আমার প্রিয় পোস্ট
- শেষ পর্যন্ত জামাতের মুখোশ খুলে দিলো যেই ভিডিওটি - মৌসুম দাশ
- কার্টুনিস্ট আরিফের জেল এবং আগের একটি পোস্ট - মেহেরুল হাসান সুজন
- ৭ম ওয়েজ বোর্ড অনুসারে দৈনিক সংবাদপত্রের সাংবাদিকদের বেতন কাঠামো ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক সুবিধা - রিজভী
- ক্যাম্পাসে ক্যাম্পাসে আক্রান্ত সাংবাদিকতা - ঘৃণা
- জেনে নেই বাংলাদেশের সকল ব্যাংকের টুক-টাক সকল তথ্য ( ওয়েব এড্রেসসহ) - রাকা ও আমি
- উপমহাদেশের উলামায়ে কেরামের দৃষ্টিতে জামায়াতে ইসলামী ও মাওলানা মওদূদী। - দুর্ধর্ষ বেদুইন
- পদ্য নয়, যদিও পদ্যের মতো: এক আল্লাহ ধারণার ফ্যালাসি - আ-আল মামুন
- ব্লগে প্রকাশিত আমার ৫১ ছড়া (সেপ্টেম্বর ২০০৬-জানুয়ারি ২০০৯) - মেহেরুল হাসান সুজন
- ক্ষণিকের রাজশাহীতে বিস্তর মুহুর্তগুলি - মিলটন
- ১৮৯ জন ব্লগার এবং তাদের জন্মতারিখ - শাহবাজ
- শাশ্বত'র জন্য রাজশাহী যাওয়া অত:পর আমার দালাল উপাধি... - মেসবাহ য়াযাদ
- শাশ্বতকে দেখে এলাম আজ - মেহেরুল হাসান সুজন
- হে মহান দীপু কৃপা করো মোদের (বেশ কয়েকজন ব্লগারের অনুরোধে কমেন্টগুলো মুছে দেয়া হলো) - সালাহউদ্দীন মুহম্মদ সুমন
শাশ্বতকে দেখে এলাম আজ
০৭ ই জুন, ২০০৮ রাত ৮:১০
কপোতাক্ষ প্রভাতী থেকে আজ ৭ জুন সকাল ৮টার দিকে নাটোরের লালপুর উপজেলার আজিমনগর রেল স্টেশনে নামতেই সাদা শার্ট পড়া কাঁচা-পাকা চুলের এক ভদ্রলোক এগিয়ে এসে মামুন স্যারকে নমস্কার জানালেন। বুঝেই গেলাম উনি শাশ্বত সত্য’র বাবা। বললেন, চলুন, রিকশা রেডি আছে। স্টেশনের পেছনে গেলাম আমরা। আগে থেকেই চারটি রিকশা সেখানে রেখেছেন শাশ্বত’র বাবা। আমার রিকশায় চড়ে মিনিট দশেক যেতেই পেলাম ওদের বাড়ি। নর্থ বেংগল সুগার মিলসের ‘ডি’ ক্যাটাগরির একটি ছোট্ট টিনশেড কোয়ার্টারে থাকে শাশ্বত’র পরিবার। প্রথমেই আমরা ঢুকলাম শাশ্বতর ঘরে। ছোট্ট ঘরে ছোট্ট খাটে পিঠের নিচে দুটো বালিশ দিয়ে দেয়ালে মাথা ঠেকিয়ে শুয়ে ছিলো শাশ্বত। আমাদের দেখে শুধু তাকিয়ে থাকলো কিছুসময়। নড়তে পারলো না। একটু পরে হেসে বসতে বললো। আমরা বসলাম ওর পাশে। জানলাম ওর বর্তমান পরিস্থিতি।
