somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

রাজনীতিতে স্বাগতম ড. ইউনুস।

১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ২:১৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

মিশরের হোসনি মোবারকের পতনের পর নোবেল বিজয়ী মোহাম্মদ আল বারাদেই' র দৃশ্যপটে চলে আসা, এবং মোবারক বিরোধী বিক্ষোভ চলাকালে তাতে নোবেল বিজয়ীর নেতৃত্ব দেয়া আমাদের বর্তমান সরকারের মনে ভীতির জম্ম দিয়েছে। সরকার মনে করছে জনবিক্ষোভে আল বারাদেই যেভাবে তুষের আগুনে ঘি দিয়েছেন,তেমনি ড. ইউনুস ও তেমন কাজ করতে পারেন। সাবেক প্রেসিডেন্টের এক উপদ্রেস্টার তথ্যমতে -মঈন উ আহমেদ সরকারের সময় আমাদের এ নোবেল বিজয়ী কে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা করার প্রস্তাব দেয়া হয়েছিল।কিন্তু তিনি বিনয়ের সাথে তা নিতে অপারগতা প্রকাশ করেছেন। আমাদের নোবেল বিজয়ী ড. ইউনুসকে নিয়ে শুরু হয়েছে নতুন এক সম্ভাবনা। ড. ইউনুস তিনি কোন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব নন। একবার রাজনৈতিক দল করার ঘোষণা দিয়ে আশানুরূপ সাড়া না পেয়ে তিনি আবার রাজনীতি বিমুখ। রাজনৈতিক দল আশানুরূপ সাড়া না পাওয়ার পরে তিনি একটি সাংবাদিক সম্মেলনে, জনৈক সাংবাদিকের ''আবার রাজনীতিতে আসবেন কিনা?'' প্রশ্নের জবাবে বলেছিলেন- ন্যাড়া একবারই বেলতলায় যায়।

ড. ইউনুসকে নিয়ে সরকারের সাম্প্রতিক বাড়াবাড়ি ,তাকে রাজনীতিতে সাদর আমন্ত্রণ কিনা তা এখনো ভাবনার বিষয়। যেমন:- শান্তিতে নোবেল জয়ী অর্থনীতিবিদ ও ক্ষুদ্রঋণের প্রবক্তা মুহাম্মদ ইউনূসকে গ্রামীণ ব্যাংকের প্রধানের পদ থেকে অবসর নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে সরকার।
অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বিবিসিকে বলেছেন, বেসরকারি ব্যাংকের নির্বাহী প্রধান হিসেবে অধ্যাপক ইউনূস তাঁর অবসরের স্বাভাবিক বয়ঃসীমা পেরিয়ে গেছেন। অর্থমন্ত্রী বিবিসিকে বলেন, বাংলাদেশের আইনে কোনো বেসরকারি ব্যাংকের নির্বাহীর অবসরের বয়স ৬৫ বছর পর্যন্ত নির্ধারিত আছে। অধ্যাপক ইউনূস পাঁচ বছর আগে তাঁর সেই বয়স পেরিয়ে গেছেন। অর্থমন্ত্রী অধ্যাপক ইউনূসের উদ্দেশে বলেন, ‘তাঁর উচিত এটা পরিচালনার দায়িত্ব অন্যকে দিয়ে দেওয়া। কেননা, কেউ কখনো কোনো প্রতিষ্ঠানে সব সময় থাকতে পারেন না।’তবে বাংলাদেশে অনেক বছর ধরেই অবসর আইন প্রয়োগ করা হয় না বলেও অর্থমন্ত্রী স্বীকার করেন।
গত বছর নরওয়ের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে গ্রামীণ ব্যাংক নিয়ে একটি তথ্যচিত্র প্রচারের পর প্রতিষ্ঠানটি আলোচনায় আসে। ওই তথ্যচিত্রে অভিযোগ করা হয়, অধ্যাপক ইউনূস ১৯৯০ সালের মাঝামাঝি সময়ে সাহায্যের অর্থ অবৈধভাবে গ্রামীণ ব্যাংকের অন্য প্রকল্পে স্থানান্তর করেছেন। তবে গ্রামীণ ব্যাংক এই অভিযোগ অস্বীকার করে।পরে নরওয়ে সরকার এক বিবৃতিতে জানায়, বিষয়টি আগেই মীমাংসা হয়ে গেছে। এর পরও বাংলাদেশ সরকার গত মাসে গ্রামীণ ব্যাংকের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ তদন্তে একটি মূল্যায়ন কমিটি গঠন করে। এদিকে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের বক্তব্যের ব্যাপারে কোনো মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন অধ্যাপক ইউনূস।

