অবশ্য পলিথিনে মোড়ানো হাওয়াই মিঠাইয়ের কোন পরিবর্তন হয়নি।
গেটে ধাক্কা দিয়ে শব্দ করে বাড়ীওয়ালার কেয়ারটেকারের গেট খোলার অপেক্ষায় বাইরে দাড়িয়ে ভিজতে থাকে তপু। ঝাপসা চোখে উপরে তাকিয়ে তাদের চিলেকোঠার দিকে তাকায়। বৃষ্টি আর অন্ধকারের মাঝেও তাদের জানালার কাচ ভেদ করে আসা আলোটুকুর উষ্নতায় তপুর ভেতরের স্যাতসেতে ভাব কেটে যেতে থাকে।

৬.
আর এক মিনিট আছে ৫ জুলাই শেষ হয়ে ৬ তারিখ আরম্ভ হবার। মিস না করার আনন্দে আমি খুব আগ্রহের সাথে আমাদের বাসার দরজায় নক করে অপেক্ষায় আছি। ...দরজার দিকে এগিয়ে আসা আভার স্যান্ডেলের আওয়াজ পাচ্ছি...। এইসব অপেক্ষার নামইতো জীবণ।

মানুষ অনেক কিছু জমায়। কেউ তার স্মৃতি জমায়, কেউ পছন্দের জিনিস, বেশির ভাগই সম্পদ জমায়। ব্যাংকে টাকা বা সিন্দুকে মনি, মুক্তো...। আমাদের আপাতত ভালবাসা আর ভালবাসার মানুষগুলো ছাড়া আর কোন সম্পদ নেই। ...তাই চড়ুই পাখির বাসার মত এই চার দেয়ালের ভেতরে ...আমরা ভালবাসা জমাই।


...আমার খুব প্রিয় দুইজন মানুষের জীবণের আরম্ভটা এরকম ছিল। আমি শুধু অনুভূতিগুলো তাদের মুখে শুনেছিলাম। ...এখন পর্যন্ত আমার দেখা সেরা সুখি কাপল তারা । জমাবার মত সবকিছু ...প্রয়োজনের অনেক বেশি থাকার পরও তারা এখনও ভালবাসা জমায়। ...আর তাদের প্রথম রাজকণ্যা জন্মের সময়ই পৃথিবী ছেড়ে গিয়েছিল। এই গল্পের শিরোনাম আমার নিজেরই পছন্দ হচ্ছে না....

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): আবর্জনা গল্পনিয়মিত আব-জাব ;
সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:১৮ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:৫১
অপ্‌সরা বলেছেন: নাহ খুব সুন্দর হয়েছে গল্পটাও শিরোনামটাও।
১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:০২

লেখক বলেছেন: :) ...ভাল লাগল দেখে খুশি হলাম।

সন্ধার পর থেকে আজকে কোন কাজ নেই। তাই বসে বসে এই লম্বা যাচ্ছেতাই আব-জাব লিখলাম।

আপনাকে খুব কম ব্লগে দেখি যে...

২. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:০৮
নাফে মোহাম্মদ এনাম বলেছেন: গদ্যলেখকদের আমার পছন্দ, তাই প্লাস।
১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:১২

লেখক বলেছেন: না পড়েই !! পড়লে প্লাস এর থেকে বেশি ভাল লাগত। :)

৩. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:৫৬
ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন: শেষপর্যন্ত এসে ইটালিক হরফের লাইনগুলো থমকে দিল আমাকে! গল্পটা গল্প হিসেবে বিচার না করে জীবনের কাহিনী হিসেবে ধরতেই ভাল লাগছে! দারুণ জীবন, অনেক প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তি মিশে থাকুক স্মৃতির পৃষ্ঠায়...
১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:১৪

লেখক বলেছেন: গল্পের থেকেও জীবনের কাহিনীটা অনেক সুন্দর। কারন... আমি সারাজীবণ চেষ্টা করলেও জীবণের সত্যিকারের রংটুকু লেখায় দেখাতে পারব না। স্বল্প মেধায় সম্ভবনা না।

আর এখানে যা লিখেছি ...সেটা শুধুই সত্যিকারের গল্পটা আমার মত করে (জঘণ্য) কল্পনা।

লম্বা আব-জাবটা পড়েছেন ...অনেক আনন্দ পেলাম। :)

৪. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৪৭
নীল আলো বলেছেন: .....ভাল লাগলো...... যদিও রেগে না যাওয়াটা মাঝে মাঝে একটু কঠিন হয়ে যায়...... কিন্তু ভালবাসা জমানোটা দারুণ ব্যাপার......... ++ সুন্দর লিখেছেন।।



১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:০৯

লেখক বলেছেন: পড়া এবং মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ নীল আলো।

...মাঝে মাঝে কঠিন হলে ঠিকাছে। :) ...নিয়মিত ঝাড়ির উপর থাকা সবাই ... বেচারা। :(

৫. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৩৯
পারভেজ বলেছেন: খুব ভালো লাগলো।
স্বপ্নমাখা একটা সত্যিকারের জগত।
ভালো থাকুক; শুভকামনা তাদের জন্য।
কষ্ট লাগছে যে চলে গেছে তার কথা ভেবে।
১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৪৯