শাশ্বত'র বর্তমান পরিস্থিতি: আগের চেয়ে শরীরের অবস'ার অবনতি হয়েছে। সারা শরীরে ব্যাথা। ওর গায়ে হাত দিতে দেয়না কাউকে। বলে, ‘দাদা, দয়া করে হাত দেবেননা। আমার খাটটা একটু নড়লেও প্রচন্ড ব্যথা লাগে।’ প্রতিদিন ৫০০ এমজি’র দুটি করে পেইন কিলার খাচ্ছে ও ব্যাথার জন্য। বামপাশের অসি'সন্ধি ২০০৬ সালেই নষ্ট হয়েছিলো। ডানপাশটাও এখন প্রায় নষ্ট। কোন দিকেই ভর দিয়ে শুতে পারেনা ও। আধশোয়া হয়ে সারাদিন থাকে ছেলেটা। রাতে চিৎ হয়ে শোয়ার চেষ্টা করে। কিন' মেরুদণ্ডের ব্যাথায় বেশিক্ষণ পারেওনা। রাতে ঘুমাতে পারেনা ও। আগে যখর বাম পাশটায় সমস্যা ছিলো তখন ডান কাত হয়ে ঘুমাতে পারতো। এখন তাও পারেনা। নির্ঘুম রাত কাটে ওর। দিনের বেলায় এজন্য ক্লানিত্ম আসলেও ঘুম আসেনা অসহ্য ব্যাথায়। শাশ্বত বলল, ‘দাদা, রাতে হালকা তন্দ্রার মতো আসে। গভীর ঘুম হয়না। তন্দ্রার মধ্যে শুনতে পারি শব্দ, পাখির ডাক।’ ইদানিং শাশ্ব-প্রশ্বাসের সমস্যাও হচ্ছে। বুকের রিবস্গুলো জোড়া লাগতে বসেছে। অ্যাসিডিটির সমস্যাতো আছেই। সবমিলিয়ে দিন-রাত ঘরের ভেতর বন্দী আমাদের শাশ্বত সত্য। গতমাসে রাজশাহী থেকে বাড়ি ফিরে বিছানায় পড়েছে সে। মাঝে মাত্র দুদিন বাড়ির অন্য রম্নমে যেতে পেরেছে সে ছেঁচরিয়ে।
অসহায় বাবা-মা-বোন: শাশ্বত’র বাড়ির পাশেই নর্থ বেংগল সুগার মিল। এখানকার হিসাব সহকারী হিসেবে দীর্ঘদিন কাজ করেছেন ওর বাবা অরম্নণ সত্য। ওখানকার ট্রেড ইউনিয়নে একনাগারে ১৮ বছর সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন ভদ্রলোক। তার সহকর্মীরা জানালেন, ‘সারাজীবন তার হাতদুটো ছিলো পবিত্র। অনেক সিবিএ নেতার কোটি কোটি টাকার সম্পদের কথা আমরা পড়ি পেপারে। কিন' অরম্নণ বাবুর এককাঠা জমিও নেই। মিলের দেয়া এই বাড়িটি নিয়ে নিলে পথে দাঁড়ানো ছাড়া তার কোন গতি থাকবেনা তার।’ কয়েক বছর আগে মিল থেকে অবসর নিলেও তার অবস্থা বিবেচনা করে এখনো বাড়িটি কেড়ে নেয়নি। বর্তমানে তিনি মিল হাই স্কুলের শিক্ষক হিসেবে চাকরি করছেন। তিন মাস পরপর তাকে বাড়িয়ে নিতে হয় এই চাকরির মেয়াদ। শাশ্বত’র চিকিৎসার খরচ জোগাতে শুধু ভারতেই তাকে যেতে হয়েছে ২০ বার। খরচ হয়েছে প্রায় ১১ লাখ টাকা। প্রভিনেন্ট ফান্ডের টাকাও শেষ করে ফেলেছেন। সব হারিয়েও এখনো তিনি স্বপ্ন দেখেন ছেলের সুস্থ্য হবার।
শাশ্বত’র মা বহ্নিশিখা সত্য ব্যস্ততা হয়ে আমাদের আপত্তি উপেক্ষা করে আপ্যায়নের জন্য ছুটোছুটি করলেও প্রতি পদক্ষেপে তার দীর্ঘশ্বাস কানে ঠেকছিলো আমাদের। একসময় বলেই ফেললেন, ‘শরীরের ব্যাথায় ওর যে আর্তনাদ তা আমার বুকটা ভেঙে দেয় বাবা। দিনের পর দিন ছেলের এসব সহ্য করতে করতে আমরা এখন পাষাণ হয়ে গেছি।’ এসময় শুকনো দেখাচ্ছিলো ওর ছোট বোন শান্তা সত্য’র মুখটিও।
কৃষিপ্রেমী-প্রকৃতিপ্রেমী শাশ্বত: অরম্নণ সত্য জানালেন, কৃষিতে ওর খুব আগ্রহ। তিনবার জেলা কৃষি মেলায় কৃষি পণ্য প্রদর্শন করে পুরষ্কৃত হয়েছে সে। বাড়ির বারান্দায় দেখলাম ওর যত্নে বেড়ে ওঠা টুনটুনি, দোয়েল পাখির বাসা। বাড়ির আঙিনায় সুস'্য অবস'ায় ওর লাগানো চন্দন গাছসহ নানান গাছ দেখলাম। ওর বাবা দেখালেন ২০০২ সালে গণিত অলিম্পিয়াডে অংশ নেয়া মেধাবী শাশ্বত’র সনদ।
‘আমি পড়াশোনাটা শেষ করতে চাই’:শরীর চলেনা। কিন' ওর মাথা থেকে পড়াশোনার নেশা কাটেনি। আমার কাঁধে মাথা রেখে আসেত্ম আসেত্ম ও বলছিলো, ‘দাদা, ইন্ডিয়া থেকে ফিরেই আমি কিন' ক্লাশে যাবো। হুইল চেয়ারে হলেও যাবো। আর সেপ্টেম্বরে ইয়ার ফাইনালটাও দেবো।’ মামুন স্যার এটা শুনে বললেন, আগে সুস' হও। তারপর ফিরো। প্রয়োজনে ইয়ার ড্রপ দিয়ো।’ কিন' রাজি না শাশ্বত। বললো, ‘আমি ঘরের বাইরে যেতে চাই, দাদা। পিস্নজ, ব্যবস্থা করেন। আমি উঠে দাঁড়াতে চাই, দাদা। পড়াশোনাটা শেষ করতে চাই।’ কথাগুলো বলতে বলতে জলে আটকে আসে ওর কণ্ঠ।
১০ জুন ভারতে যাচ্ছে শাশ্বত: ট্রাভেল ট্যাক্স এখনো দেয়া হয়নি ব্যাংকে। তাই ৯ জুন যাওয়া হচ্ছেনা। ১০ জুন বাবার সঙ্গে ভারতে যাবে শাশ্বত। ২১ জুন ওর চেকআপ। ফিরতে ফিরতে ৬ জুলাই। ওখানে চিকিৎসকদের নির্দেশনা অনুযায়ী ওর চিকিৎসার পরবর্তী ধাপ শুরু হবে।
সবার মুখে শাশ্বত: একফাঁকে সুগারমিলে ঢুকেছিলাম আমরা। মিলের মহাব্যবস্থাপক এসএম সুদর্শন ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী গোলাম মোর্তুজাসহ মিলের অনেক কর্মচকর্তা-কর্মচারীও বললেন শাশ্বত’র কথা। তারা আমাদের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে দেশের সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন।
শেষ দৃশ্য, বড় কষ্ট: শাশ্বতর বর্তমান অবস্থা দেখে সকাল থেকেই কুব কষ্ট পাচ্ছিলাম। ওর আর ওর বাবা-মা’র পিড়াপিড়িতে দুপুরের খাওয়া শেষ করে যখন বিদায় নিচ্ছিলাম তখন দেখতে হলো বড় কষ্টের দৃশ্যটি। খাট থেকে দুহাতে ভর দিয়ে নামলো শাশ্বত। বললো, বাথরম্নমে যাবো। আমরা ধরতে গেলাম। ও নিষেধ করলো। হাতের ওপর ভর দিয়ে ছেঁচড়িয়ে ছেঁচড়িয়ে বাথরুমের দিকে এগুলো। খোলা দরজা দিয়ে ঢুকে বাথরুম সেরে আবার ছেঁচড়িয়ে ছেঁচড়িয়ে খাটের দিকে এলো। এসময় আমাদের বুকের ভেতরে কষ্টে খচখচ করছিলো। ভাবলাম, ওর বাবা-মা-বোন কী করে এতদিন কত কষ্ট করে এই দৃশ্য হজম করে আসছেন? এরপর হাত দুটো খাটের ওপর চাপ দিয়ে বিছানায় উঠে একেবারে গা এলিয়ে দিলো। মাত্র কয়েক মিনিটের এই পরিশ্রমে ঘেমে একেবারে নেয়ে গেলো ছেলেটা। হাসফাঁস করছিলো শাশ্বত। এমন দৃশ্য কি সহ্য করার মতো?