অর্থমন্ত্রী বিবিসিকে বলেন, অধ্যাপক ইউনূসের ব্যাপারে সরকারের এই পদক্ষেপ মোটেও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত নয়। তিনি বলেন, ‘এখানে ড. ইউনূস ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মধ্যে বিরোধের কোনো প্রশ্ন নেই। এটা পুরোপুরি বাজে কথা।’
মুহাম্মদ ইউনূস প্রায় তিন দশক আগে বাংলাদেশের গরিব জনগোষ্ঠীর মধ্যে ক্ষুদ্রঋণ প্রদানের উদ্দেশ্যে গ্রামীণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করেন। সম্প্রতি ব্যাংকটির বিভিন্ন কার্যক্রম নিয়ে বিতর্ক ওঠে। ঢাকার একটি জাতীয় দৈনিকের খবর এটি।

নরওয়ের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে গ্রামীণ ব্যাংক নিয়ে একটি তথ্যচিত্র প্রচারের পর ঢাকায় এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছিলেন, সরকারের কর ফাঁকি দেয়ার উদ্দেশ্যে কিছু কৌশল নেয়ার চেষ্টা করতে গিয়েই এই ঘটনা যা তদন্ত হওয়া উচিৎ। দারিদ্র বিমোচনের নামে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে যেভাবে ঋণ আদায় করা হচ্ছে সেটা দুর্ভাগ্যজনক।
`বাংলাদেশের মানুষ যেন গিনিপিগ হয়ে দাঁড়িয়েছে। গ্রামীণ ব্যাংক বা এর প্রতিষ্ঠাতা এবং নোবেলবিজয়ী ডঃ ইউনুসের নাম না করেই শেখ হাসিনা বলেছেন, `গরীব মানুষের রক্ত যদি কেউ চোষে এক পর্যায়ে গিয়ে তাকে ধরা খেতে হবেই। শেখ হাসিনা আরো মন্তব্য করেন গরীব মানুষকে ব্যবহার করে অনেকে লাভবান হচ্ছেন, কিন্তু ঐ সব মানুষের ভাগ্যের কোনো পরিবর্তন হচ্ছে না। প্রধানমন্ত্রীর এধরনের রুচিহীন প্রতিক্রিয়ায় এটাই প্রমানিত হয় যে ড. ইউনুসকে গ্রামীণ ব্যাংক থেকে সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত,তার বিরুদ্ধে প্রতারণার মামলা এ সবই রাজনৈতিক।