লেখক বলেছেন: ...ধন্যবাদ পারভেজ ভাই।

আমার কাছে তো মাঝে মাঝে স্বপ্নগুলোকেই সত্যিকার জগত মনে হয়। :(

৬. ১৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৩১
আকাশচুরি বলেছেন: খুব ঝরঝরে লেখা, ভালো লাগে পড়তে :)
১৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৪২

লেখক বলেছেন: :) ধন্যবাদ।

৭. ১৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৪৪
শিবলী বলেছেন: মনটা ভাল নাই
তবুও এটা পড়ে কিছু ভাল লাগা পেলাম

ঐ কাপল দের জন্য শুভকামনা।

সাথে তোমারও সুন্দর জীবন হোক এই প্রত্যাশা...
১৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:০৫

লেখক বলেছেন: আপনার জন্যও শুভকামনা শিবলী ভাই।

....আশাকরি সব ঝামেলা দুর হয়ে যাবে।

৮. ১৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:১৭
শিবলী বলেছেন: আর বইল না পাসপোর্ট এ আমার পেশায় লিখছে
ENJINEER!!!!!!!!!!

এই হইল দেশের অবস্থা!!! ৪ দিনে যেই পাসপোর্ট দেবার কথা সেটা দিছে ১৫ দিনে, তাও এই ভুল!!!!
কাল আবার যাব পাসপোর্ট অফিসে, দেখি কিছু করা যায় কিনা!! দালাল ছাড়া কিছুই হয় না :(

মেসেন্জারে আসো না কেন?
৯. ১৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:২২
...অসমাপ্ত বলেছেন: :| :| ....হাতে লেখা কবে যে বাদ দেবে এরা...। আজব!!

ইয়াহু মেসেন্জার আসলে খুব বেশি ব্যবহার করা হয় না। জিটকটাই ওপেন থাকে সব সময়।
১০. ১৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:৫৭
শিবলী বলেছেন: লোকজন কৈ??
পোস্ট কম পাঠক পড়লে লেখক রা লিখতে আগ্রহ পাবে কই থেকে????

:(
১৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:২৪

লেখক বলেছেন: (খ্যাক খ্যাক হাসির ইমো) ....লম্বা লেখা দেখলে আমি নিজেই কুইট করি।

১১. ১৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৪:১২
জটিল বলেছেন: বাহ সুন্দর জীবন
১৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:৫৩

লেখক বলেছেন: ...ধন্যবাদ জটিল।

১২. ১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৫:১০
মিলটনরহমান বলেছেন: প্রেমজ-----------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------

ভালো থাকুন
১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২৬

লেখক বলেছেন: হুমম... :)

আপনিও ভাল থাকুন।

১৩. ১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:২৮
আরিয়ানা বলেছেন: Kub val laglo. bangla type ashcena.
১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৪৩

লেখক বলেছেন: ...পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ আরিয়ানা।

১৪. ২১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৩০
কখনো মেঘ, কখনো বৃষ্টি বলেছেন: অনেক সুন্দর গুছানো লেখা। খুব ভালো লাগলো।
২১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:১৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ "কখনো মেঘ, কখনো বৃষ্টি" ....অনেক ভাল থাকুন।

১৫. ২১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৩:৩৫
তালপাতার সেপাই বলেছেন: ভাল +++++++++++
নিজে নিজের মাঝে লুকিয়ে রাখার বাসনা রাখুন , ভাল
২২ শে জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৩:৪২

লেখক বলেছেন: বলেছেন: :) ...ধন্যবাদ। ...কথাটা বুঝলাম না।

২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৬:৪৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ রেজওয়ান শুভ। ...ভাল থাকুন।

১৭. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৫:৫৮
আশরাফ মাহমুদ বলেছেন: ছবিটা আশ্চর্য সুন্দর। লেখাটি আশ্চর্য ভাললাগার।

শিরোনাম এভাবেই থাকুক। ভালবাসার সমাপ্তি নেই।
২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৬:৫১

লেখক বলেছেন: আপনি পড়েছেন দেখে খুব ভাল লাগল আশরাফ ভাই। ...অনেক ভাল থাকুন।

১৮. ২৬ শে জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:২৬
শিবলী বলেছেন: ভালবাসার সমাপ্তি নেই

একাটা শেষাইলে আরেকটা ;)
৩১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:১০

লেখক বলেছেন: কমেন্ট সন্দেহজনক... :)

...মালুম হইতাছে আপনি "আরেকটা" ফেজ এ আসলেন ;)....

