somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... আবার আগস্ট, আবার আমার যাযাবর জীবন -০১ গত বছর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস বন্ধ ঘোষণার পর কারফিউ জারি, বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র হিসেবে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর রোষাণলে পড়বার ভয়, থাকা-খাওয়ার অনিশ্চয়তায় এক দুর্বিসহ জীবন কাটাতে হয়েছে সেসময়। সাংবাদিকতা করি বলে বন্ধ ক্যাম্পাস ছেড়ে বাড়ি যাবার ভাগ্য হয়নি। যতটুকু পেরেছি সেসময়ের কিছু কথা, অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছিলাম ব্লগে এই পোস্টগুলোর মাধ্যমে

প্রথম পর্ব:http://www.somewhereinblog.net/blog/sujonmcblog/28728075

দ্বিতীয় পর্ব:http://www.somewhereinblog.net/blog/sujonmcblog/28728842

তৃতীয় পর্ব:http://www.somewhereinblog.net/blog/sujonmcblog/28730063

চতুর্থ পর্ব:http://www.somewhereinblog.net/blog/sujonmcblog/28730240

শেষ পর্ব:http://www.somewhereinblog.net/blog/sujonmcblog/28733041


এবছর সেই ২২ আগস্ট আসবার আগেই গত বছরের প্রায় পুনরাবৃত্তি ঘটলো। সেদিন ১৯ আগস্ট ২০০৮। অফিসের কম্পউটার নষ্ট হওয়ায় সাইবার ক্যাফে থেকে নিউজ পাঠাচ্ছিলাম। বেশ দেরি হয়ে গেছে। রাত সোয়া ৮টা বাজে। বিশ্ববিদ্যালয় শাসনের নতুন আইন `আমবেলা অ্যাক্ট' নিয়ে সেদিন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি সেমিনার হয়েছিলো। তা নিয়েই নিউজটা। তো, সেটি পাঠানো শেষ হতেই আমাদের স্টাফ রিপোর্টার কাজী শাহেদ ফোনে জানালেন, ভার্সিটিতে কিছু ঘটেছে। ছাত্ররা রাস্তা অবরোধ করেছে। খোঁজ নেন।

আমার ফোনে তখন ৬৪ পয়সা। তাই ১০টাকা ফ্ল্যাক্সিলোড নিয়ে খোঁজ নিতেই বুঝলাম ঘটনা বড় হতে পারে। তাই শাহেদ ভাইকে জানালাম, দ্রুত ক্যাম্পাসে যেতে হবে। তিনি বললেন, আপনি স্পটে গিয়ে ঘটনা জানান ফোনে। আমরা আজকেই নিউজ ধরাবো।

জিরোপয়েন্ট থেকে ক্যাম্পাসে যাবার দ্রুত উপায় টেম্পু। সেটাতেই উঠলাম। একটু গিয়ে ওই টেম্পুতে উঠলেন বিডিনিউজের ইসমাইল ভাই। উনি বললেন, ছাত্ররা ক্যাম্পাসের পাশে বিনোদপুরে আগুন লাগাইছে। হানিফ কাউন্টারের সঙ্গে ঝামেলা।
যাইহোক-টেম্পুতে বেশিদুর যাওয়া গেলোনা। তালাইমারীতে পুলিশ আটকালো। রাস্তা বন্ধ। বাধ্য হযে রিকশা নিলাম। চললাম ঘটনাস্থল বিনোদপুর বাজারের দিকে। কিন্তু সেখানে পৌছানোর আগে আবার পুলিশ বাধা দিলো। সামনে তাকিয়ে শুধু দেখতে পেলাম অন্ধকার বিনোদপুর বাজার। কানে এলো শত মানুষের যুদ্ধশব্দ, ইট ভাঙা আর ছোড়ার শব্দ।

(চলবে)

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sujonmcblog/28834055 http://www.somewhereinblog.net/blog/sujonmcblog/28834055 2008-08-23 20:26:35
নির্লজ্জের হয়না প্রমাণ নতুন কোন দোষে যায় কেটে যায় নেতা,
ওদের কবে ফাঁসি হবে
বলবে বলো কে তা?

তোমার পরে কজন এলো
সব ক্ষমতা হাতে,
এই জাতিটার আশা কি আর
পুরলো বলো তাতে?

জাতির আশা পিতার খুনি
মরবে একইভাবে,
জাতির বুকের কষ্টগুলো
সেদিন মরে যাবে।

কিন্তু আজো এলোনা যে
জাতির কাছে সেদিন,
পিতার খুনী দোসরসহ
প্রাণ হারাবে যেদিন।

রায় হয়েছে ফাঁসি ওদের
কিন্তু ওরা বেঁচে,
পিতার খুনির হয়নি সাজা
তাই মোরা আজ নিচে।

সবাই বলে যেই জাতিটা
পিতার খুনি পোষে,
নির্লজ্জের হয়না প্রমাণ
নতুন কোন দোষে।

জাতির পিতার খুনির সাজা
যেদিন কাজে হবে,
বীর বাঙালি সবার সেরা
বলবে আবার সবে।

১৫ আগস্ট, ২০০৮


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sujonmcblog/28831217 http://www.somewhereinblog.net/blog/sujonmcblog/28831217 2008-08-15 17:49:21
আজ ব্লগার আনিসুজ্জামান উজ্জলের জন্মদিন
গত এপ্রিল মাসে তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ চুকিয়ে ঢাকা গেছেন। এখানে থাকতে তিনি এনএনবি, আজকের কাগজ এবং আমার দেশ-এর বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করেছেন। সাপ্তাহিক উৎসভূমির সম্পাদকো ছিলেন তিনি। বর্তমানে ঢাকায় ডিনেট-নামের একটি প্রতিষ্ঠানে কাজ করছেন। তার হাত ধরেই আমার সাংবাদকিতা শুরু।