সাম্প্রতিক সময়ে দেশের মূল্যস্ফীতির হার বৃদ্ধি, প্রথম ৬ মাসে এডিপি বাস্তবায়নে দুর্বলতা, অনুত্পাদনশীল খাতে অধিক পরিমাণে ঋণ প্রদান ও বাণিজ্য ঘাটতির পরিমাণ বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন ধরনের অর্থনৈতিক সূচকের ইঙ্গিতের ভিত্তিতে দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা খুব একটা ভালো নয় বলে সিপিডির এক প্রতিবেদনে দেখানো হয়।এছাড়াও বিদ্যুৎ ঘাটতি, বিচার বিভাগের দলীয়করণ ,নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমুল্যের লাগামহীন বৃদ্ধি, শিক্ষাঙ্গনে ছাত্রলীগের সন্ত্রাস, প্রশাসনে দলীয়করণ, মেধাবীদের ওএসডি করণ, ইভটিজিং, প্রতিনিয়ত খুন, এলিট বাহিনীর নির্বিচারে মানুষ হত্যা ও লাশ গুম,সাংবাদিক নির্যাতন,মিডিয়া বন্ধ ও একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রনের কারনে দেশ আজ খারাপ পরিনতির দিকে ধাবিত হচ্ছে। দেশের এই খারাপ মুহুর্তে যদি ড. ইউনুস আল বারাদেই স্টাইলে সরকার পতনের ডাক দেন এবং বিক্ষোভে নেতৃত্ব দেন তাতে আমেরিকা সমর্থন করবে এটাই স্বাভাবিক।সাম্প্রতিক সময়ে ব্যাপক আলোচিত হাসিনা- হিলারি ফোনালাপ তাই প্রমাণ করে। ফোনালাপের ড. ইউনুস সম্পর্কিত সেই কথোপকথন নিম্মরূপ- ১৬ জানুয়ারিতে বাংলাদেশের বিভিন্ন দৈনিকে এই ফোনালাপের খবর প্রকাশিত হয় এবং তাতে বলা হয় ভূয়সী প্রশংসার পাশাপাশি বিভিন্ন ইস্যুতে বাংলাদেশ ও আমেরিকা একযোগে কাজ করার অঙ্গীকার জানিয়েছেন হিলারি। সত্যের এই নির্লজ্জ অপলাপে ক্ষুব্ধ, ওয়াশিংটনে অবস্খানকারী কোনো আমেরিকান তখন ছদ্মনামে ফেইসবুকে জানিয়ে দেন প্রকৃত টেলিটক কি ছিল।
টেলিটকের মাঝামাঝি পর্যায়ে হিলারি বলেন, “যে জন্য আমি আপনাকে ফোন করেছি সেই মোদ্দা কথাটা বলতে চাই। ড. ইউনূস ও গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতি আপনি যে আচরণ করছেন সে বিষয়ে এমনকি (দৈনিক) ওয়াশিংটন পোস্টও যে লিখেছে সেটা আপনি দেখেছেন। আমি ভাবলাম আপনাকে জানানো উচিত এ জন্য ওয়াশিংটনে আমরা কতটা ক্ষুব্ধ হয়েছি। আমি ব্যক্তিগতভাবে ক্ষুব্ধ হয়েছি, কারণ নোবেল প্রাইজ পাওয়ার অনেক আগেই ক্লিনটন পরিবারের পারিবারিক বন্ধু ছিলেন ড. ইউনূস। আমার মতোই প্রেসিডেন্ট ক্লিনটনও দু:খ পেয়েছেন। আশা করি আপনি জানেন, ড. ইউনূস যেন এই পুরস্কারটি পান সেজন্য তিনি কত খেটেছেন। আমি জানি, মানুষের কিছু ব্যক্তিগত ইসু থাকতে পারে। কিন্তু ড. ইউনূসের বিষয়টা জাতীয়। তিনি একজন জাতীয় ব্যক্তিত্ব। আমি মনে করি, দেশের একমাত্র নোবেল লরিয়েটকে শয়তান রূপে চিহ্নিত করা (Demonize) বাংলাদেশের উচিত নয়।’
হিলারির কথা এই পর্যায়ে হাসিনা থামিয়ে দিতে চাইলে হিলারি বলেন, “আগে আমার কথা শেষ করতে দিন। আশা করি, আপনি জানেন প্রেসিডেন্ট ওবামা ক্ষুদ্রঋণ (মাইক্রো ক্রেডিট)-এর একজন বড় গুণগ্রাহী। প্রেসিডেন্ট ওবামার মা যখন মাইক্রো-ফাইনান্সের ওপর থিসিস লেখেন, তখন থেকেই তিনি এর গুণগ্রাহী। তাই আমি আপনাকে এই ফোন কল দিয়ে জানাতে চাইছি, ড. ইউনূসকে শয়তান রূপে চিত্রিত করার (Demonize) আপনার অব্যাহত প্রচেষ্টায় আমি এবং আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ওবামা উভয়েই কতটা ক্ষুব্ধ হয়েছি।”
হাসিনা তখন আত্মরক্ষার জন্য বলেন, “আমরা তো এই ইসুটা তুলিনি। আশা করি আপনি জানেন এই ইসুটা প্রথম তুলেছিল নরওয়ে। তারা অভিযোগ করেছিল ড. ইউনূস ফান্ড অন্যত্র সরিয়ে ফেলেছেন। তা ছাড়া, এটা আমাদের অভ্যন্তরীণ বিষয় এবং আমাদের নিয়মনীতি অনুযায়ী এর সুরাহা আমরা করব।
এরপর হিলারি বলতে বাধ্য হন, “আমি ভেবেছিলাম আমাকে এত দূর যেতে হবে না। কিন্তু আমার দুর্ভাগ্য, আমি ভুল ভেবেছিলাম। আপনি জানেন এবং আমরাও জানি কিভাবে আপনার সরকার ক্ষমতায় এসেছে। ভুলে যাবেন না, নির্বাচনের পর আমরা বলেছিলাম, সেটা অবাধ ও সুষ্ঠু হয়েছে এবং আপনাকে সাহায্য করেছিলাম। প্রধানমন্ত্রী, আপনি জানেন দিল্লিতে আমাদের বন্ধুদের নির্দেশে কিভাবে ফলাফল আগেই ঠিক করা হয়েছিল। তারা যেভাবে চেয়েছিল সেভাবেই আমরা চলেছিলাম। প্লিজ, আপনি এটাও ভুলে যাবেন না যে, জেনারেল মইন যিনি আপনাকে ক্ষমতায় এনেছিলেন তিনি এখন আমেরিকাতে আছেন এবং আপনি যতখানি কল্পনা করতে পারেন, তার চেয়েও বেশি এখন আমরা জানি। আমি বলছি না যে, আমরা এখনই আপনার কাছ থেকে দূরে সরে যাব। আমি শুধু ঐতিহাসিকভাবে বিভিন্ন ইসু তুলে ধরছি।”
হিলারির এই কড়া কথায় হাসিনা দ্রুত প্রসঙ্গ পাল্টানোর চেষ্টা করেন। তিনি বলেন, “আমরা আপনার সমর্থন ও সাহায্যবিষয়ে জানি। আপনাকে খুশি রাখার চেষ্টা করব। দুশ্চিন্তা করবেন না। আপনার কথাগুলো মনে রাখব। এখন বলুন, কবে আমাদের দেশ সফর করতে আসবেন?”
প্রতি উত্তরে হিলারি শুধু বলেন, “আমন্ত্রণের জন্য ধন্যবাদ। আপনি যে সময় দিলেন সেজন্য ধন্যবাদ।”