১৯. ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:০৭
একরামুল হক শামীম বলেছেন: অনেকদিন হলো আপনার কোন লেখা নাই। ব্যাপার কি?
কেমন আছেন?
০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:৩৪

লেখক বলেছেন: ...নতুন সেমেস্টারের প্রাথমিক ধাক্কা সামলে এখনো সোজা হতে পারিনি। :)
...যেটুকু সময় থাকে ...সেটুকু আপনাদের চমৎকার লেখা পড়ে কাটিয়ে দেই।

...ভাল আছি ... আশাকরি ভাল আছেন?

২০. ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:২০
একরামুল হক শামীম বলেছেন: প্রিয়তে নিলাম লেখাটা।
০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:০৫

লেখক বলেছেন: :) আমার আবজাব লেখার জন্য অনেক বড় পাওয়া...

আপনার যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করার আইনটির অনুবাদ নিয়ে একজনকে জবাব দেয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছি।

২১. ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:১৭
একরামুল হক শামীম বলেছেন: আমি ভালো আছি।
যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের আইনগত বিশ্লেষণ নিয়ে আমার আরো কিছু পোস্ট আছে। সেগুলো দেখতে পারেন।
আপনার নতুন লেখার অপেক্ষায় থাকলাম।
২২. ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৩৪
তাহসিন আহমেদ বলেছেন: অনেক সুন্দর গুছানো লেখা।+
০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৪৬

লেখক বলেছেন: আবারো অনেক ধন্যবাদ। ....সময় করে আমার আবজাব লেখা পড়েছেন দেখে ভাল লাগল।

২৩. ০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:০২
ছায়া পথিক বলেছেন: অনেকদিন পর ভালোবাসার সুন্দর সমীকরনের ছায়া দেখলাম আপনার লেখায়।
++++++.
০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫৬

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য আর মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ ছায়া পথিক।

২৪. ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:০৯
নিবিড় বলেছেন: নির্মল ভালবাসার কথা আর অনুভবগুলি খুব ছুঁয়ে গেল.......
টাকা পয়সা জমানো আর ভালবাসা জমানো টা খুব ভাবালো ।আসলেই সব শেষ হয়ে যায় কিন্তু ছোট ছোট দিন গুলিকে বড় বড় ভালবাসার ফ্রেমে আটকে রাখতে পারলে জীবনটা কতই না সুন্দর লাগে...
লিখাটা চমৎকার ....ইটালিক অক্ষরে লিখাগুলো গেঁথে গেল মনে ,উনাদের জন্য শুভকামনা
০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:৫১

লেখক বলেছেন: অনেক দিন পরে ব্লগে দেখলাম মনে হচ্ছে.... :)

ব্যস্ততাগুলো নিয়েই অনেক ভাল থাকুন নিবিড়...

২৫. ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৭:৩৬
আশরাফ মাহমুদ বলেছেন: এক লেখাতেই সমাপ্ত হয়ে যাবেন না। আপনার নামে বিশ্বাস রাখি- অসমাপ্ত।
০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:০৩

লেখক বলেছেন: :) ....আশরাফ ভাই... ব্যস্ততার অজুহাত দেখাতে পারব... কিন্তু আসল কারণ আলসেমি ...

২৬. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৬:০৮
কঁাকন বলেছেন: ভালো লাগলো
মন ছুয়ে বিষন্ন করে দিলো
ভালো থাকুন
০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:৪০

লেখক বলেছেন: ...পড়ার জন্য ধন্যবাদ কঁাকন। ...আপনিও অনেক ভাল থাকুন...।

২৭. ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:২৯
চানাচুর বলেছেন: অনেক ভাল লিখেছেন। পড়তে একঘেয়েমি লাগে নি।:)
০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:৪৫

লেখক বলেছেন: :) ...অনেক ধন্যবাদ চানাচুর। ভাল থাকুন।

২৮. ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:৫৭
জেরী বলেছেন: লেখাটা ভালো লেগেছে.........
০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:৫৭

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য থ্যাংকু জেরী... :)

ভাল থাকবেন...

২৯. ১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:০৫
নীল আলো বলেছেন: বাসন্তী শুভেচ্ছা রইলো...:)
১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:৫১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ নীল আলো... আপনিও শুভেচ্ছা নেবেন।

৩০. ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ রাত ১১:১৮
অচিন রুপকথা বলেছেন: আমাদের আপাতত ভালবাসা আর ভালবাসার মানুষগুলো ছাড়া আর কোন সম্পদ নেই। ...তাই চড়ুই পাখির বাসার মত এই চার দেয়ালের ভেতরে ...আমরা ভালবাসা জমাই।

এই ভালোবাসা যাতে কখনো না ফুরোয়।।

অদ্ভুত সুন্দর লেখাটা। অনেক অনেক ভালো লাগলো। +++
১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ রাত ৯:৪৭

লেখক বলেছেন: আবারো অনেক ধন্যবাদ অচিন রুপকথা!!!
ভাল থাকবেন।

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৭৬৮ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
ঘর থেকে অনেক দূরে... এলোমেলো, অগোছালো, বোকাসোকা একজন সাধারণ মানুষ... সাথে অনেক অসমাপ্ত স্বপ্ন।

blank.copotron@gmail.com
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই