বিষয়টা মোটেও ভালো ঠেকছে না। না ঠেকারই কথা। সরকার বিরোধী দলের সাথে মুখোমুখি অবস্থানে যাবে, পাল্টাপাল্টি কর্মসূচী দিবে এমনটা কেউই আশা করে না। এরপরও এমনটা হচ্ছে। দেশের অস্থির রাজনীতিকে আরও টালটলায়মান করে তোলা হচ্ছে। এজন্য আমি মনে করি সরকার এবং বিরোধী দল উভয়ই সমানভাবে দায়ী।
পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী আজ ২৯ জানুয়ারী সারাদেশে বিএনপি এর গণমিছিলের কর্মসূচী ছিল। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কি বুঝে এই দিনই ঢাকায় জনসভার কর্মসূচী দিল সেটা বোধগম্য নয়।
আবার অনাকাংখিত পরিস্থিতির আশংকায় পুলিশ আজ সারাদেশে সভা-সমাবেশ-মিছিল নিষিদ্ধ করে ১৪৪ ধারা জারি করেছে। বিএনপি এর গণমিছিল কর্মসূচীকে পন্ড করার জন্যই কি সরকার আওয়ামী লীগের জনসভা ডেকে পুলিশকে দিয়ে ১৪৪ ধারা জারি করিয়েছে ? এই ব্যাপারটাও কেমন যেন রহস্য রহস্য লাগছে।
আবার বিএনপি ঢাকায় তাদের গণমিছিলের কর্মসূচী পিছিয়ে আগামীকাল নিয়েছে। এদিকে আওয়ামী লীগও তাদের জনসভার তারিখ পরিবর্তন করে আগামী কাল বিকাল দিয়েছে। এই ব্যাপারটাও বোধগম্য নয়।
তবে সারাদেশে বিএনপি এর আজকের গণমিছিলের কর্মসূচী পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী পালিত হয়েছে। এই কর্মসূচী পালন করতে গিয়ে ফেনীতে পুলিশের গুলিতে ৩ জন নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে আরও অনেক।
সবকিছু মিলিয়ে বিরোধী দলের সাথে সরকারের মুখোমুখি অবস্থানে চলে আসার একটা ইংগিত পাওয়া যাচ্ছে। যা দেশ ও জনগণের জন্য মোটেও হিতকর নয়। বিরোধী দল যা-ই কর্মসূচী ঘোষণা করুক না কেন সরকারের কাছ থেকে আমরা সব সময় সহিষ্ণু আচরণ আশা করি। কিন্তু ইদানীং সরকারের আচরণগুলো কেমন যেন বেসামাল হয়ে উঠছে। এমনটা দেশের গণতন্ত্রের ভবিষ্যত এর জন্য মোটেও সুখবর নয়।
আমরা সরকার ও বিরোধী দল--উভয়ের কাছ থেকে সহিষ্ণু ও গণতান্ত্রিক আচরণ আশা করছি।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