সামগ্রিক পরিস্থিতি মুল্যায়নে আমরা ড. ইউনুসকে রাজনীতিতে স্বাগত জানাচ্ছি। যদি সরকার আপনাকে আপনার অবস্থান থেকে সরিয়ে দেয় , আপনাকে যদি গ্রামীণ ব্যাংক ছাড়তে বাধ্য করা হয় ,তাহলে আপনি যেমনিভাবে মানুষের কল্যাণ চিন্তা মাথায় রেখে গ্রামীণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করেছিলেন তেমনি মানুষের বৃহত্তর কল্যাণের চিন্তাকে সামনে রেখে আপনি আবার রাজনীতিতেই আসবেন আমরা আশাকরি।ড. ইউনুস আপনি বলেছিলেন- ন্যাড়া একবারই বেলতলায় যায়।দেশের মানুষের কল্যাণ মাথায় রেখে আপনি আবার বেলতলায় আসবেন এই প্রত্যাশা আজ জাতির।সত্যিকথা হল আপনার মাথায়তো কিছু চুল আছে।আমাদের অনেক রাজনৈতিক আছেন,যারা মন্ত্রনালয় পরিচালনা করছেন, তারা বাস্তবেই অতিমাত্রায় ন্যাড়া।ব্যর্থতা সত্ত্বেও যদি তারা পদত্যাগ না করে দেশ পরিচালনা করতে পারে তাহলে আপনি পারবেন না কেন?
ড. ইউনুস আপনাকে আমরা বেলতলায় স্বাগত জানাচ্ছি। দেশের কল্যাণে ,মানুষের কল্যাণে আপনার বেলতলায় আসার প্রতীক্ষায়.............................................


আবদুল কাদের সুঘ্রাণ
[email protected]
সৌজন্যে;-bdnationalnews.com


১৪টি মন্তব্য ৫টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

দ্য ড্রাগ কিং

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:১৫


সতর্কবার্তা: এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম ফিকশন। বাস্তব একটি অপরাধের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পাঠকদের জন্য এর চরিত্র, নাম এবং স্থান পরিবর্তন করে গল্পটি সাজানো হয়েছে।

খুলনা... ...বাকিটুকু পড়ুন

সামুতে আবারও লিলিপুটিয়ানদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৮

আমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইজিবাইক চলাচলের প্রকৃত কর্তৃপক্ষ কে?

লিখেছেন মাহদী হাসান শিহাব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:৩৪



দেশের বিভিন্ন শহর ও গ্রামে ইজিবাইক নামে একটি যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু এর পরিচালনা, লাইসেন্সিং এবং চলাচলের ক্ষেত্র সম্পর্কে সুস্পষ্ট ও সর্বজনবিদিত কোনো নীতিমালা সাধারণ মানুষের কাছে দৃশ্যমান নয়।

শহরের ভেতরে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

মন কথনিকা-৪৮৭৩-৭৪

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৯

মন কথনিকা-৪৮৭৩
তোমার আমার মতামতে আকাশ পাতাল সীমা
আমার বুলি বরফ জলের তোমার যেন বোমা,
তুমি বলো রোদের তেজে আমি বর্ষার মতন
বুকের ভিতর বন্ধু বুঝি পাথর পুষো যতন।

মন কথনিকা-৪৮৭৪
পিঠে ব্যথা ভাল্লাগে না, মন... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

×