তার জন্য অনেক ভালাবাসা এবং শুভকামনা।

ছবিতে ইমদাদুল হক মিলনের সাথে উজ্জল ভাই।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sujonmcblog/28829768 http://www.somewhereinblog.net/blog/sujonmcblog/28829768 2008-08-11 17:41:09
একটু আগে মিলটন ভাই এসেছিলেন http://www.somewhereinblog.net/blog/sujonmcblog/28824150 http://www.somewhereinblog.net/blog/sujonmcblog/28824150 2008-07-25 21:17:36 শাশ্বতর জন্য মহানগরীতে rally http://www.somewhereinblog.net/blog/sujonmcblog/28823439 http://www.somewhereinblog.net/blog/sujonmcblog/28823439 2008-07-23 19:14:26 শাশ্বত সত্যর জন্য... rally চলাকালে শিক্ষার্থীরা শাশ্বতকে বাঁচানোর আহ্বান জানানো বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড বহন করেন। ]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/sujonmcblog/28822685 http://www.somewhereinblog.net/blog/sujonmcblog/28822685 2008-07-21 18:50:45 এসব কী হচ্ছে? http://www.somewhereinblog.net/blog/sujonmcblog/28822586 http://www.somewhereinblog.net/blog/sujonmcblog/28822586 2008-07-21 14:02:05 শাশ্বত চিকিৎসা ফান্ডে ১ লাখ টাকা দিলেন এক ব্যবসায়ী এদিকে, এই লাখ টাকা নিয়ে শাশ্বত চিকিৎসা সহায়তা ফান্ডে ৭ লাখ ৬০ হাজার ২০০ টাকা জমা হলো। এরমধ্যে ঢাকার ব্লগ বন্ধু কালপুরুষ, ক্যামেরাম্যান, মেসবাহ য়াযাদ, নেমেসিস, এফ আই দিপু ও প্রত্যুৎপন্নমতিত্ব নাটোরে গিয়ে শাশ্বত সত্যর বাবা অরুণ কুমার সত্যের হাতে ব্লগারদের তোলা ৪ লাখ ৮২ হাজার টাকা তুলে দেন। ওইদিনই রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে শাশ্বতর বাবা ওই টাকা বিভাগের শাশ্বত চিকিৎসা সহায়তা ফান্ডে জমা দেন। ৭ লাখ ৬০ হাজার ২০০ টাকার বাকি অংশ এসেছে বিভাগের দেয়া দুটি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে বিভিন্ন জনের দেয়া, বগুড়ার সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান থেকে, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় এবং মহানগরীর বিভিন্ন অঞ্চলে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থীদের চলমান অর্থ সংগ্রহ কার্যক্রমের মাধ্যমে।]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/sujonmcblog/28820279 http://www.somewhereinblog.net/blog/sujonmcblog/28820279 2008-07-14 19:59:57 শাশ্বত সত্য'র স্বাস্থ্যের সর্বশেষ অবস্থা উল্লেখ্য, গত ১১ জুন শাশ্বত মেডিকেল চেকআপের জন্য ভারতে গেছে। বর্তমানে সে তার বাবা অরুণ কুমার সত্য'র সঙ্গে ভ্যালোরে অবস্থান করছে।]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/sujonmcblog/28813301 http://www.somewhereinblog.net/blog/sujonmcblog/28813301 2008-06-24 20:39:21 একটি সিরিজ ব্লগ এবং বিদায় কথা
আর ব্লগারদের বলছি, আনিসুজ্জামান উজ্জল নয়; আপনাদের কাছে ক্ষমা আমি চাইছি। সবাই ভালো থাকবেন। জানিনা এভাবে আর কখনো আপনাদের খোঁজ নেয়া হবে কিনা। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sujonmcblog/28811995 http://www.somewhereinblog.net/blog/sujonmcblog/28811995 2008-06-21 13:20:10
তিনি আমাদের উজ্জল ভাই-০২ ছবি পরিচিতি:
২০০৭ সালে শিবলী ভাইয়ের ছেলে রোদের জন্মদিনে পেছনে বাম থেকে কাজী শাহেদ, শিবলী নোমান (কোলে রোদ) ও উজ্জল ভাই এবং সামনের সারিতে সালাহউদ্দীন মুহম্মদ সুমন, মেহেরুল হাসান সুজন এবং হাসনাত রাব্বী বাপ্পী।
পূর্ব প্রকাশের পর:

সকাল ৯টা থেকে ১০টার মধ্যে প্রতিদিন ক্যাম্পাসে উজ্জল ভাইয়ের সঙ্গে দেখা হতো। এরপর রাত ১২টা-১টা অব্দি একসঙ্গে। সারাটা দিন তার সঙ্গে আমি, সিরাজ ভাই আর বাপ্পী ভাই। কিছুদিন পর সালাহউদ্দীন মুহম্মদ সুমন আমাকে বলল, দোস্ত আমাকেও নে না তোদের সঙ্গে। উজ্জল ভাইকে বললাম সে কথা। ব্যস, আমাদের সঙ্গী বাড়লো। সারাদিন ক্যাম্পাসে এদিক সেদিক ঘুরতাম সবাই মিলে। সবার কাছে আমরা পরিচিত হতে শুরু করলাম 'উজ্জল বাহিনী' নামে। একসাথে খাওয়া, একসাথে আড্ডা দেয়া সব যেন একই সুতোতে গাঁথা।

২০০৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি উজ্জল ভাই আমাকে সকাল বেলা বললেন, সমকালের শিবলী ভাইয়ের অফিসে যা তো এখুনি। উজ্জল ভাই যখন যা বলেছেন, আমরা কেউই কোন কথা না বলে তা করতাম। তাই তখনই ছুট দিলাম সমকাল অফিসে। কয়েকদিন আগেই শিবলী ভাইয়ের সঙ্গে পরিচয় হয়েছে উজ্জল ভাইয়ের মাধ্যেম। অফিসে গিয়ে শিবলী ভাইয়ের সঙ্গে অনেক আলাপ হলো। ১৪ ফেব্রুয়ারি কাজ শুরু করলাম সমকাল-এ। সেসসময় সমকাল এবং আমারদেশ-এর রাজশাহী অফিস একই ভবনের একই তলায় ছিলো। ফলে, পত্রিকা চেঞ্জ হলেও সারাটা দিনই প্রায় উজ্জল ভাইয়ের সঙ্গে থাকতাম। একসাথে অফিসে যাওয়া, ফেরা এবং গভীর রাত পর্যন্ত বিনোদপুরে মানিকের দোকানে আড্ডা দেয়া সবই চলছিল।

সমকাল-এ কাজ শুরুর পর উজ্জল ভাই বললেন, বড় মুখ করে তোকে শিবলী ভাইয়ের কাছে পাঠিয়েছি। মুখটা রক্ষা করিস। শুধু বলেই ক্ষান্ত হলেন না বরং, বিভিন্ন নিউজের আইডিয়া এবং ক্যাম্পাসে বিভিন্ন সোর্সের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিলেন উজ্জল ভাই। কোথায় গেলে কোন নিউজ পাবো সবই বলে দিলেন।

উজ্জল ভাইয়ের নিয়ম ছিলো সাংবাদিকতা বিভাগে নতুন বছরে যারা ভর্তি হয় তাদেরকে সাংবাদিকতায় আসার জন্য আহ্বান করা। আমরা ফার্স্ট ইয়ার এলেই দলবেধে ক্লাশরুমে গিয়ে এ আহ্বান জানাতাম। উজ্জল ভাইয়ের কথা ছিলো- সাংবাদিকতার ছাত্ররা যদি সাংবাদিকতা না করে তাহলে কে করবে রে? ২০০৬ সালের মাঝামাঝিতে উজ্জল ভাইয়ের হাত ধরে আমাদের সঙ্গে সাংবাদিকতা শুরু করলো ফার্স্ট ইয়ারের এহসান, কাইয়ূম ও আবু সায়েম।

আগেই বলেছি, ক্যাম্পাসে সাংবাদিকদের দুইটা গ্রুপ ছিলো একসময়। একগ্রুপ ছিলো প্রেসক্লাবে, অন্যটি লাইব্রেরির পেছনে আমতলায় বসত। আমরা শেষের দলে ছিলাম। ২০০৬ সালের জুলাই মাসে উজ্জল ভাই এই আমতলা গ্রুপের জন্য একতটি প্ল্যাটফর্ম করার চিন্তা করলেন। কথা বললেন, তার বন্ধু যুগান্তরের জোহা ভাই, প্রথম আলোর বাবু ভাই এবং সোনালী সংবাদের মুনসুর ভাইয়ের সঙ্গে। তাদের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় ৭ জুলাই ২০০৬ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি গঠন করা হলো। উজ্জল ভাইয়ের কথা ছিলো-আমরা দীর্ঘদিন ধরে আমতলার সাংবাদিক বলে পরিচিত ছিলাম। বসার কোন জায়গা ছিলোনা। দুদিন পর চলে যাব। কিন্তু তোদের জন্য বসার একটু জায়গা হয় সেজন্যই এই প্রচেষ্টা। তার কথায় আমরা নতুন স্বপ্ন দেখতে শুরু করলাম।...
(চলবে...)]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sujonmcblog/28811433 http://www.somewhereinblog.net/blog/sujonmcblog/28811433 2008-06-19 18:24:54
তিনি আমাদের উজ্জল ভাই-০১
সেবছরের সেপ্টেম্বরে পরিচয় হলো তার সঙ্গে। আমাদের নবীন বরণের রিহার্সেল চলছিল বিভাগের সেমিনার লাইব্রেরিতে। উনি কাকে যেন বলছিলেন, এই তোদের ফার্স্ট ইয়ারের কেউ সাংবাদিকতা করবে নাকি? এটা শুনে আমার বন্ধু রাব্বানী আমাকে দেখিয়ে দিলো। উনি বললেন, এই ছোড়া? একে দিয়ে হবেনা। কিরে , করবি নাকি? আমি হচকিয়ে গেলাম। বলে কি ব্যাটা? সাংবাদিকতা করবো বলে সব ছেড়ে এখানে পড়ে আছি। বললাম, ভাই করবো। উনি বললেন, নাম কি? নাম বললাম। আমার নাম আনিসুজ্জামান উজ্জল। আমার দেশ-এ কাজ করি। নবীন বরণ শেষে আমার সঙ্গে দেখা করবি। দেখি কেমন কাজ করতে পারিস।

এভাবেই উজ্জল ভাইয়ের সঙ্গে আমার পরিচয় এবং সাংবাদিকতার হাতেখড়ি। সেপ্টেম্বরেই কাজ শুরু করলাম বার্তা সংস্থা এনএনবি-তে। ধীরে ধীরে তারন সঙ্গে জড়িয়ে যেতে শুরু করলাম। যতদিন তিনি ক্যাম্পাসে ছিলেন এরমধ্যে আমরা দুজনই রাজশাহীতে আছি অথচ আমাদের দেখা হয়নি-এমন দিনের কথা আমার মনে পড়েনা।

এনএনবি-তে যখন কাজ শুরু করলাম তখন আমি কম্পিউটারের কিছু জানতাম না। উজ্জল ভাইয়ের অফিসে বসতাম। দুপুর ২টার বাসে আমি, বাপ্পী(আজকের কাগজের হাসনাত রাব্বী) ভাই এবং সিরাজ (মানবজমিনের) সিরাজুল ইসলাম যেতাম উজ্জল ভাইয়ের অফিসে। থাকতাম রাত ৮টা-১০টা পর্যন্ত। কোন কাজ নেই। উজ্জল ভাই নিউজ করতেন আর আমাদের পাশে বসে দেখতে হতো। মাঝে মাঝে আমাদের (বিশেষ করে আমাকে ) কম্পিউটার জ্ঞান দিতেন। এভাবেই চলছিল।....

(চলবে)]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sujonmcblog/28810234 http://www.somewhereinblog.net/blog/sujonmcblog/28810234 2008-06-16 20:22:42
শাশ্বতকে দেখে এলাম আজ
শাশ্বত'র বর্তমান পরিস্থিতি: আগের চেয়ে শরীরের অবস'ার অবনতি হয়েছে। সারা শরীরে ব্যাথা। ওর গায়ে হাত দিতে দেয়না কাউকে। বলে, ‘দাদা, দয়া করে হাত দেবেননা। আমার খাটটা একটু নড়লেও প্রচন্ড ব্যথা লাগে।’ প্রতিদিন ৫০০ এমজি’র দুটি করে পেইন কিলার খাচ্ছে ও ব্যাথার জন্য। বামপাশের অসি'সন্ধি ২০০৬ সালেই নষ্ট হয়েছিলো। ডানপাশটাও এখন প্রায় নষ্ট। কোন দিকেই ভর দিয়ে শুতে পারেনা ও। আধশোয়া হয়ে সারাদিন থাকে ছেলেটা। রাতে চিৎ হয়ে শোয়ার চেষ্টা করে। কিন' মেরুদণ্ডের ব্যাথায় বেশিক্ষণ পারেওনা। রাতে ঘুমাতে পারেনা ও। আগে যখর বাম পাশটায় সমস্যা ছিলো তখন ডান কাত হয়ে ঘুমাতে পারতো। এখন তাও পারেনা। নির্ঘুম রাত কাটে ওর। দিনের বেলায় এজন্য ক্লানিত্ম আসলেও ঘুম আসেনা অসহ্য ব্যাথায়। শাশ্বত বলল, ‘দাদা, রাতে হালকা তন্দ্রার মতো আসে। গভীর ঘুম হয়না। তন্দ্রার মধ্যে শুনতে পারি শব্দ, পাখির ডাক।’ ইদানিং শাশ্ব-প্রশ্বাসের সমস্যাও হচ্ছে। বুকের রিবস্‌গুলো জোড়া লাগতে বসেছে। অ্যাসিডিটির সমস্যাতো আছেই। সবমিলিয়ে দিন-রাত ঘরের ভেতর বন্দী আমাদের শাশ্বত সত্য। গতমাসে রাজশাহী থেকে বাড়ি ফিরে বিছানায় পড়েছে সে। মাঝে মাত্র দুদিন বাড়ির অন্য রম্নমে যেতে পেরেছে সে ছেঁচরিয়ে।

অসহায় বাবা-মা-বোন: শাশ্বত’র বাড়ির পাশেই নর্থ বেংগল সুগার মিল। এখানকার হিসাব সহকারী হিসেবে দীর্ঘদিন কাজ করেছেন ওর বাবা অরম্নণ সত্য। ওখানকার ট্রেড ইউনিয়নে একনাগারে ১৮ বছর সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন ভদ্রলোক। তার সহকর্মীরা জানালেন, ‘সারাজীবন তার হাতদুটো ছিলো পবিত্র। অনেক সিবিএ নেতার কোটি কোটি টাকার সম্পদের কথা আমরা পড়ি পেপারে। কিন' অরম্নণ বাবুর এককাঠা জমিও নেই। মিলের দেয়া এই বাড়িটি নিয়ে নিলে পথে দাঁড়ানো ছাড়া তার কোন গতি থাকবেনা তার।’ কয়েক বছর আগে মিল থেকে অবসর নিলেও তার অবস্থা বিবেচনা করে এখনো বাড়িটি কেড়ে নেয়নি। বর্তমানে তিনি মিল হাই স্কুলের শিক্ষক হিসেবে চাকরি করছেন। তিন মাস পরপর তাকে বাড়িয়ে নিতে হয় এই চাকরির মেয়াদ। শাশ্বত’র চিকিৎসার খরচ জোগাতে শুধু ভারতেই তাকে যেতে হয়েছে ২০ বার। খরচ হয়েছে প্রায় ১১ লাখ টাকা। প্রভিনেন্ট ফান্ডের টাকাও শেষ করে ফেলেছেন। সব হারিয়েও এখনো তিনি স্বপ্ন দেখেন ছেলের সুস্থ্য হবার।
শাশ্বত’র মা বহ্নিশিখা সত্য ব্যস্ততা হয়ে আমাদের আপত্তি উপেক্ষা করে আপ্যায়নের জন্য ছুটোছুটি করলেও প্রতি পদক্ষেপে তার দীর্ঘশ্বাস কানে ঠেকছিলো আমাদের। একসময় বলেই ফেললেন, ‘শরীরের ব্যাথায় ওর যে আর্তনাদ তা আমার বুকটা ভেঙে দেয় বাবা। দিনের পর দিন ছেলের এসব সহ্য করতে করতে আমরা এখন পাষাণ হয়ে গেছি।’ এসময় শুকনো দেখাচ্ছিলো ওর ছোট বোন শান্তা সত্য’র মুখটিও।