বিদায় নেবার সময় একেবারে নিশ্চুপ শাশ্বত। শুধু ফ্যাল ফ্যাল করে তাকিয়ে ছিলো আমাদের দিকে। আমার ওর হাত ধরে বললাম,‘চিন্তা করোনা, শাশ্বত। তুমি আবার উঠে দাঁড়াবে। আমরা আছি তোমার পাশে।’ তখনও নিশ্চুপ তাকিয়ে ছিলো শাশ্বত সত্য।
বিশেষ বাণী: আরো অনেক কিছু লেখার ছিলো। দ্রম্নত বস্নগারদের শাশ্বতর আপডেট তথ্য জানাবার জণ্য দ্রম্নত লিখলাম। বাকি কথা অন্য দিন লেখার আশা রইল।
-বস্নগার
বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
অন্যমনস্ক শরৎ বলেছেন:
আপনার চমৎকার কাজ করছেন। আপনাদের জন্য অনেক শুভ কামনা ও সমর্থন।
সালাহউদ্দীন মুহম্মদ সুমন বলেছেন:
শাশ্বত বেঁচে থাক আমাদের মাঝে।সুজন,
এবার শাশ্বতকে দেখতে গেলে আমাকে নিয়ে যাস।
পরোপকারী বলেছেন:
খুব খারাপ লাগল, চোখ টলমল করছে। স্রষ্টা তাকে ভাল করে দিন এই কামনা করি।আপনাদের উদ্যেগকে স্বগত জানাই।
ধন্যবাদ।
নেমেসিস বলেছেন:
শাশ্বত বেঁচে থাক আমাদের মাঝে।
কৌশিক বলেছেন:
উফ!
কালপুরুষ বলেছেন:
আহা.... শাশ্বত'র জন্য কষ্ট হচ্ছে। আপনার লেখা পড়ে খুব খারাপ লাগলো। আমরা সবাই ওর কষ্ট দূর করার জন্য প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। আল্লাহ ওর সহায় হউন। দোয়া রইলো ওর জন্য।
নামহীন মানব বলেছেন:
সাথে আছি। আপনাদের ধন্যবাদ
একরামুল হক শামীম বলেছেন:
শাশ্বত বেঁচে থাকবে আমাদের মাঝে।
যীশূ বলেছেন:
শাশ্বত'র জন্য কষ্ট হচ্ছে।
প্রত্যুৎপন্নমতিত্ব বলেছেন:
কিছু বলতে পারছিনা ছেলেটা ধীরে ধীরে নিস্তেজ হয়ে পরতেছে ...
মাঝে মাঝে হতাশ হয়ে যাই...
তারপরেও ভাবি...
আশা আছে বলেই মানুষ বাচে...
শ্বাশ্বতও বাচবে ইনশাল্লাহ...
