somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

জাপানে জন্ম সুবিধা (Birth Allowance)

১৩ ই জুলাই, ২০১০ সকাল ১০:১৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

জাপানে কোন গর্ভবতী মা বা তার স্বামী Health Insurance বা National Health Insurance এর তালিকাভূক্ত হলে প্রতি সন্তানের জন্য Birth Allowance হিসেবে তিন লাখ ইয়েন পেয়ে থাকে। হাসপাতাল ত্যাগ করার এক মাসের মধ্যে এই টাকা সংশ্লিষ্ট হিসাবে জমা হয়ে যায়। যমজ সন্তানের বেলায় এর পরিমাণ দ্বিগুণ। অপারেশান এর মাধ্যমে সন্তান ভূমিষ্ট হলে অতিরিক্ত তিন লাখ ইয়েন পায়। সন্তান মারা গেলে, মিসক্যারেজ হলে অথবা Pre-matured ডেলেভারী হলে আরও তিন লাখ ইয়েন দেয়া হয় যদি সন্তানটি ৮৫ দিন কিংবা ১৩ সপ্তাহ মায়ের গর্ভে থাকে।
হাসপাতাল থেকে চলে আসার পর যদি শিশুকে ঘন ঘন হাসপাতালে ভর্তি করাতে হয় তবে সেজন্য আলাদা আর্থিক সুবিধা প্রদানের ব্যবস্থা আছে। এজন্য সিটি কর্পোরেশনের Medical Treatment Aid Fund Section এ নির্দিষ্ট ফরমে আবেদন করতে হয়।

কর্মজীবি মায়েদের জন্য সুবিধা

কর্মজীবি মায়েদের সন্তান পালনের জন্য রয়েছে Child Care Leave। যারা সন্তান পালনের জন্য এই ছুটি নেয় অথবা চাকুরী ছেড়ে দেয় তারা Child Birth Allowance এর সুবিধা পেয়ে থাকে। চাকরী ছেড়ে গেলে ছাড়ার ছয় মাসের মধ্যে এই আর্থিক সুবিধা মায়ের হাতে পৌঁছে যায়। এক্ষেত্রে সেই মাকে অবশ্যই এক বছরের অধিক সময় ধরে National Health Insurance বা Social Insuranceএর তালিকাভূক্ত হতে হয়। ছুটির এক্ষেত্রে ছুটি শুরুর দিন থেকে দুই বছরের মধ্যে মাকে তার অফিসের নির্দিষ্ট ফরমে দরখাস্ত করতে হয়।
জাপানে কর্মজীবি মায়েরা মোট ৯৮ দিন Child Care Leave ভোগ করতে পারে। এর মধ্যে সন্তান জন্মাবার আগে ৮২ দিন এবং পরে ৫৬ দিন। ছুটিকালীন সময়ে তারা যে দৈনিক ভাতা পায় সেটার হিসাব হলো ৩০X০.৬ X৯৮ (দিন)।

শিশু সুবিধা (Children Allowance)
জাপানী ভাষায় একে বলা হয় Jido Teate।


জাপানের শিশুরা স্কুলে যাবার আগ পর্যন্ত এই সুবিধা পেয়ে থাকে। একটি পরিবারের সন্তান সংখ্যার উপর নির্ভর করে এর পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়। এক্ষেত্রে সেই শিশুর পিতার আয় সাধারণ আয় সীমার নীচে হতে হবে এবং সেই পিতাকে প্রতি বছর তার আয়ের হিসেব কর্তৃপরে নিকট জমা দিতে হবে। শিশু সুবিধা লাভের জন্য সেই পিতার নিজ থেকে কিছু করতে হয় না। পিতার আয়ের হিসাব পর্যালোচনা করে সরকার থেকেই এটা নির্ধারণ করে দেয়া হয়। সাধারণত এই সুবিধার পরিমাণ হলো
১ম সন্তানের জন্য ৫০০০ ইয়েন।
২য় সন্তানের জন্য ৫০০০ ইয়ে।
৩য় এবং পরবর্তী সব সন্তানের জন্য ১০০০০ ইয়েন করে। উল্লেখ্য যে জাপানে ছয় বছর বয়স পর্যন্ত শিশুদের বাসে বা ট্রেনে কোন ভাড়া লাগে না।
সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই জুলাই, ২০১০ বিকাল ৩:৪৫
৬টি মন্তব্য ৬টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

শিক্ষা খাতে শুরু হয়েছে তারেক রহমান ম্যাজিক

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১১:২৯


রাজনীতির মাঠে ক্ষমতার হাতবদল যেমনই হোক না কেন, সাধারণ মানুষের আসল নজর থাকে জীবনের মৌলিক জায়গাগুলোতে। আর একটি দেশের ভবিষ্যৎ বদলে দেওয়ার সবচেয়ে বড় হাতিয়ার হলো শিক্ষা ব্যবস্থা।... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা এমন কেন?

লিখেছেন তাই-ফি, ০৯ ই জুন, ২০২৬ রাত ৩:৪৪

একটা গল্প দিয়ে শুরু করা যাক।

শেষ বিচারের পর নরকে শাস্তি ভোগ করছে পাপীরা। বিশাল বিশাল তেলের ড্রামে তাদের একবার ডুবিয়ে আবার ভাসিয়ে তোলা হচ্ছে। প্রতিটি ড্রামের সামনে একজন করে পাহারাদার... ...বাকিটুকু পড়ুন

পাহাড়ে চড়া আর মাউন্টেনিয়ারিং: এক নয়

লিখেছেন মুনতাসির, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮




আজকাল পাহাড়ে ওঠা অনেক সহজ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই দেখা যায় কেউ না কেউ কোনো পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। ট্রেইল ধরে হেঁটে, কখনো দড়ি ধরে, কখনো গাইডের সাহায্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের গ্রামের গল্প!

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৩



আমাগো গ্রাম আপনারা সবাই চিনেন।
মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। শ্রীনগর থানা। খুবই প্রাচীন অঞ্চল। অবশ্য এখন গ্রাম বদলে গেছে! ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল হয়েছে, বিউটি পার্লার, কমিউনিটি সেন্টার, শপিংমল, ফাস্টফুডের দোকান হয়েছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×