কৃষিপ্রেমী-প্রকৃতিপ্রেমী শাশ্বত: অরম্নণ সত্য জানালেন, কৃষিতে ওর খুব আগ্রহ। তিনবার জেলা কৃষি মেলায় কৃষি পণ্য প্রদর্শন করে পুরষ্কৃত হয়েছে সে। বাড়ির বারান্দায় দেখলাম ওর যত্নে বেড়ে ওঠা টুনটুনি, দোয়েল পাখির বাসা। বাড়ির আঙিনায় সুস'্য অবস'ায় ওর লাগানো চন্দন গাছসহ নানান গাছ দেখলাম। ওর বাবা দেখালেন ২০০২ সালে গণিত অলিম্পিয়াডে অংশ নেয়া মেধাবী শাশ্বত’র সনদ।

‘আমি পড়াশোনাটা শেষ করতে চাই’:শরীর চলেনা। কিন' ওর মাথা থেকে পড়াশোনার নেশা কাটেনি। আমার কাঁধে মাথা রেখে আসেত্ম আসেত্ম ও বলছিলো, ‘দাদা, ইন্ডিয়া থেকে ফিরেই আমি কিন' ক্লাশে যাবো। হুইল চেয়ারে হলেও যাবো। আর সেপ্টেম্বরে ইয়ার ফাইনালটাও দেবো।’ মামুন স্যার এটা শুনে বললেন, আগে সুস' হও। তারপর ফিরো। প্রয়োজনে ইয়ার ড্রপ দিয়ো।’ কিন' রাজি না শাশ্বত। বললো, ‘আমি ঘরের বাইরে যেতে চাই, দাদা। পিস্নজ, ব্যবস্থা করেন। আমি উঠে দাঁড়াতে চাই, দাদা। পড়াশোনাটা শেষ করতে চাই।’ কথাগুলো বলতে বলতে জলে আটকে আসে ওর কণ্ঠ।

১০ জুন ভারতে যাচ্ছে শাশ্বত: ট্রাভেল ট্যাক্স এখনো দেয়া হয়নি ব্যাংকে। তাই ৯ জুন যাওয়া হচ্ছেনা। ১০ জুন বাবার সঙ্গে ভারতে যাবে শাশ্বত। ২১ জুন ওর চেকআপ। ফিরতে ফিরতে ৬ জুলাই। ওখানে চিকিৎসকদের নির্দেশনা অনুযায়ী ওর চিকিৎসার পরবর্তী ধাপ শুরু হবে।

সবার মুখে শাশ্বত: একফাঁকে সুগারমিলে ঢুকেছিলাম আমরা। মিলের মহাব্যবস্থাপক এসএম সুদর্শন ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী গোলাম মোর্তুজাসহ মিলের অনেক কর্মচকর্তা-কর্মচারীও বললেন শাশ্বত’র কথা। তারা আমাদের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে দেশের সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন।

শেষ দৃশ্য, বড় কষ্ট: শাশ্বতর বর্তমান অবস্থা দেখে সকাল থেকেই কুব কষ্ট পাচ্ছিলাম। ওর আর ওর বাবা-মা’র পিড়াপিড়িতে দুপুরের খাওয়া শেষ করে যখন বিদায় নিচ্ছিলাম তখন দেখতে হলো বড় কষ্টের দৃশ্যটি। খাট থেকে দুহাতে ভর দিয়ে নামলো শাশ্বত। বললো, বাথরম্নমে যাবো। আমরা ধরতে গেলাম। ও নিষেধ করলো। হাতের ওপর ভর দিয়ে ছেঁচড়িয়ে ছেঁচড়িয়ে বাথরুমের দিকে এগুলো। খোলা দরজা দিয়ে ঢুকে বাথরুম সেরে আবার ছেঁচড়িয়ে ছেঁচড়িয়ে খাটের দিকে এলো। এসময় আমাদের বুকের ভেতরে কষ্টে খচখচ করছিলো। ভাবলাম, ওর বাবা-মা-বোন কী করে এতদিন কত কষ্ট করে এই দৃশ্য হজম করে আসছেন? এরপর হাত দুটো খাটের ওপর চাপ দিয়ে বিছানায় উঠে একেবারে গা এলিয়ে দিলো। মাত্র কয়েক মিনিটের এই পরিশ্রমে ঘেমে একেবারে নেয়ে গেলো ছেলেটা। হাসফাঁস করছিলো শাশ্বত। এমন দৃশ্য কি সহ্য করার মতো?
বিদায় নেবার সময় একেবারে নিশ্চুপ শাশ্বত। শুধু ফ্যাল ফ্যাল করে তাকিয়ে ছিলো আমাদের দিকে। আমার ওর হাত ধরে বললাম,‘চিন্তা করোনা, শাশ্বত। তুমি আবার উঠে দাঁড়াবে। আমরা আছি তোমার পাশে।’ তখনও নিশ্চুপ তাকিয়ে ছিলো শাশ্বত সত্য।


বিশেষ বাণী: আরো অনেক কিছু লেখার ছিলো। দ্রম্নত বস্নগারদের শাশ্বতর আপডেট তথ্য জানাবার জণ্য দ্রম্নত লিখলাম। বাকি কথা অন্য দিন লেখার আশা রইল।
-বস্নগার
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sujonmcblog/28807220 http://www.somewhereinblog.net/blog/sujonmcblog/28807220 2008-06-07 20:10:19
একটি ছেলে (শাশ্বত সত্যকে বাঁচাতে এগিয়ে আসুন সবাই মিলে)

একটি ছেলে জানলা দিয়ে
হাত বাড়িয়ে রয়,
বিকেল বেলার আকাশখানা
দেখতে কেমন হয়?