মেসবাহ য়াযাদ বলেছেন:
সুজন, আপনি তো সমকালে- তাই না ? প্লিজ, শাশ্বতকে নিয়ে একটা লেখা দিন আপনার পত্রিকায়। প্রয়োজনে আমি- মোস্তাফিজ শফি বা মোজাম্মেল হোসেন মন্জু ভাইকে আনুরোধ করবো (আশা করছি, তার প্রয়োজন হবে না)। কুদরত বাবু প্রথম আলোর আপনাদের ভার্সিটি প্রতিনিধি। ওকেও বলে একটা লেখা প্রথম আলোতে দিতে বলুন। বাবুর লেখাটা / রিপোর্টটা পাঠালে প্রথম আলো কর্তৃপক্ষের সাথে আলাপে সুবিধা হবে। বাবুকে বিষয়টার সাথে সম্পৃক্ত করুন।
প্রথম আলো সম্পাদক মতিউর রহমানকে এড্রেস করে আপনাদের ডিপার্টমেন্ট থেকে একটা চিঠি পাঠান। যাতে শাশ্বত'র অবস্থা এবং তার জন্য আমরা যে কনসার্ট করতে চাচ্ছি- সে ব্যাপারে প্রথম আলোর সহযোগিতা করার জন্য বিনীত অনুরোধ থাকবে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণসংযোগ ও সাংবাদিকতা ডিপার্টমেন্টের চেয়ারম্যানকে এড্রেস করে আপনাদের ডিপার্টমেন্ট থেকে একটা চিঠি পাঠানোর ব্যবস্থা করুন।
মেসবাহ য়াযাদ বলেছেন:
সবগুলো চিঠির একটা করে কপি আমাকেও পাঠাবেন, প্লিজ @ সুজনমেসবাহ য়াযাদ
মিডিয়া কো-অর্ডিনেটর
ল্যাবএইড গ্রুপ
বাড়ি- ১, রোড- ৪, ধানমন্ডি, ঢাকা
মোবাইল : ০১৭১৩০৯১৯৭১
মেহেরুল হাসান সুজন বলেছেন:
মেসবাহ ভাই, আপনি যা যা বলেছেন সে ব্যাপারে আমি কাজ শুরু করেছি। আশা করছি শিগগিরই সব পাঠাতে পারবো আপনাকে।
মেহেরুল হাসান সুজন বলেছেন:
আগামীকাল ১০ জুন ভারতের উদ্দেশ্যে রওনা দেবে শাশ্বত। ওর জন্য দোয়া করবেন সবাই।
নাসিমূল আহসান বলেছেন:
আমি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগে পড়ি। শাশ্বতটা আমাকে দারুন কষ্ট দিচ্ছে।
আমি ; আমরা ওর পাশে দাড়াতে চাই।
আমাদের একটা ক্লাব আছে। নাম কমিউনিয়া।
ওর টাকা সংগ্রহের জন্য আমারা বিশ্ববিদ্যালয়ে একটা চলচিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করতে চাই। যদি এ ব্যাপারে শাশ্বতের পরিবারের কোন আদর্শগত মতপার্থক্য না থাকে;তবে আমারা কাজটা হাতে নেবার আশা করছি।
মতামত জানালে কৃতজ্ঞ থাকবো।
মুঠোফোন : 017104104714
মেইল :
প্রত্যুৎপন্নমতিত্ব বলেছেন:
নাসিমূল আপনি আমাদের চট্টগ্রামের জনপ্রিয় ব্লগার সাইফুর এর সাথে যোগাযোগ রাখতে পারেন... সাইফুরকে সঙ্গে নিয়ে যদি আপনারা চট্টগ্রাম থেকে একটা উদ্যোগ গ্রহণ করেন তাহলে শ্বাশ্বতর অনেক উপকার হবে।..
মেহেরুল হাসান সুজন বলেছেন:
নাসিমূল ভাই, আপনাদের বিভাগের সভাপতির নামে শাশ্বত বিষয়ক পোস্টার ও অর্থ সংগ্রহের রশিদ বই একটু আগে কুরিয়ার করেছি। আপনাদের কাজে এটা সাহায্য করবে আশা করি। আরো কোন দরকার হলে ফোন করুন আমাকে-০১৭১৮ ১৬৯২৬৬
সরদার মোঃ আয়াজ বলেছেন:
লেখক বলেছেন: আয়াজ ভাই, কেমন চলছে আফটার ভার্সিটি লাইফ??? ব্লগে স্বাগতম।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...