শয্যা ছাড়ার শক্তিটুকু
সেই ছেলেটার নেই,
দিয়েছিলেন যেই বিধাতা
নিলেন আবার সেই।

কিন্তু ছেলে একটুখানি
দমিয়ে যাবার নয়,
দেখতে সে চায় কেমন করে
মানুষ বড় হয়।

এমন করে দিন কেটেছে
এমন করে রাত,
জোড়াগুলো পা খুলেছে
আর খুলেছে হাত।

তবুও ছেলের দুচোখ জুড়ে
স্বপ্ন এবং আশা,
দেখবে আবার সুনীল আকাশ
সঙ্গী ভালোবাসা।

সবাই মিলে এগিয়ে আসা
স্বপ্নটা ওর বাঁচায়,
থাকবেনা আর মেধাবী মন
অসুখ নামের খাঁচায়।


০৬ জুন, ২০০৮

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sujonmcblog/28806889 http://www.somewhereinblog.net/blog/sujonmcblog/28806889 2008-06-06 19:14:51
শনিবার শাশ্বত'র বাড়ি যাচ্ছি আমরা ৯ জুন শাশ্বত ভারতের উদ্দেশ্যে রওনা দেবে ওর মেডিক্যাল চেকআপের জন্য।]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/sujonmcblog/28806596 http://www.somewhereinblog.net/blog/sujonmcblog/28806596 2008-06-05 20:14:15 একটা ছবি একটা ছবি আঁকা,
সেই ছবিটা বললে কথা
হয়যে ভালো থাকা।

সেই ছবিখান চুপ থাকে যেই
বুকটা আমার কাঁদে,
এই দেহ-প্রাণ যায় যে উঠে
কষ্ট বাড়ির ছাদে।

সেই ছবিখান হাসলে আমি
প্রাণটা খুলে হাসি,
সেই ছবিরে প্রাণটা দিয়ে
অনেক ভালোবাসি।

সেই ছবিটার সঙ্গে আমার
দিন-রাত্রি কাটে,
সারাটা দিন মনের ভেতর
সেই ছবিটা হাটে।

রাত্রি হলে সেই ছবিটা
ক্লান্ত হয়ে এসে,
আমার বুকে ঘুমিয়ে পড়ে
গভীর ভালোবেসে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sujonmcblog/28806112 http://www.somewhereinblog.net/blog/sujonmcblog/28806112 2008-06-04 11:48:48
শাশ্বত সত্য বিষয়ক সর্বশেষ তথ্য আগামী ৯ জুন দর্শনা হয়ে ভারতে যাবে বলে জানিয়েছে। সেখানে চিকিৎসকরা ওর বডি চেকআপ করে চিকিৎসার পরবর্তী ধাপ অর্থাৎ ইন্জেকশন দেয়া শুরু করতে পারেন বলে শাশ্বত জানিয়েছে। নাটোর চিনিকলের পাশে অবস্থিত ওর বাড়ি থেকে নাটোরের আবদুলপুর রেল স্টেশন থেকে ও ট্রেনে চেপে প্রথমে দর্শনা যাবে। সেখান থেকে স্ট্রেচারে করে ওকে সীমান্ত পার করা হবে। এরপর ভারত সীমানায় ঢুকে বাসে চড়ে ওকে নিয়ে যাওয়া হবে ভ্যালোরে।

ব্লগ কর্তৃপক্ষের কাছে আবারো অনুরোধ- শাশ্বত সত্য বিষয়ক একটি পোস্ট স্টিকি করুন দয়া করে। ওর বিছানায় শোয়া এই অসহায় ছবিটা আমরা দেখতে চাইনা। আমরা চাই ও বিছানা ছেড়ে আবার ফিরুক রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সবুজ চত্বরে। ওর প্রিয় বিভাগে।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sujonmcblog/28805876 http://www.somewhereinblog.net/blog/sujonmcblog/28805876 2008-06-03 17:34:18
সমুদ্র গুপ্তর পাশে কি শাশ্বত্য কি থাকতে পারেনা? তাই আমরা ব্লগ কর্তৃপক্ষের কাছে বিশেষ অনুরোধ রাখছি-শাশ্বত বিষয়ক যেকোন একটি পোস্ট আবারো স্টিকি করা হোক। যাতে অসংখ্য মানুষের কাছে আমরা পৌঁছে দিতে পারি শাশ্বতকে বাঁচানোর আহ্বান। এর আগে তো আমরা দেখেছি একাধিক পোস্ট স্টিকি করা হয়েছে। তাই কবি সমুদ্র গুপ্ত বিষয়ক পোস্টের পাশাপাশি শাশ্বত সত্য বিষয়ক একটি পোস্ট কি স্টিকি করে রাখা যায়না? একটু তাড়াতাড়ি ভাবুন না কর্তৃপক্ষ।



...স্কুল শিক্ষক বাবার পক্ষে শাশ্বতের জন্য ১৬ লাখ টাকা জোগানো সম্ভব নয়। কিন্তু মাত্র ১৬ লাখ টাকার জন্য আমরা গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা পরিবার মেধাবী শাশ্বত সত্যকে হারাতে চাইনা। ওর জন্য আমরা মাঠে নেমেছি। আসুন না, আমাদের সঙ্গে হাত বাড়িয়ে শাশ্বত সত্য'র চিকিৎসার টাকাটা জোগাড় করে ফেলি। কী পারবো না আমরা?

ব্যাংক অ্যাকাউন্ট:
০১.'শাশ্বত চিকিৎসা সহায়তা' অ্যাকাউন্ট নং-৩৪২৬০৪৯৮, অগ্রণী ব্যাংক, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা।
০২.‘Saswota Chikitsa-Sohayota’ AC no: 135-101-33705, Dutch-Bangla Bank Limited.
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sujonmcblog/28805547 http://www.somewhereinblog.net/blog/sujonmcblog/28805547 2008-06-02 19:42:23
পোস্ট স্টিকি থেকে চলে গেছে, শাশ্বত কিন্তু এখনো আছে: এগিয়ে আসুন
ছবি:
শাশ্বত সত্যকে বাঁচানোর আহ্বান জানানো গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের পোস্টার।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sujonmcblog/28805203 http://www.somewhereinblog.net/blog/sujonmcblog/28805203 2008-06-01 17:23:52
শাশ্বত সত্যকে বাঁচাতে চাই আমরা ২০০৪ সালে শাশ্বতকে আবার নিয়ে যাওয়া ভেলরে। ডাক্তাররা জানান যে, তার Ankilosing spondylitis রোগ হয়েছে যা Seronegative rheunatoid arthritis এবং Seronegative spondilo arthopedy রোগের আরও ভয়ংকর রূপ। এ সময় ডাক্তাররা মত প্রকাশ করেন যে, বাম পায়ের হিট জয়েন্ট বা অস্থিসন্ধি সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে গেছে এবং প্রত্যেকটি জয়েন্ট আস্তে আস্তে নষ্টের দিকে এগোচ্ছে। যদি না তাকে ৪টি বিশেষ ইনজেকশন অতিসত্ত্বর না দেয়া হয় তাহলে তার দেহের অন্যান্য হাড়ের জয়েন্টও নষ্ট হয়ে যাবে। এই ৪টি বিশেষ ইনজেকশন তাকে নিতে হবে ১ সপ্তাহ পর পর ৪ সপ্তাহে চারটি। ডাক্তাররা বলে দিয়েছেন প্রত্যেকটি ইনজেকশনের দাম ইন্ডিয়ান ২ লাখ রূপি যা বাংলাদেশী টাকার ৪ লাখ টাকা। মোট দরকার ১৬ লাখ টাকা। ডাক্তাররা আরোও বলেন এ রোগের কারণ অজানা এবং আরোও বলেন ধারণা করা হয় যে, HLA ও B-27 নামক এন্টিবডি তার শরীরে তৈরী হয় যা শরীরের ভেতর থেকে উৎপন্ন হয়ে প্রতিটি হাড়ের জয়েন্টে আক্রমণ করে। প্রতিটি হাড়ের জয়েন্টে থাকে Synovial gell। এই এন্টিবড়ি সেই Synovial gell কে শুকিয়ে দেয় বা নষ্ট করে দেয়। Synovial gell এর কাজ হলো হাড়ের জয়েন্টগুলো যাতে সহজে নড়াচড়া করতে পারে। সেজন্য এটি দুই জয়েন্টের মাঝখানে থাকে। এক্ষেত্রে ডাক্তারের কথিত ইনজেকশনগুলো HLA ও B-27 কর্তৃক Synovial gell কে নষ্ট হওয়ার হাত থেকে বাঁচাবে। ডাক্তার বলেন যে, হিপ জয়েন্ট বা অসি'সন্ধি নষ্ট হয়ে গেলে সেটি পরিবর্তন করা যাবে কিন' হাতের হাতের আঙ্গুলের জয়েন্ট যদি নষ্ট হয়ে যায় তাহলে তা আর পরিবর্তন করা যাবে না। ইনজেকশগুলো নিলে কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়াই তার সবকিছু রক্ষা পাবে।
কিন্তু প্রায় দু’বছর যাবৎ তার চিকিৎসা বন্ধ রয়েছে। তার বাম পা ও মেরুদন্ড বেঁকে গিয়েছে। সে একটি স্ক্রাচ্‌ নিয়ে চলাচল করে যা ডাক্তার কর্তৃক একেবারেই নিষিদ্ধ। কিন্তু তার পড়াশুনার প্রতি প্রবল ইচ্ছা ও আগ্রহের কারণে অসহ্য যন্ত্রণার মধ্যেও মাত্র আড়াই মাস পড়াশুনা করেই ২০০৭ সালে ৩.১০ জিপিএ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়। চলতি শিক্ষাবর্ষে (২০০৭-২০০৮ শিক্ষাবর্ষ) রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগে ভর্তি হয়।
স্কুল শিক্ষক বাবার পক্ষে শাশ্বতের জন্য ১৬ লাখ টাকা জোগানো সম্ভব নয়। কিন্তু মাত্র ১৬ লাখ টাকার জন্য আমরা গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা পরিবার মেধাবী শাশ্বত সত্যকে হারাতে চাইনা। ওর জন্য আমরা মাঠে নেমেছি। আসুন না, আমাদের সঙ্গে হাত বাড়িয়ে শাশ্বত সত্য'র চিকিৎসার টাকাটা জোগাড় করে ফেলি। কী পারবো না আমরা?

ব্যাংক অ্যাকাউন্ট:
০১.'শাশ্বত চিকিৎসা সহায়তা' অ্যাকাউন্ট নং-৩৪২৬০৪৯৮, অগ্রণী ব্যাংক, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা।
০২.‘Saswota Chikitsa-Sohayota’ AC no: 135-101-33705, Dutch-Bangla Bank Limited.

(২৭ মে ২০০৮ তারিখে এই ব্লগে প্রকাশিত)]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sujonmcblog/28803840 http://www.somewhereinblog.net/blog/sujonmcblog/28803840 2008-05-28 16:50:58
শাশ্বত সত্যকে বাঁচাতে চাই আমরা ২০০৪ সালে শাশ্বতকে আবার নিয়ে যাওয়া ভেলরে। ডাক্তাররা জানান যে, তার Ankilosing spondylitis রোগ হয়েছে যা Seronegative rheunatoid arthritis এবং Seronegative spondilo arthopedy রোগের আরও ভয়ংকর রূপ। এ সময় ডাক্তাররা মত প্রকাশ করেন যে, বাম পায়ের হিট জয়েন্ট বা অস্থিসন্ধি সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে গেছে এবং প্রত্যেকটি জয়েন্ট আস্তে আস্তে নষ্টের দিকে এগোচ্ছে। যদি না তাকে ৪টি বিশেষ ইনজেকশন অতিসত্ত্বর না দেয়া হয় তাহলে তার দেহের অন্যান্য হাড়ের জয়েন্টও নষ্ট হয়ে যাবে। এই ৪টি বিশেষ ইনজেকশন তাকে নিতে হবে ১ সপ্তাহ পর পর ৪ সপ্তাহে চারটি। ডাক্তাররা বলে দিয়েছেন প্রত্যেকটি ইনজেকশনের দাম ইন্ডিয়ান ২ লাখ রূপি যা বাংলাদেশী টাকার ৪ লাখ টাকা। মোট দরকার ১৬ লাখ টাকা। ডাক্তাররা আরোও বলেন এ রোগের কারণ অজানা এবং আরোও বলেন ধারণা করা হয় যে, HLA ও B-27 নামক এন্টিবডি তার শরীরে তৈরী হয় যা শরীরের ভেতর থেকে উৎপন্ন হয়ে প্রতিটি হাড়ের জয়েন্টে আক্রমণ করে। প্রতিটি হাড়ের জয়েন্টে থাকে Synovial gell। এই এন্টিবড়ি সেই Synovial gell কে শুকিয়ে দেয় বা নষ্ট করে দেয়। Synovial gell এর কাজ হলো হাড়ের জয়েন্টগুলো যাতে সহজে নড়াচড়া করতে পারে। সেজন্য এটি দুই জয়েন্টের মাঝখানে থাকে। এক্ষেত্রে ডাক্তারের কথিত ইনজেকশনগুলো HLA ও B-27 কর্তৃক Synovial gell কে নষ্ট হওয়ার হাত থেকে বাঁচাবে। ডাক্তার বলেন যে, হিপ জয়েন্ট বা অসি'সন্ধি নষ্ট হয়ে গেলে সেটি পরিবর্তন করা যাবে কিন' হাতের হাতের আঙ্গুলের জয়েন্ট যদি নষ্ট হয়ে যায় তাহলে তা আর পরিবর্তন করা যাবে না। ইনজেকশগুলো নিলে কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়াই তার সবকিছু রক্ষা পাবে।
কিন্তু প্রায় দু’বছর যাবৎ তার চিকিৎসা বন্ধ রয়েছে। তার বাম পা ও মেরুদন্ড বেঁকে গিয়েছে। সে একটি স্ক্রাচ্‌ নিয়ে চলাচল করে যা ডাক্তার কর্তৃক একেবারেই নিষিদ্ধ। কিন্তু তার পড়াশুনার প্রতি প্রবল ইচ্ছা ও আগ্রহের কারণে অসহ্য যন্ত্রণার মধ্যেও মাত্র আড়াই মাস পড়াশুনা করেই ২০০৭ সালে ৩.১০ জিপিএ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়। চলতি শিক্ষাবর্ষে (২০০৭-২০০৮ শিক্ষাবর্ষ) রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগে ভর্তি হয়।
স্কুল শিক্ষক বাবার পক্ষে শাশ্বতের জন্য ১৬ লাখ টাকা জোগানো সম্ভব নয়। কিন্তু মাত্র ১৬ লাখ টাকার জন্য আমরা গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা পরিবার মেধাবী শাশ্বত সত্যকে হারাতে চাইনা। ওর জন্য আমরা মাঠে নেমেছি। আসুন না, আমাদের সঙ্গে হাত বাড়িয়ে শাশ্বত সত্য'র চিকিৎসার টাকাটা জোগাড় করে ফেলি। কী পারবো না আমরা?

ব্যাংক অ্যাকাউন্ট:
০১.'শাশ্বত চিকিৎসা সহায়তা' অ্যাকাউন্ট নং-৩৪২৬০৪৯৮, অগ্রণী ব্যাংক, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা।
০২.‘Saswota Chikitsa-Sohayota’ AC no: 135-101-33705, Dutch-Bangla Bank Limited.]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sujonmcblog/28803442 http://www.somewhereinblog.net/blog/sujonmcblog/28803442 2008-05-27 18:03:47
বগড়ার লোক, কুন্টি বারে সগলি? হামরা বগড়ার ছোল
পুটি মাছ ধরবার যায়া
ধরা আনি বোল।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sujonmcblog/28803106 http://www.somewhereinblog.net/blog/sujonmcblog/28803106 2008-05-26 20:24:01
থাকবেনা তো মাটি কেউ পড়ে রয় জেলে,
মামলা নিয়ে কেউবা বাঁচে
হেসে এবং খেলে।

তার মানে কি ম্যানেজ হলো
ডাকাত ধরার সাধু,
তার মানে কি লাউ যে ছিলো
তাহাই এখন কদু্?

তাইলে কেন ওয়ান ইলেভেন
তাইলে কেন জেল?
পাওয়ার পেয়ে সাধু মশাই
খেলছে বুঝি খেল?

এমন খেলা খেললে সাধু
গুটাও খড়ম-বাটি,
থাকবে শুধু পদযুগলই
থাকবেনা তো মাটি।



পুনশ্চ: ছবিখানা সমকাল থেকে ধার করে নেয়া।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sujonmcblog/28799349 http://www.somewhereinblog.net/blog/sujonmcblog/28799349 2008-05-18 12:59:40
দাওগো নোটিশ দাও কার জমিটা কে নিয়েছে
দুদকে দেয় হানা,
দুদক খোঁজে লাইট জ্বেলে
নিয়ম নীতির শেকড় ফেলে
কে খেয়েছে খানা।

মুক্তিসেনার রক্তে কেনা
এই বাংলার মাটির কনা
থাকবে শুধুই তারা,
একাত্তরে নিজের মায়ের
ভাই-বোন বা নিজের গায়ের
মাংস খায়নি যারা।

একাত্তরের মাংসাশীরাই
বাংলাতে দেখ্ আজকে তারাই
সঙ্গে তাদের ছাও,
এইখানে কি দুদক কানা
এই কথাটা যায় না মানা
দাওগো নোটিশ দাও।

০২.০৫.২০০৮

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sujonmcblog/28794170 http://www.somewhereinblog.net/blog/sujonmcblog/28794170 2008-05-04 18:24:42
কেমনে তোমায় ভুলবো বাবা কেমন জানি মনটা বলে তোমার যাওয়া সত্য নয়।

তোমার আদর-ভালোবাসা এবং মায়ার দানগুলি
মনের জমিন জুড়ে আমার খেলছে কেবল ডাংগুলি।

ডাংগুলিটার আঘাত পেয়ে বুকটা ভেঙে খানখান
তাইতো বাবা দেখতে তোমায় এ মন করে আনচান।

শুনিনা আর কণ্ঠে তোমার আদর ভরা মধুর ডাক
কেমন যেনো থমকে গেছে আমার জীবন নদীর বাঁক।

সাইকেলটার বেল শুনি যেই পড়ার টেবিল ছেড়ে
বাজার করা সওদাপাতি নিতাম দুহাত বেড়ে।

এখন বাবা কান পেতে রই বেলটি শোনার আশায়
সাইকেল আছে বেলও বাজে ফেরোনা আর বাসায়।

আমায় ছেড়ে কেমন করে একলা তুমি থাকো
একবারও কি হয়না মনে মানিক বলে ডাকো?

আমায় তুমি বকতে বাবা লিখলে আমি ছড়া
'ওদিক যে সব রইলো পড়ে তোমার যত পড়া!'

তবুও তুমি ছাপলে ছড়া নামটি আমার দেখে
গর্ব হাসি হাসতে বাবা আদর-সোহাগ মেখে।

কেমনে তোমায় ভুলবো বাবা তাই কি ভোলা যায়?
তুমিই আমায় উঠিয়ে দিলে জীবন চলার নায়। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sujonmcblog/28793490 http://www.somewhereinblog.net/blog/sujonmcblog/28793490 2008-05-02 10:59:48
আদিবাসীদের নেতা নির্বাচন সকাল ১০টা নাগাদ মুশরইলে পৌছে গেলাম আমরা। তখনও জানতাম না কী অনুষ্ঠানে যোগ দিতে এখানে আমার আসা। আরিফ ভাই বা আন্দ্রিয়াস দা কিছুই বলেন নি। সেখানে গিয়ে টিনের চাল দেয়া ক্লাব ঘরে বসে আদিবাসী নেতা স্টিফেন পাহাড়িয়ার কাছে জানলাম মূল ঘটনা। বাইশি পরিষদের দায়িত্ব গ্রহণ অনুষ্ঠান দেখতেই আমরা এসেছি, জানলাম তার কাছে।
শত শত বছর আগে থেকেই আদিবাসীরা স্ব-শাসিত সমাজ কাঠামোয় অভ্যস্ত। এই কাঠামোর ২টা স্তর। এক. প্রত্যকটি আদবাসি গ্রামে আদিবাসীরা নিজেদের একজন নেতা নির্বাচন করবেন, যাকে পাহাড়িয়া ভাষায় মান্ডরে বলা হয়। মান্ডরে-এর বাংলা প্রধান। তার সঙ্গে একজন সহকারী প্রধান বা শারওয়ে মান্ডরেও থাকবেন।
দু্ই. এভাবে ২২টি গ্রামে নেতা নির্বাচনের পর ২২ গ্রামের প্রধানদের ভোটে একজন বাইশি প্রধান বা বাইশি মান্ডরে নির্বাচন করা হবে, যিনি এই ২২ গ্রামের আদিবাসীদের নেতা হবেন। তার একজন সহকারী বাইশি মান্ডরে এবং সাধারণ সম্পাদক বা পাহাড়িয়া ভাষায় কাটওয়ার থাকবেন।
এভাবে সেই আদিকাল থেকে আদিবাসীরা তাদের সমাজ চালাতো। কিন্তু নানান কারণে এবং বিভিন্ন সময় নির্যাতন-নিপীড়নের ফলে তাদের এই ঐতিহ্য হারিয়ে যেতে বসেছে। সেই পুরনো ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতেই বাইশি পরিষদের এই অনুষ্ঠান।
মুশরইল ও এরআশপাশের আদিবাসীরা নিজেদের জন্যই বাইশি পরিষদ চাঙা করার ব্যাপারে ভেবেছেন। তাই গত ৬ মার্চ ২২ গ্রাম প্রধান মান্ডরে ভোট দিয়ে একজন বাইশি মান্ডরে নির্বাচন করেছেন। আর শুক্রবার ছিলো সেই বাইশি মান্ডরের দায়িত্ব গ্রহণ।
বেলা ১১ টার দিকে স্থানীয় গির্জা ঘরে শুরু হলো অনুষ্ঠান। ২২ গ্রামের আদিবাসী নারী-পুরুষ-বৃদ্ধ-শিশু সবাই গির্জার মেঝেতে কার্পেটে বসে আছেন। অধীর আগ্রহ নিয়ে নতুন নেতার দায়িত্ব গ্রহণের দৃশ্য দেখার অপেক্ষা করছেন। অবশেষে নিজেদের ঐতিহ্য পাগড়ি আর লাঠি হাতে নিয়ে দায়িত্ব গ্রহণ করলেন। তালি আর ফুল দিয়ে তারা বরণ করলো নেতাকে।
এরপর বক্তৃতা দিতে গিয়ে অন্য গ্রাম প্রধানরা শত শত বছর ধের মরচে পড়ে থাকা তাদের এই রীতিকে নতুন উদ্যোমে অব্যহত রাখতে অনুরোধ করেন নতুন বাইশি মান্ডরে জমু পাহাড়িয়া। মাঝখানে চললো মুড়ি বিরতি আর চা। লবন-মরিচ-পেয়াজ দিয়ে মাখানো সে মুড়ির স্বাদ এখনো জিভে লেগে আছে। আর স্টিলের গ্লাসে খাওয়া চা যেনো অমৃত।
দুপুরে খাবার খেতে বসলাম আমরা। বাইশি মান্ডরে জমু বিশ্বাসের বাড়ির উঠোনে কাবার আয়োজন। সাদা ভাত আর ইলিশ মাছের কাটা দিয়ে তৈরি আলুঘাটি। মাছ-মাংস না থাকলেও স্বভাববিরুদ্ধ খেলাম। কারণ, মনে হলো বহু বছর পর মনে হচ্ছে কিছু একটা খাচ্ছি।
খাওয়া শেষে শুরু হলো আদিবাসীদের নিজস্ব সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। আপনারা মুগ্ধ হবেন ওদের শিশুদের পরিবশনা দেখলে। স্কুলে বেঞ্চ জড়ো করে বানানো মঞ্চে ওপরে সামিয়ানা। ছোট একটা সাউন্ড বক্স। কিন্তু আনন্দটা অনেক বেশি। ওদের চোখের দিকে তাকালেই সে আনন্দ চিক চিক করে হাসে।
আমি বেশিক্ষণ থাকতে পারিনি। সংবাদ লেখার তাগিদে রোদ পড়ার আগেই বের হতে হয়েছে মুশরইল থেকে। তখনো পাহাড়িয়া ভাষায় চলছিল ওদের অনুষ্ঠান। আসবার সময় বাইশি মান্ডরে জমু বিশ্বাস বললেন, কত শত বছর আগে এরকম অনুষ্ঠান করে কোন বাইশি প্রধান দায়িত্ব নিলো, আমার জানা নেই। তবে এখন থেকে প্রতি তিন বছর পর পর আপনারা এরকম অনুষ্ঠানের আমন্ত্রন পাবেন।
আমিও একগাল হেসে সেই আমন্ত্রনের অপেক্ষা মাথায় নিয়ে বিদায় নিলাম।

ছবিতে বাইশি মান্ডরে জমু পাহাড়িয়াকে পাগড়ী পরিয়ে দেয়া হচ্ছে।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sujonmcblog/28786867 http://www.somewhereinblog.net/blog/sujonmcblog/28786867 2008-04-11 20:01:25
জাগতে হবে ফের (স্বাধীনতার ছড়া) অনেক ব্যথা দিনে দিনে
এক এক হয়েছে এক,
এই বাংলার সবুজ বুকে
মুক্তিসেনা ধুঁকে ধুঁকে
মরছে চেয়ে দ্যাখ।

সব রাজাকার সবল হয়ে
দেশ ভাঙবার শক্ত লয়ে
টানছে দেখো জের,
বীর বাঙালি চুপটি কেনো
সব হারিয়ে নিঃস্ব যেনো
জাগতে হবে ফের।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sujonmcblog/28782755 http://www.somewhereinblog.net/blog/sujonmcblog/28782755 2008-03-26 19:37:23
সব রাজাকার ঠেকিয়ে দে রে ওদের মুখে দেশ,
জোগায় বেজায় হাসির খোরাক
হাসতে থাকো বেশ।

একাত্তরে এদেশ জুড়ে
পিশাচ রাজের মাল্লা,
তাদের হাতেই স্বাধীন দেশে
ন্যায়ের দাঁড়িপাল্লা।

কবর থেকে লক্ষ শহীদ
করছে বুঝি কান্না,
সব রাজাকার ঠেকিয়ে দে রে
ঢের হয়েছে আর না।

ওদের হাতে আজো মিশে
আমার ভাইয়ের রক্ত,
সেই হাতে যে ধরছে নিশান
সহ্য করা শক্ত।

ধর্ষিতা সব মা-বোনেদের
আবার শোনো কান্না,
সব রাজাকার ঠেকিয়ে দে রে
ঢের হয়েছে আর না।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sujonmcblog/28780904 http://www.somewhereinblog.net/blog/sujonmcblog/28780904 2008-03-20 18:25:12
রাজাকারে ঠেকান দিতে লেজ কেটেছে লেজ,
আবার ওরা বইছে বুকে
একাত্তরের তেজ।

লেজ কেটেছে শুয়ারগুলো
দিচ্ছে ভীষণ হাঁক,
কোথায় আছে হামিদ-মতি
হাত উঁচিয়ে ডাক।

ভোল ছেড়েছে গোখরোগুলো
বিষ কমেনি বিষ,
অধীন হবি রাজাকারে
ছাড়টা যদি দিস।

সবাই মিলে এক না হলে
ফিরবে ওদের দিন,
রাজাকারে ঠেকান দিতে
আজকে শপথ নিন।

১৮.০৩.২০০৮]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sujonmcblog/28780251 http://www.somewhereinblog.net/blog/sujonmcblog/28780251 2008-03-18 18:50:32
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রেসক্লাবের নির্বাচন অনুষ্ঠিত গতকাল রোববার সকাল ১০ টা থেকে ভোট গ্রহণ শুরু হয়। একটানা দুপুর ২টা পর্যন- ৪৬ জন ভোটার তাদের ভোট প্রয়োগ করেন। ১৩ সদস্য বিশিষ্ট কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন; সহ-সভাপতি হাসনাত রাব্বী বাপ্পী (তরঙ্গ নিউজ ডট কম) ও মমিনুল ইসলাম (খবরপত্র), সহ-সাধারণ সম্পাদক এরশাদুল বারী কর্ণেল (ভোরের ডাক), কোষাধ্যক্ষ সাজ্জাদ হোসেন (সংগ্রাম), সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মনসুর আলী সৈকত (উত্তরাঞ্চল), ক্রীড়া সম্পাদক ইসমাইল হোসেন (বিডিনিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম), দপ্তর সম্পাদক আলী আজগড় খোকন (আজকের কাগজ), প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হোজ্জাতুল ইসলাম সোহাগ (আমাদের সময়), কার্যনির্বাহী সদস্য মোস-াফিজুর রহমান তিতাস (দেশবাংলা), ওসমান গণি (দৈনিক বার্তা) ও সামসুল ইসলাম কামরুল (সমাচার)।
এই নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্ব পালন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস'াপনা বিভাগের অধ্যাপক ড. এএনএম জাহাঙ্গীর কবির এবং নির্বাচন পর্যবেক্ষক হিসেবে ছিলেন ফাইন্যান্স এন্ড ব্যাংকিং বিভাগের অধ্যাপক আমজাদ হোসেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ফরিদুল ইসলাম, সাবেক ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক জাহিদ হোসেন মিল্কি, বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের পরিচালক অধ্যাপক আবদুর রহমান সিদ্দিকী, প্রথম আলোর রাবি প্রতিনিধি কুদরাত-ই-খুদা বাবু ও ডেইলি স্টারের আবু কালাম রতন।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sujonmcblog/28779701 http://www.somewhereinblog.net/blog/sujonmcblog/28779701 2008-03-16 21:01:26